× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
DR Congo stopped Ronaldos Portugal
google_news print-icon

রোনালদোর পর্তুগালকে আটকে দিল ডিআর কঙ্গো

রোনালদোর-পর্তুগালকে-আটকে-দিল-ডিআর-কঙ্গো

বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী দল পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ঐতিহাসিক এক ড্র আদায় করে নিয়েছে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪৮তম স্থানে থাকা ডিআর কঙ্গো। বুধবার (১৭ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচটি ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে গোল করে দুর্দান্ত সূচনা করলেও পরবর্তীতে কঙ্গোর রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও ভিতিনাহরা। এই ড্রয়ের মাধ্যমে পর্তুগাল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলেও ডিআর কঙ্গো অর্জন করেছে তাদের ফুটবল ইতিহাসের এক গৌরবময় মাইলফলক।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য বজায় রাখে পর্তুগাল। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটে গোল পেয়ে এগিয়ে যায় তারা। বাম দিক থেকে পর্তুগিজ উইঙ্গার পেদ্রো নেতোর একটি নিখুঁত ক্রসে দারুণ হেডে বল কঙ্গোর জালে জড়িয়ে দেন তরুণ মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। শুরুর এই গোলের পরও পর্তুগাল খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও ডিফেন্ডার ও অধিনায়ক চ্যান্সেল এমবেম্বার নেতৃত্বে কঙ্গোর রক্ষণভাগ ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় এবং তাদের আক্রমণভাগের ফুটবলার ইয়োয়ান উইসা বেশ কয়েকটি পাল্টা আক্রমণ শানাতে শুরু করেন।

প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয় কঙ্গো। অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে (৪৫+৪ মিনিট) একটি কর্নার আদায় করে নেয় আফ্রিকার দলটি। ডান দিক থেকে উড়ে আসা ক্রসে ফার পোস্টে সম্পূর্ণ ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা উইসা দারুণভাবে উঁচুতে লাফিয়ে এক শক্তিশালী হেডে লক্ষ্যভেদ করেন। এই গোলের মাধ্যমে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতা ফেরার পাশাপাশি রচিত হয়েছে নতুন এক ইতিহাস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই ডিআর কঙ্গোর প্রথম গোল। এর আগে একটি আসরে অংশ নিলেও কোনো গোল করতে পারেনি দলটি, উল্টো ১৪টি গোল হজম করতে হয়েছিল তাদের।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে সমতা ভাঙার জন্য আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয় পর্তুগাল। একের পর এক আক্রমণ তৈরি করলেও স্ট্রাইকারদের ফিনিশিংয়ের দুর্বলতার কারণে গোলমুখ উন্মুক্ত করতে পারছিল না ফেভারিটরা। বিপরীতে কঙ্গো তাদের রক্ষণভাগ জমাট রেখে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে পাল্টা আক্রমণের ওপর জোর দেয়। পর্তুগালের আক্রমণগুলো বারবার কঙ্গোর ডিফেন্ডারদের প্রতিরোধে প্রতিহত হয়ে যায়। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত কোনো দলই আর গোল করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Ajira avenged the ODI loss

ওয়ানডে হারের প্রতিশোধ নিল অজিরা

ওয়ানডে হারের প্রতিশোধ নিল অজিরা

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরু করলেও প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকেরা। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করতে নামেন তাওহিদ হৃদয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১৩১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।

এদিন প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি বাংলাদেশের টপ-অর্ডার। ৩ ওভারের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম আউট হওয়ার পর সাইফ হাসান ১৪ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও সৌম্য সরকার দ্রুত ফিরে গেলে ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাঁচে নামা পারভেজ হোসেন ১০ রান এবং শামীম হোসেন ১ রান করে আউট হলে ব্যাটিং লাইনআপ বেশ চাপের মুখে পড়ে। অভিষিক্ত আবদুল গাফফার সাকলায়েন ১০ রান করে আউট হলে এক শ পার করার আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। তবে শেষ জুটিতে মেহেদী হাসানের ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের সময়োপযোগী ইনিংসে ভর করে ১৩১ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে অজিরা কিছুটা চাপে পড়লেও তরুণ অলরাউন্ডার কুপার কনোলির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচ সহজেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা। দলীয় ১৩ রানে ওপেনার জস ইংলিশকে বোল্ড করে প্রথম আঘাত হানেন শরীফুল ইসলাম। এরপর ১৩ রান করা অধিনায়ক মিচেল মার্শকে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আগের ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা ২২ বছর বয়সী কুপার কনোলি টি-টুয়েন্টিতেও তাঁর আগ্রাসী ফর্ম বজায় রাখেন। আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ৪৭ রানের এক কার্যকর ও বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি।

শেষদিকে টিম ডেভিডকে ফিরিয়ে দিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা পেস বোলিং অলরাউন্ডার আবদুল গাফফার সাকলায়েন ৪৭ রান করা কনোলিসহ মোট ২টি উইকেট শিকার করে নজর কেড়েছেন। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্য সত্ত্বেও অজিদের জয়ের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করা যায়নি। ১০ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে গাফফার ২টি এবং শরীফুল, মোস্তাফিজ ও শেখ মেহেদী ১টি করে উইকেট নেন। এই হারের পর সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে পরের ম্যাচে কঠোর পরীক্ষা দিতে হবে তাওহিদ হৃদয়ের দলকে।

মন্তব্য

খেলা
Maradona Pale graffiti on the wall is a different dimension to the World Cup frenzy in Bakribi

বাকৃবিতে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা, দেয়ালে ম্যারাডোনা-পেলের গ্রাফিতি

বাকৃবিতে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা, দেয়ালে ম্যারাডোনা-পেলের গ্রাফিতি ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত এই মহাযজ্ঞের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসেও। তবে শুধু বর্তমান সময়ের তারকা লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়র নন, ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি পেলে ও ম্যারাডোনার গ্রাফিতি এঁকে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের কমনরুমের দেয়ালে ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার প্রতিকৃতি অঙ্কন করেছেন ভেটেরিনারি অনুষদের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক শান্ত। অন্যদিকে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের প্রতিকৃতি এঁকেছেন পশুপালন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ ফারাবি।

মেসি-নেইমারদের পাশাপাশি পেলে-ম্যারাডোনাকে কেন্দ্র করে আঁকা দেয়ালচিত্র দুটি বাকৃবির বিশ্বকাপ উন্মাদনায় এনেছে ভিন্ন আমেজ। গ্রাফিতিগুলো দেখতে ও ছবি তুলতে প্রতিদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলে ভিড় করছেন বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা।

পেলের গ্রাফিতি অঙ্কনকারী ব্রাজিল সমর্থক ফারাবি বলেন, 'আমার কাছে পেলে ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। তিনিই একমাত্র ফুটবলার, যাঁর হাতে তিনটি বিশ্বকাপের ট্রফি উঠেছে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে তিনি যে কীর্তি গড়েছেন, তা আজও অনন্য।'

প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গ্রাফিতি তৈরির সময় ও পরিশ্রমের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 'পুরো কাজটি শেষ করতে আমার প্রায় তিন দিন ও তিন রাত লেগেছে। প্রথম দিন স্কেচ করতেই কেটে যায়। পরের দুই দিন রঙের কাজ করেছি। এখানে প্রায় ১৮ ধরনের রং ব্যবহার করা হয়েছে। ক্লাস শেষ করে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদিন আমার কাজ করতে হয়েছে।

এদিকে ম্যারাডোনার গ্রাফিতি অঙ্কনকারী আর্জেন্টিনা সমর্থক রেজওয়ানুল হক শান্ত বলেন, 'প্রতি চার বছর পর পর বিশ্বকাপ এলে ক্যাম্পাসে একটা উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়। সেই আনন্দকে আরও বাড়াতেই আমরা এই গ্রাফিতির উদ্যোগ নিই।'

শান্ত জানান, প্রায় ১১ ফুট উচ্চতার ম্যারাডোনার গ্রাফিতিটি আঁকতে তার প্রায় দুই দিন সময় লেগেছে। এতে জুনিয়র শিক্ষার্থীরাও তাকে সহযোগিতা করেছে। হলের আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অর্থায়নেই গ্রাফিতিটির যাবতীয় খরচ বহন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শুধু শাহজালাল হলই নয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল, সোহরাওয়ার্দী হল ও ঈশা খাঁ হলের দেয়ালেও শিক্ষার্থীরা ফুটিয়ে তুলেছেন বিশ্বকাপের হরেক রঙ। তবে চলতি প্রজন্মের তারকাদের ভিড়ে পেলে ও ম্যারাডোনার এই গ্রাফিতি দুটি ক্যাম্পাসে এনেছে নস্টালজিক হাওয়া।

আঁকার পর থেকেই তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই দুই শিক্ষার্থী।

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh won the toss and batted under the captaincy of Hriday against Australia

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হৃদয়ের অধিনায়কত্বে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হৃদয়ের অধিনায়কত্বে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ঐতিহাসিক ২-১ ব্যবধানে হারানোর পর আজ টি-টোয়েন্টি সিরিজেও জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে টাইগাররা। এই ম্যাচের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের ১৩তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হলো তরুণ তুর্কি তাওহীদ হৃদয়ের।

নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস তৃতীয় ওয়ানডেতে পাওয়া চোটের কারণে আজকের ম্যাচে খেলতে পারছেন না। তার অনুপস্থিতিতে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন পারভেজ হোসেন। এদিকে আজকের ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হচ্ছে পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইনের। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ২৪ ম্যাচে ২৪ উইকেট নেওয়া এই ক্রিকেটার লোয়ার অর্ডারে দ্রুত রান তুলতে সক্ষম। একাদশে আরও জায়গা করে নিয়েছেন একদিন আগে হুট করে দলে যুক্ত হওয়া অভিজ্ঞ ব্যাটার সৌম্য সরকার।

বাংলাদেশ দলে স্পিন আক্রমণে থাকছেন রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান এবং পেস বিভাগে মুস্তাফিজুর রহমান ও শরীফুল ইসলামের সাথে যোগ দেবেন নবাগত আব্দুল গাফফার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে আজ নতুন ইতিহাস গড়তে মুখিয়ে আছে স্বাগতিকরা। ২০০৫ সালের পর এবারই প্রথম অজিদের বিপক্ষে কোনো সিরিজ জয়ের গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ, যা দলের আত্মবিশ্বাসকে তুঙ্গে রেখেছে। চট্টগ্রামের উইকেটে বড় রান সংগ্রহ করে সফরকারীদের চাপে ফেলাই এখন অধিনায়ক হৃদয়ের প্রধান লক্ষ্য।

মন্তব্য

খেলা
FIFA has a special respect for the Allahu Akbar flag

‘আল্লাহু আকবার’ খচিত পতাকার প্রতি বিশেষ সম্মান ফিফার

‘আল্লাহু আকবার’ খচিত পতাকার প্রতি বিশেষ সম্মান ফিফার ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রচলিত প্রথা ভেঙে ধর্মীয় অনুভূতি ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে ফিফা। সৌদি আরবের পর এবার ইরাকের জাতীয় পতাকার ক্ষেত্রেও বিশেষ মর্যাদা নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

সাধারণত বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বিশালাকার পতাকা মাঠে নামিয়ে প্রদর্শন করার নিয়ম রয়েছে। তবে সৌদি আরবের পতাকায় পবিত্র ‘কালিমা’ খচিত থাকায় ফিফা সেটি মাটি স্পর্শ করতে দেয়নি, যা নিয়ে আগেই ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনা হয়েছিল। এবার ইরাকের পতাকার ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করল ফিফা। ইরাকি পতাকায় পবিত্র ‘আল্লাহু আকবার’ বাণী লেখা থাকায় সেটিও মাটিতে না নামিয়ে উঁচিয়ে প্রদর্শন করা হয়েছে।

ফিফা শুরুতে ওজনজনিত কারণে মাঠের ঘাস নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় এই অনুরোধটি বাতিল করার কথা ভাবলেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রাক-ম্যাচ অনুষ্ঠানে ইরাকের পতাকাটি সসম্মানে উঁচিয়ে রাখার ব্যবস্থা করে। তবে কেবল একটি দেশের পতাকাকে বিশেষ মর্যাদা দিলে অন্য দলের প্রতি বৈষম্য হতে পারে—এমন বিতর্ক এড়াতে ফিফা অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়। ইরাকের পাশাপাশি তাদের প্রতিপক্ষ নরওয়ের জাতীয় পতাকাটিও পুরো অনুষ্ঠান চলাকালীন সমান উচ্চতায় উঁচিয়ে রাখা হয়। এর ফলে মাঠে উভয় দেশের প্রতি সমান মর্যাদা ও এক অনন্য ভ্রাতৃত্বের আবহ তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র সৌদি আরব ও ইরাকের জাতীয় পতাকায় ধর্মীয় পবিত্র লিপি বা বাণী খচিত রয়েছে। ফিফার এই সময়োপযোগী ও সংবেদনশীল পদক্ষেপটি বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সমাদৃত হচ্ছে।

মন্তব্য

খেলা
Austria started the World Cup with a win over Jordan

জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার

জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ২৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেই রাজকীয় জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রিয়া। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ খেলা দলটি উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নবাগত জর্ডানকে ৩-১ গোল ব্যবধানে পরাজিত করেছে। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বমঞ্চে ফেরার ম্যাচে অস্ট্রিয়ানদের এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে অনেক বাড়িয়ে দিল।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া জর্ডানের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল অস্ট্রিয়া। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে ২১তম মিনিটে রোমানো শ্মিডের গোলে তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধ এই ব্যবধানেই শেষ হয়। তবে বিরতির পর জর্ডান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় আলি ওলওয়ানের গোলে সমতায় ফিরে চমকে দেয় অস্ট্রিয়াকে।

জর্ডানের এই খুশির আমেজ বেশিক্ষণ টেকেনি। ৭৬তম মিনিটে দুর্ভাগ্যজনকভাবে এক আত্মঘাতী গোল করে আবারও পিছিয়ে পড়ে জর্ডান। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে অস্ট্রিয়া তাদের তৃতীয় গোলটি আদায় করে নিলে জর্ডানের ফেরার সব পথ বন্ধ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রিয়া।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে শুভসূচনা করল অস্ট্রিয়া। তবে তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, কারণ পরের ম্যাচেই তাদের লড়তে হবে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে জর্ডান।

মন্তব্য

খেলা
Messi smashes world records in one match

মেসি ম্যাজিকে এক ম্যাচেই বিশ্ব রেকর্ডের  বন্যা

মেসি ম্যাজিকে এক ম্যাচেই বিশ্ব রেকর্ডের  বন্যা অপ্রতিরোধ্য মেসি। ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই অতিমানবীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন লিওনেল মেসি। কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের তিনটি গোলই করেছেন অধিনায়ক মেসি, যা তাকে ফুটবল ইতিহাসের অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

ম্যাচের উল্লেখযোগ্য অর্জন ও রেকর্ডসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

  • ম্যাচের ফলাফল: কানসাস সিটিতে আলজেরিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১৭, ৬০ ও ৭৬ মিনিটে গোল তিনটি করে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন লিওনেল মেসি।

  • ক্লোসার রেকর্ড স্পর্শ: এই ৩ গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মেসির মোট গোল সংখ্যা দাঁড়াল ১৬টি। এর ফলে তিনি জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার করা বিশ্বকাপের সর্বকালীন সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করলেন।

  • ইতিহাসের প্রথম ৬টি বিশ্বকাপ: ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০০৬-২০২৬) অংশ নেওয়ার একক রেকর্ড এখন মেসির দখলে।

  • ২০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলক: আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে আজ নিজের ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ পূর্ণ করলেন মেসি। ফুটবল ইতিহাসে মাত্র তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই বিরল মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার মোট গোলসংখ্যা ১২০টি।

  • বয়োজ্যেষ্ঠ হ্যাটট্রিককারী ও গোলদাতা: ৩৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করে মেসি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড গড়লেন। একইসঙ্গে তিনি রজার মিলার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে একাধিক গোল করা প্রবীণতম খেলোয়াড় হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

  • পাঁচ বিশ্বকাপে গোল: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর বিশ্বের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন মেসি।

  • ম্যাচসেরার নতুন উচ্চতা: আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচসেরা হয়ে বিশ্বকাপে মোট ১২টি 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' পুরস্কার জেতার রেকর্ড গড়লেন তিনি, যা ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর রয়েছে ৭টি পুরস্কার।

  • বক্সের বাইরে থেকে গোল: আজকের ম্যাচে দূরপাল্লার শটে গোল করার মাধ্যমে বিশ্বকাপে বক্সের বাইরে থেকে মোট ৫টি গোল করার কৃতিত্ব দেখালেন মেসি, যা ব্রাজিলের কিংবদন্তি রিভেলিনোর রেকর্ডের সমান।

  • আর্জেন্টিনার হয়ে দ্বৈত রেকর্ড: আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার বিরল রেকর্ড এখন এককভাবে লিওনেল মেসির।

শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এমন রাজকীয় শুরু আর্জেন্টিনার ভক্তদের মাঝে নতুন করে উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। জাদুকরী এই হ্যাটট্রিকের রাতে মেসি কেবল আলজেরিয়াকেই হারাননি, বরং ফুটবল ইতিহাসের পাতায় নিজের নামটিকে আরও উজ্জ্বলভাবে খোদাই করে নিয়েছেন।

মন্তব্য

p
উপরে