× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Jayita who scored a 33 ball fifty now aims to perform against the big teams
google_news print-icon

৩৩ বলে ফিফটি করা জয়িতার লক্ষ্য এখন বড় দলগুলোর বিপক্ষে পারফর্ম করা

৩৩-বলে-ফিফটি-করা-জয়িতার-লক্ষ্য-এখন-বড়-দলগুলোর-বিপক্ষে-পারফর্ম-করা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই নেদারল্যান্ডস নারী দলের বিপক্ষে ৬ উইকেটের চমৎকার এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। গতকাল অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা। মাত্র ৩৩ বলে ৫০ রানের এক ঝোড়ো ও ঝলমলে ইনিংস খেলে তিনি দলের জয় সহজ করে দেন। ম্যাচ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসে এই টাইগ্রেস ওপেনার তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের রহস্য এবং বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে খেলার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন।

নেদারল্যান্ডসের দেওয়া ১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করার কৌশল নিয়ে জয়িতা বলেন, “আমরা যেহেতু প্রথমে বোলিং করেছি এবং লক্ষ্যটা যখন ১৪০ রান দেখলাম, তখনই মনে হয়েছিল আমাদের খুব ভালো স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করতে হবে। তাই আমি শুরু থেকেই ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। একজন ওপেনার হিসেবে পাওয়ারপ্লের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার মূল লক্ষ্যই ছিল প্রথম ছয় ওভারে যত বেশি সম্ভব রান তুলে নেওয়া এবং উইকেটে সেট হয়ে যাওয়ার পর সেটিকে বড় ইনিংসে রূপ দেওয়া।”

ডাচদের বিপক্ষে এই ইনিংসটি ছিল জয়িতার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি। তবে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পেলেও নিজের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন এই ব্যাটার, কারণ ফিফটি করার ঠিক পরপরই তিনি সাজঘরে ফিরে যান। ম্যাচে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির দ্রুত বিদায়ের পর মাঠে তৈরি হওয়া সাময়িক চাপ প্রসঙ্গে জয়িতা বলেন, “জ্যোতি আপু ক্রিজে এসে দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ার পর কিছুটা চাপ অনুভব করেছিলাম, কারণ তিনি আমাদের অন্যতম সেরা ব্যাটার। তবে আমাদের দলের বাকি ব্যাটিং লাইনআপের ওপর আমার গভীর বিশ্বাস ছিল এবং আমি নিশ্চিত ছিলাম যে কেউ না কেউ দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেবে।”

বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে নিজের প্রথম ম্যাচের অনুভূতি প্রকাশ করে এই তরুণ ওপেনার বলেন, এটি তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ হওয়ায় দলের জন্য বিশেষ কিছু করার তীব্র তাগিদ অনুভব করছিলেন। তিনি তাঁর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন এবং দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে আনন্দিত। সামনে কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ম্যাচ থাকায় তাঁর মূল দায়িত্ব হবে পাওয়ারপ্লের ভালো ব্যবহার করা। বড় দলগুলোর বিপক্ষেও একই আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে দেশের হয়ে বড় ইনিংস খেলার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান জুয়াইরিয়া জয়িতা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Ivory Coast with a last minute goal Amad Diallo is the hero of Ivory Coasts victory with a last minute goal Amad Diallo is the hero of Ivory Coasts victory

শেষ মুহূর্তের গোলে আইভোরি কোস্টের জয়ের নায়ক আমাদ দিয়ালো

শেষ মুহূর্তের গোলে আইভোরি কোস্টের জয়ের নায়ক আমাদ দিয়ালো

ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে আফ্রিকান পরাশক্তি কোদ দি ভোয়া (আইভরি কোস্ট)। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত দুই দলের একের পর এক আক্রমণ গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসায় যখন ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের উইঙ্গার আমাদ দিয়ালো। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা দিয়ালোর শেষ মুহূর্তের জাদুকরি গোলে অত্যন্ত মূল্যবান ৩ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল আইভরি কোস্ট।

ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলায় দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরই তুলনামূলক ভালো সুযোগগুলো তৈরি করেছিল। আইভরি কোস্টের ডিফেন্ডার ইমানুয়েল আগবাদুর মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে পেনাল্টি এরিয়ায় বল পেয়েও তা বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন ইকুয়েডরের অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এনার ভ্যালেন্সিয়া। এরপর জন ইয়েবোহ ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে দারুণ এক শট নিলেও তা গোলপোস্টের বারে লেগে ফিরে আসে। ভাগ্য যেন পুরোপুরি ইকুয়েডরের বিপক্ষে ছিল; কিছুক্ষণ পরই পেড্রো ভিটের নিখুঁত থ্রু পাস থেকে বল পেয়ে অ্যালান মিন্দার নেওয়া আরেকটি দুর্দান্ত শটও পোস্টে আঘাত করে ফিরে আসে। অন্যদিকে আইভরি কোস্টের পক্ষে ১৯ বছর বয়সী তরুণ ইয়ান দিওমান্দে ডান প্রান্তে বেশ চমৎকার খেললেও তাঁর তৈরি করা আক্রমণগুলো থেকে দল সুবিধা নিতে পারেনি। নিকোলাস পেপে এবং এলি ওয়াহির আক্রমণগুলোও ইকুয়েডরের ডিফেন্সের কাছে নতি স্বীকার করে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের একই চিত্র বজায় থাকে। খেলার ৫০তম মিনিটে গঞ্জালো প্লাতার সাথে চমৎকার ওয়ান-টু পাসিংয়ের পর ভ্যালেন্সিয়ার নেওয়া শটটি এবার পোস্টের বাইরের দিকে লাগে। তবে বিরতির পর আইভরি কোস্ট ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে নিতে শুরু করে। দুর্দান্ত খেলতে থাকা দিওমান্দে বক্সে ঢুকে দুইবার শট নিলেও তা লক্ষ্যের বাইরে চলে যায়। পরবর্তীতে দিওমান্দের বাড়ানো এক চমৎকার ক্রস থেকে ওয়াহির নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় আইভরি কোস্টও। অন্যপ্রান্তে, প্লাতার ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া একটি জোরালো শট দারুণভাবে প্রতিহত করেন আইভরি কোস্টের গোলরক্ষক ইয়াহিয়াহ ফোফানা এবং জোয়েল অর্ডোনেজ একটি ফ্রি-কিক থেকে হেডের মাধ্যমে বল উচিয়ে মারেন।

অবশেষে ম্যাচের ৯০তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত সেই ডেডলক বা অচলাবস্থা ভাঙতে সক্ষম হয় আইভরি কোস্ট। রাইট-ব্যাক উইলফ্রিড সিঙ্গো ডান প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে ড্রিবলিং করে ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ ভেঙে বক্সে ক্রস করেন। ডি-বক্সের প্রান্তে বলটি পেয়ে অত্যন্ত নিখুঁত ও ঠান্ডা মাথার শটে পোস্টের ভেতরের কোণা দিয়ে বল জালে জড়ান বদলি ফরোয়ার্ড আমাদ দিয়ালো। এই নাটকীয় গোলের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আফ্রিকান দলটি, অন্যদিকে পুরো ম্যাচে তিন তিনবার পোস্টে বল লাগার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো ইকুয়েডরকে।

মন্তব্য

খেলা
The Japan Netherlands match ended in a draw

সমতায় শেষ হলো জাপান-নেদারল্যান্ডস ম্যাচ

সমতায় শেষ হলো জাপান-নেদারল্যান্ডস ম্যাচ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে রোমাঞ্চকর ও শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াইয়ের পর ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান ও ইউরোপের জায়ান্ট নেদারল্যান্ডস। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে যে চার চারটি গোল হবে, তা হয়তো অনেকেই কল্পনা করেননি। ম্যাচে দুই দুইবার এগিয়ে গিয়েও জাপানের লড়াকু মানসিকতার কাছে জয় হাতছাড়া হয়েছে ডাচদের। নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে থাকা ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে গোল করে জাপানিদের এক মূল্যবান পয়েন্ট এনে দেন উইঙ্গার দাইচি কামাদা।

প্রথমার্ধে কোনো গোল না হলেও দুই দলের আক্রমণাত্মক ফুটবল মাঠের লড়াইয়ে টানটান উত্তেজনা ছড়ায়। বিশেষ করে খেলার ৩৪তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে উইঙ্গার ডনিয়েল মালেনের নেওয়া এক জোরালো হেড জালের ঠিকানা খুঁজে নিচ্ছিল, কিন্তু গোলপোস্টের নিচে অসাধারণ দক্ষতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি রুখে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। প্রথমার্ধে জাপানকে নিশ্চিত গোল হজম করা থেকে রক্ষা করা তাঁর বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভের মধ্যে এটিই ছিল সেরা। প্রথম ৪৫ মিনিটে সুযোগ তৈরি হলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

তবে বিরতি থেকে ফিরেই ম্যাচের চিত্রপট নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। খেলার ৫১তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে উড়ে আসা নিখুঁত এক ক্রসে দর্শনীয় হেডে গোল করে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে নেন ডাচ অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। পোস্টে লেগে জালে জড়ানো বলটি ছিল দেশের হয়ে কোনো বড় টুর্নামেন্টে তাঁর করা প্রথম গোল। তবে ডাচদের এই আনন্দের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ছয় মিনিট। পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে ৫৭তম মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে গড়ে ওঠা দারুণ এক আক্রমণ থেকে কোনাকুনি শটে গোল করে জাপানকে ১-১ সমতায় ফেরান কেইতো নাকামুরা।

খেলার ৫১ থেকে ৬৪ মিনিট—মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে দর্শক দেখল তিনটি দারুণ গোল। ৬৪তম মিনিটে আবারও ব্যবধান বাড়িয়ে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে নেন ফরোয়ার্ড ক্রিসেনসিও সামারভিল। ২-১ গোলে দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি জাপান। শেষ দিকে ডাচ রক্ষণভাগের ওপর মুহুর্মুহু আক্রমণ চালিয়ে ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আদায় করে নেয় তারা। দাইচি কামাদা গোল করে সমতা ফেরালে জয়ের খুব কাছে গিয়েও হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় নেদারল্যান্ডসকে। ২-২ গোলের এই ড্রয়ের মধ্য দিয়ে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিশ্চিত করল দুই দল।

মন্তব্য

খেলা
Germany brought back the memory of Brazils 7 1 goal in Curaçao

কুরাসাওকে ব্রাজিলের ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে দিলো জার্মানি

কুরাসাওকে ব্রাজিলের ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে দিলো জার্মানি ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও ফিরে এলো সেই ৭–১ স্মৃতি। এক যুগ আগে ব্রাজিলকে বিধ্বস্ত করা জার্মানি এবার একই ব্যবধানে উড়িয়ে দিল বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কুরাসাওকে। হিউস্টনের স্টেডিয়ামে গোল উৎসবে মেতে উঠে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা জিতেছে ৭–১ ব্যবধানে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জার্মানি। মাত্র ৬ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচা। শুরুতে মনে হচ্ছিল, অভিষেক ম্যাচে বড় ধরনের ধাক্কাই অপেক্ষা করছে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাওয়ের জন্য। তবে সবাইকে চমকে দিয়ে ম্যাচে ফিরেছিল তারা।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে জনসংখ্যার বিচারে সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে অংশ নেওয়া কুরাসাও ২১ মিনিটে সমতায় ফেরে। ডান দিক দিয়ে উঠে আসা রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়া বক্সে বল পেয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে পরাস্ত করেন ম্যানুয়েল নয়্যারকে। ঐতিহাসিক সেই গোলের পর গ্যালারিজুড়ে শুরু হয় উল্লাস। গোল উদযাপনে রেসলিং তারকা জন সিনার বিখ্যাত ‘ইউ ক্যান্ট সি মি’ ভঙ্গিও করেন কোমেনেনসিয়া।

কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে হেডে গোল করে জার্মানিকে আবারও এগিয়ে দেন নিকো শ্লটারবেক। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফেলিক্স এনমেচাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় জার্মানি। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৩–১ করেন কাই হাভার্টজ।

বিরতির পর আরও ভয়ংকর রূপ নেয় জার্মানি। ৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের বাড়ানো বলে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন জামাল মুসিয়ালা। এরপর কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ যেন পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ৬৮ মিনিটে নাথানিয়েল ব্রাউন পঞ্চম গোল করেন। ৭৮ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান ডেনিজ উনদাভ। ম্যাচের শেষ দিকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে জার্মানির ৭–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন কাই হাভার্টজ।

একসময় ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে স্বপ্ন দেখানো কুরাসাও শেষ পর্যন্ত জার্মান আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি। বড় জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে নিজেদের শক্তির জানান দিল জার্মানি।

মন্তব্য

খেলা
Australias breathtaking 1 wicket win in Sharifuls Fifer match

শরিফুলের ফাইফারের ম্যাচে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় অস্ট্রেলিয়ার

শরিফুলের ফাইফারের ম্যাচে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় অস্ট্রেলিয়ার

মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। পেসার শরিফুল ইসলামের ক্যারিয়ারসেরা ৬ উইকেটের অসামান্য বোলিং সত্ত্বেও ২২ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার কুপার কনোলির অনবদ্য সেঞ্চুরিতে শেষ মুহূর্তে পরাজয় এড়াতে পারেনি স্বাগতিকেরা। এই হারের ফলে অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন হাতছাড়া হলো বাংলাদেশের, যদিও সিরিজ জয়ের ট্রফিটি আগেই নিশ্চিত করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এদিন মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতে সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে হারিয়ে মাত্র ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তীব্র সংকটে পড়ে দল। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে ৯২ রানের চমৎকার জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। ইনিংসের মাঝপথে চোট পেয়ে সাময়িক মাঠ ছাড়লেও পরবর্তীতে পুনরায় ব্যাটিংয়ে ফিরে মিরপুরে নিজের প্রথম ওয়ানডে ফিফটি পূর্ণ করে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন। অন্য প্রান্তে তাওহীদ হৃদয় খেলেন ৮৩ রানের একটি নির্ভরযোগ্য ইনিংস। শেষ দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দ্রুতগতির অপরাজিত ৫৬ রানের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ২৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ৪ ওভারেই ৩৮ রান তুলে নেওয়া অজি শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। নিজের প্রথম ওভারেই জশ ইংলিশ ও ম্যাট রেনশোকে ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন তিনি। পরবর্তীতে অ্যালেক্স ক্যারিকে সাজঘরে পাঠান তাসকিন আহমেদ। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে মার্নাস লাবুশেনকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন কুপার কনোলি। মাত্র ৫১ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ২২ বছর বয়সী এই ওপেনার। পরবর্তীতে ক্যামেরন গ্রিনকে (২৭) সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৮৭ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার জয় সহজ করে দেন তিনি।

ম্যাচের শেষভাগে অলিভার পিক (২৭) ও জাভিয়ার বার্টলেটকে পর পর দুই বলে আউট করে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট বা ‘ফাইফার’ শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেন শরিফুল ইসলাম। পরবর্তীতে আরও একটি উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৬ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েন তিনি। তবে অন্য প্রান্তের বোলারদের থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় শরিফুলের এই লড়াকু বোলিং শেষ পর্যন্ত বৃথা যায়। ৩ বল ও ১ উইকেট হাতে রেখে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুলের ৬ উইকেট ছাড়াও তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শেখ মেহেদী হাসান একটি করে উইকেট শিকার করেন।

মন্তব্য

খেলা
Scots beat Haiti to top Group C

হাইতিকে হারিয়ে গ্রুপ ‘সি’র শীর্ষে স্কটিশরা

হাইতিকে হারিয়ে গ্রুপ ‘সি’র শীর্ষে স্কটিশরা ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ২৮ বছর পর ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে জয় দিয়ে নিজেদের নতুন অভিযান শুরু করেছে স্কটল্যান্ড। ‘গ্রুপ সি’-এর প্রথম ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়েছে কোচ স্টিভ ক্লার্কের দল। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম বৈশ্বিক ফুটবল মঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা স্কটিশদের জন্য এই প্রত্যাবর্তনের জয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফক্সবরোতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই হাইতির রক্ষণভাগের ওপর চাপ সৃষ্টি করে খেলতে থাকে স্কটল্যান্ড। প্রথমার্ধের শুরুতে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। তবে ম্যাচের ২৮তম মিনিটে দলের জট খোলেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। ডান দিক থেকে সতীর্থের পাঠানো চমৎকার এক ক্রস ডি-বক্সের ফাঁকায় পেয়ে যান তিনি। কাছ থেকে নেওয়া তাঁর জোরালো ও নিখুঁত শট হাইতির গোলপোস্টের জাল কাঁপিয়ে দিলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোল হিসেবে প্রমাণিত হয়।

গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ক্যারিবীয় দল হাইতি। প্রথমার্ধের শেষভাগ এবং দ্বিতীয়ার্ধে তারা অল-আউট ফুটবল খেলে স্কটিশ রক্ষণভাগে একের পর এক আক্রমণ চালায় এবং বেশ কয়েকবার তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। তবে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডাররা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে হাইতির প্রতিটি ফরোয়ার্ড আক্রমণ দক্ষতার সাথে প্রতিহত করেন এবং ম্যাচে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবধানটি সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হন।

এই জয়ের সুবাদে গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট পকেটে পুরে গ্রুপ ‘সি’-এর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে উঠে গেল স্কটল্যান্ড। এর আগে এই গ্রুপের অপর ম্যাচে ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল ও মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় স্কটিশরা প্রথম ম্যাচ শেষে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত এই গ্রুপে প্রথম ম্যাচেই নিজেদের কৌশল ও লক্ষ্যের প্রমাণ দিল ক্লার্কের শিষ্যরা, যা তাদের পরবর্তী পর্বের লড়াইয়ে মানসিকভাবে দারুণ উজ্জীবিত রাখবে।

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh batting against Australia with the aim of whitewash

হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ছবি: সংগৃহীত

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। মিরাজের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাজমুল হোসেন। প্রথম দুই ম্যাচে জয় পেয়ে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করা বাংলাদেশ আজ সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছে।

ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই ওপেনার সৌম্য সরকার মাত্র ২ রান করে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ড্রাইভ করতে গিয়ে বল তার ব্যাটের ইনসাইড এজ হয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। দ্রুত উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটে হাল ধরেন তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন। পাওয়ার প্লের অর্ধেক সময় পার হওয়ার পর তানজিদের একটি ছক্কার ওপর ভর করে ৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ২৫ রান। এই জুটি দলের সংগ্রহকে পঞ্চাশের ঘরে পৌঁছে দিলেও ১০ম ওভারে তানজিদ ব্যক্তিগত ১৯ রানে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ আউট হন।

ম্যাচের ১৫তম ওভারে এসে বাংলাদেশ তাদের তৃতীয় উইকেট হারায়। নাজমুল হোসেন ৫০ বলে ২৪ রান করে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার একটি রিভিউ থেকে বেঁচে গেলেও শেষ পর্যন্ত ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন তিনি। নাজমুলের বিদায়ের পর তাওহিদ হৃদয় ও লিটন দাস জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ২২ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান একশ ছাড়িয়েছে এবং রানের গতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০১ রান।

আজকের ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে দুটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। চোটের কারণে অধিনায়ক মিরাজের পরিবর্তে দলে ঢুকেছেন আরেক মেহেদী এবং পেসার নাহিদ রানার জায়গায় একাদশে ফেরানো হয়েছে শরীফুল ইসলামকে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার একাদশেও ম্যাথু শর্ট ও নাথান এলিসের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন বেন ডোয়ারশুইস ও অলি পিক। নিয়মিত অধিনায়ক মিরাজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাথায় আঘাত পেলেও বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রথম ওয়ানডেতে ৮৬ রান ও দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে টাইগাররা।

মন্তব্য

খেলা
Australia started the World Cup by defeating Turkey 2 0

তুরস্ককে ২-০ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার

তুরস্ককে ২-০ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই নজরকাড়া জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শক্তিশালী তুরস্ককে ২-০ গোলে পরাজিত করে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা। এই জয়ের ফলে গ্রুপ ডি-তে যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল সকারুরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখেছিল তুরস্ক। ইন্টার মিলানের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার হাকান চালহানোগ্লুর নেতৃত্বে মাঝমাঠ থেকে তারা আক্রমণ শাণালেও গোল করতে ব্যর্থ হয়। প্রথম ২২ মিনিট পর্যন্ত খেলা সমানে সমান চললেও ২৮তম মিনিটে দৃশ্যপট বদলে যায়। নিজেদের অর্ধ থেকে আসা এক লম্বা পাস বাঁ দিকে নিয়ন্ত্রণে নেন নেস্টরি ইরানকুন্ডা। তুরস্কের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষককে দারুণ দক্ষতায় পরাস্ত করে তিনি বল জালে জড়িয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন।

পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে তুরস্ক। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে তুরস্কের ডিফেন্ডার বার্দাকচির এক দূরপাল্লার শট প্রায় গোল হয়েই গিয়েছিল, কিন্তু গোলরক্ষকের হাতে লেগে বলটি শেষ মুহূর্তে পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গুলের, কাদিওগ্লু ও ইলমাজ ত্রয়ীর সম্মিলিত আক্রমণও অজি রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সফল হতে পারেনি। ফলে ১-০ গোলের ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধেও তুরস্ক তাদের আক্রমণের ধার বজায় রাখে। হাকান চালহানোগ্লু ও আর্দা গুলেরের নেওয়া একাধিক ফ্রি-কিক অজি গোলরক্ষক বিচ অত্যন্ত নৈপুণ্যের সাথে প্রতিহত করেন। তুরস্ক যখন সমতায় ফিরতে মরিয়া, ঠিক তখনই পাল্টা আক্রমণে উঠে এসে কনর মেটকাফ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর তুরস্ক আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।

এই জয়ের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া তাদের বিশ্বকাপ অভিযান দারুণভাবে শুরু করল। গ্রুপ ডি-তে বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া শক্তিশালী যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে, অন্যদিকে তুরস্কের পরবর্তী লড়াই হবে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে। সকারুদের এই জয় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের দৌড়ে তাদের এক ধাপ এগিয়ে দিল।

মন্তব্য

p
উপরে