× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Mosaddek returned to the ODI team after three and a half years
google_news print-icon

সাড়ে তিন বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরলেন মোসাদ্দেক

সাড়ে-তিন-বছর-পর-ওয়ানডে-দলে-ফিরলেন-মোসাদ্দেক

আগামী জুনে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য হাইভোল্টেজ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ১৫ সদস্যের শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষিত এই স্কোয়াডে বড় ধরনের চমক রেখেছে নির্বাচক কমিটি। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দিয়ে সাজানো এই দলে তারুণ্য অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ঘরোয়া কন্ডিশনের সর্বোচ্চ সুবিধা কাজে লাগিয়ে ইতিবাচক ফলাফল অর্জনই এখন টাইগারদের মূল লক্ষ্য।

ঘোষিত এই ওয়ানডে স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের প্রত্যাবর্তন। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর আবারও জাতীয় দলের ওয়ানডে ফরম্যাটে ডাক পেলেন তিনি। সর্বশেষ ২০২২ সালের আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দেশের হয়ে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন মোসাদ্দেক। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক নৈপুণ্য প্রদর্শনের পুরস্কার হিসেবে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নির্বাচকদের আস্থায় ফিরলেন এই ক্রিকেটার। তাঁর অন্তর্ভুক্তি দলের মিডল অর্ডারে বাড়তি গভীরতা শক্তি যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

দলে নতুনদের আগমনের পাশাপাশি বাদ পড়েছেন গত নিউজিল্যান্ড সিরিজে থাকা আফিফ হোসেন এবং মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। বিশেষ করে অফফর্মের কারণে নির্বাচকদের রাডারের বাইরে চলে গেছেন আফিফ হোসেন। তাঁর ব্যাটিংয়ে সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতার অভাব থাকায় অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাঁকে বিবেচনার বাইরে রাখা হয়েছে। তবে স্কোয়াডে সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস এবং নাজমুল হোসেন শান্তর মতো নিয়মিত মুখদের ওপরই মূল ভরসা রাখা হয়েছে। পেস বোলিং বিভাগে তাসকিন-মুস্তাফিজের পাশাপাশি তরুণ নাহিদ রানার অন্তর্ভুক্তি পেস আক্রমণকে আরও বৈচিত্র্যময় করেছে।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে আগামীকাল জুন থেকে। মিরপুর শেরে- বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টাইগাররা নিবিড় অনুশীলন ক্যাম্পে অংশ নেবেন। সিরিজের মূল লড়াই শুরু হবে আগামী জুন প্রথম ওয়ানডের মাধ্যমে। পরবর্তী দুটি ওয়ানডে ম্যাচ যথাক্রমে ১১ এবং ১৪ জুন একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল চট্টগ্রামে পাড়ি জমাবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য। সেখানে ১৭, ১৯ এবং ২১ জুন জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য চূড়ান্ত হওয়া ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দলে রয়েছেনমেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, কাজী নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম নাহিদ রানা। অভিজ্ঞ এবং তরুণ তুর্কিদের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে লড়াই জমিয়ে তুলবে বলে প্রত্যাশা করছেন ক্রিকেট ভক্ত বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Guardiolas city champions Arsenal did not win the last match

শেষ ম্যাচে জয় পেল না গার্দিওলার সিটি, চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল

শেষ ম্যাচে জয় পেল না গার্দিওলার সিটি, চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল

ম্যানচেস্টার সিটির ডাগআউটে গত এক দশক ধরে চলা পেপ গার্দিওলা সাম্রাজ্যের অবসান হলো। দীর্ঘ ১০ বছরের সাফল্যমন্ডিত যাত্রা শেষে নিজের বিদায়ী ম্যাচে অবশ্য জয়ের স্বাদ পাননি এই কিংবদন্তি কোচ। প্রিমিয়ার লিগের শেষ দিনে ঘরের মাঠে অ্যাস্টন ভিলার মুখোমুখি হয়েছিল সিটিজেনরা, যেখানে ২-১ ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে গার্দিওলার শিষ্যদের। হার দিয়ে শেষ হলেও ইংলিশ ফুটবলে গত ১০ মৌসুমে ২০টি ট্রফি জয়ের এক অনন্য রেকর্ড ও আধিপত্যের স্মৃতি নিয়ে ক্লাব ছাড়ছেন ৫৫ বছর বয়সী এই মাস্টারমাইন্ড।

গত শুক্রবারই গার্দিওলা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, বর্তমান মৌসুম শেষেই তিনি ম্যানচেস্টার সিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর অধীনে সিটি টানা কয়েক বছর প্রিমিয়ার লিগে একক আধিপত্য বজায় রাখলেও এবারের আসরে সেই রাজত্বের অবসান ঘটেছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর আর্সেনাল এবার লিগ শিরোপা জিতে নিয়েছে, আর গার্দিওলার বিদায়বেলায় সিটিকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে রানার্স-আপ হিসেবে। লিগের শেষ ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়ে আর্সেনাল যখন শিরোপা উৎসবে মাতোয়ারা, তখন ইতিহাদ স্টেডিয়াম জুড়ে ছিল কেবল এক কিংবদন্তিকে বিদায় জানানোর বিষাদ ও শ্রদ্ধা।

ম্যাচটি সিটির জন্য শিরোপা নির্ধারণী না হলেও ইতিহাদ স্টেডিয়ামের গ্যালারি এদিন মুখরিত ছিল গার্দিওলার নামে। মাঠে প্রবেশের সময় দর্শকরা দাঁড়িয়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত করার জন্য স্টেডিয়ামের এক প্রান্তে ওড়ানো হয় কাতালান পতাকা এবং অন্য প্রান্তে প্রথমবারের মতো চালু করা হয় নবনির্মিত ‘পেপ গার্দিওলা স্ট্যান্ড’। বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখের সাবেক এই কোচের হাত ধরেই ম্যানসিটি তাদের ইতিহাসের একমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ৬টি প্রিমিয়ার লিগসহ মোট ১৭টি বড় শিরোপা জিতেছে। তাঁর এই বিশাল অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই গ্যালারি জুড়ে ছিল এমন আবেগঘন পরিবেশ।

ম্যাচের মাঠে অবশ্য গার্দিওলা অনেকটা নির্ভার ছিলেন এবং দলের নিয়মিত একাদশে ব্যাপক রদবদল আনেন। আগের ম্যাচের একাদশ থেকে ৯টি পরিবর্তন এনে এদিন মাঠে দল নামান তিনি, যেখানে দলের প্রধান গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ডকেও স্কোয়াডে রাখা হয়নি। ম্যাচের ২২ মিনিটে কর্নার থেকে সেমেনিওর গোলে সিটি এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে ওলি ওয়াটকিন্সের জোড়া গোলে ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেয় অ্যাস্টন ভিলা। ৪৬ ও ৬১ মিনিটে গোল করে ভিলাকে জয় এনে দেন ওয়াটকিন্স। শেষ ম্যাচে হারলেও টাচলাইনে বরাবরের মতোই প্রাণবন্ত ও নির্দেশনামূলক ভঙ্গিতে দেখা গেছে গার্দিওলাকে।

পেপ গার্দিওলার বিদায়ের মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসের একটি স্বর্ণযুগের অবসান ঘটল। ফুটবল বিশ্বে সিটি এখন যে বিশ্বমানের ও শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়ে, তার পেছনের মূল কারিগর ছিলেন এই স্প্যানিশ কোচ। হার নিয়ে বিদায় নিলেও রেকর্ড বইয়ে তিনি ম্যানচেস্টার সিটির সফলতম কোচ হিসেবে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে গেছেন। এখন নতুন কোনো নেতৃত্বের অধীনে সিটির ভবিষ্যৎ পথচলা শুরু হবে, তবে গার্দিওলার রেখে যাওয়া সাফল্যের মানদণ্ড স্পর্শ করা পরবর্তী যেকোনো কোচের জন্যই হবে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ।

মন্তব্য

খেলা
Argentina worried about Messis injury on the night of Miamis big victory

মায়ামির বড় জয়ের রাতে মেসির চোট, দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টিনা

মায়ামির বড় জয়ের রাতে মেসির চোট, দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টিনা

মেজর লিগ সকারে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ১০ গোলের এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। তবে ৬-৪ ব্যবধানের এই বড় জয় ছাপিয়ে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে অধিনায়ক লিওনেল মেসির চোট। আগামী জুনে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে মায়ামির হয়ে নিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন মেসি। ম্যাচে দুটি দারুণ অ্যাসিস্টের মাধ্যমে দলের জয়ে বড় অবদান রাখলেও শেষ পর্যন্ত পেশির ইনজুরিতে পড়ে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে এই ঘটনা আর্জেন্টিনা শিবিরের জন্য বড় ধরনের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ম্যাচের ৭০তম মিনিটে একটি ফ্রি কিক নেওয়ার পর মেসির বাঁ ঊরুর উপরের অংশে অস্বস্তি দেখা দেয়। যন্ত্রণাকাতর অবস্থায় তাকে সেখানে হাত দিয়ে চেপে ধরতে দেখা যায় এবং এর কিছুক্ষণ পরই তিনি নিজেই বেঞ্চের দিকে খেলোয়াড় পরিবর্তনের সংকেত দেন। পরবর্তীতে ৭৩তম মিনিটে মাতেও সিলভেত্তির বদলি হিসেবে তিনি মাঠ ত্যাগ করেন। যদিও মেসি কারো সহায়তা ছাড়াই হেঁটে মাঠ ছেড়ে সরাসরি লকার রুমে চলে গেছেন, তবুও পেশির এই চোট কতটা গুরুতর তা নিয়ে এখন নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে। বিশ্বকাপের ঠিক আগে এমন চোট মায়ামির অসাধারণ প্রত্যাবর্তনকেও অনেকটা ম্লান করে দিয়েছে।

পুরো ম্যাচটি ছিল শুরু থেকেই নাটকীয়তায় ভরপুর। ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন মিলান ইলোস্কির জোড়া গোলে মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় ২-০ ব্যবধানে লিড নিয়ে মায়ামিকে বড় চাপে ফেলে দেয়। তবে লুইস সুয়ারেজ ও জার্মান বার্তারামের গোল উৎসবে মায়ামি দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে। বিরতির ঠিক আগে ভিএআর রিভিউতে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ইলোস্কি। এর ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ৪-৪ গোলের সমতায়, যা এমএলএস ইতিহাসে প্রথমার্ধে সবচেয়ে বেশি গোলের নতুন রেকর্ড হিসেবে নাম লিখিয়েছে। বিরতির পর প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে খেলার গতি কিছুটা কমে আসে।

দ্বিতীয়ার্ধে বার্তারামের নিখুঁত পাসে লুইস সুয়ারেজ নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে মায়ামিকে এগিয়ে নেন। ম্যাচের শেষ দিকে মেসির আর্জেন্টাইন সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল দলের হয়ে ষষ্ঠ গোলটি করলে ৬-৪ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়। এই গোলবন্যার ম্যাচটি এমএলএস-এর রেগুলার সিজনে যৌথভাবে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেছে। ১০ গোলের এই বিশাল থ্রিলার শেষে মায়ামি ৩ পয়েন্ট অর্জন করলেও ফুটবল বিশ্বের সবটুকু নজর এখন মেসির শারীরিক অবস্থার দিকে।

লিওনেল মেসির এই আকস্মিক চোট এখন সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির জন্য। আলবিসেলেস্তেরা এখনও তাদের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেনি, তবে আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বকাপের মাত্র তিন সপ্তাহ আগে দলের প্রধান তারকার এমন ইনজুরি আর্জেন্টিনা দলের পরিকল্পনা ও কৌশলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এখন সবাই মেসির পরবর্তী মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন, যা তাঁর আসন্ন বিশ্বকাপ যাত্রার ভাগ্য নির্ধারণ করবে।

মন্তব্য

খেলা
The new history in T20 international is the master of Botswana

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস বতসোয়ানার মাস্টারের

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস বতসোয়ানার মাস্টারের

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক অবিশ্বাস্য বোলিং কীর্তি গড়েছেন বতসোয়ানার মিডিয়াম পেসার নাবিল মাস্টার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফ্রিকার উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বে মালির বিপক্ষে মাত্র ২ রান খরচ করে ৬ উইকেট শিকার করে এই বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ২০১৯ সালে অভিষেক হওয়ার পর দীর্ঘ সাত বছর জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এই ক্রিকেটার। ক্রিকেটে ফেরার দ্বিতীয় ম্যাচেই এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটকে চমকে দিলেন তিনি।

ম্যাচের শুরুর দিকে মালি ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লে বতসোয়ানা দলের বোলিং আক্রমণের মূল হাতিয়ার হয়ে ওঠেন মাস্টার। তিনি মাত্র ২.৪ ওভার বোলিং করার সুযোগ পান, যার মধ্যে একটি ওভার ছিল মেইডেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ২ রান দিয়ে প্রতিপক্ষের ৬ জন ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরত পাঠান। তাঁর বোলিং তোপে পড়ে মালির ইনিংস মাত্র ৯.৪ ওভারে ২৪ রানেই গুটিয়ে যায়। মাস্টারের করা ষষ্ঠ ওভারটি ছিল মেইডেন, এরপর অষ্টম ও দশম ওভারে তিনি একের পর এক উইকেট শিকার করে মালির ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

মাস্টারের এই বোলিং ফিগার (২.৪-১-২-৬) পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত হওয়া সেরা মিতব্যয়ী বোলিং হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি সিঙ্গাপুরের বোলার হার্ষা ভরদাজের আগের রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ৩ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন হার্ষা। এখন থেকে সেই তালিকায় শীর্ষে জায়গা করে নিলেন বতসোয়ানার এই বোলার, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরল এক সাফল্য।

ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে এটি ছিল নাবিল মাস্টারের জন্য প্রত্যাবর্তনের এক বিশাল গল্প। ২০১৯ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়ার পর তিনি মাত্র দুটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। দীর্ঘ এক বিরতির পর দুই দিন আগে তিনি পুনরায় জাতীয় দলে ডাক পান এবং নিজের জাত চেনাতে সময় নিলেন না। বতসোয়ানার হয়ে প্রথম দুই ম্যাচে তিনি আহামরি কিছু করতে না পারলেও সাত বছর পর দ্বিতীয় সুযোগেই নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে নিলেন।

মালির দেওয়া মাত্র ২৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বতসোয়ানার খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার মাত্র ২.২ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই প্রয়োজনীয় রান তুলে নিয়ে ১০ উইকেটের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন। নাবিল মাস্টারের এই বিধ্বংসী বোলিং কেবল বতসোয়ানাকে এক সহজ জয় উপহার দেয়নি, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসংখ্যানেও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। মালির বিপক্ষে বতসোয়ানার এই একতরফা জয় এবং মাস্টারের রেকর্ড দীর্ঘকাল ক্রিকেট প্রেমীদের মনে থাকবে।

মন্তব্য

খেলা
Barcelona lost to Valencia in Lewandowskis farewell match

লেভান্ডভস্কির বিদায়ী ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার কাছে হারল বার্সেলোনা

লেভান্ডভস্কির বিদায়ী ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার কাছে হারল বার্সেলোনা

লা লিগার চলতি মৌসুমের শেষ দিনে ভ্যালেন্সিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল আগেভাগেই শিরোপা নিশ্চিত করা বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-১ ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে ভ্যালেন্সিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র পাঁচ মিনিটের ঝড়ে এলোমেলো হয়ে যায় বার্সেলোনার রক্ষণভাগ। মৌসুমের শেষ ম্যাচে এমন জয় ভ্যালেন্সিয়া সমর্থকদের মনে তৃপ্তি দিলেও ক্লাবটিকে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় জায়গা করে দেওয়ার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।

ম্যাচটি ছিল বার্সেলোনার তারকা স্ট্রাইকার রবার্ট লেভান্ডভস্কির জন্য বিশেষ এক মুহূর্ত। কাতালান ক্লাবটির জার্সিতে নিজের বিদায়ী ম্যাচে গোল করে দলকে শুরুতেই লিড এনে দিয়েছিলেন এই পোলিশ ফরোয়ার্ড। ম্যাচের এক ঘণ্টা পার হওয়ার পর চমৎকার এক ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। তার এই গোলে বার্সেলোনা জয় দিয়ে মৌসুম শেষ করার স্বপ্ন দেখলেও ভ্যালেন্সিয়ার আক্রমণভাগ শীঘ্রই সেই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

লেভান্ডভস্কির গোলের ঠিক পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচে সমতা ফেরায় স্বাগতিক ভ্যালেন্সিয়া। জাভি গুয়েরা এক দর্শনীয় ফিনিশিংয়ে বার্সেলোনার জালে বল জড়িয়ে দেন। এর মাত্র চার মিনিট পর পুনরায় আক্রমণ করে তারা এগিয়ে যায়। জেসুস ভাসকেজের বাড়িয়ে দেওয়া বলে গুয়েরা শট নিলেও তা প্রথমে লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তবে লুইস রিওজা বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে স্কোরলাইন ২-১ করেন। বার্সেলোনার রক্ষণভাগের মনোযোগের অভাব এই দুটি গোলের পেছনে বড় ভূমিকা রাখে।

ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়তা আরও বাড়ে যখন বার্সেলোনার মার্ক বার্নাল ভাসকেজকে ফাউল করেন। ভ্যালেন্সিয়া পেনাল্টির দাবি তুললেও ভিএআর (VAR) প্রযুক্তির সাহায্যে দেখা যায় যে ফাউলটি ডি-বক্সের ঠিক বাইরে করা হয়েছে। ফলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল হয়। তবে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে অর্থাৎ স্টপেজ টাইমে গুইদো রদ্রিগেজ বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বার্সেলোনার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন। ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় ভ্যালেন্সিয়ার।

ভ্যালেন্সিয়া এই ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট পেলেও শেষ পর্যন্ত তাদের আক্ষেপ থেকেই গেল। একই সময়ে অনুষ্ঠিত অন্যান্য ম্যাচে ওসাসুনার বিপক্ষে গেতাফে এবং আলাভেসের বিপক্ষে রায়ো ভায়েকানো জয় পাওয়ায় পয়েন্ট টেবিলের সমীকরণে ভ্যালেন্সিয়ার ইউরোপিয়ান মঞ্চে যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায়। অন্যদিকে, হার দিয়ে মৌসুম শেষ করলেও চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়েই মাঠ ছাড়ে জাভি হার্নান্দেজের শিষ্যরা। বিদায়ী ম্যাচে লেভান্ডভস্কির গোলটি ছিল বার্সা সমর্থকদের জন্য এই ম্যাচের একমাত্র সান্ত্বনা।

মন্তব্য

খেলা
Hull City beat Middlesbrough to book their ticket to the Premier League

মিডলসবোরোকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের টিকিট পেল হাল সিটি

মিডলসবোরোকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের টিকিট পেল হাল সিটি

ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে এক অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা চতুর্থ মিনিটে হিরাকাওয়ার লম্বা ক্রস থেকে বল পেয়েছিলেন ব্রাইন। তবে মিডলসবোরোর গোলরক্ষক বলটি সঠিকভাবে তালুবন্দী করতে ব্যর্থ হলে সুযোগটি লুফে নেন অলি ম্যাকবার্নি। তাঁর করা সেই ৯৪তম মিনিটের নাটকীয় গোলেই মিডলসবোরোকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দীর্ঘ এক দশক পর আবারও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ফেরার গৌরব অর্জন করেছে হাল সিটি। গুরুত্বপূর্ণ এই গোলের মাধ্যমে ক্লাবটির দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে।

এবারের চ্যাম্পিয়নশিপের প্রমোশনাল ফাইনাল প্লে-অফটি ছিল নানা নাটকীয়তায় ভরপুর। মূলত ‘স্পাইগেট কেলেঙ্কারি’র কারণে সাউদাম্পটন বহিষ্কৃত হওয়ায় আকস্মিকভাবে এই ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছিল মিডলসবোরো। তবে প্রস্তুতির অভাব এবং বড় ম্যাচের স্নায়ুচাপ সামলাতে না পারায় মাঠের পারফরম্যান্সে তাদের যথেষ্ট দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে। অন্যদিকে হাল সিটি শুরু থেকেই ম্যাচ জয়ের নেশায় মরিয়া হয়ে লড়াই চালিয়ে যায় এবং শেষ মুহূর্তের সুযোগটি কাজে লাগিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

হাল সিটির জন্য প্রিমিয়ার লিগে ফেরার এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। ২০১৬-১৭ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমনের পর ক্লাবটি এক ভয়াবহ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করেছে। এমনকি অবনমন হতে হতে এক পর্যায়ে তারা তৃতীয় স্তরের ফুটবল লিগ বা ‘লিগ ওয়ানে’ও নেমে গিয়েছিল। ক্লাবের মালিকানা পরিবর্তন, অভ্যন্তরীণ সংকট এবং মাঠের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে প্রতিবারই শীর্ষ লিগে ফেরার স্বপ্ন অধরা থেকে যাচ্ছিল। সমর্থকদের জন্য এটি ছিল এক দীর্ঘ ও বেদনার প্রতীক্ষা।

তবে কোচ সার্গেজ জাকিরোভিচের আগমনে হাল সিটি নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। বিগত ২০২৪-২৫ মৌসুমে দলটি কোনোমতে রেলিগেশন এড়াতে পারলেও এবারের মৌসুমে তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়। লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়ে তারা চ্যাম্পিয়নশিপে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে প্লে-অফ নিশ্চিত করে। সেমিফাইনালে মিলওয়ালকে দুই লেগ মিলিয়ে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে তারা ফাইনালের মঞ্চে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছিল। জাকিরোভিচের কৌশলী পরিকল্পনাই মূলত দলটিকে আজ এই সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে এসেছে।

পরিশেষে, অলি ম্যাকবার্নির সেই জয়সূচক গোলটি হাল সিটির ফুটবল ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দীর্ঘ ১০ বছরের বিরতি কাটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যয়বহুল লিগে ফেরার এই অর্জন ক্লাবটির আর্থিক ও পেশাদার ভবিষ্যৎ আমূল বদলে দেবে। নতুন মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের বড় দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই করার চ্যালেঞ্জ নিতে এখন থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে হাল সিটি। এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের গল্পটি ক্লাবটির সমর্থকদের মাঝে দীর্ঘকাল আনন্দের খোরাক হয়ে থাকবে।

মন্তব্য

খেলা
New Zealands big dream on the main stage of the World Cup

বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের বড় স্বপ্ন

বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের বড় স্বপ্ন

২০১০ সালের বিশ্বকাপে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সেই নাটকীয় ড্র টেলিভিশনের পর্দায় দেখে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন বুনেছিলেন ৬ বছর বয়সী এক শিশু। দীর্ঘ ১৬ বছরের ব্যবধানে সেই স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে ফিন সুরম্যানের জন্য। এবারের বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের মূল স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কিউইদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের দীর্ঘদিনের জয়খরা কাটানো। এর আগে দুইবার বিশ্বকাপে অংশ নিলেও মূল আসরে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচ জেতার স্বাদ পায়নি ওশেনিয়া অঞ্চলের এই দেশটি।

ফিফাকে দেওয়া এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ডিফেন্ডার ফিন সুরম্যান তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এবারের আসরে নিউজিল্যান্ড কেবল অংশগ্রহণ করতেই আসছে না, বরং তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রথম জয় তুলে নিয়ে নক-আউট পর্বে পা রাখা। বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড ‘বি’ গ্রুপে বেলজিয়াম, মিশর এবং ইরানের মুখোমুখি হবে। গ্রুপটি যথেষ্ট শক্তিশালী হলেও সুরম্যান মনে করেন, প্রতিটি দলকে সমান গুরুত্ব দিয়ে খেললে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সম্ভব। তাঁর মতে, কাগজে-কলমে কোনো দল হয়তো অনেক বড় নাম নয়, কিন্তু তাদের দলে ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বমানের অনেক খেলোয়াড় রয়েছেন যাদের বিপক্ষে লড়া চ্যালেঞ্জিং হবে।

নিউজিল্যান্ডের অন্যান্য শিশুদের মতো সুরম্যানের শৈশব কেটেছে ক্রিকেট, হকি, ভলিবল ও বাস্কেটবলের মতো বৈচিত্র্যময় খেলার মধ্য দিয়ে। তবে ১৪ বছর বয়সে অন্য সব খেলা ছেড়ে তিনি পুরোপুরি ফুটবলে মনোনিবেশ করেন। এর আগে ২০২৩ সালের অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে দেশের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা তাঁর ঝুড়িতে রয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব পোর্টল্যান্ড টিম্বার্সের হয়ে খেলা এই ডিফেন্ডার বিশ্বাস করেন, বড় টুর্নামেন্টগুলোতে খেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা তাঁকে মূল বিশ্বকাপে স্নায়ুচাপ সামলাতে এবং দলের রক্ষণভাগকে শক্ত হাতে নেতৃত্ব দিতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।

নিজের খেলার ধরণ সম্পর্কে সুরম্যান বলেন, তিনি মূলত রক্ষণ সামলাতেই সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ নস্যাৎ করা, নিখুঁত ট্যাকল এবং শট ব্লক করার মধ্যেই তিনি খেলোয়াড়ি জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান। নিজেকে একজন ‘ডিফেন্ডারস ডিফেন্ডার’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সামনের জুনে ভ্যাঙ্কুভারের মাঠে কিউই সমর্থকদের সামনে নিউজিল্যান্ড তাদের ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ করতে পারবে। সমর্থকদের এই সরব উপস্থিতি এবং দলের বর্তমান সংহতি দীর্ঘদিনের জয়খরা কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে ফুটবল বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

মন্তব্য

খেলা
Chelsea are eyeing Mbappe

এমবাপ্পের দিকে নজর চেলসির

এমবাপ্পের দিকে নজর চেলসির

ইউরোপীয় ফুটবলে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়ে দলবদলের বাজারে নতুন এক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সফল ক্লাব চেলসি এবার রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পের দিকে নজর দিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টকস্পোর্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং ক্লাবে এক নতুন যুগের সূচনা করতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে চেলসি কর্তৃপক্ষ।

এই বিশাল পরিকল্পনার নেপথ্যে রয়েছেন চেলসির সদ্য নিযুক্ত কোচ জাবি আলোনসো। সম্প্রতি চার বছরের চুক্তিতে ব্লুজদের দায়িত্ব নেওয়া এই স্প্যানিশ কোচ মনে করছেন, কিলিয়ান এমবাপ্পে হতে পারেন তাঁর ভবিষ্যৎ প্রকল্পের মূল কারিগর। রিয়াল মাদ্রিদে কাজ করার সুবাদে এমবাপ্পের খেলার ধরন ও সামর্থ্য সম্পর্কে আলোনসোর গভীর ধারণা রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবেও এই বিশ্বসেরা ফরোয়ার্ডকে লন্ডনে উড়িয়ে আনতে তিনি বিশেষভাবে আগ্রহী বলে জানা গেছে।

চলতি মৌসুমে মাঠের পারফরম্যান্সে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৪টি ম্যাচ খেলে ৪২টি গোল করার পাশাপাশি ৭টি গোলে সরাসরি সহায়তা করেছেন তিনি। ট্রান্সফার মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই ফরাসি তারকার বাজারমূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউরো। গোল করার দক্ষতা এবং গতির কারণে যেকোনো রক্ষণভাগের জন্য তিনি চরম আতঙ্কের নাম, যা তাঁকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম দামী খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে।

তবে এমবাপ্পেকে চেলসিতে নিয়ে আসাটা মোটেও সহজ হবে না। রিয়াল মাদ্রিদ বর্তমানে তাঁকে তাদের ভবিষ্যৎ প্রকল্পের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে এবং সহজে এই তারকাকে ছাড়তে রাজি হবে না। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে দলে ভেড়াতে হলে চেলসিকে দলবদলের বাজারের সকল রেকর্ড ভেঙে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হতে পারে। পাশাপাশি এমবাপ্পে নিজে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে প্রিমিয়ার লিগে আসতে আগ্রহী কি না, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে ইউরোপীয় ফুটবলের পাওয়ার হাউস হয়ে ওঠার লড়াইয়ে চেলসি এখন মরিয়া। এমবাপ্পের মতো একজন বিশ্বমানের তারকাকে যদি শেষ পর্যন্ত স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে আনা সম্ভব হয়, তবে সেটি হবে ক্লাবটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী দলবদলের ঘটনা। চেলসি সমর্থকরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন আলোনসোর এই ‘মেগা প্রজেক্ট’ শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেয় কি না তা দেখার জন্য।

মন্তব্য

p
উপরে