× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Xabi Alonso is staying in Leverkusen not Bayern Liverpool
google_news print-icon

লেভারকুজেনেই থাকছেন শাবি আলোনসো

লেভারকুজেনেই-থাকছেন-শাবি-আলোনসো
চলতি মৌসুমে বায়ের লেভারকুজেনকে স্বপ্নের গালিচায় চড়ানো স্প্যানিশ কোচ শাবি আলোনসো। ছবি: ফোর্বস
শিষ্যদের শাবি বলেছেন, ‘আমি তোমাদের সঙ্গে আরও ট্রফি জিততে চাই। আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য প্রস্তুত হও।’

ইউরোপিয়ান ফুটবলে বড় চমক। লিভারপুল, বায়ার্ন মিউনিখ নয়, বায়ের লেভারকুজেনেই থেকে কোচিং চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শাবি আলোনসো।

ট্রান্সফার মার্কেট গুরু ফাব্রিৎসিও রোমানো এক্স পোস্টে জানিয়েছেন, কিছুক্ষণ আগেই লেভারকুজেনের খেলোয়াড়দের শাবি জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি এ ক্লাবটিতেই থেকে যাচ্ছেন।

ওই পোস্টে রোমানো লেখেন, শিষ্যদের তিনি (শাবি) বলেছেন, ‘আমি তোমাদের সঙ্গে আরও ট্রফি জিততে চাই। আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য প্রস্তুত হও।’

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে শাবি আলোনসো বলেন, ‘লেভারকুজেন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার মিটিং হয়েছে। সেখানে আমি তাদের জানিয়েছি, আগামী মৌসুমে আমি এখানেই নিজের কাজ চালিয়ে যাব।

‘অনেক ভেবেচিন্তে আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি মনে করি, আমার জন্য বর্তমানে এটিই (লেভারকুজেন) সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা।’

এ স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘এখানে আমার কাজ এখনও শেষ হয়ে যায়নি। ক্লাবকে আমি সাহায্য করতে চাই, খেলোয়াড়দের আরও উন্নতি করতে চাই। আমাদের ভক্তরা, (লেভারকুজেন) বোর্ডও অসাধারণ… এখানকার সবকিছুই চমৎকার।

‘ম্যানেজার হিসেবে আমি এখনও অনেক ছোট। তাই মনে করি, নিজের ভবিষ্যত সম্পর্কে এটিই আমার জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। আমি এ কথাগুলো বলার আগে যথেষ্ট সময় নিয়েছি এবং এ বিষয়ে আমার মনে কোনো সংশয় নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ, শিষ্যদের আমি ইতোমধ্যে আমার সিদ্ধান্ত জানিয়েছি।’

লেভারকুজেনেই থাকছেন শাবি আলোনসো
সংবাদ সম্মেলনে শাবি আলোনসো। ছবি: এক্স

এ সময় লিভারপুল ও বায়ার্ন মিউনিখ সম্পর্কে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নটি তিনি এড়িয়ে যান। বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। তারা (লিভারপুল ও বায়ার্ন) অবশ্যই অনেক বড় ক্লাব এবং দুই ক্লাবের সঙ্গেই আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে আমি যেখানে থাকতে চাই, সে জায়গাটিই এখন বেছে নিয়েছি।

‘নিজের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবার সময় এখনই নয় বলে মনে করছি। বায়ের লেভারকুজেনে আমি নিজেকে আরও উন্নীত করতে চাই।’

চলতি মৌসুমে লেভারকুজেনের খেলোয়াড় ও ভক্ত-সমর্থকদের রূপকথার গালিচায় চড়িয়ে নিয়ে চলেছেন শাবি আলোনসো। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে শুধু তার দলই এখনও সব প্রতিযোগিতায় অপরাজিত।

বুন্দেসলিগায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে একপ্রকার অজেয় বায়ার্ন মিউনিখকে নাকানি-চুবানি খাইয়েছে তার শিষ্যরা। পয়েন্ট টেবিলেও বেশ বড় ব্যবধানে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে দলটি। চলতি মৌসুমে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বায়ার্নের সঙ্গে তাদের ব্যবধান ১০ পয়েন্টের। দুই দলেরই হাতে রয়েছে কেবল আটটি করে ম্যাচ।

অনেক ফুটবলবোদ্ধার মতো বায়ার্নের সাবেক অধিনায়ক ফিলিপ লামও মনে করেন, এবার লিগ শিরোপা লেভারকুজেনের ঘরেই যাচ্ছে। আর তা হলে ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বুন্দেসলিগার শিরোপা জয়ের স্বাদ দিতে চলেছেন আলোনসো।

শুধু তা-ই নয়, শীর্ষ চারে থাকায় আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে লেভারকুজেন।

গত ২৬ জানুয়ারি চলতি মৌসুম শেষে লিভারপুলের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। ক্লপের এমন ঘোষণায় লিভারপুল সমর্থকরা চমকে গেলেও তখন থেকে ইংলিশ ক্লাবটির পরবর্তী কোচ কে হবেন, তা নিয়ে ফুটবল পাড়ায় শুরু হয় জোর আলোচনা।

এক্ষেত্রে আলোনসোর নামটি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেতে থাকে। আলোনসোর খেলোয়াড়ি জীবনের শুরুর দিকে অল রেডদের জার্সি পরে খেলার কারণে তার প্রার্থিতা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছিল।

লিভারপুলের পরবর্তী কোচ হিসেবে আলোনসোকে দেখতে চেয়েছিলেন খোদ ক্লপও।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকদের ক্লপ বলেছিলেন, ‘সে (শাবি) বিশ্বমানের খেলোয়াড় ছিল। কোচিং পরিবার থেকে আসায় এ কাজেও সে ভালো মনোবল পায়।

‘খেলোয়াড়ি জীবন থেকেই সে কোচের মতো ছিল। (লেভারকুসেনকে) যে ফুটবল সে খেলাচ্ছে, যেভাবে খেলোয়াড় এনে দল সাজিয়েছে- এককথায় অনবদ্য।’

লিভারপুলের পরবর্তী কোচ সম্পর্কে ক্লপ বলেন, ‘আপনি যদি আমাকে আরও আট সপ্তাহ আগেও এই প্রশ্নটি করতে, তাহলেও আমি একই কথা বলতাম। ওর জন্য আমি যেকোনো মুহূর্তে স্থান ছেড়ে দিতে পারি।’

অন্যদিকে চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ভালোভাবে টিকে থাকা সত্ত্বেও গত বছরের মার্চে কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমানকে ছাঁটাই করে বায়ার্ন মিউনিখ। দল জয় পেলেও ‘পারফরম্যান্স ভালো নয়’ অজুহাতে তাকে সরিয়ে ডর্টমুন্ড ও চেলসির সাবেক কোচ টমাস টুখেলকে দায়িত্ব দেয় ক্লাবটি।

তবে টুখেলের কোচিংয়েও সন্তুষ্ট নয় বায়ার্ন কর্তৃপক্ষ। এমনকি চলতি মৌসুম শেষে তার সঙ্গে ক্লাবটির সম্পর্কচ্ছেদের কথাও জানিয়ে দেয়া হয়েছে ইতোমধ্যে। ফলে নতুন কোচের খোঁজে রয়েছে তারাও।

এদিকে বায়ার্নে খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষ করা আলোনসো যেভাবে লেভারকুজেনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে তার নামটি বায়ার্নেরও পরবর্তী কোচ হওয়ার তালিকায় উপরের দিকে স্থান পায়।

এসব বিষয় নিয়ে এতদিন টুঁ-শব্দ করেননি শাবি। তবে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এসে সব জল্পনায় জল ঢেলে দিলেন তিনি। জানিয়ে দিলেন, লেভারকুজেন থেকে সরছেন না লিভারপুল, রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের জার্সি গায়ে মাঝমাঠ সামলানো সাবেক এ তারকা ফুটবলার।

আরও পড়ুন:
হঠাৎ লিভারপুল ছাড়ার ঘোষণা ক্লপের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Argentinas initial Copa America squad announced

কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দল ঘোষণা

কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দল ঘোষণা ছবি: সংগৃহীত
তবে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত এই স্কোয়াড থেকে তিনজন খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল কর্তৃপক্ষ।

বেশ কয়েকটি নতুন মুখ রেখে আসন্ন কোপা আমেরিকার জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ২৯ সদস্যের প্রাথমিক এ দলে জায়গা পেয়েছে চারটি নতুন মুখ।

লিওনেল মেসিকে অধিনায়ক করে ঘোষিত এ স্কোয়াডে রয়েছে ফ্রেঞ্চ ক্লাব অলিম্পিক মাশেইয়ের সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার লিওনার্দো বালেরদি, ইতালির ক্লাব ফিওরেন্তিনার ২৮ বছর বয়সী লুকাস মার্তিনেস কুয়ার্তা, ইংলিশ ক্লাব ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের ১৯ বছর বয়সী তরুণ লেফট ব্যাক ভালেন্তিন বার্কো এবং ইতালির আরেক ক্লাব মন্সার তরুণ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ভালেন্তিন কারবোনি আর্জেন্টিার হয়ে কোপা আমেরিকার মতো বড় আসরে আর্জেন্টিনার জার্সি পরার সুযোগ পাচ্ছেন।

এছাড়া ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে আদর্শ মানা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তরুণ উইঙ্গার আলেহান্দ্রো গারনাচোকেও আসন্ন কোপা আমেরিকার প্রাথমিক স্কোয়াডে রেখে দল ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত এই স্কোয়াড থেকে তিনজন খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল কর্তৃপক্ষ।

আগামী ১০ ও ১৫ জুন ইকুয়েডর ও গুয়াতেমালার বিপক্ষে এই স্কোয়াড নিয়েই খেলবে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এরপর চূড়ান্ত দল ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

আর্জেন্টিনা স্কোয়াড

গোলরক্ষক: ফ্রাঙ্কো আরমানি, জেরোনিমো রুলি, এমিলিয়ানো মার্তিনেস।

ডিফেন্ডার: : গন্সালো মনতিয়েল, নাহুয়েল মলিনা, লিওনার্দো বালের্দি, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, জার্মান পেস্সেলা, লুকাস মার্তিনেস কুয়ার্তা, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, মার্কোস আকুনিয়া, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ভালেন্তিন বার্কো।

মিডফিল্ডার: গিদো রদ্রিগেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস মাক-আলেস্তার, রদ্রিগো দে পল, এজেকিয়েল পালাসিওস, এনসো ফেরনান্দেস, জিওভানি লো সেলসো, আনহেল দি মারিয়া, ভালেন্তিন কারবোনি।

ফরওয়ার্ড: লিওনেল মেসি, আনহেল কোরেয়া, আলেহান্দ্রো গারনাচো, নিকোলাস গঞ্জালেস, লাউতারো মার্তিনেস, হুলিয়ান আলভারেস।

আরও পড়ুন:
ইনজুরিতে কোপা শেষ নেইমারের
সে রাতে স্বর্গে হাত রেখেছিলেন মেসি

মন্তব্য

খেলা
Rodri sees the reason for Arsenals failure

আর্সেনালের ব্যর্থতার যে কারণ দেখছেন রদ্রি

আর্সেনালের ব্যর্থতার যে কারণ দেখছেন রদ্রি ম্যাচ শেষে সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলছেন রদ্রি। ছবি: সংগৃহীত
আর্সেনালের ‘মানসিকতা’কে দুষলেন সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি। ম্যাচের পর আর্সেনালের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই মৌসুমে আর্সেনাল অসাধারণ খেলেছে। তবে তাদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য ছিল মানসিকতায়।’

৮৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করেও মাত্র ২ পয়েন্টের জন্য ম্যানচেস্টার সিটির কাছে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার কষ্টে পুড়ছে আর্সেনালের খেলোয়াড় থেকে শুরু করে ভক্ত-সমর্থক সবাই।

অনেকেই সিটির এই জয়ের পেছনে কাতারি বিনিয়োগ, প্রিমিয়ার লিগের আইন ভঙ্গ ইত্যাদি অনেক অজুহাত দিচ্ছেন। তবে পেপ গার্দিওলার ফুটবলীয় দর্শন ও কৌশলেরই প্রশংসা করছেন বোদ্ধাদের অনেকে। খবর ইউএনবি

এ বিষয়ে গার্দিওলার কোচিং ক্যারিয়ারের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হোসে মরিনিয়ো বেশ আগে বলেছিলেন, ম্যান সিটি যে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করছে, বিষয়টিকে আসলে সেভাবে দেখলে হবে না। তারা আসলে বিনিয়োগ করছে। আজকে যেসব তারকা ফুটবলারকে তাদের টিমে খেলতে দেখেন, তাদের আজ-কালকে কেনেনি সিটি। তারা গত ছয়-সাত বছর আগে করা বিনিয়োগের ফসল। এখন তার সুফল পাচ্ছে সিটি।

আর্সেনালকে সবশেষ প্রিমিয়ার লিগ জেতানো সাবেক কোচ আর্সেন ভেঙ্গার বলেছেন, ‘সিটির ওপর আনা ১১৫টি অভিযোগের ব্যাপারে কী হবে আমি জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি, পেপ গার্দিওয়লা বিশ্বের সেরা কোচ।

‘বিশ্বের অন্য যেকোনো ম্যানেজারকে সিটির বর্তমান দলের দায়িত্ব দিন, দেখবেন তারা টানা চারটি শিরোপা জিততে পারবে না।’

তবে এসব ছাপিয়ে আর্সেনালের ‘মানসিকতা’কে দুষলেন সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি। ম্যাচের পর আর্সেনালের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই মৌসুমে আর্সেনাল অসাধারণ খেলেছে। তবে তাদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য ছিল মানসিকতায়।’

গত ৩১ মার্চ ইতিহাদে গানারদের আতিথ্য দেয় সিটি। ওই ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। ম্যাচে সিটির ৭৩ শতাংশ বল দখলের বিপরীতে আর্সেনালে পায়ে বল ছিল মাত্র ২৭ শতাংশ সময়। আক্রমণ ও গোল তৈরির চেষ্টা করার পরিবর্তে সেদিন তাদের রক্ষণের দিকেই বেশি মনযোগ দিতে দেখা যায়।

এ বিষয়টিকে উল্লেখ করে রদ্রি বলেন, ‘তারা যখন আমাদের মাঠে এলো, তখন আমাদের হারানোর উদ্দেশ্যে খেলেনি, ড্র করার উদ্দেশ্যেই তারা এসেছিল।’

ওই ম্যাচে ড্র করায় সম্ভাব্য ২ পয়েন্ট হারায় আর্সেনাল, সঙ্গে সিটিও ১ পয়েন্ট অর্জন করে। তাই ওই ম্যাচটির গুরুত্ব মনে করিয়ে দিলেন রদ্রি। ম্যাচটি আর্সেনাল জিততে পারলে সিটির চেয়ে ১ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শিরোপা জিতত মিকেল আর্তেতার দল।

আরও পড়ুন:
ম্যানইউর জয়ের দিনে পয়েন্ট হারাল আর্সেনাল
আর্সেনালের জয়ের দিনে ম্যানসিটির হোঁচট
চেলসির হারের হ্যাটট্রিক, শীর্ষস্থান মজবুত করল আর্সেনাল

মন্তব্য

খেলা
A new history of Manchester City
ইপিএলে টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন

ম্যানচেস্টার সিটির নতুন ইতিহাস

ম্যানচেস্টার সিটির নতুন ইতিহাস গোলের পর ম্যানসিটির ফিল ফোডেন ও সতীর্থদের উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচে শিরোপা জয়ের জন্য সিটির দরকার ছিল শুধু একটি জয়ের। অপর শিরোপা প্রত্যাশী আর্সেনালের জয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন ছিল ম্যানচেস্টার সিটির ড্র বা হার। আর্সেনাল নিজেদের কাজটি ঠিকমতো করলেও দাপটের সঙ্গেই জয় পেয়ে গেছে সিটি। একইসঙ্গে গড়েছে ইতিহাস।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা চারবার শিরোপা জয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। রোববার ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে পেপ গার্দিওলার দল।

লিগের শেষ ম্যাচে শিরোপা জয়ের জন্য সিটির দরকার ছিল শুধু একটি জয়ের। অপর শিরোপা প্রত্যাশী আর্সেনালের জয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন ছিল ম্যানচেস্টার সিটির ড্র বা হার। আর্সেনাল নিজেদের কাজটি ঠিকমতো করলেও দাপটের সঙ্গেই জয় পেয়ে গেছে সিটি। একইসঙ্গে গড়েছে ইতিহাস।

সিটির ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের দুই মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে ফিল ফোডেনের দারুণ এক শটে লিড পায় সিটি।

ম্যাচের ৭ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার দারুণ এক শট প্রতিহত করেন ওয়েস্ট হ্যাম গোলরক্ষক আলফনসো অ্যারিওলা।

তবে ১৮ মিনিটের মাথায় ম্যাচের ব্যবধান ২-০ করেন ফোডেন। সিটির জেরেমি ডকুর ক্রসে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফোডেন।

২৪ মিনিটের সময় ব্যবধান বাড়াতে পারতো সিটি। তবে গোলমুখে আর্লিং হলান্ডের নিশ্চিত গোল মিসের কারণে ব্যবধান আর বাড়েনি।

৩৮ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে যায় ওয়েস্ট হ্যাম। মোহাম্মেদ কুদুসের দারুণ এক শট আটকে দেন সিটি গোলরক্ষক স্টেফান ওর্তেগা। তবে ৪২ মিনিটে কুদুসের নিখুঁত এক বাইসাইকেল শট লক্ষ্যভেদ করলে প্রথমার্ধে ম্যাচের ব্যবধান ২-১ গোলে নেমে আসে।

বিরতির পর ৫৯ মিনিটের মাথায় বের্নার্দো সিলভার বাড়ানো বলে রদ্রির গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিটি।

ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ওয়েস্ট হ্যাম গোল দিলে তা বাতিল হয় ভিএআরে। এরপর আর কোনো দল সুযোগ তৈরি করতে না পারলে ৩-১ গোলে ম্যাচ জিতে শিরোপা নিশ্চিত করে সিটি।

অপর ম্যাচে আর্সেনালের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে শুরু থেকে এভারটনের বিপক্ষে আর্সেনাল বলের নিয়ন্ত্রণে রাখলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না। উল্টো ৩১ মিনিটে এভারটনের ফরোয়ার্ড ডমিনিক কালভার্ট-লুইনের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়।

ম্যাচের ৪০ মিনিটে এভারটনের ইদ্রিসা গুয়ের নেয়া ফ্রি-কিক ওয়ালে লেগে জালে জড়ালে পিছিয়ে পড়ে আর্সেনাল। তবে প্রত্যাবর্তন করতেও সময় নেয়নি তারা।

তিন মিনিটের মাথায় তাকেহিরো তোমিয়াসুর গোলে ম্যাচে সমতায় ফেরে আর্সেনাল। এতে প্রথমার্ধে ১-১ গোলের সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মিনিটে কাই হাভের্টজের গোলে ২-১ গোলের জয় পায় আর্সেনাল। ম্যাচ জিতলেও সিটির জয়ে স্বপ্নভঙ্গ হয় আর্সেনাল ভক্তদের।

ইপিএল পয়েন্ট টেবিলে নির্ধারিত ৩৮ ম্যাচ শেষে ৯১ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন সিটি। সিটির থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট কম পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে লিগ শেষ করল আর্সেনাল।

৮২ পয়েন্ট নিয়ে ক্লপের লিভারপুল আছে তৃতীয় স্থানে। চতুর্থ স্থানে থাকা অ্যাস্টন ভিলা লিগ শেষ করেছে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে। ইপিএলের এই শীর্ষ চার দল খেলবে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে।

৬৬ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্পট নিশ্চিত করা টটেনহ্যাম খেলবে ইউরোপা লিগে।

এদিকে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্পটে থাকা চেলসি নিশ্চিত করেছে কনফারেন্স লিগের টিকিট।

আরও পড়ুন:
ভুটানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশের মেয়েরা
জয় দিয়ে সাফ শুরু বাংলাদেশের
এশিয়ান গ্রুপের ঘরেই গেল করপোরেট ফুটসাল কাপ
তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে জমজমাট এশিয়া কাপ করপোরেট ফুটবল টুর্নামেন্ট
নাটক ও বিতর্কের পর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ চ্যাম্পিয়ন

মন্তব্য

খেলা
The famous Messi Barca contract tissue was sold at auction

নিলামে বিক্রি হলো মেসি-বার্সা চুক্তির সেই বিখ্যাত টিস্যু

নিলামে বিক্রি হলো মেসি-বার্সা চুক্তির সেই বিখ্যাত টিস্যু ছবি: সংগৃহীত
শুরুতে পেপারটি বিক্রির পক্ষে ছিলেন না হাগিওলি। সেসময় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছিলেন, এটি বার্সেলোনার ইতিহাসের অংশ। তাই এটির জায়গা হওয়া উচিৎ ক্লাবটির জাদুঘরে।

২০০০ সালে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন বিশ্ব ফুটবলের সেরা ফুটবলারদের অন্যতম আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। ২১ বছর পর প্রাণের সেই ক্লাব ছেড়ে প্যারিস ঘুরে এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা; খেলছেন ডেভিড বেকহ্যামের ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে।

ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার সঙ্গে তার সম্পর্ক শেষ হয়েও যেন হয় না। বারবার ঘুরেফিরে তার সঙ্গে জড়িয়ে যায় বার্সেলোনার নাম। এবার ক্যারিয়ার শুরুর একেবারে প্রথম ঘটনাটি নিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন মেসি। খবর ইউএনবি

২০০০ সালের ১৮ ডিসেম্বর বার্সেলোনার সঙ্গে যখন চুক্তিবদ্ধ হন, তখন মেসির বয়স মাত্র ১৩। আর্জেন্টিনার এ বিস্ময় বালকের খেলা দেখে মুগ্ধ হয়ে কোনোভাবেই তাকে সেদিন হাতছাড়া করতে চাননি ক্লাবটির কর্তাব্যক্তিরা। তাই সঙ্গে সঙ্গে মেসির বাবাকে দিয়ে দেন প্রস্তাব। হোর্গে মেসি ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবে সেদিন বার্সার প্রস্তাবে সায় দেন। আর তড়িঘড়ি করে হাতের কাছে থাকা একটি টিস্যু পেপারের ওপরই চুক্তির প্রাথমিক বিষয়বস্তু লিখে সই করিয়ে নেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এরপর ছোট্ট লিওনেলের ক্যাম্প ন্যুতে আসা ও একের পর এক ইতিহাস সৃষ্টির সঙ্গী হয়েছে পুরো ফুটবল দুনিয়া।

এবার আলোচনার জন্ম দিয়েছে সেই টিস্যু পেপারটি। প্রাথমিক ওই চুক্তিপত্রে সই করেছিলেন বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলার ও তৎকালীন স্পোর্টিং ডিরেক্টর কার্লেস রেক্সাচ, বিশ্বখ্যাত এজেন্ট হোসে মারিয়া মিঙ্গেলা ও হোরাসিও হাগিওলি। এতদিন হাগিওলির হেফাজতে থাকা সেই টিস্যু পেপারটি এবার নিলামে উঠেছে।

হাগিওলির পক্ষে ঐতিহাসিক এই চুক্তিপত্রটি অনলাইনে নিলামে তোলে লন্ডনের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান বনহ্যামস। এটির প্রাথমিক দাম হাঁকানো হয় ৩ লাখ পাউন্ড। নিলামে ওঠার পর তা ৭ লাখ ৬২ হাজার ৪০০ পাউন্ডে (১১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা প্রায়) বিক্রি হয়েছে।

চুক্তিপত্রে লেখা ছিল, ‘১৪ ডিসেম্বর, ২০০০ খ্রিস্টাব্দ। মেসার্স মিঙ্গেলা ও হোরাসিওর উপস্থিতিতে ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার স্পোর্টিং ডিরেক্টর কার্লেস রেক্সাস এই মর্মে সম্মত হয়েছেন যে, তার অধীনে এবং মত নির্বিশেষে ফুটবলার লিওনেল মেসি ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে সই করছে। এই চুক্তির মাধ্যমে মেসির সঙ্গে আলোচিত অর্থ প্রদানে বাধ্য থাকবে বার্সেলোনা।’

গত মার্চে ন্যাপকিনটির মালিকানা নিয়ে মতভিন্নতা দেখা দেয়। তবে সেসব অভিযোগ পরে নিষ্পত্তি হয়ে যায়।

এ বিষয়ে বনহ্যামসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ন্যাপকিনের প্রেরক আমাদের কাছে একটি আইনি রায় পাঠিয়েছেন, স্প্যানিশ আইনের অধীনে যা প্রেরককে ন্যাপকিনের মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ফলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে যে, এই পেপার ন্যাপকিনের মালিকানা নিয়ে জটিলতার অবসান হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে এই ন্যাপকিনটির খোঁজে চাউর হয় ফুটবল বিশ্ব। কোথায় আছে মেসির সই করা সেই বিখ্যাত টিস্যু পেপারটি, কিংবা আদৌ সেটি আছে না কি হারিয়ে গেছে- এসব প্রশ্নের উত্তর মিলছিল না।

তবে সব জল্পনায় জল ঢেলে হাগিওলি জানান, টিস্যু পেপারটি সযত্নে তার কাছেই রয়েছে। ইতোমধ্যে ইতিহাস গড়া ওই পেপারটির জন্য তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের প্রস্তাবও পেয়েছেন। তবে এখনই তিনি তা প্রকাশ্যে আনতে চান না।

শুরুতে পেপারটি বিক্রির পক্ষে ছিলেন না হাগিওলি। সেসময় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছিলেন, এটি বার্সেলোনার ইতিহাসের অংশ। তাই এটির জায়গা হওয়া উচিৎ ক্লাবটির জাদুঘরে।

একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে হাগিওলি বলেছিলেন, ‘টিস্যু পেপারটি বার্সেলোনার জাদুঘরেই থাকা উচিৎ বলে আমি মনে করি। এটি ক্লাবটির আধুনিক ইতিহাস বদলে দিয়েছে। মেসির ব্যালন ডি’অরগুলোর পাশেই এটির জায়গা হওয়া উচিৎ।

‘তবে এখনই ওই টিস্যু পেপার আমি জনসম্মুখে আনার পক্ষে নই। অন্তত মেসির অবসর বা ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার পর এটি করা যেতে পারে।’

তবে সময়ের পরিক্রমায় মত পাল্টেছেন হাগিওলি। মেসির বার্সা ছাড়ার পর টিস্যু পেপারটি প্রকাশ্যে আনলেও বার্সেলোনার জাদুঘর সেটির গন্তব্য হয়নি; নিলামে তুলে অর্থ কামিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
দেশে ফের শুরু হচ্ছে বার্সা অ্যাকাডেমির ট্রেনিং ক্যাম্প
সে রাতে স্বর্গে হাত রেখেছিলেন মেসি
মেসির হাতে অষ্টমবারের মতো উঠল ব্যালন ডি’অর

মন্তব্য

খেলা
The training camp of Barca Academy is starting again in the country

দেশে ফের শুরু হচ্ছে বার্সা অ্যাকাডেমির ট্রেনিং ক্যাম্প

দেশে ফের শুরু হচ্ছে বার্সা অ্যাকাডেমির ট্রেনিং ক্যাম্প ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার মেধা অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান বার্সা অ্যাকাডেমিতে তাদের নিজস্ব পদ্ধতির স্কুল মডেলের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে। ছবি: সংগৃহীত
আগামী ১৯ থেকে ২৩ জুন এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। আইএসডির পাশাপাশি অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এই ক্যাম্পে অংশ নিতে পারবে।

ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার (আইএসডি) ক্যাম্পাসে বার্সা অ্যাকাডেমির নির্ধারিত কোচের সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ট্রেনিং ক্যাম্প।

আগামী ১৯ থেকে ২৩ জুন এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। আইএসডির পাশাপাশি অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এই ক্যাম্পে অংশ নিতে পারবে।

ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার মেধা অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান বার্সা অ্যাকাডেমি শিক্ষার্থীদের ফুটবলের মাধ্যমে কেবল খেলোয়াড় হওয়ার প্রশিক্ষণই দেয় না, একইসঙ্গে ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে তোলার চেষ্টা করে। বার্সার তৈরি নিজস্ব পদ্ধতি দ্বারা অনুপ্রাণিত স্কুল মডেলের মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে।

আইএসডি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দক্ষতা উন্নয়ন, দলগত কাজ ও খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেধাবী তরুণদের ফুটবলে দক্ষ ও আগ্রহী করে তোলার ক্ষেত্রে একটি প্রতিশ্রুতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখছে আইএসডির বার্সা অ্যাকাডেমি ফুটবল ট্রেনিং ক্যাম্প। এতে সমাদৃত বার্সা পদ্ধতি (মেথডলজি) অবলম্বন করে অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করবেন বার্সা অ্যাকাডেমির কোঅর্ডিনেটর ফ্রানসেস্ক পুইগডোমিনেক ও কোচ হেক্টর আলবিনানা। কোচদের দক্ষতা ও নির্দেশনা অংশগ্রহণকারীদের জন্য সহায়ক হবে এবং এই অভিজ্ঞতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বার্সা অ্যাকাডেমি ফুটবল ট্রেনিং ক্যাম্প সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরেপ করে, যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড়কে কেবল প্রায়োগিক দক্ষতা বাড়ালেই হয় না, পাশাপাশি দলগত কাজের গুরুত্ব, সততার সঙ্গে খেলা (ফেয়ার প্লে) এবং খেলার প্রতি মর্যাদার বিষয়টিও শিখতে হয়।

আইএসডি ও অন্যান্য স্কুলের ৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী আগ্রহী শিক্ষার্থীরা এই ক্যাম্পে অংশ নিতে পারবে। বয়সভিত্তিক ৩টি গ্রুপে সেশনগুলো আয়োজিত হবে।

অনূর্ধ্ব ১১ বছর বয়সীদের জন্য সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, অনূর্ধ্ব ১৪ বছর বয়সীদের জন্য বেলা সাড়ে ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এবং অনূর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সীদের জন্য বেলা সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাম্পের জন্য এখনই নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে আগামী ২১ মে পর্যন্ত।

এ বিষয়ে আইএসডির অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।

আইএসডির শিক্ষার্থীরা https://forms.gle/CuvBXERyWwdvAuZa6 এই লিঙ্ক থেকে এবং অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরা https://forms.gle/zv5rZDYUSdfg4xHD6 এই লিঙ্ক থেকে নিবন্ধন করতে পারবে।

আরও পড়ুন:
বার্সাকে ফাঁকি দিয়ে রিয়ালে ‘তুরস্কের মেসি’
মেসিকে দলে টানতে না পারলেও অন্য খেলোয়াড় কীভাবে কিনছে বার্সা

মন্তব্য

খেলা
Mbappes journey with PSG ended in defeat

হেরে পিএসজির সঙ্গে পথচলা শেষ হলো এমবাপ্পের

হেরে পিএসজির সঙ্গে পথচলা শেষ হলো এমবাপ্পের ম্যাচ শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে সমর্থকদের কাছ থেকে বিদায় নেন এমবাপ্পে। ছবি: সংগৃহীত
ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ৫ বছরের জন্য রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে চলেছেন এমবাপ্পে।

আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, রবিবার তুলুজের বিপক্ষে পার্ক দে প্রান্সের ম্যাচটিই হবে পিএসজির জার্সিতে কিলিয়ান এমবাপ্পের শেষ ম্যাচ। শেষ ম্যাচে গোলও পেলেন এমবাপ্পে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ ম্যাচটি ৩-১ গোলে হেরে গেছে পিএসজি। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পর ঘরোয়া লিগেও হেরে ভক্তদের কাছ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে এ ফরাসি সুপারস্টারের।

এ দিন ঘরের ছেলেকে বিদায় জানাতে আয়োজনের কমতি রাখেনি পিএসজির সমর্থকরা। ম্যাচ শুরুর আগেই পার্ক দে প্রান্সের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গা পূর্ণ হয়ে যায়। বড় বড় ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও টিফোর মাধ্যমে এমবাপ্পেকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান পিএসজি সমর্থকরা। খবর ইউএনবি

হেরে পিএসজির সঙ্গে পথচলা শেষ হলো এমবাপ্পের

ম্যাচ শুরুর অষ্টম মিনিটেই গোল করে ভক্তদের ভালোবাসার প্রতিদান দেন এমবাপ্পে। তবে সেটিই ম্যাচে পিএসজির একমাত্র গোল। ৫ মিনিটের ব্যবধানেই সমতায় ফেরে তুলুজ। পরে তারা পিএসজির জালে আরও দুবার বল জড়ালে হার দিয়ে শেষ হয় এমবাপ্পের পিএসজি ক্যারিয়ার।

গত মাসেই টানা তৃতীয়বারের মতো লিগ শিরোপা নিশ্চিত করে পিএসজি। তাই তুলুজের বিপক্ষের এই ম্যাচটি ছিল মূলত নিয়ম রক্ষার ম্যাচ। এ নিয়ে গত ১১ বছরে ১০ বার লিগ আঁ শিরোপা ঘরে তুলেছে পিএসজি।

২০১৭ সালে মোনাকো থেকে পিএসজিতে আসার পর এ পর্যন্ত প্যারিসের ক্লাবটির হয়ে ৩০৭ ম্যাচ খেলেছেন এমবাপ্পে। এ সময় তিনি ক্লাবটির পক্ষে ২৫৬ গোল করেছেন। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৭ ম্যাচে ৪৪টি গোল ও ১০টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।

ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ৫ বছরের জন্য রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে চলেছেন এমবাপ্পে।

আরও পড়ুন:
পিএসজি ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন এমবাপ্পে
ইউরোপিয়ান ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার

মন্তব্য

খেলা
Mbappe officially announced his departure from PSG

পিএসজি ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন এমবাপ্পে

পিএসজি ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন এমবাপ্পে পিএসজির ফরাসি ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ছবি: সংগৃহীত
ভক্তদের উদ্দেশে এমবাপ্পে বলেন, ‘আমি সবসময় বলেছি সময় হলে আমি নিজেই আপনাদের বলব। সেই সময় এসেছে। এ বছরের পর আমি আর (পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ) বাড়াচ্ছি না। আগামী রবিবার পার্ক দে প্রান্সে আমি (পিএসজির জার্সিতে) শেষ ম্যাচ খেলব।’

বছরের পর বছর ধরে গুঞ্জন শুধু ডালপালাই মেলেছে। তবে কিলিয়ান এমবাপ্পে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বলে দিলেন, চলতি মৌসুমের পর পিএসজিতে আর থাকছেন না তিনি।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন এমবাপ্পে। সেখানেই চলতি মৌসুম শেষে পিএসজি ছাড়ার বিষয়টি জানান তিনি। খবর ইউএনবি

ভক্তদের উদ্দেশে এমবাপ্পে বলেন, ‘আমি সবসময় বলেছি সময় হলে আমি নিজেই আপনাদের বলব। সেই সময় এসেছে। এ বছরের পর আমি আর (পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ) বাড়াচ্ছি না। আগামী রবিবার পার্ক দে প্রান্সে আমি (পিএসজির জার্সিতে) শেষ ম্যাচ খেলব।’

তিনি বলেন, ‘পিএসজির সঙ্গে আমার অনেক আবেগ জড়িয়ে আছে। ফ্রান্সের সেরা তো বটেই, বিশ্বের অন্যতম সেরা এ ক্লাবটির জার্সি গায়ে দীর্ঘদিন খেলার সুযোগ হয়েছে আমার।

‘বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের অনেকের সঙ্গেই আমাকে খেলার সুযোগ করে দিয়েছে পিএসজি। এখানেই আস্তে আস্তে বড় হয়েছি। খেলোয়াড় হিসেবে অনেক কিছু শিখেছি, শিখেছি মানুষ হিসেবেও।’

এ সময় পিএসজিতে তার সাবেক ও বর্তমান কোচ এবং সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এমবাপ্পে। বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া এত কঠিন হবে। এখানে ৭ বছর ধরে আছি। নিজের দেশ, প্যারিস ছেড়ে যাওয়াটা সত্যিই কঠিন। তবে এখন মনে হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সময় এসেছে।’

ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এতগুলো বছর ধরে আপনারা যে পরিমাণ ভালোবাসা আমাকে দিয়েছেন, অনেক সময় হয়তো তার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমি সবসময়ই নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে আপনাদের ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

‘আপনাদের প্রতি আমি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকব। আমি সবসময় আপনাদের সঙ্গে কাটানো স্মৃতি আমার হৃদয়ে রাখব।’

নিজের ভবিষ্যৎ ঠিকানা নিয়ে কিছু না বললেও ইউরোপিয়ান ফুটবল দেখা বেশিরভাগ মানুষই জানেন, রিয়াল মাদ্রিদই হতে চলেছে তার নতুন ঠিকানা।

গত কয়েক মৌসুম ধরে এমবাপ্পেকে দলে টানতে কী চেষ্টাটাই না করেছেন রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। এমবাপ্পেকে প্যারিসের ক্লাবটিতে ধরে রাখতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, কাতারের আমিরের মতো উচ্চ পর্যায়ের মানুষেরাও হস্তক্ষেপ করেছেন বলে গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে নতুন করে পিএসজির সঙ্গে আর চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে চাননি এমবাপ্পে।

রোববার তুলুজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচ খেলতে নামবেন এমবাপ্পে। সেখানেই ভক্তদের কাছ থেকে শেষ বিদায় নেবেন তিনি।

এমবাপ্পের ঘোষণার পর ট্রান্সফার গুরু ফাব্রিৎসিও রোমানো এক্স-এ একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছেন।

সেখানে তিনি জানিয়েছেন, রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে এমবাপ্পের চুক্তির বিষয়ে আলোচনার সবকিছুই প্রায় চূড়ান্ত। তবে ২০১৯ সালে রিয়াল যে বেতন কাঠামো প্রস্তাব করেছিল, সেটি পাচ্ছেন না এ ফরাসি তারকা।

মাদ্রিদের কোন বাড়িতে তিনি থাকবেন, তাও নাকি ঠিক হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ইতালিয়ান এই সাংবাদিক।

২০১৭ সালে মোনাকো থেকে ধারে পিএসজিতে আসেন এমবাপ্পে। পরের বছরই তাকে কিনে নেয় প্যারিসের দলটি। পিএসজির জার্সিতে ৭ মৌসুমে ছয়টি লিগ আঁ শিরোপা, তিনটি ফরাসি কাপসহ আরও অনেক ট্রফি জিতেছেন তিনি। তবে পিএসজির মতো এমবাপ্পের কাছেও অধরা থেকে গেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফিটি।

সবশেষ চলতি মৌসুমেও সেমিফাইনালে ডর্টমুন্ডের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় পিএসজির।

প্যারিসের এ ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩০৬ ম্যাচে ২৫৫ গোল করেছেন এমবাপ্পে। ১০৮টি অ্যাসিস্টও রয়েছে তার নামের পাশে।

আরও পড়ুন:
ইউরোপিয়ান ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার
পিএসজিতে থাকতে হলে এমবাপ্পেকে নতুন চুক্তি সই করতে হবে
তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে পিএসজি কোচের

মন্তব্য

p
উপরে