× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Bangladesh gave New Zealand a target of 332 runs
google_news print-icon

নিউজিল্যান্ডকে ৩৩২ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডকে-৩৩২-রানের-টার্গেট-দিল-বাংলাদেশ
৭ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩১০ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৩১৭।

সিলেট টেস্ট জিততে নিউজিল্যান্ডকে ৩৩২ রানের টার্গেট দিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

৭ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩১০ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৩১৭।

তৃতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ২১২ রান করেছিলো বাংলাদেশ। ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ২০৫ রানে এগিয়ে ছিলো টাইগাররা।

চতুর্থ দিন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৪, মুশফিকুর রহিম ৬৭ ও মেহেদি হাসান মিরাজ ৫০ রানে আউট হন। নিউজিল্যান্ডের স্পিনার আজাজ প্যাটেল ১৪৮ রানে ৪ উইকেট নেন। সূত্র: বাসস

আরও পড়ুন:
শান্তর সেঞ্চুরি, বড় লিডের স্বপ্ন দেখছে টাইগাররা
৩১৭ রানে ইনিংস শেষ করল নিউজিল্যান্ড
৩১০ রানে অল আউট বাংলাদেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Lyttons brilliant batting put the Victorians in the final

লিটনের দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিংয়ে ফাইনালে ভিক্টোরিয়ান্স

লিটনের দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিংয়ে ফাইনালে ভিক্টোরিয়ান্স
বিপিএলের শুরুর দিকে রান খরায় ভুগছিলেন লিটন দাস, তৌহিদ হৃদয় দুইজনই। বেশ সমালোচনা হয়েছিল লিটনকে নিয়ে। কিন্তু শেষদিকে এসে এই দুইজনই ভরসা হয়ে উঠেছেন কুমিল্লার। দুজনই নেতৃত্ব দিচ্ছেন কুমিল্লার ব্যাটিং লাইনে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এলিমিনেটর ম্যাচে সোমবার মুখোমুখি হয়েছিল ফরচুন বরিশাল আর চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচেই চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরেছিল তামিমের বরিশাল। এলিমিনেটর ম্যাচ জিতে সেই প্রতিশোধ নিল বরিশাল। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে অনেকটা একপেশেভাবেই এই জয় পেয়েছে তারা। পাঁচ ওভার এক বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটের বড় জয়ে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করেছেন তামিম-মুশফিকরা।

খাতা-কলমে এগিয়ে থেকেই চট্টগ্রামের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল ফরচুন বরিশাল। সেটাকে তারা মাঠেও প্রমাণ করেছে। মূলত কেইল মায়ার্স, জেমস ফুলার, ডেভিড মিলার আর ওবেদ ম্যাককয় দলের সঙ্গে যোগ দেয়ায় বেড়েছে তাদের শক্তি। কারণ বরিশালের বোলিং ইনিংসে চট্টগ্রামকে চেপে ধরতে বড় ভূমিকা ছিল কেইল মায়ার্স, ওবেদ ম্যাককয় আর জেমস ফুলারের। এই তিনজনের শিকার ৫ উইকেট। চট্টগ্রাম যখনই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে, তখনই প্রতিরোধ গড়েছে তারা।

বরিশালের এই জয়ে বড় অবদান ছিল কেইল মায়ার্সের। বল হাতে ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ ২ উইকেট। ব্যাট হাতেও ঝড় তুলেছিলেন ২২ গজে। মাত্র ২৫ বলেই তুলে নিয়েছিলেন অর্ধশতক। শাসন করেছিলেন চট্টগ্রামের বোলারদের। মায়ার্সের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ চার ৫ ছক্কায়। ইনিংসের শুরুতেই সৌম্য সরকার আউট হলেও তামিমের সঙ্গে গড়েছিলেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। যেটি বরিশালকে জয়ের পথ দেখিয়েছে।

অধিনায়ক তামিম ইকবালের ইনিংসগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বরিশালের জন্য। শেষ দুই ম্যাচেই তামিম খেলেছেন দায়িত্বশীল ইনিংস। এলিমিনেটর ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ৪৩ বলে অপরাজিত ছিলেন ৫২ রানে। তামিম মাঠ ছেড়েছেন দলকে জিতিয়েই। তামিমের ব্যাট আশা হয়ে উঠেছে বরিশালের জন্য। ইতোমধ্যে তামিমও অবস্থান করছেন রান সংগ্রাহকের তালিকায় সবার শীর্ষে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হারের অন্যতম কারণ ছিল ব্যাটিং ব্যর্থতা। ওপেনার জস ব্রাউন আর অধিনায়ক শুভাগত হোম ব্যতীত রান পাননি কেউই। গত ম্যাচে একা হাতে চট্টগ্রামকে রক্ষা করেছিলেন তানজিদ তামিম। কিন্তু এ দিন তামিম ব্যর্থ হলে দলের হাল ধরতে পারেননি কেউই। যে কারণে হেরে বিদায় নিতে হলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে।

প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মাঠে নেমেছিল রংপুর রাইডারস আর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের শুরুটা ভালো হয়নি। ১০৪ রানেই হারিয়েছিল পাঁচ উইকেট। কিন্তু রংপুরকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছেন জিমি নিশাম একাই। মাত্র তিন রানের জন্য পূরণ করতে পারেননি বিপিএলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি। অপরাজিত ছিলেন ৯৭ রানে। কুমিল্লার বোলারদের শাসন করেছেন চওড়া ব্যাটে। শেষ ৪ ওভারেই নিয়েছেন ৬৮ রান। যেখানে শেষ ওভার থেকেই করেছেন ২৮ রান।

জিমি নিশামের ঝড়ের জবাবটা ঠিকঠাক মতোই দিয়েছেন লিটন দাস আর তৌহিদ হৃদয়। এই দুজন মিলেই পঞ্চমবারের মতো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ফাইনালে তুলল।

ইনিংসের প্রথম বলেই সুনীল নারিন আউট হলেও ভেঙে পড়তে দেননি ব্যাটিং লাইনআপ। শক্ত হাতে দলের হাল ধরেছেন এই দুই তারকা। দুজন মিলে গড়েন ১৪৩ রানের জুটি। পুরো সময়জুড়ে অপেক্ষা করেছেন খারাপ বলের। সুযোগ দেননি রংপুরকে। তৌহিদ হৃদয় খেলেন ৪৩ বল থেকে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। শুরুর দিকে ধীরগতির ব্যাটিং করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণাত্মক হতে থাকেন লিটন দাসও। ৮৩ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস।

মজার বিষয় হলো বিপিএলের শুরুর দিকে রান খরায় ভুগছিলেন লিটন দাস, তৌহিদ হৃদয় দুইজনই। বেশ সমালোচনা হয়েছিল লিটনকে নিয়ে। কিন্তু শেষদিকে এসে এই দুইজনই ভরসা হয়ে উঠেছেন কুমিল্লার। দুজনই নেতৃত্ব দিচ্ছেন কুমিল্লার ব্যাটিং লাইনে।

সোমবার তাদের ব্যাটিংয়ে ভর করেই রংপুরকে হারিয়ে ফাইনালে চলে গেল কুমিল্লা। বিশেষ করে লিটন দাসের চোখ জুড়ানো ব্যাটিং। এই ইনিংসে লিটনের কাভার ড্রাইভগুলো ছিল দেখার মতো। লিটন-হৃদয়ের এমন ব্যাটিং কুমিল্লাকে আশা দেখাচ্ছে পঞ্চম শিরোপা জয়ের।

আরও পড়ুন:
লিটন-হৃদয়ের ব্যাটে ফাইনালে কুমিল্লা
নিশাম তাণ্ডবে কুমিল্লাকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিল রংপুর
চট্টগ্রামকে উড়িয়ে কোয়ালিফায়ারে বরিশাল
তামিম যে ব্যাটিং সাম্রাজ্যের নেতা আবার প্রমাণ করলেন
খুলনার স্বপ্ন ভেঙে প্লে-অফে বরিশাল

মন্তব্য

খেলা
Comilla in the final with the bat of Liton Hruday

লিটন-হৃদয়ের ব্যাটে ফাইনালে কুমিল্লা

লিটন-হৃদয়ের ব্যাটে ফাইনালে কুমিল্লা ছবি: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
কুমিল্লার হয়ে ব্যাট হাতে চারটি ছক্কা ও নয়টি চারের সাহায্যে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেন লিটন দাস। ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন কুমিল্লার অধিনায়ক।

জিমি নিশামের অপরাজিত ৯৭ রানের সুবাদে কুমিল্লাকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। তবে অধিনায়ক লিটন দাস ও তৌহিদ হৃদয়ের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ফলে বিপিএলের চলতি আসরের ফাইনালের প্রথম দল হিসেবে টিকিট কেটেছে তারা।

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত বিশ ওভারে ছয় উইকেটে ১৮৫ রান করে রংপুর। জবাবে খেলতে নেমে ১৮.৩ ওভারে চার উইকেটে ১৮৬ রান করে কুমিল্লা। ফলে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

কুমিল্লার হয়ে ব্যাট হাতে চারটি ছক্কা ও নয়টি চারের সাহায্যে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেন লিটন দাস। তৌহিদ হৃদয় করেন ৪৩ বলে ৬৪ রান। এ রান করতে চারটি ছক্কা ও পাঁচটি চার মারেন তিনি।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস।

আরও পড়ুন: নিশাম তাণ্ডবে কুমিল্লাকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিল রংপুর

১৮৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় কুমিল্লা। ফজলহক ফারুকির আউটার লেংথের বলে টপ এজ হয়ে যায় সুনীল নারাইনের মোকাবিলা করা প্রথম বলটি। উইকেটের পেছনে বলটি সোহানের গ্লাভসবন্দি হলে গোল্ডেন ডাক মেরে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নারাইন।

এরপর তৌহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান লিটন দাস। নিজে ধৈর্যসহকারে খেলে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও স্বভাবসুলভ ব্যাটিংয়ে মনযোগী হন হৃদয়। পঞ্চম ওভারে হাসান মাহমুদকে প্রথম ওভারেই তুলোধুনা করেন তিনি। একটি ছক্কা ও চারটি চারে নেন ২২ রান।

পরের ওভারে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং প্রদর্শন করেন লিটনও। একটি করে ছক্কা ও চারের মারের পর ওই ওভারে আসে ১৬ রান। ছয় ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৬১ রান তুলে টাইম আউটের বিরতিতে যায় কুমিল্লা।

ফিরে এসেও রানের গতি শ্লথ করেননি লিটন ও হৃদয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩১ বলে নিজের ফিফটি তুলে নেন হৃদয়। শেষপর্যন্ত ১৪৩ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন তিনি। ফেরার আগে খেলে যান ৪৩ বলে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।

এরপর জনসন চার্ল এসে এক ছক্কা ও এক চার মেরে পরের বলে আউট হয়ে গেলে ১৬১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় কুমিল্লা। দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে দলীয় ১৭৩ রানে আউট হন লিটনও। ফাইনালে উঠতে কুমিল্লার তখন প্রয়োজন ১৩ বলে ১৩ রান।

তারপর বাকি কাজটুকু সারেন মঈন আলী (১২) ও আন্দ্রে রাসেল (২)। ১৮.৩তম ওভারে দলের মাত্র ৬ রান দরকার হলে বিশাল ছক্কা হাঁকান মঈন। ফলে ৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় কুমিল্লা। এ জয়ে টানা তিনবার বিপিএলের ফাইনালের উঠল দলটি।

হেরে গেলেও ফাইনালে উঠতে আরও একবার সুযোগ পাবে রংপুর। আগামী বুধবার বরিশালের মুখোমুখি হবে তারা।

আরও পড়ুন:
নিশাম তাণ্ডবে কুমিল্লাকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিল রংপুর
চট্টগ্রামকে উড়িয়ে কোয়ালিফায়ারে বরিশাল

মন্তব্য

খেলা
Rangpur gave Comilla a target of 190 runs in Nishams rampage

নিশাম তাণ্ডবে কুমিল্লাকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিল রংপুর

নিশাম তাণ্ডবে কুমিল্লাকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিল রংপুর ছবি: রংপুর রাইডার্স
সেঞ্চুরির আক্ষেপে পুড়লেও জিমি নিশামের অপরাজিত ৯৭ রানে ভর করেই লড়াকু পুঁজি পেয়েছে রংপুর।

বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল-সাকিবদের রংপুর রাইডার্স। ফলে সরাসরি ফাইনালে উঠতে বিশ ওভারে এ লক্ষ্য টপকাতে হবে লিটন-আন্দ্রে রাসেলদের কুমিল্লাকে।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে রংপুরকে ব্যাটিংয়ে পাঠান ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক লিটন দাস। ইনিংসের শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও জিমি নিশামের ৪৯ বলে অপরাজিত ৯৭ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৮৫ রান তুলতে সক্ষম হয়েছে রংপুর।

এদিন বিপিএলে কুমিল্লার হয়ে অভিষেক হয় সদ্য সমাপ্ত অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম করা রোহানাত দৌলা বর্ষণের।

ইনিংসের শুরু থেকেই অধিনায়কের সিদ্ধান্তের প্রতি সুবিচার করতে থাকেন কুমিল্লার বোলাররা।

দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই কুমিল্লাকে ব্রেকথ্রু এনে দেন তানভীর ইসলাম। তানভীরের আউটসাইড অফ স্ট্যাম্পে করা বলটি বোলালের মাথার ওপর দিয়ে সজোরে উড়িয়ে মারেন রংপুরের ওপেনার শামীম হোসেন। বলটি ঠেকাতে গিয়ে তানভীরের হাতে লেগে আরও উপরে উঠে সীমানার দিকে এগোতে থাকে। বেশ খানিকটা দৌড়ে এসে ক্যাচটি লুফে নেন আন্দ্রে রাসেল। ফলে দুই বলে শূন্য রানে ফিরতে হয় শামীমকে।

বিপিএলে বোলিং ক্যারিয়ারের প্রথম ওভারে ১০ রান দেয়া বর্ষণ নিজের দ্বিতীয় ওভারেই পান উইকেটের দেখা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে বর্ষণের গুড লেংথ ডেলিভারিটি পুল করতে গেলে টপ-এজ হয়ে যায়। উইকেটের পেছন থেকে দৌড়ে এসে ক্যাচ নিয়ে ভুল করেননি লিটন দাস।

পঞ্চম ওভারে সাকিবকে ফেরার আন্দ্রে রাসেল। ওভারের চতুর্থ বলে রাসেলের আউটসাউড অফে করা শর্ট ডেলিভারিটি পুল করতে গিয়ে টপ-এজ হয়ে যায়। ফাইন লেগে থাকা বর্ষণ ক্যাচটি ধরলে ২৭ রানে তিন উইকেট হারায় রংপুর।

এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মাহেদী হাসান ও জিমি নিশাম। চতুর্থ উইকেটে স্কোরবোর্ড ৩৯ রান যোগ করে বিদায় নেন মাহেদী। নবম ওভারে সুনীল নারাইনের চার বলে মাত্র দুই রান নিয়ে শেষ বলে বাউন্ডারি মারার চেষ্টায় ছিলেন মাহেদী, কিন্তু তা করতে গিয়ে হিতে বিপরীত হয়ে যায়। আবারও টপ-এজ, আর এর শিকার হয়ে শর্ট থার্ডম্যান অঞ্চলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ১৭ বলে ২২ রান করা মাহেদী।

এরপর নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন নিশাম। মাত্র চার ওভারে স্কোরবোর্ডে ৩৮ রান তোলে এই জুটি। ১৩তম ওভারে মুশফিক হাসানের প্রথম দুই বলে দুটি চার মেরে স্ট্রাইক রোটেট করেন নিশাম। পরের দুই বলে যথাক্রমে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে শেষ বলেও ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ হয়ে সাজঘরে ফেরেন পুরান।

সপ্তাম ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসে দলকে বড় সংগ্রহের পথ দেখান অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। ২৪ বল মোকাবিলা করে এক ছক্কা ও চারটি চারের সাহায্যে ৩০ রান করে তিনিও ফিরে যান।

১৯তম ওভারের শেষ বলে সোহান ফিরে গেলে বাকি ছয় বল একাই খেলেন নিশাম। আগে থেকেই খরুচে মুশফিক হাসানের প্রথম দুই বলে দুটি চার মারার পর পরপর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে এক বল পর আবারও উড়িয়ে বল সীমানা ছাড়া করেন নিশাম। তাতে তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৬ রানে। সেঞ্চুরি পেতে শেষ বলে একটি চারের প্রয়োজন ছিল তার। তবে ব্যর্থ হয়ে এক রান নিয়ে এতে নিশামের অপরাজিত ৯৭ রানে ১৮৫ রানের পুঁজি পায় রংপুর।

বল হাতে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। তবে প্রথম ম্যাচে তিন ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়ে চমক দেখান বর্ষণ।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামকে উড়িয়ে কোয়ালিফায়ারে বরিশাল

মন্তব্য

খেলা
Barisal beat Chittagong in the qualifiers

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে কোয়ালিফায়ারে বরিশাল

চট্টগ্রামকে উড়িয়ে কোয়ালিফায়ারে বরিশাল ছবি: ফরচুন বরিশাল
বিপিএলে সোমবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। জবাবে খেলতে নেমে ১৪ ওভার ৫ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বরিশাল।

ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতার পর বোলিংয়েও চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। অন্যদিকে দুই বিভাগেই দাপট দেখিয়েছে চট্টগ্রামকে একপ্রকার উড়িয়ে দিয়ে কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছে ফরচুন বরিশাল।

বিপিএলে সোমবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। দলের হয়ে ২২ বলে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন ব্রাউন।

জবাবে খেলতে নেমে ১৪ ওভার ৫ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বরিশাল। ৭ উইকেটের বড় জয়ের নেপথ্যে অধিনায়ক তামিম ইকবালের ৪৩ বলে ৫২ ও কাইল মেয়ার্সের ২৬ বলে ৫০ রানের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।

বল হাতে দুই উইকেট ও ব্যাট হাতে ৫০ রান করায় ম্যাচসেরার পুরস্কার গেছে মেয়ার্সের ঝুলিতেই।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সৌম্য সরকারকে হারায় চট্টগ্রাম। সিলভার ডাক খেয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে কাইল মেয়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের পথ দেখান তামিম ইকবাল।

২৬ বলে ৫০ রান করে মেয়ার্স সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ৯৯ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। এরপর চারে নেমে আক্রমণাত্মক শুরু করেছিলেন ডেভিড মিলারও। তবে ১৩ বলে ১৭ রানের বেশি করতে পারেননি এই প্রোটিয়া হার্ড হিটার।

পরে মুশফিকুর রহিমকে (৬) নিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছান তামিম।

রোববার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। এই ম্যাচে জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে চলে যাবে। আর হেরে যাওয়া দলের সঙ্গে বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হবে বরিশাল।

মন্তব্য

খেলা
Tamim proved once again that he is the leader of the batting empire

তামিম যে ব্যাটিং সাম্রাজ্যের নেতা আবার প্রমাণ করলেন

তামিম যে ব্যাটিং সাম্রাজ্যের নেতা আবার প্রমাণ করলেন
তামিম ইকবাল যে বড় ম্যাচের পারফর্মার সেটা প্রমাণ করলেন আবারও। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৪৮ বলে খেলেছেন ৬৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস। যেই ইনিংস বরিশালকে দেখিয়েছে জয়ের বন্দর। শুরুতে উইকেট হারানোর পর তামিম পরিচয় দিয়েছেন দায়িত্বশীলতার। কেইল মায়ার্স আর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে গড়েছেন গুরুত্বপূর্ণ দুটি জুটি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) জন্য শুক্রবার দিনটা ছিল অন্যরকম। চরম উত্তেজনার সমীকরণ মেলানোর ম্যাচ। সেটাও আবার চারবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ফরচুন বরিশালের। যেই ম্যাচে বরিশালে খেলছেন জাতীয় দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়। অন্যদিকে কুমিল্লায় খেলছেন টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা সব ক্রিকেটার। এই ম্যাচকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যেও ছিল অন্যরকম কৌতূহল। ছুটির দিনে তিল ধারণের জায়গা ছিল না মিরপুরের শেরে-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

এই ম্যাচে হারলে জটিল অঙ্কের মারপ্যাঁচে পড়তে হতো বরিশালকে। তাই প্লে-অফ নিশ্চিতে অনেকটা বাঁচা-মরার ম্যাচ ছিল তামিম-মুশফিকদের। তবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের জন্য এটা ছিল কেবলই নিয়ম রক্ষার ম্যাচ। জয় পেলে বড়জোর দুই নম্বর থেকে টেবিলের এক নম্বরে যেতে পারত। আর খেলোয়াড়দের মধ্যে জয়ের উচ্ছ্বাস থাকত। এ ছাড়া এই ম্যাচ থেকে কুমিল্লার পাওয়ার তেমন কিছুই ছিল না।

তবে কোনো হিসাব-নিকাশ মেলাতে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না অধিনায়ক তামিম ইকবালের। তাই দলকে জিতিয়ে পয়েন্ট টেবিলে শক্ত অবস্থান তৈরি করেই নিশ্চিত করেছেন প্লে-অফ। সব মিলিয়ে ১২ ম্যাচে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকেই গ্রুপ পর্ব শেষ করল বরিশাল। এই জয়ে খুলনা টাইগার্সের ক্ষীণ আশার নৌকাকে সাগরে ডুবিয়ে শেষ চারে চলে গেল ফরচুন বরিশাল।

২০১৯ বিপিএলের ফাইনাল। শুরুতে ব্যাট করতে নামে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সেই ম্যাচে কুমিল্লার হয়ে ওপেনিং করতে নামেন তামিম ইকবাল। খেলেন বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪১ রানের অপরাজিত ইনিংস। তামিম ইকবাল যে বড় ম্যাচের পারফর্মার সেটা প্রমাণ করলেন আবারও। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে ৪৮ বলে খেলেছেন ৬৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস। যেই ইনিংস বরিশালকে দেখিয়েছে জয়ের বন্দর। শুরুতে উইকেট হারানোর পর তামিম পরিচয় দিয়েছেন দায়িত্বশীলতার। কেইল মায়ার্স আর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে গড়েছেন গুরুত্বপূর্ণ দুটি জুটি।

তামিম ইকবাল যে শুধু এই ম্যাচেই পারফর্ম করেছেন বিষয়টি এমন নয়। বিপিএলজুড়েই তিনি পারফর্ম করেছেন। কিন্তু সেগুলো খুব বেশি আলোর মুখ দেখেনি। মানে ম্যাচ শেষ করে কিংবা এক ইনিংসে সেঞ্চুরি করেই লাইম লাইটে আসেননি তামিম। তবে নিয়মিত অবদান রেখেছেন দলের জন্য। যার কারণেই কুমিল্লার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে রান সংগ্রাহকের তালিকার সবার উপরে উঠে গেছেন তিনি। ১২ ম্যাচ থেকে তামিম ইকবালের রান ২৯১। বাকি ম্যাচগুলোতেও যদি তামিম ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেন তাহলে সেটা বরিশালকে বেশ স্বস্তি দেবে।

বরিশালকে পথ দেখাচ্ছেন আরও একজন খেলোয়াড়। তিনি ক্যারিবিয়ান হার্ডহিটার কেইল মায়ার্স। ব্যাট এবং বল দুই বিভাগেই অবদান রাখছেন বরিশালের জয়ে। কুমিল্লার বিপক্ষেও বল হাতে ৩ ওভারে দিয়েছেন মোটে ১৭ রান। ব্যাটে করেছেন ২৫ রান।

দিনের প্রথম ম্যাচে বরিশাল জয় পাওয়ায় দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিল শুধুই নিয়ম রক্ষার। এ ম্যাচে জয়-পরাজয়ে কোনো লাভ-ক্ষতিই নেই খুলনা টাইগার্স কিংবা সিলেট স্ট্রাইকার্সের। কারণ সিলেটের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে আগেই। বরিশালের জয়ে খুলনার তরিও ভিড়েছে একই বন্দরে।

চাপহীন এমন ম্যাচেও ব্যর্থ ছিল খুলনা টাইগার্সের ব্যাটিং লাইন-আপ। আগে ব্যাট করে ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করতে পেরেছিল মোটে ১২৮ রান। তার মধ্যে দুজন মিলেই করেছেন ৭৩ রান।

খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেছেন আফিফ হোসেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেছেন ওয়েন পার্নেল। ১৫ রানের ঘরও ছুঁতে পারেননি আর কেউ। বিপিএলের শেষ দিকে এসে খুলনার এমন ব্যর্থতাই ভালো শুরুর পরও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের কারণ। কিপ্টে বোলিংয়ে খুলনার কোমর ভেঙে দেন বেনি হাওয়েল আর সামিত প্যাটেল। হাওয়েল একাই শিকার করেন ৩ উইকেট।

১২৮ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট স্ট্রাইকার্স। ৬ রান তুলতেই ফেরত যান দুই ওপেনার। এরপর দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত আর ইয়াসির আলী। দুজনে মিলে গড়েন ৭০ রানের জুটি। ১৭তম ওভারে নাহিদুলের ক্যাচ বানিয়ে ইয়াসিরকে ফেরান হোল্ডার। এর আগেই অবশ্য ৪৩ বল থেকে ৪৬ রান করে সিলেটকে বন্দরের পথ দেখান তিনি। ২ ছক্কা আর ৪ চারে সাজানো ছিল তার ইনিংস। বাকি কাজটা শেষ করেন অধিনায়ক মিঠুন (১৯) আর বেনি হাওয়েল (১২)। সিলেট জয় পায় ৬ উইকেটে।

শেষ ম্যাচে জয়ের সুখস্মৃতি নিয়েই আসর শেষ করল সিলেট স্ট্রাইকার্স। অন্যদিকে হারের বৃত্তে থেকে তেতো স্বাদ নিয়ে বাড়ি ফিরল খুলনা টাইগার্স।

আরও পড়ুন:
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার উষ্ণ স্পর্শ লক্ষ করছি
বিদেশি খেলোয়াড়েরা বরিশালের ট্রাম্প কার্ড
অলরাউন্ডাররা কুমিল্লার বড় ভরসা
বিদেশি রিক্রুট চলে যাওয়ায় ধ্বংসস্তূপে চট্রগ্রাম-খুলনা
ওয়ানডে অলরাউন্ডার র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব

মন্তব্য

খেলা
Barisal breaks Khulnas dream in the playoffs

খুলনার স্বপ্ন ভেঙে প্লে-অফে বরিশাল

খুলনার স্বপ্ন ভেঙে প্লে-অফে বরিশাল ছবি: এক্স
গত ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরে খাদের কিনারায় চলে যায় খুলনা টাইগার্স। তবে বরিশালের আজকের জয়ে তাদের প্লে-অফে খেলার সব হিসাব-নিকাশ শেষ হয়ে গেছে।

জিতলে নিশ্চিত প্লে-অফ, তবে হারলেও সুযোগ থাকত ফরচুন বরিশালের। এমন সমীকরণের ম্যাচে নিজেদের ভাগ্য হাতছাড়া করেনি তারা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে শেষ চারের টিকেট নিশ্চিত করেছে তামিম-মুশফিক-মাহমুদুল্লাহদের বরিশাল।

গত ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরে খাদের কিনারায় চলে যায় খুলনা টাইগার্স। শেষ চারের টিকিট পেতে তাদের হিসাবটা বেশ জটিল হয়ে যায়। নিজেদের শেষ ম্যাচ জিততে হবে, সেইসঙ্গে বরিশালকে কুমিল্লার কাছে বড় ব্যবধানে হারতে হবে- এমনভাবে কাগজে-কলমে টিকে ছিল তাদের আশা। তবে বরিশালের আজকের জয়ের ফলে তাদের সব হিসাব-নিকাশ শেষ হয়ে গেছে।

টস জিতে অধিনায়ক তামিমের শুরুতে ফিল্ডিং নেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতি সুবিচার করেন বরিশালের বোলাররা। দারুণ বোলিংয়ে কুমিল্লাকে ১৪০ রানের মধ্যে বেঁধে ফেলেন তাইজুল-সাইফউদ্দিনরা। পরে রান তাড়ায় নেমে অধিনায়কের মতোই খেললেন তামিম। তার ৩ ছক্কা ও ছয় চারের মারে সাজানো ৪৮ বলে ৬৬ রানের ইনিংসে ভর করে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় বরিশাল।

এ জয়ে শেষ দল হিসেবে সেরা চারে উঠল ফরচুন বরিশাল। ১২ ম্যাচ শেষে ৭ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে তাদের অবস্থান তৃতীয়। সমান জয়ে নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় চট্টগ্রাম থাকছে চার নম্বরে।

ফলে প্রথম দুই দল হিসেবে কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলে সরাসরি ফাইনালের টিকিট কাটার সুযোগ রংপুর রাইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সামনে। আর প্রথম এলিমিনেটর ম্যাচে ফরচুন বরিশাল ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের যেকোনো এক দলকে নিতে হবে বিদায়।

আগামী সোমবার এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম। প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচ হারলেও সেরা দুইয়ে থাকা আগেই নিশ্চিত করেছিল কুমিল্লা। প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ টেবিলের শীর্ষে থাকা রংপুর রাইডার্স।

আরও পড়ুন:
প্লে-অফে যেতে বরিশালকে ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল কুমিল্লা
অন্ধকারে ঢাকা-খুলনা, স্ববিক্রমে লড়াই করেছেন শরিফুল-বিজয়রা

মন্তব্য

খেলা
Comilla gave Barisal a target of 141 runs to go to the playoffs

প্লে-অফে যেতে বরিশালকে ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল কুমিল্লা

প্লে-অফে যেতে বরিশালকে ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল কুমিল্লা ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪০ রানে আটকে দিয়েছে বরিশাল। এখন এই রান টপকাতে পারলেই শেষ চারে নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের জায়গা।

জিতলেই নিশ্চিত হবে প্লে-অফ, হারলেও টিকে থাকবে আশা- এমন সমীকরণে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমে দুর্দান্তভাবে প্রখম ইনিংস শেষ করেছে ফরচুন বরিশাল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪০ রানে আটকে দিয়েছে তারা। এখন এই রান টপকাতে পারলেই শেষ চারে নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের জায়গা।

শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৪০ রান করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলের হয়ে ১৬ বলে সর্বোচ্চ ৩৮ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন সাত নম্বরে নামা জাকের আলি।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ দিনের প্রথম ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কুমিল্লার দুই ওপেনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইন ও অধিনায়ক লিটন দাস।

১৮ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৬ রান করা নারাইনকে শিকার করেন ক্যারিবীয় পেসার ওবেড ম্যাককয়। ২টি বাউন্ডারিতে ১২ বলে ১২ রান করে স্পিনার তাইজুল ইসলামের বলে আউট হন লিটন।

দুই ওপেনারের পর সাজঘরে ফিরেন চার নম্বরে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার হন ১ রান করা অঙ্কন।

৪০ রানে ৩ উইকেট পতনের পর কুমিল্লাকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন তাওহিদ হৃদয় ও মঈন আলি। ৩টি চারে ২৫ রান করা হৃদয়কে থামিয়ে ৩০ বলে ৩৬ রান যোগ হওয়া জুটি ভাঙ্গেন ম্যাককয়।

দলীয় ৭৬ রানে হৃদয় ফেরার পর বিপদ বাড়ে কুমিল্লার। ৯৭ রানে সপ্তম ব্যাটারকে হারায় তারা। মঈন ২৩, ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে রাসেল ১৪ ও ম্যাথু ফোর্ড শূণ্যতে ফিরেন।

অষ্টম উইকেটে মোহাম্মদ এনামুলের সাথে ১৫ বলে ২৭ এবং নবম উইকেটে তানভীর ইসলামকে নিয়ে ৭ বলে অবিচ্ছিন্ন ১৬ রান যোগ করে কুমিল্লাকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন উইকেটরক্ষক জাকের আলী । শেষ ৩ ওভারে ৪২ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ১৪০ রানের সংগ্রহ পায় কুমিল্লা। ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১৬ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন জাকের। বরিশালের তাইজুল ৩টি, ম্যাককয় ও সাইফুদ্দিন ২টি করে উইকেট নেন।

মন্তব্য

p
উপরে