× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Wounded lion England can roar
google_news print-icon

গর্জে উঠতে পারে ‘আহত সিংহ’ ইংল্যান্ড

গর্জে-উঠতে-পারে-আহত-সিংহ-ইংল্যান্ড
চার ম্যাচ খেলে তিনটি ম্যাচে পরাজয়ের পর এখন ইংল্যান্ড ‘আহত সিংহে’র মতো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি ফাইনাল পরীক্ষা মনে করেই খেলবে ইংলিশরা। ইংল্যান্ডের মতো একই দশা তাদেরও। টানা তিন ম্যাচ হারের পর দলটি জয়ের মুখ দেখেছে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ফলে এই দ্বীপ দেশটিও টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টায় থাকবে।

বিশ্বকাপের শুরুর দিকেই ইংল্যান্ড দলের করুণ দুর্দশা হবে, খাদের কিনারায় চলে যাবে দলটি- এমনটা কল্পনায় ছিল না। চার বছর আগে এক মনোমুগ্ধকর, রোমাঞ্চকর উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে যে দলটি বিশ্বকাপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে, সেটি ধরে রাখার অভিযান মোটেই সুখকর হলো না।

বাংলাদেশের কাছে ওই জয়টি বাদ দিলে বাকি তিনটি ম্যাচেই ‘হরর’ পারফরম্যান্স শো করেছে তারা। সবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিশাল রানের যে হার, কোনোভাবেই বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে যায় না। যাই হোক, অনুমান বলেন আর ভবিষ্যদ্বাণীই বলেন, তা সব সময় সঠিক হয় না। বাস্তবসম্মত হয় না। ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে।

আমি মনে করি, চার ম্যাচ খেলে তিনটি ম্যাচে পরাজয়ের পর এখন ইংল্যান্ড ‘আহত সিংহে’র মতো। বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গর্জে উঠতে পারে। শিরোপা ধরে রাখার যে অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে অভিযানে নামে ইংল্যান্ড- সামনের ম্যাচগুলোতে জয় ছাড়া বিকল্প রাস্তা খোলা নেই তাদের। প্রতিটি ম্যাচে সর্বশক্তি দিয়ে জয় তুলে নেয়ার চেষ্টা থাকবে দলটির। ফলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি ফাইনাল পরীক্ষা মনে করেই খেলবে ইংলিশরা। ইতিবাচক ক্রিকেট খেলে সেই পরীক্ষায় লেটার মার্ক পেয়ে উত্তীর্ণ হতে চাইবে তারা।

অন্যদিকে যদি শ্রীলঙ্কার কথা বলি, ইংল্যান্ডের মতো একই দশা তাদেরও। টানা তিন ম্যাচ হারের পর দলটি জয়ের মুখ দেখেছে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ফলে এই দ্বীপ দেশটিও টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টায় থাকবে।

শ্রীলঙ্কার ম্যাচে বেশ কিছু জায়গায় উন্নতি করতে হবে ইংল্যান্ডকে। এই দলটির বেশ কিছু জায়গায় দুর্বলতা দেখছি। যেগুলো তাদের অনেক পিছিয়ে রাখছে।

প্রথমত, পাওয়ার প্লের বোলিংয়ের কথা বলব। গত ম্যাচগুলোতে নতুন বলে তাদের পেসাররা সুবিধা আদায় করে নিতে পারেননি। প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা স্বাচ্ছন্দ্যে স্কোরবোর্ডে রান তুলেছেন, শক্ত ওপেনিং স্ট্যান্ডিং হয়েছে। এই পাওয়ার প্লের বোলিংয়ে জ্বলে উঠতে হবে তাদের।

আগের ম্যাচে পেস অ্যাটাকের নেতৃত্বে ছিলেন রেস টপলি। কিন্তু ইনজুরি এই বাঁহাতি পেসারকে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে দিয়েছে। ফলে ইংল্যান্ডের পেস অ্যাটাক আরও দুর্বল হয়ে গেল। যারা নতুন বলে দায়িত্ব পাবেন, সে সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

দ্বিতীয়ত, ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন। গত ম্যাচের কথাই যদি বলি, মুম্বাইয়ের মতো ব্যাটিং-স্বর্গ উইকেট ছিল এবং সেখানে প্রচণ্ড গরম পড়েছে। কিন্তু টস জিতে আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর ভুল সিদ্ধান্ত নেন বাটলার। এই ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে রেকর্ড রানে হেরে। আমি মনে করি, আরও সচেতন হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাকে।

তৃতীয়ত, রান তাড়া করতে গিয়ে অনেক বিপাকে পড়ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। পরে ব্যাটিং করে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে দল। এখানে তাদের আরও সতর্ক হতে হবে। চতুর্থত, অতটা আত্মবিশ্বাসী দেখা যাচ্ছে না ইংলিশদের। আবারও যে বিশ্বকাপ জয়ের মিশনে নেমেছে তারা, সেটি ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’-এ ফুটে উঠছে না। দেখা যাচ্ছে না আগ্রাসী মনোভাব। যদি আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এসব হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারে তারা, তাহলে ইংল্যান্ড দলটি পাল্টে যাবে।

অন্যদিকে, গত এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা ফাইনালে খেলেছে। কিন্তু সেটি আগে কল্পনায় ছিল না। দাপুটে ক্রিকেট খেলেই ফাইনালে ওঠে তারা। যদিও রানার্সআপ হয়েছে। বিশ্বকাপে যেহেতু জয়ের ছন্দে ফিরেছে লঙ্কানরা, আমার মনে হয়, সামনের ম্যাচগুলোতে তারা সফল হতে পারে। যদিও চোটের কারণে তাদের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় দলে নেই। তবে যারা এসেছেন, তাদেরও ভালো করার সামর্থ্য রয়েছে। দলকে টেনে নেয়ার শক্তি আছে।

বেঙ্গালুরুতে বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার লড়াইয়ের ভেতরে আরও বেশ কিছু লড়াই জমে উঠতে পারে। এক, ডেভিড মালান বনাম দিলশান মাদুশঙ্কার লড়াই। বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৪০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন মালান। বেয়ারস্টোর সঙ্গে উদ্বোধনীতে লম্বা জুটি গড়েন। এই ওপেনারকে ব্যর্থ করতে পারেন লঙ্কান বাঁহাতি পেসার মাদুশঙ্কা।

দুই, আদিল রশিদ বনাম সামারাবিক্রমার লড়াইও জমতে পারে। ইনিংসের মাঝের ওভারগুলোতে বিধ্বংসী বোলিং করেন রশিদ। দলের পক্ষে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করে সে প্রমাণ রেখেছেন এই লেগ স্পিনার। তার মুখোমুখি হতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন লঙ্কান ‘ইনফর্ম’ ব্যাটার সামারাবিক্রমাও। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৮, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৯১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

তিন, অ্যাথিনসন বনাম কুশল মেন্ডিসের রণ। টপলির বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়ায় ইংল্যান্ড পেস অ্যাটাকের নেতৃত্বে থাকবেন অ্যাথিনসন। আর তার গতির তোপে ব্যর্থ হতে পারেন মেন্ডিস। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কার হয়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২২ রানের ইনিংস খেলেন। ফলে এই দুজনের মধ্যে লড়াইটাও দেখার মতো হতে পারে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Congratulations to all rounder Rishad

অলরাউন্ডার রিশাদকে সংবর্ধনা

অলরাউন্ডার রিশাদকে সংবর্ধনা অলরাউন্ডার রিশাদকে সোমবার নীলফামারী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে সংবর্ধনা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জাতীয় দলের অলরাউন্ডার রিশাদ ইসলাম বলেন, কষ্ট করলে কোনো কিছু বৃথা যায় না। দেশে অনেক ক্ষেত্র রয়েছে- যেখানে মেধা, শ্রম আর লেগে থাকলে সফল হওয়া যায়; আলোকিত মানুষ হওয়া যায়।’

কষ্ট করলে কোনো কিছু বৃথা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার রিশাদ ইসলাম। বলেছেন, ‘শুধু যে পড়াশোনা করেই সফল হওয়া যায় তা নয়। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্র রয়েছে- যেখানে মেধা, শ্রম আর লেগে থাকলে সফল হওয়া যায়, আলোকিত মানুষ হওয়া যায়।’

সোমবার নীলফামারী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) উদ্যোগে সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেছেন।

রিশাদ বলেন, ‘নীলফামারী টিটিসি একটি বড় ক্ষেত্র। প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে গিয়ে পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। দক্ষ জনশক্তির মূল্য রয়েছে বিদেশে। এখানে যেসব ট্রেড রয়েছে এগুলোতে প্রশিক্ষণ নেয়া হলে নিজেকে সফল হিসেবে গড়তে পারবে যুবারা।’

টিটিসি সভাকক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান। এতে চিফ ইনস্ট্রাকটর মশিউর রহমান, প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ও নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম বক্তব্য দেন।

তারকা ক্রিকেটার রিশাদকে সম্মাননা স্মারক এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উপহার প্রদান করা হয়। এর আগে টিটিসির বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণ ক্লাস ঘুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

টিটিসি অধ্যক্ষ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘রিশাদ শুধু নীলফামারী নয়, বাংলাদেশের সম্পদ। একজন তারকা। আমাদের গর্ব। তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে তরুণ প্রজন্ম। টিটিসিতে এসে রিশাদ শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখিয়েছে, উৎসাহ দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন বিইউ
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত
ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত
ইংল্যান্ডকে সহজে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

মন্তব্য

খেলা
Two Tests Bangladesh tour of Pakistan final

দুই টেস্ট: বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর চূড়ান্ত

দুই টেস্ট: বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর চূড়ান্ত বিসিবি ও পিসিবির লোগো। কোলাজ: ইউএনবি
ইউএনবির প্রতিবেদনে জানানো হয, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে টাইগাররা।

দুই টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএনবি।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে টাইগাররা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ এ সিরিজের প্রথম টেস্ট রাওয়ালপিন্ডিতে শুরু হবে ২১ আগস্ট। এরপর করাচিতে ৩০ আগস্ট শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।

সিরিজটি খেলতে বাংলাদেশ দল কবে পাকিস্তান যাবে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইউএনবি জানায়, বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০২৩ সালে এশিয়া কাপে অংশ নিতে পাকিস্তান সফর করেছিল। ওই টুর্নামেন্টের ভেন্যু পাকিস্তানের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কাতেও ছিল।

আরও পড়ুন:
টাইগারদের বড় লক্ষ্য দিল ভারত
তিস্তা নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় আসছে ভারতের কারিগরি দল
এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
পারস্পরিক সহযোগিতায় ঢাকা-দিল্লির মধ্যে ১০ চুক্তি সই
এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার

মন্তব্য

খেলা
BU is champion in inter university indoor cricket organized by Chhatra League

ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন বিইউ

ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন বিইউ মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে বুধবার পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে এক জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ী ও রানারআপ টিমকে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। ছবি: ছাত্রলীগ
‘মাদক, বাল্যবিবাহ, যৌতুক রুখবোই, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বোই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ছাত্রলীগ আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেট-২০২৪-এর আয়োজন করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে দুই ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি (বিইউ)।

এ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হয় সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি।

মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে বুধবার পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে এক জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ী ও রানারআপ টিমকে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

‘মাদক, বাল্যবিবাহ, যৌতুক রুখবোই, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বোই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ছাত্রলীগ আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেট-২০২৪-এর আয়োজন করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে দুই ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

ব্যক্তি পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখায় ফেনীর মাহবুবা তাবাচ্ছুম ইমাকে সম্মাননা দেয়া হয়। আর যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখায় লালমনিরহাটের মো. স্বাধীন ইসলামকে সম্মাননা দেয়া হয়। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মাদক প্রতিরোধে মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র ‘বাঁধন’কে সম্মাননা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৬ জুন থেকে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে দেশের পাবলিক ও বেসরকারি ৬৪টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত
ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত
ইংল্যান্ডকে সহজে হারিয়ে ফাইনালে ভারত
টস হেরে ব্যাটিংয়ে ভারত

মন্তব্য

খেলা
17 years of waiting is over for T20 champion India

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত
টস জিতে এদিন শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করে ভারত। জবাবে খেলতে নেমে নাটকের পর নাটক, ম্যাচে একের পর এক পালাবদলের পর মাত্র ৭ রানে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর প্রথম আসরেই ফাইনালে ওঠে ভারত। সেবার পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। এরপর আরও একবার ফাইনালে উঠলেও শ্রীলঙ্কা কাঁদায় তাদের। ১৭ বছর পর ফের ফাইনালে কাঁদল ভারত। তবে এবার আর হতাশা নয়, শিরোপা জয়ের আনন্দে কাঁদলেন রোহিত-হার্দিকরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০২৪ সালের আসরে এসে অবশেষে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম এ সংস্করণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রোহিত শর্মার দল।

টস জিতে এদিন শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করে ভারত। জবাবে খেলতে নেমে নাটকের পর নাটক, ম্যাচে একের পর এক পালাবদলের পর মাত্র ৭ রানে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

দুই দলই তুমূল লড়াইয়ের স্মরণীয় এক ফাইনাল উপহার দেয়ার পর প্রথমবার কোনো বিশ্ব আসরের ফাইনালে উঠেও সামান্য ব্যবধানে হেরে হতাশ হলো প্রোটিয়ারা। আর প্রায় দেড় যুগের অপেক্ষা শেষে শিরোপা উঁচিয়ে ধরল ভারত।

প্রোটিয়াদের হয়ে ব্যাট হাতে হাইনরিখ ক্লাসেন করেন সর্বোচ্চ ৫২ রান। এছাড়া কুইন্টন ডি কক ৩৯ এবং ডেভিড মিলার ২১ রান করেন।

অন্যদিকে, বল হাতে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন হার্দিক পান্ডিয়া। তবে ব্যক্তিগত চার ওভারে ১৮ ও ২০ রান দিয়ে দুটি করে উইকেট তুলে নেন যথাক্রমে জসপ্রিত বুমরাহ ও আর্শদীপ সিং। প্রথম ইনিংসে বিরাট কোহলির ৭৬ রানের পর এই দুই পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ের কারণেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে চেপে ধরে হারিয়েছে ভারত।

প্রথম ইনিংসে দলের সংগ্রহ বড় করে দেয়ায় ফাইনাল ম্যাচের রাজা বিরাট কোহলি। আর আসরজুড়ে বোলিংয়ে ঝলক দেখানো জসপ্রিত বুমরাহ হয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা।

আরও পড়ুন:
ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত

মন্তব্য

খেলা
India turned around and gave the Proteas a challenging target

ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত

ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করেছে ভারত। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা ছুঁতে হলে এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে হবে প্রোটিয়া ব্যাটারদের।

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে রানখরা গেলেও ফাইনালে ঠিকই জ্বলে উঠল বিরাট কোহলির ব্যাট। তার ব্যাটের হাসিতে শুরুতে উইকেট হারিয়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো ভারত, আর প্রোটিয়াদের দিল চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য।

বার্বাডোসের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করেছে ভারত। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা ছুঁতে হলে এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে হবে প্রোটিয়া ব্যাটারদের।

এদিন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন কোহলি। ৫৯ বলে এই রান করতে গিয়ে তিনি দুটি ছক্কা ও ছয়টি চার মারেন। এছাড়া অক্ষর প্যাটেল ৩১ বলে ৪৭ এবং শেষের দিকে শিবম দুবে ১৬ বলে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন কেশব মহারাজ। এছাড়া কাগিসো রাবাদা ও মার্কো ইয়ানসেনের ঝুলিতে গেছে একটি করে উইকেট।

আরও পড়ুন:
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত

মন্তব্য

খেলা
India batting in the title fight

শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত

শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত
১৮ বছর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বসেরার প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে ভারতের। অন্যদিকে, ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে বিশ্ব আসরে বারবার সেমিফাইনাল খেললেও এই প্রথমবার কোনো ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে মাঠে নেমেছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোহিত শর্মা।

১৮ বছর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বসেরার প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে ভারতের। এর আগে দুবার ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে তাদের।

অন্যদিকে, ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে বিশ্ব আসরে বারবার সেমিফাইনাল খেললেও এই প্রথমবার কোনো ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই ‘চোকার’ থেকে ‘উইনার’ হতে সব রকম চেষ্টাই করবে আইডেন মার্করামের দল।

টস জিতে রোহিত বলেন, ‘আগে ব্যাট করতে চাই। এখানে আগে একটি ম্যাচ খেলেছি। পিচ ভালোই। সেদিন রানও পেয়েছিলাম।

‘ফাইনালের চাপ বুঝতে পারছি। তবে আমরা মাথা ঠান্ডা রাখতে চাই। একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো করেই আজকের ম্যাচটিকে দেখতে চাই।’

‘দক্ষিণ আফ্রিকা (টুর্নামেন্টজুড়ে) অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। আমাদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খেলোয়াড় (দলের) হাল ধরেছে। আজকেও সেরকম কিছু প্রত্যাশা করছি।’

সেমিফাইনালের অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই ভারত মাঠে নামছে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে, মার্করাম বলেন, ‘(টস জিতলে) আমরাও আগে ব্যাট করতাম। তবে যাইহোক, শুরুতে বোলিং করছি, নতুন উইকেটের সুবিধা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।

‘কিছু কিছু সময় আমরা ভালো খেলিনি, তারপরও ম্যাচ বের করেছি। সেই আত্মবিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। পারফেক্ট হওয়া তো সম্ভব নয়, তবে আমাদের তার যতটা কাছাকাছি পারা যায়, যাওয়ার চেষ্টা থাকবে।’

‘ফাইনালের উত্তেজনা অনুভব করলেও চাপ একেবারেই নিচ্ছি না। এটাই (বিশ্বকাপে) আমাদের প্রথম ফাইনাল। তাই খেলা উপভোগ করব।’

দক্ষিণ আফ্রিকাও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে বলে জানান তিনি।

ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ ও কুলদীপ যাদব।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), রিজা হেন্ড্রিক্স, আইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), ডেভিড মিলার, হাইনরিখ ক্লাসেন, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নর্টকিয়া ও তাবরাইজ শামসি।

আরও পড়ুন:
ফাইনালে রাতে মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত

মন্তব্য

খেলা
South Africa and India face each other in the final night
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ফাইনালে রাতে মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত

ফাইনালে রাতে মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত
সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সহজ জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। অপরদিকে গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে ভারত। সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শতভাগ উজাড় করে দিয়েছে ব্যাটার-বোলাররা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের ব্লকবাস্টার ফাইনালে আজ শনিবার রাতে মুখোমুখি হচ্ছে টুর্নামেন্টের দুই অপরাজিত দল দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত। বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি।

প্রথমবারের মতো আইসিসি বিশ্বকাপ ইভেন্টের ফাইনালে উঠেই বাজিমাত করতে চায় প্রোটিয়ারা। প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকার। অন্যদিকে ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতের চোখ দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলার দিকে।

গ্রুপ পর্বে ৪ ও সুপার এইটে ৩ ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু সেমিতে উঠলেও চিন্তার ভাঁজ কপালে ছিলো প্রোটিয়াদের। কারণ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে মোট সাতবার বিশ্বকাপের সেমি থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। এবার সেমি খড়া কাটিয়ে উঠেছে ‘চোকার্স’ খ্যাত দলটি। টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বোলারদের অসাধারণ নৈপুণ্যে আফগানিস্তানকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে প্রথমবারের এতা বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে প্রোটিয়ারা।

দক্ষিণ আফ্রিকার তিন পেসার ও এক স্পিনারের তোপে প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে মাত্র ৫৬ রানে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তান। ৫৭ রানের টার্গেট স্পর্শ করতে মাত্র ৮ দশমিক ৫ ওভার খরচ হয় প্রোটিয়াদের। গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইটে প্রায় বেশিরভাগ ম্যাচে অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হয়েছিলো দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কিন্তু সেমিফাইনালে তেমনটা করতে হয়নি তাদের।

সেমিফাইনালের এমন সহজ জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ফাইনাল নিয়ে দলের অধিনায়ক আইডেন মার্করাম বলেন, ‘ফাইনালে খেলার সুযোগ পাওয়া বিশাল অর্জন। আমরা যখন বিশ্বকাপের জন্য আসি, শুধু ফাইনালে খেলতে আসিনি। আমরা অন্য সব দলের মতো ফাইনাল জিততে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাদা বলের দুই ফরম্যাটে দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে খেলছে দলটি। ফাইনালে উঠতে পারাটা দারুণ। বিশ্বের যেকোনো দলের সঙ্গেই লড়াই করতে পারি ও শিরোপা জিততে পারি বলে আমরা বিশ্বাস করি। সেই সুযোগ এখন সামনে আসায় ভালো লাগছে।’

দক্ষিণ আফ্রিকার মতো এবারের বিশ্বকাপে অপরাজিত দল ভারতও। তবে গ্রুপ ও সুপার এইট পর্ব মিলিয়ে একটি জয় কম পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। কারণ গ্রুপ পর্বে কানাডার বিপক্ষে ভারতের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়।

তাই এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ৮টি ও ভারত ৭টি ম্যাচে জিতেছে। এটা এই দু’দলের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড।

গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে ভারত। ব্যাটার-বোলাররা নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। গত রাতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শতভাগ উজাড় করে দিয়েছে তারা।

অধিনায়ক রোহিত শর্মার হাফ-সেঞ্চুরির সঙ্গে সূর্যকুমার যাদবের ঝড়ো ইনিংসের পর দুই স্পিনার অক্ষর প্যাটেল ও কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিতে ইংল্যান্ডকে ৬৮ রানে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে ভারত। এর আগে ২০০৭ ও ২০১৪ সালে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিল উপমহাদেশের দলটি।

২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপের শিরোপা জিতলেও ২০১৪ সালের ফাইনালে হেরে যায় ভারত। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলংকার কাছে ৬ উইকেটে হেরেছিলো টিম ইন্ডিয়া। আর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপে টান-টান উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে পাকিস্তানকে ৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো ভারত।

২০০৭ সালের সুখস্মৃতি বিশ্বকাপের নবম আসরে ফিরিয়ে আনতে চায় ভারত। দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেন, ‘আমাদের সামনে ২০০৭ সালের সুখস্মৃতি ফিরিয়ে আনার সুবর্ণ সুযোগ। ১৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে মুখিয়ে আছে দলের সবাই। ওই আসরের দলে আমি ছিলাম। আশা করছি আবারও শিরোপা জয়ের উৎসবে মেতে উঠতে পারব আমরা।’

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফাইনাল নিয়ে রোহিত বলেন, ‘দল হএসবে আমাদের খুব শান্ত থাকতে হবে। কারণ মাথা ঠাণ্ডা থাকলে ও চাপ না নিলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। ফাইনালে জিততে হলে ভালো ক্রিকেট খেলার বিকল্প নেই। আমরা এবার আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলছি। ফাইনালে একই পরিকল্পনায় খেলতে চাই।’

ফাইনালে উঠলেও দলের সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলির ফর্ম নিয়ে আবারও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রোহিতকে। কিন্তু কোহলির ফর্ম নিয়ে চিন্তা নেই ভারতের।

রোহিত বলেন, ‘কোহলি কেমন ক্রিকেটার তা আমরা সবাই জানি। সবার ক্যারিয়ারেই খারাপ সময় আসে। আবার খারাপ সময় কেটে যায়। সে রানের জন্য মুখিয়ে আছে। ফাইনালেও সে ওপেন করবে। আমরা আশা করছি, ফাইনালে কোহলির ব্যাট কথা বলবে।’

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২৬বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে ভারতের ১৪ ও দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ১১ ম্যাচে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এই মঞ্চেও জয়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার ২ জয়ের বিপরীতে ভারতের জয় ৪টিতে।

মুখোমুখি লড়াইয়ের ২০০৭, ২০১০, ২০১২ ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ভারত এবং ২০০৯ ও ২০২২ সালের আসরে জিতেছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা।

ভারত দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ডিয়া, যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পান্থ (উইকেটরক্ষক), সঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্রা চাহাল, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজ।

দক্ষিণ আফ্রিকা দল: আইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), অটনিল বার্টম্যান, জেরাল্ড কোয়েৎজি, কুইন্টন ডি কক, বিজর্ন ফরচুইন, রেজা হেনড্রিক্স, মার্কো জানসেন, হেনরিচ ক্লাসেন, কেশব মহারাজ, ডেভিড মিলার, এনরিচ নর্টি, কাগিসো রাবাদা, রায়ান রিকেলটন, তাবরাইজ শামসি, ট্রিস্টান স্টাবস।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টির কারণে টসে দেরি, ম্যাচ পণ্ড হলেই ফাইনালে ভারত
আফগানিস্তানকে উড়িয়ে ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা
রোহিতের তাণ্ডবে রান পাহাড়ে ভারত
সেমিতে ওঠার লক্ষ্যে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে সেমিতে ইংল্যান্ড

মন্তব্য

p
উপরে