× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
All the games on TV today including PSG matches
google_news print-icon

পিএসজির ম্যাচসহ টিভিতে আজ যত খেলা

পিএসজির-ম্যাচসহ-টিভিতে-আজ-যত-খেলা
এমবাপের গোল উদযাপন। ফাইল ছবি
অস্ট্রেলিয়া-সাউথ আফ্রিকা ও পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড টেস্টের আজ তৃতীয় দিনের খেলা। অন্যদিকে রাতে ইপিএলে মাঠে নামবে ম্যান সিটি। আর ফ্রেঞ্চ লিগে খেলবে পিএসজি।

ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়া-সাউথ আফ্রিকা টেস্ট

তৃতীয় দিন

ভোর সাড়ে ৫টা, সনি স্পোর্টস টেন টু

পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড টেস্ট

তৃতীয় দিন

বেলা ১১টা, পিটিভি ও সনি স্পোর্টস টেন ৫

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)

তৃতীয় দিন

সেন্ট্রাল জোন বনাম নর্থ জোন

সকাল ৯টা, ইউটিউব/বিসিবি লাইভ

ইস্ট জোন বনাম সাউথ জোন

সকাল ৯টা, ইউটিউব/বিসিবি লাইভ

ফুটবল

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

লিডস বনাম ম্যানচেস্টার সিটি

রাত ২টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ওয়ান

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান

পিএসজি বনাম স্ত্রাসবুর্গ

রাত ২টা, র‌্যাবিটহোল ও স্পোর্টস এইটিন-ওয়ান

আরও পড়ুন:
লেইথাম-কনওয়ের ব্যাটে পাকিস্তানকে দারুণ জবাব দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড
ডমিঙ্গোকে সরানোর পরিকল্পনা নেই বিসিবির
শততম টেস্টে শতক ওয়ার্নারের
টিভিতে আজ যত খেলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Social pressures put an end to teenage girls dreams of becoming footballers

‘সামাজিক চাপে’ শেষ কিশোরীদের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন

‘সামাজিক চাপে’ শেষ কিশোরীদের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা গ্রামে সুপার কুইন ফুটবল অ্যাকাডেমির নারী খেলোয়াড়রা অনুশিলন করছেন। ফাইল ছবি
সুপার কুইন ফুটবল অ্যাকাডেমির মূল উদ্যোক্তা দেবাশীষ মন্ডল বলেন, ‘এতগুলো ফুটবলপ্রেমী মেয়ের কথা চিন্তা করেই আমরা কয়েকজন মিলে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করি, তবে এখন বন্ধ আছে আর্থিক সংকটের কারণে। যারা অর্থ প্রদান করতেন, তারা সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপে আর অর্থ দিচ্ছেন না।’

‘গ্রামের মেয়েরা হাফ প্যান্ট পরে মাঠে ফুটবল খেলে’ – এ ‘অপরাধে’ হামলা করা হয়েছিল খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা গ্রামে সুপার কুইন ফুটবল অ্যাকাডেমির নারী খেলোয়াড়দের ওপর। যা নিয়ে সারা দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। পরে তাদের পাশের দাঁড়িয়েছিল দেশের সরকার প্রধান থেকে শুরু করে জাতিসংঘের জরুরি শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) পর্যন্ত, তবে বছর না যেতে সেই কিশোরী ফুটবলারদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২২ সালে স্থানীয় কয়েকজন ক্রীড়া সংগঠক সুপার কুইন ফুটবল অ্যাকাডেমিটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে নিয়মিত স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ৩০ থেকে ৪০ জন কিশোরী অনুশীলন করতেন। ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই রাতে নারী ফুটবলারের ওপর হালমার ঘটনা ঘটে। যা নিয়ে পরদিন একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের হয়েছিল।

এ হামলায় যারা আহত হয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল খেলোয়াড় মঙ্গলী বাগচী।

মঙ্গলী বলে, ‘আমাদের ওপর হামলার ঘটনায় ছয় মাস পার না হতে মাঠ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। পরিকল্পিতভাবে আমাদের কোচকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। যারা আমাদের যে আর্থিক সহায়তা করতেন, তারাও দূরে সরে যান। সামাজিক চাপ ও রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে আমাদের স্বপ্নগুলিকে শেষ করে দেয়া হয়।’

আক্ষেপ নিয়ে মঙ্গলী বলে, ‘হামলার পর আমাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নিয়ে জনপ্রতিনিধীরা এসেছিলেন। তারা বলেছিলেন আমাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, থাকা খাওয়া খরচ ও একটি মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করে দেবেন প্রধানমন্ত্রী, তবে তারও মধ্যে আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেল।’

খেলোয়াড় মঙ্গলী বাগচীর মা সুচিত্রা বাগচী বলেন, ‘স্বপ্ন নিয়ে তো মেয়েকে মাঠে পাঠিয়েছিলাম। মার খাওয়ার পরেও তারা ফুটবল ছাড়েনি। এখন তো তাদের কৌশলে মাঠের বাইরে পাঠানো হল। মেয়েটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।

‘প্রতিবেশীরা তাকে এখন হেয় প্রতিপন্ন করছে। আমাদের মেয়েরা ফুটবলের যে সুনাম এনেছিল, তার ধারাবাহিকতা আমরা ধরে রাখতে পারলাম না।’

মঙ্গলী বাগচী ও তার খেলার সাথীরা এখনও সবাই মাঠের বাইরে। ইতোমধ্যে তাদের চারজন খেলোয়াড়ের বিয়ে হয়ে গেছে। কেউ কেউ দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে মাঠে কাজ করছে। বাকিরা বাড়িতে অলস সময় কাটাচ্ছে বলে জানায় সে।

মঙ্গলী বাগচী জানায়, এই ক্লাবের কিশোরীদের উপর নির্ভর করে খুলনা জেলা ও বিভাগীয় নারী ফুটবল দল গঠন করা হতো। তাদের পারফরমেন্সের ওপর নির্ভর করতো খুলনার দল বিজয়ী হবে কি না।

শুধু খুলনা জেলা নয় দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের অন্যান্য জেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও কিশোরীরা প্রশিক্ষণ নিত ক্লাব থেকে। ক্লাবের খেলোয়াড় স্বর্ণা, পূজা রায়, জ্যোতি, ঋতু, প্রীতি, তারা, দেবী, সীমা ও সাদিয়া নাসরিন অনূর্ধ্ব ১৯ বিভাগীয় দলের নিয়মিত খেলোয়াড় ছিল। যারা সবাই এখন মাঠের বাইরে।

ক্লাবটি গঠনও করা হয়েছিল খুলনার নারী ফুটবলারদের অগ্রগতির জন্য। স্থানীয় তেঁতুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে জেলা পর্যায়ে ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত

১০ বছর ও বিভাগীয় পর্যায়ে ৫ বার তারা বিজয়ী বা রানার্সআপ হওয়ার সাফল্য রেখেছিল, তবে তারা যখন প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিকে অধ্যয়ন শুরু করতো, তখন আর ফুটবলের প্রশিক্ষণ পেত না। এই কিশোরীদের ফুটবল খেলার সাথে ধরে রাখতে তেঁতুলতলা সুপার কুইন ফুটবল অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন ওই বিদ্যালয়েরই শিক্ষক দেবাশীষ মন্ডল।

তিনি বলেন, ‘এতগুলো ফুটবলপ্রেমী মেয়ের কথা চিন্তা করেই আমরা কয়েকজন মিলে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করি। তবে এখন বন্ধ আছে আর্থিক সংকটের কারণে। যারা অর্থ প্রদান করতেন, তারা সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপে আর অর্থ দিচ্ছেন না।’

তিনি আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘এদের মাঠে টিকিয়ে রাখতে এখনও উদ্যোগ না নিলে মেয়েরা খেলা থেকে বের হয়ে যাবে। আর এরা মাঠে না থাকলে খুলনা বিভাগীয় নারী টিমে দুর্বল হয়ে যাবে।’

সুপার কুইন ফুটবল অ্যাকাডেমির কোচ মো. মোস্তাকুজ্জামান বলেন, ‘জেলা ও বিভাগীয় দলে যে নারী খেলোয়াড়রা খেলতেন, তারা প্রায় সবাই আমাদের শিক্ষার্থী। ক্লাবটির সাংগঠনিক দুর্বলতা ও আর্থিক সংকটে বন্ধ হয়ে গেল। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার উচিত এ ক্লাবটাকে আবার সচল করা। মেয়েদেরকে মাঠে ফিরিয়ে আনা, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।’

তবে ক্লাবটির এই দুরবস্থা সম্পর্কে জানে না বলে জানান খুলনা জেলা ফুটবলের অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘এই সম্পর্কে আসলে আমার জানা ছিল না। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এই নারী খেলোয়াড়রা আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পদ। আমি অতি দ্রুত ক্লাবটাকে সচল করে নারী খেলোয়াড়দেরকে মাঠে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করব।’

আরও পড়ুন:
পঞ্চম শিরোপা ছুঁতে চলেছে বসুন্ধরা কিংস
ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন গাজার নারীরা: ইউএনআরডব্লিউএ
ফুটবলের প্রসারে মাধবপুর ব্যারিস্টার সুমন একাডেমির যাত্রা শুরু
চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানসিটি
নারী ক্রিকেটারদের উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

খেলা
Two journalists of Dainik Bangla won medals in Jai Bangla Marathon

জয়বাংলা ম্যারাথনে মেডেল জিতলেন দৈনিক বাংলার দুই সাংবাদিক

জয়বাংলা ম্যারাথনে মেডেল জিতলেন দৈনিক বাংলার দুই সাংবাদিক মেডেলজয়ী এম এ মান্নান (বাঁয়ে) এবং আব্দুল জলিল মিন্টু। কোলাজ: নিউজবাংলা
ম্যারাথনে পঞ্চাশোর্ধ্ব কোটায় অংশ নিয়ে দৌড় সম্পন্ন করেন সাংবাদিক এম এ মান্নান ও আব্দুল জলিল মিন্টু। তাদের মেডেল জয়ে দৈনিক বাংলা পরিবার গর্বিত।

জয়বাংলা ম্যারাথন-২০২৪ এ পঞ্চাশোর্ধ্ব কোটায় অংশ নিয়ে সম্মানজনক মেডেল অর্জন করেছেন দৈনিক বাংলার সম্পাদনা সহকারী বিভাগের ইনচার্জ এম এ মান্নান এবং একই বিভাগের আব্দুল জলিল।

শুক্রবার রাজধানীর হাতিরঝিলে জয়বাংলা ম্যারাথন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ক্লাবের সহযোগিতায় এবারের ম্যারাথনের আয়োজন করে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাথলেটিক্স ও সাইক্লিং ক্লাব।

ভোর ৫টায় হাতিরঝিলের মেরুল বাড্ডা পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে হাতিরঝিলের এম্পিথিয়েটারে এসে এই ম্যারাথন শেষ হয়।

এটি ছিল একটি হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা, যার দূরত্ব ছিল ২১.০৯৫ কিলোমিটার। সাড়ে ৩ হাজার দূরপাল্লার দৌড়বিদ এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, যারা সর্বোচ্চ ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের মধ্যে এই দূরত্ব অতিক্রম করে দৌড় শেষ করতে পেরেছেন তাদেরই হাফ ম্যারাথন সম্পন্নকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।

চার ক্যাটাগরির এই হাফ ম্যারাথনে বিজয়ীরা পেয়েছেন অর্থ পুরস্কার; বাকিরা পেয়েছেন হাফ ম্যারাথন সম্পন্ন করার স্বীকৃতিস্বরূপ মেডেলসহ অন্যান্য পুরস্কার।

ম্যারাথনে পঞ্চাশোর্ধ্ব কোটায় অংশ নিয়ে দৌড় সম্পন্ন করেন সাংবাদিক এম এ মান্নান ও আব্দুল জলিল মিন্টু। তাদের মেডেল জয়ে দৈনিক বাংলা পরিবার গর্বিত।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৫ সালেও হাফ ম্যারাথনে এম এ মান্নান মেডেল জিতেছিলেন।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলা, দৈনিক বাংলার উপদেষ্টা হলেন সাবেক সচিব আনিছুর রহমান মিঞা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন শুক্রবার
মাঠের সাংবাদিকতায় প্রধান চ্যালেঞ্জ নিরাপত্তা
দৈনিক বাংলার বর্ষপূর্তিতে বর্ণিল আয়োজন
সংবাদপত্র শিল্পে গৌরবের পালক ‘দৈনিক বাংলা’

মন্তব্য

খেলা
Signing of MoU between Biman and Golfhouse

বিমান ও গল্ফহাউসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বিমান ও গল্ফহাউসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে সারা দেশের গলফাররা বিমানে যাতায়েতের টিকিটের ওপর বিশেষ ছাড় উপভোগ করবেন এবং গল্ফ ব্যাগ বহনে বিশেষ সুবিধা পাবেন। পেশাদার গল্ফারদের বিদেশে খেলার জন্যও নিদিষ্ট গন্তব্যে বিনামূল্যে বিমান টিকিট প্রদান করা হবে, যা তাদের খেলার মান ও সুযোগ বাড়িয়ে দেবে।

দেশের জনপ্রিয় হয়ে ওঠা খেলা গল্ফকে সমর্থনের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও গল্ফহাউস। এর মাধ্যমে আগামী কয়েক বছর বাংলাদেশে গল্ফ প্রচারের জন্য দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারত্ব ঘোষণা করেছে সংস্থা দুটি।

বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকায় বুধবার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শফিউল আজিম, গল্ফহাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল হোসেন অয়ন, গল্ফহাউসের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শফিকুর রহমান (অব.), লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল ইসলাম (অব.), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিপণন ও বিক্রয় পরিচালক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং গল্ফহাউসের পরিচালক রাবিউল ইসলাম।

বিমানকে তার নতুন ভূমিকায় স্বাগত জানিয়ে নাজরুল হোসেন আয়ন বলেন, ‘আমরা বিমান কৃর্তপক্ষকে এই অংশীদারত্বে স্বাক্ষর করার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, এই সমঝোতা স্মারকটি গল্ফের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে বৃহত্তর ভূমিকা রাখবে এবং বিমানের ব্র্যান্ড ইমেজকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।’

বিমান ও গল্ফহাউসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শফিউল আজিম বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ,স্মার্ট এয়ারলাইন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা প্রথমবারের মতো গল্ফহাউসের সঙ্গে এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করে আনন্দিত। এই সমঝোতা স্মারকটি বিমানের যাত্রীদের জন্য একটি অনন্য উদ্যোগ।’

এই দুই সংস্থা বাংলাদেশে সকল স্তরের গল্ফিং কার্যক্রম তথা কর্পোরেট ও অপেশাদার গল্ফিং উদ্যোগ থেকে শুরু করে পেশাদার খেলা, দেশের সকল স্থানে বিমান এবং গল্ফের প্রচার ও প্রসারে দীর্ঘমেয়াদী কাজ করবে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে সারা দেশের গলফাররা বিমানে যাতায়েতের টিকিটের ওপর বিশেষ ছাড় উপভোগ করবেন এবং গল্ফ ব্যাগ বহনে বিশেষ সুবিধা পাবেন। পেশাদার গল্ফারদের বিদেশে খেলার জন্যও নিদিষ্ট গন্তব্যে বিনামূল্যে বিমান টিকিট প্রদান করা হবে, যা তাদের খেলার মান ও সুযোগ বাড়িয়ে দেবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিমানের পরিচালক (গ্রাহক সেবা) হায়াতউদ্দৌলা খান (যুগ্ম-সচিব), মো. মাহমুদুল আলম (যুগ্ম সচিব) (পরিচালক কার্গো)-সহ দুই সংস্থার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

আরও পড়ুন:
গলফের প্রসারে গলফহাউসের সঙ্গে এমওইউ বিমানের

মন্তব্য

খেলা
Three medals for IUB in inter university squash tournament

আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে আইইউবির তিন পদক

আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে আইইউবির তিন পদক পুরস্কার নিয়ে বিজয়ীদের ফটোশুট। ছবি: আইইউবি
আগামী ২০২৮ অলিম্পিক গেমসে প্রথমবারের মতো অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে স্কোয়াশ। আইইউবি আশা করছে, এই তিন খেলোয়াড় অলিম্পিকে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করবে।

প্রথম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে নারী ও পুরুষ বিভাগে যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন এবং রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) তিন খেলোয়াড়।

গত ১০-১১ মে ঢাকায় অবস্থিত স্টেশন অফিসার্স মেস আলফা-তে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করে বাংলাদেশ স্কোয়ার র‌্যাকেটস ফেডারেশন এবং ইউনিভার্সিটি স্কোয়াশ কমিউনিটি, বাংলাদেশ।

আইইউবি স্কোয়াশ দলের খেলোয়াড় এবং সহকারী কোচ মারজান আক্তার মনিকা নারী বিভাগে শিরোপা জয় করেন। এই ক্যাটেগরিতে রানার-আপ হন আইইউবির অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী জ্যোতি রানী রায়।

পুরুষ বিভাগে রানার-আপ হন আইইউবির ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. রায়হান। এ ছাড়াও, নারী ক্যাটেগরিতে পঞ্চম স্থান অধিকার করেন ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম কথা। এদের মধ্যে জ্যোতি এবং রায়হান সম্প্রতি আইইউবিতে শতভাগ স্পোর্টস স্কলারশিপে ভর্তি হয়েছেন।

এ বছরের জানুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক মানের একটি স্কোয়াশ কোর্ট উদ্বোধন করা হয় আইইউবিতে। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সম্ভবত এটাই একমাত্র আন্তর্জাতিক মানের স্কোয়াশ কোর্ট। পাশাপাশি, শতভাগ স্কলারশিপে তিন পেশাদার খেলোয়াড়কে ভর্তি করায় আইইউবি।

আগামী ২০২৮ অলিম্পিক গেমসে প্রথমবারের মতো অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে স্কোয়াশ। আইইউবি আশা করছে, এই তিন খেলোয়াড় অলিম্পিকে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করবে।

এ বছর এর মধ্যেই বেশ কয়েকটি জাতীয় পর্যায়ের স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে সাফল্য পেয়েছে আইইউবির শিক্ষার্থীরা। ফেব্রুয়ারিতে আইইউবিতে অনুষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম নারী স্কোয়াশ টুর্নামেন্ট। সেখানে ওপেন ক্যাটেগরিতে রানার-আপ হয় আইইউবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রিয়াজুল জান্নাত উর্দ্ধ। শতভাগ স্কলারশিপে আইইউবিতে ভর্তি হওয়া তিন শিক্ষার্থীর একজন এই উর্দ্ধ। এরপর এপ্রিলে চতুর্থ জাতীয় স্কোয়াশ প্রতিযোগিতায় নিজ নিজ বিভাগে যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন এবং রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন রায়হান ও মনিকা।

মন্তব্য

খেলা
Afghanistan flood death toll tops 300 UN

আফগানিস্তানে বন্যায় প্রাণহানি ৩০০ ছাড়িয়েছে: জাতিসংঘ

আফগানিস্তানে বন্যায় প্রাণহানি ৩০০ ছাড়িয়েছে: জাতিসংঘ বন্যায় ধসে গেছে হাজারো মাটির ঘর। ছবি: সংগৃহীত
বাঘলানের পার্শ্ববর্তী তাখার প্রদেশেও অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম।

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় বাঘলান প্রদেশে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দেশটির অন্তত এক হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থা (ডব্লিউএফপি)।

শনিবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, শুক্রবার বাঘলান প্রদেশে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বিস্কুট বিতরণ করা হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) খবরে বলা হয়েছে, বাঘলানের পার্শ্ববর্তী তাখার প্রদেশেও অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম।

এক্স পোস্টে তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, আকস্মিক এ বন্যায় শতাধিক লোকের মৃত্যু হয়েছে। আরও অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন। বন্যায় দেশটির বাদাখশান, বাঘলান, ঘোর এবং হেরাত প্রদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে এ মুখপাত্র।

তিনি জানান, বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধার আহতের সরিয়ে নেয়া এবং মরদেহ উদ্ধারের জন্য দেশের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে তালেবান সরকার।

আফগানিস্তানে বন্যায় প্রাণহানি ৩০০ ছাড়িয়েছে: জাতিসংঘ

শুক্রবার বাঘলান প্রদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান হেদায়েতউল্লাহ হামদার্দ বলেন, এ প্রদেশের বাঘলান-ই-মারকাজি জেলার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৬০ বলে জানিয়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ ছাড়া দুই শতাধিক মানুষ ঘরের ভেতরে আটকা পড়ে আছেন।

কর্মকর্তা বলেছেন, প্রবল বর্ষণের কারণে শুক্রবার আকস্মিক এ বন্যা দেখা দেয়। বাসিন্দারা এ বন্যার জন্যে প্রস্তুত ছিল না।

বন্যার কারণে কাবুলের সঙ্গে উত্তর আফগানিস্তানের সংযোগকারী প্রধান সড়কটি বন্ধ রয়েছে। প্রায় দুই হাজার ঘরবাড়ি, তিনটি মসজিদ এবং চারটি স্কুলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হামদর্দ বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি এখনও ভালো না। আবারও বৃষ্টি হতে পারে। যারা বাড়িঘর হারিয়েছে তাদের তাঁবু, কম্বল ও খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চলছে বলেও তিনি জানান।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে থাকা আফগানিস্তানে সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করে। ফলে বৃষ্টির পানি মাটিতে শুষে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন:
আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় ৬০ প্রাণহানি
ব্রাজিলে বন্যায় ৭৫ প্রাণহানি, নিখোঁজ শতাধিক

মন্তব্য

খেলা
Women umpire issue Sports minister says he doesnt really know

নারী আম্পায়ার ইস্যু: ক্রীড়ামন্ত্রী বললেন, আসলেই জানি না

নারী আম্পায়ার ইস্যু: ক্রীড়ামন্ত্রী বললেন, আসলেই জানি না যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন রোববার সাভারে সিআরপি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
তামিম ইকবাল কবে নাগাদ জাতীয় দলে খেলবেন- এমন প্রশ্নে মন্ত্রী পাপন বলেন, ‘কথা ছিলো যে ও প্রথমে জালাল ইউনুস অপারেশনস সাইড ও সিরাজ ভাই ওনাদের সঙ্গে বসবে। ওনাদের সাথে বসেছে। এখন আমার সাথে বসবে। যেটা শুনেছি, ও সামনের বছর থেকে খেলবে।’

তামিম ইকবাল আগামী বছর থেকে জাতীয় দলে খেলবেন। তবে এটা পুরোপুরি যে বোর্ডের ওপর নির্ভর করছে তা নয়। এটা তার সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভর করছে।

যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন রোববার সাভারে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি) পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তামিম ইকবাল কবে নাগাদ জাতীয় দলে খেলবেন- এমন প্রশ্নে মন্ত্রী পাপন বলেন, ‘লাস্ট ওর সাথে আমার যতটুকু যোগাযোগ হয়েছে তখন কথা ছিলো যে ও প্রথমে জালাল ইউনুস অপারেশনস সাইড ও আমাদের সিরাজ ভাই ওনাদের সঙ্গে বসবে। তারপরে আমার সাথে বসবে।

‘ওনাদের সাথে বসেছে। এখন আমার সাথে বসবে। আমি যেটা শুনেছি, ও সামনের বছর থেকে খেলবে।’

আইপিএল থেকে মুস্তাফিজকে ফিরিয়ে আনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। মুস্তাফিজ আইপিএলে খেললে লাভবান হতেন কি না- এমন প্রশ্নে পাপন বলেন, ‘এতে আইপিএল লাভবান হতো। কিন্তু আমরা কিভাবে লাভবান হতাম?’

সম্প্রতি নারী আম্পায়ারের অধীনে পুরুষ ক্রিকেটাররা মাঠে খেলা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই জানি না। আমি ফেসবুকে নাই বা সোশ্যাল মিডিয়ায় নাই। এটা একটা কারণ হতে পারে। কিন্তু আমাকে কেউ বলেনি এখনও।’

তামিম ও মুশফিক ডিপিএল ম্যাচে নারী আম্পায়ারের অধীনে খেলেননি। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি আজকেও কথা বললাম, কিছু তো বলেনি। আসলেই জানি না। আজকে সিআরপি নিয়ে প্রশ্ন করেন। ক্রিকেট বা অন্য কিছু নিয়ে আসলে বলতে চাই না।

‘এখানে আমি আসছি একটা বিশেষ দিন উপলক্ষে। আজ আমাদের শহীদ শেখ জামালের জন্মদিন। এই দিনটাতে এখানে এসে সিআরপির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারছি। আগেও এখানে এসেছি। কিন্তু এখন তারা আরও বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।’

স্পোর্টস রিলেটেড তাদের যা লাগবে সেই চাহিদা ওনারা আমাদের দিয়েছেন। আমরা আজকে কিছু নিয়ে এসেছি। আগামী বাজেটে অবশ্যই আমরা তাদের জন্য আলাদা একটি বরাদ্দ রাখব। তার চেয়ে বড় কথা হলো, ইকুইপমেন্টস টেন্ডার প্রসেসে আছে। সেগুলো আসলেই আমরা দিয়ে দেবো।’

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভেলরি টেইলর ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সোহরাব হোসেনসহ সিআরপির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী সিআরপিতে চিকিৎসাধীন পক্ষাঘাতগ্রস্তদের নানা কার্যক্রম ও খেলাধুলা উপভোগ করেন।

আরও পড়ুন:
সব ফরম্যাটে অধিনায়ক শান্ত, বিসিবির একাধিক পদে পরিবর্তন
সারা দেশের মানুষেরই মন খারাপ: পাপন
জেলা-বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাকে বোনাস দেবে বিসিবি

মন্তব্য

খেলা
Jabbar Bowling First time champion Bagha Sharif

জব্বারের বলীখেলা: প্রথমবারেই চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’

জব্বারের বলীখেলা: প্রথমবারেই চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’ প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শরীফ। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দেশের যুব সমাজকে সংগঠিত করতে ১৯০৯ সালে স্থানীয় আব্দুল জব্বার সওদাগর চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘী মাঠে আয়োজন করেন কুস্তি প্রতিযোগিতা। পরবর্তীতে সেটি আব্দুল জব্বারের বলীখেলা নামে পরিচিত হয়। এর জনপ্রিয়তা এখনও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে আব্দুল জব্বারের বলীখেলার ১১৫তম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কুমিল্লার হোমনার বাঘা শরীফ। প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েই বাজিমাত করেছেন শরীফ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার আরেক সন্তান রাশেদ বলীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হন শরীফ।

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা ফরিদ স্থানীয়দের কাছে ‘বাঘা শরীফ’ নামে পরিচিত।

এদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় এবারের আসরের বলীখেলার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আজম নাছির উদ্দিন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ৮৪ জন বলী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

দুপুরে খেলা শুরুর আগেই দর্শকে পূর্ণ হয়ে যায় নগরীর লালদীঘি ময়দান। ঐতিহ্যবাহী এ খেলা দেখতে জড়ো হন হাজারো দর্শক। ঢোল-বাজনার তালে তালে আর করতালিতে তারা বলীদের সমর্থন জোগাতে থাকেন।

প্রায় ১১ মিনিট খেলার পর রাশেদ নিজ থেকেই পরাজয় শিকার করে শরীফের হাত তুলে ধরেন। ফলে রেফারি শরীফকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

জব্বারের বলীখেলা: প্রথমবারেই চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’

এ সময় চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’ নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘গতবারের চ্যাম্পিয়ন শাহজালাল বলী খেলায় অংশ না নিয়ে আমাকে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।’

অন্যদিকে রানার্স আপ মো. রাশেদ বলেন, ‘আমি আগে বলীখেলায় অংশ নেইনি। আমাকে জব্বারের বলীখেলায় নিয়ে এসেছেন শরীফ ভাই। তিনি আমার সিনিয়র। তাই তাকে জয়ী করে দিয়েছি। চ্যাম্পিয়ন শরীফ ভাইয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমার জন্যেও দোয়া করবেন।’

খেলা শুরুর আগেই নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন শাহজালাল বলী ও রানার্স আপ তরিকুল ইসলাম জীবন বলী। বাঘা শরীফকে সুযোগ করে দিতেই নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেন বলে জানান তারা।

এবারের প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন খাগড়াছড়ির সৃজন চাকমা। চতুর্থ হয়েছেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার রাসেল বলী।

জব্বারের বলীখেলা: প্রথমবারেই চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’
বলীখেলা উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী চলে বৈশাখী মেলা। ছবি: সংগৃহীত

প্রথম রাউন্ডের ৩৫ জন বিজয়ীর প্রত্যেককে দুই হাজার টাকা করে পুরস্কার দেয়া হয়। রানার আপকে ২০ হাজার টাকা প্রাইজমানি ও একটি সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) দেয়া হয়। চ্যাম্পিয়ন পান ৩০ হাজার টাকা প্রাইজমানি ও একটি ক্রেস্ট।

খেলা শেষে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দেশের যুব সমাজকে সংগঠিত করতে ১৯০৯ সালে স্থানীয় আব্দুল জব্বার সওদাগর চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘী মাঠে আয়োজন করেন কুস্তি প্রতিযোগিতা। পরবর্তীতে সেটি আব্দুল জব্বারের বলীখেলা নামে পরিচিত হয়। এর জনপ্রিয়তা এখনও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে বৈশাখ মাসের ১২ তারিখে লালদিঘীর ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় এই খেলা। খেলার আগের দিন থেকে শুরু করে পরদিন পর্যন্ত তিন ধরে লালদিঘীর মাঠ ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বসে বৈশাখী মেলা।

মন্তব্য

p
উপরে