× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Spain failed in the practice of a thousand penalty shootouts
google_news print-icon

হাজার পেনাল্টি অনুশীলনেও ব্যর্থ স্পেন

হাজার-পেনাল্টি-অনুশীলনেও-ব্যর্থ-স্পেন
রাউন্ড অফ সিক্সটিনের ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে হারে স্পেন। ছবি: সংগৃহীত
কাতারে চলমান ফিফা বিশ্বকাপের আগে পেনাল্টি নিয়ে জুজু কাটানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন স্পেনের কোচ লুইস এনরিকে। টানা এক বছর প্রতি অনুশীলন সেশনের পর বাধ্যতামূলকভাবে ফুটবলারদের পেনাল্টি শুটআউট করিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু তাতেও হয়নি কাজের কাজ।

রাশিয়ায় ২০১৮ সালে রাউন্ড অফ সিক্সটিনের ম্যাচে টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়েছিল স্প্যানিশদের। ২০২০ সালে ইউরোর ফাইনালে ইতালির বিপক্ষে একইভাবে হারে স্পেন। ফিফা বিশ্বকাপের এবারের আসরেও মরক্কোর বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে দলটির।

কাতারে চলমান বিশ্বকাপের আগে পেনাল্টি নিয়ে সেই জুজু কাটানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন স্পেনের কোচ লুইস এনরিকে। টানা এক বছর প্রতি অনুশীলন সেশনের পর বাধ্যতামূলকভাবে ফুটবলারদের পেনাল্টি শুটআউট করিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু তাতেও হয়নি কাজের কাজ।

বিশ্বকাপে পেনাল্টি শুটআউট প্রসঙ্গে এনরিকে বলেছিলেন, ‘আমরা নিজেদের কাজটা ভালোই করেছি। এক বছর আগে সবাইকে জানিয়েছি, আমাদের অন্তত ১ হাজার পেনাল্টি প্র্যাকটিস করতে হবে।

‘সেটি আমরা পরিকল্পনামাফিক করেছিও। পেনাল্টিতে নার্ভ ধরে রাখা কষ্ট। আমরা প্রত্যেকবার প্র্যাকটিস শেষ করে পেনাল্টির প্র্যাকটিস করেছি।’

কোচের সে প্রচেষ্টার প্রতিফলন মাঠে দেখাতে পারেননি স্পেনের ফুটবলাররা।

মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে টাইব্রেকারে স্পেনের হয়ে প্রথম শটটি বারে মারেন পাবলো সারবিয়া। দ্বিতীয় শট নেন কার্লস সোলার, কিন্তু সেটি ঠেকিয়ে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক।

সার্জিও বুসকেটসের নেয়া তৃতীয় শটটি থেকেও গোলের দেখা না মেলায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড খেলেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় স্পেনের।

আরও পড়ুন:
মেসিকে আটকানোর ফর্মুলা জানেন নেদারল্যান্ডসের কোচ
কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার প্রতিপক্ষ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
The Corporate Futsal Cup went to the home of the Asian group

এশিয়ান গ্রুপের ঘরেই গেল করপোরেট ফুটসাল কাপ

এশিয়ান গ্রুপের ঘরেই গেল করপোরেট ফুটসাল কাপ
ফাইনালে ম্যাফ সুজ ফুটবল দলকে ৬-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে জয় পায় এশিয়ান গ্রুপ ফুটবল দল।

গায়ে রঙ-বেরঙের টি-শার্ট, মুখে ভুভুজেলা বাঁশির সুর। শত শত ফুটবল সমর্থক গলা ফাটাচ্ছেন এক নাগাড়ে, সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে হাততালি আর ড্রাম বাজানো তো আছেই। আর যাদের ঘিরে এত এত আবেগের বিস্ফোরণ টার্ফের সবুজ গালিচায়, তারা লড়ছেন বুক চিতিয়ে। এর মাঝে এক ঘণ্টার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে জয় তুলে নেয় এশিয়ান গ্রুপ ফুটবল দল।

এশিয়ান গ্রুপ স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ফুটসাল টার্ফের বৃহস্পতিবার রাতের চিত্র এটি। এশিয়ান গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় হওয়া ‘করপোরেট ফুটসাল কাপ’ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ছিল এদিন।

ফাইনালে ম্যাফ সুজ ফুটবল দলকে ৬-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে জয় পায় এশিয়ান গ্রুপ ফুটবল দল।

২৪ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় এই করপোরেট টুর্নামেন্ট। আট গ্রুপে ২৪ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ফুটবল দল অংশ নেয়। বৃহস্পতিবার ফাইনাল ম্যাচের মধ্যে দিয়ে পর্দা নামল এই টুর্নামেন্টের।

ফাইনাল ম্যাচ শেষে আয়োজন করা হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের।

এশিয়ান গ্রুপের ঘরেই গেল করপোরেট ফুটসাল কাপ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউর করিম চৌধুরী।

মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘সুন্দর এই আয়োজনের জন্য এশিয়ান গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই খেলার মধ্যে দিয়ে এশিয়ান গ্রুপ প্রমাণ করেছে মাদক-মোবাইলের নেশা থেকে খেলার নেশায় ফিরিয়ে আনা যায়। এই প্রতিযোগিতা বারবার হোক, তরুণ সমাজও উদ্বুদ্ধ হোক। খেলায় যে উদ্দীপনা দেখছি যেন গণজোয়ার ফিরে আসছে।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘এতদিন টেলিভিশনে ফুটবল দেখেছি। আজকে প্রথম সামনে সামনে দেখলাম। সত্যি আমি আনন্দিত। ছেলেমেয়েরা মোবাইল-মাদক নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা যদি ভালো সুযোগ পায় তাহলে তারা ভালোভাবে গড়ে উঠবে।

‘যে দেশ খেলাধুলায় উন্নত, সেই দেশ এগিয়েও। সেজন্য আমাদের খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে। এশিয়ান গ্রুপকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে এশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ সালাম বলেন, ‘এশিয়ান গ্রুপ তরুণদের ভালো উদ্যোগের সঙ্গে, খেলাধুলার সঙ্গে সবসময় আছে। সামনের দিনগুলোতেও থাকবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এশিয়ান গ্রুপের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ সালাম, পরিচালক ওয়াসিফ সালাম, তরুণ উদ্যোক্তা বোরহানুল হাসান চৌধুরী, তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা আরশেদুল আলম বাচ্চু, কাউন্সিলর মোরশেদুল আলম প্রমুখ।

মন্তব্য

খেলা
Messis video message about not playing in Hong Kong

হংকংয়ে না খেলার বিষয়ে মেসির ভিডিও বার্তা

হংকংয়ে না খেলার বিষয়ে মেসির ভিডিও বার্তা
ম্যাচের প্রায় ৪০ হাজার টিকেট নিমিষেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি এক হাজার হংকং ডলার ব্যয় করেও ৩৬ বছর বয়সী মেসির খেলা দেখতে অনেকেই মাঠে ছুটে এসেছিল।

দুই সপ্তাহ আগে মেজর লিগ সকার প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে লিওনেল মেসিকে খেলানো হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম হয়। ইনজুরির কারণে মেসিকে খেলানো না হলেও রাজনৈতিকভাবে চায়নাকে খাটো করার কারণেই এমনটি করা হয়েছে বলে দাবি উঠেছে।

আটবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী মেসির জন্য চাইনিজ সমর্থকদের মধ্যে অন্য ধরনের এক উত্তেজনা কাজ করে। কিন্তু গত ৪ ফেব্রুয়ারি হংকং একাদশের বিপক্ষে প্রাক-মৌসুম প্রীতি ম্যাচটিতে ইন্টার মিয়ামির বদলি বেঞ্চে মেসিকে দেখে সমর্থকরা দারুণ ক্ষুব্ধ হয়।

ম্যাচের প্রায় ৪০ হাজার টিকেট নিমিষেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি এক হাজার হংকং ডলার ব্যয় করেও ৩৬ বছর বয়সী মেসির খেলা দেখতে অনেকেই মাঠে ছুটে এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রিয় ভক্তকে দেখতে না পেয়ে মিয়ামি কোচ জেরার্ডো মার্টিনো ও মালিক ডেভিড বেকহ্যামকে উদ্দেশ্য করে দুয়োধ্বনি দিতে থাকে। তারা টিকেটের অর্থও ফিরিয়ে দিতে আয়োজকদের কাছে দাবি জানায়।

মেসির অনুপস্থিতিতে অনেকেই চায়নাকে খাটো করার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। কয়েকদিন পর জাপানে প্রীতি ম্যাচে মেসি ৩০ মিনিটের জন্য মাঠে নেমেছিলেন।

কিন্তু সব সমালোচনাকে উড়িয়ে দিয়ে চায়নার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েইবোতে এক ভিডিও পোস্টে মেসি বলেছেন, ‘সবাই জানে আমি সবসময়ই প্রতি ম্যাচে খেলতে চাই। এমন যদি আগে থেকে জানা থাকতো যে মূল দলে আমি থাকতে পারছি না তবে হয়তোবা হংকং সফরে দলের সাথে যেতাম না। এখানে রাজনৈতিক কোনো কারণই নেই।’

একই সাথে তিনি ভিডিওতে আরও বলেছেন, চায়নার সাথে তার অত্যন্ত ভাল ও ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। শুধুমাত্র ইনজুরিই তার না খেলার মূল কারণ। এ্যাবডাক্টর পেশীর ইনজুরির কারণে তিনি খেলতে পারেননি।

মেসির এই ভিডিও বার্তা পোস্টের সাথে সাথেই সমর্থকরা দ্রুত তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ মেসিকে সমর্থন জানিয়েছেন। তবে অনেকেই আবার মেসির না খেলার বিষয়টি কোনভাবেই মেনে নিতে পারেননি। সূত্র: বাসস

আরও পড়ুন:
সে রাতে স্বর্গে হাত রেখেছিলেন মেসি
মেসির সামনে আরেকবার ফিফা বর্ষসেরার সুযোগ
মেসির হাতে অষ্টমবারের মতো উঠল ব্যালন ডি’অর

মন্তব্য

খেলা
The Asia Cup Corporate Football Tournament is bustling with youthful exuberance

তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে জমজমাট এশিয়া কাপ করপোরেট ফুটবল টুর্নামেন্ট

তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে জমজমাট এশিয়া কাপ করপোরেট ফুটবল টুর্নামেন্ট
২৪ দলের অংশগ্রহণে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এই করপোরেট টুর্নামেন্ট। আট গ্রুপে ২৪টি দল অংশ নিয়েছে। ৫ দিনের এ আয়োজনে মাঠে গড়াবে মোট ৩৯ ম্যাচ। ১৮ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল ম্যাচের মধ্যে দিয়ে পর্দা নামবে এই টুর্নামেন্টের।

টার্ফের সবুজ গালিচার চারপাশে দর্শকদের থিকথিকে ভিড়। স্লোগান উঠছে থেমে থেমে। রেফারি বাঁশি বাজাতেই শুরু হয়ে যায় ফুটবল-যুদ্ধ। ২০ মিনিট ধরে চলা ফুটবল শৈলীতে শেষমেশ জয়ের হাসি হাসে ‘অনন্ত গ্রূপ’। তবে শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ হলেও দারুণ খেলে সবার মন কেড়ে নিয়েছে-কেএসআরএম ফুটবল দল।

তবে একই দিন কেএসআরএম ফুটবল টিম দ্বিতীয় ম্যাচ খেলেন এক্সিম ব্যাংক ফুটবল টিমের সাথে। ওই ম্যাচে খেলায় ধারাবাহিক নৈপুণ্য অব্যাহত রাখে কেএসআরএম ফুটবল টিম। শেষে ৪-১ গোলের বিরাট ব্যবধানে কেএসআরএম ফুটবল টিম জয় ছিনিয়ে আনে।

একইদিন বিভিন্ন করপোরেট টিমের আটটি খেলা মাঠে গড়ায়।

এশিয়ান গ্রুপ স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ফুটসাল টার্ফের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার চিত্র এটি। সেখানে এশিয়ান গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় বসেছে ‘করপোরেট ফুটসাল কাপ’ টুর্নামেন্ট।

২৪ দলের অংশগ্রহণে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এই করপোরেট টুর্নামেন্ট। আট গ্রুপে ২৪টি দল অংশ নিয়েছে। ৫ দিনের এ আয়োজনে মাঠে গড়াবে মোট ৩৯ ম্যাচ। ১৮ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল ম্যাচের মধ্যে দিয়ে পর্দা নামবে এই টুর্নামেন্টের।

টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম উদ্দিন, শাহরিয়ার জাহান রাহাত, এশিয়ান গ্রুপের পরিচালক ওয়াসিফনআহমেদ সালাম, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ আহমেদ সালাম, কেএসআরএমের গণমাধঢম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক এবিএম গোলাম কিবরিয়া, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক তাজউদ্দিন, উপ ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান রিয়াদ প্রমুখ।

এমন আয়োজনের জন্য এশিয়ান গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেএসআরএমের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান রাহাত। তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমাদের মধ্যে একে অপরের প্রতি হৃদ্যতা বাড়বে। করপোরেটদের মধ্যে তৈরি হবে সামাজিক সেতুবন্ধন।’

এবার এশিয়া কাপ করপোরেট ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে কেএসআরএম, মেঘনা গ্রুপ, নগদ, বিকাশ, পিএইচপি, ক্লিপটন গ্রুপ, রবি, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, এক্সিম ব্যাংক, এশিয়া গ্রুপ, চৌধুরী গ্রুপ, ইউনিয়ন ব্যাংক, প্যাসিফিক জিন্স বাংলালিংক, কিশোয়ান, ম্যাফ সুজ, অনন্ত গ্রপ, কনফিডেন্স সিমেন্ট, বারকোড, ডেকাথলন, মার্স্কসহ বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান।

মন্তব্য

খেলা
After the dramatic incident Bangladesh India are joint champions
নারী অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ ফুটবল

নাটক ও বিতর্কের পর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ চ্যাম্পিয়ন

নাটক ও বিতর্কের পর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ চ্যাম্পিয়ন কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সাফ অনূর্ধ্ব–১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত
টাইব্রেকারেও সমতা থাকায় টসে জিতে যায় ভারত। কিন্তু নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় বেঁকে বসে বাংলাদেশ। এই পর্যায়ে টসের ফল বাতিল করলে এবারে বেঁকে বসে ভারত। অবশেষে দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।

টাইব্রেকারেও খেলার ফল নির্ধারণ না হওয়ায় ম্যাচ কর্তৃপক্ষ টস করার সিদ্ধান্ত নেন। তাতে ভারত জেতে। তবে এই টসের বিষয়টি সাফের নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় আপত্তি তোলে বাংলাদেশ। এই পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

এরপর শুরু হয় আরেক নাটক। ম্যাচ কমিশনার টসের ফল বাতিল করলে বেঁকে বসে ভারত। তারা ফল বাতিল মানতে নারাজ। প্রতিবাদস্বরূপ তারা মাঠ ছেড়ে চলে যায় ড্রেসিংরুমে। এরপর নাটক-মহানাটকের নানা পর্ব শেষে পাঁচ ঘণ্টা পর ঘোষণা এলো- দুই দলই যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন।

রাজধানীর কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সাফ অনূর্ধ্ব–১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে বলতে গেলে নাটক আর মহানাটকই মঞ্চস্থ হয়েছে। অবশেষে নাটকের যবনিকা টানা হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও ভারতকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

আর এই ফাইনালের মধ্য দিয়ে চরম অব্যবস্থাপনার উদাহরণ তৈরি করল সাফ কর্তৃপক্ষ।

নাটক ও বিতর্কের পর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ চ্যাম্পিয়ন

বৃহস্পতিবার নারী অনূর্ধ্ব-১৯ সাফের ফাইনালে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়। এই পর্যায়ে খেলা স্বভাবতই টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারেও আবার ১১-১১ গোলের সমতা। এরপর টসে ভারত জেতার পর শিরোপা উদযাপনও করে তারা। কিন্তু সেটি মেনে নেয়নি স্বাগতিক বাংলাদেশ। সেখানেই শুরু হয় সমস্যা।

এরপর ম্যাচ কমিশনার এসে টসের ফল বাতিল করেন। সাফের নিয়ম অনুযায়ী, টাইব্রেকারে গড়ানো খেলার মীমাংসা টাইব্রেকারেই শেষ হতে হবে। সেটি না করে টসে যাওয়ার ভুল করে বসেন ম্যাচ রেফারি ও কমিশনাররা।

ফাইনালে মাত্র আট মিনিটেই এগিয়ে যায় ভারত৷ গ্রুপ পর্বে স্বাগতিকদের কাছে হারের প্রতিশোধ ফাইনালে প্রায় নিয়েই ফেলেছিল তারা। কিন্তু ৯৩ মিনিটে সাগরিকার গোলে সমতায় ফেরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

এরপর ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ানোর পর সেখানে দুই দলের ১১ জনই গোল করেন। এরপরই টাইব্রেকার না চালিয়ে টস করার সিদ্ধান্ত নেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। আর এতেই বাধে বিপত্তি।

টসে জিতে শিরোপা নিশ্চিত মনে করা ভারত দল চলে যায় ড্রেসিংরুমে। অপরদিকে মাঠেই অবস্থান করে বাংলাদেশ দল। ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রতিপক্ষ মাঠে না এলে বাংলাদেশের ওয়াকওভার পাওয়ার কথা থাকলেও সেটি তখন পর্যন্ত ঘোষণা করেনি ম্যাচ কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত দুই দলকেই চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাগরিকার গোলে ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh beat India in the final with Sagarikas goal
সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

সাগরিকার গোলে ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

সাগরিকার গোলে ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ ছবি: সংগৃহীত
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় গোলশূন্য ড্র ছিল, কিন্তু ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটেই কেঁপে ওঠে কমলাপুর স্টেডিয়ামের গ্যালারি। শেষ বেলায় ভারতের জালে হলো বাংলাদেশের গোল উৎসব।

সাগরিকার একমাত্র গোলে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় গোলশূন্য ড্র ছিল, কিন্তু ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটেই কেঁপে ওঠে কমলাপুর স্টেডিয়ামের গ্যালারি। শেষ বেলায় ভারতের জালে হলো বাংলাদেশের গোল উৎসব।

চার দলের এ টুর্নামেন্টে চার দলই দুটি করে ম্যাচ খেলেছে। দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে। শেষ ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে হারলেও সমস্যা নেই বাংলাদেশের। নেপাল ও ভারতের মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দল হবে আরেক ফাইনালিস্ট।

বাংলাদেশের আজকের জয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় হয়েছে ভুটানের।

এ দিন শুরু থেকেই ম্যাচের গতিবিধি বলছিল ড্রয়ের দিকে যাচ্ছে ম্যাচটি। ড্র হলে বাংলাদেশকে ফাইনালের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। সেই অপেক্ষায় আর নিজেদের রাখেননি সাগরিকা। ইনজুরি সময়ে অধিনায়ক আফিদা খন্দকারের বাড়ানো বল দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খানিকটা এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেরও জয়ের নায়ক ছিলেন সাগরিকা। নেপালের বিপক্ষে ৩ গোলের মধ্যে ২ গোল করেন তিনি। সেদিন স্কোরলাইন যখন ২-১, তখন সাগরিকার গোলে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়। টানা দুই ম্যাচ জয়ের নায়ক এই ফুটবলার তরুণী।

বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ৬ ফেব্রুয়ারি। ভুটানের বিপক্ষে সেই ম্যাচ শুধু নিয়মরক্ষার। টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি।

মন্তব্য

খেলা
Klopp is leaving Liverpool

হঠাৎ লিভারপুল ছাড়ার ঘোষণা ক্লপের

হঠাৎ লিভারপুল ছাড়ার ঘোষণা ক্লপের লিভারপুলের জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। ছবি: সংগৃহীত
২০১৫ সালে যোগদানের পর লিভারপুলকে সম্ভাব্য সব ট্রফি জিতিয়েছেন তিনি। ফলে নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়ের চেয়েও ভক্তদের নয়নমণি হয়ে উঠেছিলেন এ জার্মান। চলতি মৌসুমেও লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে তার দল।

চলতি মৌসুম শেষে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলের ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। এর ফলে লিভারপুলের সঙ্গে তার ৯ বছর ধরে গড়ে তোলা সম্পর্কে পড়তে চলেছে ছেদ।

ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জার্মান এ ম্যানেজার। ক্লপের এ সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টও করেছে লিভারপুল।

ওই পোস্টে লিভারপুল জানিয়েছে, ‘চলতি মৌসুম শেষে ফুটবল ক্লাব লিভারপুলের ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। তিনি ইতোমধ্যে তার সিদ্ধান্তের কথা ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।’

ক্লাবের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ক্লপ বলেছেন, ‘হঠাৎ এ ধরনের ঘোষণা শোনা অনেকের জন্যই একটি ধাক্কা। আর যখন ৯ বছরে প্রথমবার আপনি এমনটা শুনছেন তখন সেটি আরও বড় ব্যাপার। তবে আমি এর ব্যাখ্যা দিতে পারি, অন্তত পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতে পারি।

‘এই ক্লাবটির সবকিছুই আমি ভালোবাসি। এই শহরকে আমি ভালোবাসি, সমর্থকদের আমি খুব ভালোবাসি; দলকে, দলের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক কর্মীকে ভালোবাসি আমি। কিন্তু তারপরও আমি এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, কারণ এখনই এ সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়।’

তিনি বলেন, ‘আমি যে ক্লাবে আছি, তা কীভাবে বলতে পারি? আসলে শক্তি ফুরিয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে আমি একই ধরনের চাপ নিতে পারব না। কোনো একদিন আমাকে যে এ ঘোষণা দিতেই হবে, তা আমি জানতাম। তাই এখনই বলে দিতে কোনো সমস্যা নেই আমার। তবে অসুস্থ নই, পুরোপুরি ভালো আছি আমি।

‘এতগুলো বছর একসঙ্গে কাটানোর পর আপনাদের প্রতি আমার যে শ্রদ্ধা ভালোবাসা বেড়েছে, একইসঙ্গে আমার প্রতিও আপনাদের যে ভালোবাসা বেড়েছে, তাতে এখন সত্য বলার বিকল্প নেই। আমার কাছ থেকে সত্যি জানাটা আপনাদের অধিকার।’

ক্লপ আরও বলেন, ‘গত নভেম্বর মাসেই আমি আমার সিদ্ধান্তের কথা ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানাই। একটি সঠিক মুহূর্ত বেছেই ভক্তদের কাছ থেকে বিদায় নেব। তবে এসব করার জন্য এখনও অনেক সময় আছে। চলুন, আগে অসমাপ্ত কাজগুলো ভালোভাবে শেষ করি।

‘আমরা লিভারপুল। আমরা একসঙ্গে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমি আসার আগেও অনেক কঠিন বিষয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন আপনারা। চলুন, এটাকে শক্তিতে পরিণত করি। এ মৌসুমে যা কিছু পাওয়ার আছে, নিজেদের সবটুকু নিংড়ে দিয়ে তা নিজেদের করে নিই, যাতে যখন পেছনে ফিরে তাকাই তখন যেন প্রাপ্তিটাই চোখে পড়ে এবং ঠোটে মৃদু হাসি খেলে যায়।’

ক্লপের সঙ্গে তার সহকারী কোচ পেপেইন লেইন্ডার্স, পিটার পিটার ক্রাভিটস এবং ডেভেলপমেন্ট কোচ ভিতর মাতোসও লিভারপুল ছাড়ছেন বলে ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। লেইন্ডার্স প্রধান কোচ হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করতেই লিভারপুলের দায়িত্ব থেকে সরে যাবেন।

২০২২ সালে দুই বছরের জন্য ক্লপের চুক্তি নবায়ন করে লিভারপুল। সেইসঙ্গে আরও দুই বছর, অর্থাৎ ২০২৬ মৌসুম পর্যন্ত থেকে যেতে পারতেন তিনি। তবে তার আগে নিজ থেকেই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এ ম্যানেজার।

২০১৫ সালে যোগদানের পর লিভারপুলকে সম্ভাব্য সব ট্রফি জিতিয়েছেন তিনি। তা কোচিংয়ে ২০১৮-১৯ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতে ক্লাবটি। পরের মৌসুমেই ৩০ বছরের খরা কাটিয়ে প্রিমিয়ার লিগ জেতে তার দল। ক্লপ দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই ইউরোপীয় ফুটবলে অন্যতম পরাশক্তিতে পরিণত হয়েছে লিভারপুল। ফলে নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়ের চেয়েও ভক্তদের নয়নমণি হয়ে উঠেছিলেন এ জার্মান।

চলতি মৌসুমেও লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে তার দল। এ ছাড়া এফএ কাপে চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছে তারা, লিগ কাপের ফাইনালে আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোয় রয়েছে লিভারপুল। ফলে সম্ভাব্য সব শিরোপার দৌড়ে রয়েছেন ক্লপ।

আরও পড়ুন:
‘কাড়ি কাড়ি টাকায়’ দলবদলের বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
কারভালিয়োকে ধারে পাঠিয়ে ৭ কোটিতে লাইপসিগের মিডফিল্ডার কিনল লিভারপুল

মন্তব্য

খেলা
AC Milan goalkeeper left the field with racist slogans in the gallery

গ্যালারিতে বর্ণবাদী স্লোগান, দল নিয়ে মাঠ ছাড়লেন এসি মিলানের গোলরক্ষক

গ্যালারিতে বর্ণবাদী স্লোগান, দল নিয়ে মাঠ ছাড়লেন এসি মিলানের গোলরক্ষক ম্যাগনান একজন ফরাসি ফুটবলার যিনি ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে গোলরক্ষক হিসেবে খেলেন। ছবি: সিএনএন
স্কাই স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী, ম্যাগনান গোল করার জন্য বলে লাথি মারার সময় দর্শক গ্যালারি থেকে ‘বানরের আওয়াজ’ বলে স্লোগান দেয়া হয়।

ফুটবল ম্যাচ চলাকালে এসি মিলানের ফরাসি গোলরক্ষক মাইক ম্যাগনানকে উদ্দেশ্য করে বর্ণবাদী স্লোগান দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দলকে নিয়ে মাঠ ত্যাগ করেন ম্যাগনান।

সিএনএনের রোববারের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার ইতালির উডিনে ব্লুনার্জি স্টেডিয়ামে উদিনিসের বিপক্ষে ফুটবল ম্যাচের ৩৩ মিনিট সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্কাই স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী, ম্যাগনান গোল করার জন্য বলে লাথি মারার সময় দর্শক গ্যালারি থেকে ‘বানরের আওয়াজ’ বলে স্লোগান দেয়া হয়।

ম্যাগনান রেফারি ফ্যাবিও মারেস্কাকে বিষয়টি জানান। তখন রেফারি খেলাটি থামিয়ে দেন। এর পরই ম্যাগনান খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠ থেকে চলে যান।

এ বিষয় ম্যাগনান বলেন, ‘আজ যা ঘটেছে, ফুটবলে তার কোনো স্থান নেই।’

ম্যাচটি ১০ মিনিটেরও কম সময় পরে আবার শুরু হয়। শেষ ১০ মিনিটে উদিনিসকে ৩-২ গোলে হারায় মিলান।

ম্যাচের পর এসি মিলান এক্সের (পূর্বের টুইটার) একটি পোস্টে ম্যাগনানকে সমর্থন করে লেখে, ‘আমাদের খেলায় বর্ণবাদের জন্য একেবারেই কোনো স্থান নেই, আমরা আতঙ্কিত। আমরা তোমার সঙ্গে আছি মাইক।’

মাইক পিটারসন ম্যাগনান একজন ফরাসি ফুটবলার যিনি সেরি এ ক্লাব এসি মিলান ও ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে গোলরক্ষক হিসেবে খেলেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় আসছেন রোনালদিনহো
তিন মহাদেশের ৬ দেশে বসবে ২০৩০ বিশ্বকাপের আসর
জাতীয় দলেও নিষিদ্ধ হতে পারেন মালদ্বীপ থেকে মদ আনা ৫ ফুটবলার
চীনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে ফিরছে বাংলাদেশ
এক চুমুতেই চাকরি শেষ স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন প্রধানের

মন্তব্য

p
উপরে