× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Iran US standoff in Qatar
google_news print-icon

ইরান-আমেরিকা ‘মহারণ’ কাতারে

ফিফা
মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক উত্তাপ। ছবি: সংগৃহীত
আল থুমামা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ ‘বি’ থেকে দুই দলেরই নক আউট পর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ।

কাতার বিশ্বকাপে মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে ইরান। ফুটবলে শক্তির দিক থেকে দুই দলের খুব একটা পার্থক্য নেই। ফিফা রেটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৬ নম্বরে; চার ধাপ পিছিয়ে ইরানের অবস্থান ২০-এ। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠতে পারে দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ।

নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে ইরানে চলমান বিক্ষোভ-প্রতিবাদের ঢেউ এরই মধ্যে কাতার বিশ্বকাপের মাঠেও পৌঁছে গেছে। বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীত গাননি ইরানি ফুটবলাররা। পাশাপাশি আগের দুই ম্যচে গ্যালারিতেও দৃশ্যমান ছিল ইরানিদের প্রতিবাদ। আমেরিকার বিপক্ষে ইরানের তৃতীয় ম্যাচে ক্ষোভের এই মাত্রা আরও তীব্র হতে পারে।

আল থুমামা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ ‘বি’ থেকে দুই দলেরই নক আউট পর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। মাঠের লড়াইটাও তাই হাড্ডাহাড্ডি হবে।

ফ্রান্সে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্ক ছিন্ন হয়। তারপর সেই ম্যাচেই হয়েছিল দু'দলের প্রথম দেখা।

সে ম্যাচের আগে অভূতপূর্ব এক ঘটনা ঘটেছিল। উত্তেজনায় পানি ঢেলে ইরানি খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সাদা গোলাপ। তোলা হয়েছিল গ্রুপ ছবিও।

ম্যাচে হামিদ ইস্টিলি এবং মেহেদি মাহদাভিকিয়ার গোলে ২-০তে জয় পায় ইরান। সেটি ছিল বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ইরানের প্রথম জয়। আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল তেহরানের রাস্তায়।

এবার কাতার বিশ্বকাপে গত শুক্রবার ওয়েলসের বিপক্ষে প্রথম জয় পায় ইরান। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬-২ গোলে হার মানতে হয়েছিল ইরানি ফুটবলারদের। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এবার জয় পেলে প্রথমবারের মতো নক আউট পর্বে খেলবে তারা।

তবে আমেরিকার বিপক্ষে লড়াইটা কেবল ফুটবল নিয়ে নয়।

ইসলামি শাসনের ইরান যে কয়েকটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ শাসন করছে, নারীদের হিজাব তার একটি। ৭০ দিনের বেশি সময় ধরে ইরানে হিজাববিরোধী তুমুল বিক্ষোভ চলছে; যেটা এখন ইরানের সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার হিসাবে, বিক্ষোভ দমাতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে প্রাণ দিয়েছেন চার শতাধিক মানুষ। তাদের মধ্যে আছে ৬০ জনের বেশি শিশু। ইরানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি।

হিজাব ঠিকমতো না করার অভিযোগে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনি পুলিশি হেফাজতে মারা যান গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী তেহরান। অল্প দিনে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে।

‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ স্লোগানটি বিশ্বকাপেও দেখা যাচ্ছে অনেক ইরানি বিক্ষোভকারী আশা করছেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি সাবেক এবং বর্তমান অ্যাথলেটিকরাও তাদের সমর্থন দেবেন।

ইরান দলের অধিনায়ক এহসান হাজিসাফি গত সপ্তাহে দোহায় সংবাদ সম্মেলনে বিক্ষোভে সংহতি প্রকাশ করেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতিও জানান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন খেলোয়াড়রা।

ইংল্যান্ড ম্যাচের পর ইরানে আবার চাঙা হয় বিক্ষোভ। নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা ও ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটতে থাকে।

তবে ওয়েলসের বিপক্ষে জয়ের পর নিরাপত্তা বাহিনীর চোখের সামনেই রাস্তায় উদযাপনে মাতে ইরানি জনতা। এর আগে বিক্ষোভ দমাতে যে পুলিশ সরাসরি গুলি ছুড়তে দ্বিধা করেনি, সেই পুলিশ সদস্যরাও সেদিন পতাকা নাড়িয়ে তাদের উৎসাহ দেয়। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, রাস্তায় নাচতে-গাইতেও দেখা গেছে তাদের। সেদিন প্রথা ভেঙে ইরানের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত নিউজ ওয়েবসাইটগুলো হেডস্কার্ফহীন উল্লসিত নারীদের ছবি প্রকাশ করে৷

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাদের দেশে ‘দাঙ্গা’ এবং ‘সন্ত্রাসবাদ’-এর মূল চালিকাশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করছেন, তবে তা অস্বীকার করেছে ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুন:
ফিফার টুইটে এবার বাংলাদেশে ব্রাজিল উদযাপন
নেইমারকে মিস করেছেন তিতে
ব্রাজিলের জয়ে জগন্নাথে বাঁধভাঙা উল্লাস
ম্যাচের আগে মেসিকে পোলিশ ডিফেন্ডারের হুঁশিয়ারি
আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে বন্ধুকে খুন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
The helicopter carrying the president of Iran crashed

দুর্ঘটনার কবলে ইরানের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টার

দুর্ঘটনার কবলে ইরানের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টার ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। তবে এই দুর্ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

রোববার আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি জলাধার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। সেখান থেকে ফেরার সময় ভারজাকান এলাকায় হেলিকপ্টারটি অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম রোববার এক্সে এক পোস্টে এ খবর জানিয়েছে।

তাসনিম ওই বার্তায় বলেছে, ‘হেলিকপ্টারটিতে থাকা প্রেসিডেন্টের কয়েকজন সফরসঙ্গী কেন্দ্রীয় সদর দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। এতে আশা করা হচ্ছে যে, এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।’

তবে রাইসিকে বহনকারী ওই হেলিকপ্টারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত করতে পারেনি ওই বার্তা সংস্থা।

তারা আরও জানিয়েছে, রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি তিনটি হেলিকপ্টারের একটি বহরের অংশ ছিল। মন্ত্রী এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের বহন করা অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদেই তাদের গন্তব্যে পৌঁছেছে।

তাসনিম বলেছে, ‘তাবরিজে শুক্রবারের জুমার নামাজের ইমাম সাইয়েদ মোহাম্মদ আলি আল-হাশেম, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ান, পূর্ব আজারবাইজানের গভর্নর মালিক রাহমাতি এবং আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ওই হেলিকপ্টারে ছিলেন।’

‘হেলিকপ্টারটি হার্ড ল্যান্ডিং করেছে এবং কুয়াশাচ্ছান্ন অবস্থার কারণে উদ্ধারকারীরা এখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারেননি।’

এদিকে ইরানের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি পাহাড়ি বনাঞ্চল ডিজমারে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে কোন ধরনের হেলিকপ্টার প্রেসিডেন্টকে বহন করছিল তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন:
ইরানে হামলার খবরে পুঁজিবাজারে ধস, তেলের দামে উল্লম্ফন
ইসরায়েলের তিন ড্রোন ভূপাতিত: ইরান
ইরানের পরমাণু ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ: প্রতিবেদন
ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের
ইরানের ওপর পশ্চিমাদের নতুন নিষেধাজ্ঞা

মন্তব্য

খেলা
60 dead in flash floods in Afghanistan

আফগানিস্তানে ফের আকস্মিক বন্যায় ৬০ প্রাণহানি

আফগানিস্তানে ফের আকস্মিক বন্যায় ৬০ প্রাণহানি ক্ষতিগ্রস্ত পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: দ্য গার্ডিয়ান
বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলেছে, বন্যায় যারা বেঁচে গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই এখন যাওয়ার মতো কোনো বাড়ি নেই, জমি নেই এবং জীবিকার কোনো উৎস নেই।

আফগানিস্তানে ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে গত সপ্তাহে দেশটিতে আকস্মিক বন্যায় সারা দেশে ৩১৫ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি আহত হন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার এ বন্যায় হাজার হাজার বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক মানুষ নিখোঁজ আছেন।

ঘোর প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র আবদুল ওয়াহিদ হামাসের বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ানের শনিবারের প্রতিবেনে এ তথ্য জানানো হয়।

আবদুল ওয়াহিদ বলেন, ‘বন্যায় শত শত হেক্টর কৃষিজমি ধ্বংসের সঙ্গে প্রদেশটি উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।’

ক্ষতিগ্রস্ত পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। এদিকে উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফারায়াবে ১৮ জন নিহত এবং আরও দুইজন আহত হওয়ার কথা জানা গেছে। যার ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮। ৩০০টিরও বেশি পশুপাখি মারা গেছে এ বন্যায়।

উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছানোর জন্য চেষ্টা করছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলেছে, বন্যায় যারা বেঁচে গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই এখন যাওয়ার মতো কোনো বাড়ি নেই, জমি নেই এবং জীবিকার কোনো উৎস নেই।

জাতিসংঘের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে আফগানিস্তান প্রাকৃতিক দুর্যোগের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ।

আরও পড়ুন:
উজানের ঢল আর বৃষ্টিতে গ্রীষ্মেই সিলেটে বন্যার পদধ্বনি
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধস-বন্যায় ১৫ প্রাণহানি
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যার সতর্কতা
আমিরাতে ৭৫ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত, নিহত অন্তত ১
ঝড়ে পাকিস্তান আফগানিস্তানে ৮৩ প্রাণহানি

মন্তব্য

খেলা
Four people including three tourists from Spain were killed in Afghanistan

আফগানিস্তানে স্পেনের তিন পর্যটকসহ চারজনকে হত্যা

আফগানিস্তানে স্পেনের তিন পর্যটকসহ চারজনকে হত্যা আফগানিস্তানের বামিয়ান প্রদেশে শুক্রবারের হামলার ঘটনাস্থল। ছবি: সংগৃহীত
তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল মতিন কানি শুক্রবার বলেন, ‘বন্দুকধারীদের গুলিতে তিন বিদেশি পর্যটক ও এক আফগান নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন আফগান নাগরিক। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।’

আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলীয় বামিয়ান প্রদেশে শুক্রবার বন্দুকধারীদের হামলায় স্পেনের তিন পর্যটকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ সময় কমপক্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। কী কারণে এই হামলা হয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল মতিন কানি শুক্রবার বলেন, ‘হামলায় তিন বিদেশি পর্যটক ও এক আফগান নাগরিক নিহত হয়েছেন।

‘বন্দুকধারীদের গুলিতে চারজন নিহত হওয়া ছাড়াও তিন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।’

স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কনস্যুলার ইমার্জেন্সি ইউনিটকে পুরোপুরি সক্রিয় করা হয়েছে এবং হতাহত ও তাদের পরিবারকে সহায়তা করা হচ্ছে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেস সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ লিখেছেন, ‘আফগানিস্তানে স্প্যানিশ পর্যটকদের হত্যার খবরে তিনি মর্মাহত।’

আফগানিস্তানের পার্বত্য বামিয়ান একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। এখানে দুটি বিশাল বুদ্ধ মূর্তির ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। ২০০১ সালে তালেবানরা বোমা ও কামানের গোলা ছুঁড়ে মূর্তি দুটি ধ্বংস করে দেয়।

২০২১ সালে আফগানিস্তান দখলের পর থেকে ক্ষমতাসীন তালেবান নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার এবং বিদেশি পর্যটকদের উৎসাহিত করার জন্য বুদ্ধ মূর্তিগুলোর দর্শন টিকিটের বিনিময়ে খুলে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশি বাহিনী ২০২১ সালে চলে যাওয়া এবং তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে শুক্রবারের হামলাটি ছিল বিদেশি নাগরিকদের লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় হামলা।

মন্তব্য

খেলা
Advice for Bangladeshi students to stay at home in Kyrgyzstan

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার পরামর্শ

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার পরামর্শ কিরগিজস্তানের বিসকেকে শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হামলা চালায় স্থানীয়রা। ছবি: সংগৃহীত
কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের জন্য স্বীকৃত উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বলেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় দূতাবাসের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগের জন্য জরুরি নম্বরে (+৯৯৮৯৩০০০৯৭৮০) কল করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের জন্য স্বীকৃত উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বলেছে, কিরগিজস্তানের পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

দূতাবাস থেকে একইসঙ্গে বলা হয়েছে, তবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই মুহূর্তে বাড়ির ভেতরে থাকতে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় দূতাবাসের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগের জন্য জরুরি নম্বরে (+৯৯৮৯৩০০০৯৭৮০) কল করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, উজবেকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাস কিরগিজ প্রজাতন্ত্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিসকেকে সাম্প্রতিক গণসহিংসতার বিষয়ে যোগাযোগ রাখছে।

দূতাবাস এ বিষয়ে কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

প্রসঙ্গত, কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় উত্তেজিত জনতার হামলার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ও শনিবার এই হামলার শিকার হন দেশটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
কিরগিজস্তানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: সাহায্য চাইলেন বাংলাদেশিরা

মন্তব্য

খেলা
Israels cabinet rifts over Gaza are out in the open

গাজা নিয়ে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বিরোধ প্রকাশ্যে

গাজা নিয়ে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বিরোধ প্রকাশ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউআভ গালান্ট, যাদের বিরোধ এরই মধ্যে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ছবি: রয়টার্স
কয়েক মাস আগে ইসরায়েলের সেনারা যেসব জায়গায় হামাসের সঙ্গে লড়ছিল, সেসব এলাকায় তাদের ফিরে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে স্পষ্ট কৌশল জানতে চান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউআভ গালান্ট। এর মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভায় বিরোধের বিষয়টি উন্মুক্ত হয়ে যায়।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বিরোধ চলতি সপ্তাহে প্রকাশ্যে চলে এসেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, কয়েক মাস আগে ইসরায়েলের সেনারা যেসব জায়গায় হামাসের সঙ্গে লড়ছিল, সেসব এলাকায় তাদের ফিরে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে স্পষ্ট কৌশল জানতে চান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউআভ গালান্ট। এর মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভায় বিরোধের বিষয়টি উন্মুক্ত হয়ে যায়।

গালান্টের ভাষ্য, গাজা উপত্যকায় সামরিক সরকার বসানোর বিষয়ে তার সমর্থন নেই।

তার এ বক্তব্যে যুদ্ধ শেষে গাজার শাসনভার অর্পণ নিয়ে নেতানিয়াহুর নির্দেশনার ঘাটতি নিয়ে শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ক্রমবর্ধমান অস্বস্তির বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

গালান্টের এ বক্তব্যের পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজেদের বিভক্তি স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার চার সদস্য।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন মধ্যমপন্থি হিসেবে পরিচিত সেনাবাহিনীর সাবেক দুই জেনারেল বেনি গানৎজ ও গাদি এইজেনকট। অন্যদিকে কট্টর ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গালান্টের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার বিরোধ নিয়ে ‘এটি যুদ্ধ চালানোর কোনো পন্থা নয়’ শিরোনামে খবর ছাপে ডানপন্থি ইসরায়েলি ট্যাবলয়েড ইসরায়েল টুডে। সংবাদে বিভিন্ন দিকে তাকানো নেতানিয়াহু ও গালান্টের ছবি ছাপা হয়েছে।

গাজার শাসক দল হামাসকে নির্মূল ও তাদের হাতে থাকা ১৩০ জনের মতো বন্দিকে ফেরতের পাশাপাশি উপত্যকায় যুদ্ধ অভিযান শেষ করার কৌশলগত কোনো লক্ষ্য ঠিক করেননি নেতানিয়াহু। এরই মধ্যে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এটি ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বাইডেন ইসরায়েলে সব সহায়তা বন্ধ করতে চান: ট্রাম্প
ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্য করতে জাতিসংঘে বিপুল ভোটে প্রস্তাব পাস
আমেরিকান অস্ত্র দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে থাকতে পারে ইসরায়েল
গাজায় একা লড়তে প্রস্তুত ইসরায়েল: নেতানিয়াহু
বাইডেনের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে রাফায় ইসরায়েলের হামলা

মন্তব্য

খেলা
Unraveling the secret of making pyramids

পিরামিড তৈরির রহস্য উন্মোচন!

পিরামিড তৈরির রহস্য উন্মোচন! ছবি: সংগৃহীত
গবেষক দলের একজন ড. সুজান অনস্টাইন বলেন, ‘নীল নদের হারিয়ে যাওয়া শাখাটি ৩১টি পিরামিডের সীমানায় রয়েছে। এই জলপথ ভারী ব্লক, সরঞ্জাম ও মানুষ পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। আর এসব কিছুই আমাদের পিরামিড নির্মাণ ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করেছে।’

চার হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে মিসরে বিশ্বখ্যাত গিজা কমপ্লেক্সসহ ৩১টি পিরামিড কীভাবে তৈরি হয়েছিল সেই রহস্যের সমাধান করেছেন- এমনটা বিশ্বাস করেন বিজ্ঞানীরা।

ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ ক্যারোলিনা উইলমিংটনের একটি গবেষক দল বলছে, পিরামিডগুলো সম্ভবত দীর্ঘ-হারিয়ে যাওয়া নীল নদের একটি প্রাচীন শাখার পাশে নির্মিত হয়েছিল যা এখন মরুভূমি এবং কৃষি জমির নিচে ঢাকা পড়ে গেছে।

প্রত্নতত্ত্ববিদরা বহু বছর ধরেই ধারণা পোষণ করে আসছেন যে প্রাচীন মিসরীয়রা নদীর ওপর পিরামিড নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পাথরের খণ্ডের মতো উপকরণ পরিবহনের জন্য নিকটবর্তী জলপথ ব্যবহার করেছিল।

অধ্যাপক ইমান ঘোনিমের মতে, এখনও পর্যন্ত এই মেগা জলপথের পাশে প্রকৃত পিরামিড সাইটের অবস্থান, আকৃতি, আকার বা নৈকট্য সম্পর্কে কিছুই নিশ্চিত ছিল না। গবেষকরা স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবি থেকে এই নদের শাখাটি শনাক্ত করে। পরে ফিল্ড সার্ভে ও সেখান থেকে পাওয়া পলি থেকে বিজ্ঞানীরা নদীর শাখা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন।

গবেষণায় বলা হয়, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার করা ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নীল নদের শাখাটি শুকিয়ে মরুভূমির নিচে চাপা পড়ে গেছে। এই নদী থেকে এখন বিজ্ঞানীরা বের করার চেষ্টা করছেন যে কেন গিজা পিরামিড কমপ্লেক্সের ৩১টি পিরামিড এই মরুভূমিতে এক সারিতে তৈরি করা হয়েছিল।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই পিরামিডগুলো চার হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার ৭০০ বছরের পুরনো।

নেচার জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষক দলটি বালির পৃষ্ঠে লুকানো বৈশিষ্ট্যগুলোর চিত্র আঁকতে সক্ষম হয়েছিলেন।

গবেষণার একজন সহ-লেখক ড. সুজান অনস্টাইন বিবিসিকে বলেন, ‘ডেটা বিশ্লেষণে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এটা বলা যায় যে এখানে একটি জলপথ ছিল যা ভারী ব্লক, সরঞ্জাম ও মানুষ পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। আর এসব কিছুই আমাদের পিরামিড নির্মাণ ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করেছে।’

বিজ্ঞানীদের দাবি, নীল নদের হারিয়ে যাওয়া শাখাটি প্রায় ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ছিল। আর নদীটির প্রস্থ ছিলে দু শ’ থেকে সাত শ’ মিটার। ওই শাখাটি ৩১টি পিরামিডের সীমানায় রয়েছে, যা চার হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার ৭০০ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল।

বিলুপ্ত নদী শাখার আবিষ্কারটি গিজা এবং লিস্ট (মধ্য রাজ্যের সমাধিস্থল)-এর মধ্যে উচ্চ পিরামিডের ঘনত্ব ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে, যা এখন সাহারান মরুভূমির অন্তর্ভুক্ত।

মন্তব্য

খেলা
Aid is flowing into Gaza through the US built ghats

‘যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত ঘাট দিয়ে গাজায় ত্রাণ ঢুকছে’

‘যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত ঘাট দিয়ে গাজায় ত্রাণ ঢুকছে’ মানবিক সহায়তা প্রবেশের উদ্দেশ্যে গাজা উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সদস্যরা এই অস্থায়ী ঘাটটি নির্মাণ করেছে। ছবি: যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড/রয়টার্স
এর আগে ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে একটি ঘাট নির্মাণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই ঘাটের অবকাঠামো খুলে নিয়ে গাজা উপকূলে অস্থায়ী ঘাট নির্মাণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।

ইসরায়েলের ওপর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় গাজা উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত একটি অস্থায়ী ঘাট দিয়ে আনা ত্রাণসামগ্রী নিয়ে ট্রাকগুলো ঢুকতে শুরু করেছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে একটি ঘাট নির্মাণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই ঘাটের অবকাঠামো খুলে নিয়ে গাজা উপকূলে অস্থায়ী ঘাট নির্মাণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।

উপকূলে ঘাট তৈরি করলেও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা তীরে পদার্পণ করেননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে সেন্ট্রাল কমান্ড।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই পথে আসা ত্রাণ একটি চলমান বহুজাতিক প্রচেষ্টার অংশ। বেশ কয়েকটি দেশের দান করা মানবিক সহায়তা এই পথ দিয়ে গাজায় ঢুকছে।

এদিকে যুক্তরাজ্য বলেছে, ওই ঘাটের মাধ্যমে তারা ইতোমধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসার একটি চালান সরবরাহ করেছে। অন্যদিকে, এ পথ দিয়ে গাজায় প্রবেশ করা ত্রাণসামগ্রী কোথায়, কীভাবে বণ্টন করা হবে, সেসব পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

গাজার উদ্দেশে পাঠানো ত্রানসামগ্রী প্রথমে সাইপ্রাসে পরীক্ষা করে দেখবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। এরপর গাজায় ইসরায়েলি চেকপয়েন্টগুলোর মধ্য দিয়ে সেগুলোকে যেতে হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় টানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দখলদার ইসরায়েল।

টানা হামলায় খাবার, পানি, ওষুধ ও জ্বালানির অভাবে অনেক আগে থেকেই ধুঁকছে হামাস নিয়ন্ত্রিত উপত্যকাটি। সীমানা অবরুদ্ধ করে ইসরায়েলের আগ্রাসনে মৃত্যু নগরীতে পরিণত হয়েছে গাজা।

হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গাজায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক হামলায় সাড়ে ৩৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৭৮ হাজারের মতো আহত হয়েছেন। আর হামাসের হামলায় নিহত হয়েছেন এক হাজার ১৩৯ ইসরায়েলি।

আরও পড়ুন:
নিজেদের হামলায় ৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত
অবস্থান পাল্টাল বাইডেন প্রশাসন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রেই গাজায় হামলা চালাবে ইসরায়েল
রাফায় হামলা চালিয়ে হামাসকে নির্মূল করা যাবে না: ব্লিংকেন

মন্তব্য

p
উপরে