× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Hennesseys first red card of the World Cup in Qatar
hear-news
player
google_news print-icon

কাতার বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড হেনেসির

কাতার-বিশ্বকাপের-প্রথম-লাল-কার্ড-হেনেসির
কাতার বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড দেখা ফুটবলার ওয়েন হেনেসি। ছবি: এএফপি
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় লাল কার্ড দেখা ফুটবলার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন হেনেসি। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতুমেলেং খুনে আর ১৯৯৪ এর বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছিলেন ইতালির জিয়ানলুকা পাগলিওকা।

এমনিতেই ইরানের টানা হামলায় জর্জরিত ছিল ওয়েলস। এমন অবস্থায় বিপদের ষোল কলা পূর্ণ করেন ওয়েলস গোলরক্ষক ওয়েন হেনেসি। ইরানের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে।

আর এর মধ্য দিয়ে চলতি বিশ্বকাপে প্রথম লাল কার্ডের খাতায় নাম তুললেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক। আর সেই সুবাদে ১০ জনের ওয়েলসকে অতিরিক্ত সময়ের জোড়া গোলে হারিয়েছে ইরান।

ঘটনাটির সূত্রপাত ম্যাচের ৮৫ মিনিটের মাথায়। গোল ঠেকাতে গিয়ে ডি বক্সের বাহিরে চলে এসেছিলেন তিনি। উঁচুতে আসতে থাকা বলটি ক্লিয়ার করতে পা উঁচিয়ে লাথি মেরে বসেন বলে। কিন্তু সেটি বলে না লেগে আঘাত হানে ইরানের স্ট্রাইকার মেহেদি তারেমি মুখের কাছাকাছি।

প্রথমে হলুদ কার্ড দেখালেও ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত বদলান রেফারি। লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়া করেন ওয়েলসের গোলরক্ষককে।

চলতি বিশ্বকাপে এটিই প্রথম লাল কার্ড দেখানোর ঘটনা। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় লাল কার্ড দেখা ফুটবলার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন হেনেসি।

এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতুমেলেং খুনে আর ১৯৯৪ এর বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছিলেন ইতালির জিয়ানলুকা পাগলিওকা।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের ভেলকিতে ওয়েলসকে হারাল ইরান
পুরান ঢাকার দেয়ালে দেয়ালে বিশ্বকাপ
মেসিই সেই জাদুকর: ওচোয়া
বিশ্বকাপ আছে, ম্যারাডোনা নেই

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Spain in knockout of Germany bye in Japan fairy tale

জাপান রূপকথায় জার্মানির বিদায়, নকআউটে স্পেন

জাপান রূপকথায় জার্মানির বিদায়, নকআউটে স্পেন স্পেনের বিপক্ষে গোলের পর উদযাপনে জাপান স্কোয়াড। ছবি: টুইটার
নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে স্পেনকে ২-১ গোলে হারিয়েছে জাপান। এতে করে গ্রুপ-ইর শীর্ষ দল হিসেবে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে এশিয়ান পরাশক্তিরা। কোস্টারিকার বিপক্ষে জার্মানি জয় পেলেও বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে।

কাতার বিশ্বকাপ উপহার দিয়ে যাচ্ছে চমকের পর চমক। নিজেদের প্রথম ম্যাচে জার্মানিকে হারানো জাপান নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে স্পেনকে হারিয়েছে ২-১ গোলে। এতে করে গ্রুপ-ইর শীর্ষ দল হিসেবে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে এশিয়ান পরাশক্তিরা।

আর জাপানের জয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে। একই গ্রুপের আরেক ম্যাচে কোস্টারিকাকে ৪-২ গোলে হারালেও সেটা যথেষ্ট ছিল না জার্মানদের জন্য। তাদের দরকার ছিল স্পেনের অপরাজিত থাকা।

স্পেন জাপানের সঙ্গে ড্র করলে গোল ব্যবধানে নকআউটে পৌঁছে যেত জার্মানি। তেমনটি হয়নি। ফলে, জার্মানি বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে আর জাপানের সঙ্গে গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা হয়ে নকআউটে পৌঁছেছে স্পেন।

সমীকরণের মারপ্যাঁচে থাকা জটিল এ গ্রুপের শেষ ম্যাচ ডেতে চার দলেরই সম্ভাবনা ছিল নক আউটে যাওয়ার। দুই ম্যাচে শুরুতে গোল পেয়ে যায় দুই ফেভারিট।

১০ মিনিটে কোস্টারিকার বিপক্ষে জার্মানিকে লিড এনে দেন সার্জ জিনাব্রি আর ১১ মিনিটে জাপানকে প্রথম ধাক্কা দেন স্পেনের আলভারো মোরাতা।

তখন মনে হচ্ছিল ইউরোপের দুই পরাশক্তির জন্য রাতটা জয়ের বার্তা নিয়েই এসেছে। তবে, নাটকের তখন অনেকটাই বাকি।

দৃশ্যপট পালটে যায় বিরতির ঠিক পরপর। ৪৮ মিনিটে বক্সের বাইরে বল পেয়ে চমৎকার শটে স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমোনকে পরাস্ত করেন রিতসু ডোয়ান।

স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১-১। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে জাপানের দরকার ছিল জয়।

সে লক্ষ্য স্পেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে সামুরাই ব্লুরা। এমন একটি আক্রমণ থেকে জাপান পায় তাদের দ্বিতীয় গোল।

৫১ মিনিটে ডোয়ানের পাস বক্সের একেবারে ভেতরে খুঁজে নেয় আও তানাকাকে। কাছ থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি ও দলকে লিড এনে দেন।

জাপানের এই দ্বিতীয় গোল নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। অনফিল্ড রেফারি বল গোললাইনের বাইরে গেছে মনে করে গোলটি বাতিল করে দেন।

তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্টের সাহায্যে দেখা যায় বল লাইনের বাইরে যায়নি ও গোল বৈধ। ফলে, জাপান ফিরে পায় নিজেদের গোল।


জাপানের লিড নেয়া মানে ছিল জার্মানির জন্য বিপদ। তবে নিজেদের ম্যাচে তারা আরও বিপদে পড়ে যখন কোস্টারিকা দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল স্কোর করে।

৫৮ মিনিটে ইয়েলতসিন তাহেদা ও এর ১২ মিনিট পর হুয়ান ভারগাসের গোলে হকচকিয়ে যায় জার্মানরা। কোস্টারিকা জয় পেলে আর স্পেন হারলে বাদ পড়তে হতো স্পেনকেও।

৭৩ মিনিটে কাই হাভের্টস গোল করে জার্মানিকে ম্যাচে ফেরান। এরপর একচেটিয়া খেলে আরও দুটি গোল আদায় করে নেয় জার্মানি।

৮৫ মিনিটে হাভের্টসের দ্বিতীয় গোল ও ৮৯ মিনিটে নিক্লাস ফুল্ক্রুগের গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-২। কিন্তু সেটি জার্মানির জন্য যথেষ্ট ছিল না। গোল ব্যবধানে তারা তখনও ৫ গোলে স্পেনের চেয়ে পিছিয়ে।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দুইবার পোস্টে শট লাগে জামাল মুসিয়ালার। একবার একেবারে কাছ থেকে জিনাব্রির শট ঠেকিয়ে দেন কোস্টারিকার গোলকিপার কেইলর নাভাস।

কোনোভাবেই গোলের সংখ্যা বাড়াতে পারছিল না জার্মানি। একই সঙ্গে আরেক ম্যাচে স্পেনও দেখা পাচ্ছিল না গোলের।

শেষ দিকে স্পেন বারবার আক্রমণ চালিয়েও জাপানের রক্ষণদূর্গ ভাঙতে পারেনি। ফলে, ম্যাচে পরাজয় মেনে নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।

স্পেনের পরাজয় এর সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় জার্মানির বিদায়ও। টানা দুই বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিল জার্মানি।

শেষ ১৬তে স্পেন খেলবে মরক্কোর বিপক্ষে। আর ক্রোয়েশিয়ার মোকাবিলা করবে ই-গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন জাপান।

আরও পড়ুন:
জাপান রূপকথায় জার্মানির বিদায়, নকআউটে স্পেন
৩৬ বছর পর নকআউটে মরক্কো, সঙ্গী ক্রোয়েশিয়া
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো কেন একই সময়ে হয়?

মন্তব্য

খেলা
After 36 years in the knock out Morocco partner Croatia

৩৬ বছর পর নকআউটে মরক্কো, সঙ্গী ক্রোয়েশিয়া

৩৬ বছর পর নকআউটে মরক্কো, সঙ্গী ক্রোয়েশিয়া মরক্কোর ফুটবলারদের গোল উদযাপন। ছবি: এএফপি
গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৩৬ বছর পর শেষ ১৬ নিশ্চিত করল আফ্রিকার দলটি। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হলো তাদের।

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো নকআউট পর্বে নাম লেখাল আফ্রিকার দেশ মরক্কো।

গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৩৬ বছর পর শেষ ১৬ নিশ্চিত করল আফ্রিকার দলটি। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হলো তাদের।

এদিকে গ্রুপের অপর ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপ রানার আপ হয়ে রাউন্ড অফ সিক্সটিনে নাম লিখিয়েছে ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনালিস্টরা।

রাউন্ড অফ সিক্সটিনের দৌড়ে লড়াইটা ছিল মূলত মরক্কো, ক্রোয়েশিয়া আর বেলজিয়ামের ভেতর। যে হারবে সেই বাদ সমীকরণটা ছিল এমন।

সমীকরণ কঠিন হলেও মরক্কোর প্রতিপক্ষটা খুব একটা কঠিন ছিল না। সহজ প্রতিপক্ষ কানাডার বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই লিড নেয় অ্যাটলাস লায়নস। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন হাকিম জিয়েশ।

কানাডার ডিফেন্ডারদের জটলার সুযোগ নিয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন মরক্কোর এই স্ট্রাইকার।

লিড ধরে রাখতে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ বাড়ায় মরক্কো। বেশ কিছু দুর্দান্ত আক্রমণ করলেও সফলতা মেলেনি তাদের।

২৩ মিনিটের মাথায় ব্যবধান ঠিকই দ্বিগুণ করে মরক্কো। ডান দিক থেকে হাকিমির নেয়া থ্রো রিসিভ করে কানাডিয়ান ডিফেন্সকে পাশ কাটিয়ে দলকে গোল এনে দেন ইউসুফ নাসিরি। আর তাতেই শেষ ১৬তে এক পা দিয়ে রাখে মরক্কো।

মরক্কো হোঁচট খায় ম্যাচের ৪০তম মিনিটে। কানাডার আক্রমণ ডি বক্সে প্রতিহত করতে গিয়ে বল নিজেদের জালে জড়িয়ে বসেন মরক্কোর ডিফেন্ডার নায়েফ আগুয়ের্দ।

ম্যাচের বাকি সময় এই গোলটি হয়ে থাকে কানাডার একমাত্র অর্জন। শেষ পর্যন্ত আর গোলের দেখা না মেলায় ২-১ গোলের জয় নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পর্ব নিশ্চিত করে মরক্কো।

গ্রুপের অপর ম্যাচটা ছিল বিশ্বকাপের গেলবারের আসরের দুই সেমিফাইনালিস্টের। সেই ম্যাচে জয় বাগিয়ে আনতে পারেনি কোন দলই। জয় না পেলেও শেষ হাসিটা হেসেছে ক্রোয়েশিয়া। পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় রানার আপ হয়ে দ্বিতীয় পর্ব নিশ্চিত হয়েছে ক্রোয়েশীয়দের।

বলের দখল আর শট অন টার্গেটে বেলজিয়াম ম্যাচের পুরোটা সময় এগিয়ে থাকলেও ম্যাচের পুরোটা সময় ছিল আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ। কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কেউই।

বেশ কিছু নিশ্চিত আক্রমণের দেখা মিললেও সফলতার মুখ দেখা হয়নি একবারও। আর তাতেগোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।

ড্র করেও পয়েন্টে এগিয়ে থাকায় বেলজিয়ামকে ছিটকে দিয়ে শেষ ষোলতে নাম লেখায় ক্রোয়েশিয়া।

আরও পড়ুন:
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো কেন একই সময়ে হয়?
মেসির সঙ্গে পেনাল্টি নিয়ে বাজি ধরেছিলেন শেজনি
গ্রুপ-এফ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মাঠে তিন দল
মেসি আমাকে ক্ষমা করে দাও: মেক্সিকান বক্সার

মন্তব্য

খেলা
Why is the last match of the group stage at the same time?

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো কেন একই সময়ে হয়?

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো কেন একই সময়ে হয়? পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার ম্যাচের কারণে ফিফা নিয়ম বদল করে। ছবি: সংগৃহীত
এ নিয়মের পেছনে ইতিহাসটা ১৯৮২ বিশ্বকাপের। সেবার অস্ট্রিয়া ও জার্মানির ম্যাচ পাতানোর অভিযোগের কারণে ফিফা এই নিয়ম চালু করে।

৩২ দলের অংশগ্রহণে এবার কাতারে হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২। যেখানে ৮ গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিটি গ্রুপে চারটি করে দল খেলছে। আর এই ৮ গ্রুপ থেকে ১৬টি দল নিয়ে শুরু হবে নকআউট পর্বের খেলা। সবগুলোতেই থাকছে পয়েন্ট টেবিল আর সমীকরণের হিসাব নিকাশ।

গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি গুলো শুরু দিকে আলাদা সময়ে হলেও শেষ দিকে গ্রুপের চার দলের খেলা একই সময়ে হচ্ছে। প্রতি গ্রুপের সব দল তিনটি করে ম্যাচ খেলেছে। শুরুতে বিকাল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ১০টা ও রাত ১টায় হলেও শেষ দিকের একই গ্রুপের দুটি করে ম্যাচ হচ্ছে রাত ৯টা ও রাত ১টায়।

একই সময়ে একই গ্রুপের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার পেছনে কারণটা ঐতিহাসিক। ফিফার প্রোটোকল অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দলের শেষ ম্যাচ শুরু হবে একই সময়ে।

এ নিয়মের পেছনে ইতিহাসটা ১৯৮২ বিশ্বকাপের। সেবার অস্ট্রিয়া ও জার্মানির ম্যাচ পাতানোর অভিযোগের কারণে ফিফা এই নিয়ম চালু করে।

স্পেনের গিহনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ম্যাচে ওই বছর মুখোমুখি হয় পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়া। সেটি পরবর্তীতে ‍‍`ডিসগ্রেস অফ গিহন‍‍`বা গিহনের লজ্জা নামে পরিচিত হয়।

ওই আসরে পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়া ম্যাচের এক দিন আগে আলজেরিয়া তাদের গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ শেষ করে। ফলে তাদের তাকিয়ে থাকতে হয় পরের দিনের ম্যাচের দিকে। পশ্চিম জার্মানি-অস্ট্রিয়া ম্যাচে জার্মানরা এক বা দুই গোলে জিতলে গোল পার্থক্যের ভিত্তিতে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া পরের রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারত।

পশ্চিম জার্মানি চার বা তার বেশি গোলে জিতলে আলজেরিয়া পরের রাউন্ডে কোয়ালিফাই করতে পারত।

দুই পক্ষই গোল পাওয়ার জন্য আগ্রহই দেখায়নি। ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পশ্চিম জার্মানি ১-০ গোলে জয়লাভ করে। ফলে দুই দলই পরের রাউন্ডে উঠে যায়, বাদ পড়ে আলজেরিয়া।

পরের আসরগুলো থেকে এ ধরনের ঘটনা এড়ানোর জন্য ফিফা গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডের একাধিক ম্যাচ একই সময়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার ভাগ্য বদলে দেয়া কে এই ম্যাকঅ্যালিস্টার
এ জয়ে ম্যারাডোনা অনেক খুশি হতেন: মেসি
পেনাল্টি মিসকেই শাপে বর মনে করছেন মেসি
মেক্সিকোর বিপক্ষে সৌদির গোলে নকআউটে পোল্যান্ড
মেসির পেনাল্টি মিসের পরও হেসেখেলে নকআউটে আর্জেন্টিনা

মন্তব্য

খেলা
Shezni made a bet with Messi about the penalty

মেসির সঙ্গে পেনাল্টি নিয়ে বাজি ধরেছিলেন শেজনি

মেসির সঙ্গে পেনাল্টি নিয়ে বাজি ধরেছিলেন শেজনি বল সেভ করতে গিয়ে মেসিকে ফাউল করেন পোলিশ গোলকিপার ভইচেক শেজনি। ছবি: এএফপি
ম্যাচ শেষে শেজনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ম্যাচের মধ্যেই মেসিকে তিনি বলেছিলেন রেফারি পেনাল্টি দেবেন না। সে নিয়ে ১০০ ইউরো বাজিও ধরেন তিনি। তবে রেফারি শেজনির ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয় পোল্যান্ড। সে ম্যাচে ২-০ গোলের জয় পেয়ে নকআউট রাউন্ডে উঠে যায় লিওনেল মেসির দল। অন্যদিকে মেসিদের বিপক্ষে হারলেও গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেরা ষোলোতে পৌঁছায় পোল্যান্ড।

এই ম্যাচে প্রথমার্ধে কোনো গোল না হলেও বিরতির পর দুই গোল পায় আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি থেকে প্রথমার্ধে গোল পাওয়ার সুযোগ ছিল মেসিদের।

৩৭ মিনিটে মেসিকে নিজেদের বক্সে ফাউল করেন শেজনি। প্রথমে পেনাল্টির নির্দেশ না দিলেও ভিডিও রিপ্লে দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

ম্যাচ শেষে শেজনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ম্যাচের মধ্যেই মেসিকে তিনি বলেছিলেন রেফারি পেনাল্টি দেবেন না। সে নিয়ে ১০০ ইউরো বাজিও ধরেন তিনি। তবে রেফারি শেজনির ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

স্পট থেকে নেয়া মেসির কিক ঠেকিয়ে দেন শেজনি। এটি টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ। এর আগে সৌদি আরবের বিপক্ষে পেনাল্টি ঠেকিয়েছিলেন তিনি।

ম্যাচ শেষ সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘মেসির সঙ্গে তো বাজিতে হেরে গেছি। জানি না, বিশ্বকাপে এসব বৈধ কি না। তারা হয়তো আমাকে শাস্তিও দিতে পারে। তবে এটা নিয়ে ভাবছি না। আমি মেসিকে টাকাটা দেব না। আমার মনে হয় না সে ১০০ ইউরোর জন্য দুশ্চিন্তা করবে। তার পর্যাপ্ত টাকাপয়সা আছে (মুচকি হাসি)।’

এবারের বিশ্বকাপে শেজনি দুটি পেনাল্টি গোল সেভ করেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে এমনটা করতে পেরেছেন দুজন।

সৌদি আরবের বিপক্ষে জেতা ম্যাচেও একটি পেনাল্টি সেভ করেছিলেন শেজনি। সালেম আলদাসওয়ারির পেনাল্টি রুখে দিয়েছিলেন পোলিশ গোলকিপার।

তার আগে এমন কীর্তি দেখিয়েছিলেন ২০০২ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যাড ফ্রিডেল ও ১৯৭৪ বিশ্বকাপ পোল্যান্ডের জন টমাজিউস্কি।

আরও পড়ুন:
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো কেন একই সময়ে হয়?
মেসির সঙ্গে পেনাল্টি নিয়ে বাজি ধরেছিলেন শেজনি
গ্রুপ-এফ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মাঠে তিন দল

মন্তব্য

খেলা
Three teams are coming down with the possibility of winning Group F

গ্রুপ-এফ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মাঠে তিন দল

গ্রুপ-এফ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মাঠে তিন দল ছবি: সংগৃহীত
মরক্কো খেলবে কানাডার বিপক্ষে আর বেলজিয়াম লড়বে গতবারের ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে। কানাডা ছাড়া নকআউট রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা ধরে রেখেছে বাকি তিন দল।

বিশ্বকাপের গ্রুপ-এফের ম্যাচে বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় নামছে ক্রোয়েশিয়া, বেলজিয়াম, মরক্কো ও কানাডা। কানাডা ছাড়া নকআউট রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা ধরে রেখেছে বাকি তিন দল।

মরক্কো খেলবে কানাডার বিপক্ষে আর বেলজিয়াম লড়বে গতবারের ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে।

গ্রুপে পরিষ্কার ফেভারিট হিসেবে বিশ্বকাপ শুরু করে বেলজিয়াম। তবে, ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দলটি হতাশ করেছে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে।

কানাডার সঙ্গে একমাত্র গোলের কষ্টার্জিত জয়ের পর তারা ২-০ গোলে হেরে যায় মরক্কোর কাছে। সবচেয়ে বড় যে ঝামেলায় তারা পড়েছে সেটা হলো অন্তঃকোন্দল।

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বেলজিয়ামের তারকা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনা দলের ডিফেন্ডারদের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন যে, বেলজিয়ামের খেলোয়াড়রা বুড়ো হয়ে গেছে। তাদের পক্ষে আর বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব নয়।

ডি ব্রুইনার এমন মন্তব্যের জবাবে দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ইয়ান ভারটনগেন বলেন, শুধু ডিফেন্স নয় ফরোয়ার্ডরাও বুড়ো হয়ে গেছে যে কারণে গোল করতে পারে না।

ড্রেসিংরুমে লড়াইয়ের খবরও প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে, কোচ রবার্তো মার্তিনেজের দাবি দলে ঐক্যের অভাব নেই।

শেষ ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারালেই বিশ্বকাপের পরের পর্বে যেতে পারবে বেলজিয়াম। ড্র করলেও ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকবে তবে সে ক্ষেত্রে তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে মরক্কোর ম্যাচের দিকে।

বিশ্বকাপে দারুণ খেলা মরক্কোর নকআউট নিশ্চিত করতে ড্র-ই যথেষ্ট হতে পারে যদি বেলজিয়াম জয় না পায়।

আর গ্রুপের শীর্ষে থাকা ক্রোয়েশিয়া ড্র বা জয়ে পৌঁছে যাবে শেষ ষোলোতে।

আরও পড়ুন:
গ্রুপ-এফ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মাঠে তিন দল
বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় পদ ছাড়লেন মেক্সিকোর কোচ
জার্মানি, স্পেন ও জাপানের পরীক্ষার রাত

মন্তব্য

খেলা
Mexicos coach resigned
ফিফা বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় পদ ছাড়লেন মেক্সিকোর কোচ

বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় পদ ছাড়লেন মেক্সিকোর কোচ সংবাদ সম্মেলনে মেক্সিকো জাতীয় দলের কোচ জেরার্দো মার্তিনো। ছবি: এএফপি
বিশ্বকাপের ব্যর্থ মিশন শেষে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেক্সিকোর কোচ মার্তিনো। বিশ্বকাপে তিনিই দলের কোচ হিসেবে প্রথম পদত্যাগ করলেন।

বিশ্বকাপে নিয়মিতই দেখা যায় উত্তর ও মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের দেশ মেক্সিকোকে। অভিজ্ঞ দল নিয়ে কাতার বিশ্বকাপে এলেও শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের বিপক্ষে জয় পেলেও গ্রুপ পর্ব থেকেই এবারের বিশ্বকাপ মিশন শেষ করতে হয়েছে জেরার্দো মার্তিনোর দলের।

বিশ্বকাপের ব্যর্থ মিশন শেষে পদত্যগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেক্সিকোর কোচ মার্তিনো। বিশ্বকাপে তিনিই কোচ হিসেবে প্রথম পদত্যাগ করলেন।

সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মার্তিনো জানান, মেক্সিকো বাদ পড়ার পর তার চুক্তি শেষ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই ভয়ানক পারফরম্যান্স ও সমর্থকদের এমন হতাশায় ফেলার জন্য সবার প্রথমে আমি দায়ী। ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে এই ব্যর্থতার সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা আমার ওপর বর্তায়। আর ম্যাচ শেষে (সৌদি আরবের বিপক্ষে) রেফারি চূড়ান্ত বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে আমার চুক্তি শেষ হয়ে গেছে।’

আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার সাবেক কোচ মার্তিনো ২০১৯ সালে মেক্সিকোর জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন। বিশ্বকাপে দলকে নিয়ে এলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ভালো খেলতে পারেনি মার্তিনোর শিষ্যরা।

গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে পোল্যান্ডের সঙ্গে ড্রয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হেরে বসে মেক্সিকো। আর শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে ২-১ গোলে জয় পেলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের আসর থেকে বিদায় নিতে হয়েছে দলটির।

পোল্যান্ড ও মেক্সিকো সমান তিন ম্যাচ খেলে এক জয়, এক হার ও এক ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে। গোল ব্যবধানে পোল্যান্ডের পয়েন্ট দাঁড়ায় শূন্য, অন্যদিকে মেক্সিকোর-১। ফলে নকআউট পর্বে পৌঁছে যায় লেওয়ানডোভস্কির পোল্যান্ড।

আরও পড়ুন:
মেক্সিকোর বিপক্ষে সৌদির গোলে নকআউটে পোল্যান্ড
মেসির পেনাল্টি মিসের পরও হেসেখেলে নকআউটে আর্জেন্টিনা
প্রথমার্ধে শেজনি দেয়াল ভাঙতে পারল না আর্জেন্টিনা
পোল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে ৪ পরিবর্তন
ডেনমার্ককে হারিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে নকআউটে অস্ট্রেলিয়া

মন্তব্য

খেলা
Test night for Germany Spain and Japan

জার্মানি, স্পেন ও জাপানের পরীক্ষার রাত

জার্মানি, স্পেন ও জাপানের পরীক্ষার রাত ছবি: সংগৃহীত
জাপানের কাছে জার্মানির হারে পাল্টে যায় সব হিসাব। শুধু তা-ই নয় জাপানের বিপক্ষে কোস্টারিকার এক গোলের জয়ের পর গ্রুপের সমীকরণ এমন দাঁড়িয়েছে যে শেষ ম্যাচ ডেতে চার দলেরই সুযোগ থাকছে নকআউটে যাওয়ার।

ফিফা বিশ্বকাপে ফেভারিট হিসেবেই কাতারে পা রেখেছিল জার্মানি ও স্পেন। গ্রুপ-ই থেকে এই দুই দলের নকআউটে যাওয়াটা প্রায় নিশ্চিত ধরে নিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে জাপানের কাছে জার্মানির হারে পাল্টে যায় সব হিসাব। শুধু তা-ই নয় জাপানের বিপক্ষে কোস্টারিকার এক গোলের জয়ের পর গ্রুপের সমীকরণ এমন দাঁড়িয়েছে যে শেষ ম্যাচ ডেতে চার দলেরই সুযোগ থাকছে নকআউটে যাওয়ার।

রাত ১টায় জাপানের মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন আর কোস্টারিকাকে মোকাবিলা করবে জার্মানি।

২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পাওয়া স্পেন যদি জাপানের সঙ্গে না হারে তাহলে তারা চলে যাবে শেষ ষোলোতে। হারলেও সম্ভাবনা থাকবে। কারণ স্পেনের গোল ব্যবধান +৭।

গ্রুপের তলানিতে থাকা জার্মানির কোস্টারিকার বিপক্ষে জয় ছাড়া অন্য পথ খোলা নেই। শুধু জিতলেই হবে না। বেশ বড় ব্যবধানে কোস্টারিকাকে হারাতে হবে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। কারণ তাদের গোল পার্থক্য-১।

কোস্টারিকার সামনেও থাকছে সুযোগ। জার্মানিকে হারালে আর স্পেন-জাপান ম্যাচ ড্র হলে তারাই হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। আর স্পেন ও কোস্টারিকা নিজ নিজ ম্যাচে জিতলে এ দুই দলই যাবে নকআউটে।

৩ পয়েন্ট পাওয়া কোস্টারিকা নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৭-০ গোলে হেরেছিল স্পেনের কাছে। যে কারণে গোল পার্থক্যে তারা বেশ খানিকটা পিছিয়ে। জাপানকে হারানোর ম্যাচে তারা করেছিল এক গোল। যে কারণে তাদের গোল ব্যবধান -৬।

জার্মানির সঙ্গে যদি কোস্টারিকা ড্র করে ও জাপান স্পেনের কাছে হেরে যায় তারপরও ৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে নকআউটে পৌঁছাবে।

সব মিলিয়ে গ্রুপ-ই থেকে চার দলেরই সুযোগ থাকছে নকআউটে কোয়ালিফাই করার।

আরও পড়ুন:
মেসি আমাকে ক্ষমা করে দাও: মেক্সিকান বক্সার
আর্জেন্টিনার ভাগ্য বদলে দেয়া কে এই ম্যাকঅ্যালিস্টার
এ জয়ে ম্যারাডোনা অনেক খুশি হতেন: মেসি

মন্তব্য

p
উপরে