× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Bangladesh is the joint host of the 2027 Womens Under 19 World Cup
hear-news
player
google_news print-icon

২০২৭ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক বাংলাদেশ

২০২৭-নারী-অনূর্ধ্ব-১৯-বিশ্বকাপের-যৌথ-আয়োজক-বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের সদস্যরা। ছবি: ফাইল ছবি
আইসিসির রোববারের বোর্ড সভায় জানানো হয়, আগামী চার বছরের চক্রে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় বসবে নারী ও পুরুষ যুব বিশ্বকাপের আসর।

নেপালের সঙ্গে যৌথভাবে ২০২৭ সালে অনুষ্ঠেয় নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে বাংলাদেশ।

আইসিসির রোববারের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সে সভায় ২০২৪ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর নাম জানানো হয়।

আগামী চার বছরের চক্রে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় বসবে নারী ও পুরুষ যুব বিশ্বকাপের আসর।

২০২৪ সালে ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ হবে শ্রীলঙ্কায়। ২০২৬ সালে এই বিশ্বকাপের পরবর্তী আসরের আয়োজক হবে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া।

মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড যৌথভাবে ২০২৫ সালে আয়োজন করবে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। আর ২০২৭ সালে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশ ও নেপালকে।

২০২৪ সালে ১০ দলের অংশগ্রহণে হতে যাওয়া নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনের মানদণ্ডও সভায় ঠিক করা হয়।

২০২৩ সালে অনুষ্ঠেয় নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই গ্রুপের শীর্ষ তিন দল সরাসরি খেলবে ২০২৪ বিশ্বকাপে। এ ছয় দলের সঙ্গী হয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নেবে র‍্যাঙ্কিংয়ের ওপরের দিকে থাকা দুই দল।

বাকি দুই দল আসবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার খেলে। বাংলাদেশ যদি গ্রুপের সেরা তিনে নাও থাকে, তারপরও আয়োজক হিসেবে ২০২৪ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সরাসরি খেলবে।

সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়ে। সেই আসরে ১৪টি দল অংশ নেবে।

দলগুলোর মধ্যে আয়োজক সাউথ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েসহ ১০ দল সরাসরি মূল পর্বে খেলবে। বাকি চার দলকে জায়গা করে নিতে হবে বাছাইপর্ব উতরে।

আরও পড়ুন:
অনুশীলন শুরুর আগেই ভারত সিরিজের দল দেবে বিসিবি
ভারত সিরিজেও থাকছেন ডনাল্ড
সোমবার ফিরছেন ডমিঙ্গো

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
The memory of 2015 series Bangladesh

৭ বছর পর ভারতের বিপক্ষে সিরিজ বাংলাদেশের

৭ বছর পর ভারতের বিপক্ষে সিরিজ বাংলাদেশের ম্যাচ জয়ের পর বাংলাদেশ দলের উদযাপন। ছবি: এএফপি
ডেথ ওভারে মুস্তাফিজের চেপে ধরা বোলিংয়ে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে স্বাগতিকরা জিতে নিল ৫ রানে। আর তাতেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা।

সাত বছর আগে সবশেষ বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে এসেছিল ভারত। সেই সিরিজে ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ।

২০২২ সালে এসে সেই শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই সেই পুরোনো স্মৃতি ফিরিয়ে আনল টাইগাররা। ডেথ ওভারে মুস্তাফিজের চেপে ধরা বোলিংয়ে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে স্বাগতিকরা জিতে নিল ৫ রানে। আর তাতেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা।

বাংলাদেশের দেয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ বলের রোমাঞ্চে ৫ রানের এক শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আর তাতেই এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত হলো স্বাগতিকদের।

রান তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতে ভারতকে ধাক্কা দেন এবাদত হোসেন। রোহিত শর্মার চোটের কারণে ওপেন করতে নামা ভিরাট কোহলিকে দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে ফেরান বোল্ড করে। কোহলির ব্যাট থেকে আসে ৫।

পরের ওভারে ৮ রান করা শিখর ধাওয়ানকে আউট করেন মুস্তাফিজুর রহমান। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে উইকেটে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন ওয়াশিংটন সুন্দার ও শ্রেয়াস আইয়ার।

তাদের বেশিক্ষণ টিকতে দেননি সাকিব আল হাসান। নিজের স্পেলের প্রথম ওভারে ১১ রান করা সুন্দারকে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান তিনি।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই মিরাজের শিকার বনে ১৪ করেই মাঠ ছাড়তে হয় লোকেশ রাহুলকে। আর তাতেই ৬৫ রানে চার টপ অর্ডারকে হারিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারীরা।

ব্যাকফুটে চলে যাওয়া ভারত দ্রুতই ম্যাচে ফেরে শ্রেয়াস আইয়ার ও আক্সার প্যাটেলের ১০৭ রানের জুটিতে ভর করে। এই দুই ব্যাটারের হাল ধরা ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ফের জাগিয়ে তোলে ভারত।

দলীয় ১৭২ রানে আইয়ারকে সাজঘরে ফিরিয়ে টাইগার শিবিরে প্রাণ ফিরিয়ে আনেন মিরাজ। মাঠ ছাড়ার আগে ভারতীয় এই ব্যাটারের ব্যাট থেকে আসে ৮২ রান।

সঙ্গী প্যাটেলকেও ৫৬ রানে থামিয়ে দেন এবাদত। আর তাতেই হাত ফসকে বেড়িয়ে যাওয়া ম্যাচ ফের চলে আসতে থাকে বাংলাদেশের কোর্টে।

সপ্তম উইকেটের পতনের পর মাঠে নামেন রোহিত শর্মা। আর ভারত দলপতির ব্যাটেই জয়ের স্বপ্ন শেষ হতে থাকে বাংলাদেশের। পুরো চাপ নিজের উপর নিয়ে তাণ্ডব চালাতে থাকেন টাইগার বোলারদের ওপর।

১৯ তম ওভারে এবাদত হোসেন ও এনামুল হক বিজয়ের হাতে দুইবার জীবন পান। যেই বলে জীবন পান, পরেই বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে কমিয়ে আনেন বাংলাদেশের জয়ের আশা।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। মুস্তাফিজের সেই ওভারের প্রথম বল রোহিত শর্মা ডট দিলেও পরের দুই বলে টানা দুটি চার মারেন।

ওভারের চতুর্থ বলটি মিসের সুবাদে তখন প্রয়োজন গিয়ে দাঁড়ায় ২ বলে ১২ রানের। পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জয়ের দিকে এক পা দিয়ে রাখার ইঙ্গিত দেন রোহিত। এক বলে তখন দরকার ৬ রানের।

আর এখানেই জয়টা হয় বাংলাদেশের। শেষ বলটি ইয়র্কার করেন ফিজ। সেটিতে কোন রান নিতে না পারায় শেষ বলের রোমাঞ্চে বাংলাদেশ পায় ৫ রানের অবিস্মরণীয় এক জয়।

আরও পড়ুন:
শুরুতেই ভারতের ৩ উইকেট তুলে নিল বাংলাদেশ
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে মিরাজের বীরত্ব
মিরাজের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭১

মন্তব্য

খেলা
Kiwis clean sweep Tigresses

নিউজিল্যান্ডের কাছে ক্লিন সুইপ টাইগ্রেসরা

নিউজিল্যান্ডের কাছে ক্লিন সুইপ টাইগ্রেসরা নিউজিল্যান্ড দলের সিরিজ জয় উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত
প্রথম দুই ম্যাচের মতো তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও নিগার-ফারজানাদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে হারকে সঙ্গী করে। শেষ ম্যাচে সফরকারীরা হেরেছে ৬৩ রানে।

হারে শুরু, হারেই শেষ। মাঝের সময়টাতে নেই কোন অর্জন, বরং রয়েছে সবচেয়ে কম রানে অল আউট হওয়ার লজ্জার রেকর্ড। আর এই চিত্রটা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজের।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের মতো তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও নিগার-ফারজানাদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে হারকে সঙ্গী করে। শেষ ম্যাচে সফরকারীরা হেরেছে ৬৩ রানে। এতে করে বাংলাদেশকে ৩-০ তে ক্লিন সুইপ করল নিউজিল্যান্ড।

কুইন্সটাউনে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫২ রান করে স্বাগতিক দল। সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন অ্যামেলিয়া কার। অধিনায়ক সোফি ডিভাইন ৪৭ রান করেন।

বাংলাদেশের হয়ে মারুফা আকতার, সালমা খাতুন, নাহিদা আকতার, ফারিহা তৃষ্ণা ও রাবেয়া খান নেন ১টি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা।

শেষ পর্যন্ত পুরো ২০ ওভার খেললেও ৭ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৮৯ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। আর তাতেই ৬৩ রানের জয় বাগিয়ে মাঠ ছাড়ে নিউজিল্যান্ড।

এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশ পেয়েছিল সর্বনিম্ন রানে অল আউট হওয়ার স্বাদ। সেই ম্যাচে সর্বসাকূল্যে ৩২ রান করে বাংলাদেশ। ফলাফল ১৩২ রানের হার দিয়ে সিরিজ শুরু। দ্বিতীয় ম্যাচে লড়াই করলেও ম্যাচের ফলে পরিবর্তন আনতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২ রানেই শেষ বাংলাদেশের নারী দল
নিউজিল্যান্ড সিরিজে নতুন মুখ দিশা-দিলারা

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh took 3 wickets from India in the beginning

শুরুতেই ভারতের ৩ উইকেট তুলে নিল বাংলাদেশ

শুরুতেই ভারতের ৩ উইকেট তুলে নিল বাংলাদেশ ভিরাট কোহলিকে বোল্ড করার পর এবাদত হোসেনের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি
১০ ওভারেই ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন সাকিব-এবাদতরা। প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৩৯।

আগে ব্যাট করে বোর্ডে ২৭১ রান তুলে ভারতকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। ১০ ওভারেই ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন সাকিব-এবাদতরা। প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৩৯।

ভারতকে প্রথম ধাক্কা দেন এবাদত হোসেন। রোহিত শর্মার চোটের কারণে ওপেন করতে নামা ভিরাট কোহলিকে দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে ফেরান বোল্ড করে। কোহলির ব্যাট থেকে আসে ৫।

পরের ওভারে ৮ রান করা শিখর ধাওয়ানকে আউট করেন মুস্তাফিজুর রহমান। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে উইকেটে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন ওয়াশিংটন সুন্দার ও শ্রেয়াস আইয়ার।

তাদের বেশিক্ষণ টিকতে দেননি সাকিব আল হাসান। নিজের স্পেলের প্রথম ওভারে ১১ রান করা সুন্দারকে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান তিনি। ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারী দল।

এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী মিরাজের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ২৭১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

মন্তব্য

খেলা
Mirages fairytale innings standing in ruins

ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে মিরাজের বীরত্ব

ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে মিরাজের বীরত্ব সেঞ্চুরির পর মিরাজের উদযাপন। ছবি: বিসিবি
শেষ ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে ব্যাক-টু-ব্যাক ছক্কা হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথমবার তিন অঙ্কের কাছে চলে যান মিরাজ। শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি।

দলের অন্যদের মতো তারকা খ্যাতি তার নেই। বরং রয়েছে ছেলেমানুষি আচরণের অসংখ্য নজির। এই ছেলেমানুষি করা মেহেদী হাসান মিরাজই ভারতের বিপক্ষে দেখিয়ে দিলেন ব্যাট হাতে কতোটা পরিণত তিনি।

দলের যখন বিপর্যয়ে, অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জা যখন চোখ রাঙানি দিচ্ছে তখনই দলের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যান এই অলরাউন্ডার। ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজে যেন নিজেকে অন্যভাবে চেনানোর মিশনে নেমেছেন তিনি।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিংধসের শিকার হয় বাংলাদেশ। ৩৯ ওভারে ১৩৬ রানে ৯ উইকেট হারায় স্বাগতিক দল।

তাতে হার দিয়ে সিরিজ শুরু করার শঙ্কা জাগে টাইগারদের। ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নামা মিরাজ দশম উইকেটে মুস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে এনে দেন ১ উইকেটের অবিশ্বাস্য এক জয়।

সেখানেই থামেননি তিনি। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ছাড়িয়ে গেছেন নিজেকে।

শেরে বাংলা জাতিয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৬৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচের ১৯ তম ওভারে ঘরের মাঠে আরও বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল টাইগাররা।

এমন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ব্যাট হাতে মিরাজ জন্ম দিলেন অনন্য এক রূপকথার। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে ৭ম উইকেটে ১৪৮ রান যোগ করেন।

৯৬ বলে ৭৭ রান করে রিয়াদ আউট হলেও মিরাজ টিকে থাকেন শেষ পর্যন্ত। শেষ ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে ব্যাক-টু-ব্যাক ছক্কা হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথমবার তিন অঙ্কের কাছে চলে যান মিরাজ। শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি।

৮৩ বলে ৪ ছক্কা ও ৮টি চারে ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।

আরও পড়ুন:
মিরাজের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭১
আঙুলের চোটে হাসপাতালে রোহিত
২০ ওভারের আগেই অর্ধেক লাইনআপ হারাল বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Mirages century on Bangladeshs board is 271

মিরাজের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭১

মিরাজের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭১ সেঞ্চুরির পর সঙ্গী নাসুম আহমেদকে নিয়ে মাঠ ছাড়ছেন মেহেদী মিরাজ। ছবি: বিসিবি
আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ২৭১ রান করেছে স্বাগতিক দল। মিরাজ ১০০ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন।

মেহেদী মিরাজের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে ভারতের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ২৭১ রান করেছে স্বাগতিক দল। মিরাজ ১০০ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন।

শেরেবাংলায় ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ দল। মিরপুরের লো ও স্লো পিচে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের টপ ও মিডল অর্ডার।

৬৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে এক শর নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল টাইগাররা। সেখান থেকে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান মেহেদী মিরাজ ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

৭ম উইকেটে ১৪৮ রান যোগ করেন দুই ব্যাটার। ৯৬ বলে ৭৭ রান করে রিয়াদ আউট হলেও। মিরাজ টিকে থাকেন শেষ পর্যন্ত।

৮৩ বলে ৪ ছক্কা ও ৮টি চারে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি।

মিরপুরের শেরেবাংলায় বুধবার দুপুরেও ছিল প্রথম ম্যাচের মতো স্লো ও লো উইকেট। যেখানে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লিটন দাস।

ব্যাট করতে নেমে স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দরের তোপে নাকাল হয় স্বাগতিক ব্যাটাররা। শুরুর দশ ওভারে লিটন দাস ও এনামুল বিজয়কে ফেরান পেইসার মোহাম্মদ সিরাজ।

এরপর একে একে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও আফিফ হোসেনের উইকেট তুলে নেন ওয়াশিংটন। তার স্লো টার্নিং বল সামলাতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা।

বাংলাদেশ দলের হয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। ১২ রান করেন মুশফিক। ১১ রান আসে এনামুলের ব্যাট থেকে।

সাকিব আউট হন ৮ রান করে আর অধিনায়ক লিটনের ব্যাট থেকে আসে ৭। টাইগারদের স্কোরবোর্ডে রান তখন ৬৯ রান। পতন ঘটেছে ৬ উইকেটের।

এমন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে দলকে টেনে তোলার গুরুভার কাঁধে তুলে নেন রিয়াদ ও মিরাজ। দুজনের অবিচ্ছেদ্য ১৪৮ রানের জুটিতে ভর করে দুর্দান্ত প্রতাপে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।

দলীয় ২১৭ রানে রিয়াদ আউট হলেও ভারতীয় বোলারদের উপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন মিরাজ। ভয়ডরহীন ব্যাটিংয়ে বাড়াতে থাকেন দলের সংগ্রহ। দুর্দান্ত সমর্থন দিয়ে যান নাসুম আহমেদও।

শেষ ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে ব্যাক-টু-ব্যাক ছক্কা হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির কাছে চলে যান মিরাজ। শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি।

মিরাজের সেঞ্চুরির সঙ্গে নাসুমের হার না মানা ১১ বলে ১৮ রানের ইনিংসের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ভারতের সামনে ২৭১ রানের পুঁজি দাড় করায় স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন:
আঙুলের চোটে হাসপাতালে রোহিত
২০ ওভারের আগেই অর্ধেক লাইনআপ হারাল বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Rohit in hospital with finger injury

আঙুলের চোটে হাসপাতালে রোহিত

আঙুলের চোটে হাসপাতালে রোহিত বাংলাদেশের বিপক্ষে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আঙুলে ব্যথা পান রোহিত শর্মা। ছবি: বিসিবি
ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে স্লিপে ফিল্ডিং করার সময় এই চোট পান রোহিত। মোহাম্মদ সিরাজের করা ওই ওভারে এনামুল হকের ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় দ্বিতীয় স্লিপে থাকা রোহিতের হাতে। সেটি ধরতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পান অভিজ্ঞ এই ওপেনার।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে চলার সময়ে দুঃসংবাদ পেয়েছে ভারত। ফিল্ডিং করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়েছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাকে স্ক্যানের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে স্লিপে ফিল্ডিং করার সময় এই চোট পান রোহিত। মোহাম্মদ সিরাজের করা ওই ওভারে এনামুল হকের ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় দ্বিতীয় স্লিপে থাকা রোহিতের হাতে। সেটি ধরতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পান অভিজ্ঞ এই ওপেনার।

প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর এক্স-রে করাতে তাকে বিসিবির মেডিক্যাল ইউনিটের তত্ত্বাবধানে ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাকে।

রোহিতের চোট কতটা গুরুতর সেটি এখনই জানা যায়নি। এক্স-রে রিপোর্ট দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সিরিজে ফেরার মিশনে বাংলাদেশকে চেপে ধরেছে ভারত।

আরও পড়ুন:
২০ ওভারের আগেই অর্ধেক লাইনআপ হারাল বাংলাদেশ
সিরিজ জয়ের মিশনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh lost half the lineup before 20 overs

২০ ওভারের আগেই অর্ধেক লাইনআপ হারাল বাংলাদেশ

২০ ওভারের আগেই অর্ধেক লাইনআপ হারাল বাংলাদেশ উমরান মালিকের বলে বোল্ড হয়ে গেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ছবি: এএফপি
২০ ওভারের আগেই বাংলাদেশ হারিয়েছে তাদের ৬ জন ব্যাটারকে। ১৯ ওভার শেষে স্বাগতিক দলের রান ছিল ৬ উইকেটে ৬৯।

সিরিজ জয়ের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ২০ ওভারের আগেই বাংলাদেশ হারিয়েছে তাদের ৬ জন ব্যাটারকে। ১৯ ওভার শেষে স্বাগতিক দলের রান ছিল ৬ উইকেটে ৬৯।

মিরপুরের শেরেবাংলায় প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও ছিল স্লো ও লো উইকেট। যেখানে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লিটন দাস।

ব্যাট করতে নেমে স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দরের তোপে নাকাল হয় স্বাগতিক ব্যাটাররা। শুরুর দশ ওভারে লিটন দাস ও এনামুল বিজয়কে ফেরান পেইসার মোহাম্মদ সিরাজ।

এরপর একে একে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও আফিফ হোসেনের উইকেট তুলে নেন ওয়াশিংটন।

তার স্লো টার্নিং বল সামলাতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। এখনও বোলিংয়ে আসেননি আক্সার পাটেল।

বাংলাদেশ দলের হয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। ১২ রান করেন মুশফিক। ১১ রান আসে এনামুলের ব্যাট থেকে।

সাকিব আউট হন ৮ রান করে আর অধিনায়ক লিটনের ব্যাট থেকে আসে ৭।

ওয়াশিংটন সুন্দর ৪ ওভার বল করে ১৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। আর সিরাজের শিকার ৩০ রানে ২টি।

আরও পড়ুন:
সিরিজ জয়ের মিশনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

p
উপরে