× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
India could not against England but against Bangladesh
google_news print-icon

রোহিতের সর্বনাশ স্নায়ুচাপে

রোহিতের-সর্বনাশ-স্নায়ুচাপে
ম্যাচ শেষে দুই অধিনায়কের শুভেচ্ছা বিনিময়। ছবি: এএফপি
ভারত দলপতি রোহিত শর্মার ভাষ্যমতে, নার্ভ ধরে রেখে খেলতে না পারাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয়ের কারণ। এই স্নায়ুচাপ ধরে রেখে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় এসেছিল বলে মনে করেন তিনি।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল ভারত। কিন্তু বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে এসে ইংল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পায়নি রোহিত শর্মারা। ১০ উইকেটে হেরে সেমি ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

গ্রুপ পর্বে প্রবল প্রতাপ দেখালেও সেমি ফাইনালে এসে ইংলিশদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ভারত। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতকে বৃহস্পতিবার দেখে বোঝার উপায় নেই এই ভারতই বাংলাদেশের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত জয় বাগিয়ে নিয়েছিল।

কি পার্থক্য ছিল দুই ম্যাচের? ভারত দলপতি রোহিত শর্মার ভাষ্যমতে, নার্ভ ধরে রেখে খেলতে না পারাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয়ের কারণ। এই স্নায়ুচাপ ধরে রেখে খেলেই বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় এসেছিল বলে মনে করছেন তিনি।

কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে দলকে বলে মনে করেন তিনি।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান ভারত দলপতি।

রোহিত বলেন, ‘যদি আমরা আঁটসাঁট বোলিং করতে পারতাম আর ব্যাটাররা রান করতো, তাহলে মেনে নিতাম। কিন্তু আমরা আজকে সেটা করতে পারিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচও কঠিন ছিল কিন্তু আমার মনে হয় সেদিন আমরা নিজেদের নার্ভ ধরে রেখেছিলাম, ভালোভাবে প্রয়োগ করতে পেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা খুব হতাশাজনক আমরা আজ যেমন করেছি। আমরা বল হাতে যেভাবে শুরু করেছি, আদর্শ না। আমরা কিছুটা নার্ভাস ছিলাম, তবে আপনাকে ইংল্যান্ডের দুই ব্যাটারকেও কৃতিত্ব দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
দুই পরিবর্তন নিয়ে বোলিংয়ে ইংল্যান্ড
বৃষ্টিতে সেমি ভেস্তে গেলে যেভাবে ফাইনালিস্ট নির্ধারণ
৯২-এর স্মৃতি ফিরিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান
ভারতের ফাইনাল-স্বপ্নে বাধা ইংল্যান্ড
বাবর-রিজয়ানের ব্যাটে ফাইনালের পথে পাকিস্তান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Bangladesh cricket team has arrived in the United States

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশকে দলকে বহনকারী বিমানটি বিমানবন্দরে অবতরণ করছে। এরপর নিজেদের লাগেজসহ বিমানবন্দর থেকে বের হচ্ছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সেখান থেকে টিম বাসে চড়ে হোটেলে যান তারা।

দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

যুক্তরাষ্ট্রে হিউজটনের জর্জ বুশ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের ভিডিও নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে পোস্ট করে জাতীয় দলের পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। খবর বাসসের

ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশকে দলকে বহনকারী বিমানটি বিমানবন্দরে অবতরণ করছে। এরপর নিজেদের লাগেজসহ বিমানবন্দর থেকে বের হচ্ছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সেখান থেকে টিম বাসে চড়ে হোটেলে যান তারা।

বিশ্বকাপের উদ্দেশে ১৫ মে রাত ১টা ৪০ মিনিটে দেশ ছাড়ে বাংলাদেশ দল। দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান সাকিব-মাহমুদুল্লাহরা।

বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তিন ম্যাচের দ্বিাপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২১, ২৩ ও ২৫ মে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলতে নামার আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ২৮ মে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এবং পহেলা জুন ভারতের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ রয়েছে টাইগারদের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘ডি’ গ্রুপে দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, নেপাল ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ৮ জুন শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে টাইগাররা। এরপর গ্রুপ পর্বে ১০ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৩ জুন নেদারল্যান্ডস এবং ১৭ জুন নেপালের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

মন্তব্য

খেলা
Tigers are on their way to USA to play T20 World Cup

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে টাইগাররা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে টাইগাররা আগামী ৮ জুন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ। ছবি: ইউএনবি
আগামী ৮ জুন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ। ডালাসে হতে যাওয়া ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায়। টাইগারদের পরের ম্যাচ ১০ জুন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউ ইয়র্কে। দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে রাত সাড়ে ৮টায়।

যুক্তরাষ্ট্র-ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে দেশ ছেড়েছেন টাইগাররা।

বিসিবির বিশ্বকাপ দল নিয়ে বুধবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে উড়াল দেয় বলে জানায় বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

পরিবর্তিত পরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নিতে বিশ্বকাপ শুরুর আগে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর তাদের ভারত ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা।

আগামী ৮ জুন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ। ডালাসে হতে যাওয়া ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায়। টাইগারদের পরের ম্যাচ ১০ জুন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউ ইয়র্কে। দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে রাত সাড়ে ৮টায়।

পরের দুটি ম্যাচ খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাবেন টাইগাররা। ১৩ জুন সেন্ট ভিনসেন্টে রাত সাড়ে ৮টায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। একই ভেন্যুত আগামী ১৭ জুন ভোর সাড়ে ৫টায় শেষ ম্যাচে টাইগারদের প্রতিপক্ষ নেপাল।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিগত আসরগুলো থেকে ভালো কিছু অর্জনে বারবার ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। তাই এবার প্রত্যাশায় লাগাম টেনে বিশ্বকাপ মিশনে নামবেন সাকিব-শান্তরা। অন্তত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের মত তাই।

আসন্ন বিশ্বকাপে টাইগারদের স্কোয়াডে রিজার্ভ খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়েছে আফিফ হোসেন ধ্রুব ও হাসান মাহমুদকে। দলের অন্য কোনো সদস্য ইনজুরিতে পড়লে তবেই ডাক পেতে পারেন তারা।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক), লিটন দাস, সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, সাকিব আল হাসান, তৌহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক, মোহাম্মদ তানভীর ইসলাম, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব।

আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপে সাকিব-মাহমুদউল্লাহকে ‘উপহার’ দেয়ার আশা শান্তর
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, তাসকিন সহ-অধিনায়ক
বিশ্বকাপ দল ঘোষণায় বিলম্বের নেপথ্যে
চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়েকে হারাল বাংলাদেশ
বিনা উইকেটে একশ পার করেও ১৪৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Shantar hopes to give Shakib Mahmudullah a gift in the World Cup

বিশ্বকাপে সাকিব-মাহমুদউল্লাহকে ‘উপহার’ দেয়ার আশা শান্তর

বিশ্বকাপে সাকিব-মাহমুদউল্লাহকে ‘উপহার’ দেয়ার আশা শান্তর কোলাজ: নিউজবাংলা
সাকিব-মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে প্রত্যাশা জানতে চাইলে শান্ত বলেন, ‘আমরা সাকিব ভাই ও রিয়াদ ভাইয়ের কাছ থেকে বাড়তি কিছু চাই না। তারা যদি তাদের ভূমিকা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেন, দল অবশ্যই সুবিধা পাবে। আমরা চাই, তারা তাদের অভিজ্ঞতা অন্য খেলোয়াড়দের মাঝে বিলিয়ে দিক, যেন দলের উন্নতি হয়।’

বিশ্বকাপের জন্য টাইগারদের স্কোয়াডে সবচেয়ে অভিজ্ঞ নাম সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শুধু টাইগার শিবিরে কেন, বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম এ সংস্করণে সবচেয়ে অভিজ্ঞদের তালিকায় রয়েছেন এ দুজন।

এমন দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দলে থাকায় তাই কিছুটা বাড়তি অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আবার আসন্ন বিশ্বকাপই এ দুজনের শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না টাইগার অধিনায়ক। তাই বিশ্বকাপে ভালো পারফর্ম করে সাকিব ও মাহমুদউল্লাহর জন্য তা স্মরণীয় করে রাখতে চান শান্ত। এ জন্য দলের তরুণ খেলোয়াড়দের তাগিদ দিয়েছেন তিনি। খবর ইউএনবি

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৮টি আসরের সবগুলো খেলেছেন সাকিব। এবার নবম আসর খেলতে দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে উড়াল দিয়েছেন তিনি। সাকিব ছাড়া এখন পর্যন্ত হওয়া সবকটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া ক্রিকেটার আছেন কেবল রোহিত শার্মা। এদের নামের পাশে আছেন মাহমুদউল্লাহও। ২০২২ বিশ্বকাপ ছাড়া ৭টি আসরেই অংশ নিয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এই দুজনের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপের কথা উঠতেই শান্ত বললেন, ‘আমি জানি না এটা তাদের (মাহমুদউল্লাহ ও সাকিব) শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে কি না, এটা কেবলই অনুমান।

‘তারা এত লম্বা সময় ধরে খেলছেন, তরুণ ক্রিকেটার আমরা যারা আছি, তারা অবশ্যই চেষ্টা করব তাদের ভালো স্মৃতি উপহার দিতে। ভালো একটি বিশ্বকাপ শেষ করে আমরা তাদের উপহার দিলাম…. আমাদের (তরুণদের) জন্য এটি অবশ্যই দায়িত্ব।’

সাকিব-মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে প্রত্যাশা জানতে চাইলে শান্ত বলেন, ‘আমরা সাকিব ভাই ও রিয়াদ ভাইয়ের কাছ থেকে বাড়তি কিছু চাই না। তারা যদি তাদের ভূমিকা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেন, দল অবশ্যই সুবিধা পাবে। আমরা চাই, তারা তাদের অভিজ্ঞতা অন্য খেলোয়াড়দের মাঝে বিলিয়ে দিক, যেন দলের উন্নতি হয়।’

দলের ভারসাম্য রক্ষায় সাকিব এখনও মহাগুরুত্বপূর্ণ। ব্যাট হাতে সেরা সময় এখন আর না থাকলেও বল হাতে তাকে এখনও বলা যায় দেশের সেরা। মাহমুদউল্লাহও গত কয়েক মাসে নিজের ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবিত করেছেন দারুণভাবে। তাই শান্তর মতো দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরাও বিশ্বকাপে তাদের দিকে অনেকটাই চেয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, তাসকিন সহ-অধিনায়ক
বিশ্বকাপ দল ঘোষণায় বিলম্বের নেপথ্যে

মন্তব্য

খেলা
Taskin vice captain T20 World Cup squad announced

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, তাসকিন সহ-অধিনায়ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, তাসকিন সহ-অধিনায়ক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে ১৫ সদস্যের এই দল ঘোষণা করা হয়।

নাজমুল হোসেনকে অধিনায়ক ও তাসকিন আহমেদকে সহ-অধিনায়ক করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয়েছে।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ১৫ সদস্যের এই দল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

দলে নেই পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন। পেসার হাসান মাহমুদ ও অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন রিজার্ভ হিসেবে রয়েছেন।

এ ছাড়া তানভীর ইসলাম, জাকের আলী, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান ও তানজিদ হাসান প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে আছেন। ফিরেছেন মাহমুদউল্লাহ।

বাংলাদেশ দল

নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক), লিটন দাস, সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী, তানভীর ইসলাম, মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, তানজিম হাসান।

এ ছাড়া রিজার্ভে আছেন হাসান মাহমুদ, আফিফ হোসেন।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আগামী ৭ জুন ডালাসে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ। ১০ জুন নিউ ইয়র্কে হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ। পরে নেদারল্যান্ডস ও নেপালের সঙ্গে খেলা হবে।

বিশ্বকাপের আগে ২১, ২৩ ও ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হবে। আর বাংলাদেশ দলের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্তব্য

খেলা
Behind the delay in World Cup team announcement

বিশ্বকাপ দল ঘোষণায় বিলম্বের নেপথ্যে

বিশ্বকাপ দল ঘোষণায় বিলম্বের নেপথ্যে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণায় বিলম্বের কারণ ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদের ইনজুরি। রোববার জিম্বাবুয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচের ঠিক আগে চোটে পড়েন তিনি।

আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি এক মাসেরও কম সময়। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারী দল। এদিকে দল চূড়ান্ত করে আইসিসির কাছে জমা দেয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করলেও এখনও আনুষ্ঠানিক বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা দেয়নি বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার স্কোয়াড ঘোষণা করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। স্কোয়াড ঘোষণায় এই বিলম্বের কারণে ক্রিকেট মহলে কৌতূহল ও জল্পনা বেড়েই চলেছে।

বিশ্বস্ত সূত্র ইউএনবিকে জানায়, ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদের ইনজুরিই এ বিলম্বের কারণ। রোববার জিম্বাবুয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচের ঠিক আগে চোটে পড়েন তিনি।

এদিকে বিসিবি সভাপতি ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, তাসকিনের সেরে উঠতে তিন সপ্তাহের বেশি সময় লাগলে তার বদলি কাউকে দলে ডাকা হতে পারে। তবে চিকিৎসকরা যদি তাসকিনের দ্রুত সুস্থতার আশ্বাস দেন (দুই সপ্তাহের মধ্যে) তাহলে তাকে মূল স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে আগামী সপ্তাহের শুরুতে দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পা রাখবেন তিনি। সেখানেই তার চিকিৎসার বাকি প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

তাসকিনকে দলে রাখতে বোর্ড সব রকমের চেষ্টা করবে উল্লেখ করে পাপন বলেন, ‘প্রয়োজনে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করব।’

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ৭ জুন ডালাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবং এর পরের ম্যাচ ১০ জুন নিউ ইয়র্কে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। এরপর প্রথম রাউন্ডে নিজেদের পরের দুই ম্যাচ খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে দলটি।

বিশ্বকাপের মূল আসরের আগে ১ জুন নিউ ইয়র্কে ভারতের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর হিউস্টনে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে টাইগাররা।

আরও পড়ুন:
চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়েকে হারাল বাংলাদেশ
বিনা উইকেটে একশ পার করেও ১৪৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ
টসে হার, তিন পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
শেষ ২ ম্যাচে ফিরলেন সাকিব মুস্তাফিজ সৌম্য
৯ রানে জিতে সিরিজ জয় করল বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Zimbabwe lost the fourth T20 by 5 runs

চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়েকে হারাল বাংলাদেশ

চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়েকে হারাল বাংলাদেশ জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার পথে আরও এক ধাপ এগোলো বাংলাদেশ। ছবি: ক্রিকইনফো
টস হেরে নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে টাইগাররা। জবাবে খেলতে নেমে দুই বল বাকি থাকতেই ১৩৮ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।

প্রথম তিন ম্যাচ হারের পর চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে স্বল্প রানে আটকাতে সমর্থ হয় জিম্বাবুয়ে। তবে ১৪৪ রানের সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ রানে হেরেছে তারা। এ জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচ সিরিজটি ৪-০’তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

শুক্রবার মিরপুরে টস হেরে নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে টাইগাররা। জবাবে খেলতে নেমে দুই বল বাকি থাকতেই ১৩৮ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের হয়ে সাকিব চারটি, মোস্তাফিজ তিনটি ও তাসকিন দুটি উইকেট নেন। অন্য উইকেটটি পান রিশাদ হোসেন।

স্বল্প পুঁজির পর যেমন শুরুর প্রয়োজন ছিল তাসকিন তা এনে দেন বাংলাদেশকে। প্রথম ওভারে রানের খাতা খোলার আগেই ব্রায়ান বেনেটকে বিদায় করেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এ পেসার।

এরপর চতুর্থ ওভারে ফের দেখা যায় তাসকিনের উল্লাস। এবার তার শিকার জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক রাজা। ৩.৫ ওভারে তাসকিনের শর্ট অব লেংথ ডেলিভারিটি পিচ করে ভেতরে ঢুকতে গেলে জায়গায় দাঁড়িয়ে অন সাইডে খেলার চেষ্টা করেন। তবে তাকে বোকা বানিয়ে স্ট্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয় বল। ১০ বলে ১৭ রান করে রাজা ফিরে গেলে দলীয় ২৮ রানে ২ উইকেট হারায় সফরকারীরা।

পরের ওভারে মারুমানিকে ফেরান সাকিব। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ের বিপদে আরও বাড়ে ক্লাইভ মান্ডান্ডের বিদায়ে। জনাথন ক্যাম্পবেলের সঙ্গে বড় জুটি গড়ার ইঙ্গিত দিয়েও তা বেশিদূর নিয়ে যেতে ব্যর্থ হন তিনি। দশম ওভারে রিশাদের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ১৮ বলে ১২ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি।

এরপর রায়ান বার্লকে নিয়ে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেন ক্যাম্পবেল। খানিকটা সফলও হন তারা। পাঁচ ওভার পর বার্লও ফিরে যান; ভাঙে ৩৫ রানের জুটি। ৯২ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর পর আর কোনো বড় জুটি গড়তে পারেনি জিম্বাবুয়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ওই ওভারেই জোড়া উইকেট নেন মোস্তাফিজ। এরপর ৩১ রান করা জনাথন ফিরে যান দলীয় ১০৩ রানে।

শেষ ১২ বলে জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল ২১ রানের। বোলিংয়ে এসে ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে ফারাজ আকরামকে মোস্তাফিজ বিদায় করলে শেষ ওভারে শেষ ওভারে ১৪ রান করতে হতো সফরকারীদের।

শেষ ওভারে সাকিবের প্রথম দুই বলে এক রান হলেও পরের বলে ছক্কা হাঁকান মুজারাবানি। চতুর্থ বলটি ওয়াইড হলেও স্ট্যাম্পিং হয়ে ফিরে যান তিনি। পরের বলে এনগারাভাকে বোল্ড করে বাংলাদেশের চতুর্থ জয় নিশ্চিত করেন সাকিব।

চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়েকে হারাল বাংলাদেশ

এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন সৌম্য ও তানজিদ। এই দুই ওপেনারের দৃঢ়তায় উইকেট না হারিয়েই দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করে বাংলাদেশ।

তবে এর পরই লুক জঙ্গুয়ের বলে ক্যাচ হয়ে যান তানজিদ। দ্বাদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে জঙ্গুয়ের স্লোয়ার ডেলিভারিতে লফটেড শট দিতে গিয়েছিলেন তানজিদ, কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে উপরে উঠে গেলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দৌঁড়ে গিয়ে ক্যাচটি লুফে নেন জনাথন ক্যাম্পবেল। ফেরার আগে সাতটি চার ও একটি ছক্কায় ৩৭ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে যান তানজিদ।

প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংসের পর চতুর্থ ম্যাচেও আরেকটি পঞ্চাশ পেরুনো ইনিংস খেললেন তানজিদ। এর ফলে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দুটি ফিফটি করা চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার বনে যান তিনি। তার আগে কেবল লিটন দাস, তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার এ কীর্তি গড়তে পেরেছেন।

প্রথম উইকেট পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় বাংলাদেশের উইকেট বৃষ্টি। তানজিদের ফেরার পরপরই সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে জঙ্গুয়ের ইয়র্কারে বিভ্রান্ত হন তিনি। বল তার প্যাডে লাগলে আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন। ফলে ৩টি চার ও দুটি ছক্কায় ৩৪ বলে ৪১ রান করে ফিরে যান তিনিও।

এর তৌহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন অধিনায়ক শান্ত। তবে হৃদয়ও বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি। চতুর্দশ ওভারের চতুর্থ বলে রাজার ডেলিভারি অন সাইডে ঘোরার মুখে হাত ঘুরিয়ে ছক্কা মারতে যান তিনি, কিন্তু মারে জোর না থাকায় ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ অঞ্চলে দাঁড়িয়ে থাকা বেনেটের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন।

এর পরের ওভারে আবারও উল্লাসে মাতেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা। জোড়া উইকেট শিকার করেন ব্রায়ান বেনেট। নিজের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে বেশ কয়েক মাস পর দলে ফেরা সাকিবকে বোল্ড করে দেন তিনি। শেষ বলে শান্তকে বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান।

ফলে ১০১ রানে কোনো উইকেট না হারানো বাংলাদেশ ১২৩-এই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে।

স্কোরবোর্ডে ৫ রান যোগ হতে না হতেই আবারও জোড়া উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সাত বলে ছয় রান করে ফিরতে হয় জাকের আলীকে। ১৭তম ওভারের প্রথম বলেই এনগারাভার ডেলিভারিটি উঁচিয়ে মারতে গিয়ে থার্ড ম্যান অঞ্চেলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জাকের। পঞ্চম বলে রান আউট হয়ে যান তাসকিন আহমেদ।

এরপর ১৮তম ওভারে রিশাদ হোসেন, ১৯তম ওভারে তানজিম সাকিব এবং শেষ ওভারের শেষ বলে মোস্তাফিজুর আউট হন।

দলের হয়ে তানজিদের ৫৪ ও সৌম্যর ৪১ রানের ইনিংস দুটিই কেবল বলার মতো। এরপর তৌহিদ হৃদয় ছাড়া আর কেউই দুই অংকে পৌঁছাতে পারেনি।

জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন জঙ্গুয়ে। দুটি করে উইকেট যায় এনগারাভা ও বেনেটের ঝুলিতে।

চার ওভারে মাত্র ১৯ রানের খরচায় তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মোস্তাফিজ।

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে রোববার বিকেল চারটায় পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
বিনা উইকেটে একশ পার করেও ১৪৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ
টসে হার, তিন পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh all out for 143 runs despite passing hundred without a wicket

বিনা উইকেটে একশ পার করেও ১৪৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

বিনা উইকেটে একশ পার করেও ১৪৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে শত রানের জুটি উপহার দেন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিম। ছবি: ক্রিকইনফো
ব্যাট করতে নেমে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন সৌম্য ও তানজিদ। এই দুই ওপেনারের দৃঢ়তায় উইকেট না হারিয়েই দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করে বাংলাদেশ। তবে যেই উইকেট পড়া শুরু করল, তা আর থামাতে পারলেন না ব্যাটারদের কেউ।

চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে অপরাজিত শত রানের জুটি এনে দিয়েছিলেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। তবে যেই উইকেট পড়া শুরু করল, তা আর থামাতে পারলেন না ব্যাটারদের কেউ। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান সংগ্রহ করতে পেরেছে বাংলাদেশ।

জয়ের জন্য জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য তাই ১৪৪ রান।

মিরপুরে টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।

ব্যাট করতে নেমে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন সৌম্য ও তানজিদ। এই দুই ওপেনারের দৃঢ়তায় উইকেট না হারিয়েই দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করে বাংলাদেশ।

তবে এর পরই লুক জঙ্গুয়ের বলে ক্যাচ হয়ে যান তানজিদ। দ্বাদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে জঙ্গুয়ের স্লোয়ার ডেলিভারিতে লফটেড শট দিতে গিয়েছিলেন তানজিদ, কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে উপরে উঠে গেলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দৌঁড়ে গিয়ে ক্যাচটি লুফে নেন জনাথন ক্যাম্পবেল। ফেরার আগে সাতটি চার ও একটি ছক্কায় ৩৭ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে যান তানজিদ।

প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংসের পর চতুর্থ ম্যাচেও আরেকটি পঞ্চাশ পেরুনো ইনিংস খেললেন তানজিদ। এর ফলে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দুটি ফিফটি করা চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার বনে যান তিনি। তার আগে কেবল লিটন দাস, তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার এ কীর্তি গড়তে পেরেছেন।

প্রথম উইকেট পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় বাংলাদেশের উইকেট বৃষ্টি। তানজিদের ফেরার পরপরই সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে জঙ্গুয়ের ইয়র্কারে বিভ্রান্ত হন তিনি। বল তার প্যাডে লাগলে আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন। ফলে ৩টি চার ও দুটি ছক্কায় ৩৪ বলে ৪১ রান করে ফিরে যান তিনিও।

এর তৌহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন অধিনায়ক শান্ত। তবে হৃদয়ও বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি। চতুর্দশ ওভারের চতুর্থ বলে রাজার ডেলিভারি অন সাইডে ঘোরার মুখে হাত ঘুরিয়ে ছক্কা মারতে যান তিনি, কিন্তু মারে জোর না থাকায় ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ অঞ্চলে দাঁড়িয়ে থাকা বেনেটের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন।

এর পরের ওভারে আবারও উল্লাসে মাতেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা। জোড়া উইকেট শিকার করেন ব্রায়ান বেনেট। নিজের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে বেশ কয়েক মাস পর দলে ফেরা সাকিবকে বোল্ড করে দেন তিনি। শেষ বলে শান্তকে বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান।

ফলে ১০১ রানে কোনো উইকেট না হারানো বাংলাদেশ ১২৩-এই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে।

স্কোরবোর্ডে ৫ রান যোগ হতে না হতেই আবারও জোড়া উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সাত বলে ছয় রান করে ফিরতে হয় জাকের আলীকে। ১৭তম ওভারের প্রথম বলেই এনগারাভার ডেলিভারিটি উঁচিয়ে মারতে গিয়ে থার্ড ম্যান অঞ্চেলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জাকের। পঞ্চম বলে রান আউট হয়ে যান তাসকিন আহমেদ।

এরপর ১৮তম ওভারে রিশাদ হোসেন, ১৯তম ওভারে তানজিম সাকিব এবং শেষ ওভারের শেষ বলে মোস্তাফিজুর আউট হন।

দলের হয়ে তানজিদের ৫৪ ও সৌম্যর ৪১ রানের ইনিংস দুটিই কেবল বলার মতো। এরপর তৌহিদ হৃদয় ছাড়া আর কেউই দুই অংকে পৌঁছাতে পারেনি।

জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন জঙ্গুয়ে। দুটি করে উইকেট গেছে এনগারাভা ও বেনেটের ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
টসে হার, তিন পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

p
উপরে