× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Pakistans 167 on the board as the pacers failed
hear-news
player
google_news print-icon

পেইসারদের ব্যর্থতায় পাকিস্তানের বোর্ডে ১৬৭

পেইসারদের-ব্যর্থতায়-পাকিস্তানের-বোর্ডে-১৬৭
বাংলাদেশের হয়ে ২৫ রানের খরচায় দুটি উইকেট নেন তাসকিন। একটি করে উইকেট নেন হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশকে ১৬৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ১৬৭ রান।

ক্রাইস্টচার্চে টসে জিতে বল করতে নেমে ম্যাচের শুরু থেকেই টাইগার বোলারদের দেখেশুনে খেললেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়াও হন পাকিস্তানি দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম।

হ্যাগলি ওভালেল পেইসবান্ধব উইকেটে এই দুই ব্যাটারের সামনে খাবি খাচ্ছিল মুস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ। তাসকিন আহমেদ রানের গতি চেপে ধরলেও বাকি দুইজনের সুবাদে সেটি পুষিয়ে নিচ্ছিল পাকিস্তান।

ম্যাচের অষ্টম ওভারে পাক শিবিরে প্রথম আঘাত আসে স্পিনারের হাত ধরে। বাবর আজমকে ২২ রানে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু আনেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্রাইস্টচার্চের উইকেট পেইসারদের পক্ষে থাকলেও নিয়ন্ত্রণ হাতে ছিল স্পিনারদের।

বাবর আজমকে হারানোর শোক কাটাতে শান মাসুদকে নিয়ে রানের গতি বাড়ান মোহাম্মদ রিজওয়ান। কিন্তু দলীয় ৯৪ রানে নাসুমের শিকার হয়ে মাসুদের ফেরার মধ্য দিয়ে ভাঙ্গে সেই জুটি। ২২ বলে ৩১ করা মাসুদকে ফিরিয়ে নাসুম স্পর্শ করেন স্বীকৃত ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের মাইলফলক।

৬ রান করে হায়দার আলি ও ৪ রান করে আসিফ আলিকে ফিরতে হয় তাসকিনের শিকার হয়ে। তবে উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে ঠিকই আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

তার অপরাজিত ৫০ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশের সামনে ১৬৭ রানের পুঁজি দাঁড় করায় পাকিস্তান।

বাংলাদেশের হয়ে ২৫ রানের খরচায় দুটি উইকেট নেন তাসকিন। একটি করে উইকেট নেন হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের বিপক্ষে নেই সাকিব, বোলিংয়ে বাংলাদেশ
পাকিস্তানের বিপক্ষে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
A different first for Messi on the night of a thousand matches

হাজার ম্যাচের রাতে মেসির অন্যরকম ‘প্রথম’

হাজার ম্যাচের রাতে মেসির অন্যরকম ‘প্রথম’ অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্স ঘিরে রয়েছে লিওনেল মেসিকে। ছবি: টুইটার
নতুন এক অর্জন যোগ হয়েছে মেসির ব্যক্তিগত রেকর্ডে। এই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল করলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এ ফুটবলার।

উৎসবের মঞ্চটা প্রস্তুতই ছিল। সেটাকে নিজের মতো করে সাজালেন লিওনেল মেসি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পেশাদার ক্যারিয়ারের হাজারতম ম্যাচ খেলতে নেমে করলেন অসাধারণ এক গোল ও দলকে নিয়ে গেলেন কোয়ার্টার ফাইনালে।

৩৫ বছরের এ তারকা নকআউটের প্রথম ম্যাচেও বেশ কিছু রেকর্ড ভেঙেছেন। অজিদের বিপক্ষে করা গোলটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে তার ৯৩ তম আর সবমিলিয়ে ৭৮৯তম গোল। আর বিশ্বকাপে নবম।

এই গোলে তিনি বিশ্বকাপের গোল সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছেন কিংবদন্তি ম্যারাডোনাকে। তার সামনে ১০ গোল নিয়ে আছেন আরেক আর্জেন্টাইন গ্রেট গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা।

এতগুলো অর্জনের ভিড়ে নতুন এক অর্জন যোগ হয়েছে তার ব্যক্তিগত রেকর্ডে। এই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল করলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এ ফুটবলার। এর আগে বিশ্বকাপে তার করা ৮টি গোলই এসেছে গ্রুপ পর্বে।

২০০৬ বিশ্বকাপে মেসি করেন ১ গোল। ২০১০ এ জালের দেখা পাননি। ২০১৪ সালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার জয়ের পাশাপাশি করেন ৪ গোল। আর ২০১৮তে তার পা থেকে আসে ১ গোল। এবারে এখন পর্যন্ত করেছেন ৩টি।

বিশ্বকাপে নকআউটে ৯টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবারেরটি সহ। মোট ৭৯১ মিনিট নকআউটে খেলে ২৪টি শটের পর প্রথম গোল পেলেন মেসি।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজের রেকর্ডটা আরও উন্নত করে নিতে নিশ্চিতভাবেই মুখিয়ে থাকবেন তিনি। ডাচদের বিপক্ষে মেসির অনন্য এক রেকর্ড রয়েছে। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কখনই পরাজয়ের স্বাদ পাননি আর্জেন্টিনার নাম্বার টেন।

আরও পড়ুন:
লড়াকু অজিদের বিদায় করে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা
অনন্য মেসির গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
একাদশে নেই দি মারিয়া
কক্সবাজার সৈকতে হাতে আঁকা মেসি
সবার আগে শেষ আটে নেদারল্যান্ডস

মন্তব্য

খেলা
Argentina sent off the fighter Ajid in the quarter

লড়াকু অজিদের বিদায় করে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা

লড়াকু অজিদের বিদায় করে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোলের পর উল্লসিত হুলিয়ান আলভারেস। ছবি: টুইটার
লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেসের গোলে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। এনজো ফার্নান্দেসের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। আগামী শুক্রবার রাত ১টায় কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা লড়বে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। 

অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেসের গোলে লিড নেয় আর্জেন্টিনা। এনজো ফার্নান্দেসের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া।

শেষ সময়টুকুতে অস্ট্রেলিয়া দাঁতে-দাঁত চেপে লড়াই করলেও ম্যাচ বের করতে পারেনি। শেষ আটে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ চূড়ান্ত করে ফেলে মেসির দল।

উৎসবের আবহে নিজেদের নকআউট ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নামে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির ১০০০ তম পেশাদার ম্যাচে ভক্তদের শোরগোল অন্যান্য দিনের তুলনায় যেন কিছুটা বেশিই ছিল।

তাদেরকে নিরাশ করেননি আর্জেন্টিনার তালিসমান। ৩৫ মিনিটে তার গোলেই লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

শুরু থেকে অস্ট্রেলিয়ার ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠের দখল নেন রদ্রিগো দে পল ও এনজো ফার্নান্দেস। সেট পিস থেকে দুই-একবার অস্ট্রেলিয়া আক্রমণের চেষ্টা করলেও সুফল পায়নি। নিকোলাস ওতামেন্দির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ছিল অটুট।

আক্রমণভাগে মেসি ও হুলিয়ান আলভারেসের পায়েই ছিল অধিকাংশ বল। মেসিকে শুরু থেকে কড়া পাহারায় রাখেন তিন অজি ডিফেন্ডার।

শেষ রক্ষা হয়নি। ৩৪ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া কিক অজিদের রক্ষণ দেয়াল ভেদ করতে না পারলেও মেসির পা থেকে ফিরতি বল পেয়ে যান আলেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার।

তিনি দ্রুত বল বাড়ান বক্সের ডান প্রান্ত ঘেষে দাঁড়ানো ওতামেন্দির দিকে। ওতামেন্দি প্রথম টাচেই বল পাঠিয়ে দেন দ্রুত বক্সে ঢোকা মেসির কাছে।

বাম পায়ের নিঁখুত শটে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ও গোলকিপার ম্যাট রায়ানকে বোকা বানান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এটি ছিল বিশ্বকাপে মেসির নবম গোল ও নকআউট পর্বে প্রথম। ১০০০ ক্যারিয়ার ম্যাচে ৭৮৯ নম্বর গোল মেসির।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আর্জেন্টাইনদের কাছে ছিল। ৫৭ মিনিটে তারা ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফেলে।

ডিফেন্ডার কাই রওলেসের ব্যকপাস ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার গোলকিপার ম্যাট রায়ান। সুযোগটা পুরো লুফে নেন বক্সের ভেতরে থাকা আলভারেস। মাপা শটে লক্ষ্যভেদ করে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন আর্জেন্টিনাকে।

তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটা সহজেই নিজেদের পকেটে পুরে নেবে আর্জেন্টিনা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া শুরু করে তাদের ফিরে আসার লড়াই।

মিনিট বিশেক পর অজি ফরোয়ার্ড ক্রেইগ গুডউইন প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে জোরাল শট নেন আর্জেন্টিনার গোল লক্ষ্য করে। বল ক্লিয়ার করতে যেয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন এনজো ফার্নান্দেজ। ৭৭ মিনিটের এই গোলে উজ্জীবিত হয় অজিরা।


আর্জেন্টিনার এরিয়াল বলে দুর্বলতার সুযোগ নিতে বক্সের চারপাশে উঁচু ক্রস ছাড়া শুরু করেন জন আরভাইন ও অ্যারন মুইরা। রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় বারবার বল ক্লিয়ার করছিল আর্জেন্টিনা।

অন্যপ্রান্তে ম্যাচভাগ্য নিশ্চিত করে দেয়ার সুযোগ পান লাউতারো মার্তিনেস। মেসি ড্রিবল করে বল ছাড়েন ফাঁকায় দাঁড়ানো এ স্ট্রাইকারের উদ্দেশে। গোলকিপারকে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি মার্তিনেস।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে শেষ সুযোগ পায় অস্ট্রেলিয়া। বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে যান গারাং কুয়োল। দ্রুত গতিতে ঘুরে শট নিলেও সেটি কাছ থেকে ঠেকিয়ে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেস।

পরের মুহূর্তে রেফারির বাঁশি বেজে উঠলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। আগামী শুক্রবার রাত ১টায় কোয়ার্টার ফাইনালে তারা লড়বে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।

আরও পড়ুন:
অনন্য মেসির গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
একাদশে নেই দি মারিয়া
কক্সবাজার সৈকতে হাতে আঁকা মেসি

মন্তব্য

খেলা
Argentinian ahead with the unique goal of Messi

অনন্য মেসির গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

অনন্য মেসির গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোলের পর লিওনেল মেসির উদযাপন। ছবি: টুইটার
৩৫ মিনিটে তার গোলেই লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে আর্জেন্টিনা। এটি ছিল বিশ্বকাপের মেসির নবম গোল ও নকআউট পর্বে প্রথম। ১০০০ ক্যারিয়ার ম্যাচে ৭৮৯ গোল মেসির।

উৎসবের আবহে নিজেদের নকআউট ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নামে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির ১০০০ তম পেশাদার ম্যাচে ভক্তদের শোরগোল অন্যান্য দিনের তুলনায় যেন কিছুটা বেশিই ছিল।

তাদেরকে নিরাশ করেননি আর্জেন্টিনার তালিসমান। ৩৫ মিনিটে তার গোলেই লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে আর্জেন্টিনা।

শুরু থেকে অস্ট্রেলিয়ার ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠের দখল নিয়ে নেন রদ্রিগো দে পল ও এনজো ফার্নান্দেস। সেট পিস থেকে দুই-একবার অস্ট্রেলিয়া আক্রমণের চেষ্টা করলেও সুফল পায়নি। নিকোলাস ওতামেন্দির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ছিল অটুট।

আক্রমণভাগে মেসি ও হুলিয়ান আলভারেসের পায়েই ছিল অধিকাংশ বল। মেসিকে শুরু থেকে কড়া পাহারায় রাখেন তিন অজি ডিফেন্ডার।

শেষ রক্ষা হয়নি। ৩৪ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া কিক অজিদের রক্ষণ দেয়াল ভেদ করতে না পারলেও মেসির পা ঘুরে ফিরতি বল পেয়ে যান আলেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার।

তিনি দ্রুত বল বাড়ান বক্সের ডান প্রান্ত ঘেষে দাঁড়ানো ওতামেন্দির দিকে। ওতামেন্দি প্রথম টাচেই বল পাঠিয়ে দেন দ্রুত বক্সে ঢোকা মেসির কাছে।

বাম পায়ের নিঁখুত শটে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ও গোলকিপার ম্যাট রায়ানকে বোকা বানান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

এটি ছিল বিশ্বকাপের মেসির নবম গোল ও নকআউট পর্বে প্রথম। ১০০০ ক্যারিয়ার ম্যাচে ৭৮৯ নম্বর গোল মেসির। গোল হজম করে ফিরে আসার সময় প্রথমার্ধে আর পায়নি অস্ট্রেলিয়া। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আলবিসেলেস্তেরা।

আরও পড়ুন:
একাদশে নেই দি মারিয়া
কক্সবাজার সৈকতে হাতে আঁকা মেসি
সবার আগে শেষ আটে নেদারল্যান্ডস

মন্তব্য

খেলা
Di Maria is not in the XI against Australia

একাদশে নেই দি মারিয়া

একাদশে নেই দি মারিয়া ম্যাচের আগে প্রস্তুত আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুম। ছবি: টুইটার
চোট থেকে সেরে উঠলেও শুরুর একাদশে দি মারিয়াকে রাখেননি কোচ। তার জায়গায় কোচ লিওনেল স্কালোনি বেছে নিয়েছেন পাপু গোমেসকে। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে থাকছেন লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেস।
গ্রুপ পর্বে পোল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে চোট পান আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ উইঙ্গার আনহেল দি মারিয়া। যে কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে নেই তিনি।
চোট থেকে সেরে উঠলেও শুরুর একাদশে দি মারিয়াকে রাখেননি কোচ। তার জায়গায় কোচ লিওনেল স্কালোনি বেছে নিয়েছেন পাপু গোমেসকে। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে থাকছেন লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেস।
গোলপোস্ট আগলাবেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ডিফেন্সে ফর্মে থাকা নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গী ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মারকোস আকুনিয়া ও নায়ুয়েল মলিনা।
মাঝমাঠে রদ্রিগো দে পল শুরু করছেন ম্যাচ। তার সঙ্গে রয়েছে এনজো ফার্নান্দেস ও আলেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার।
আর্জেন্টিনার একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস, নিকোলাস ওতামেন্দি, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মারকোস আকুনিয়া, নায়ুয়েল মলিনা, এনজো ফার্নান্দেস, আলেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেস ও পাপু গোমেস।

আরও পড়ুন:
কক্সবাজার সৈকতে হাতে আঁকা মেসি
সবার আগে শেষ আটে নেদারল্যান্ডস
আর্জেন্টিনা-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে পোলিশ রেফারি

মন্তব্য

খেলা
First up is the Netherlands in the last eight

সবার আগে শেষ আটে নেদারল্যান্ডস

সবার আগে শেষ আটে নেদারল্যান্ডস আমেরিকার বিপক্ষে প্রথম গোল করার পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে মেম্ফিস ডিপায়। ছবি: টুইটার
নেদারল্যান্ডসের পক্ষে গোল করেন মেম্ফিস ডিপায়, ডেলি ব্লিন্ড ও ডেনজিল ডামফ্রিস। ৭৬ মিনিটে আমেরিকানদের হয়ে একটি গোল শোধ করেন হাজি রাইট।

প্রথম দল হিসেবে কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে নেদারল্যান্ডস। নকআউটের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ডাচরা।

নেদারল্যান্ডসের পক্ষে গোল করেন মেম্ফিস ডিপায়, ডেলি ব্লিন্ড ও ডেনজিল ডামফ্রিস। ৭৬ মিনিটে আমেরিকানদের হয়ে একটি গোল শোধ করেন হাজি রাইট।

গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে মাত্র ৮টি গোলে শট নিয়ে ৫ গোল করে আসা নেদারল্যান্ডস দলটি নিজেদের ফুটবল দিয়ে ভক্তদের মন জয় করতে পারেনি। অনেকেই গ্রুপ পর্বের দলটিকে অতীতের চোখ ধাঁধাঁনো ফুটবল খেলা দলের তুলনায় পানসে ও ধীরগতিরও আখ্যা দেন।

আদতে তারা কেমন ফুটবল খেলতে পারে সেটারই যেন নমুনা ডাচরা রাখল যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। আমেরিকানদের ম্যাচে একরকম কোণঠাসা করে রেখে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছে নেদারল্যান্ডস।

শুরুটা করেন ডিপায়। ম্যাচের ১০ মিনিটে ডেনজিল ডামফ্রাইসের কাছ থেকে বল পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন বার্সেলোনার এ ফরোয়ার্ড। তবে, গোলের বিল্ডআপে যেমন ওয়ান-টাচ পাসিং ও দলের প্রায় সব সদস্যের অবদান ছিল তাতে একে টুর্নামেন্টের সেরা টিম গোল বলা যেতে পারে।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে লিড দ্বিগুণ করে নেদারল্যান্ডস। এবারও উৎস ছিলেন ডামফ্রিস। ডান প্রান্ত থেকে তার কাট ব্যাক খুঁজে নেয় ব্লিন্ডকে। যিনি নিঁখুত শটে পরাস্ত করেন আমেরিকান গোলকিপার ম্যাট টার্নারকে।

নেদারল্যান্ডসের টোটাল ফুটবলের কাছে পাত্তা পাচ্ছিল না যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করতে থাকে তারা।

দ্বিতীয়ার্ধের আধাঘণ্টার সময় ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ করে বল বাড়ান হাজি রাইটের দিকে। ব্যবধান কমাতে ভুল করেননি রাইট।


যুক্তরাষ্ট্রের কামব্যাকের স্বপ্ন ভাঙেন আগের দুই গোলের জোগানদাতা ডামফ্রিস। ব্লিন্ডের বাম প্রান্ত থেকে করা ক্রসে ভলির সুযোগ হাতছাড়া করেননি বক্সের ডানদিকে মার্কারকে ফাঁকি দেয়া ডামফ্রিস।

তার গোলেই স্বপন ভাঙে আমেরিকার। ৩-১ গোলের জয় নিয়ে সবার আগে শেষ আটে পৌঁছায় নেদারল্যান্ডস।

আরও পড়ুন:
চোটে বিশ্বকাপ শেষ জেসুসের
আর্জেন্টিনা-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে পোলিশ রেফারি
বিশ্বকাপে যে ভেন্যুর শেষ ম্যাচে খেলবে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রেলিয়া
ফুটবল মাঠে কী কাজ অধিনায়কের?

মন্তব্য

খেলা
Argentinians have the upper hand in the knockout tiebreak

বিশ্বকাপের টাইব্রেকে পাল্লা ভারী আর্জেন্টিনার

বিশ্বকাপের টাইব্রেকে পাল্লা ভারী আর্জেন্টিনার ২০১৪ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে টাইব্রেকে জয়ের পর আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: ইন্টেলিজেন্সার
পরিসংখ্যান বলছে, নকআউট ম্যাচগুলোতে টাইব্রেকে আর্জেন্টিনার জেতার রেকর্ডই বেশি। নকআউট পর্বে এ পর্যন্ত পাঁচবারের টাইব্রেকে চারবারই জিতেছে লা আলবিসেলেস্তেরা।

কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা-অস্ট্রেলিয়া।

টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডে বেশ কয়েকটি ম্যাচ ড্র হলেও নকআউট পর্বে সে সুযোগ নেই। গোল সংখ্যা সমান হলে কিংবা নির্ধারিত সময়ে কোনো গোল না হলে টাইব্রেকারে হবে নিষ্পত্তি।

পরিসংখ্যান বলছে, নকআউট ম্যাচগুলোর টাইব্রেকে আর্জেন্টিনার জেতার রেকর্ডই বেশি।

নকআউট পর্বে এ পর্যন্ত পাঁচবারের টাইব্রেকে চারবারই জিতেছে দেশটি।

১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ইউগোস্লাভিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১২০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে ইউগোস্লাভিয়াকে ৩-২ গোলের ব্যবধানে হারায় মেসির পূর্বসূরীরা।

বিশ্বকাপের টাইব্রেকে পাল্লা ভারী আর্জেন্টিনার

ওই বিশ্বকাপেই সেমিফাইনাল ম্যাচ ইতালির সঙ্গে ১-১ ড্র হলে টাইব্রেকে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে জেতে আর্জেন্টিনা।

১৯৯৮ সালে আবারও দ্বিতীয় রাউন্ডে টাইব্রেকারে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা। এর আগে ২-২ গোলে তাদের নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয। টাইব্রেকারে হার্নান ক্রেসপো আর্জেন্টিনার হয়ে দ্বিতীয় কিকটি মিস করেন। ডেভিড ব্যাটি এবং পল ইনসের কিক ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোল কিপার কার্লোস রোয়া। এতে ওই টুর্নামেন্টে এগিয়ে যায় দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। এ ম্যাচে ৪-৩ গোলে টাইব্রেকে জেতে লা আলবিসেলেস্তেরা।

আর্জেন্টিনা পরবর্তী টাইব্রেকের মুখোমুখি হয় ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে। কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে টাইব্রেকে ৪-২ গোলে হারে তারা। এটি ছিল আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসির প্রথম বিশ্বকাপ। জার্মান গোলকিপার ইয়েনস লেহমান রবার্তো আয়ালা এবং এস্তেবান কাম্বিয়াসোর কিক ঠেকিয়ে দেন। এতেই নিশ্চিত হয়ে যায় জার্মানির সেমিফাইনাল।

বিশ্বকাপের টাইব্রেকে পাল্লা ভারী আর্জেন্টিনার

আর্জেন্টিনা নকআউট পর্বে শেষ টাইব্রেকের মুখোমুখি হয় ২০১৪ সালে। ওই বছর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৪-২ গোলের ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টাইন গোলকিপার সার্জিও রোমেরো এ জয়ের নায়ক ছিলেন। তিনি রন ভ্লার এবং ওয়েসলি স্নাইডারের পেনাল্টি কিক ঠেকিয়ে দিলে ফাইনালে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের পতাকা হাতে মেসির ছবি কীভাবে?
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ গ্রাফিতি
‘বিচ্ছকাপ আইসা পড়ছে’
বিশ্বকাপের ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে
ডিআরইউ ফুটবলের শিরোপা জিতল চ্যানেল আই

মন্তব্য

খেলা
If you get a legend at the end

অন্তিমক্ষণে পেলে!

অন্তিমক্ষণে পেলে! ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে। ছবি: সংগৃহীত
হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও শরীর ফুলে যাওয়ায় ৮২ বছর বয়সী পেলেকে সাও পাওলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এমন একসময় এই কিংবদন্তি হাসপাতালে ভর্তি হলেন, যখন কাতারে বিশ্বকাপে লড়ছেন তার উত্তরসূরীরা।

শারীরিক অবস্থা আরও সঙ্কটজনক হয়েছে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের। কেমোথেরাপি কাজ করছে না তার শরীরে। ব্রাজিলের সংবাদপত্র ‘ফোলহা ডে সাও পাওলো’ এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পেলেকে রাখা হয়েছে ‘প্যালিয়াটিভ কেয়ার’-এ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, প্যালিয়াটিভ কেয়ার একটি বিশেষ ব্যবস্থা। মুমূর্ষু রোগীদের এই ব্যবস্থায় নেয়া হয়। যখন রোগীর শরীরে কোনও চিকিৎসা কাজ করে না, তখনই তাকে প্যালিয়াটিভ কেয়ারে রাখা হয়।

গত মঙ্গলবার হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও শরীর ফুলে যাওয়ায় ৮২ বছর বয়সী পেলেকে সাও পাওলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এমন একসময় এই কিংবদন্তি হাসপাতালে ভর্তি হলেন, যখন কাতারে বিশ্বকাপে লড়ছেন তার উত্তরসূরীরা।

১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি অ্যাডসন অ্যারানটিস দো নাসিমেন্তো বিশ্বজুড়ে পরিচিত পেলে নামেই। তাকে বলা হয় সর্বকালের সেরা ফুটবলার।

কয়েক বছর ধরেই ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছেন পেলে। গত বছর তার কোলন টিউমারও ধরা পড়ে। শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে খারাপ হওয়ায় তাকে আর সেভাবে প্রকাশ্যে দেখা যায় না এখন।

একদিন আগেই পেলের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে ভক্তদের আশ্বস্ত করেছিলেন তার মেয়ে কেলি নাসিমেন্তো। গত শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘বাবার শরীর নিয়ে গণমাধ্যমে বেশ উদ্বেগ। তবে জরুরি বা ভয়ের কিছু নেই।’

এদিকে শনিবার ফোলহা ডে সাও পাওলো জানায়, পেলে অন্ত্রের ক্যান্সার মোকাবিলা করার জন্য কয়েক মাস ধরে কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। তবে এখন চিকিৎসা আর কাজ করছে না।

আরও পড়ুন:
শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আবার নেপালের মুখোমুখি বাংলাদেশ
ভুটানকে ৮-০ গোলে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা
তারা খালি টাকা চায়: সালাউদ্দিন
অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ আছেন মান্ডা
পুরস্কার আর সংবর্ধনায় ভাসলেন সাফজয়ী পাহাড়ি কন্যারা

মন্তব্য

p
উপরে