× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Having female referees at the World Cup in Qatar is a tough message
hear-news
player
google_news print-icon

কাতার বিশ্বকাপে নারী রেফারি থাকা ‘কঠিন বার্তা’

কাতার-বিশ্বকাপে-নারী-রেফারি-থাকা-কঠিন-বার্তা
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইউভেন্তাস ও ডিনামো কিয়েভের ম্যাচ পরিচালনা করছেন স্টেফানি ফ্রাপার্ট। ছবি: ইউয়েফা
বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার জন্য যে ৩৬ জন রেফারি নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৮ বছর বয়সী ফ্রাপার্টও আছেন।

কাতার বিশ্বকাপে নারী রেফারির অন্তর্ভুক্তিকে এক ‘কঠিন বার্তা’ বলে উল্লেখ করেছেন ফরাসি নারী রেফারি স্টেফানি ফ্রাপার্ট। ফ্রাপার্টের সঙ্গে আরও দুই নারী রেফারিকে এবারের প্যানেলে যুক্ত করেছে ফিফা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ২০ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার জন্য যে ৩৬ জন রেফারি নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৮ বছর বয়সী ফ্রাপার্টও আছেন।

তালিকাভুক্ত বাকি দুই নারী রেফারি হলেন রুয়ান্ডার সালিমা মুকানসাঙ্গা ও জাপানের ইয়োশিমি ইয়ামাশিতা।

স্টেফানি ফ্র্যাপার্ট সংবাদমাধ্যমকে বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ‘আমি কোনো নারীবাদী মুখপাত্র নই। তবে ওই দেশে একজন নারী রেফারি থাকাটা ফিফার কাছ থেকে একটি শক্তিশালী বার্তা।’

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সমাজে নারী প্রতিনিধিত্বের সমালোচক হওয়ার পরও কাতারকে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নির্বাচন করা নিয়ে অবশ্য ফ্রাপার কোনো ব্যক্তিগত মত নেই।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ আয়োজন বিষয়ে আমি কোনো নীতিনির্ধারক নই। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই সব দেশে একজন নারীকে বাড়তি সচেতন থাকতে হয়। তিন থেকে চার সপ্তাহ আগে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আমাকে সাদরে গ্রহণ করা হয়েছে।’

ফ্রাপার্ট তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য মাইলফলক স্থাপন করেছেন। প্রথম নারী রেফারি হিসেবে তিনি ২০১৯ সালের আগস্টে ইউয়েফা সুপার কাপ, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ২০২২ সালের মে মাসে ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করেছেন।

আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন বুমরাহ
টফিতে দেখুন ফুটবল বিশ্বকাপ
বোল্ট-নিশ্যামকে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
3 women referees are making history in the World Cup

বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ছেন ৩ নারী রেফারি

বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ছেন ৩ নারী রেফারি ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করছেন স্টেফানি ফ্রাপার্ট। ছবি: এএফপি
বৃহস্পতিবার রাত ১ টায় জার্মানি বনাম কোস্টারিকার ম্যাচ পরিচালনা করবেন ফ্রান্সের স্টেফানি ফ্র্যাপাট,  ব্রাজিলের নেউজা বাক, ও মেক্সিকোর ক্যারেন দিয়াজ মেদিনা।

ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ম্যাচ পরিচালনা করতে যাচ্ছেন ৩ নারী রেফারি। বৃহস্পতিবার রাত ১ টায় জার্মানি বনাম কোস্টারিকার ম্যাচ পরিচালনা করবেন ফ্রান্সের স্টেফানি ফ্র্যাপাট, ব্রাজিলের নেউজা বাক, ও মেক্সিকোর ক্যারেন দিয়াজ মেদিনা।

ফ্রাপার্ট এর আগে গত মঙ্গলবার মেক্সিকো ও পোল্যান্ডের ম্যাচে চতুর্থ অফিসিয়ালের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

ফ্রাপার্ট বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপের চাপ নিয়ে ওয়াকিবহাল। সেটাতে আমাদের কাজে কোনো পরিবর্তন আসবে না। আমাদের শান্ত, ফোকাসড থাকতে হবে। মিডিয়া ও অন্য কোথায় কে কী বলছে সেটা নিয়ে বেশি ভাবা যাবে না। মাঠের কাজেই আমাদের মনোযোগ দিতে হবে।’

আল বাইত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ। ফ্রাপার্ট জানিয়েছেন, ম্যাচ পরিচালনা করতে তাকে নারী হিসেবে কখনই কোনো বিপাকে পড়তে হয়নি।

তিনি যোগ করেন, ‘শুরু থেকেই আমি ক্লাব ও খেলোয়াড়দের সমর্থন পেয়ে এসেছি। স্টেডিয়ামেও আমাকে সবসময় স্বাগত জানানো হয়েছে। নিজেকে অন্য রেফারিদের থেকে আলাদা মনে হয়নি। বিশ্বকাপেও একইভাবে স্বাগত জানানো হবে আশা করছি।’

ফ্রাপার্ট তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য মাইলফলক স্থাপন করেছেন। প্রথম নারী রেফারি হিসেবে তিনি ২০১৯ সালের আগস্টে ইউয়েফা সুপার কাপ, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ২০২২ সালের মে মাসে ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করেছেন।

এবারের বিশ্বকাপের তালিকাভুক্ত বাকি দুই নারী রেফারি হলেন রুয়ান্ডার সালিমা মুকানসাঙ্গা ও জাপানের ইয়োশিমি ইয়ামাশিতা।

আরও পড়ুন:
নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার পোল্যান্ড-বাধা
ইরানের স্বপ্ন ভেঙে পরের রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্র
গ্রুপ সেরা হয়েই নকআউটে ইংল্যান্ড

মন্তব্য

খেলা
The girl who stopped the marriage by going to the police station got GPA five

থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ

থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ মায়ের সঙ্গে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শ্রাবন্তী (ডানে)। ছবি: নিউজবাংলা
ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শ্রাবন্তী পরীক্ষা দিয়েছে। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, ‘শ্রাবন্তী শুধু নিজের জন্য নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। শ্রাবন্তীর এই সাফল্য ও বাল্যবিয়ে রোধ করার সাহসী মনোবল একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিয়ে ঠিক হয়েছিল শ্রাবন্তী সুলতানার। তবে তাতে রাজি ছিল না সে। পরে একাই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে বাল্যবিয়ের অভিযোগ দেয়। পুলিশ গিয়ে তার পরিবারকে বুঝিয়ে বিয়ে বাতিল করে। তার সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে পড়াশোনার খরচ চালানোর দায়িত্ব নেয় স্থানীয় প্রশাসন।

সেই শ্রাবন্তী এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, পেয়েছে জিপিএ ফাইভ। পড়া শেষ করে বিসিএস ক্যাডার হতে চায় সে।

সাহসী এই কিশোরীর রেজাল্টে গর্বিত তার মা ও স্কুলের শিক্ষকরা।

শ্রাবন্তী বলে, ‘আমি নিজের বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেও বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে অনেক মেয়ে সেটা পারছে না। পরিবারের চাপে বাল্যবিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে অকালে ঝরে পড়ছে অনেকে।

‘আমি সমাজে বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চাই।’

শ্রাবন্তীর মা বিউটি খাতুন বলেন, ‘আমি একটি মুড়ির কারখানায় কাজ করি... আমার স্বামী ও ছেলে থাকে যশোরে। অভাবের সংসারে মেয়েকে লেখাপড়া করানোর সাধ্য ছিল না। তাই গত বছর তার বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

‘কিন্তু আমার মেয়ে পড়তে চেয়েছিল। আমরা বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় সে থানায় গিয়ে হাজির হয়। তারপর পুলিশ এসে আমাদের বুঝালে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসি। আমার মেয়ে খুব মেধাবী। আমি তার ফলে খুব সন্তুষ্ট। যত কষ্টই হোক না কেন, আমি আমার মেয়েকে সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলব।’

ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শ্রাবন্তী পরীক্ষা দিয়েছে। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, ‘শ্রাবন্তী শুধু নিজের জন্য নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। শ্রাবন্তীর এই সাফল্য ও বাল্যবিয়ে রোধ করার সাহসী মনোবল একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

গত বছর সেপ্টেম্বরে বিয়ে ঠিক হয়েছিল শ্রাবন্তীর। পুলিশ নিয়ে এসে বাসায় বুঝিয়ে বিয়ে বাতিল করায় সে। তার এই পদক্ষেপের কারণে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সেইবার শ্রাবন্তীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। পড়াশোনার খরচ চালিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন থেকে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছিল তাকে। স্কুলে যাতায়াতের খরচের বিষয়ে সহযোগিতা করেন তৎকালীন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন।

পড়াশোনা চালিয়ে নিতে এই সহায়তা পাওয়ায় পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে শ্রাবন্তী ও তার পরিবার।

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি

মন্তব্য

খেলা
Conflict disasters multiply the plight of women PM

ক্ষমতায়ন না হলে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতায়ন না হলে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না: প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে সোমবার সকালে ইন্টারন্যাশনাল উইমেন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি সেমিনারে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা প্রশ্নাতীত, নারীরা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ; বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে। তারা বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা, অপুষ্টি, অশিক্ষা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদার শিকার। যেকোনো সংঘাত ও দুর্যোগে তাদের দুর্দশা বহু গুণ বেড়ে যায়।’

নারীরা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেকোনো সংঘাত ও দুর্যোগে তাদের দুর্দশা অনেক গুণ বেড়ে যায়।

তিনি বলেছেন, সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন না হলে সমাজে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না।

ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে সোমবার সকালে ইন্টারন্যাশনাল উইমেন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

নারীদের শান্তি ও নিরাপত্তার সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘ নারী শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা প্রতিষ্ঠা করেছে। সেই রেজুলেশন প্রণয়নে অংশ নিতে পেরে বাংলাদেশ গর্বিত।’

ক্ষমতায়ন না হলে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে সোমবার সকালে ইন্টারন্যাশনাল উইমেন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি সেমিনারে অতিথিদের মধ্যে ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে নারীদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এটা প্রশ্নাতীত, নারীরা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ; বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে। তারা বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা, অপুষ্টি, অশিক্ষা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদার শিকার। যেকোনো সংঘাত ও দুর্যোগে তাদের দুর্দশা বহু গুণ বেড়ে যায়।’

ক্ষমতায়ন না হলে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না: প্রধানমন্ত্রী
ঝড়ে বিধ্বস্ত বাড়ির উঠানে এক নারী। ছবি: ইউএন উইমেন

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্ষমতায়ন না হলে সমাজে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না। আমার সরকার নারী নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। নীতির অধীনে আমরা মূলধারার আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ডে নারীদের সার্বিক উন্নয়ন এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নের সব প্রতিবন্ধকতা দূর করার ব্যবস্থা নিয়েছি।

‘রাজনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, ব্যবসা, খেলাধুলা, সশস্ত্র বাহিনী ইত্যাদি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ও অবদান বাংলাদেশের আর্থসামাজিক দৃশ্যপটকে বদলে দিয়েছে।’

জেন্ডার সমতায় বাংলাদেশের অগ্রগতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণের কারণে বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা সব ক্ষেত্রেই উন্নত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে লিঙ্গ সমতায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।’

নারীদের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরে তার কন্যা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের রাষ্ট্র গঠনের শুরুতেই লিঙ্গ সমতার সারমর্মটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করেছিলেন। সমান সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে নারীদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া আমরা জাতীয় উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত স্তরে যেতে পারব না।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধান নারীর সম-অধিকার নিশ্চিত করেছে। সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: রাষ্ট্র শুধু ধর্ম-জাতি-বর্ণ-লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। একই অনুচ্ছেদের (২) ধারায় বলা হয়েছে: রাষ্ট্র ও জনজীবনের সব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার থাকবে।’

আরও পড়ুন:
‘নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের কারণ’
খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী
সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী
৬০০ নারীর অংশগ্রহণে ‘পশিয়ান কনফারেন্স’
এখন সবাই রিজার্ভ বিশেষজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

খেলা
Online violence against women increased by 132 percent

অনলাইনে নারী সহিংসতা বেড়েছে ১৩.২ শতাংশ

অনলাইনে নারী সহিংসতা বেড়েছে ১৩.২ শতাংশ রোববার ব্র্যাক সেন্টার ইন-এ ‘অনলাইনে নারীর প্রতি সহিংসতা: বাধা এবং উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ পরিচালিত অনলাইন সমীক্ষার তথ্য বলছে, ২০২২ সালে দেশে ৬৩ দশমিক ৫১ শতাংশ নারী অনলাইনে নারী হয়রানি ও সহিংসতার শিকার হয়েছে, যা গত বছর  ছিল ৫০ দশমিক ১৯ শতাংশ। সাতক্ষীরা, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালী, বান্দরবান, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলায় সমীক্ষাটি চালানো হয়।

দেশে অনলাইনে নারী হয়রানি ও সহিংসতা বেড়েছে। গত এক বছরে এই বৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। ২০২২ সালে দেশে ৬৩ দশমিক ৫১ শতাংশ নারী অনলাইনে নারী হয়রানি ও সহিংসতার শিকার হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৫০ দশমিক ১৯ শতাংশ।

চলতি বছরে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ পরিচালিত এক অনলাইন সমীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

১৬ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে রোববার ব্র্যাক সেন্টার ইন-এ আয়োজিত ‘অনলাইনে নারীর প্রতি সহিংসতা: বাধা এবং উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এই সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

সাতক্ষীরা, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালী, বান্দরবান, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট- এই ছয় জেলায় অনলাইন জরিপের মাধ্যমে সমীক্ষাটি করা হয়। এতে ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৩৫৯ জন নারী অংশগ্রহণ করেন।

সমীক্ষায় বলা হয়, ২০২২ সালে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মধ্যে নারীরা সবচেয়ে বেশি ৪৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অনলাইন সহিংসতার শিকার হন ফেসবুকে। এছাড়া ম্যাসেঞ্জারে ৩৫ দশমিক ৩৭, ইনস্টাগ্রামে ৬ দশমিক ১১, ইমোতে ৩ দশমিক ০৬, হোয়াটসঅ্যাপে ১ দশমিক ৭৫ ও ইউটিউবে ১ দশমিক ৩১ শতাংশ নারী অনলাইন সহিংসতার সম্মুখীন হন। এর বাইরে ৪ দশমিক ৮০ শতাংশ নারী বলেছেন যে তারা ভিডিও কল, মোবাইল ফোন ও এসএমএস-এর মাধ্যমে হয়রানির সম্মুখীন হয়েছেন।

চলতি বছরের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ নারী অনলাইন সহিংসতার মধ্যে ঘৃণ্য ও আপত্তিকর যৌনতাপূর্ণ মন্তব্য, ৫৩ দশমিক ২৮ শতাংশ নারী ইনবক্সে যৌনতাপূর্ণ ছবি গ্রহণ ও যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব এবং ১৯ দশমিক ১৭ শতাংশ নারী বৈষম্যমূলক মন্তব্যের শিকার হয়েছেন।

১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, তাদের নামে অন্য কেউ অনলাইনে নকল আইডি তৈরি করায় হয়রানির শিকার হয়েছেন। ১৬ দশমিক ১৬ শতাংশ বলেছেন যে তাদের কার্যকলাপ সবসময় সাইবার স্পেসে অনুসরণ করা হয় এবং ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ সমকামীদের অধিকার নিয়ে কথা বলার জন্য ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েছেন। ১১ দশমিক ৭৯ শতাংশ বলেছেন যে তাদের ব্যক্তিগত ছবি অনুমতি ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা হয়েছে এবং ১১ দশমিক ৭৯ শতাংশ যৌন নিপীড়নের হুমকি পেয়েছেন।

এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ৩ দশমিক ০৬ শতাংশের মতে, যৌন নিপীড়নের সময় তাদের ছবি তোলা বা ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল এবং সেগুলো পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। ২ দশমিক ৬২ শতাংশ নারী বলেছেন, তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি গোপনে পোস্ট করা হয় এবং পরে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়ে অর্থের জন্য ব্ল্যাকমেইল করা হয়। ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বলেছেন যে তাদের ছবি সম্পাদনা করে পর্নোগ্রাফি সাইটে প্রকাশ করা হয়।

সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন সহিংসতার কারণে নারীদের জীবনে সবচেয়ে গুরুতর প্রভাব হলো মানসিক আঘাত, হতাশা এবং উদ্বেগ- ৬৫ দশমিক ০৭ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রভাব হলো সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকা বা মতামত প্রকাশ করার ক্ষেত্রে আস্থা হারানো- ৪২ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ২৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ ট্রমার শিকার হয়েছেন এবং ২৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ আত্মমর্যাদা হারিয়েছেন।

সমীক্ষায় আরও প্রকাশ করা হয়েছে যে, অনলাইন সহিংসতা ও হয়রানির কারণে সৃষ্ট মানসিক যন্ত্রণা নারীর আত্মবিশ্বাস এবং স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে সংকুচিত করছে।

সমীক্ষায় আরও বলা হয়, ১৪ দশমিক ৯১ শতাংশ নারী অনলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছেন এবং ৮৫ শতাংশের বেশি ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ জমা না দিয়ে নীরব ছিলেন। যদিও তারা বিভিন্ন উপায়ে অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

অভিযোগকারীদের মধ্যে ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ সোশ্যাল মিডিয়া রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে, ২০ দশমিক ৫৯ শতাংশ পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন-এর ফেসবুক পেজের মাধ্যমে, ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ জাতীয় জরুরি পরিষেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে, ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ নিকটস্থ থানায়, ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ সাইবার ক্রাইমের ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, সিটিটিসি ও ডিএমপির মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন।

সমীক্ষায় আরও প্রকাশ করা হয়, বেশিরভাগ নারী মনে করেন বিদ্যমান অভিযোগের প্রক্রিয়াগুলো কার্যকর নয়। তাই ২৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ নারী কোনো অভিযোগ জমা দিতে আগ্রহ দেখাননি। ৬৪ দশমিক ৭১ শতাংশ তাদের জমা দেয়া অভিযোগের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিকার বা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখেননি। সামাজিক কলঙ্ক, ভুক্তভোগী দোষারোপ এবং গোপনীয়তা হারানোর ভয়ে ৭৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ নারী অনলাইনের মাধ্যমে বেনামে অভিযোগ করতে চান।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ নারীই বলেছেন, তারা অনলাইনে সহিংসতা ও নারীর প্রতি হয়রানির বিষয়ে কোনো সচেতনতামূলক প্রচারণা দেখেননি। ৭৩ দশমিক ০৯ শতাংশ বলেছেন, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা পর্যবেক্ষণ করেছেন। এছাড়া ৩৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ টিভি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে, ২০ দশমিক ০৮ শতাংশ ইনফ্লুয়েন্সারের মাধ্যমে এবং ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম দেখেছেন।

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা নতুন কিছু নয় এবং এটি এখনও বিভিন্ন মাধ্যমে বিদ্যমান। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র- প্রতিটি ক্ষেত্রে নারী নির্যাতন হচ্ছে এবং এর নানারকম বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে। এর নতুন এক মাধ্যম হলো অনলাইন, এই প্রযুক্তির যুগে অনলাইনে নারীদের প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে কিশোরী ও ১৮ বছরের নিচের কন্যা শিশুরা এর শিকার বেশি হচ্ছে। সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করলে নারীর প্রতি সহিংসতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

মন্তব্য

খেলা
Women look beautiful in nothing

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব

সবকিছুতেই নারী সুন্দর: রামদেব বাবা রামদেব। ছবি: সংগৃহীত
রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

বিতর্কিত মন্তব্যে ফের আলোচনায় ভারতের যোগগুরু স্বামী রামদেব। এবার নারীর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ৫৭ বছরের এই সেলিব্রেটি।

ভক্তদের কাছে এই যোগগুরু বাবা রামদেব নামে পরিচিত। মহারাষ্ট্রের থানেতে শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে রামদেব বলেন, ‘নারীকে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজে সুন্দর লাগে। যদি তারা কিছু না-ও পরে তবু তাদের সুন্দর লাগে।’

রামদেবের এমন মন্তব্য ফুঁসে উঠেছে ভারতের নারীবাদীরা। নিন্দা জানিয়ে রামদেবকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল। রামদেবের ওই ভিডিও টুইট করেছেন তিনি।

এতে রামদেবকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের ভাগ্য ভালো। আমাদের সামনে যারা অবস্থান করছেন তারা শাড়ি পরার সুযোগ পেয়েছেন। পেছনেররা হয়তো সুযোগ পায়নি; সম্ভবত ওনারা বাসা থেকে শাড়িগুলো প্যাক করে এনেছে, তবে বদল করার সময় পাননি।

'আপনাদের শাড়িতে দারুণ লাগে, সালোয়ারেও তাই। কিছুই না পরলেও ভালো লাগে।’

রামদেব নারীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘সামাজিক নিয়মের জন্য পোশাক পরেন। শিশুরা কোনো কিছুই পরে না। আমরা ৮ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কিছুই পরিনি।’

দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল ভিডিওটি পোস্ট করে টুইটে বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর সামনে নারীদের নিয়ে স্বামী রামদেবের করা মন্তব্য অশালীন এবং নিন্দনীয়৷ এই বক্তব্যে নারীরা হতাশ হয়েছেন। বাবা রামদেবের ক্ষমা চাওয়া উচিত৷’

এ নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার প্রতিক্রিয়া জানায়নি। রামদেব বা তার প্রতিষ্ঠান পতঞ্জলির পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য আসেনি।

রামদেবের এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্র।

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরের ঘনিষ্ঠরাও এমন মন্তব্যকে ভালো চোখে দেখছেন না। উদ্ধব-ঘনিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় রাউত জানান, এই বাজে মন্তব্যের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল উপ-মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর।

‘এই সরকার অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানে না।’

মন্তব্য

খেলা
Men should be asked to build a safe world for women

নারীর জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে বদলাতে হবে পুরুষকে

নারীর জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে বদলাতে হবে পুরুষকে নারীর প্রতি সহিংস আচরণ দূর করতে পুরুষের মানসিকতায় পরিবর্তন আনার ওপর জোর দিয়েছেন অধিকারকর্মী ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞরা। ফাইল ছবি
প্রতি বছর ২৫ নভেম্বর পালন করা হয় নারীর প্রতি সহিংসতা নির্মূল দিবস। দেশের অধিকারকর্মী ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজে বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা বাড়লেও নারীর প্রতি সহিংস আচরণ উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়ে গেছে। এ অবস্থা দূর করতে পুরুষের মানসিকতায় পরিবর্তন আনার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা তিন্নি (ছদ্মনাম)। স্বামী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ভালোবাসার বিয়ের দুই-তিন বছর পরই বদলে যায় স্বামীর আচরণ।

ছোটোখাটো বিষয়ে অকথ্য গালাগালি দিয়ে শুরু, দিনে দিনে তা গড়ায় মারধরে। ততদিনে তিন্নি দুই কন্যাসন্তানের জননী।

একপর্যায়ে তিন্নিকে চাকরি ছেড়ে দিতে চাপ দেন স্বামী। বলা হয় শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়ে ‘ভালো গৃহিণী’ হিসেবে সংসার করতে হবে। তবে ঘুরে দাঁড়ান তিন্নি। দুই সন্তানকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন সংসার ছেড়ে।

তিন্নি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই মেয়েকে একসঙ্গে ভালো স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য না থাকায় বড় মেয়েকে বাবার কাছে রেখেছি। সে ভিকারুননেসা নূন স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ে। সুযোগ পেলেই সে আমার কাছে আসে।’

আর ছোট মেয়ে তিন্নির স্কুলেই তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।

তিন্নি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুরুষতান্ত্রিকতার কাছে একটা জায়গায় হার মেনেছি। তবে সংসার ছাড়লেও নিজের পরিচয় ছাড়িনি।’

মিরপুরের একটি এলাকায় সাবলেট বাসায় থাকেন রোজিনা আক্তার (ছদ্মনাম)। স্বামীর আগে বিয়ের কথা না জেনেই ভালোবেসে তাকে বিয়ে করেন। এরপর স্বামীর আগের স্ত্রীর সঙ্গে একই বাসায় থাকতে হচ্ছে রোজিনাকে।

স্বল্পশিক্ষিত এই নারী হাসপাতালে আয়ার চাকরি করেন। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হয় স্বামীর মারধর। আগের স্ত্রীও নিয়মিত স্বামীর মারধরের শিকার। এসব মেনে নিয়েই সংসার করছেন রোজিনা।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুরুষ মানুষ, রাগ উঠলে একটু আকটু গায়ে হাত তুলবোই। খাওন পড়োন তো দিতাছে।’

সোহানা আর মিথুনের (ছদ্মনাম) তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক। প্রায় এক বছর আগে মিথুন দেশের বাইরে চলে যান। সোহানার সঙ্গে কাটানো কিছু ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও রয়েছে তার কাছে।

সোহানা এই সম্পর্ক থেকে বের হতে চাইলে মিথুন ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন। এই নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে সোহানার।

নারী সহিংসতা প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে প্রতি বছর ২৫ নভেম্বর পালন করা হয় নারীর প্রতি সহিংসতা নির্মূল দিবস। দেশের অধিকারকর্মী ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজে বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা বাড়লেও নারীর প্রতি সহিংস আচরণ উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়ে গেছে।

এ অবস্থা দূর করতে পুরুষের মানসিকতায় পরিবর্তন আনার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা। একই সঙ্গে নারীর জন্য মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতের তাগিদও দেয়া হয়েছে।

'আমরাই পারি' জোটের প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতা কমছে- এটা বলা যাবে না। সহিংসতার ধরনে হয়তো কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। এখন ফেসবুকের মতো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া এসেছে এবং এগুলোভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগে এক ধরনের সহিংসতা ছিল যে মেয়েদের লেখাপড়া করতে দেয়া হতো না, বাইরে যেতে দেয়া হতো না অথবা অনেক ছোট বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয়া হতো। ওই জায়গাগুলোতে পরিবর্তন হয়েছে। তবে মেয়েদের ওপর নির্দেশনা চাপিয়ে দেয়ার ব্যাপারটি রয়েই গেছে। একেক সময় একেক ধরনের নির্দেশনা সমাজ বা পরিবার মেয়েদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। সিস্টেমের তো চেঞ্জ হয়নি।’

জিনাত আরা বলেন, ‘আমাদের শিকড়েই সমস্যা রেখে দেয়া হলে ডাল কেটে বা ডাল ছেঁটে কোনো লাভ নেই। কারণ শিকড় থেকে আবার সেই জিনিসটাই বের হচ্ছে। এ কারণে ধর্ষণ, যৌন হয়রানি কমছে না। এখন যখন মেয়েদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, তারা বাইরে যাচ্ছে, চাকরি করছে। এত চাপের পরও মেয়েরা প্রতিবাদ করছে। তখন আরও বেশি শারীরিকভাবে তাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি করেও যখন দেখছে কিছু হচ্ছে না, তখন তাদের মানসিক, সামাজিকভাবে বয়কটের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের কোণঠাসা করে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

নারীর জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে বদলাতে হবে পুরুষকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবনের সামনের রাস্তায় এক তরুণীকে হেনস্তার ঘটনায় গত ১২ জুন প্রতিবাদ সমাবেশ করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে রোববার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। ফাইল ছবি

তিনি বলেন, ‘আগের দিনে মেয়েদের রান্নার জন্য মসলা বাটতে হতো। আধুনিকায়নের কারণে এখন গুঁড়া মসলা পাওয়া যাচ্ছে। সেটা সময় বাঁচিয়েছে, কিন্তু সেই মসলার নাম দেয়া হয়েছে রাঁধুনী। অর্থাৎ মেয়েরাই রান্না করবে- এটাই যেন নির্ধারিত। আধুনিকায়নের সঙ্গে মানসিকতার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি।’

পুরুষ ও নারীর মানসিকতায় পরিবর্তন ঘটানোর ওপর জোর দিয়ে জিনাত আরা বলেন, ‘ছেলেরা ঘরের কাজ করলে মেয়েরা সারপ্রাইজড হয়ে যায়। মেয়েরা কিন্তু বাইরে ঠিকই যাচ্ছে, আবার সমানভাবে ঘর সামলাচ্ছে। বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্কদের খেয়াল রাখছে।

‘তবে পুরুষ ঘরে আসেনি। তারা শুধু বাইরেই রয়ে গেছে। ঘরের কাজ যে শুধু মেয়েদের নয়- এই মানসিকতা পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তাই মেয়েদের ঘরের কাজের মূল্যায়ন হয়নি। অন্যদিকে নারীকে এখনও নারী হিসেবেই দেখতে চায় পুরুষতান্ত্রিক সমাজ। মেয়েরা অফিসে কাজ করছেন ঠিকই, কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জিং কাজ তাদের দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নারীদের অবস্থার পরিবর্তনে অনেক কাজ করছি, কিন্তু পুরুষের মানসিকতা পরিবর্তনে খুবই কম কাজ করেছি। পুরুষের পরিবর্তন হওয়াটা খুব জরুরি। দক্ষতা ও যোগ্যতার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করতে পারে- এমন মানসিকতা পুরুষের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে আনা গেলেই নারীর প্রতি সহিংসতা কমানো যাবে।’

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী ব্যারিস্টার শুভ্রা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতার মূলে রয়েছে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের মধ্যে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি।’

তিনি বলেন, ‘নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের অনেক উদ্যোগ ও আইন রয়েছে; কিন্তু সেগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে রয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা। জামিন অযোগ্য মামলার আসামি কোনো না কোনো প্রভাব খাটিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া তদন্তে গাফিলতি, উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণে ব্যর্থতা, সাক্ষীর অপর্যাপ্ততা, পারিপার্শ্বিক চাপ ইত্যাদি কারণে মামলাগুলো গতি হারাচ্ছে।’

নারীর প্রতি সহিংসতা দূর করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর জোর দিয়ে ব্যারিস্টার শুভ্রা বলেন, ‘এ জন্য সবার নজরদারি বাড়াতে হবে। শিক্ষাঙ্গন ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ঠেকাতে হাইকোর্টের রায়ের আলোকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানির অভিযোগ গ্রহণ সংক্রান্ত কমিটি করতে হবে। একই সঙ্গে সুষ্ঠু ও পক্ষপাতহীন তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোনো সহিংস ঘটনা ঘটলে কিছুদিন প্রতিবাদ, শোভাযাত্রা করে সাময়িকভাবে থামানো গেলেও এটি তো শেষ হয়ে যায় না। কারণ সহিংসতার প্যাটার্নে পরিবর্তন এসেছে, মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। আমরা মানসিকভাবে মানবিক পরিবর্তন ঘটাতে না পারলে এসব ঘটতেই থাকবে।

‘শুধু পুরুষতান্ত্রিক সমাজের দোষ দিয়ে তো লাভ নেই। জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন বা লিঙ্গবৈষম্যের মানসিকতা পরিবার থেকেই শিখে বড় হয় অনেক শিশু। ভালোবাসা, বন্ধন, সমতা- এই শিক্ষাগুলো পরিবার থেকেই আসতে হবে।’

সহিংসতার পেছনে আধুনিক সময়ের প্রযুক্তিও কিছুটা দায় রয়েছে বলে মনে করেন ড. তানিয়া। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির অপব্যবহার মানুষকে পরিবার থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। সবাই ভার্চুয়ালি যোগাযোগ বাড়াচ্ছে। এতে তো বন্ধন তৈরি হয় না। পরিবার থেকেই মানুষ সামাজিকতা শেখে। আর সঠিক সামাজিকতা নিয়ে বড় হলে সহিংস মনোভাব অনেক কমে আসবে।’

পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটাতে করণীয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথমত কোনো একটি সহিংস ঘটনা কেন হলো সেটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। একটা মানুষ এ রকম ঘটনা কেন ঘটাল, তার গোড়া পর্যন্ত যেতে হবে। প্রতিবাদ করেই থেমে যাওয়া যাবে না।

‘একেকটি ঘটনা একেকভাবে ঘটে। সেগুলো বিশ্লেষণ করে মূল জায়গাটিতে পৌঁছাতে হবে। তারপর একেকটি কারণ ধরে সমস্যা সমাধানের পথ বের করতে হবে। আর পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা, আন্তরিকতা বাড়ানোর বিষয়গুলো নিয়েও কাজ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
প্রতি তিনজন নারীর একজন সহিংসতার শিকার: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মন্তব্য

খেলা
It is not possible to move forward without taking women along

‘নারীদের সঙ্গে না নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়’

‘নারীদের সঙ্গে না নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়’ বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ফাইল ছবি
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারীদের কাজের মূল্যায়ন করতে হবে। সুযোগ দিতে হবে। দায়িত্ব সবার সমান। নারীকেও নিজ প্রচেষ্টায় ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করতে নারী ও পুরুষদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, দেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে নারীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় রেডিসন ব্লু হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল উইমেন এন্ট্রোপ্রেনার্স সামিটের দ্বিতীয় দিনের আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) এই সেমিনারের আয়োজন করে।

পিছিয়ে পড়া নারীদের এগিয়ে নিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের নারীরা অনেক এগিয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে উপস্থিতি পুরুষের প্রায় সমান। ফলাফলে অনেক ক্ষেত্রেই নারীরা এগিয়ে। কর্মক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন তারা। সব কর্মক্ষেত্রেই এখন নারীদের সরব উপস্থিতি।

‘দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে না নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব নারী সমাজকে সহযোগিতা করা। নারীদের কাজের মূল্যায়ন করতে হবে। সুযোগ দিতে হবে। সারা বিশ্বেই নারীরা পুরুষের সমান তালে কাজ করে যাচ্ছে। নারী ও পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। দায়িত্ব সবার সমান। নারীকেও নিজ প্রচেষ্টায় ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

হার স্টোরি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জেরিন মাহমুদ হোসেইনের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুপালী চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত আইটিও নাওকি।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন স্কয়ার গ্রুপের ডেপুটি ডিরেক্টর অনিকা চৌধুরী, টাইগার নিউ এনার্জির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিকোলে জিংওয়েন মাও, সেভেন রিং সিমেন্টের পরিচালক অরুশা খান ও ওয়ান্ডার উইমেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিরা মেহরিন।

আরও পড়ুন:
বিনিয়োগে পর্যাপ্ত সুযোগ ও নিরাপত্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী
‘শ্রমিকের ঘামের মূল্য রক্তের চেয়ে কম নয়’
সেপা চুক্তি হলে দু’দেশই লাভবান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়োজনে সাংঘর্ষিক আইন সংশোধন হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
‘অত্যাবশ্যকীয়’ পণ্য তালিকায় সিগারেট থাকছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে