× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Clear title girls ahead of boys
google_news print-icon

সাফ শিরোপা: ছেলেদের থেকে এগিয়ে মেয়েরা

সাফ-শিরোপা-ছেলেদের-থেকে-এগিয়ে-মেয়েরা
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে গোল উদযাপন বাংলাদেশের মেয়েদের। ছবি: বাফুফে
২০১০ সালে নারী চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর ১২ বছরের মাথায় মেয়েরা জিতল শ্রেষ্ঠত্ব। আর ১৯৮৪ সালে শুরু হওয়া সাফ গেমস ফুটবলের শিরোপা জিততে পুরুষদের লেগেছিল ১৫ বছর।

পরিসংখ্যান ও ইতিহাস তো বিপক্ষে ছিলই, বাংলাদেশের বিপক্ষে ফাইনালের পুরো সময় চেঁচিয়ে গেলেন নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার পনেরো দর্শক।

বৃষ্টির কারণে মাঠও ছিল কাদাময় ও ধীরগতির। এতগুলো প্রতিকূলতাও আটকাতে পারেনি বাংলাদেশের সাফ শিরোপা জয়।

এক যুগের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আকাঙ্ক্ষিত শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছেন সাবিনা খাতুন।

ফাইনালে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দের পাসিং ফুটবল খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। কর্দমাক্ত মাঠের ফায়দা নিয়ে লং পাস ও ক্রসে খেলেছে নেপাল। লক্ষ্য ছিল শারীরিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ডিফেন্সের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করা।

নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়েছে নেপাল। প্রথমার্ধে বারবার আক্রমণও চালিয়েছে বাংলাদেশের ডিফেন্সে। কিন্তু জমাট রক্ষণে ফাটল ধরাতে পারেনি।

উল্টো প্রথমার্ধে নিজেদের কাজ গুছিয়ে রাখে বাংলাদেশ। ১৩ মিনিটে শামসুন্নাহার ও ৪০ মিনিটে কৃষ্ণা সরকারের গোলে ব্যবধান ২-০ রেখে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল এক গোল শোধ করলেও কৃষ্ণার দ্বিতীয় গোল আবারও দুই গোলের ব্যবধানে ফিরে পায় গোলাম রব্বানী ছোটনের দল।

শেষ পর্যন্ত ওই ৩-১ গোলেই ম্যাচ জিতে শিরোপা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

এতে করে এক যুগের অপেক্ষা শেষ হলো সাবিনাদের। ২০১০ সালে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন শুরু করে।

এরপর টানা পাঁচ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ভারত ছাড়া আর কোনো দল শিরোপার স্বাদ পায়নি। ২০১৬ সালে ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ।

সেবার ৩-১ গোলে হেরে শিরোপা খোয়াতে হয় তাদের।

ছয় বছর পর ভারতকে গ্রুপ পর্বে ধসিয়ে সেমি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। আর ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। আর সাফ পায় নতুন চ্যাম্পিয়ন।

ছেলেদের সাফ টুর্নামেন্টের দিকে তাকালে দেখা যায়, সেখানে চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। ১০ বছর পর নিজ মাঠে শিরোপা জয় করে বাংলাদেশের ছেলেরা।

আর একসময়ের আরাধ্য সাফ গেমস ফুটবলে ছেলেদের শিরোপা জয়ের অপেক্ষাটা আরও বেশি। ১৯৮৪ সালে সাফ গেমস শুরু হওয়ার ১৫ বছর পর ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথম স্বর্ণ জয় করে।

এ পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বোঝা যায় সাফ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে ছেলে দলের থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে নারীদের দল।

গোলাম রব্বানী ছোটনের দলের পরের লক্ষ্য নিশ্চিতভাবেই সাফ গেমস ফুটবলের শিরোপা। ২০২৩ সালের মার্চে পাকিস্তানে বসছে সাফের পরবর্তী আসর।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের সামনে ইতিহাসের হাতছানি
অপরাজিত থেকেই ফাইনালে ছোটনের শিষ্যরা
‘স্বপ্নসারথিদের জন্য আমরা জিততে চাই’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Aleya Sarwar Daisy nominated for International Iconic Excellence Award

ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত আলেয়া সারওয়ার ডেইজি

ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত আলেয়া সারওয়ার ডেইজি আলেয়া সারোয়ার ডেইজি। ছবি: সংগৃহীত
উদ্যোক্তা হিসেবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিশেষ অবদান ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ আইআইইএ দেয়া হয়ে থাকে।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র সদস্য আলেয়া সারোয়ার ডেইজি ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের জন্য (আইআইইএ) মনোনীত হয়েছেন।

উদ্যোক্তা হিসেবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিশেষ অবদান ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ আইআইইএ দেয়া হয়ে থাকে।নেতৃত্বগুণ, বিশেষ কোনো অর্জন, কোম্পানি বা ব্যক্তিগত উদ্যোক্তা হিসেবে সুনাম অর্জন, উৎসাহ প্রদান ও ব্যবসায়িক সফলতার ভিত্তিতে এ মনোনয়ন ও পুরস্কার দেয়া হয়।

২৪ মে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে মনোনয়নের পাশাপাশি বিশেষ অতিথি হিসেবেও বক্তব্য রাখবেন তিনি।

আলেয়া সারওয়ার ডেইজি তার বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৪’এ মনোনীত হয়েছি। বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে সেখানে বক্তব্যে রাখব। বক্তব্যে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ।’

মন্তব্য

খেলা
8 women who were trafficked to India returned home

দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৮ নারী

দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৮ নারী ভারতে পাচার হওয়া আটজন বাংলাদেশি নারী সোমবার দেশে ফিরেছেন। ছবি: নিউজবাংলা
ইমিগ্রেশনের ওসি আযহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই নারীরা বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচার হয়ে যায়। পরে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।’

বিভিন্ন সময় ‘ভালো চাকরির আসায়’ অবৈধ পথে ভারতে পাচারের শিকার আটজন বাংলাদেশি নারীকে দুই বছর পর বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশনের পুলিশ।

সোমবার বিকেলে নো ম্যানস ল্যান্ডে বিজিবি ও পুলিশ উপস্থিত থেকে তাদেরকে গ্রহণ করেন।

এ সময় ইমিগ্রেশনের ওসি আযহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই নারীরা বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচার হয়ে যায়। পরে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, এখানে দুটি এনজিও সংস্থাও কাজ করেছে তাদের দেশে আনার ব্যাপারে।

ইমিগ্রেশনে তাদের কার্যক্রম শেষে করে পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
গরু পাচারকারী চক্র ও ডাকাতদলের গোলাগুলি, নিহত ১
ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন গাজার নারীরা: ইউএনআরডব্লিউএ
শাহ আমানত বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ ৩ যাত্রী আটক
মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ আটক ২
ভুয়া ইমেইল খুলে জবি উপাচার্যের নামে স্ক্যাম

মন্তব্য

খেলা
World Mothers Day is today

বিশ্ব মা দিবস আজ

বিশ্ব মা দিবস আজ প্রতীকী ছবি
আধুনিক মা দিবসের প্রচলন হয় যুক্তরাষ্ট্রে। দিবসটির প্রবক্তা আনা মারিয়া রিভস জার্ভিস। তার মা অ্যান মারিয়া রিভস জার্ভিস ছিলেন একজন শান্তিবাদী সমাজকর্মী। তিনি ‘মাদারস ডে ওয়ার্ক ক্লাব’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশ করতে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালন করা হয় ‘বিশ্ব মা দিবস’। সেই হিসেবে আজ ১২ মে রোববার সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে দিবসটি।

জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি মানুষের জীবনে যে মধুর শব্দটি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে, সেটি হলো মা। মাত্র এক অক্ষরে শব্দটি গঠিত হলেও এর ব্যাপকতা সাগরের চেয়েও বিশাল। এই শব্দের চেয়ে অতি আপন শব্দ আর নেই। জন্মের পর মানুষের মুখে এই শব্দই বেশি উচ্চারিত হয়।

এ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি সম্মানীয় মানুষ মা। সন্তানের জন্য মায়েদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের দিনক্ষণের হয়ত প্রয়োজন হয় না, তবু এ দিনটিতে মায়ের জন্য বিশেষ কিছু করেন সন্তানরা, মাকে ধন্যবাদ জানান, ভালোবেসে জড়িয়েও ধরেন।

আধুনিক মা দিবসের প্রচলন হয় যুক্তরাষ্ট্রে। দিবসটির প্রবক্তা আনা মারিয়া রিভস জার্ভিস। তার মা অ্যান মারিয়া রিভস জার্ভিস ছিলেন একজন শান্তিবাদী সমাজকর্মী। তিনি ‘মাদারস ডে ওয়ার্ক ক্লাব’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

১৯০৫ সালে অ্যান মারা যান। তার মৃত্যুর পর মেয়ে আনা মায়ের স্বপ্ন পূরণে কাজ শুরু করেন। সব মাকে শ্রদ্ধা জানাতে একটি দিবসের প্রচলন করেন।

১৯০৮ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার একটি গির্জায় আনা তার মায়ের স্মরণে অনুষ্ঠান করেন। একই বছর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস মা দিবসকে স্বীকৃতি দিয়ে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব নাকচ করে, তবে তাতে দমে যাননি আনা। তিনি তার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মা দিবস পালিত হতে থাকে।

অবশেষে আনার প্রচেষ্টা সফল হয়। ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবেও ঘোষণা করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দেখাদেখি পরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া, জার্মানিসহ শতাধিক দেশে ‘মা দিবস’ পালন করা হয়।

মন্তব্য

খেলা
Marina Tabassum on Time magazines list of influential people

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালীদের তালিকায় মেরিনা তাবাসসুম

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালীদের তালিকায় মেরিনা তাবাসসুম বাংলাদেশের খ্যাতনামা স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের এই খ্যাতনামা স্থপতি টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৪ সালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সেরা উদ্ভাবক ক্যাটাগরিতে।

টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৪ সালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন মেরিনা তাবাসসুম। বাংলাদেশের এই খ্যাতনামা স্থপতি সেরা উদ্ভাবক ক্যাটাগরিতে তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

মঙ্গলবার এই তালিকা প্রকাশ করে টাইম ম্যাগাজিন। তাবাসসুমকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনে লিখেছেন অ্যামেরিকান স্থপতি স্যারাহ হোয়াইটিং।

তাবাসসুমকে ‘নিঃস্বার্থ স্থপতি’ উল্লেখ করে স্যারাহ লিখেছেন, ‘‘তাবাসসুমের স্বার্থহীনতার পরিচয় তার নকশা করা ভবনগুলোর মাঝেও দেখা যায়। পৃথিবীর সম্পদে ভাগ বসানো প্রাণিকুলের অংশ হিসেবে তিনি তার নিজের সৃষ্টির প্রতি যত্নশীল।

“আগা খান পুরস্কারপ্রাপ্ত ঢাকার বাইত উর রউফ মসজিদ নিয়ে তাবাসসুম নিজে বলেছেন, ‘কৃত্রিম কোনো সাহায্য ছাড়াই একটা ভবনকে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে দিতে হবে।’ আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে বন্যা ঝুঁকি বাড়তে থাকা একটি দেশে তিনি এমন সব বাড়ির নকশা করেছেন যেগুলো কম খরচে নির্মাণ করা যায় ও সহজে সরিয়ে ফেলা যায়।’’

বাইত উর রউফ ছাড়াও বাংলাদেশের স্বাধীনতা জাদুঘর ও স্বাধীনতা স্তম্ভ মেরিনা তাবাসসুমের উল্লেখযোগ্য কীর্তি। আগা খান পুরস্কার ছাড়াও ২০২১ সালে সোন পুরস্কার পান এই স্থপতি।

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় এবারে জায়গা করে নিয়েছেন এনএফএল সুপারস্টার প্যাট্রিক মাহোমস, অ্যানিমেটর হায়াও মিয়াজাকি, ফরমুলা ওয়ান ড্রাইভার ম্যাক্স ভেরস্টাপেন, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, ভারতীয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট ও ব্রিটিশ পপ তারকা ডুয়া লিপা।

মন্তব্য

খেলা
Refusal to board a plane because of obesity

স্থূল হওয়ার কারণে বিমানে নিতে অস্বীকৃতি

স্থূল হওয়ার কারণে বিমানে নিতে অস্বীকৃতি এয়ার নিউজিল্যান্ডে হয়রানির শিকার হওয়া এঞ্জেলা হার্ডিং। ছবি: ওয়ান নিউজ
ভুক্তভোগী এঞ্জেল হার্ডিং বলেন, ‘আমার ভীষণ খারাপ লেগেছে। আমার চেহারার কারণে, আকারের কারণে তারা আমাকে নামিয়ে দিল। খোলসা করে না বললেও আসলে এটাই ছিল তাদের অসুবিধার কারণ।’

স্থূল হওয়ার কারণে নিউজিল্যান্ডের একটি ফ্লাইট থেকে দুই নারী যাত্রীকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। এয়ার নিউজিল্যান্ডের এমন আচরণে মর্মাহত এবং অপমানিতবোধ করছেন তারা।

গত শুক্রবার দেশটির নেপিয়ার থেকে অকল্যান্ডে যাওয়ার উদ্দেশে ওঠা ফ্লাইটে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মূখীন হন এঞ্জেলা হার্ডিং ও তার বন্ধু।

নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ওয়ান নিউজের প্রতিবদনে বলা হয়েছে, ফ্লাইটটিতে ওঠার পর হঠাৎ বাঁ হাতে ব্যথা অনুভব করেন এঞ্জেলা। এরপর একজন নারী ফ্লাইট অ্যাটেনড্যান্টকে ডেকে হাতের কব্জিটি নীচে নামিয়ে দিতে অনুরোধ করেন তিনি।

তা না করলে তিনি সিটে ঠিক করে বসতে পারছিলেন না। এদিকে তারা না বসা পর্যন্ত পাইলটও বিমান ওড়াতে পারছিলেন না।

এমন সময় বিমানের স্পিকারে ঘোষণা শোনার পর বিভ্রান্তি আরও বেড়ে যায়। ঘোষণায় বলা হয়, সমস্ত যাত্রীদের সুবিধার্থে এঞ্জেল হার্ডিং ও তার বন্ধুকে বিমান থেকে নেমে যেতে হবে।

পরে ফ্লাইট অ্যাটেনড্যান্ট এসে জানান, তাদের স্থূলতার কারণে দুজনের দুটি করে মোট চারটি আসন বুক করা উচিত ছিল।

এঞ্জেলের দাবি, এর আগে আকাশপথে ভ্রমণকালে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়নি তাদের। এমনকি তিনি বা তার বন্ধু কারোরই দুটি আসনের টিকিট কেনার সামর্থ্য নেই বলে অ্যাটেন্ড্যান্টকে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমার ভীষণ খারাপ লেগেছে। আমার চেহারার কারণে, আকারের কারণে তারা আমাকে নামিয়ে দিল। খোলসা করে না বললেও আসলে এটাই ছিল তাদের অসুবিধার কারণ।’

এ ঘটনার পর অবশ্য ওই যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে এয়ার নিউজিল্যান্ড।

এক বিবৃতিতে এয়ার নিউজিল্যান্ডের মহাব্যবস্থাপক অ্যালিশা আর্মস্ট্রং বলেছেন, ‘ওই দুই যাত্রীর সঙ্গে যা হয়েছে, তা নিয়ে আমরা দুঃখিত। সকল গ্রাহকের সম্মান রক্ষা এবং তাদের সঙ্গে যথাযথ মর্যাদায় আচরণ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

মন্তব্য

খেলা
Mim a job student asked the president for justice

যৌন হয়রানির বিচার চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ জবি ছাত্রী মীম

যৌন হয়রানির বিচার চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ জবি ছাত্রী মীম বুধবার বঙ্গভবনের সামনে আবেদনপত্র হাতে জবি শিক্ষার্থী মিম। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা মিম বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষকরা আমাকে বহিষ্কারের ভয়ভীতি, পরীক্ষায় ফেল করানো, অন্য শিক্ষার্থীদের থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করে মানসিকভাবে নির্যাতন এবং মৃত্যুর হুমকি দিচ্ছেন। আমাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দিচ্ছেন।’

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকির বিচার এবং নিজের নিরাপত্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ছাত্রী কাজী ফারজানা মীম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে দেখা করতে মঙ্গলবার বঙ্গভবনে মীম একটি আবেদন জমা দেন। আবেদনে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া যৌন নিপীড়ন ও বুলিংয়ের তিনি বিচার চেয়েছেন। পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়ার কথাও আবেদনপত্রে তুলে ধরেছেন তিনি।

আবেদনে মিম তার একাডেমিক জীবনের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে উপাচার্যের কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করে তিনি এখনও বিচার পাননি। তার বিভাগের অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে যৌন নিপীড়ন করেন। ওই শিক্ষকের সমর্থনে বিভাগের চেয়ারম্যান তাকে স্নাতক পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে ফেল করিয়েছেন।

সহপাঠীদের কাছ থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করে মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। তারা মৃত্যুর হুমকি দিয়ে মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। ফলে তিনি বিষয়টি গণমাধ্যমের সামনে নিয়ে আসেন।

যৌন হয়রানির বিচার চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ জবি ছাত্রী মীম
রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে বঙ্গভবনে জমা দেয়া মিমের আবেদনপত্রের অনুলিপি।

সবশেষ আশা-ভরসা নিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছেন। বুলিং ও যৌন নিপীড়নের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চান মিম। পাশাপাশি প্রশাসনের জবাবদিহির জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি আবেদন জানান। তাকে ফেল করানোর বিষয়গুলো বিশেষ কমিটির মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে তার জীবন পুনরুদ্ধারের আরজি জানান।

আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ওই সময়ে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের দায়িত্বে থাকলেও তার কাছ থেকে তিনি বিচার পাননি।

এদিকে ভুক্তভোগী মীম তার আবেদনের অনুলিপি বিশ্ববিদ্যালয়কে দেননি বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সে হল থেকে বের হওয়ার পর আর কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু তার কোনো সাড়া পাইনি। তাকে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাই। আবার অনেক সময় ফোন ঢুকলেও সে ধরে না।’

উপাচার্য যা বললেন

এ বিষয়ে চানতে চাইলে উপাচার্য সাদেকা হালিম বলেন, ‘আমি আসার আগের ঘটনার দায়ভার আমি নেব না। তবে আমি এখন সেগুলো নিয়ে সোচ্চার হব। পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় এসব বিষয় উত্থাপন হবে। সবার বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিভাগের চেয়ারম্যানের পরীক্ষায় কেন সে ৩ পেল এ বিষয়টি দেখার জন্য ওনার সঙ্গে মিটিংয়ে বসব। আর তার পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

এদিকে এক শিক্ষক ও সহপাঠীকে দায়ী করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যেই যৌন নিপীড়ন ও বুলিংয়ের এই অভিযোগ সামনে এনেছেন মিম।

এছাড়াও অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় যৌন হয়রানিসহ নানা নিপীড়নের বিরুদ্ধে এই শিক্ষার্থী সোচ্চার হন। সেখানে অবন্তিকার ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে নিজের প্রসঙ্গ টানেন তিনি।

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ দেয়ায় হত্যাসহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মিম। এ অবস্থায় তিনি সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) গিয়ে নিজের জীবনের নিরাপত্তা চান।

ফারজানা মীমের অভিযোগে যা রয়েছে

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ দেয়ায় হত্যাসহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কাজী ফারজানা মীম।

তিনি বলেন, ‘আমার বিভাগের শিক্ষক আবু সাহেদ ইমন আমাকে যৌন হেনস্তা করেছেন। এই অভিযোগ দেৱয়ার পর থেকে বিভাগের চেয়ারম্যান জুনায়েদ আহমেদ হালিম ও অভিযুক্ত শিক্ষক আবু সাহেদ ইমন আমাকে সেটি তুলে নিতে নানাভাবে চাপ দিয়ে আসছেন।

‘আমি রাজি না হওয়ায় তারা আমাকে হত্যাসহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। আমাকে একঘরে করে দেয়া হয়। আমাকে বিভিন্ন পরীক্ষায় ফেল করানো হয়। অনার্সের ফাইনাল ভাইভায় আমাকে ফেল করানো হয়।’

‘স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছি না’ উল্লেখ করে এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘কখন আমাকে মেরে ফেলা হয় সেটা জানি না। শুধু আমি নই, তারা আমার পরিবারকেও নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন এবং হেনস্তা করছেন। বর্তমান এই অবস্থা থেকে বাঁচতে ডিবি কার্যালয়ে অভিযোগ নিয়ে এসেছি।’

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা মীম সোমবার একটি অভিযোগ করেছেন। এর ভিত্তিতে আমাদের সাইবার টিম কাজ করছে। অভিযোগকারী মীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমরা জবি ভিসির সঙ্গে কথা বলেছি। ভিসি অনেক কথা বলেছেন। এ অভিযোগের অনেক বিষয়ের অনেক কিছুই আমাদের হাতে নেই।’

তিনি বলেন, ‘ওই ছাত্রীর যে সমস্যা সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমেই সমাধান করা হবে। প্রশাসনিক বিষয়গুলো আমরা সমাধান করতে পারব না। তাকে কেন বার বার ফেল করানো হচ্ছে সেগুলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেখবে। তবে তাকে আটকে রাখা বা হুমকি দেয়ার বিষয়গুলো আমরা তদন্ত করছি।’

অভিযুক্ত দুই শিক্ষক যা বললেন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক আবু শাহেদ ইমন বলেন, ‘এসব অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। এখন অবন্তিকার মৃত্যুতে তার সহানুভূতিকে পুঁজি করে মীম গণমাধ্যমের মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টা করছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। মীম এসব বিষয়ে মিডিয়ায় কথা বলতে পারে না। এ ব্যাপারে আমি আর বেশি কিছু মন্তব্য করতে চাই না।’

প্রসঙ্গত, মিম অভিযোগ করার পর তদন্ত কমিটি আবু শাহেদ ইমনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়েছিল। তখন তিনি উচ্চ আদালতে যান।

অপর অভিযুক্ত বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম বলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেয়ার অভিযোগ মিথ্যা। মীম ঠিকমতো ক্লাসই করত না। ক্লাসে তার ৬০ ভাগ উপস্থিতিও ছিলো না। সেখানে আমরা তাকে পরীক্ষা দিতে দিয়েছি। ক্লাসে উপস্থিত না থাকলে তাকে নম্বর দেয়ার তো কোনো সুযোগই নেই।’

আরও পড়ুন:
জবিতে শিক্ষার্থীবান্ধব সক্রিয় যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল কার্যকরের দাবি
জবি ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা: সহকারী প্রক্টরের জামিন নাকচ
অবন্তিকার আত্মহনন: জবি প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের লালকার্ড
জবি ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা: সহপাঠী, সহকারী প্রক্টর রিমান্ডে

মন্তব্য

খেলা
Bangabandhukanya created the environment for womens progress Food Minister

নারীদের অগ্রযাত্রার পরিবেশ তৈরি করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা: খাদ্যমন্ত্রী

নারীদের অগ্রযাত্রার পরিবেশ তৈরি করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা: খাদ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে নওগাঁর সাপাহার উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীর সংখ্যা অর্ধেক নয়, বরং অর্ধেকেরও বেশি। ভোটার তালিকা দেখলে সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়। নারীরা তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে নারীদের অগ্রযাত্রার পরিবেশ তৈরি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে নওগাঁর সাপাহার উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নারীদের স্বাবলম্বী হতে হবে। নারীর ক্ষমতায়নের মূল শক্তি তারা নিজেরাই।

নারীদের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বর্তমান সরকারের মন্ত্রিপরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজন নারী রয়েছেন। বর্তমানে নয়জন নারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় সংসদে স্পিকারের দায়িত্বও পালন করছেন একজন নারী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীর সংখ্যা অর্ধেক নয়, বরং অর্ধেকেরও বেশি। ভোটার তালিকা দেখলে সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়। নারীরা তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

‘বাংলাদেশে নারীদের অগ্রযাত্রার পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কিন্তু কিছু অশুভ শক্তি নারীদের পিছিয়ে দিতে চায়।’

আরও পড়ুন:
স্ত্রী চা বানানোর সময় স্বামী সন্তানদের দেখলে সময় বাঁচে: প্রধানমন্ত্রী
‘কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নয়’
‘নারীদের ওপর বিনিয়োগ করুন, দ্রুত উন্নতি আনুন’
পাচারের আগ মুহূর্তে উদ্ধার দুই তরুণী, আটক ৬
নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি

মন্তব্য

p
উপরে