× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Afghanistans World Cup team with a mixture of youth and experience
hear-news
player
print-icon

তারুণ্য-অভিজ্ঞতার মিশেলে আফগানদের বিশ্বকাপ দল

তারুণ্য-অভিজ্ঞতার-মিশেলে-আফগানদের-বিশ্বকাপ-দল
আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। ফাইল ছবি
চমক দেখিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন লেগ স্পিনার কইস আহমেদ। আরও রয়েছেন দারউইশ রাসুলি। টি-টোয়েন্টি অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন পেইসার সালিম শাফি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে সাজানো দলকে নেতৃত্ব দেবেন মোহাম্মদ নাবি। সহ-অধিনায়ক হিসেবে তিনি পাচ্ছেন নাজিবুল্লাহ জাদরানকে।

বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়েছেন এশিয়া কাপে স্কোয়াডে থাকা সামিউল্লাহ শিনওয়ারি, আফসার জাজাই, হাশমতউল্লাহ শহিদি, কারিম জানাত ও নুর আহমেদ।

চমক দেখিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন লেগ স্পিনার কইস আহমেদ। আরও রয়েছেন দারউইশ রাসুলি। টি-টোয়েন্টি অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন পেইসার সালিম শাফি।

সাবেক অধিনায়ক গুলবাদিন নাইবকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ডবাই তালিকায়। এ তালিকার বাকি তিন ক্রিকেটার হলেন আফসার জাজাই, শরাফউদ্দিন আশরাফ ও রহমত শাহ।

আফগানিস্তান বিশ্বকাপ স্কোয়াড: মোহাম্মদ নাবি (অধিনায়ক), নাজিবুল্লাহ জাদরান (সহ-অধিনায়ক), রহমানুল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), আজমতউল্লাহ ওমরজাই, দারউইশ রাসুলি, ফরিদ আহমেদ মালিক, ফজল হক ফারুকি, হজরতউল্লাহ জাজাই, ইবরাহিম জাদরান, মুজিব উর রহমান, নাভিন উল হক, কাইস আহমেদ, রাশিদ খান, সেলিম শাফি ও উসমান গানি।

রিজার্ভ: আফসার জাজাই, শরাফউদ্দিন আশরাফ, রহমত শাহ ও গুলবাদিন নাইব।

আরও পড়ুন:
এশিয়া কাপে পুরো শক্তি নিয়েই যাচ্ছে আফগানিস্তান
রাশিদ খানের নৈপুণ্যে সিরিজে সমতা ফেরাল আফগানিস্তান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Mushfiqur wants to meet Federer

ফেডেরারের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা মুশফিকের

ফেডেরারের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা মুশফিকের ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ফেডেরারের শেষ ম্যাচ ছিল শুক্রবার রাতে। ওই ম্যাচের ছবি শেয়ার করে মুশফিক লিখেছেন ফেডেরার তার আইডল ও কিংবদন্তি এ টেনিস তারকার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা রয়েছে তার।

রজার ফেডেরারের বিদায়ে আবেগাপ্লুত পুরো ক্রীড়া বিশ্ব। এতে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও।

ফেডেরারের শেষ ম্যাচ ছিল শুক্রবার রাতে। ওই ম্যাচের ছবি শেয়ার করে মুশফিক লিখেছেন ফেডেরার তার আইডল ও কিংবদন্তি এ টেনিস তারকার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা রয়েছে তার।

এক টুইট বার্তায় মুশফিক লেখেন, ‘আমার জীবনে তীব্র একটা ইচ্ছা রয়েছে। সেটা হলো আমার হিরো ও আইডল রজার ফেডেরারের সঙ্গে দেখা করা।’

ওই পোস্টের শেষে মুশফিক কান্নার ইমোজিও যোগ করেন।

২৪ বছরের ক্যারিয়ার শেষে লেভার কাপের ম্যাচ দিয়ে ইতি টানেন ফেডেরার। লেভার কাপের প্রথম রাউন্ডেই শেষ হয় রজার ফেডেরারের টেনিস কোর্টে পথচলা।

ফ্রান্সেস টিয়াফো ও জ্যাক সক জুটির কাছে গেরে গেছেন রজার ফেডেরার ও রাফায়াল নাদালের জুটি। ৪-৬, ৭-৬ (৭/২), ১১-৯ গেমে হার মানেন ফেডেরার ও নাদাল।

১৭ বছর বয়সে ১৯৯৮ সালে পেশাদার টেনিসে অভিষেক হয় ফেডেরারের। ২০০৩ সালে উইম্বলডন দিয়ে শুরু হয় তার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়।

এরপর একে একে আটটি উইম্বলডন, ছয়টি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, পাঁচটি ইউএস ওপেন ও একটি ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতেছেন অনেকের চোখে সর্বকালের সেরা এ টেনিস তারকা।

নিজের ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের শেষটি ২০১৮ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে জেতেন ফেডেরার।

২০০৩ সালে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠার পর ৩১০ সপ্তাহ শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। তার এ রেকর্ড সম্প্রতি ভেঙেছেন নোভাক জকোভিচ।

সবচেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের তালিকায় ৩ নম্বরে থেকে ক্যারিয়ার শেষ করলেন ফেডেরার। তার চেয়ে বেশি স্ল্যাম জিতেছেন নোভাক জকোভিচ (২১টি) ও রাফায়েল নাদাল (২২টি)।

তবে গত ৩ বছর চোটের সঙ্গে লড়াই আর অস্ত্রোপচার করেই কাটাতে হয়েছে আটবারের উইম্বলডনজয়ী এ তারকাকে।

আরও পড়ুন:
আমিরাতের অনুশীলন বিশ্বকাপে কাজে আসবে: হেরাথ
আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা
জয়ে ফেরার প্রত্যাশা নিয়ে আমিরাত গেল বাংলাদেশ দল
আমিরাতের বিপক্ষে দলে নেই সাকিব-মাহেদী, অধিনায়ক সোহান

মন্তব্য

খেলা
Emirates practice will come in handy in World Cup Herath

আমিরাতের অনুশীলন বিশ্বকাপে কাজে আসবে: হেরাথ

আমিরাতের অনুশীলন বিশ্বকাপে কাজে আসবে: হেরাথ সোহানের সঙ্গে নেট প্র্যাকটিসে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স। ছবি: বিসিবি
আইসিসির টুর্নামেন্টগুলো সাধারণত অনুষ্ঠিত হয় ড্রপ ইন পিচে আর ম্যাচ হয় ফ্লাড লাইটের আলোতে। বাংলাদেশ দুবাইয়ে একই ধরনের সুবিধায় অনুশীলন করছে। ম্যাচ দুটিও হচ্ছে ফ্লাডলাইট ও ড্রপ ইন পিচে।

এশিয়া কাপের ব্যর্থতার পর দেশে এসে বিশ্বকাপের ক্যাম্প নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে, বৈরী আবহাওয়ায় অনুশীলন ব্যহত হওয়ায় বিসিবি সিদ্ধান্ত নেয় অনুশীলন ক্যাম্প দেশের বাইরে করার। দুবাইয়ে ক্যাম্প করার পাশপাশি আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সূচিও চূড়ান্ত করে ক্রিকেট বোর্ড।

সে দুই ম্যাচ ও অনুশীলনের জন্য টাইগাররা আছে দুবাইয়ে। কাল দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি। খেলা শুরু হচ্ছে রাত ৯টায়।

বিশ্বকাপের আগে এ ধরনের ক্যাম্প ও প্রস্তুতি ম্যাচের আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। দলের স্পিন কোচ রঙ্গনা হেরাথের প্রত্যাশা ক্রিকেটীয় সামর্থ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও আরব আমিরাত শক্ত লড়াই করবে সিরিজে।

হেরাথ যোগ করেন, ‘বিশ্বকাপের আগে এ ধরনের প্রস্তুতি খুব কার্যকর। এটা ঠিক দলে সাকিব নেই। কিন্তু অন্য যারা আছে তাদের জন্য এটা একটা ভালো সুযোগ। আরব আমিরাতও ভালো খেলছেন। আমার মতে ভালো একটা সিরিজ হতে যাচ্ছে।’

আইসিসির টুর্নামেন্টগুলো সাধারণত অনুষ্ঠিত হয় ড্রপ ইন পিচে আর ম্যাচ হয় ফ্লাড লাইটের আলোতে। বাংলাদেশ দুবাইয়ে একই ধরনের সুবিধায় অনুশীলন করছে। ম্যাচ দুটিও হচ্ছে ফ্লাডলাইট ও ড্রপ ইন পিচে।

এ প্রসঙ্গে হেরাথ বলেন, ‘বিশ্বকাপের আগে আমরা যথাযথ অনুশীলন করতে চেয়েছিলাম। যে কারণে এ ক্যাম্পটা গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের কন্ডিশনে ও কৃত্রিম আলোর নিচে অনুশীলন করাটা আমি নিশ্চিত বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের কাজে লাগবে।’

আরও পড়ুন:
আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা
জয়ে ফেরার প্রত্যাশা নিয়ে আমিরাত গেল বাংলাদেশ দল
আমিরাতের বিপক্ষে দলে নেই সাকিব-মাহেদী, অধিনায়ক সোহান

মন্তব্য

খেলা
And Jyoti Salmara dont want to play qualifiers

আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা

আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা সতীর্থদের সঙ্গে উইকেট উদযাপন করছেন সালমা খাতুন। ফাইল ছবি
শুক্রবার রাতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর দলের সদস্যদের চাওয়া, বাংলাদেশকে যেন আর বাছাই পর্ব খেলতে না হয়।

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ফাইনালে পৌঁছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। তবে শুক্রবার রাতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর দলের সদস্যদের চাওয়া, বাংলাদেশকে যেন আর বাছাই পর্ব খেলতে না হয়।

বিসিবির পাঠানো এক ভিডিওবার্তায় এ আহ্বান জানান বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সালমা খাতুন ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম।

ভিডিওতে সালমা বলেন, ‘আমরা বারবার টি-টোয়েন্টি কোয়ালিফায়ার খেলতে চাই না। আশা করি পরের বছর সরাসরি যেন সুপার এইটে খেলতে পারি। এভাবে ম্যাচ খেলে যেন কোয়ালিফাই করতে না হয়- আমরা বিশ্বকাপে সে চেষ্টাই করব।’

দলের সিনিয়র খেলোয়াড় ও বিশ্বের শীর্ষ এ অলরাউন্ডারের সঙ্গে একমত দলের ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামও। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পেইসারের মতে, বিশ্বকাপে জায়গাটা বাংলাদেশ নারী দলের মতো শক্তিশালী একটা দলের প্রাপ্য।

মঞ্জু বলেন, ‘কোয়ালিফাই করতে পেরে আমরা আনন্দিত। তার চেয়েও বড় কথা, বাংলাদেশ কোয়ালিফাই করাটা ডিজার্ভ করে। দলের খেলোয়াড়, কোচ, স্টাফসহ সবার একটাই চাওয়া যে কোয়ালিফাই করে যেন আমাদের আর বিশ্বকাপ খেলতে না হয়।’

এদিকে ফাইনাল নিশ্চিত হলেও এখনও টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচ বাকি। শিরোপা নির্ধারণী ওই ম্যাচে রোববার আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। বাছাই পর্বের শিরোপা জয় করেই দেশে ফিরতে চান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

অধিনায়ক বলেন, ‘যেটা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা, সেটা সফল হয়েছে। মেয়েরা যেভাবে খেলেছে সেটা নিয়ে অধিনায়ক হিসেবে আমি অনেক গর্বিত। এখন আমাদের লক্ষ্য চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে। ইনশাআল্লাহ আমরা শিরোপা জিতেই বাড়ি ফিরব।’

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাছাই পর্বের শিরোপা লড়াইয়ে রোববার রাত ৯টায় মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সেমিতে বাংলাদেশ
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনায়াস জয় বাংলাদেশের

মন্তব্য

খেলা
India returned to level the series by winning the second match

দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সমতায় ফিরল ভারত

দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সমতায় ফিরল ভারত ম্যাচ শেষে করমর্দন করছেন দুই দলের খেলোয়াড়রা। ছবি: এএফপি
দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক ভারত। এতে করে সিরিজে সমতায় ফিরেছে রোহিত শর্মার দল।

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক ভারত। এতে করে সিরিজে সমতায় ফিরেছে রোহিত শর্মার দল।

বৃষ্টির কারণে অল্পের জন্য পণ্ড হয়নি ম্যাচটি। তবে দেড় ঘণ্টা পর শুরু হওয়া ম্যাচটিকে ছোট করে ৮ ওভারে নিয়ে আসা হয়।

ভারতের বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রোহিত শর্মা।

সীমিত ওভারের খেলায় ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ এক পাশ আগলে রাখলেও ক্যামেরন গ্রিন, গ্লেন ম্যাক্সয়েল ও টিম ডেভিড দ্রুত আউট হলে চাপে পড়ে সফরকারীরা। তাদের কেউই দুই অঙ্কের রান তুলতে পারেননি।

ম্যাথিউ ওয়েড ও অ্যারন ফিঞ্চের ঝড়ে বড় সংগ্রহ পায় অজিরা। ১৫ বলে ৩৫ রান আসে অজি অধিনায়ক ফিঞ্চের ব্যাট থেকে। অন্যদিকে ২০ বলে ৪৩ রান করেন ওয়েড। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ৮ ওভারে ৯০ রানের পুঁজি দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া।

আস্কিং রেট ১০-এর ওপর থাকলেও রোহিত শর্মা ও দিনেশ কার্তিকের ব্যাটে হার মানতে হয় অজি ক্রিকেটারদের। ৯০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় ভারত।

ছয় বলে ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন লোকেশ রাহুল। ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন রোহিত। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে তিনি ২০ বলে করেন ৪৬ রান। সমান চারটি চার ও ছক্কা হাঁকান তিনি। শেষ মুহূর্তে দিনেশ কার্তিক নেমে দুই বলে চার ও ছক্কা হাঁকালে ভারতের জয় নিশ্চিত হয়।

আরও পড়ুন:
গ্রিন-ওয়েড ঝড়ে জয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার
অস্ট্রেলিয়ায় ক্লিন সুইপ হলো নিউজিল্যান্ড
শেষ ওয়ানডে থেকে ছিটকে গেলেন স্টয়নিস

মন্তব্য

খেলা
England advanced again in the series

সিরিজে আবারও এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

সিরিজে আবারও এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ছে ইংল্যান্ড। ছবি: এএফপি
২২১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৮ রান করে পাকিস্তান। ম্যাচে ৬৩ রানের জয় পায় সফরকারী ইংল্যান্ড।

আগের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বড় জয় পেলেও এবার তাদের সংগ্রহের কাছে যেতে পারেনি স্বাগতিক পাকিস্তান। ইংলিশদের দেয়া ২২১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৮ রান করে পাকিস্তান। এতে করে ৬৩ রানের জয় পায় সফরকারী ইংল্যান্ড।

সাত ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ জিতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অধিনায়ক মঈন আলীর দল। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় জয়। এর আগে ২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৪৮ রানের জয় পেয়েছিল ইংলিশরা।

করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পান অধিনায়ক মঈন আলী। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে সফরকারী ইংল্যান্ড।

ওপেনিংয়ে নামা ফিল সল্ট ৬ বলে ৮ রান করে আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে সফরকারীরা। পরে দলের হাল ধরেন উইল জ্যাকস ও ডাউইয়িড মালান। জ্যাকসের ২২ বলে ৪০-এর সঙ্গে মালান করেন ১৫ বলে ১৪ রান।

বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন বেন ডাকেট ও হ্যারি ব্রুক। ডাকেটের ৪২ বলে অপরাজিত ৭০ ও ব্রুকের ৩৫ বলে অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসে ৩ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড।

ডাকেট ও ব্রুক জুটির ১৩৯ রান চতুর্থ উইকেটে ইংল্যান্ডের রেকর্ড। ২০১০ সালে দুবাইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে কেভিন পিটারসেন ও ওইন মর্গান জুটির ১১২ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ।

রান তাড়ায় শুরু থেকে চাপে পড়ে আগের ম্যাচে দাপুটে জয় পাওয়া পাকিস্তান।

দলীয় ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাবর আজমের দল। মোহাম্মদ রিজওয়ান, বাবর আজম, হায়দার আলী ও ইফতিখার আহমেদের কেউই দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন শান মাসুদ ও খুশদিল শাহ। ২৯ করা খুশদিলকে আউট করে ৬২ রানের জুটি ভাঙেন লেগ স্পিনার আদিল রশিদ।

অন্যপ্রান্তে একা দলকে টানতে থাকেন মাসুদ। টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ফিফটি পূর্ণ করেন ২৮ বলে। তিন চার ও চার ছক্কায় ৬৫ রানের অপরাজিত একটি ইনিংস খেলেন।

এ ছাড়া বাকিদের আশা-যাওয়ার মাঝে মোহাম্মদ নাওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ১৯ বলে ২১ রান।

সিরিজে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন ইংল্যান্ডের মার্ক উড। অন্যদিকে ৮১ রানের ঝড়ো ইনিংসটির জন্য ম্যাচের সেরার পুরস্কার পান ব্রুক।

সিরিজের চতুর্থ ম্যাচটি খেলতে একই মাঠে আগামী রোববার মুখোমুখি হবে দল দুটি।

আরও পড়ুন:
জার্মানিকে হারিয়ে শীর্ষে হাঙ্গেরি, তলানিতে ইংল্যান্ড
বাবর-রিজওয়ানের বিরুদ্ধে শাহিন আফ্রিদির আন্দোলনের ডাক
ওপেনিংয়ে ২০৩ করে জয় পাকিস্তানের

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh won the World Cup due to the skill of the bowlers

বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ

বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ এই জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পেল বাংলাদেশ।
আবু ধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে টি-টোয়েন্টির স্বাদ এনে দিতে ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হাসে টাইগ্রেসরাই।

ইনিংসের শুরুটা ছিল একেবারেই ধীরগতির। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের দ্বিতীয় সেমি ফাইনালে থাইল্যান্ডের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পরও ৫ উইকেটের খরচায় ১১৩ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ নারী দল। স্বল্প পুজির সেই ম্যাচে বোলারদের নৈপূণ্যে থাইল্যান্ডকে ১০২ রানেই আটকে দিয়ে বাছাইপর্বের ফাইনাল নিশ্চিত করল টাইগ্রেসরা।

থাইল্যান্ডের বিপক্ষে সেমি ফাইনালে ১১ রানে জয় পাওয়ায় ২০২৩ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত হল নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের। একইসঙ্গে মূল পর্ব নিশ্চিত হয়েছে আয়ারল্যান্ডেরও।

ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে আইরিশরা। প্রথম সেমি ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে তারা হারিয়েছে ৪ রানে। ২৫ সেপ্টেম্বরের ফাইনালে মাঠে নামবে দুই দল।

আবু ধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে টি-টোয়েন্টির স্বাদ এনে দিতে ব্যর্থ হন টাইগ্রেস ব্যাটাররা। দলীয় ৩৪ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটলেও ১০ ওভারে তাদের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৫০ রান।

ইনিংসের সপ্তম ওভারে ১৭ বলে ১১ করে বিদায় নেন ফারজানা হক। এরপর মুর্শিদা খাতুন ও নিগার সুলতানা লড়াই শুরু করলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না থাই বোলারদের বিপক্ষে।

৩৫ বলে ২৬ করে মুর্শিদা যখন বিদায় নেন দলের বোর্ডে তখন স্কোর ১১.৩ ওভারে ৫২ রান। হাল ধরে রাখতে ব্যর্থ হন নিগারও। তাকেও মাঠ ছাড়তে হয় ১৭ করে।

শেষদিকে রুমানা আহমেদের অপরাজিত ২৪ বলে ২৮ ও ঋতু মণির ১০ বলে ১৭ রানের ইনিংসের সুবাদে ১১৩ রানের পূঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয় টাইগ্রেসরা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সালমা-মেঘলা-রুমানাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে সুবিধা করতে পারেনি থাই ব্যাটাররা। ১৩ রান তুলতেই তারা হারিয়ে বসে তাদের ৩ টপ অর্ডারকে। যার শুরুটা হয় ম্যাচের তৃতীয় ওভারে দলীয় ৭ রানে।

থাই শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন অভিজ্ঞ বোলার সালমা খাতুন। বড় শট খেলতে গিয়ে মিস টাইমিংয়ের শিকার হয়ে ৯ বলে ২ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় ওন্নিচা কামচম্ফুকে।

এরপর ব্যাক টু ব্যাক আঘাত হানেন সানজিদা আক্তার মেঘলা। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে স্টাম্প হারিয়ে সাজঘরের পথ ধরতে হয় থাইল্যান্ডের ওপেনার নান্নাপাতকে। এক বল বাদেই রানের খাতা খোলার আগেই এই পেইসারের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় নাত্তায়া বুচাথামকে।

দ্রুত ৩ টপ অর্ডারকে হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যাওয়া থাইল্যান্ডকে ট্র্যাকে ফেরানোর মিশনে নামেন নাত্থাকান চানথাম ও অধিনায়ক নারুমল চারুই। কিন্তু ইনিংসের ১৩তম ওভারের শেষ বলে অধিনায়ককে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু আনেন নাহিদা আক্তার।

তবে উইকেট আগলে ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন চানথাম। কিন্তু তার ৫১ বলে ৬৪ রানের ইনিংসটি কেবল কমিয়েছে পরাজয়ের ব্যবধানটাই। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তুলতে সক্ষম হয় থাইল্যান্ড।

আর সেই সুবাদে বাংলাদেশ পায় ১১ রানের দুর্দান্ত এক জয়।

আরও পড়ুন:
গ্রিন-ওয়েড ঝড়ে জয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার
সাকিব-তামিমের পর টি-টেন লিগে মুস্তাফিজ
বিশ্বকাপের আগে পরিচালক মুডিকে বিদায় দিল শ্রীলঙ্কা
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনায়াস জয় বাংলাদেশের
সাবিনাদের জয়ের আনন্দে ভেসে যাচ্ছেন জাহানারা-সাকিবরাও

মন্তব্য

খেলা
Shakib is the second richest captain of the World Cup

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ধনী অধিনায়ক সাকিব

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ধনী অধিনায়ক সাকিব ফাইল ছবি
তালিকার দুইয়ে থাকা সাকিবের মোট সম্পদের পরিমাণ বলা হয়েছে ২২২ কোটি টাকা। ক্রিকেটের পাশাপাশি ১২টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।

একজন ক্রিকেটার শুধু ক্রিকেটই খেলেন না। খেলার পাশাপাশি তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছা দূত হন, বিজ্ঞাপনে অংশ নেন, এমনকি ব্যবসাও করেন অনেকে। অনেকে আবার খেলার পাশাপাশি পার্ট টাইম চাকুরিও করেন।

প্রায় সময়ই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ক্রিকেটারদের মোট সম্পদের পরিমাণ কেমন। কি পরিমাণ অর্থের মালিক তারা। সেই ধারাবাহিকতায় অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে সরাসরি জায়গা করে নেয়া ৮ দলের অধিনায়কের মোট সম্পদ নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে ভারতীয় বিজনেস সাইট ‘বিজনেস লিগ’।

তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী অধিনায়ক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি দলপতি সাকিব আল হাসান। প্রথম অবস্থানে রয়েছেন ভারত দলপতি রোহিত শর্মা।

রোহিতের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪৩ কোটি টাকা। ভারতের ও আন্তর্জাতিক ১১টি প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করছেন ভারতের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক। আর খেলার পাশাপাশি এসকল প্রতিষ্ঠান থেকেই বিপুল পরিমাণে অর্থ পান তিনি।

তালিকার দুইয়ে থাকা সাকিবের মোট সম্পদের পরিমাণ বলা হয়েছে ২২২ কোটি টাকা। ক্রিকেটের পাশাপাশি ১২টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, স্বর্ণ, ই-কমার্সসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসায় রয়েছে তার বিনিয়োগ। সেখান থেকেই এই অর্থ লাভ করে থাকেন দেশের ক্রিকেটের এই পোস্টারবয়।

তালিকায় তিনে রয়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। এই ইংলিশ ক্রিকেটারের সম্পদের পরিমাণ ১০১ কোটি টাকা।

চারে জায়গা করে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ব্যক্তিগতভাবে অজি দলপতি ৮১ কোটি টাকার সম্পদের মালিক।

তালিকার পাঁচে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তার সম্পদের পরিমান দেখানো হয়েছে ৬৫ কোটি টাকা।

এরপর যথাক্রমে অবস্থান করছেন সাউথ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা (৫০ কোটি), পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম (৪০ কোটি) ও আফগানিস্তানের দলপতি মোহাম্মদ নবি (১২ কোটি টাকা)।

আরও পড়ুন:
সাকিবের বাবার জায়গায় হিরুর শ্বশুরের নাম যেভাবে
ওয়ারিয়র্স ক্যাম্পে যোগ দিলেন সাকিব
পুঁজিবাজারে কারসাজিতে সাকিবের নাম
সাকিব এবার খাবার বিক্রেতা
হকি দলের মালিক হলেন সাকিব

মন্তব্য

p
উপরে