× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Barcelona won with a goal in the second half
hear-news
player
print-icon

দ্বিতীয়ার্ধের হালি গোলে বার্সার জয়

দ্বিতীয়ার্ধের-হালি-গোলে-বার্সার-জয়-
বার্সেলোনার দ্বিতীয় গোল করে সতীর্থ রাফিনিয়ার সঙ্গে উদযাপনে রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি। ছবি: এএফপি
কাদিসকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টেবিলে শীর্ষস্থান দখল করেছে বার্সেলোনা। দলের হয়ে গোল করেন ডি ইয়ং, লেওয়ানডোভস্কি, ফাতি ও ডেম্বেলে।

চলতি মৌসুমে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পায়নি স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। এরপর জয়ের ধারায় রয়েছে দলটি। মৌসুমের পঞ্চম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন চাভি এর্নান্দেসের শিষ্যরা।

স্পেন সময় শনিবার ঘরের মাঠে কাদিসকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টেবিলে শীর্ষস্থান দখল করে দলটি।

কাদিসের বিপক্ষে শেষ চারবারের সাক্ষাতে একবারও জয় পায়নি বার্সা। ২০২০-২১ মৌসুমে কাদিসের মাঠে ২-১ গোলে হারের পর দ্বিতীয় দেখায় ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দলটির। পরের ম্যাচে আবারও গোলশূন্য ড্রয়ের পর চতুর্থ ম্যাচে নিজেদের ঘরের মাঠে কাদিসের বিপক্ষে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বার্সাকে।

এবার সে অধরা জয়ের দেখা পেয়েছেন লেওয়ানডোভস্কিরা। প্রতিপক্ষের মাঠে শনিবার রাতের ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রাঙ্কি ডি ইয়ংয়ের গোলে সফরকারীরা এগিয়ে গেলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি। পরে গোল করেন আনসু ফাতি ও উসমান ডেম্বেলে।

ম্যাচের শুরু থেকে দাপট দেখাতে পারেনি বার্সেলোনা। প্রথমার্ধের খেলায় গোলশূন্য রেখে বিরতিতে যেতে হয় তাদের। এর মূল কারণ ছন্দে থাকা তারকা খেলোয়াড়দের মধ্যে লেওয়ানডোভস্কি ও ডেম্বেলেকে বেঞ্চে রেখে একাদশ সাজান কোচ চাভি। মাঠেও লক্ষ্য করা যায় প্রভাব। চেষ্টা করেও গোলের দেখা না পেয়ে গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যায় বার্সা।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হলে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বার্সেলোনা। সেই লক্ষ্যে ৫৫তম মিনিটের মাথায় ডি ইয়ংয়ের গোলে লিড নেয় কাতালানরা।

এরপর আক্রমণের ধার বাড়াতে তরেস, গাভি ও মেমফিস ডিপাইকে তুলে নিয়ে ডেম্বেলে, পেদ্রি ও লেভাকে নামান কোচ চাভি।

বদলি হিসেবে নেমেই গোলের দেখা পান চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা লেওয়ানডোভস্কি। রাফিনিয়ার করা শট কাদিসের গোলকিপার ঠেকিয়ে দিলেও বল হাত থেকে ফসকে যায়। সেখান থেকে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি পোলিশ স্ট্রাইকার লেভা।

চলতি মৌসুমে বার্সায় অভিষেক হয় লেভার। টানা পাঁচ ম্যাচে লা লিগায় তার গোলের সংখ্যা ৬টি। সব মিলিয়ে তার গোল ৯টি।

শেষ মুহূর্তে গ্যালারিতে একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে খেলা। পরে খেলা শুরু হলে দলের তৃতীয় গোলটি করেন আনসু ফাতি। এতে করে ৩-০ তে এগিয়ে যায় চাভির দল। এরপর অতিরিক্ত সময়ে স্কোরলাইন ৪-০ করেন ডেম্বেলে।

৫ ম্যাচ খেলে ৪টি জয় ও একটি ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে টবিলের শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে এক ম্যাচ কম খেলে সব ম্যাচেই জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে কার্লো আনচেলত্তির রিয়াল।

আরও পড়ুন:
লেওয়ানডোভস্কির হ্যাটট্রিকে বড় জয় বার্সেলোনার
টানা জয়ে শীর্ষে রিয়াল, দুইয়ে বার্সেলোনা
দলবদলের শেষ দিনে এক ঝাঁক তারকার ক্লাব বদল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
A win was needed under pressure Mirage

চাপের মধ্যে একটা জয় দরকার ছিল: মিরাজ

চাপের মধ্যে একটা জয় দরকার ছিল: মিরাজ আমিরাতের বিপক্ষে উইকেট নেয়ার পর নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে উদযাপনে মেহেদী মিরাজ। ছবি: বিসিবি
চাপে পড়ার পর এমন একটা জয় দলের জন্য জরুরি ছিল বলে মনে করছেন অলরাউন্ডার মেহেদী মিরাজ।

নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরব আমিরাতের সঙ্গে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে দুবাইয়ে আছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে সফরকারী দল।

প্রথম ম্যাচে জয় আসলেও অনায়াস ছিল না সেটি। শেষ ওভারে ৭ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ দল। সাম্প্রতিক সিরিজ ও এশিয়া কাপেও শেষ ওভারে বেশ কয়েকটি ম্যাচ হাতের নাগাল থেকে ফসকে গেছে টাইগারদের।

যে কারণে চাপে পড়ার পর এমন একটা জয় দলের জন্য জরুরি ছিল বলে মনে করছেন অলরাউন্ডার মেহেদী মিরাজ।

সোমবার বিকেলে বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘চাপের মধ্যে একটা ম্যাচ জেতা দরকার ছিল। সেটা কালকে জিতেছি। আমাদের দল খুব ভালো মেজাজে আছে। টিম ম্যানেজমেন্টও আমাদের সবার প্রশংসা করেছে। কালকের ম্যাচে জয়টা দরকার ছিল কারণ এ অবস্থা থেকে আমরা অনেক ম্যাচ হেরেছি।’

মেহেদী মিরাজ সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমিরাতের বিপক্ষে খেলেছেন ওপেনার হিসেবে। এশিয়া কাপ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও তাকে দেখা গেছে এ ভূমিকায়। দলের প্রয়োজনে ওপেনিংয়ে নিয়মিত হতে সমস্যা নেই মিরাজের। ব্যাট হাতেও অবদান রাখতে চান তিনি।

মিরাজ যোগ করেন, ‘ম্যানেজমেন্ট হয়তো ভেবেছে আমি ওপেন করলে ভালো হবে। সে কারণে চেষ্টা করছি নিজেকে ওইভাবে তৈরি করার। ওপেনার হিসেবে আমার অবদানটা গুরুত্বপূর্ণ।

‘আমার কাছ থেকে হয়তো বড় রানের আশা করে না দল। তবে আমি যদি ছোট ইম্প্যাক্ট তৈরি করতে পারি সেটা আমাদের জন্য ভালো হবে।’

দুবাইয়ে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কাল। দুই দলের ম্যাচ শুরু রাত ৮টায়।

আরও পড়ুন:
সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল
বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা
চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ

মন্তব্য

খেলা
BPL did not receive the franchise application in the name of Shakib Mashraf

সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল

সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল বাংলাদেশ জাতীয় দলের অনুশীলনে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি মোর্ত্তজা। ফাইল ছবি
বর্তমান খেলোয়াড়দের কারও দল কেনার সুযোগ নেই উল্লেখ করে মল্লিক জানান, এ কারণেই সাকিব ও মাশরাফির কোম্পানিকে ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুমতি দেয়া হয়নি।

সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি মোর্ত্তজার নামে কোনো কোম্পানি বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার আবেদন করেনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা পেতে সাকিবের মালিকানাধীন মোনার্ক গ্রুপ আবেদন করেছে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

এ ছাড়া সিলেটের মালিকানার জন্য আবেদন করা ফিউচার স্পোর্টস মাশরাফির প্রতিষ্ঠানের এমন গুঞ্জনও উঠেছে সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এগুলোর কোনোটিই সঠিক নয় বলে জানান মল্লিক।

সোমবার মিরপুরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান খেলোয়াড়দের কারও দল কেনার সুযোগ নেই উল্লেখ করে মল্লিক জানান, এ কারণেই সাকিব ও মাশরাফির কোম্পানিকে ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুমতি দেয়া হয়নি।

মল্লিক বলেন, ‘কোনো বর্তমান খেলোয়াড় ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক হতে পারবে না। আমরা অনেক জায়গায় দেখেছি মাশরাফির নাম এসেছে। কিন্তু এখানে তো এসেছে তারা সাকিব বা মাশরাফি নয়। তারা কোম্পানি, যারা ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনতে চায়। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী যারা বিপিএলে খেলবে বা কোনো বর্তমান খেলোয়াড় ফ্র্যাঞ্চাইজি নিতে পারবে না।

‘সাকিবের নামে কোনো আবেদন পড়েনি। এসেছিল মোনার্ক লেদার্স নামে।’

আগের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর প্রতি অগ্রাধিকার দিচ্ছে বিপিএল। একই সঙ্গে দলগুলোকে তাদের গ্যারান্টি মানি দেওয়ার জন্য সপ্তাহ দুয়েক সময় দেয়া হবে এমনটাও জানান মল্লিক।

তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্ষেত্রে পুরোনোদের অগ্রাধিকার দিয়েছি। বোর্ড থেকে এমনই সিদ্ধান্ত ছিল। কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি এক বছরের জন্য দল নিলেও ৬-৭ কোটি টাকা খরচ করেছে। সে কারণে আমরা তাদের অগ্রাধিকার দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা
চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ
ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের

মন্তব্য

খেলা
The highest salary in BPL this year is 80 lakhs

বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা

বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা বিপিএল ২০২২-এর ফাইনালের আগে ট্রফিসহ ফরচুন বরিশাল ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের অধিনায়ক। ফাইল ছবি
সোমবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানান এবারে দেশি খেলোয়াড়দের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ৮০ লাখ টাকা।

সামনের বছর জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-এর সাত ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম রোববার চূড়ান্ত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এক দিন পর তারা জানিয়েছে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকের সীমা।

সোমবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানান, এবারে দেশি খেলোয়াড়দের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ৮০ লাখ টাকা।

মল্লিক বলেন, ‘ড্রাফট থেকে দেশি খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ আর বিদেশি খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ হাজার ডলার। আর সরাসরি চুক্তিতে সেটা খেলোয়াড় ও ফ্র্যাঞ্চাইজি যেটা ঠিক করে নেবে।’

সাতটি গ্রেডে ভাগ করা হচ্ছে খেলোয়াড়দের। এ - ক্যাটাগরি ৮০ লাখ টাকা, বি - ক্যাটাগরি ৫০ লাখ, সি - ক্যাটাগরি ৩০ লাখ, ডি - ক্যাটাগরি ২০ লাখ, ই - ক্যাটাগরি ১৫ লাখ, এফ - ক্যাটাগরি ১০ লাখ ও জি - ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাচ্ছেন ৫ লাখ টাকা।

এবারের বিপিএলের সময়ে আরব আমিরাত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ ও সাউথ আফ্রিকান ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের খেলা থাকবে, ফলে বিদেশি বড় তারকাদের খেলার সম্ভাবনা কম।

তবে বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য বিপিএল সহজলভ্য করে তুলতে নিবন্ধন আইন কিছুটা শিথিল করছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ।

মল্লিক বলেন, ‘এক দলে সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি খেলতে পারবেন। দুজন অন্তত একাদশে থাকবেন। এটা আমাদের পরিকল্পনায় আছে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না। যেন কেউ চাইলে তিন দিনের জন্য এসে খেলে যেতে পারে।

‘সরাসরি চুক্তিতে একজন দেশি খেলোয়াড় খেলতে পারবেন। বাকি ড্রাফট থেকে নিতে হবে। যেহেতু ইউএই ও সাউথ আফ্রিকান লিগ একই সময় হবে সে কারণে বিদেশি খেলোয়াড় অধিকাংশই সেগুলোতে ব্যস্ত থাকবেন। আমরা জাতীয় দলের সূচির কারণে এ টুর্নামেন্টটিকে (বিপিএল) আগে-পিছে করতে পারছি না।’

বিপিএলে এবারের আসরে খেলা হবে ৪৬টি। ৫ জানুয়ারি শুরু হবে খেলা। ম্যাচ হবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের তিন ভেন্যুতে।

আরও পড়ুন:
চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ
ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের
আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়

মন্তব্য

খেলা
Kohli Suriyakumar storms Indias series

কোহলি-সুরিয়াকুমার ঝড়ে সিরিজ ভারতের

কোহলি-সুরিয়াকুমার ঝড়ে সিরিজ ভারতের ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়ছেন হার্দিক পান্ডিয়া ও দীনেশ কার্তিক। ছবি: বিসিসিআই
অজিদের দেয়া ১৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিরাট কোহলি ও সুরিয়াকুমার যাদবের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেট হারিয়ে ১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিক ভারত। যে কারণে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটা ছিল দুই দলের জন্য অঘোষিত ফাইনাল। সেই ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে ভারত।

অজিদের দেয়া ১৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ভিরাট কোহলি ও সুরিয়াকুমার ইয়দভের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেট হারিয়ে ১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

হায়দরাবাদের রাজিব গান্ধী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর পর দলীয় ৪৪ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে অস্ট্রেলিয়ার। এরপর স্কোরবোর্ডে ৪০ রান যোগ করতে তারা হারায় আরও ৩ উইকেট।

দলের হয়ে ক্যামেরন গ্রিনের ২১ বলে ৫২ ও টিম ডেভিডের ২৭ বলে ৫৪ রানের ইনিংস ছাড়া খুব একটা কার্যকরী ইনিংস খেলা সম্ভব হয়নি কোনো অজি ব্যাটারের পক্ষে। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রানের পুঁজি পায় অস্ট্রেলিয়া।

কোহলি-সুরিয়াকুমার ঝড়ে সিরিজ ভারতের

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ৪ ওভারে সাজঘরে ফেরেন লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। রাহুলের ব্যাট থেকে আসে ১ রান। আর রোহিত করেন ১৭ রান।

দলীয় ৩০ রানেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে পথ হারানো ভারতকে টেনে তোলার মিশনে নামেন কোহলি ও সুরিয়াকুমার। কোহলির ৪৮ বলে ৬৩ ও সুরিয়াকুমারের ৩৬ বলে ৬৯ রানের ইনিংসের সুবাদে জয়ের ভিত শক্ত হয় ভারতের।

শেষের দিকে হার্দিক পান্ডিয়ার ১৬ বলে হার না মানা ২৫ রানের ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ভারত।

আরও পড়ুন:
‘বিশ্বকাপের জন্য কোহলিকে ফর্মে দরকার’
বুমরাহ ও আর্শদিপকে নিয়ে ভারতের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
হংকংকে ৪০ রানে হারিয়ে সুপার ফোরে ভারত

মন্তব্য

খেলা
Likes to bat under pressure Afif

চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ

চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: বিসিবি
চাপের পরিস্থিতিতে আফিফের এমন দায়িত্বশীল ইনিংস খেলার ঘটনা নতুন কিছু না। এর আগেও বেশ কয়েকবার বাংলাদেশকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়েছে আফিফের ব্যাট। চাপের মধ্যে খেলাটা তিনি উপযোগ করেন বলেই এমনটা হয় বলে জানিয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটার।

আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং বিপর্যয় সঙ্গী হয়েছিল বাংলাদেশের পাওয়ার প্লে থেকেই। প্রথম ছয় ওভারে টাইগাররা ৪৩ রান তুলতেই হারায় ৩ উইকেট। দলীয় স্কোর ৫০ এর আগেই নেই বাংলাদেশের চার উইকেট।

এমন অবস্থায় বাংলাদেশকে চোখ রাঙ্গাচ্ছিল অল্পতেই আটকে যাওয়া। টপ অর্ডারদের ব্যর্থতায় আরও একবার শঙ্কা জাগে লজ্জাজনক পরিস্থিতি উদ্ভবের।

কিন্তু সব শঙ্কা ও চোখ রাঙ্গানিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে রান ওঠান ১৫৮ জাতীয় দলের মিডল অর্ডার ব্যাটার আফিফ হোসেন ধ্রুব।

চাপের পরিস্থিতিতে আফিফের এমন দায়িত্বশীল ইনিংস খেলার ঘটনা নতুন কিছু না। এর আগেও বেশ কয়েকবার বাংলাদেশকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়েছে আফিফের ব্যাট। চাপের মধ্যে খেলাটা তিনি উপযোগ করেন বলেই এমনটা হয় বলে জানিয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটার।

ম্যাচ শেষে বিসিবির দেয়া এক ভিডিও বার্তায় আফিফ বলেন, ‘সবসময় চাপের মুখে ব্যাটিং করতে ভালো লাগে। আমি শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করতে চেয়েছিলাম, সফল হওয়ায় ভালো লাগছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্য থাকে উইকেট পড়ে গেলেও স্ট্রাইক রোটেট করি আর বাউন্ডারির জন্য করি। আজও ভিন্ন কিছু হয়নি। আজও গেম প্ল্যান অনুযায়ী চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় উইকেট অনুযায়ী শেষদিকে রান ঠিক ছিল।’

সিরিজের প্রথম ম্যাচে টপ অর্ডার ভেঙ্গে পড়লেও দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াবেন তারা। এমনটাই আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন আফিফ।

তিনি বলেন, ‘শুরুতে উইকেট একটু কঠিন ছিল। বল গ্রিপ হচ্ছিল। টপঅর্ডার ভালো করতে পারিনি, পরের ম্যাচে ইনশাআল্লাহ করবে। এটা সমস্যা না। আমি আর সোহান ভাই ব্যাট করার সময় আস্তে আস্তে উইকেট ভালো হচ্ছিলো দেখে আমরা আরও ভালো ব্যাটিং করতে পেরেছি।’

আরও পড়ুন:
ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের
আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়
‘জয়ের অভ্যাসে’ ফিরতে আমিরাতের বিপক্ষে নামছে বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Guyana in the playoffs with Shakibs stormy batting

সাকিবের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্লে অফে গায়ানা

সাকিবের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্লে অফে গায়ানা সতীর্থদের সঙ্গে সাকিবের উইকেট উদযাপন। ছবি: টুইটার
প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে গায়ানার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ১২৫ রানেই গুটিয়ে যায় বার্বেডস রয়্যালস। জবাবে ৩৩ বল হাতে রেখে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় গায়ানা।

দল ছিল টেবিলের তলানিতে। কিন্তু সাকিব আল হাসানের যোগ দেয়ার পর যেন ভাগ্যদেবতা মুখ তুলে তাকিয়েছেন গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের দিকে। টানা হারে তলানিতে থাকা দলটি হ্যাটট্রিক জয়ে উঠে এসেছে টেবিলের দুইয়ে।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের দশম ম্যাচে সাকিবের টর্নেডো ব্যাটিংয়ে গায়ানা জয় পেয়েছে ৫ উইকেটে। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন সাকিব।

প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে গায়ানার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ১২৫ রানেই গুটিয়ে যায় বার্বেডস রয়্যালস। জবাবে ৩৩ বল হাতে রেখে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় গায়ানা।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে জেসন হোল্ডারের ৩৯ বলে ৪২, আজম খানের ২৪ বলে ২০, ওবেদ ম্যাকয়ের ৩ বলে ১০ ও রেমন সায়মন্ডসের হার না মানা ৬ বলে ১৩ রানের ইনিংসের সুবাদে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও ১২৫ রানের পুঁজি পায় বার্বেডোস।

বল হাতে ২.৩ ওভার করে ১২ রান খরচায় এক উইকেট নেন সাকিব।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৮ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর সাকিবের ৩০ বলে ৫৩ রানের ইনিংসের সুবাদে জয়ের ভিত পায় গায়ানা। শেষের দিকে শিমরন হেটমায়ারের ৫ বলে ১০ ও কেমো পলের ১০ বলে ১২ রানের সুবাদে ৩৩ বল হাতে রেখেই জয় বাগিয়ে নেয় ওয়ারিয়র্স।

সিপিএলের চলতি আসরে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে রানের খাতা খোলার আগে সাজঘরে ফিরতে হলেও সাকিব খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দেন তৃতীয় ম্যাচে। আর চতুর্থ ম্যাচে দেখিয়ে দেখালেন অলরাউন্ড নৈপূণ্য।

আরও পড়ুন:
সাকিব নৈপুণ্যে গায়ানার জয়
সিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে ২ উইকেট শিকার সাকিবের
ওয়ারিয়র্সের হয়ে জ্বলে উঠতে পারেননি সাকিব
ওয়ারিয়র্স ক্যাম্পে যোগ দিলেন সাকিব

মন্তব্য

খেলা
Pakistans victory in the thrill of the last over

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জয় পাকিস্তানের

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জয় পাকিস্তানের জয় উদযাপনে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের করা ৪ উইকেটে ১৬৬ রানের জবাবে ১৯.২ ওভারে ১৬৩ রানে অলআউট হয় সফরকারী দল।

চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৩ রানে হারিয়ে সিরিজে ২-২ সমতা ফিরিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের করা ৪ উইকেটে ১৬৬ রানের জবাবে ১৯.২ ওভারে ১৬৩ রানে অলআউট হয় সফরকারী দল।

লাহোর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৪ রানে শুরুর ৩ উইকেট হারালেও বেন ডাকেট ও হ্যারি ব্রুকসের ব্যাটে পাকিস্তানের টার্গেটের ঠিক পেছনেই থাকে ইংল্যান্ড। ম্যাচ তারা নিয়ে যায় একেবারে শেষ পর্যন্ত। ডাকেট ৩৩ ও ব্রুকস ৩৪ রান করেন। মঈন আলীর ব্যাট থেকে আসে ২৯।

লিয়াম ডওসন শেষ পর্যন্ত লড়াই করেন ইংল্যান্ডের হয়ে। ম্যাচের ১৯তম ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১২ বলে ৯ রান । তাদের হাতে ছিল ৩ উইকেট।

বল হাতে ইনিংসের ১৯তম ওভারের প্রথম ডেলিভারি করেন হারিস রাউফ। সে বল থেকে আসেনি কোনো রান। ওভারের দ্বিতীয় বলে হারিসকে হজম করতে হয় বাউন্ডারি। ফলে ১০ বলে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫ রানে।

নাটকের শেষটা হতে পারত সে ওভারেই, কিন্তু তা হয়নি। বাউন্ডারি হজমের পরের দুই বলে ব্যাক টু ব্যাক লিয়াম ডওসন ও ওলি স্টোনের উইকেট তুলে নেন হারিস। আর তাতে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য সফরকারীদের প্রয়োজন ৪ রান। মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা সে ওভারের প্রথম বল ডট হলেও দ্বিতীয়টিতে রান আউট হন রিস টপলি। আর তাতে ৪ বল হাতে রেখে ৩ রানের নাটকীয় জয় পায় পাকিস্তান।

হারিস রাউফ ৩২ রানে ৩টি ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ৩৫ রানে ৩ উইকেট পান। ম্যাচসেরা হন রাউফ।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৬৭ বলে ৮৮, বাবর আজমের ২৮ বলে ৩৬, শান মাসুদের ১৯ বলে ২১ ও আসিফ আলির ৩ বলে ১৩ রানের ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬৬ রানের পুঁজি পায় পাকিস্তান।

আরও পড়ুন:
প্রোটিয়াদের ৩ দিনে হারাল ইংল্যান্ড
৭০ বছর পর খেলার মাঠে ‘গড সেভ দ্য কিং’
প্রোটিয়া পেইসে ৩ দিনে হারল ইংল্যান্ড

মন্তব্য

p
উপরে