× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Nastanabood Bangladesh on the board for 127 in Afghan spin
hear-news
player
print-icon

আফগান স্পিনে নাস্তানাবুদ বাংলাদেশের বোর্ডে ১২৭

আফগান-স্পিনে-নাস্তানাবুদ-বাংলাদেশের-বোর্ডে-১২৭
বাংলাদেশের বিপক্ষে রাশিদ খানের উইকেট উদযাপন। ছবি: এএফপি
মোসাদ্দেকের ব্যাটে দলীয় স্কোর শতরান ছাড়ায় বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের খরচায় আফগানিস্তানের সামনে ১২৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা।

টি-টোয়েন্টিতে নতুন শুরুটা খুব একটা সুবিধার হলো না বাংলাদেশের। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সংগ্রহ বড় করতে ব্যর্থ হয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। আফগান স্পিন বিষে নাজেহাল সাকিব বাহিনী নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রানের পুঁজি পেয়েছে।

শারজার ব্যাটিংবান্ধব উইকেটের সুবিধা নিতে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শুরু হয় বাংলাদেশের চিরচেনা ব্যাটিং ধস।

৮ বলে ৬ রান করে মুজিব উর রেহমানের প্রথম শিকার বনে মাঠ ছাড়েন নাঈম শেখ। মুজিবের গুড লেন্থের ক্যারম বলে স্টাম্প হারিয়ে সাজঘরের পথ ধরতে হয় তাকে।

মুজিব পরের ওভারে ফেরান আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে। আফগান স্পিনারের বল সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়েন অভিজ্ঞ এ ওপেনার। ১৩ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় টাইগাররা।

নিজের শততম টি-টোয়েন্টি রাঙাতে ব্যর্থ হন সাকিব আল হাসানও। মুজিবের ক্যারম বলে পরাস্ত হয়ে ১১ রানে ফেরার পথ ধরতে হয় তাকে। এর সুবাদে পাওয়ার প্লেতে ২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

মুজিবের আঘাত সয়ে ওঠার আগে শুরু হয় রাশিদ খানের স্পিন বিষ। দলীয় ২৮ রানে মুশফিকুর রহিমকে ১ রানে সাজঘরের পথ দেখিয়ে পতন ঘটান বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেটের।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যান আফিফ হোসেন। রাশিদ খানের এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে ১২ রানে মাঠ ছাড়তে হয় তাকেও। এতে করে ৫৩ রানে বাংলাদেশ হারায় ৫ম উইকেট।

আফিফ বিদায় নিলেও উইকেট কামড়ে রানের চাকা সচল রাখেন রিয়াদ। সঙ্গে নেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে। দুইজনে মিলে দলকে এগিয়ে নেন শতরানের দিকে।

দলীয় স্কোর ৮৯ রানের সময় রাশিদ খানের কারণে ২৫ রানে আউট হন রিয়াদ।

উইকেটে অবিচল থেকে রান করতে থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তার ব্যাটিং দৃঢ়তায় দলীয় স্কোর শতরান ছাড়ায় বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের খরচায় আফগানিস্তানের সামনে ১২৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। ৩১ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। তার ব্যাট থেকে আসে ১টি ছক্কা ও ৪টি চার।

আফগানিস্তানের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন রাশিদ খান ও মুজিব উর রেহমান।

আরও পড়ুন:
মুজিব-রাশিদে নাকাল বাংলাদেশ     
শারজাতে প্রথম জয়ের সন্ধানে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
India lost to the Proteas by 8 wickets

প্রোটিয়াদের ৮ উইকেটে হারাল ভারত

প্রোটিয়াদের ৮ উইকেটে হারাল ভারত সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে দুই ব্যাটারের উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত
ভারত সফরে এসে শুরুতেই নাজেহাল সাউথ আফ্রিকা। ভারতের বোলিং তোপের সামনে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সাকল্যে তাদের অর্জন ১০৬ রান। লো স্কোরিং এই ম্যাচে ২ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা।

১০ হাজার। সাধারণ দৃষ্টিতে এটিকে মামুলি সংখ্যা মনে হলেও আসলে এটি ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সাউথ আফ্রিকার সাজঘরে ফেরা প্রথম পাঁচ ক্রিকেটারের রান।

ভারত সফরে এসে এমন নাজেহাল হতে হবে সিরিজের শুরুতেই সেটি হয়তো সাউথ আফ্রিকা কল্পনাও করেনি। ভারতের বোলিং তোপের সামনে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সাকল্যে তাদের অর্জন ১০৬ রান। লো স্কোরিং এই ম্যাচে ২ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা।

থিরুভানানথাম্পুরামের গ্রিনফিল্ড আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের সবুজ উইকেটে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দীপক চাহার ও আর্শদ্বীপ সিংয়ের তোপের মুখে পড়ে সাউথ আফ্রিকা।

ইনিংসের প্রথম ১৫ বলেই পতন ঘটে ৫ উইকেটের। বিপরীতে স্কোরবোর্ডে প্রোটিয়াদের রান ছিল ৯।

শুরুর ধাক্কাটা আর কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি সফরকারীদের পক্ষে। তবে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে এইডেন মারক্রাম ও ওয়েইন পারনেল কিছু সময়ের জন্য লাগাম টেনে ধরেন উইকেট পতনের।

এই দুই ব্যাটার ৩৩ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা করলেও তা দলের জন্য খুব একটা সুবিধা হয়ে আসেনি।

মারক্রামের ২৫, পারনেলের ২৪ ও শেষদিকে কেশভ মহারাজের ৩৫ বলে ৪১ রানের ইনিংসের সুবাদে দলীয় সংগ্রহ শতরান পার করে ভারতের সামনে ১০৬ রানের পুঁজি দাঁড় করায় সাউথ আফ্রিকা।

ভারতের হয়ে ৩টি উইকেট নেন আর্শদ্বীপ সিং। দীপক চাহার ও হার্শাল প্যাটেল নেন ২টি করে উইকেট। আর আক্সার প্যাটেলের ঝুলিতে যায় ১টি উইকেট।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৭ রানেই রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে হারায় ভারত। রোহিত রানের দেখা না পেলেও কোহলি করেন ৩ রান।

তবে এরপর আর বিপদ ঘটতে দেননি লোকেশ রাহুল ও সুরিয়া কুমার যাদব। দু’জনে অনবদ্য দুটো অর্ধশতকের ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন ৮ উইকেটের সহজ জয়।

আরও পড়ুন:
আফিফ মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ হয়ে যায়নি: পাপন
মিরাজ-সাব্বিরদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট সিডন্স
বিশ্বকাপের আগে শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব
দেশে ফিরে ছন্দে ফেরার আশ্বাস দিলেন সোহান
দুই জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Afif Mushfiq Mahmudullah did not become Papon

আফিফ মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ হয়ে যায়নি: পাপন

আফিফ মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ হয়ে যায়নি: পাপন পাকিস্তানের বিপক্ষে শট খেলছেন আফিফ হোসেন। ছবি: এএফপি
পাপনের মতে তরুণরা এখনও তামিম-মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর পর্যায়ে যেতে পারেননি। বিসিবি কার্যালয়ে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি।

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ-তামিম ইকবালরা ফরম্যাট বেছে খেলায় জাতীয় ক্রিকেট দলে কমছে সিনিয়রদের আধিক্য। অভিজ্ঞদের অনুপস্থিতিতে অপেক্ষাকৃত তরুণরা সবশেষ কয়েকটি সিরিজে দেখিয়েছেন নিজেদের সামর্থ্য।

সিনিয়দের ছাড়াই আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয় পায় বাংলাদেশ। যা কিনা চলতি বছরের প্রথম শর্টার ফরম্যাটে সিরিজ জয়।

তরুণদের হাত ধরে আসা এ জয়ের পর দলে সাকিব-মুশফিকদের আর জায়গা আছে কিনা এমন প্রশ্নও করছেন ভক্তরা। তবে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন তাদের সঙ্গে একমত নন। তিনি ভুলছেন না সিনিয়রদের কীর্তি।

পাপনের মতে তরুণরা এখনও তামিম-মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর পর্যায়ে যেতে পারেননি। বিসিবি কার্যালয়ে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি।

পাপন বলেন, ‘এখন দলে অনেক খেলোয়াড় আছে যারা ভাল খেলছে কিন্তু ওদের সময় দিতে হবে। আফিফ কিন্তু এখনও মুশফিক বা মাহমুদউল্লাহ হয়ে যায় নাই। সোহানও না। লিটন দাস এখনও তামিমের কাছাকাছি যায়নি।’

সে পর্যায়ে না গেলেও তরুণদের সামনে সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন বিসিবি বস। এই দল নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করলে ভালো কিছু আসবে বলে মনে করেন তিনি।

পাপন বলেন, ‘ওদের সম্ভাবনা আছে। যদি একটা বছর সময় দেয়া যায়। প্রচুর এক্সপেরিমেন্ট হয়েছে গত বছর। সেটা থামানো দরকার। যেমনটা শ্রীলঙ্কা করেছে। একটা দল নিয়ে কাজ করেছে আর সাড়ে তিন বছর পর ফল পেয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সিরিজ জয়ের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টি-টেনে বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার
‘আমিরাতের বিপক্ষে জয় বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস জোগাবে’
চাপের মধ্যে একটা জয় দরকার ছিল: মিরাজ
সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল

মন্তব্য

খেলা
Siddons is satisfied with Miraj Sabbirs performance

মিরাজ-সাব্বিরদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট সিডন্স

মিরাজ-সাব্বিরদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট সিডন্স ফাইল ছবি
সিডনস মনে করছেন মিরাজকে মেরে খেলার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে বলেই এ পারফরম্যান্স দেখাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

তামিম ইকবালের টি-টোয়েন্টি থেকে সরে যাওয়ার পর ওপেনিংয়ে লম্বা সময় ধরে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। বেশ কিছু ম্যাচে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালালেও সুবিধা করতে পারেননি উদ্বোধনী জুটির ব্যাটাররা।

এশিয়া কাপ থেকে টি-টোয়েন্টিতে উদ্বোধনী জুটিতে মেহেদী হাসান মিরাজের প্রোমশনের পর কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তা কমেছে টিম ম্যানেজমেন্টের। কেননা ওপেনার হিসেবে মিরাজ ৩ ম্যাচে দেখিয়েছেন তার যোগ্যতা।

সঙ্গী হিসেবে থাকা সাব্বির খোলস ছেড়ে বের হতে না পারলেও মিরাজ ছিলেন দুর্দান্ত।

এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনি খেলেন ২৬ বলে খেললেন ৩৮ রানের ইনিংস। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১২ রান করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেন ৩৭ বলে ৪৬ রানের ইনিংস।

এ দুইজনের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স। সাব্বির ছন্দ খুঁজে না পেলেও আশা হারাচ্ছেন না তিনি। একইসঙ্গে সিডনস মনে করছেন মিরাজকে মেরে খেলার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে বলেই এ পারফরম্যান্স দেখাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

সিডন্স বলেন, ‘হ্যাঁ (আমি খুশি)। বিশেষ করে মিরাজের ওপর। সাব্বির এখনও ছন্দ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছে। আজকে সে একটি শটের মাধ্যমে দেখিয়েছে ব্যাট হাতে কী করতে পারে। আমরা এটি আরও বেশি দেখতে চাই।’

তিনি যোগ করেন, ‘মিরাজের আত্মবিশ্বাস উঁচুতে। আমি ওকে টেস্ট ও ওয়ানডেতে দেখেছি ভালো ব্যাট করতে। সে এখন যা করছে তা পারবে আমি জানতাম। এখন শুধু ওকে বাড়তি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে টপঅর্ডারে নেমে শট খেলার। সে দারুণ করছে।’

আরও পড়ুন:
আবুধাবি টি-টেনে বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার
‘আমিরাতের বিপক্ষে জয় বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস জোগাবে’
চাপের মধ্যে একটা জয় দরকার ছিল: মিরাজ
সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল
বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা

মন্তব্য

খেলা
Shakib received bad news just before the World Cup

বিশ্বকাপের আগে শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব

বিশ্বকাপের আগে শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব ফাইল ছবি
সাকিবকে দুইয়ে ঠেলে দিয়ে একে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাবি। বর্তমানে তার রেটিং পয়েন্ট ২৪৬। দুইয়ে নেমে যাওয়া সাকিবের রেটিং পয়েন্ট ২৪৩।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাকি আর অল্প কিছুদিন। বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে দুঃসংবাদ এল সাকিব আল হাসানের জন্য। আইসিসি অলরাউন্ডিং র‍্যাঙ্কিংয়ের শ্রেষ্ঠত্ব হারিয়েছে তিনি।

বুধবার হালনাগাদকৃত আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের প্রথম স্থান হারিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের এই পোস্টার বয়।

সাকিবকে দুইয়ে ঠেলে দিয়ে একে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাবি। বর্তমানে তার রেটিং পয়েন্ট ২৪৬। দুইয়ে নেমে যাওয়া সাকিবের রেটিং পয়েন্ট ২৪৩।

জাতীয় দলের হয়ে সময়টা খুব একটা ভাল যাচ্ছিল না সাকিব আল হাসানের। পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

চলতি সিপিএলে পাঁচ ম্যাচে সাকিব নিয়েছেন ৮ উইকেট। অপরদিকে ব্যাট হাতে করেছেন ৮৯ রান। টানা দুই ম্যাচে ম্যাচসেরা হলেও টুর্নামেন্টের প্রথম কোয়ালিফায়ারে আবারও ব্যর্থ হয়েছে।

বার্বেডোস রয়্যালসের কাছে ৮৭ রানে হেরে গেছে সাকিবের দল গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স। ম্যাচে ২২ রানে ১ উইকেট নেয়ার পর ব্যাট হাতে সাকিব করেছেন ১ রান।

আরও পড়ুন:
‘আমিরাতের বিপক্ষে জয় বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস জোগাবে’
চাপের মধ্যে একটা জয় দরকার ছিল: মিরাজ
সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল
বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা
চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ

মন্তব্য

খেলা
Series against Emirates

দেশে ফিরে ছন্দে ফেরার আশ্বাস দিলেন সোহান

দেশে ফিরে ছন্দে ফেরার আশ্বাস দিলেন সোহান সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ জিতে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। ছবি: সংগৃহীত
দেশে ফিরে সোহান জানান সিরিজে জয় দলকে ছন্দে ফেরাতে সাহায্য করবে ও সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টি শেষ হয়েছে মঙ্গলবার রাতে। রাতে ম্যাচ শেষ করে বুধবার সকাল ৭.৪০ মিনিটে দেশে ফিরেছে নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন টি-টোয়েন্টি দল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপের ভরাডুবির পর এবার স্বাগতিক আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ জিতে দেশে ফিরেছে টাইগাররা।

নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আামিরাতকে ক্লিন সুইপ করেছে সোহানের দল। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ রান ঘাম ঝরানো জয়ের পর দ্বিতীয়টিতে ৩২ রানের জয় পায় টাইগাররা।

অস্ট্রেলিয়াতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে মূলত অনুশীলনের জন্য এ সিরিজের আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

দেশে ফিরে সোহান জানান সিরিজে জয় দলকে ছন্দে ফেরাতে সাহায্য করবে ও সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

বিমানবন্দরে বুধবার সকালে সোহান বলেন, ‘বিশ্বকাপের আগে এ সিরিজ ও ক্যাম্প আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। পুরো দল ভালো খেলেছে। এ জয়ের ধারা ত্রিদেশীয় সিরিজ ও বিশ্বকাপে কাজে আসবে।’

বিশ্বকাপের জন্য বিসিবি চূড়ান্ত দল ঘোষণা করে দিলেও টুর্নামেন্ট শুরুর আগ পর্যন্ত সুযোগ আছে পরিবর্তনের। সোহান মনে করেন বেঞ্চে বা স্ট্যান্ড বাই থাকা খেলোয়াড়রাও চলে আসতে পারেন বিশ্বকাপের দলে।

তিনি যোগ করেন, ‘বিশ্বকাপের স্কোয়াডে যে ১৮-২০ জন খেলোয়াড় আছে তাদের প্রত্যেকের সুযোগ আছে। বিশ্বকাপ অনেক বড় টুর্নামেন্ট। সবার জন্যই দরজা খোলা। তবে সিদ্ধান্তটা টিম ম্যানেজমেন্টের।’

আরও পড়ুন:
দুই জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশ
সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশের বোর্ডে ১৬৯
সিরিজ জয়ের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh prepared for the World Cup with a win

দুই জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশ

দুই জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশ বাংলাদেশের উইকেট উদযাপন। ছবি: বিসিবি
সিরিজ নিশ্চিতের ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৩২ রানে। সেই সুবাদে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি আরব আমিরাতকে ক্লিন সুইপ করেছে টাইগাররা।

আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই দিন আগে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ‘সহজ ম্যাচ’ জিতেছিল কঠিন করে। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সেই বাংলাদেশই জয় পেয়েছে হেসেখেলে।

সিরিজ নিশ্চিতের এ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৩২ রানে। সেই সুবাদে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি আরব আমিরাতকে ক্লিন সুইপ করেছে টাইগাররা।

বাংলাদেশের করা ১৬৯ রানের জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানেই থেমে যায় আমিরাতের ইনিংসের চাকা।

বাংলাদেশের দেয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে আরব আমিরাত। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২৮ রান তুললেও সপ্তম ওভারেই স্বাগতিকরা হারায় আরও দুই টপ অর্ডারকে। এতে করে স্কোরবোর্ডে ২৯ রান তুলতেই ৪ উইকেট নেই আমিরাতের।

দ্রুত চার টপ অর্ডারকে হারিয়ে খেই হারিয়ে ফেলা দলকে ট্র্যাকে ফেরানোর মিশনে নামেন চুন্দাঙ্গাপয়িল রিজওয়ান ও বাসিল হামিদ। দেখেশুনে খেলে এই দুই ব্যাটার এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন দলকে।

রানের গতি বাড়াতে না পারলেও উইকেটের লাগাম টেনে ধরেন এই দুই ব্যাটার। উইকেট কামড়ে ধরে অনবদ্য ব্যাটিংয়ে দলীয় সংগ্রহ শতরান পার করেন দুজন মিলে। বিপর্যয় এড়ালেও দলকে জয় এনে দিতে সক্ষম হননি তারা।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান তুলতেই ইনিংসের চাকা থামে আরব আমিরাতের। মোসাদ্দেক, তাসকিন, নাসুম ও এবাদত ভাগ করে নেন তাদের ৫ উইকেট। শুধুমাত্র মোসাদ্দেক পেয়েছেন ২ উইকেট।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে কেবলমাত্র সাব্বির রহমানের উইকেট হারিয়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৪৮ রান।

মাঠ ছাড়ার আগে সাব্বিরের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১২ রানের ইনিংস। দলের স্কোর তখন ৩.৪ ওভারে ২৭ রান।

কিন্তু সাব্বিরের বিদায় বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলতে পারেনি টাইগারদের পারফরম্যান্সে। মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাসের মারকুটে ব্যাটিংয়ের কারণে বাংলাদেশের রানের চাকার গতি কমাতেই পারছিল না আরব আমিরাতের বোলাররা।

রানের গতি কমাতে না পারলেও লিটনকে ২০ বলে ২৫ রানে থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল খান। আমিরাতের এই স্পিনারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে থামতে হয় ডানহাতি এই ব্যাটারকে।

সঙ্গী বিদায় নিলেও লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন মিরাজ। আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে গতি বাড়ান রানের চাকার। সেই সুবাদে ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৮৩ রান তোলে সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা আফিফকে অল্পতেই থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল। মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি খেলেন ১০ বলে ১৮ রানের ইনিংস।

তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে অর্ধশতকের দিকে ব্যাট ছোটান মিরাজ। ৩৭ বলে ৪৬ রান করে সাবির আলির এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পরে মাঠ ছাড়তে হয় তাকেও।

এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২৭, ইয়াসির আলি রাব্বির ২১ ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের ১৯ রানের সুবাদে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তোলে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল
বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা
চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ
ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের
আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়

মন্তব্য

খেলা
169 on the board for Bangladesh on a mission to save the series

সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশের বোর্ডে ১৬৯

সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশের বোর্ডে ১৬৯ লিটন দাসের ব্যাটিংয়ের একটি মুহূর্ত। ছবি: বিসিবি
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে কেবলমাত্র সাব্বির রহমানের উইকেট হারিয়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৪৮ রান।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আরব আমিরাতের সামনে রান পাহাড় দাঁড় করানোর ইঙ্গিত দিয়েও সেটিতে খুব একটা সফল হয়নি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

ইনিংসের শুরুতে মারকুটে ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখালেও সময়ের সাথে সাথে কমে যায় ব্যাটিংয়ের ধার। তবে রান পাহাড় দাঁড় করাতে না পারলেও স্বাগতিকদের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে কেবলমাত্র সাব্বির রহমানের উইকেট হারিয়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৪৮ রান।

মাঠ ছাড়ার আগে সাব্বিরের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১২ রানের ইনিংস। দলের স্কোর তখন ৩.৪ ওভারে ২৭ রান।

কিন্তু সাব্বিরের বিদায় বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলতে পারেনি টাইগারদের পারফরম্যান্সে। মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাসের মারকুটে ব্যাটিংয়ের কারণে বাংলাদেশের রানের চাকার গতি কমাতেই পারছিল না আরব আমিরাতের বোলাররা।

রানের গতি কমাতে না পারলেও লিটনকে ২০ বলে ২৫ রানে থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল খান। আমিরাতের এই স্পিনারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে থামতে হয় ডানহাতি এই ব্যাটারকে।

সঙ্গী বিদায় নিলেও লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন মিরাজ। আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে গতি বাড়ান রানের চাকার। সেই সুবাদে ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৮৩ রান তোলে সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা আফিফকে অল্পতেই থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল। মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি খেলেন ১০ বলে ১৮ রানের ইনিংস।

তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে অর্ধশতকের দিকে ব্যাট ছোটান মিরাজ। কিন্তু ৩৭ বলে ৪৬ রান করে সাবির আলির এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পরে মাঠ ছাড়তে হয় তাকেও।

এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২৭, ইয়াসির আলি রাব্বির ২১ ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের ১৯ রানের সুবাদে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তোলে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
সিরিজ জয়ের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টি-টেনে বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার
‘আমিরাতের বিপক্ষে জয় বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস জোগাবে’
চাপের মধ্যে একটা জয় দরকার ছিল: মিরাজ
আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়

মন্তব্য

p
উপরে