× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
The independent Bengali football team lost the left back
hear-news
player
google_news print-icon

লেফট ব্যাককে হারাল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল

লেফট-ব্যাককে-হারাল-স্বাধীন-বাংলা-ফুটবল-দল
৮০ দশকের অন্যতম সেরা লেফট উইংব্যাক ছিলেন আবদুল হাকিম। ছবি: সংগৃহীত
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের হয়ে ভারতের এলাহাবাদ, বিহার, বেনারস, পাঞ্জাবসহ বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ম্যাচে অংশ নেন শেখ আবদুল হাকিম।

নিজ শহর যশোরেই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় শেখ আবদুল হাকিমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার বাদ আছর যশোরের নতুন উপশহর মসজিদে জানাযার নামাজ শেষে ঘোপ কবরস্থানে তাকে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এর আগে, শনিবার রাত ২টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

রোববার দুপুরে আব্দুল হাকিমের মরদেহ যশোর শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে নিয়ে আসলে তাকে শেষবারের মতো দেখতে যান অনেকেই। পরে জেলা ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা তাকে ফুলের শ্রদ্ধা জানান।

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) অবসরপ্রাপ্ত প্রধান হকি কোচ কাওসার আলী জানান, শেখ আবদুল হাকিম ৩ বছর ধরে স্ট্রোকজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন। হাঁটা-চলা খুব কম করতে পারতেন বলে বাড়ি থেকে বেশি বের হতেন না। গত ২১ আগস্ট দিবাগত রাতে হঠাৎ করেই আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে যশোরের একটি ক্লিনিকে নেয়া হয়।

অবস্থার অবনতি হলে পরদিন সকালে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

আওসার আলী বলেন, ‘যশোরে আমাদের ফুটবলের দুই আইডল ছিলেন ওয়াজেদ গাজী এবং হাকিম ভাই। এর মধ্যে গাজী ভাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন অনেক আগেই। বেঁচে ছিলেন হাকিম ভাই। এবার তিনিও চলে গেলেন।’

আবদুল হাকিম সংক্ষিপ্ত জীবনী

আবদুল হাকিম আশির দশকের অন্যতম সেরা লেফট উইংব্যাক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের হয়ে অন্যদের মতোই বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরেন তিনি।

শেখ আবদুল হাকিম ১৯৪৯ সালের ৪ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত কাজীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এক ছেলে ও তিন কন্যা সন্তানের বাবা তিনি। ১৯৬৩ সালে যশোর উপশহরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে তার পরিবার।

শিক্ষা জীবনে ১৯৬৬ সালে যশোর মুসলিম অ্যাকাডেমি থেকে এসএসসি ও ১৯৬৮ সালে যশোর এমএম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৬৫ সালে যশোর মডেল হাইস্কুলের পক্ষে আন্তঃস্কুল খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হন। ওই বছর তিনি যশোর জেলা ফুটবল দলের হয়ে খেলায় অংশ নেন।

কর্মজীবনে ১৯৬৮ সালে খুলনা জুট মিলে পার্চেস অফিসার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৮ সালে ইস্ট পাকিস্তান যুব দলে যশোরের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনি সুযোগ পান। ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান সম্মিলিত বিশ্ববিদ্যালয় দলের পক্ষে অংশ নেন।

তার খেলার মূল পজিশন ছিল রাইট ব্যাক। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে লেফট ব্যাক হিসেবে খেলেছেন। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে ঢাকা লিগে দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে অংশ নেন। সেবার রানার্সআপ হয় তার দল। ১৯৭০ থেকে ৭৬ ইপিআইডিসিতে (বর্তমান বিজেএমসি) যোগদান করেন। সে সময় তিনি ঢাকায় অনুষ্ঠিত আগাখান গোল্ডকাপে অংশ নিয়ে বিদেশি দলগুলোর বিপক্ষে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন।

লেফট ব্যাককে হারাল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল

১৯৭২ সালে তিনি আসামের বরদুলই শিল্ড ও একই বছরে ঢাকা স্টেডিয়ামে কলকাতা মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গলের বিপক্ষে খেলায় অংশ নেন। ১৯৭৭ সালে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ও ১৯৭৮ সালে ওয়ারী ক্লাবের পক্ষে ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগে খেলেন। ১৯৭৩ এবং ১৯৭৫ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত মারদেকা আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের হয়ে ভারতের এলাহাবাদ, বিহার, বেনারস, পাঞ্জাবসহ বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ম্যাচে অংশ নেন শেখ আবদুল হাকিম।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় শেখ আবদুল হাকিমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান যশোর-৩ আসনের এমপি ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদসহ যশোর জেলার ক্রীড়াঙ্গনের অন্যান্যরা।

আরও পড়ুন:
আজও জাতীয় স্বীকৃতি পায়নি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
City won the derby 6 3 with Haaland Fodens hat trick

জোড়া হ্যাটট্রিকে জিতল সিটি

জোড়া হ্যাটট্রিকে জিতল সিটি ফিল ফোডেনের হ্যাটট্রিকের পর তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন আর্লিং হালান্ড। ছবি: এএফপি
আক্রমণাত্মক ফুটবলের তোড়ে ইউনাইটেডকে উড়িয়ে ৬-৩ গোলে ম্যাচ জিতে নিয়েছে সিটি। সিটির হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন আর্লিং হালান্ড ও ফিল ফোডেন। 

মৌসুমের প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে টানা ৪ ম্যাচ জয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একটা জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় ছিলেন ফুটবল ভক্তরা।

তেমনটা হয়নি। আক্রমণাত্মক ফুটবলের তোড়ে ইউনাইটেডকে উড়িয়ে ৬-৩ গোলে ম্যাচ জিতে নিয়েছে সিটি। সিটির হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন আর্লিং হালান্ড ও ফিল ফোডেন।

পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা চোখে আঙুল দিয়ে প্রথমার্ধে দেখিয়ে দেয় দুই দলের পার্থক্য। নিজ মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে সিটি।

ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণে যায় ম্যান সিটি। নিজ মাঠে তারা নাভিশ্বাস তুলে ফেলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের।

সুফলটাও পায় দ্রুত। ম্যাচের ৮ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর কাছ বাম প্রান্তে বল পেয়ে যান বার্নার্দো সিলভা। তিনি বল বাড়ান বক্সের কিনারায় থাকা ফিল ফোডেনের দিকে। চমৎকার শটে ঘরের দলকে লিড এনে দেন ফোডেন।

এগিয়ে যেয়েও প্রতিপক্ষকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি সিটি। ১৮ মিনিট ইলকায় গুন্দোয়ান ফ্রি কিক পোস্টে লেগে ফিরে না আসলে ২ গোলে এগিয়ে যেতে পারত স্বাগতিক দল।

জোড়া হ্যাটট্রিকে জিতল সিটি
সিটির হয়ে প্রথম গোলের পর উচ্ছ্বসিত ফিল ফোডেন। ছবি: টুইটার

তাতে হতাশ হয়নি স্বাগতিক দল। টানা আক্রমণ চালাতে থাকে গার্দিওলার সিটিজেনরা। দ্বিতীয়বারের মতো তারা ইউনাইটেডের রক্ষণ ভাঙে ৩৪ মিনিটে। কেভিন ডি ব্রুইনার কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে ম্যাচে নিজের প্রথম ও মৌসুমে নিজের ১২তম গোল করেন আর্লিং হালান্ড।

সিটিজেনরা ম্যাচভাগ্য নিশ্চিত করে দেয় ৩৭তম মিনিটে। আবারও ডি ব্রুইনা-হালান্ড কম্বিনেশন থেকে লিড বাড়িয়ে নেয় ম্যান সিটি।

মাঝমাঠ থেকে ডি ব্রুইনার নিখুঁত ক্রস বক্সের ভেতর পেয়ে যান অফসাইড ফাঁদকে ফাঁকি দেয়া হালান্ড। লক্ষ্যভেদ করতে কোনো ভুল করেননি নরয়েজিয়ান এ গোলমেশিন।

পুরোটা সময় ডি ব্রুইনাকে মাঝমাঠে থামাতে ব্যর্থ হয় ইউনাইটেড। যার খেসারত দিয়ে হয় ৪৩ মিনিটে আরও একবার। মাঝমাঠে বল পেয়ে বেশ খানিকটা ফাঁকা দৌঁড়ে হালান্ডকে বক্সের ডানদিকে ক্রস ছাড়েন ডি ব্রুইনা।

এবারে নিজে শট না নিয়ে ফিল ফোডেনের জন্য পাস বানিয়ে দেন হালান্ড। কাছ থেকে সিটির চতুর্থ গোল করেন এ তরুণ ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

৪-০ গোল ও ম্যাচ একরকম পকেটে নিয়ে বিরতিতে যায় চ্যাম্পিয়নরা। বিরতির বাঁশির আগে দুই দলের দুই ডিফেন্ডার চোটের কারণে মাঠ ছেড়ে যান।

চোট পাওয়া রাফায়েল ভারানের জায়গায় ইউনাইটেড মাঠে নামায় ভিক্টর লিন্ডেলফকে। আর সিটি অধিনায়ক কাইল ওয়াকার আহত হলে তার বদলি হিসেবে নামেন সার্হিও গোমেস।

বিরতির পর খেলা শুরু হলে কিছুটা আশার আলো দেখে ইউনাইটেড। ৫৬ মিনিটে নতুন রিক্রুট অ্যান্টনির দারুণ গোলে ব্যবধান কমায় সফরকারী দল।

ডি বক্সের বেশ খানিকটা বাইরে থেকে চমৎকার বাঁকানো শটে গোল করেন এ ব্রাজিলিয়ান।

নিজেদের চার গোলের পার্থক্য এর ৮ মিনিট পর ফিরে পায় সিটি। ৬৪ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন হালান্ড।

এবারে বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে যায় সিটি। গোমেসের নিঁচু ক্রস বক্সের ভেতরে খুঁজে পায় হালান্ডকে। নিজের মার্কার লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে পাত্তা না দিয়ে অনায়াসে নিজের তৃতীয় গোল করেন হালান্ড।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৩ হোম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন এ স্ট্রাইকার।

জোড়া হ্যাটট্রিকে জিতল সিটি
টানা তৃতীয় হোম ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর আর্লিং হালান্ডের উদযাপন। ছবি: এএফপি

শুধু গোল করে থামেননি হালান্ড। ৭২ মিনিটে ফোডেনকে বল বানিয়ে দেন তিনি। হালান্ডের অ্যাসিস্টে নিজের হ্যাটট্রিক তুলে নেন ফোডেন।

৩ পয়েন্ট নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর গার্দিওলা ৪ খেলোয়াড় বদল করেন। মাঠ ছেড়ে যান কেভিন ডি ব্রুইনা, ফিল ফোডেন, জ্যাক গ্রিলিশ ও ইলকায় গুন্দোয়ান।

তাদের বদলে মাঠে নামেন হুলিয়ান আলভারেস, রিয়াদ মাহরেজ, কোল পামার ও আয়মেরিক লাপোত।

ম্যাচের শেষ সময়ে আরও দুই গোল শোধ করে ইউনাইটেড। হেড করে প্রথমে স্কোরলাইনকে ৬-২ বানিয়ে দেন অ্যান্থনি মার্সিয়াল। আর অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি থেকেও একটি গোল করেন এ ফরাসি তারকা। তাতে ম্যাচের ফল পাল্টায়নি।

৬-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটি। এ জয়ে ৮ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনালের চেয়ে ১ পয়েন্ট পিছিয়ে টেবিলের দুইয়ে থাকল ম্যানচেস্টার সিটি।

আরও পড়ুন:
ম্যানচেস্টার ডার্বির প্রথমার্ধেই ইউনাইটেডের জালে ৪ গোল
ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ইনজুরি চেলসিতে
মাঠ দখলমুক্ত করে ফুটবল খেললেন মেয়র আতিকুল

মন্তব্য

খেলা
United scored 4 goals in the first half of the Manchester derby

ম্যানচেস্টার ডার্বির প্রথমার্ধেই ইউনাইটেডের জালে ৪ গোল

ম্যানচেস্টার ডার্বির প্রথমার্ধেই ইউনাইটেডের জালে ৪ গোল দলের পক্ষে প্রথম গোল করার পর উচ্ছ্বসিত ফিল ফোডেন। ছবি: টুইটার
পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা চোখে আঙুল দিয়ে প্রথমার্ধেই দেখিয়ে দিল দুই দলের পার্থক্য। নিজ মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে সিটি।

মৌসুমের প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে টানা ৪ ম্যাচ জয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একটা জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় ছিলেন ফুটবলভক্তরা।

তবে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা চোখে আঙুল দিয়ে প্রথমার্ধে দেখিয়ে দিল দুই দলের পার্থক্য। নিজ মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে সিটি।

ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণে যায় ম্যান সিটি। নিজ মাঠে তারা নাভিশ্বাস তুলে ফেলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের।

এর সুফলটাও পায় দ্রুত। ম্যাচের ৮ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর কাছ বাম প্রান্তে বল পেয়ে যান বার্নার্দো সিলভা। তিনি বল বাড়ান বক্সের কিনারায় থাকা ফিল ফোডেনের দিকে। চমৎকার শটে ঘরের দলকে লিড এনে দেন ফোডেন।

এগিয়ে গিয়েও প্রতিপক্ষকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি সিটি। ১৮ মিনিট ইলকায় গুন্দোয়ান ফ্রি কিক পোস্টে লেগে ফিরে না এলে ২ গোলে এগিয়ে যেতে পারত স্বাগতিক দল।

তাতে হতাশ হয়নি স্বাগতিক দল। টানা আক্রমণ চালাতে থাকে গার্দিওলার সিটিজেনরা। দ্বিতীয়বারের মতো তারা ইউনাইটেডের রক্ষণ ভাঙে ৩৪ মিনিটে। কেভিন ডি ব্রুইনার কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে ম্যাচে নিজের প্রথম ও মৌসুমে নিজের ১২তম গোল করেন আর্লিং হালান্ড।

সিটিজেনরা ম্যাচভাগ্য নিশ্চিত করে দেয় ৩৭তম মিনিটে। আবারও ডি ব্রুইনা-হালান্ড কম্বিনেশন থেকে লিড বাড়িয়ে নেয় ম্যান সিটি।

মাঝমাঠ থেকে ডি ব্রুইনার নিখুঁত ক্রস বক্সের ভেতর পেয়ে যান অফসাইড ফাঁদকে ফাঁকি দেয়া হালান্ড। লক্ষ্যভেদ করতে কোনো ভুল করেননি নরয়েজিয়ান এ গোলমেশিন।

পুরোটা সময় ডি ব্রুইনাকে মাঝমাঠে থামাতে ব্যর্থ হয় ইউনাইটেড। যার খেসারত দিয়ে হয় ৪৩ মিনিটে আরও একবার। মাঝমাঠে বল পেয়ে বেশ খানিকটা ফাঁকা দৌঁড়ে হালান্ডকে বক্সের ডানদিকে ক্রস ছাড়েন ডি ব্রুইনা।

এবারে নিজে শট না নিয়ে ফিল ফোডেনের জন্য পাস বানিয়ে দেন হালান্ড। কাছ থেকে সিটির চতুর্থ গোল করেন এ তরুণ ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

৪-০ গোল ও ম্যাচ একরকম পকেটে নিয়ে বিরতিতে যায় চ্যাম্পিয়নরা। বিরতির বাঁশির আগে দুই দলের দুই ডিফেন্ডার চোটের কারণে মাঠ ছেড়ে যান।

চোট পাওয়া রাফায়েল ভারানের জায়গায় ইউনাইটেড মাঠে নামায় ভিক্টর লিন্ডেলফকে। আর সিটি অধিনায়ক কাইল ওয়াকার আহত হলে তার বদলি হিসেবে নামেন সার্হিও গোমেস।

আরও পড়ুন:
ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ইনজুরি চেলসিতে
মাঠ দখলমুক্ত করে ফুটবল খেললেন মেয়র আতিকুল
আবুল হাসনাতের সম্মানে রোববার দক্ষিণ সিটিতে ছুটি ঘোষণা   

মন্তব্য

খেলা
Dybalas skill gave Roma a win for Napoli

দিবালার নৈপুণ্যে রোমার জয়, শীর্ষস্থান ধরে রাখল নাপোলি

দিবালার নৈপুণ্যে রোমার জয়, শীর্ষস্থান ধরে রাখল নাপোলি ইন্টারের বিপক্ষে গোলের পর পাওলো দিবালার উদযাপন। ছবি: টুইটার
তোরিনোকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে নাপোলি। আর ইন্টারমিলানের বিপক্ষে রোমার জয় ২-১ গোলের।

ইতালির সেরি আয় চলতি মৌসুমের শুরু থেকে দারুণ ছন্দে রয়েছে নাপোলি। তোরিনোর বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে নেপলসের ক্লাবটি। শনিবার রাতে জাম্বো আঙ্গুইসার জোড়া গোলের সঙ্গে ভিচা কাভারতশখিলার গোলে দারুণ জয় পায় তারা।

স্তাদিও ডিয়েগো ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে লিড নেয় নাপোলি। ৬ মিনিটের মাথায় মারিয়ু রুইয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে দারুণ শটে বল জালে জড়ান আঙ্গুইসা।

এর মিনিট ছয়েক পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ক্যামেরুনের এ মিডফিল্ডার। এবার নাপোলির মাতেও পলিতানোর পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এতে করে ম্যাচ শুরুর ১৫ মিনিটের মধ্যে ২-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

৩৭তম মিনিটে ভিচারর গোলে ব্যবধান আরও বাড়ায় দলটি। ৩-০তে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় নাপোলি।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় তোরিনো। নাপোলির ওপর উল্টো চাপ সৃষ্টি করে ব্যবধান কমান প্যারাগুইয়ান ফরোয়ার্ড আন্তোনিও সানাব্রিয়া। তার গোলে স্কোরলাইন ৩-১ গোলে পরিণত হলেও শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোলের দেখা পায়নি দুই দল।

এই জয়ে ৮ ম্যাচ খেলে ৬ জয় ২ ড্রয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে নাপোলি। ১০ পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে অবস্থান করছে টরিনো।

রাতের আরেক ম্যাচে ইন্টার মিলকে ২-১ হারিয়েছে রোমা। এ ম্যাচে মিলানের ফেদেরিকো দিমারকোর গোলে ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোমা।

ম্যাচের আধঘণ্টার মধ্যেই লিড নেয় মিলান। তবে বেশি সময় এগিয়ে থাকতে পারেনি দলটি।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড পাওলো দিবালার গোলের সমতায় ফিরে রোমা। ৩৯তম মিনিটে লিওনার্দো স্পিনাৎসোলার কাছ থেকে বল পেয়ে জালে জড়ান এ ফরোয়ার্ড। এতে করে ১-১ গোলে সমতায় ফেরে দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হলে দুই দল আক্রমণের চেষ্টা করে। ম্যাচের শেষ দিকে ৭৫তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে এগিয়ে যায় রোমা। ক্রিস স্মলিংয়ের গোলে ২-১ গোলে এগিয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল পরিশোধ করতে পারেনি মিলান। এতে করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দিবালারা।

সেরি আয় ৮ ম্যাচে ৫ জয় এক ড্র ও দুই হারে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে রয়েছে রোমা। সমানসংখ্যক ম্যাচ খেলে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে ইন্টার মিলান।

আরও পড়ুন:
দিবালার নৈপুণ্যে রোমার জয়
দিবালার জোড়া গোলে শীর্ষে রোমা
টানা জয়ে শীর্ষে রোমা, ইউভেন্তাসের ড্র

মন্তব্য

খেলা
Barca win with Lewandowskis goal

লেওয়ানডোভস্কির গোলে বার্সার জয়

লেওয়ানডোভস্কির গোলে বার্সার জয় রবার্ট লেওয়ানডোভস্কির সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা। ছবি: এএফপি
মায়োর্কাকে তাদের মাঠে ১-০ গোলে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছেছে বার্সেলোনা।

লা লিগায় মায়োর্কার মাঠে শনিবার রাতে ১-০ গোলে জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে বার্সেলোনা। এক ম্যাচ কম খেলে দুইয়ে থাকা আরেক স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের সামনে সুযোগ আছে রোববার ওসাসুনাকে হারিয়ে শীর্ষে ফেরার।

মায়োর্কার মাঠে ম্যাচের শুরুতে রবার্ট লেওয়ানডোভস্কির গোলে লিড নেয় বার্সেলোনা। প্রথমার্ধে লেভার গোলের পর খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি চাভি এর্নান্দেসের দল। দ্বিতীয়ার্ধে উল্টো চাপে পড়ে বার্সেলোনা।

ম্যাচের শুরুটা ভালো করে বার্সেলোনা। ২০তম মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে আনসু ফাতি প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে পাস দেন লেওয়ানডোভস্কির কাছে। বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে একজনকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন এ পোলিশ তারকা।

লা লিগার চলতি মৌসুমে টানা ৬ ম্যাচে গোল পেয়েছেন লেভা। পিচিচি ট্রফির দৌড়ে ৯ গোল নিয়ে শীর্ষে তিনি। বার্সেলোয়ার জার্সিতে সব মিলিয়ে তার গোল এখন ১২টি।

৩২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সু্যোগ আসে বার্সার, তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় লেভার করা হেড। এর পর পাল্টা আক্রমণে যায় মায়োর্কা। শেষ পর্যন্ত দলকে বিপদ মুক্ত করেন গোলকিপার মার্ক-আন্ড্রে টার স্টেগান।

বিরতির পর বার্সার গতি কিছুটা কমে যায়। তবে গোলের জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারছিলনা কেউই। শেষ পর্যন্ত ওই ১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

এ নিয়ে টানা ১৮ অ্যাওয়ে ম্যাচে অপরাজিত থাকল বার্সেলোনা।

চলতি মৌসুমে ৭ ম্যাচ খেলে ৬ জয় ও এক ড্রয়ে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে এক ম্যাচ কম খেলে সব ম্যাচে পূর্ণ পয়েন্ট (১৮) নিয়ে দুইয়ে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।

আরও পড়ুন:
মাদ্রিদ ডার্বি জিতে শীর্ষে রিয়াল
বার্সার বড় জয় লা লিগায়
৫ মিনিটেই ম্যাচ শেষ বার্সেলোনার

মন্তব্য

খেলা
PSG retained the top spot with consecutive wins

মেসি-এমবাপের গোলে ছুটছে পিএসজির জয়রথ

মেসি-এমবাপের গোলে ছুটছে পিএসজির জয়রথ কিলিয়ান এমবাপের জয়সূচক গোলের পর উদযাপন মেসি-নেইমারদের। ছবি: এএফপি
গত মৌসুমে পিএসজিতে যোগ দিয়ে লিগ ওয়ানে ২৬ ম্যাচে মেসি করেন ৬ গোল, তবে চলতি মৌসুমে সাতবারের ব্যালন ডর জয়ী এ তারকা ৯ ম্যাচেই করেছেন ৫ গোল। আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১২ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন তিনি।

মৌসুমের শুরু থেকে দুর্দান্ত ছন্দে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। প্যারিসে ঘরের ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গেলেও শেষ দিকে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়ে পিএসজি। তবে বদলি নেমে কিলিয়ান এমবাপের গোলে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ক্রিস্তোফ গলতিয়ের দল।

নিসকে হারিয়ে লিগ ওয়ানের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ফিরল চ্যাম্পিয়নরা।

প্যারিসে ঘরের মাঠে শনিবার রাতে নিসের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় পায় মেসি-নেইমার বাহিনী। এ দুই তারকার সঙ্গে এই ম্যাচে শুরুতে সুযোগ পাননি এমবাপে।

ম্যাচের শুরুতে মেসির গোলের এগিয়ে যায় পিএসজি। ২৮তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিকে আর্জেন্টাইন তারকার শট জালে জড়ালে লিড নেয় প্যারিসিয়ানরা। মেসি নিজে ফাউলের শিকার হলে ফ্রি-কিকটি পায় পিএসজি।

গত মৌসুমে পিএসজিতে যোগ দিয়ে লিগ ওয়ানে ২৬ ম্যাচে মেসি করেন ৬ গোল, তবে চলতি মৌসুমে সাতবারের ব্যালন ডর জয়ী এ তারকা ৯ ম্যাচেই করেছেন ৫ গোল। আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১২ ম্যাচে ৭টি গোল করেছেন তিনি।

৩৭তম মিনিটে আরও একটি ফ্রি-কিক পায় পিএসজি, তবে নেইমার তা কাজে লাগাতে পারেননি। ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায় বল।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর দুই মিনিটের মধ্যেই সমতায় ফিরে নিস। ফরাসি ফরোয়ার্ড লাবোর্দের গোলে স্কোরলাইন হয় ১-১।

৫৯তম মিনিটে একিতিকেকে তুলে এমবাপেকে মাঠে নামান পিএসজি কোচ গলতিয়ে। স্কোরলাইন সমতায় ফিরলে একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবেন না মেসি-এমবাপেরা।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে জয়সূচক গোলটি করেন ফরাসি তারকা এমবাপে।

বক্সে স্বদেশি ডিফেন্ডার নর্দি মুকিয়েলের পাসে প্রথম স্পর্শে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন এ ফরোয়ার্ড। ৯ ম্যাচে আট জয় ও এক ড্রয়ে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে পিএসজি। অন্যদিকে ৮ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে আছে নিস।

আরও পড়ুন:
ব্রাজিলের নির্বাচনে বলসোনারোকে নেইমারের সমর্থন
পিএসজির অনুশীলন নেই মেসি
পরের বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি

মন্তব্য

খেলা
Chaos at football field in Indonesia 129 killed in stampede

ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে হাঙ্গামা: পদদলিত হয়ে ১২৫ মৃত্যু

ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে হাঙ্গামা: পদদলিত হয়ে ১২৫ মৃত্যু ইন্দোনেশিয়ার উত্তর জাভা প্রদেশে মাঠে হাঙ্গামার সময় বিক্ষুব্ধ দর্শকদের সরানোর চেষ্টা করেন আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। ছবি: এএফপি
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর জাভা প্রদেশে শনিবার রাতে আরেমা ফুটবল ক্লাব ও পেরসেবায়া সুরাবায়ার মধ্যে ম্যাচ চলছিল। ম্যাচ শেষে পরাজিত দলের সমর্থকরা মাঠে নেমে হাঙ্গামা শুরু করে। তাদের সরাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়লে অনেকে পদদলিত হয়। শ্বাসকষ্টও শুরু হয় অনেকের মধ্যে।

ইন্দোনেশিয়ার উত্তর জাভা প্রদেশে ফুটবল মাঠে পরাজিত দলের সমর্থকদের হাঙ্গামার সময় পদদলিত হয়ে ১২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নতুন আপডেটে জানিয়েছে দেশটির সরকার। শুরুতে সংখ্যাটা ১৭৪ বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোকে জানিয়েছিল তারা। সংশোধনীতে পূর্ব জাভার ভাইস গভর্নর এমিল দারদাক জানান, নিহতদের তালিকায় অনেকের নাম দুইবার ওঠায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল।

স্থানীয় সময় শনিবারের ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৮০ জন।

উত্তর জাভা পুলিশের প্রধান নিকো আফিন্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শনিবার রাতে প্রদেশে আরেমা ফুটবল ক্লাব ও পেরসেবায়া সুরাবায়ার মধ্যে ম্যাচ চলছিল। ম্যাচ শেষে পরাজিত দলের সমর্থকরা মাঠে নেমে হাঙ্গামা শুরু করে। তাদের সরাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়লে অনেকে পদদলিত হয়। শ্বাসকষ্টও শুরু হয় অনেকের মধ্যে।

স্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলোর ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মালাং স্টেডিয়ামের দর্শক সারি থেকে লোকজন ফুটবল পিচের দিকে ছুটে যাচ্ছে। মাঠে মরদেহ বহনের ব্যাগও দেখা গেছে।

ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব নতুন নয়। ক্লাবগুলোর মধ্যে তীব্র স্নায়ুযুদ্ধ কখনও কখনও সমর্থকদের সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সর্বশেষ প্রাণহানির ঘটনার পর ইন্দোনেশিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী জাইনুদ্দিন আমালি স্থানীয় কম্পাসটিভিকে বলেন, ফুটবল ম্যাচের নিরাপত্তার বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করবে মন্ত্রণালয়। মাঠে দর্শকদের প্রবেশে অনুমতি না দেয়ার বিষয়টিও পরিকল্পনায় রয়েছে।

ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্দোনেশিয়া (পিএসএসআই) জানিয়েছে, মাঠে হাঙ্গামা ও প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে বিআরআই লিগা ওয়ানের ম্যাচগুলো এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

লিগের সর্বশেষ ম্যাচে আরেমাকে ৩-২ গোলে হারায় পেরসেবেয়া।

আরও পড়ুন:
রান্নার তেলের চরম সংকট ইন্দোনেশিয়ায়
ইন্দোনেশিয়ার বারে সংঘর্ষ, নিহত ১৯
আবারও সেমেরুতে অগ্ন্যুৎপাত, পালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে মৃত্যু বেড়ে ১৩
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ

মন্তব্য

খেলা
Liverpool draw Chelsea win

লিভারপুলের ড্রয়ের দিনে চেলসির জয়

লিভারপুলের ড্রয়ের দিনে চেলসির জয় ব্রাইটনের লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের কাছ থেকে বল দখলের লড়াইয়ে লিভারপুলের ফরোয়ার্ড জোয়েল মাতিপ। ছবি: এএফপি
প্রিমিয়ার লিগে ৭ ম্যাচে দুই জয় ও চার ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে নেমে গেছে লিভারপুল। সমান ম্যাচে চার জয় ও দুই ড্রয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে ব্রাইটন। অন্যদিকে ৭ ম্যাচে চার জয়, এক ড্র ও দুই হারে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে আছে চেলসি।

লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের দুই গোলে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ আলবিয়ন। জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত লিভারপুলের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে তারা।

প্রিমিয়ার লিগের শনিবার অ্যানফিল্ডে ব্রাইটন ও লিভারপুলের জমজমাট ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে। ব্রাইটনের হয়ে অসাধারণ একটি হ্যাটট্রিক করেন লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড। অন্যদিকে লিভারপুলের হয়ে জোড়া গোল করেন রবের্তো ফিরমিনো, অন্যটি আত্মঘাতী।

ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। ৪ মিনিটের মাথায় লিড নেয় ব্রাইটন। বক্সের ভেত্র বল বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল জালে জড়ান ট্রোসার্ড। এর মিনিট দশেক পর ব্যবধান দ্বিগুণ বেলজীয় ফরোয়ার্ড ট্রোসার্ড। এতে করে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় দলটি।

৩১তম মিনিটে বড় সুযোগ পায় অলরেডরা। মোহামেদ সালাহর দারুণ একটি শট ফিরিয়ে দেন ব্রাইটন গোলকিপার রবের্ত সানচেস। তবে এর দুই মিনিটের মাথায় সালাহ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল হয়নি।

৩৩তম মিনিটে ব্যবধান কমান ফিরমিনো। সালাহর কাছ থেকে বল পেয়ে গোলটি করেন ব্রাজিলীয় এ ফরোয়ার্ড।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৪তম মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। বদলি নামা লুইস দিয়াস মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে বক্সে ঢুকে পাস দেন ফিরমিনোকে। বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল জালে পাঠান ৩০ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড। হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

৬৩তম মিনিটে লিড নেয় লিভারপুল। ব্রাইটনের ডিফেন্ডার অ্যাডাম ওয়েবস্টারের গায়ে লেগে জালে জড়ালে ৩-২ এগিয়ে যায় ক্লপের দল।

তবে খেলা শেষ হওয়ার ৭ মিনিট আগে ট্রোসার্ডের দারুণ এক গোলে লিভারপুলের সমর্থকদের স্তব্ধ করে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন বেলজিয়ান উইঙ্গার। ফলে ৩-৩ গোলে ম্যাচ ড্র করে মাঠ ছাড়ে দল দুটি।

দিনের আরেক ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে শুরুতেই গোল হজম করে চেলসি, তবে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি।

ম্যাচের ৭ মিনিটের মাথায় ওডসন এডুয়ার্ডের গোলে লিড নেয় ক্রিস্টাল প্যালেস। প্রথমার্ধে দুই দলের কেউ আর কোনো গোলের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হলে পিয়ের-এমেরিক অবামেয়াংয়ের গোলে সমতায় ফিরে চেলসি।

ম্যাচের এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল ড্রয়ের দিকেই এগুচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে কনর ম্যাকগ্রেগরের গোলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি।

৭ ম্যাচে দুই জয় ও চার ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে নেমে গেছে লিভারপুল। সমান ম্যাচে চার জয় ও দুই ড্রয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে ব্রাইটন। অন্যদিকে ৭ ম্যাচে চার জয়, এক ড্র ও দুই হারে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে আছে চেলসি।

আরও পড়ুন:
শীর্ষস্থান ধরে রাখল আর্সেনাল
ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ইনজুরি চেলসিতে
ব্রেন্টফোর্ডকে হারিয়ে শীর্ষস্থান ফিরে পেল আর্সেনাল

মন্তব্য

p
উপরে