× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Bangladesh tried to get back into the match after the initial shock
hear-news
player
print-icon

শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা বাংলাদেশের

শুরুর-ধাক্কা-কাটিয়ে-ম্যাচে-ফেরার-চেষ্টা-বাংলাদেশের
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। ছবি: এএফপি
৩৮ ওভার শেষে ৫ উইকেটের খরচায় সফরকারীরা বোর্ডে তুলেছে ১৮২ রান।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ক্লিন সুইপ এড়ানোর মিশনে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুর ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। ৩৮ ওভার শেষে ৫ উইকেটের খরচায় সফরকারীরা বোর্ডে তুলেছে ১৮২ রান।

হারারেতে শেষ ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতগতিতে শুরু করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল বিজয়।

৮ ওভারে ৪১ রানের জুটি গড়েন দুইজন। নবম ওভারের প্রথম বলে রান আউটের শিকার হয়ে ফেরেন তামিম। টাইগার অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ১৯ রান।

পরের ওভারে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দশম ওভারের প্রথম বলে ব্র্যাড ইভানসের ডেলিভারিতে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত। শূন্য রানে ফেরেন তিনি।

এর তিন বল পরই রানের খাতা খোলার আগে ফেরেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।

দ্রুত তিন উইকেট পতনের ধাক্কা সামাল নিয়ে দলকে টেনে তোলার মিশনে নামেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও এনামুল বিজয়। দুইজন ৭৭ রানের জুটি গড়ে খাদের কিনারা থেকে ম্যাচে ফেরান বাংলাদেশকে।

দলীয় ১২৪ রানে বিজয়ের বিদায়ে ভাঙে সেই প্রতিরোধ গড়া জুটি। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৭১ বলে ৭৬ রান।

সঙ্গীর বিদায়ে বিচলিত না হয়ে লড়াই চালিয়ে যান রিয়াদ। সঙ্গে নেন আফিফ হোসেনকে।

ব্যক্তিগত ৩৯ রানে রিচার্ড এনগারাভার শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় রিয়াদকে। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ১৭৩ রানে পতন ঘটে টাইগারদের পঞ্চম উইকেটের।

আরও পড়ুন:
মাঠে আক্রমণাত্মক কোচ চায় বিসিবি
চুক্তি থেকে সরে আসতে সাকিবের সঙ্গে বিসিবির আলোচনা
আঙুলের অস্ত্রোপচারের জন্য সিঙ্গাপুরে সোহান
দেশের উইকেটে অনেক ভুল আড়ালে থেকে যায়: ডমিঙ্গো
ইনিংস বড় করতে না পারাটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে, বললেন তামিম

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Guyana in the playoffs with Shakibs stormy batting

সাকিবের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্লে অফে গায়ানা

সাকিবের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্লে অফে গায়ানা সতীর্থদের সঙ্গে সাকিবের উইকেট উদযাপন। ছবি: টুইটার
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের দশম ম্যাচে সাকিবের টর্নেডো ব্যাটিংয়ে গায়ানা জয় পেয়েছে ৫ উইকেটে। অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন সাকিব আল হাসান।

দল ছিল টেবিলের তলানিতে, কিন্তু সাকিব আল হাসানের আগমনের পর যেন ভাগ্যদেবতা মুখ তুলে চেয়েছে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের দিকে। টানা হারে তলানিতে থাকা দলটি হ্যাটট্রিক জয়ে উঠে এসেছে টেবিলের দুইয়ে।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের দশম ম্যাচে সাকিবের টর্নেডো ব্যাটিংয়ে গায়ানা জয় পেয়েছে ৫ উইকেটে। অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন সাকিব।

প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে গায়ানার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ১২৫ রানেই গুটিয়ে যায় বার্বাডোজ রয়্যালস। জবাবে ৩৩ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় গায়ানা।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে জেসন হোল্ডারের ৩৯ বলে ৪২, আজম খানের ২৪ বলে ২০, ওবেদ ম্যাকয়ের ৩ বলে ১০ ও রেমন সায়মন্ডসের হার না মানা ৬ বলে ১৩ রানের ইনিংসের সুবাদে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও ১২৫ রানের পুঁজি পায় বার্বাডোজ।

বল হাতে ২.৩ ওভার করে ১২ রান খরচায় এক উইকেট নেন সাকিব।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৮ রানে দুই ওপেনারকে হারালেও সাকিবের ৩০ বলে ৫৩ রানের ইনিংসের সুবাদে জয়ের ভিত পায় গায়ানা। শেষের দিকে শেমরন হেটমায়ারের ৫ বলে ১০ ও কেমো পলের ১০ বলে ১২ রানের সুবাদে ৩৩ বল হাতে রেখেই জয় বাগিয়ে নেয় ওয়ারিয়র্স।

সিপিএলের চলতি আসরে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে রানের খাতা খোলার আগে সাজঘরে ফিরতে হলেও সাকিব খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দেন তৃতীয় ম্যাচেই। আর চতুর্থ ম্যাচে দেখিয়ে দেন অলরাউন্ড কারিশমা।

আরও পড়ুন:
সাকিব নৈপুণ্যে গায়ানার জয়
সিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে ২ উইকেট শিকার সাকিবের
ওয়ারিয়র্সের হয়ে জ্বলে উঠতে পারেননি সাকিব
ওয়ারিয়র্স ক্যাম্পে যোগ দিলেন সাকিব

মন্তব্য

খেলা
Pakistans victory in the thrill of the last over

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জয় পাকিস্তানের

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জয় পাকিস্তানের জয় উদযাপনে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। ছবি: সংগৃহীত
শেষ ওভারে জয়ের জন্য সফরকারী ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৪ রান। মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা সে ওভারের প্রথম বল ডট হলেও দ্বিতীয়টিতে রান আউট হন রিস টপলি। আর তাতেই ৪ বল হাতে রেখে ৩ রানের নাটকীয় জয় পায় পাকিস্তান।

সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১২ বলে ৯ রান । হাতে তিন উইকেট। বল হাতে ইনিংসের ১৯তম ওভারের প্রথম ডেলিভারিটি দেন হারিস রউফ। সে বল থেকে আসেনি কোনো রান।

ওভারের দ্বিতীয় বলেই হারিসকে হজম করতে হয় বাউন্ডারি, যার সুবাদে ১০ বলে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫ রানে।

নাটকের শেষটা হয়তো হতে পারত সে ওভারেই, কিন্তু তা হয়নি। বাউন্ডারি হজমের পরের দুই বলে ব্যাক টু ব্যাক লিয়ান ডওসন ও ওলি স্টোনের উইকেট তুলে নেন হারিস। আর তাতেই ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য সফরকারীদের প্রয়োজন ৪ রান। মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা সে ওভারের প্রথম বল ডট হলেও দ্বিতীয়টিতে রান আউট হন রিস টপলি। আর তাতেই ৪ বল হাতে রেখে ৩ রানের নাটকীয় জয় পায় পাকিস্তান।

এ জয়ে ৭ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-২-এ সমতায় ফিরল পাকিস্তান।

লাহোর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৬৭ বলে ৮৮, বাবর আজমের ২৮ বলে ৩৬, শান মাসুদের ১৯ বলে ২১ ও আসিফ আলির ৩ বলে ১৩ রানের ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬৬ রানের পুঁজি পায় পাকিস্তান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয় পিছু নেয় ইংল্যান্ডের। ১৪ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন ফিল সল্ট, অ্যালেক্স হেলস ও উইল জ্যাকস।

বেন ডাকেটের ৩৩, হ্যারি ব্রুকের ৩৪, দলপতি মঈন আলির ২৯ ও লিয়াম ডওসনের ২৪ রানের ইনিংসের সুবাদে জয়ের সুবাস পাচ্ছিল সফরকারীরা, কিন্তু শেষ দুই ওভারে হারিস রউফ ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের নাটকীয় বোলিংয়ে জয়ের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড।

পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ নাওয়াজ ও হারিস রউফ নেন ৩টি করে উইকেট। মোহাম্মদ হাসনাইন নেন দুটি। ওয়াসিমের ঝুলিতে যায় একটি উইকেট।

আরও পড়ুন:
বাঁধ বানাতে পাকিস্তানে ৬৩ মিলিয়নের বিজ্ঞাপন, উঠেছে ৪০ মিলিয়ন ডলার
বন্যার পর পাকিস্তানে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু
চলে গেলেন সাবেক এলিট আম্পায়ার আসাদ রাউফ
অস্ত্রোপচার ছাড়াই একসঙ্গে ৬ সন্তানের জন্ম
পাকিস্তানের বন্যার্তদের পাশে গুগল

মন্তব্য

খেলা
Sohan explains the reason for the sweaty win

ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের

ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের মাঠে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সোহান বলেন, ‘পাওয়ার প্লেতে ওরা ভালো বোলিং করেছে, আমরা তিন উইকেট হারিয়েছি। শিশির থাকায় আমাদের বোলারদের গ্রিপে সমস্যা হচ্ছিল। বুঝতে পেরেছিলাম যে ১০ থেকে ১৫ রান কম হয়ে গেছে।’

স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশ শিবিরে রীতিমতো কাঁপন ধরে গিয়েছিল।

ম্যাচে বাংলাদেশ ৭ রানে জয় পেলেও তা বাগিয়ে নিতে ঘাম ঝরাতে হয়েছে সোহান ও সতীর্থদের।

ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর আফিফ হোসেন ধ্রুবর শক্ত হাতে ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিদের সামনে ১৫৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয়া সম্ভব হয় বাংলাদেশের। জবাবে জয়ের বেশ কাছাকাছি গিয়েও হারকে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়তে হয় আমিরাতকে।

অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও জয় পেতে বেশ বেগ পেতে হয় টাইগারদের। কেন এমনটা হলো তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ দলপতি নুরুল হাসান সোহান।

ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে জাতীয় দলের অধিনায়কদের একটি নিয়মিত আক্ষেপ হলো দলীয় সংগ্রহ ১০ থেকে ১৫ রান কম হওয়া। সে বিষয়টিকেই সামনে আনলেন সোহান।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সোহান বলেন, ‘পাওয়ার প্লেতে ওরা ভালো বোলিং করেছে, আমরা তিন উইকেট হারিয়েছি। শিশির থাকায় আমাদের বোলারদের গ্রিপে সমস্যা হচ্ছিল।

‘বুঝতে পেরেছিলাম যে ১০ থেকে ১৫ রান কম হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাওয়ার প্লেতে আমরা উইকেট হারিয়েছি, কিন্তু আমাদের বোলার শরিফুল ও মিরাজ ডেথ ওভারে খুব ভালো বোলিং করেছে।

‘আফিফ সত্যিই ভালো খেলেছে। স্ট্রাইক রোটেট করেছে এবং এটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

আরও পড়ুন:
ফেডেরারের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা মুশফিকের
আমিরাতের অনুশীলন বিশ্বকাপে কাজে আসবে: হেরাথ
আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা
জয়ে ফেরার প্রত্যাশা নিয়ে আমিরাত গেল বাংলাদেশ দল
আমিরাতের বিপক্ষে দলে নেই সাকিব-মাহেদী, অধিনায়ক সোহান

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh in the World Cup as champions

অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ৭ রানের জয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানার দল। সেই সুবাদে অপরাজিত থেকে শিরোপা জয় করল টাইগ্রেসরা।

আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের মিশন শুরু করেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। ফাইনালে প্রতিপক্ষ সেই আয়ারল্যান্ড। সেই ম্যাচেও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

সেমিফাইনাল জয়ের পর বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করে ফেলে সালমা-রুমানারা। ফাইনাল ছিল মর্যাদার লড়াই। সে লড়াইও জিতল বাংলাদেশ।

২০২৩ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানার দল। সেই সুবাদে অপরাজিত থেকে শিরোপা জয় করল টাইগ্রেসরা।

বাংলাদেশের দেয়া ১২১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে টাইগ্রেস বোলারদের বোলিং নৈপূণ্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান তুলতে সক্ষম হয় আয়ারল্যান্ড।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে আইরিশরা। স্কোরবোর্ডে ২৪ রান তুলতেই তারা হারিয়ে বসে ৩ উইকেট।

তিন টপ অর্ডার এমি হান্টার, গ্যাবি লুইস ও অর্লা পেনডারগাস্টকে মাঠ ছাড়তে হয় এক অঙ্কের ঘরে আটকে থেকে।

কিছু সময়ের জন্য লড়াই করলেও রুমানা আহমেদের শিকার বনে ১২ রানে হাল ছাড়তে হয় অধিনায়ক লরা ডেনলি ও ১৮ রান করা এইমার রিচার্ডসনকে।

মূলত এরপর আর কার্যকরী ইনিংস খেলা সম্ভব হয়নি আর কোন আইরিশ ব্যাটারের পক্ষে। ফলে ১১৩ রানে থেমে যায় আয়ারল্যান্ডের রানের চাকা।

বাংলাদেশের হয়ে রুমানা আহমেদ ২৪ রানে ৩টি উইকেট নিয়ে ছিলেন সেরা বোলার। এছাড়া সোহেলি আক্তার, নাহিদা আক্তার ও সানজিদা আক্তার ২টি করে উইকেট নেন।

এর আগে আবুধাবির শেখ আবু জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে মন্থর গতির শুরুর পর ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় ২৩ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের। আর্লিন কেলির শিকার হয়ে ৬ রান করে সাজঘরের পথ ধরতে হয় মুর্শিদা খাতুনকে।

এরপর ফারজানা হক উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে নিগার সুলতানাকে নিয়ে লড়াই শুরু করলেও বেশিদূর যাওয়া সম্ভব হয়নি। দলীয় ৪৭ রানে সারা মুরের শিকার বনে ৬ রানে মাঠ ছাড়তে হয় নিগারকে।

উইকেটের একপ্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিল চলতে থাকলেও শক্তহাতে হাল ধরে রাখেন ফারজানা। দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করিয়ে ৫৫ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

ফারজানার উইকেট পতনের পর তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে টাইগ্রেসদের ইনিংস।

রুমানা ২০ বলে ২১ করলেও সোবহানা মোস্তারি, রিতু মণি, সালমা খাতুন, লতা মন্ডলকে সাজঘরের পথ ধরতে হয় এক অঙ্কের ধরে আটকে থেকে।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৮ উইকেটে ১২০ রান।

আরও পড়ুন:
আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনায়াস জয় বাংলাদেশের
আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বাছাইপর্ব শুরু সালমাদের
চোটে বাছাইপর্ব শেষ জাহানারার, করোনা আক্রান্ত পিংকি
প্রথম নারী এফটিপিতে টাইগ্রেসরা খেলবে ৫০ ম্যাচ

মন্তব্য

খেলা
Bangladeshs sweaty victory against the Emirates

আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়

আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় আরব আমিরাতের বিপক্ষে স্লগ সুইপ খেলছেন লিটন দাস। ছবি: আইসিসি
১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সব উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানে থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। ৭ রানের জয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ জয় দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ। টাইগারদের দেয়া ১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সব উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানে থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস।

৭ রানের জয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে এটি টাইগারদের তৃতীয় জয়।

আফিফ হোসেনের ব্যাটিং নৈপুণ্যে বাংলাদেশের করা ১৫৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালো হয় আরব আমিরাতের। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে স্কোরবোর্ডে তারা তোলে ১ উইকেটের খরচায় ৪৩ রান। যেখানে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটের খরচায় ৪২।

আমিরাতের প্রথম উইকেটের দেখা পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ইনিংসের পঞ্চম ওভার পর্যন্ত। মারকুটে শুরুর পর মোহাম্মদ ওয়াসিমের আউট হওয়ার মধ্য দিয়ে ভাঙে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি।

উইকেট তুলেও বাংলাদেশ স্বাগতিকদের রানের গতি কমাতে পারেনি চিরাগ সুরি ও আরিয়ান লাকরার কল্যাণে। মেহেদীর বলে দলীয় ৬৬ রানে সুরির সাজঘরে ফেরার পরই ধসে পড়া শুরু করে আমিরাতের ব্যাটিং লাইনআপ।

লাকরা ১৯, ভৃত্য আরভিন্দ ১৬, আরিয়ান আফজাল ২৫ ও কার্তিক মেইয়াপান ১২ ছাড়া দুই অঙ্কের রান ছোঁয়া সম্ভব হয়নি আর কোনো ব্যাটারের পক্ষে। শেষ পর্যন্ত ১৫১ রানে থেমে যায় আরব আমিরাতের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন মেহেদী মিরাজ। ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। শরীফুল ইসলাম ৩ উইকেট নেন ২১ রানে। আর মুস্তাফিজুর রহমান ৩১ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় ১১ রানে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান। সাবির আলির শিকার বনে রানের খাতা খোলার আগে ফিরতে হয় তাকে।

লিটন কুমার দাস ফেরেন ১৩ রানে আর মেহেদী মিরাজ বিদায় নেন ১২ রান করে।

উইকেটের এক প্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান আফিফ হোসেন। সঙ্গী ইয়াসির রাব্বি ও মোসাদ্দেক হোসেন দুই অঙ্কের রান ছুঁতে ব্যর্থ হলেও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে দলীয় শতরান পার করেন।

পাশাপাশি মারকুটে ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক তুলে নেন আফিফ। আফিফ-সোহান জুটিতে ভর করেই আরব আমিরাতের সামনে খেই হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশ খুঁজে পায় পথ।

শেষ পর্যন্ত আফিফের অপরাজিত ৫৫ বলে ৭৭ ও সোহানের হার না মানা ২৫ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে দেড় শ ছাড়ায় সফরকারী দলের ইনিংস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় তারা।

আরও পড়ুন:
আমিরাতের অনুশীলন বিশ্বকাপে কাজে আসবে: হেরাথ
আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা
জয়ে ফেরার প্রত্যাশা নিয়ে আমিরাত গেল বাংলাদেশ দল
আমিরাতের বিপক্ষে দলে নেই সাকিব-মাহেদী, অধিনায়ক সোহান
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সেমিতে বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
120 on the board for the Tigresses in the title decider

ফাইনালে নারী ক্রিকেটাররা দিলেন ১২১ রানের টার্গেট

ফাইনালে নারী ক্রিকেটাররা দিলেন ১২১ রানের টার্গেট শিরোপার সঙ্গে দুই দলের অধিনায়ক। ছবি: সংগৃহীত
নিয়মরক্ষার ফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে ১২১ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে টাইগ্রেসরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১২০ রান।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত হয়েছে আগেই। বাছাই পর্বের ফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে ১২১ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে টাইগ্রেসরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১২০ রান।

আবুধাবির শেখ আবু জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে মন্থর গতির শুরুর পর ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় ২৩ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের। আর্লিন কেলির শিকার হয়ে ৬ রান করে সাজঘরের পথ ধরতে হয় মুর্শিদা খাতুনকে।

এরপর ফারজানা হক উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে নিগার সুলতানাকে নিয়ে লড়াই শুরু করলেও বেশিদূর যাওয়া সম্ভব হয়নি। দলীয় ৪৭ রানে সারা মুরের শিকার বনে ৬ রানেই মাঠ ছাড়তে হয় নিগারকে।

উইকেটের একপ্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিল চলতে থাকলেও শক্তহাতে হাল ধরে রাখেন ফারজানা। দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করে ৫৫ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

ফারজানার উইকেট পতনের পর তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে টাইগ্রেসদের ইনিংস।

রুমানা ২০ বলে ২১ করলেও সোবহানা মোস্তারি, রিতু মণি, সালমা খাতুন, লতা মন্ডলকে সাজঘরের পথ ধরতে হয় এক অঙ্কের ধরে আটকে থেকেই।

আরও পড়ুন:
আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনায়াস জয় বাংলাদেশের
আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বাছাইপর্ব শুরু সালমাদের
চোটে বাছাইপর্ব শেষ জাহানারার, করোনা আক্রান্ত পিংকি
প্রথম নারী এফটিপিতে টাইগ্রেসরা খেলবে ৫০ ম্যাচ

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh set Emirates a target of 159 runs

আমিরাতকে ১৫৯ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

আমিরাতকে ১৫৯ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ আফিফের লড়াকু ব্যাটে আমিরাতের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের। ছবি: বিসিবি
আফিফের অপরাজিত ৫৫ বলে ৭৭ ও সোহানের হার না মানা ২৫ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানের লড়াকু পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুই ম্যাচের প্রস্তুতি সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আরব আমিরাতকে ১৫৯ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৫৮ রান।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় ১১ রানে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান। সাবির আলির শিকার বনে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় তাকে।

অল্পতে ফিরতে হয় লিটন কুমার দাস (১৩) ও মেহেদী হাসান মিরাজকেও (১২)।

তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে লড়াই চালিয়ে যান আফিফ হোসেন ধ্রুব। সঙ্গী রাব্বি ও মোসাদ্দেক দুই অঙ্কের রান ছুঁতে ব্যর্থ হলেও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে দলীয় শতরান পার করেন করেন।

পাশাপাশি মারকুটে ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক তুলে নেন আফিফ। আফিফ-সোহান জুটিতে ভর করেই আরব আমিরাতের সামনে খেই হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশ খুঁজে পায় ট্র্যাক।

শেষ পর্যন্ত আফিফের অপরাজিত ৫৫ বলে ৭৭ ও সোহানের হার না মানা ২৫ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানের লড়াকু পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
‘জয়ের অভ্যাসে’ ফিরতে আমিরাতের বিপক্ষে নামছে বাংলাদেশ
আমিরাতের অনুশীলন বিশ্বকাপে কাজে আসবে: হেরাথ
আর বাছাই পর্ব খেলতে চান না জ্যোতি-সালমারা
জয়ে ফেরার প্রত্যাশা নিয়ে আমিরাত গেল বাংলাদেশ দল
আমিরাতের বিপক্ষে দলে নেই সাকিব-মাহেদী, অধিনায়ক সোহান

মন্তব্য

p
উপরে