× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Liton was knocked out due to injury and there is concern about playing in the Asia Cup
hear-news
player
print-icon

ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন লিটন, এশিয়া কাপ খেলা নিয়ে শঙ্কা

ইনজুরিতে-ছিটকে-গেলেন-লিটন-এশিয়া-কাপ-খেলা-নিয়ে-শঙ্কা
হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরির পর স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়ছেন লিটন। ছবি: এএফপি
বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, লিটনের পেশিতে স্ক্যানের পর গ্রেড টু মাসল স্ট্রেইন ধরা পড়েছে। যে কারণে চলতি মাসের বাকিটা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হবে ডানহাতি এই ব্যাটারকে।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাট হাতে আগ্রাসী হয়ে ওঠা লিটন ম্যাচের ৩৩.২ ওভারে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ে মাঠ ছাড়েন। সিকান্দার রাজার ওভারে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে পেশিতে টান লাগে অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারের।

লিটনের ইনজুরিতে পড়ার সময় ধারাভাষ্যকার সিকান্দার বখত আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ডানহাতি এই ব্যাটার হয়তো ছিটকে যেতে পারেন চার-ছয় সপ্তাহের জন্য। সে সময় বোঝা যাচ্ছিল যে বাকি দুই ওয়ানডে আর খেলা হচ্ছে না লিটনের।

বোর্ডের থেকে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনও জানানো না হলেও ম্যাচ শেষে লিটনের সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওয়ানডে দলপতি তামিম ইকবাল।

তামিম বলেন, ‘লিটনের চোট আমাদের বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। সে মনে হয় না সিরিজে আর খেলবে। আমি এটুকুই জানি। বাকিটা পরে শুনে বলতে পারব।’

বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, লিটনের পেশিতে স্ক্যানের পর গ্রেড টু মাসল স্ট্রেইন ধরা পড়েছে। যে কারণে চলতি মাসের বাকিটা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হবে ডানহাতি এই ব্যাটারকে।

ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া নিশ্চিত হলেও এখনও শঙ্কায় রয়েছে লিটনের এশিয়া কাপে অংশ নেয়া। যদি তিন-চার সপ্তাহের জন্য সত্যিই তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হয়, তবে নিশ্চিতভাবেই আসন্ন এশিয়া কাপে দল পাবে না তাকে।

২৭ আগস্ট থেকে মাঠে গড়াবে এশিয়া কাপের চলতি বছরের আসর। ৩০ আগস্ট আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে এশিয়া কাপের মিশন শুরু হবে বাংলাদেশের।

টুর্নামেন্ট সামনে রেখে চলতি সপ্তাহে দল ঘোষণা করার কথা বোর্ডের।

আরও পড়ুন:
৮ হাজারের মাইলফলকে প্রথম তামিম
উইন্ডিজ সফরে প্রথম দিন বিপাকে ‘এ’ দল
শুরুতে মজবুত লিটন ও তামিম
প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টির হতাশা ভুলে ওয়ানডেতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Ian Chappells departure from the commentary box

কমেন্ট্রি বক্স থেকে ইয়ান চ্যাপেলের বিদায়

কমেন্ট্রি বক্স থেকে ইয়ান চ্যাপেলের বিদায় অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল। ছবি: টুইটার
টনি গ্রেগ ও বিল লরির সঙ্গে মিলে ধারাভাষ্যকারদের মধ্যে জনপ্রিয় ও সেরা প্যানেলের অংশ ছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া ও বিশ্ব ক্রিকেটে চ্যাপেলের বিশ্লেষণকে ধরা হতো অন্যতম সেরা।

আনুষ্ঠানিকভাবে ধারাভাষ্য থেকে বিদায় নিলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল। ক্রিকেট থেকে অবসরের পর ৪৩ বছর ধারাভাষ্যের সাথে যুক্ত ছিলেন চ্যাপেল। সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের উদ্ধৃতি দিয়ে চ্যাপেলের ধারাভাষ্য ছাড়ার খবর নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল।

১৯৮০ সালে সবশেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেন চ্যাপেল। আর ১৯৮০-৮১ সালে চ্যানেল নাইনের সঙ্গে ধারাভাষ্যকার হিসেবে চুক্তি করেন তিনি। পাশাপাশি এবিসিতে ক্রীড়া সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ শুরু করেন চ্যাপেল।

টনি গ্রেগ ও বিল লরির সঙ্গে মিলে ধারাভাষ্যকারদের মধ্যে জনপ্রিয় ও সেরা প্যানেলের অংশ ছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া ও বিশ্ব ক্রিকেটে চ্যাপেলের বিশ্লেষণকে ধরা হতো অন্যতম সেরা।

আধুনিক যুগের মাইকেল স্ল্যাটার, নাসের হুসেইন, মার্ক নিকোলাসরা ধারাভাষ্যে চ্যাপেলকে অন্যতম শিক্ষক মেনেছেন শুরু থেকে। সহ-ধারাভাষ্যকারদের কাছে প্রিয় ‘চ্যাপেলি’ ছিলেন একাধারে পথপ্রদর্শক ও বন্ধু। কমেন্ট্রি বক্স থেকে অবসরের সঙ্গে ক্রিকেট ক্যারিয়ারে অবসরের মিল পেয়েছেন চ্যাপেল।


তিনি বলেন, ‘আমার ওই দিনের কথা মনে পড়ে। যখন আমি বুঝেছিলাম যথেষ্ট ক্রিকেট খেলেছি। আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম, সময়টা ছিল ৫টা ১১ মিনিট এবং ওই সময় ভাবলাম আমাকে যেতে হবে।’

১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৭৫ টেস্টে ৫,৩৪৫ ও ১৬ ওয়ানডেতে ৬৭৩ রান করেছেন চ্যাপেল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩০ টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্ট কালের বিরতি নিলেন মেগ ল্যানিং
‘মরে যাচ্ছে ওয়ানডে ক্রিকেট’
অস্ট্রেলিয়া দল থেকে বিশ্রামে কামিন্স

মন্তব্য

খেলা
A team batters could not cope with the wicket and bounce

উইকেট ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেননি ‘এ’ দলের ব্যাটাররা

উইকেট ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেননি ‘এ’ দলের ব্যাটাররা বাংলাদেশ এ দলের কোচ মিজানুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
দুই ম্যাচ ড্রয়ে আশানুরূপ ফল না এলেও সব মিলিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের কোচ মিজানুর রহমান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে প্রথম চার দিনের টেস্ট ড্রয়ের পর দ্বিতীয়টিতেও ড্র করেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। জয়ের লক্ষ্য থাকলেও বৃষ্টি আর কন্ডিশনের বাধায় ম্যাচে সফলতা আসেনি বাংলাদেশের।

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ এ দল প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ১৬৭ রানে। ফিফটি করেন কেবল মিঠুন। দ্বিতীয় ম্যাচে সাইফ হাসানের ব্যাটিংয়ের কারণে বাকিদের ব্যর্থতা চোখে পড়েনি । ৩৪৮ বলে ১৪৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। সাইফ ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই ফিফটির দেখা পাননি। ৯ উইকেটে ৩০০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দল।

দুই ম্যাচ ড্রয়ে আশানুরূপ ফল না এলেও সব মিলিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ এ দলের কোচ মিজানুর রহমান।

বিসিবির পাঠানো এক ভিডিওতে রোববার তিনি বলেন, ‘এক দেশ থেকে অন্য দেশে এলে যে ধরনের সমস্যায় পড়তে হয় আমরাও সে রকম সমস্যায় পড়েছি। উইকেটের সঙ্গে শুরুতে মানিয়ে নিতে পারিনি। পেশাদার খেলোয়াড়দের এসব মানিয়ে নিতে হয়। এ দলের এগুলো শিক্ষার বিষয়। এসব শিখে সিনিয়র টিমে খেলবে।

‘যে বাউন্সটা ছিল সেটার সঙ্গে শুরুর দিকে মানিয়ে নিতে পারিনি। আমরা আমাদের স্বাভাবিক খেলার মধ্যেই ছিলাম। যে কারণে আমরা ১৬৭ রান করেছি, কম ওভার খেলেছি। প্রথম ম্যাচে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মধ্যে মিথুনই ৫০ রান করতে পেরেছে।’

দুই টেস্টে মিঠুন ও সাইফ ছাড়া রান করেননি কেউই। তার পরও কোচ মিজানুর রহমান দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট।

তিনি বলেন, ‘এখানে এসে অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু উন্নতি হয়েছে তাতে আমি আশাবাদী। লংগার ভার্সনের দুটো ম্যাচে যে পারফরম্যান্স হয়েছে তাতে আমি দারুণ খুশি। ম্যাচগুলো যদি সম্পূর্ণ শেষ করা যেত, তাহলে আমার মনে হচ্ছে প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসে খারপ করলেও আমরা দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়াতে পারতাম। যেটা আমরা দ্বিতীয় ম্যাচে করতে পেরেছি, সেটা হয়তো আমরা প্রথম ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসেই করতে পারতাম।’

ক্যারিবীয়দের তুলনায় টেস্ট ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড় বাংলাদেশ দলে ছিল বেশি। তবে মাঠের ক্রিকেটে সেই পার্থক্য খুব একটা চোখে পড়েনি।

মিজান যোগ করেন, ‘প্রথম ম্যাচের পর আমরা এ বিষয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলছি। দুই দিন অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। এখানে রান করতে হলে কীভাবে করতে হবে, তা আমরা দ্বিতীয় ম্যাচে এসে বুঝতে পেরেছি। এখানে তারা দারুণ ব্যাট করেছে। ৩০০ রান করতে পেরেছে।’

আরও পড়ুন:
সাইফের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ এ-দলের ড্র
এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নেতৃত্বে সাকিব
সাইফের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh A team drew with Saifs century

সাইফের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ এ-দলের ড্র

সাইফের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ এ-দলের ড্র সাইফ হাসান। ছবি: সংগৃহীত
সাইফের সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৩০০ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষনা করে বাংলাদেশ এ-দল। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন উইকেটকিপার জাকের আলি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ-দলের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ড্রয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টেও ড্র করেছে বাংলাদেশ এ-দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দ্বিতীয় ৪ দিনের ম্যাচে সেন্ট লুসিয়ার দুদলই ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্দিজের পক্ষে তেজনারাইন চন্দরপলও সেঞ্চুরি করেন।

সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর নিজের ইনিংসকে ১৪৬ রানে নিয়ে যান সাইফ হাসান। বৃষ্টির কারণে চারদিনে ২৪১.৫ ওভার খেলা হয়।

সেন্ট লুসিয়ায় বুধবার থেকে শুরু হওয়া ম্যাচে টস হেরে প্রথম ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ এ-দল। ব্যাট হাতে দলের পক্ষে একাই লড়েন সাইফ। তিন নম্বরে নেমে ৩৪৮ বল খেলে ১৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১৪৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন উইকেটকিপার জাকের আলি। এছাড়া সাদমান ইসলাম ২৫ ও মাহমুদুল হাসান জয় ১৭ রান করেন।

সাইফের সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৩০০ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষনা করে বাংলাদেশ এ-দল।

সফরকারীদের ইনিংস শেষে ব্যাট হাতে নেমে চতুর্থ ও শেষ দিন শেষে ৫ উইকেটে ২৭৭ রান করে ক্যারিবীয়রা। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়াতে ম্যাচটি ড্রতে পরিণত হয়।

প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ-দলের পক্ষে ওপেনার তেজনারাইন চন্দরপল ১০৯ রান করে আহত অবসর নেন।

বাংলাদেশের এ-দলের পক্ষে বল হাতে নাইম হাসান ৩টি ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ২টি উইকেট নেন।

১৬ আগস্ট তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ-দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ এ-দল।

আরও পড়ুন:
উইকেট ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেননি ‘এ’ দলের ব্যাটাররা
সাইফের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ এ-দলের ড্র
এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নেতৃত্বে সাকিব

মন্তব্য

খেলা
Shakib misguided BCB

সাকিবকে মিসগাইড করা হয়েছে: বিসিবি

সাকিবকে মিসগাইড করা হয়েছে: বিসিবি
ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান জালাল ইউনূস বলেন, ‘সাকিব বুঝতে পেরেছে যে তার এমনটা করা উচিত হয়নি। সে বোর্ডকে বলেছে যে প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে তাকে মিসগাইড করা হয়েছে। আর আমরা আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলাম যে সাকিবকে দলের নেতৃত্বে আনা হবে। ওটাই করা হয়েছে।’

বেটউইনার নিউজের সঙ্গে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এশিয়া কাপের ঠিক আগ মুহূর্তে বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বোর্ডের চাপে যদিও শেষ পর্যন্ত তাকে সরে আসতে হয়েছে চুক্তি থেকে। বোর্ড বাঁহাতি এই অলরাউন্ডারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠালে তার জবাব মনঃপুত হওয়ায় ক্ষমা পান তিনি।

সাকিব বোর্ডের দেয়া চিঠির উত্তরে জানান, তাকে প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে মিসগাইড করা হয়েছে। একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল মনে করে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন।

পরে ভুল বুঝতে পেরে সেই চুক্তি বাতিল করেন দেশের ক্রিকেটের এই পোস্টার বয়।

শনিবার এশিয়া কাপের দল ঘোষণার সময় এসব তথ্য দেন ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান জালাল ইউনূস।

তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে অনেক আলাপ হয়েছে। সাকিব বুঝতে পেরেছে যে তার এমনটা করা উচিত হয়নি। আর সাকিব আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একজন ক্রিকেটার। আমরা আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলাম যে সাকিবকে দলের নেতৃত্বে আনা হবে। তাই ওটাই করা হয়েছে।’

জালাল ইউনূস বলেন, ‘আমাদের সামনে সে বলেছে যে ওটাকে অনলাইন নিউজ পোর্টাল মনে করে ওটার সঙ্গে চুক্তি করেছে। তাকে বুঝিয়ে বলার পর সে কিন্তু সরে এসেছে। তার কাছে মনে হয়েছে যে এটা মিসগাইডেড। এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে যেহেতু আমাদের অনুমতি ছাড়া সে এই চুক্তি করেছে তাই এ ব্যাপারে (শাস্তি বা কারণ দর্শানো) পরবর্তী বোর্ড সভায় আলোচনা করা হবে।’

জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কাছ থেকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব সোহানের ওপর দিয়েছিল বোর্ড। সে সময় বিসিবি এক প্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েই রেখেছিল যে এশিয়া কাপের মধ্য দিয়ে সাকিবের হাতে টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্বভার তুলে দেয়া হবে।

কিন্তু জিম্বাবুয়ে সিরিজের মাঝপথে বিপত্তি ঘটান সাকিব। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তি করে বসেন বেটিং ওয়েবসাইটের সঙ্গে। দেশের সংবিধানের পরিপন্থী হওয়ায় কঠিন পথে হাঁটতে হয় বোর্ডকে।

বেটিং সাইটের সঙ্গে করা চুক্তি থেকে সরে না এলে হুমকি দেয়া হয় সাকিবের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সব সম্পর্ক ছিন্ন করার। একইসঙ্গে নতুন অধিনায়ক ইস্যুতে দল ঘোষণায়ও বিপাকে পড়ে বিসিবি।

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বেঁধে দেয়া সময় পেরিয়ে গেলেও দল ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি বোর্ডের পক্ষে। অবশেষে দুই দিন পর সাকিবের সঙ্গে আলোচনায় বসে শনিবার তাকে অধিনায়ক করে ১৭ সদস্যের দল ঘোষণা করে বিসিবি।

আরও পড়ুন:
এবাদত ও নাঈমকে জিম্বাবুয়ে নিচ্ছে বোর্ড
বিগ ব্যাশের ড্রাফটে ৩ বাংলাদেশি ক্রিকেটার
উইন্ডিজ সফরের আগে এইচপির বিপক্ষে এ-দলের সিরিজ
ভিন্নতা কই? যা বললেন হইচই বাংলাদেশের পরিচালক
আবারও মাস সেরার দৌড়ে মুশফিক

মন্তব্য

খেলা
Rajasthan owner slapped Taylor

টেইলরকে চড় মারেন রাজস্থানের মালিক

টেইলরকে চড় মারেন রাজস্থানের মালিক তারকা ক্রিকেটার রস টেইলর। ছবি: সংগৃহীত
‘টিম হোটেলের ছাদে দলটির একজন মালিক এসে আমাকে বলেন, রস, তোমাকে মিলিয়ন ডলার দেয়া হয় না ডাক মারার জন্য। এ কথা বলেই তিনি আমার মুখে তিন চারটা চড় বসিয়ে দেন।’

নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেট তারকা রস টেইলর দাবি করেছেন, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলার সময় রাজস্থান রয়্যালসের এক মালিক তাকে চড় মেরেছিলেন। ২০১১ সালের টুর্নামেন্টে খেলার সময় এই ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

আত্মজীবনী ‘রস টেইলর: ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট’-এ বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন। কিং ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে একটি ম্যাচের পর চড়ের ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

রস টেইলর লেখেন, ‘এটা ১৯৫ রান তাড়া করার ম্যাচ ছিল। টিম হোটেলের ছাদে দলের খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, টিম ম্যানেজমেন্টের সবাই ছিলেন। লিজ হার্লিও সেখানে শেন ওয়ার্নের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

‘সে সময় দলটির একজন মালিক এসে আমাকে বলেন, রস, তোমাকে মিলিয়ন ডলার দেয়া হয় না ডাক মারার জন্য। এ কথা বলেই তিনি আমার মুখে তিন চারটা চড় বসিয়ে দেন।’

আলোচিত চড়ের বিষয়ে রাজস্থান রয়্যালস কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। জানা যায়নি তাদের মালিকের পরিচয়।

২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে খেলেন রস টেইলর। এরপর ২০১১ সালের আসরে ১ মিলিয়ন ডলারে রস টেইলরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় রাজস্থান রয়্যালস।

আরও পড়ুন:
নকল আইপিএলে টাকা লাগিয়ে ৪ হাজার ডলার গচ্চা
রুশ বাজিগরদের বোকা বানাতে নকল আইপিএল
ভারতীয় তারকাদের অন্য ফ্রাঞ্চাইজি লিগেও খেলা উচিত: ডি সিলভা
৫২ হাজার কোটি টাকায় আইপিএলের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি
আমিরাত লিগে আইপিএলের দল পাবে বিশেষ সুবিধা

মন্তব্য

খেলা
Shakib will lead in T20 Asia Cup and World Cup

এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নেতৃত্বে সাকিব

এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নেতৃত্বে সাকিব সাকিব আল হাসান। ফাইল ছবি
এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দলে রয়েছেন সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), এনামুল বিজয়, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, শেখ মেহেদী, সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদ, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, ইবাদত হোসেন, পারভেজ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান ও তাসকিন আহমেদ।

নানা আলোচনা-সমালোচনার পর সাকিব আল হাসানের কাছেই টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব তুলে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আসন্ন এশিয়া কাপে জাতীয় দলের দায়িত্বভার তুলে দেয়া হয়েছে বাঁহাতি এই অলরাউন্ডারের কাঁধে। এ ছাড়া আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন সাকিব।

এশিয়া কাপ সামনে রেখে শনিবার দল ঘোষণা করেছে বিসিবি।

একটি বেটিং প্রতিষ্ঠানের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করায় সাকিবের প্রতি তোপ দাগেন বিসিবি চেয়ারম্যান। সে চুক্তি বাতিল না করলে আগামীতে তাকে দলে নেয়া হবে না বৃহস্পতিবার ঘোষণা দেয় বিসিবি। বিষয়টি জানিয়ে সাকিবকে চিঠিও পাঠানো হয়।

সংবাদমাধ্যমকে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানান, যদি সাকিব চুক্তি বাতিল না করেন তাহলে সামনে বিসিবির সঙ্গেও তাকে রাখা হবে না বলে এক ধরনের হুমকি দেন। তার কিছু পরই সাকিবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি সেই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছেন।

শনিবার যে দল ঘোষণা করেছে বিসিবি তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসান ঘটল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্বের।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে রিয়াদকে বিশ্রাম দিয়ে অধিনায়ক করা হয়েছিল নুরুল হাসান সোহানকে। দুই ম্যাচ অধিনায়কত্ব করে তৃতীয় ম্যাচে ইনজুরির কারণে ছিটকে যাওয়ায় অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

আঙুলের সার্জারি শেষে দলে রাখা হয়েছে নুরুল হাসান সোহানকে। আর হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ছিটকে গেছেন লিটন দাস।

শর্টার ফরম্যাটে ভালো পারফর্ম না করায় দল থেকে বাদ পড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

অন্যদিকে তিন বছর পর টি-টোয়েন্টিতে ডাক পড়েছে সাব্বির রহমানের। পাশাপাশি ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। আর লম্বা সময় পর শর্টার ফরম্যাটে ডাক এসেছে মুশফিকুর রহিমের।

২০১৯ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আর দেখা যায়নি সাব্বিরকে। দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর আবারও জাতীয় দলে ডাক পেলেন ডানহাতি এই মিডল অর্ডার।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দল

সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, শেখ মেহেদী, সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদ, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, ইবাদত হোসেন, পারভেজ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান ও তাসকিন আহমেদ।

আরও পড়ুন:
সাইফের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ ‘এ’ দল
জিম্বাবুয়ের ক্ষত নিয়ে দেশে ফিরলেন ক্রিকেটাররা

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh A team in strong position with Saifs century

সাইফের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

সাইফের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ ‘এ’ দল সাইফ হাসান। ফাইল ছবি
বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দেয়া ৩৮৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দল। ২৩ বলে ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন জেরেমি সোলোজানো। এরপর শূন্য রানে কেসি কার্টি আউট হলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

সেন্ট লুসিয়ায় সাইফ হাসানের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। সাইফের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে শুরুটা দারুণ করে বাঁহাতি পেইসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার দিনের টেস্টে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সুবিধাজনক স্থানে রয়েছে সফরকারী বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ওই দিনের খেলায় ৯ উইকেটে ৩৪৮ রান করে ইনিংস ঘোষণা দেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।

জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দল নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৪৩ তুলে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে। এতে করে ২০৫ রানে এগিয়ে আছে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে তৃতীয় দিনেও পিছু ছাড়েনি বৃষ্টি। এ কারণে মাঠে গড়িয়েছে ৬০.৪ ওভার।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ২১৭ বলে ৬৩ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন সাইফ। শুক্রবার তৃতীয় দিন মাঠে নেমে ২৮০ বলে নিজের সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। সব মিলিয়ে ৩৪৮ বলে ১৩ চার ও ৪ ছক্কায় ১৪৬ রান করেন।

পরে দলীয় ৩৪৮ রানের মাথায় নবম ব্যাটার হিসেবে সাইফ সাজঘরে ফিরে গেলে ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মিঠুন। ইনিংস ঘোষণার আগে জাকের আলি অনিক ৩৩ ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান।

ক্যারিবীয়দের হয়ে অ্যান্ডারসন ফিলিপ ও কলিন্স আর্চিবাল্ড নেন তিনটি করে উইকেট।

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দেয়া ৩৮৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দল। ২৩ বলে ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন জেরেমি সোলোজানো। এরপর শূন্য রানে কেসি কার্টি আউট হলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট তুলে নেন মৃত্যুঞ্জয়।

শেষ দিনের খেলায় শনিবার মাঠে নামবেন দুই অপরাজিত ক্যারিবীয় ব্যাটার ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল ও অধিনায়ক জশুয়া ডা সিলভা। ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল করেন ৫৭ বলে ২১ রান। অন্যদিকে জশুয়া ডা সিলভার ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ১২ রান।

আরও পড়ুন:
এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় নিউজিল্যান্ডের
জিম্বাবুয়ের ক্ষত নিয়ে দেশে ফিরলেন ক্রিকেটাররা
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে একাই লড়াই করছেন সাইফ

মন্তব্য

p
উপরে