× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
4 thousand dollars by investing money in fake IPL
hear-news
player
print-icon

নকল আইপিএলে টাকা লাগিয়ে ৪ হাজার ডলার গচ্চা

নকল-আইপিএলে-টাকা-লাগিয়ে-৪-হাজার-ডলার-গচ্চা
নকল আইপিএলের ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত
গুজরাটে হুবহু আইপিএলের মতো করে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে একটি চক্র। আর এর মাধ্যমে রাশিয়ান জুয়াড়িদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ৪ হাজার ডলার।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের আসর আর জুয়াড়ি যেন মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। টুর্নামেন্ট শুরু হলেই বিশ্বের জুয়াড়িদের তৎপরতা বেড়ে যায়। সে সঙ্গে ঘটে নানা প্রতারণাও।

ভারতের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি বছরের আসরের পর্দা নেমেছে প্রায় দুই মাস হতে যাচ্ছে। আসরের সমাপ্তি ঘটলেও আইপিএলকে ঘিরে থেমে নেই প্রতারণা। জুয়াড়িরা নিত্যনতুন পন্থা অবলম্বন করে জাল বিছাচ্ছে প্রতারণার।

তারই অংশ হিসেবে এবার গুজরাটে হুবহু আইপিএলের মতো করে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে একটি চক্র। আর এর মাধ্যমে রাশিয়ান জুয়াড়িদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ৪ হাজার ডলার।

চক্রটি নিখুঁতভাবে আয়জন করেছে টুর্নামেন্টের সব কার্যক্রম। একদম আইপিএলের আসল জার্সি থেকে শুরু করে ধারাভাষ্য, আম্পায়ার ও দর্শকদের ব্যবস্থা করে ইউটিউবে ম্যাচ সম্প্রচার করত চক্রটি। কিন্তু সবকিছুই ছিল ভুয়া। সেই চ্যানেলটির নাম ছিল আইপিএল।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে আটক করেছে গুজরাট পুলিশ।

আটককৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ম্যাচে যারা খেলতে নামতেন, সবাই স্থানীয় কৃষক। দৈনিক ৪০০ রুপির বিনিময়ে তারা এই খেলার অভিনয় করতেন।

টুর্নামেন্টের নাম দেয়া হয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ।

জানা যায়, টুর্নামেন্টের সম্প্রচারে শক্তিশালী ক্যামেরা ব্যবহার করত প্রতারক চক্র। একইসঙ্গে লং শটে গ্রাফিক্স করে বসানো হত দর্শকদের। আর ক্লোজ শটে খুব দক্ষতার সঙ্গে দেখানো হত ভাড়া করা দর্শকদের।

একইসঙ্গে আইপিএলের ধারাভাষ্য ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে সেটি ব্যবহার করা হত সম্প্রচারের সময়। এমনকি দর্শকদের মাঠে থাকাকালীন শোরগোলও ডাউনলোড করে হুবহু সেটি ব্যবহার করত প্রতারকরা।

গুজরাটের দুই যুবক শোয়াব দাবদা ও আসিফ মিলে পরিকল্পনা করেন এই প্রতারণার। রাশিয়ার একটি পানশালায় কাজ করা শোয়েব স্থানীয় জুয়াড়িদের বুঝান আইপিএলের বিষয়টি। তাদের রাজি করানোর পর তিনি যোগাযোগ করেন জুয়ার একটি ওয়েবসাইটের সঙ্গে।

তারা প্রতারণার বিষয়টি না বুঝেই রাজি হন টুর্নামেন্টটি তাদের সাইটে অন্তর্ভুক্ত করতে ও ম্যাচে বাজি ধরতে।

এই নকল টুর্নামেন্টে রাশিয়ার বিভিন্ন শহর থেকেও টাকা লাগানো হত। স্থানীয় একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে চলত জুয়ার সব কার্যক্রম।

কিন্তু বিষয়টি নজরে আসে গুজরাট পুলিশের। দুই সপ্তাহ ধরে এমন ঘটনা চলার পর চক্রের হোতাকে খুঁজে পায় স্থানীয় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় আসিফসহ আরও দুজনকে।

আরও পড়ুন:
নতুন এসেই আইপিএলে বাজিমাত গুজরাটের
অবসর নয়, সামনের আইপিএলেও চেন্নাইয়ের অধিনায়ক ধোনি
এশিয়া ও বিশ্বকাপে চোখ কোহলির
আইপিএলের ‘হল অফ ফেইম’ পেলেন ভিলিয়ার্স-গেইল
ইনজুরিতে আইপিএল শেষ কামিন্সের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Bangladesh prepared for the World Cup with a win

দুই জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশ

দুই জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশ বাংলাদেশের উইকেট উদযাপন। ছবি: বিসিবি
সিরিজ নিশ্চিতের ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৩২ রানে। সেই সুবাদে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি আরব আমিরাতকে ক্লিন সুইপ করেছে টাইগাররা।

আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই দিন আগে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ‘সহজ ম্যাচ’ জিতেছিল কঠিন করে। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সেই বাংলাদেশই জয় পেয়েছে হেসেখেলে।

সিরিজ নিশ্চিতের এ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৩২ রানে। সেই সুবাদে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি আরব আমিরাতকে ক্লিন সুইপ করেছে টাইগাররা।

বাংলাদেশের করা ১৬৯ রানের জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানেই থেমে যায় আমিরাতের ইনিংসের চাকা।

বাংলাদেশের দেয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে আরব আমিরাত। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২৮ রান তুললেও সপ্তম ওভারেই স্বাগতিকরা হারায় আরও দুই টপ অর্ডারকে। এতে করে স্কোরবোর্ডে ২৯ রান তুলতেই ৪ উইকেট নেই আমিরাতের।

দ্রুত চার টপ অর্ডারকে হারিয়ে খেই হারিয়ে ফেলা দলকে ট্র্যাকে ফেরানোর মিশনে নামেন চুন্দাঙ্গাপয়িল রিজওয়ান ও বাসিল হামিদ। দেখেশুনে খেলে এই দুই ব্যাটার এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন দলকে।

রানের গতি বাড়াতে না পারলেও উইকেটের লাগাম টেনে ধরেন এই দুই ব্যাটার। উইকেট কামড়ে ধরে অনবদ্য ব্যাটিংয়ে দলীয় সংগ্রহ শতরান পার করেন দুজন মিলে। বিপর্যয় এড়ালেও দলকে জয় এনে দিতে সক্ষম হননি তারা।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান তুলতেই ইনিংসের চাকা থামে আরব আমিরাতের। মোসাদ্দেক, তাসকিন, নাসুম ও এবাদত ভাগ করে নেন তাদের ৫ উইকেট। শুধুমাত্র মোসাদ্দেক পেয়েছেন ২ উইকেট।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে কেবলমাত্র সাব্বির রহমানের উইকেট হারিয়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৪৮ রান।

মাঠ ছাড়ার আগে সাব্বিরের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১২ রানের ইনিংস। দলের স্কোর তখন ৩.৪ ওভারে ২৭ রান।

কিন্তু সাব্বিরের বিদায় বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলতে পারেনি টাইগারদের পারফরম্যান্সে। মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাসের মারকুটে ব্যাটিংয়ের কারণে বাংলাদেশের রানের চাকার গতি কমাতেই পারছিল না আরব আমিরাতের বোলাররা।

রানের গতি কমাতে না পারলেও লিটনকে ২০ বলে ২৫ রানে থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল খান। আমিরাতের এই স্পিনারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে থামতে হয় ডানহাতি এই ব্যাটারকে।

সঙ্গী বিদায় নিলেও লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন মিরাজ। আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে গতি বাড়ান রানের চাকার। সেই সুবাদে ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৮৩ রান তোলে সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা আফিফকে অল্পতেই থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল। মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি খেলেন ১০ বলে ১৮ রানের ইনিংস।

তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে অর্ধশতকের দিকে ব্যাট ছোটান মিরাজ। ৩৭ বলে ৪৬ রান করে সাবির আলির এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পরে মাঠ ছাড়তে হয় তাকেও।

এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২৭, ইয়াসির আলি রাব্বির ২১ ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের ১৯ রানের সুবাদে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তোলে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
সাকিব-মাশরাফির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজির আবেদন পায়নি বিপিএল
বিপিএলে এবারের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ৮০ লাখ টাকা
চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ
ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের
আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়

মন্তব্য

খেলা
169 on the board for Bangladesh on a mission to save the series

সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশের বোর্ডে ১৬৯

সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশের বোর্ডে ১৬৯ লিটন দাসের ব্যাটিংয়ের একটি মুহূর্ত। ছবি: বিসিবি
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে কেবলমাত্র সাব্বির রহমানের উইকেট হারিয়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৪৮ রান।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আরব আমিরাতের সামনে রান পাহাড় দাঁড় করানোর ইঙ্গিত দিয়েও সেটিতে খুব একটা সফল হয়নি বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

ইনিংসের শুরুতে মারকুটে ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখালেও সময়ের সাথে সাথে কমে যায় ব্যাটিংয়ের ধার। তবে রান পাহাড় দাঁড় করাতে না পারলেও স্বাগতিকদের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে কেবলমাত্র সাব্বির রহমানের উইকেট হারিয়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৪৮ রান।

মাঠ ছাড়ার আগে সাব্বিরের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১২ রানের ইনিংস। দলের স্কোর তখন ৩.৪ ওভারে ২৭ রান।

কিন্তু সাব্বিরের বিদায় বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলতে পারেনি টাইগারদের পারফরম্যান্সে। মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাসের মারকুটে ব্যাটিংয়ের কারণে বাংলাদেশের রানের চাকার গতি কমাতেই পারছিল না আরব আমিরাতের বোলাররা।

রানের গতি কমাতে না পারলেও লিটনকে ২০ বলে ২৫ রানে থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল খান। আমিরাতের এই স্পিনারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে থামতে হয় ডানহাতি এই ব্যাটারকে।

সঙ্গী বিদায় নিলেও লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন মিরাজ। আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে গতি বাড়ান রানের চাকার। সেই সুবাদে ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৮৩ রান তোলে সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা আফিফকে অল্পতেই থামিয়ে দেন আয়ান আফজাল। মেইয়াপানের হাতে ধরা দিয়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি খেলেন ১০ বলে ১৮ রানের ইনিংস।

তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে অর্ধশতকের দিকে ব্যাট ছোটান মিরাজ। কিন্তু ৩৭ বলে ৪৬ রান করে সাবির আলির এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পরে মাঠ ছাড়তে হয় তাকেও।

এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২৭, ইয়াসির আলি রাব্বির ২১ ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের ১৯ রানের সুবাদে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তোলে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
সিরিজ জয়ের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টি-টেনে বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার
‘আমিরাতের বিপক্ষে জয় বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস জোগাবে’
চাপের মধ্যে একটা জয় দরকার ছিল: মিরাজ
আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh won the toss and bowled

সিরিজ জয়ের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

সিরিজ জয়ের ম্যাচে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ টস করছেন দুই দলের অধিনায়ক। ছবি: বিসিবি
একাদশ থেকে ছিটকে গেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার পরিবর্তে একাদশে জায়গা করে নিয়েছে তাসকিন আহমেদ। একইসঙ্গে ছিটকে গেছেন শরীফুল ইসলামও। তার পরিবর্তে ডাক পড়েছে তাসকিন আহমেদের।

আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হচ্ছে খেলা।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ফিরেছে জয়ের ধারায়। জয় পেতে ঘাম ঝরাতে হয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দলবলকে। ৭ রানের জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করা বাংলাদেশের সামনে এখন মিশন আমিরাতকে ক্লিন সুইপ করা।

নিজেদের শেষ ৫ টি-টোয়েন্টিতে দুই দল জয় পেয়েছে ২টি করে ম্যাচে। তৃতীয় জয় বাগিয়ে নেয়ার মিশন দুই দলের সামনে।

ক্লিন সুইপের মিশনে ২ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। একাদশ থেকে ছিটকে গেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার পরিবর্তে একাদশে জায়গা করে নিয়েছে তাসকিন আহমেদ। একইসঙ্গে ছিটকে গেছেন শরীফুল ইসলামও। তার পরিবর্তে ডাক পড়েছে তাসকিন আহমেদের।

বাংলাদেশ একাদশ: নুরুল হাসান সোহান (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, এবাদত হোসেন, সাব্বির রহমান, সাইফউদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নাসুম আহমেদ, ইয়াসির আলি রাব্বি ও তাসকিন আহমেদ।

আরও পড়ুন:
চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালো লাগে: আফিফ
ঘাম ঝরানো জয়ের কারণ ব্যাখ্যা সোহানের
আমিরাতের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয়
আমিরাতকে ১৫৯ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

খেলা
Sanjida Farzanas big jump in ranking

র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ সানজিদা-ফারজানার

র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ সানজিদা-ফারজানার দেশে ফেরার পর এয়ারপোর্টে নারী দলের ক্রিকেটাররা। ছবি: বিসিবি
১৩ ধাপ এগিয়ে বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ৬৬ নম্বরে অবস্থান করছেন জাতীয় দলের এই স্পিনার। ৪ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৬৬ নম্বরে রয়েছেন রুমানা আহমেদ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ব্যাট ও বল হাতে হ্যাটট্রিক শিরোপাধারীরা দেখিয়েছেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। সে কারণে র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে টাইগ্রেসদের।

টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১০ উইকেট নেয়া বোলারদের ৪ জনই বাংলাদেশের। বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে লম্বা লাফ দিয়েছেন সানজিদা আক্তার মেঘলা।

বাছাইপর্বে ৫ ম্যাচে তিনি ঝুলিতে পুরেছেন ৭ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিও তিনি। সেই সুবাদে ১৩ ধাপ এগিয়ে বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ৬৬ নম্বরে অবস্থান করছেন জাতীয় দলের এই স্পিনার। ৪ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৬৬ নম্বরে রয়েছেন রুমানা আহমেদ।

লাল সবুজের প্রতিনিধিদের ভেতর ১৩ ধাপ অবনমন হয়েছে সালমা খাতুনের।

বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ রান এসেছে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির ব্যাট থেকে। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮০ রান করেছেন তিনি। তবে দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের পরও র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছেন তিনি ২ ধাপ। বর্তমানে টাইগ্রেস অধিনায়ক অবস্থান করছেন র‍্যাঙ্কিংয়ের ২৬ নম্বরে।

৭ ধাপ এগিয়ে ৪৬ নম্বরে অবস্থান করছেন জাতীয় দলের ব্যাটার ফারজানা হক। ৩ ধাপ পিছিয়ে ৩৬ নম্বরে অবস্থান করছেন মুর্শিদা খাতুন।

আর অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে রয়েছেন সালমা খাতুন। নিজের আগের অষ্টম অবস্থান ধরে রেখেছেন তারকা এই ক্রিকেটার।

আরও পড়ুন:
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনায়াস জয় বাংলাদেশের
সাবিনাদের জয়ের আনন্দে ভেসে যাচ্ছেন জাহানারা-সাকিবরাও
আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বাছাইপর্ব শুরু সালমাদের
চোটে বাছাইপর্ব শেষ জাহানারার, করোনা আক্রান্ত পিংকি
প্রথম নারী এফটিপিতে টাইগ্রেসরা খেলবে ৫০ ম্যাচ

মন্তব্য

খেলা
At the end of the draft there are 8 teams of T Ten

ড্রাফট শেষে যেমন হল টি-টেনের ৮ দল

ড্রাফট শেষে যেমন হল টি-টেনের ৮ দল টি-টেনের ট্রফি। ছবি: সংগৃহীত
ড্রাফটে সব মিলিয়ে ৭ বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নাম থাকলেও, দল পেয়েছেন চারজন। দল না পাওয়া তিনজন হলেন তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।

প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে দল গঠন করেছে আরব আমিরাতের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘টি-টেনের’ ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। ২৩ নভেম্বর শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট। শেষ হবে ৪ ডিসেম্বর।

এশিয়া কাপ চলাকালীন আইকন ক্রিকেটার হিসেবে বাংলা টাইগার্স সরাসরি দলে ভিড়িয়েছিল সাকিব আল হাসানকে। তিনি দলটির অধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। বাঁহাতি এই অলরাউন্ডারের পর বাংলা টাইগার্স দলে ভিড়িয়েছে নুরুল হাসান সোহান ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেইসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে ভিড়িয়েছে টিম আবুধাবি। আরেক পেইসার তাসকিন আহমেদ ডাক পেয়েছেন ডেকান গ্ল্যাডিয়েটরস থেকে।

ড্রাফটে সব মিলিয়ে ৭ বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নাম থাকলেও, দল পেয়েছেন চারজন। দল না পাওয়া তিনজন হলেন তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।

ড্রাফট শেষে এক নজরে টি-টেন ৬ষ্ঠ আসরের ৮ দলের স্কোয়াড:

বাংলা টাইগার্স: সাকিব আল হাসান (আইকন), এভিন লুইস, কলিন মুনরো, হযরতউল্লাহ জাজাই, জো ক্লার্ক, বেনি হাওয়েল, বেন কাটিং, মোহাম্মদ আমির, মাথিশা পাথিরানা, নুরুল হাসান সোহান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রোহান মুস্তফা, চিরাগ সুরি, উমাইর আলি, ড্যান ক্রিশ্চিয়ান ও জ্যাক বল।

ডেকান গ্ল্যাডিয়েটর্স: নিকোলাস পুরান (আইকন), আন্দ্রে রাসেল, ডেভিড ভিসা, মুজিব উর রহমান, টম কোহলার ক্যাডমোড়, লুক উড, জশ লিটল, ওডেন স্মিথ, উইল স্মিদ, জহির খান, কুর্তিস ক্যাম্ফার, জাহোর খান, আদিল মালিক, সুলতান আহমেদ, জেসন রয়, তাসকিন আহমেদ।

দিল্লি বুলস: ডোয়াইন ব্রাভো (আইকন), টিম ডেভিড, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, রাইলি রুশো, ফজলহক ফারুকি, উইল জ্যাকস, নাজিবউল্লাহ জাদরান, ডমিনিক ড্রেকস, রিচার্ড গ্লেসন, কিমো পল, মিচেল স্ট্যানলি, সিরাজ আহমেদ, কারনাল জাহিদ, আয়ান খান, ইমাদ ওয়াসিম ও জর্ডান কক্স।

নর্দার্ন ওয়ারিয়র্স: ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (আইকন), শেরফানে রাদারফোর্ড, রভম্যান পাওয়েল, অ্যাডাম লিথ, রিস টপলি, কেনার লুইস, ওয়েইন পারনেল, অ্যাডাম হোসে, ক্রিস গ্রিন, রায়াদ এমরিট, গুস অ্যাটকিনসন, জুনায়েদ সিদ্দিকী, উসমান খান, হামদান রাহির, দুশমান্থ চামিরা, মোহাম্মদ ইরফান।

সাম্প আর্মি: ডেভিড মিলার (আইকন), আনরিখ নরকিয়া, শিমরন হেটমেয়ার, মইন আলি, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, জনসন চার্লস, চামিকা করুনারত্নে, জর্জ গার্টন, আন্দ্রিস গওজ, জ্যাকোবাস পিনার, ইব্রাহিম জাদরান, আহমেদ রাজা, কাশিফ দাউদ, বাসিল হামিদ, শেলডন কটরেল ও করিম জানাত।

নিউ ইয়র্ক স্ট্রাইকার্স: কাইরন পোলার্ড (আইকন), এউইন মরগান, আজম খান, পল স্টারলিং, রোমারিও শেফার্ড, আন্দ্রে ফ্লেচার, ওয়াহাব রিয়াজ, জর্ডান থম্পসন, কেসরিক উইলিয়ামস, ইজহারুল হক নাভিদ, টম হার্টলি, মুহাম্মদ ওয়াসিম, নাভ পাবরেজা, মুহাম্মদ ফারুক, আকিল হোসেন ও রবি রামপাল।

টিম আবু ধাবি: ক্রিস লীন, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, ফিল সল্ট, আদিল রশিদ, নাভিন উল হক, তাইমাল মিলস, জেমস ভিন্স, জেমি ওভারটন, ব্রেন্ডন কিং, আমাদ বাট, দারউইশ রাসুলি, আলিশান শারাফু, আবিদ আলি, ইথান ডিসুজা, মুস্তাফিজুর রহমান, পিটার হাটজগলু।

চেন্নাই ব্রেভস: দাসুন শানাকা (আইকন), ভানুকা রাজাপাকশে, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, ওবেদ ম্যাকয়, মাহিশ থিকশানা, ওলি স্টোন, বেন ডাকেট, স্যাম কুক, সিকান্দার রাজা, রস হুইটলি, কবে হার্ফট, কার্তিক মেয়াপ্পান, বৃত্তিয়া আরাভিন্দ, সাবির রাও, লরি ইভান্স ও জেমস ফুলার।

আরও পড়ুন:
আবুধাবি টি-টেনে বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার
টি-টেনের প্লেয়ার্স ড্রাফটে তামিম
বাংলা টাইগার্সের হেড কোচ হলেন আফতাব
টি-টেনে গেলেন আফিফ, আটকে গেছেন তাসকিন

মন্তব্য

খেলা
Jahanara in the Asia Cup team after injury

চোট কাটিয়ে এশিয়া কাপের দলে জাহানারা

চোট কাটিয়ে এশিয়া কাপের দলে জাহানারা বাংলাদেশের জার্সিতে পেইসার জাহানারা আলম। ছবি: এএফপি
হাতের ইনজুরি কাটিয়ে বাংলাদেশ দলে ফিরেছেন পেসার জাহানারা আলম। ইনজুরির কারনে সদ্য শেষ হওয়া আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলতে পারেননি জাহানারা।

নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ১ অক্টোবর সিলেটে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে হাতের ইনজুরি কাটিয়ে বাংলাদেশ দলে ফিরেছেন পেইসার জাহানারা আলম। ইনজুরির কারনে সদ্য শেষ হওয়া আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলতে পারেননি অভিজ্ঞ এ পেইসার।

বাংলাদেশসহ এ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন শারমীন আক্তার সুপ্তা ও মারুফা আক্তার। দুজন স্টান্ড-বাই তালিকায় আছেন। তাদের সঙ্গে ওই তালিকায় আরও আছেন- নুজহাত তাসনিয়া ও রাবেয়া খান।

এশিয়া কাপ দিয়ে দলে ফিরেছেন বাঁ-হাতি পেসার ফারিয়া ইসলাম তৃষ্ণা। গত মার্চে সবশেষ দেশের হয়ে ওয়ানডে খেলেন তিনি।

১ অক্টোবর থেকে সিলেটে শুরু হবে নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেটের অষ্টম আসর। ৭টি দলকে নিয়ে এবারের আসর অনুষ্ঠিত হবে। লিগ পদ্ধতিতে একে-অপরের মুখোমুখি হবে অংশ নেয়া দলগুলো। ১৫ অক্টোবর ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে নারী এশিয়া কাপের।

টুর্নামেন্টের প্রথম দিনই থাইল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আসরের ফাইনালে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মত শিরোপা জিতেছিলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), শামিমা সুলতানা, ফারাজানা হক পিংকি, রুমানা আহমেদ, রিতু মনি, লতা মন্ডল, সালমা খাতুন, সোবহানা মুস্তারি, নাহিদা আক্তার, মুর্শিদা খাতুন, জাহানারা আলম, ফাহিমা খাতুন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা ও সোহেলি আক্তার।
স্ট্যান্ড-বাই : মারুফা আক্তার, শারমিন আক্তার সুপ্তা, নুজহাত তাসনিয়া ও রাবেয়া খান।

আরও পড়ুন:
বাছাইপর্ব জয়কে এশিয়া কাপের সেরা প্রস্তুতি বললেন জ্যোতি
অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
ফাইনালে নারী ক্রিকেটাররা দিলেন ১২১ রানের টার্গেট

মন্তব্য

খেলা
Jyoti called the qualifying win the best preparation for the Asia Cup

বাছাইপর্ব জয়কে এশিয়া কাপের সেরা প্রস্তুতি বললেন জ্যোতি

বাছাইপর্ব জয়কে এশিয়া কাপের সেরা প্রস্তুতি বললেন জ্যোতি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি হাতে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ছবি: নিউজবাংলা
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ঢাকায় ফিরে মঙ্গলবার বিমান বন্দরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন বাছাইপর্বের শিরোপা জেতায় এশিয়া কাপের প্রস্তুতি দুর্দান্ত হয়েছে।

২০১৮ সালের এশিয়া কাপ ও এ বছর বিশ্বকাপ বাছাই টুর্নামেন্টের শিরোপার সুখস্মৃতি নিয়ে এশিয়া কাপ লড়াই শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল। বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় দারুণ আশাবাদী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ঢাকায় ফিরে মঙ্গলবার বিমান বন্দরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন বাছাইপর্বের শিরোপা জেতায় এশিয়া কাপের প্রস্তুতি দুর্দান্ত হয়েছে। অনুশীলনের চেয়ে সরাসরি ম্যাচ খেলা বাড়তি আত্মবিশ্বাসী করে দলকে।

জ্যোতি বলেন, ‘আমি বলব এটা আমাদের জন্য সেরা প্রস্তুতি ছিল। কারণ ম্যাচ খেলে প্র্যাকটিসের চেয়ে ভালো প্রস্তুতি হতে পারে না। ওখানে একই ফরম্যাটে খেলে এসেছি যেটা আমাদেরকে এশিয়া কাপে সাহায্য করবে।

‘এশিয়া কাপের দলের সবাই কমবেশি আমরা এ টুর্নামেন্টে খেলেছি। এশিয়া কাপে আমরা যদি দলগত ভাবে কাজ করতে পারি, আমার মনে হয় ভালো একটা ফল আসবে।’

জ্যোতি জানান, শিরোপা ধরে রাখার জন্য ১১০ ভাগ দিতে প্রস্তুত টাইগ্রেসরা। তারা নিজেদের ঘরেই রাখতে চান শিরোপা।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ১ অক্টোবর থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেটের মাঠে। ৭ দলের অংশগ্রহণে ২৪ ম্যাচের এ টুর্নামেন্টে ফাইনাল হবে ১৫ অক্টোবর।

এবারের আসরে স্বাগতিক বাংলাদেশের ছাড়া বাকি ৬টি দল হলো ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশ নারী দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), ফারজানা হক পিংকি, রুমানা আহমেদ, শামীমা সুলতানা, রিতু মনি, লতা মণ্ডল, জাহানারা আলম, সালমা খাতুন, সোবহানা মোস্তারি, নাহিদা আক্তার, মুরশিদা খাতুন, ফাহিমা খাতুন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, সোহালি আক্তার ও ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা।

স্ট্যান্ডবাই: মারুফা আক্তার, রাবেয়া খান, শারমিন আক্তার সুপ্তা ও নুজহাত তাসনিয়া।

আরও পড়ুন:
চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরল নারী ক্রিকেট দল
অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
ফাইনালে নারী ক্রিকেটাররা দিলেন ১২১ রানের টার্গেট

মন্তব্য

p
উপরে