× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
Happy Independence Day to the cricketers
google_news print-icon

স্বাধীনতা দিবসে তামিম-তাসকিনদের শুভেচ্ছা

স্বাধীনতা-দিবসে-তামিম-তাসকিনদের-শুভেচ্ছা
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শ্রদ্ধা জানায় জাতীয় ক্রিকেট দল। ছবি: সংগৃহীত
সাউথ আফ্রিকার ডারবানে দলীয় অনুশীলনের ফাঁকে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে দিবসটি স্মরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।

দেশের ৫২তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।

সাউথ আফ্রিকার ডারবানে দলীয় অনুশীলনের ফাঁকে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে দিবসটি স্মরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।

৩১ মার্চ থেকে টেস্ট সিরিজ শুরু হবে। তার আগে শনিবার থেকে অনুশীলন শুরু করে বাংলাদেশ দল। এর মাঝেই জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে স্বাধীনতা আর জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করেন তামিম ইকবাল, তাসকিন আহমেদ, মুশফিকুর রহিমরা।

এ সময় ক্রিকেটার, টিম ম্যানেজমেন্ট, টিম বয়সহ বিদেশি কোচিং স্টাফের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন।

জাতীয় সঙ্গীতের একটা লাইন দিয়ে সাউথ আফ্রিকাকে সিরিজ হারানোর নায়ক তাসকিন ফেসবুকে লেখেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি। সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।’

ওয়ানডে সিরিজ শেষ করে পারিবারিক কারণে দেশে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। তিনি লেখেন, ‘অর্জন ও প্রাপ্তির ৫১তম বছরে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে তাদের অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কাছে আমরা চিরঋণী। সবাইকে জানাই মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।’

সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেয়া তামিম ইকবালও তাসকিনের মতো জাতীয় সঙ্গীতের বাক্য তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি লেখেন, ‘কী শোভা, কী ছায়া গো! কী স্নেহ, কী মায়া গো! কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।’

আরও পড়ুন:
টেস্টেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মুমিনুল
শুক্রবার দেশে ফিরেছেন আরও তিন ক্রিকেটার
কক্সবাজারে প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের ‘বঙ্গবন্ধু চার জাতি টুর্নামেন্ট’
সিরিজ জিতে দেশে ফিরলেন সাকিব
তামিমের চোখে এটি সেরা তিন জয়ের একটি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Kabir Suman wants to spend the rest of his life in Bangladesh

জীবনের বাকিটা বাংলাদেশে কাটাতে চান কবীর সুমন

জীবনের বাকিটা বাংলাদেশে কাটাতে চান কবীর সুমন কবীর সুমন। ছবি: সংগৃহীত
তিনি লিখেছেন, ‘এমন নয় যে সনাতনধর্মীয় নামধারী কোনো বঙ্গজ আমায় সম্মান করেন না। মুষ্টিমেয় কিছু বঙ্গজ করেন, কিন্তু বড্ড বেশি সংখ্যক সনাতনধর্মীয় বঙ্গজ আমায় ঢাক পিটিয়ে ঘৃণা করেন, এবং তা জাহির করে সনাতনী সুখ পান।’

পশ্চিমবঙ্গে বাস করলেও দুই বাংলাতেই তার ব্যাপক জনপ্রিয় বাংলা গানের কিংবদন্তী শিল্পী কবীর সুমন। তবে নিজের মাতৃভূমিতে না কি ভালো নেই তিনি। আবেগঘন এক পোস্টে এমন কথা জানিয়ে দেশ ছেড়ে জীবনের বাকি অংশ বাংলাদেশে এসে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তী এ শিল্পী।

সোমবার দুপুরের দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে এ ইচ্ছার কথা জানান সুমন।

ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এই কথা আমি আগেও অনেকবার বলেছি। তাও ফের বলছি, কারণ আমার কথায় কোনো কাজ হচ্ছে না।

‘এমন নয় যে সনাতনধর্মীয় নামধারী কোনো বঙ্গজ আমায় সম্মান করেন না। মুষ্টিমেয় কিছু বঙ্গজ করেন, কিন্তু বড্ড বেশি সংখ্যক সনাতনধর্মীয় বঙ্গজ আমায় ঢাক পিটিয়ে ঘৃণা করেন, এবং তা জাহির করে সনাতনী সুখ পান।’

তিনি বলেন, “আর এক শ্রেণির সনাতন-বঙ্গজ আছে, যারা আমায় কবীর নামে ডাকতে চায় না। এরা, যা দেখেছি ‘বামপন্থী’। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আমার নাম ভারতের সংবিধান মোতাবেক, ঘোষিতভাবে কবীর সুমন। ফার্স্ট নেম কবীর। সার্নেম সুমন।

“আমার আয়কর ফাইল, র‍্যাশন কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার আইডি, আধার কার্ড- সর্বত্র এই নামটাই আছে। এই নামে আমি ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে লড়ে মাননীয় সিপিআইএম সদস্য ডক্টর সুজন চক্রবর্তীকে হারিয়ে দিয়ে লোকসভার সাংসদ হয়েছিলাম। ভারতের অন্তর্ভুক্ত পশ্চিম বাংলায় তা সকলের জানার কথা। তা সত্ত্বেও সিপিআইএম করা বঙ্গজরা আমায় আমার বর্জিত নামে ডাকেন। শুধরে দিলেও শুধরে নেন না। আর নকশালপন্থী দলের বঙ্গজ নেতাও (নামে সনাতনধর্মীয়) আমায় ভুলেও কবীর সুমন বলেন না, কবীর তো নয়ই। তিনি অবিরাম সুমন সুমন করে যান। এদিকে সকলেই নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার, ব্যক্তিগত অধিকার বলতে গদগদ।

“আর একদল আছে, যারা আমায় গানওলা বলে ডাকে। কী বলি।”

এ শিল্পী বলেন, “যা বুঝেছি, আমায় নির্দ্বিধায় সম্মান করেন যারা, প্রাপ্য সম্মানটুকু দেন যারা তারা সদলবলে বাঙলাদেশের নাগরিক। পশ্চিমবঙ্গের সনাতনধর্মীয় বঙ্গজদের মতো বাংলাদেশের কেউ আমায় সমানে, যে কোনো উপায়ে অপমান করে যান না।

“আর মাসখানেক পরে আমি ৭৫ পুরো করে ৭৬-এ পড়ব। কলকাতা আমার প্রথম প্রেম। কলকাতা নামটা আমার গানে যতবার এসেছে আর কারুর কবিতায় গানে তা আসেনি। আমায় যাঁরা বাঁচিয়ে রেখেছেন তাঁরা সকলেই কলকাতার সনাতনধর্মীয় বঙ্গজ। তাঁদের ছেড়ে থাকতে পারব না। কিন্তু, কারুর কোনো ক্ষতি না করা সত্ত্বেও সমানে অপমানিত হতে হতে এবারে আমি চাইছি- এই দেশটা, মায় এই শহরটাও ছেড়ে চলে যেতে। এখানকার সনাতনধর্মীয় বঙ্গজদের মধ্যে অন্তত দুজন ফেসবুকে ঘোষণাও করেছেন ‘হাসপাতাল থেকে ফিরে না এলেই ভালো হতো।’ তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু লেখেনি।

“আমার শেষ জীবন আমি যদি বাংলাদেশে থেকে আমার মাভাষার সেবা করতে পারতাম, বাংলা খেয়াল শেখাতে পারতাম, আমার আজকের স্বাস্থ্য যতটা অনুমতি দেবে ততটা অন্তত।”

তিনি বলেন, “আমি agnostic। মরে যাবার পর কোনো ধর্মীয় শেষকৃত্যের প্রশ্নই উঠবে না। আমার দেহ দান করা আছে। বাংলাদেশে মরলে সেখানকার কোনো হাসপাতালে আমার শরীর কাজে লাগানো যেতে পারে।

“আজও আমি ফেসবুকে আমার সম্পর্কে সনাতনধর্মীয় বঙ্গজদের খিস্তি পড়েছি। এতে আমার মধ্যে কোনো উত্তেজনা জাগেনি, জাগছে এই ‘বিদেশটা’ ত্যাগ করে ভাষা মতিনের দেশে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া, সেই দেশের কাজে লাগার ইচ্ছে।”

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘প্রকাশ্যে সাহায্য ও আশ্রয় চাইছি। এই রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আমার আবেদনে সাড়া দিয়ে বাংলা খেয়ালকে স্বীকৃতি দিয়েছেন, রাজ্য ক্লাসিকাল মিউজিক কনফারেন্সে আমায় বাংলা খেয়াল গাইতে দিয়েছেন। এ রাজ্যের একজন শিল্পীও কিন্তু সংহতি জানাননি আমার সঙ্গে। যতদিন বেঁচে থাকব শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব, তাঁর পক্ষে থাকব।

‘কেউ যদি পারেন আমায় সাহায্য করুন।

‘জয় বাংলা

জয় বাংলা খেয়াল!

কবীর সুমন

১৯ ২ ২৪’’

সংগীতশিল্পী কবীর সুমনের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৬ মার্চ ১৯৪৯। তিনি একাধারে গায়ক গীতিকার। পাশাপাশি কিছুদিন সাংবাদিকতা ও অভিনয়ও করেছেন, ছিলেন সংসদ সদস্যও। ২০০০ সালে ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়ে তিনি তার পুরনো নাম ত্যাগ করেন।

১৯৯২ সালে ‘তোমাকে চাই’ অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি বাংলা গানে এক নতুন ধারার প্রবর্তন করেন। তার রচিত গানের অ্যালবামের সংখ্যা পনেরো। দুই বাংলার তরুণদের কাছে দারুণ জন্মপ্রিয় এই শিল্পী।

২০২৩ সালের নভেম্বরে শেষবার ঢাকায় এসেছিলেন কবীর সুমন। তখন চার দিনের বাংলা খেয়াল কর্মশালার জন্য ঢাকায় আসেন তিনি। এর আগে তিনি ২০২২ সালের অক্টোবরে ঢাকায় এসেছিলেন।

বাংলা গানের গতিপথ বদলে দেয়া এই অ্যালবাম প্রকাশের ৩০ বছর পূর্ণ হয় ২০২২ সালে। এ উপলক্ষে ঢাকায় ‘তোমাকে চাই-এর ৩০ বছর উদযাপন’ শিরোনামে গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেন এই গায়ক।

ওই অনুষ্ঠানে নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে কবীর সুমন বলেছিলেন, ‘আমার একটা অসুখ হয়েছে। এই অসুখের কারণে আমি যেমন হাতে লিখতে পারি না, তেমনই গিটারও বাজাতে পারি না। আর কোনোদিন পারব না।

‘একটানা বসে থাকলেও সমস্যা হয়। মাঝে মাঝে মনে হয়, শুয়ে শুয়ে গান গাই! তবে এ জন্য আমার আলাদা কোনো দুঃখ নেই। গুরুদের কৃপায় আমি এখনও একটু একটু গান গাইতে পারি- এটাই আনন্দ।’

মন্তব্য

খেলা
Minister of State for Information wants to bring social media under accountability

সোশ্যাল মিডিয়াকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চান তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল মিডিয়াকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চান তথ্য প্রতিমন্ত্রী বুধবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিজেসি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘যেহেতু সাংবাদিকরা ইউটিউব ও ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে একটি নীতি ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন, আমি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এই দাবির সঙ্গে একমত এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তা পূরণ করার চেষ্টা করব।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে একটি নীতি ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য সাংবাদিকদের দাবির সঙ্গে ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। এ বিষয়ে সাংবাদিক ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে কথা বলে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘যেহেতু সাংবাদিকরা ইউটিউব ও ফেসবুকসহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে একটি নীতি ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন, আমি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এই দাবির সঙ্গে একমত এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তা পূরণ করার চেষ্টা করব।’

বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘সাংবাদিকদের যোগ্যতা ও গুণগত মান নির্ধারণে একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য আরেকটি প্রস্তাব সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন থেকে পেয়েছি।

‘আপনারা গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনতে সাংবাদিকদের যোগ্যতা নির্ধারণে নীতিমালা চান। আমরা আপনাদের সঙ্গে কথা বলে তা প্রণয়ন করব।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গত ১৫ বছরে গণমাধ্যমের বিস্তৃতির জন্য উদারপন্থা দেখিয়েছে। আমরা গণমাধ্যমকে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে দেই।’

বিদ্যমান আইন উপেক্ষা করে সম্প্রচার বা ইন্টারনেট সেবা প্রদানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

গণমাধ্যমে হঠাৎ ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সাংবাদিকদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা সর্বজনীন মানবাধিকার সনদের লঙ্ঘন। আমি দাপ্তরিক নির্দেশনা জারি করব, যাতে কোনো প্রতিষ্ঠান স্বল্প নোটিশে তার সাংবাদিকদের বরখাস্ত করতে না পারে। কাউকে ছাঁটাই করার নোটিশ কমপক্ষে তিন মাস আগে পরিবেশন করতে হবে।

‘একইভাবে, সাংবাদিকরা যদি পদত্যাগ করতে চান, তাদেরও একটি নির্দিষ্ট সময়ের আগে, যেমন দুই-তিন মাস আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।’

সাংবাদিকদের দাবি পূরণে এ সময় তাদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজেসি চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক রাজা, সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মানস ঘোষ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ ইশতিয়াক রেজাসহ অন্যান্যরা।

মন্তব্য

খেলা
Asif Mahtab gets paid for tearing up books BRAC University

বই ছেঁড়া ধ্বংসাত্মক, আসিফ মাহতাব পারিশ্রমিক পাবেন: ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি

বই ছেঁড়া ধ্বংসাত্মক, আসিফ মাহতাব পারিশ্রমিক পাবেন: ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানে সপ্তম শ্রেণির পাঠবইয়ের ‘শরীফার গল্প’ থাকা অংশ ছিঁড়ে ফেলেন আসিফ মাহতাব উৎস। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে আসিফ মাহতাব উৎসের বই ছেঁড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সকল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সব মত ও আদর্শের জন্য সহনশীলতা ও সম্মানের ভিত্তিতে গঠনমূলক আলোচনা, বিতর্ক এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ে বিশ্বাস করে, কিন্তু ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য আচরণ, যা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমর্থন করে না।’

সপ্তম শ্রেণির পাঠবইয়ে ‘শরীফার গল্প’ থাকা পৃষ্ঠাগুলো ছিঁড়ে আসিফ মাহতাব উৎস ধ্বংসাত্মক কাজ করেছেন বলে মনে করছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।

স্প্রিং সেমিস্টারের প্রস্তুতিমূলক কাজে সময় ও প্রচেষ্টার জন্য খণ্ডকালীন এ শিক্ষককে পারিশ্রমিক দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।

‘সাম্প্রতিক ঘটনায় বিবৃতি’ শিরোনামে সোমবার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অফিস অফ কমিউনিকেশনস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আসিফ মাহতাব উৎসের বই ছেঁড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সকল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সব মত ও আদর্শের জন্য সহনশীলতা ও সম্মানের ভিত্তিতে গঠনমূলক আলোচনা, বিতর্ক এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ে বিশ্বাস করে, কিন্তু ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য আচরণ, যা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমর্থন করে না।

‘সাম্প্রতিক সময়ে জনাব আসিফ মাহতাব উৎস কর্তৃক বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত সপ্তম শ্রেণির জাতীয় পাঠ্যবইয়ের পৃষ্ঠা ছেঁড়া এবং পাবলিক ফোরামে অন্যদেরকে একই কাজ করতে বলার ঘটনাটিকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি একটি ধ্বংসাত্মক কাজ বলে মনে করে এবং এ ধরনের অশিক্ষকসুলভ আচরণকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না।’

আসিফের সঙ্গে নতুন চুক্তি না করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘এ কারণে ব্যাক ইউনিভার্সিটি ২০২৪ সালের স্প্রিং সেমিস্টারের জন্য জনাব আসিফ মাহতাব উৎসকে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নতুন চুক্তি না দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে ইউনিভার্সিটি জনাব মাহতাবকে এই সেমিস্টারের প্রস্তুতিমূলক কাজে তার সময় ও প্রচেষ্টার জন্য পারিশ্রমিক প্রদান করবে।’

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমকামিতার প্রচার-প্রসার করছে না উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সকল ক্ষেত্রে দেশের সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দেশের প্রচলিত বিধিবিধান মেনে চলার বিষয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমকামিতার প্রচার ও প্রসারের সাথে যুক্ত—সামাজিকমাধ্যমে কিছু মহলের এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, তবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি প্রত্যেকটি মানুষের সমান অধিকার এবং সম্ভাবনা বিকাশের পথে সমান সুযোগ সৃষ্টিতে বিশ্বাস করে।’

প্রেক্ষাপট

‘জাতীয় শিক্ষক ফোরাম’ নামের একটি সংস্থা গত ২০ জানুয়ারি জাতীয় সেমিনার আয়োজন করে। তাতে বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সাবেক খণ্ডকালীন শিক্ষক আসিফ মাহতাব উৎস।

ওই সেমিনারে সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ‘শরীফার গল্প’ অংশ থাকা পৃষ্ঠাগুলো ছিঁড়ে ফেলেন আসিফ, যিনি নিজেকে পরিচয় করিয়েছেন ইসলামি রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে।

এর আগে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এখন ভাই নতুন আইন প্রচারিত হচ্ছে আপনারা হয়তো বা জানেনও না। বাংলাদেশে আইন হবে যে যারা ট্রান্সজেন্ডার, যেসব ছেলে নিজেকে মেয়ে মনে করবে, তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়া হবে এবং এর বিরুদ্ধে আপনি যদি বলেন, আপনার এক বছরের জেল এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হবে।’

ওই সেমিনারে দেয়া বক্তব্যের একপর্যায়ে আসিফ বলেন, “আমি বেশি বক্তব্য দেব না। আমি জাস্ট একটু শেষ করে ফেলি তাড়াতাড়ি। শরিফ-শরিফার গল্প দিয়ে। দেখেন, এই যে গল্পটা, আমার কাছে বই। আমি কিনলাম। কেনার সময় আমার সাথে আশেপাশে যারা দেখছে, তারাও দেখে হাসি দিল। মজার বিষয়। এটা কী দিছে?

“এই যে লেখা আছে, ‘ছোটবেলায় সবাই আমাকে ছেলে বলত, কিন্তু আমি নিজেই একসময় বুঝলাম, আমার শরীরটা ছেলেদের মতো হলেও আমি মনে মনে একজন মেয়ে।’”

শরীফার গল্পের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সে যদি মেয়ে হয়, একটা ছেলে যদি মেয়ে হয়, তাহলে তার বিয়ে হবে কার সাথে? ছেলের সাথে। তার মানে কী? সমকামী, যেটা আমাদের দেশে অবৈধ, কিন্তু সেটাকে বৈধ করা হচ্ছে এই গল্পের মাধ্যমে।’

ওই বক্তব্য দেয়ার এক দিন পর ২১ জানুয়ারি রাত ১১টা ৪৬ মিনিটে আসিফ ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘আজকে আমি ব্র্যাকে রেগুলার ক্লাস নিয়েছি। আমাকে এইমাত্র ফোন করে জানানো হয়েছে যে, আমি যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর ক্লাস নিতে না যাই। আমি জানি না হঠাৎ করে এই সিদ্ধান্ত তারা কেন নিল। আমাকে কোনো কারণ তারা দেয়নি।’

আসিফ মাহতাবের ওই স্ট্যাটাসের জেরে দেশজুড়ে ট্রান্সজেন্ডার, ‘শরীফার গল্প’, সমকামিতা ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্র্যাকের পণ্য বর্জনের ডাকও দেন অনেকে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২২ জানুয়ারি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আসিফ মাহতাব উৎস ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তার সঙ্গে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির কোনো চুক্তি নেই। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি তার কর্মী এবং তাদের চুক্তির গোপনীয়তা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

একই তারিখে রাতে আসিফ মাহতাব ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘আমার কনট্রাক্ট যদি রিনিউ নাই করা হবে, তাহলে আমাকে দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মিটিং, কারিকুলাম ডেভেলপমেন্টের কাজ কেন করানো হলো?

‘সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার কোর্স রিনিউ করা হয়নি ভালো কথা। তো আমাকে দিয়ে একটা ক্লাস কেন নেওয়ানো হলো?’

এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলার মধ্যেই সোমবার নতুন করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কিছু মন্তব্য করার পাশাপাশি সর্বশেষ সিদ্ধান্তের কথা জানায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।

আরও পড়ুন:
চাকরি পেয়েছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর
শিল্পী আসিফকে ই-পাসপোর্ট দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
বিয়েবাড়িতে তাণ্ডব, ৪ ট্রান্সজেন্ডার গ্রেপ্তার
ধর্ষণের পর হত্যায় ট্রান্সজেন্ডার নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ট্রান্সজেন্ডার অঙ্কিতায় ঢাবির নতুন ইতিহাস

মন্তব্য

খেলা
Farooqui suggested to end the barbarity

‘অসভ্যতার শেষ হোক’ বলা ফারুকী দিলেন ‘সাজেশন’

‘অসভ্যতার শেষ হোক’ বলা ফারুকী দিলেন ‘সাজেশন’ নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ফাইল ছবি
বছরের প্রথম দিন সোমবার বেলা ১১টা ৪৯ মিনিটে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে ফারুকী লিখেন, ‘ওকে, আই হ্যাভ অ্যা সাজেশন। উৎসব যেহেতু থাকবে, আবার এই শহরে ছোট শিশু, বয়স্ক মানুষ, রোগী, পশু-পাখিদেরও থাকতে হবে। তাহলে একটা উপায় বের করা যায়? পুরা শহরটাকে যুদ্ধক্ষেত্র না বানায়ে শহরের তিনটা জায়গা নির্দিষ্ট করে দেয়া যায়? যেখানে উৎসব করার জন্য মানুষ জড়ো হবে। আমাদের এখানে তো আর সিডনি হারবার ব্রিজের মতো কোনো জায়গা নাই। আমাদের সব জায়গাই তো আবাসিক। সেই জন্য জায়গার পাশাপাশি সময়টাও বেঁধে দেয়া দরকার!’

দেশে নতুন বছর উদযাপনের রাতে (থার্টি ফার্স্ট নাইট) বিগত বছরগুলোর মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আহ্বান উপেক্ষা করে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে আতশবাজি ফুটিয়েছেন অনেকে। এতে মধ্যরাতে ঘুমের মধ্যে আঁতকে উঠতে হয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে। তাদের একজন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

২০২৪ শুরুর আগের রাত রোববার পৌনে দুইটার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফারুকী। এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘নতুন বছর শুরু করতে হচ্ছে অভিশাপ দিয়ে। ঘুমন্ত সন্তান যখন কেঁপে কেঁপে ওঠে, তখন পিতা কেবল অভিশাপই দিতে পারে।

‘কারও আনন্দের বিনাশ আমি কখনোই চাই না, কিন্তু আজকে বলতে বাধ্য হচ্ছি: তোদের অসভ্যতার শেষ হোক, শেষ হোক, শেষ হোক! সংযুক্তি: এখন বাজে রাত দুইটা।’

থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানোর কারণে সারা দেশে তিনটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

বাহিনীটির মিডিয়া সেল সোমবার জানায়, কেরানীগঞ্জ জিনজিরাতে একটি, রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি ও জামালপুর সদরের শহিদ হারুন সড়কে একটি আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে দুটি দোকান ও একটি বাসাবাড়ি পুড়ে যায়, তবে এসব ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

গত পাঁচ বছরে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের সময় আতশবাজি ও ফানুসের কারণে ২৮০টি আগুন ধরে বলে রোববার জানায় ফায়ার সার্ভিস। এমন বাস্তবতায় থার্টি ফার্স্ট নাইট যৌক্তিকভাবে উদযাপনের পরামর্শ দিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বছরের প্রথম দিন সোমবার বেলা ১১টা ৪৯ মিনিটে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘ওকে, আই হ্যাভ অ্যা সাজেশন। উৎসব যেহেতু থাকবে, আবার এই শহরে ছোট শিশু, বয়স্ক মানুষ, রোগী, পশু-পাখিদেরও থাকতে হবে। তাহলে একটা উপায় বের করা যায়?

‘পুরা শহরটাকে যুদ্ধক্ষেত্র না বানায়ে শহরের তিনটা জায়গা নির্দিষ্ট করে দেয়া যায়? যেখানে উৎসব করার জন্য মানুষ জড়ো হবে। আমাদের এখানে তো আর সিডনি হারবার ব্রিজের মতো কোনো জায়গা নাই। আমাদের সব জায়গাই তো আবাসিক। সেই জন্য জায়গার পাশাপাশি সময়টাও বেঁধে দেয়া দরকার!’

তিনি আরও লিখেন, ‘উচ্চ শব্দ হয় এমন কোনো কিছু করলে এই বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে করতে হবে। তাতে করে নির্দিষ্ট করে দেয়া জায়গাগুলার আশেপাশের ভবনের মানুষেরা জানবে কোন সময়টাতে এ রকম শব্দ হতে পারে এবং সেই অনুযায়ী একটা প্রস্তুতি রাখতে পারে। কালকে রাতে যেমন দুইটার পরেও চলছে এই বীভৎস তান্ডব!

‘শেষ করতে চাই একটা কথা বলে, আমি আনন্দ-উৎসবের বিরুদ্ধে না, কিন্তু ভাইয়েরা একটা কথা বলি। আমরা যখন কোনো ছাদে দাঁড়াই, আমরা কিন্তু সেখান থেকে একটা আস্ত ইট নিয়ে বাইরের দিকে ছুড়ে মারি না! কারণ আমরা চিন্তা করি নিচে দিয়ে হেঁটে যাওয়া কারও না কারও মাথায় এটা পড়তে পারে, একটা অ্যাকসিডেন্ট হতে পারে। এই যে আমরা এটা ভাবি, এটাই সভ্য মানুষের বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত। আমার কোনো কাজে অন্যের ক্ষতি হতে পারে কি না, এইটা ভাবা মানুষের বেসিক জিনিস হওয়া উচিত। সবার নতুন বছর আনন্দের হোক, এমনকি যারা কালকে আমার মেয়েকে আতঙ্কের ওপর রাখছিলেন, তাঁদেরও!’

স্ট্যাটাসের শেষের দিকে ফারুকী বলেন, ‘বি. দ্র. একজন লিখছেন আমি নাকি সারা জীবন এটাকে সমর্থন দিয়ে এই প্রথম এটার বিরুদ্ধে লিখলাম। আমি জানি না উনি কোথায় পাইলেন যে অন্যের আতঙ্ক সৃষ্টি করারে আমি সমর্থন করছি। সোশ্যাল মিডিয়া মনগড়া কথা লিখার আখড়া!

‘উনি বোধ হয় আমার কাজকর্মের খবরও রাখেন না। আমি যে সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফির মতো একটা সিনেমা বানাইছি এটা নিয়া সেটাও হয়তো উনি জানেন না। হায় সেলুকাস!’

আরও পড়ুন:
বিদ্যানন্দ নিয়ে পোস্ট দেখে মন খারাপ: ফারুকী
তাহলে ঝেড়ে কাশাই ভালো: ফারুকী
‘ফারাজ’-এর আগে ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তির চিন্তা
ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তিতে বাধা নেই
‘আখের গোছানো ছাড়া আর কিছু করেছেন?’ ফারুকীকে আতিক!

মন্তব্য

খেলা
Malala wants full ceasefire in Gaza

গাজায় ‘পূর্ণ’ যুদ্ধবিরতি চান মালালা

গাজায় ‘পূর্ণ’ যুদ্ধবিরতি চান মালালা শান্তিতে নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই। ফাইল ছবি
যুদ্ধবিরতি শুরুর দিন শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে মালালা লিখেন, ‘আজ রাতে পরিবারের সঙ্গে ফের দেখা হওয়া নারী, শিশু ও তরুণ লোকজন এবং গাজায় বোমাবর্ষণে বিরতি দেয়ায় স্বস্তি অনুভব করছি, তবে আগামীকাল ঘুম থেকে উঠে ফের স্বজনদের জন্য শোকতাপ করে, খাদ্য ও পানির জন্য মরিয়া হয়ে উঠবে গাজার শিশুরা এবং তাদের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং স্কুলে আবার গোলাবর্ষণ নিয়ে থাকবে শঙ্কায়।’

ইসরায়েলের সঙ্গে গাজার শাসক দল হামাসের চার দিনের যুদ্ধবিরতির মধ্যে উপত্যকায় ‘পূর্ণ’ যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের প্রাণঘাতী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে গাজায় দেড় মাসের বেশি সময় ধরে বোমাবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে গাজায় প্রায় ১৫ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়। অন্যদিকে হামাসের হামলায় প্রাণ যায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলির। এমন বাস্তবতায় শুক্রবার থেকে চার দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু করে দুই পক্ষ।

যুদ্ধবিরতি শুরুর দিন শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে মালালা লিখেন, ‘আজ রাতে পরিবারের সঙ্গে ফের দেখা হওয়া নারী, শিশু ও তরুণ লোকজন এবং গাজায় বোমাবর্ষণে বিরতি দেয়ায় স্বস্তি অনুভব করছি, তবে আগামীকাল ঘুম থেকে উঠে ফের স্বজনদের জন্য শোকতাপ করে, খাদ্য ও পানির জন্য মরিয়া হয়ে উঠবে গাজার শিশুরা এবং তাদের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং স্কুলে আবার গোলাবর্ষণ নিয়ে থাকবে শঙ্কায়।

‘তাদের জন্য আমাদের অবশ্যই সোচ্চার হতে হবে—পূর্ণ যুদ্ধবিরতি ও আরও মানবিক সহায়তার জন্য। অহেতুক এ দুর্ভোগের অবসান হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
কাল থেকে গাজায় চার দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু
আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালকসহ কয়েকজন চিকিৎসক গ্রেপ্তার
গাজায় যুদ্ধবিরতি শুক্রবারের আগে না
যুদ্ধবিরতি শুরুর সময় জানাল হামাস
গাজায় যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাল ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে থাকা রাশিয়া

মন্তব্য

খেলা
Mashrafes emotional post apologizing after the announcement of the schedule

তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমা চেয়ে মাশরাফির আবেগঘন পোস্ট

তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমা চেয়ে মাশরাফির আবেগঘন পোস্ট ছবি: সংগৃহীত
পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দিয়েছিলেন, আপনারা মনে ঠাঁই দিয়ে চেয়ারে বসিয়েছিলেন। সে জন্য আপনাদের প্রতিও অশেষ কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করছি। বৈশ্বিক মহামারি এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক মন্দা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার একজন বাহক হিসেবে আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রাণান্ত চেষ্টা করেছি। আপনাদের সবার সব চাহিদা হয়তো আমি পূরণ করতে পারিনি। কিন্তু একটি মুহূর্তও বসে থাকিনি।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ক্ষমা চেয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। তিনি নড়াইলবাসীকে সালাম জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নির্বাচনী প্রতীক নৌকাসংবলিত একটি ছবি পোস্ট করেছেন।

বুধবার দেয়া সেই পোস্টে মাশরাফি লিখেছেন, ‘আজ (বুধবার) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলো। আমাকে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিয়ে ৫ বছর জনগণের সেবা করার সুযোগ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’

পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দিয়েছিলেন, আপনারা মনে ঠাঁই দিয়ে চেয়ারে বসিয়েছিলেন। সে জন্য আপনাদের প্রতিও অশেষ কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করছি। বৈশ্বিক মহামারি এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক মন্দা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার একজন বাহক হিসেবে আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রাণান্ত চেষ্টা করেছি। আপনাদের সবার সব চাহিদা হয়তো আমি পূরণ করতে পারিনি। কিন্তু একটি মুহূর্তও বসে থাকিনি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘স্মার্ট নড়াইল বিনির্মাণে সচিবালয়ের এ দপ্তর থেকে সে দপ্তরে দৌড়েছি। উন্নয়ন অগ্রযাত্রার সারথী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন নড়াইলকে সাজাতে গিয়ে হয়তো আপনাদের সবার মন রক্ষা করতে পারিনি। কাজ করতে গিয়ে হয়তো ভুলও করেছি। অনেকে হয়তো মনে কষ্টও পেয়েছেন। সে জন্য আপনাদের সবার কাছে মনের অন্তস্তল থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

দেশবরেণ্য এই ক্রিকেটার বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি প্রাচীনতম বড় সংগঠন। এত বড় দলের পক্ষে কাজ করতে পেরেছি, তাতেই আমি ধন্য। কারোর প্রতি আমার কোনো রাগ-ক্ষোভ নেই। নড়াইল আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়সহ দলের সহযোগী ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা এবং পরম স্নেহে আমি সুন্দরভাবে কাজগুলো সুসম্পন্ন করতে পেরেছি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে পুনরায় সরকার গঠনের মাধ্যমে নড়াইলকে একটি সমৃদ্ধশালী জেলা হিসেবে গড়তে আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাই।’

মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দল যাকে এই জনপদের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে মনোনয়ন দেবে তার জন্য কাজ করব। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন। আমার ও আমার পরিবারের সুস্থতায় দোয়া করবেন।’

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর নড়াইল শহরে আনন্দ মিছিল বের করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন খান নিলুসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

খেলা
The YouTuber solved the problem of fresh water for ninety years

নব্বই বছরের সুপেয় পানির সমস্যার সমাধান করলেন সেই ইউটিউবার

নব্বই বছরের সুপেয় পানির সমস্যার সমাধান করলেন সেই ইউটিউবার পানির সমস্যা সমাধান হওয়া স্থানীয়দের মাঝে এসেছে স্বস্তি। ছবি: নিউজবাংলা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রচারের পর ওই ভিডিও দেখে দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেন লন্ডন থেকে ইয়াছমিন, আমেরিকা থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১ জন, লন্ডনভিত্তিক উম্মা ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা এবং বাংলাদেশের দুজন ব্যবসায়ী। তাদের সহায়তায় কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি ও উত্তর কানাইদেশী গ্রামে নব্বই বছর ধরে সুপেয় পানির সমস্যার অবসান ঘটে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের একজন ইউটিউবারের উদ্যোগে দুই গ্রামের অন্তত ৭শ’ পরিবারের নব্বই বছর ধরে চলা সুপেয় পানির অভাবের অবসান ঘটেছে। পাঁচটি ডিপ টিউবওয়েল পেয়েছে তারা।

সোমবার সকালে অতিথিদের নিয়ে ডিপ টিউবওয়েলের উদ্বোধন করা হয়।

এর আগে ২৮ অক্টোবর উপজেলার রাজকান্দি ও উত্তর কানাইদেশী গ্রামের ৪-৫ হাজার পরিবারের দুর্ভোগের কথা একটি ইউটিউব ভিডিওতে প্রকাশ করে ইনফো হান্টার (Info Hunter) নামের একটি চ্যানেল। তাদের ফেসবুক পেজ থেকেও ভিডিওটি প্রচার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রচারের পর ওই ভিডিও দেখে দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেন লন্ডন থেকে ইয়াছমিন, আমেরিকা থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১ জন, লন্ডনভিত্তিক উম্মা ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা এবং বাংলাদেশের দুজন ব্যবসায়ী। তাদের সহায়তায় কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি ও উত্তর কানাইদেশী গ্রামে নব্বই বছর ধরে সুপেয় পানির সমস্যার অবসান ঘটে।

সোমবার সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইনফো হান্টারের প্রতিষ্ঠাতা সাকিবুর রহমান, ব্যবসায়ী মো. মাফি, মাওলানা হাফিজ আবুল হোসেন ও নিউজবাংলার মৌলভীবাজার সংবাদদাতা সালাহ্উদ্দিন শুভসহ আরও অনেকে।

নব্বই বছরের সুপেয় পানির সমস্যার সমাধান করলেন সেই ইউটিউবার

স্থানীয়রা জানান, নব্বই বছর ধরে সুপেয় পানির সমস্যায় ভুগছি আমারা দুই গ্রামের বাসিন্দারা। অনেক দূরে একটা সরকারি স্কুল থেকে ৩-৪ হাজার মানুষ পানি ব্যবহার করছি। এই সমস্যা কারও চোখে পড়ছিল না। কিছুদিন আগে আমাদের এলাকায় একজন ইউটিউবার এসে ভিডিও করেন। উনার ভিডিও দেখে দেশ ও বিদেশের মানুষজন আমাদের জন্য পানির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ জায়গায় পাঁচটি ডিপ টিউবওয়েল উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে আমাদের এতদিনের কষ্টের অবসান হয়েছে।

রাজকান্দি গ্রামের স্থানীয় হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ আবুল হোসেন বলেন, ‘২ বছর হলো আমাদের এই হাফিজিয়া মাদ্রাসা হয়েছে। পানির খুব সমস্যা। এখানে পানি নাই বললেই চলে। অজু ও অন্যান্য কাজের জন্য দূরবর্তী একটি পুকুর থেকে পানি এনে আমরা ব্যবহার করে আসছিলাম। ডিপ টিউবওয়েলের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে কয়েকবার ধরণাও দিয়েছি, কিন্তু কেউ এই সমস্যার সমাধান করেননি। এমনকি জামানত হিসাবে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জমা দিয়েছি, কোনো লাভ হয়নি। আমাদের মাদ্রাসায় ৪৮ জন ছাত্র ও ২ জন শিক্ষক পাঠদান করেন। সর্বশেষ একজন ইউটিউবারের উদ্যোগে আজ আমাদের পানির ব্যবস্থা হলো। আমরা উনার জন্য প্রাণভরে দোয়া করি। খোদা তা’আলা ওনাকে এমন আরও ভালো কাজ করার তৌফিক দিন!’

এ বিষয়ে ইনফো হান্টারের প্রতিষ্ঠাতা সাকিবুর রহমান বলেন,‌ ‘নব্বই বছর ধরে খাবার পানিবিহীন ছিল রাজকান্দি ও উত্তর কানাইদেশী গ্রামের মানুষজন। তাদের এ সমস্যা নিয়ে আমি যখন আমার ইউটিউব ও ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড দেই, তখন লাখ লাখ মানুষ দেখে। তাদের মাঝে ৫ জন বন্ধু সাড়া দেন। তাদের কারণে দীর্ঘদিনের সমস্যার অবসান ঘটল এ দুই গ্রামের মানুষের।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমি মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা আমার ইউটিউব ও পেজে আপলোড দেই। সেসব ভিডিও দেশ ও বিদেশের মানুষজন দেখেন। তাদের কারণে আমি এভাবে সবাইকে সহযোগিতা করতে পারছি। এগুলো আমি নিজের স্বার্থে করছি না। কিছুদিন আগে আমি কয়েকেটা পুঞ্জিতে পানি, বিদ্যুৎ ও স্কুলের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এভাবে আগামী দিনগুলোতেও সহযোগিতা করে যেতে চাই। আমার মানবিক ভাইবোনদের সহযোগিতায় এই কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে করে যাব।’

মন্তব্য

p
উপরে