× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

খেলা
Sohan is free from coronation
hear-news
player
print-icon

করোনামুক্ত হলেন সোহান

করোনামুক্ত-হলেন-সোহান-
নুরুল হাসান সোহান। ফাইল ছবি
১৭ জানুয়ারি করোনা পজিটিভ হয়েছিল সোহন। এতে বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে দেখা যায়নি তাকে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরকে সামনে রেখে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছিলেন ফরচুন বরিশালের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান। শুক্রবার দ্বিতীয় পরীক্ষায় নেগেটিভ হয়েছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফরচুন বরিশাল কর্তৃপক্ষ।

তারা জানিয়েছে, ‘শুক্রবার সোহানের করোনা পরীক্ষা করানো হয়। সে নেগেটিভ এসেছে। শনিবার সকালে তার দ্বিতীয় পরীক্ষা হবে।’

গত ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তত্ত্বাবধানে করানো টেস্টে করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন সোহান। এই কারণে বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে দেখা যায়নি তাকে।

সোহানের পাশাপাশি করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন দলের আরেক ব্যাটসম্যান মুনিম শাহরিয়ার। আক্রান্ত হয়েছিলেন দলের ব্যাটিং পরামর্শক নাজমুল আবেদীন ফাহিমও।

এখন পর্যন্ত বিপিএলের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের করানো পরীক্ষায় অন্তত ২০ ক্রিকেটার ও স্টাফের করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর মিলেছে।

করোনা আক্রান্ত ক্রিকেটার ও স্টাফরা দলের বাকিদের সঙ্গে ঢুকতে পারেননি বায়ো বাবলে। আপাতত বাসায় থাকছেন সবাই।

আরও পড়ুন:
করোনা আক্রান্ত সোহান-মুনিম
শঙ্কা কাটিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে বিসিবির ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট বিপিএল
অধিনায়কের দায়িত্ব অনুপ্রেরণা দেয় রিয়াদকে
বিপিএলের আয় ভাগাভাগি করবে না বিসিবি
৬ দলের মধ্যে বেশি পার্থক্য নেই: সাকিব

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
Windies in convenient location

সুবিধাজনক অবস্থানে উইন্ডিজ

সুবিধাজনক অবস্থানে উইন্ডিজ খেলার একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত
৩০ রানে অপরাজিত রয়েছেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। সঙ্গী জন ক্যাম্পবেল করেছেন ৩২ রান। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের চেয়ে প্রথম ইনিংসে এখনও ১৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা।

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে বড় লিডের ইঙ্গিত দিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৩৪ রানের জবাবে বিনা উইকেটে ৬৭ রান তুলে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা।

৩০ রানে অপরাজিত রয়েছেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। সঙ্গী জন ক্যাম্পবেল করেছেন ৩২ রান। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের চেয়ে প্রথম ইনিংসে এখনও ১৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা।

সেইন্ট লুসিয়ায় টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দিনের শুরুটা বেশ দেখেশুনে করলেও ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অভিষিক্ত পেইসার অ্যান্ডারসন ফিলিপ ভাঙ্গেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান জয়ের জুটি।

ফিলিপের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে প্লেইড অন হন জয়। তার আগে ৩১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে ১০ রান করেন তিনি।
এরপর নাজমুল হাসান শান্তকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন তামিম। ব্যাট ছোটান অর্ধশতকের দিকে। কিন্তু অর্ধশতক থেকে ৪ রান দূরে থাকতেই তাকে থামিয়ে দেন আলজারি জোসেফ। এতে ৬৮ রানে পতন ঘটে সফরকারীদের দ্বিতীয় উইকেটের।

মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরে রানের গতি বাড়ান নাজমুল হোসেন শান্ত ও এনামুল হক বিজয়। যার ফলে ৩২.২ ওভারেই দলীয় সংগ্রহ শতক পেরোয় বাংলাদেশ। বিরতির পর ২৩ রান করতে শান্ত বিজয় সময় নেন ২৬ মিনিট।

তবে দলকে শতক এনে দিয়ে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি বিজয়। ব্যক্তিগত ২৩ রানে ফিলিপের দ্বিতীয় শিকার বনে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

সঙ্গীর বিদায়টা যেন মেনেই নিতে পারছিলেন না শান্ত। তাই পরের ওভারেই একই পথ ধরতে হয় তাকেও। কাইল মায়ার্সের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পরে ২৬ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

দলের বিপদ আরও বাড়িয়ে স্কোরবোর্ডে ২০ রান যোগ করতেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সাকিব আল হাসান। সিলসের বলে স্টাম্প হারিয়ে সাজঘরের পথ ধরার আগে টাইগার দলপতির ব্যাট থেকে আসে ৮ রান।

অল্পতেই ফেরেন নুরুল হাসান সোহানও। জোসেফের দ্বিতীয় শিকার বনে মাঠ ছাড়ার তার ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। আর তাতেই ১৩৮ রান তুলতে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

চা বিরতি থেকে ফিরে আরও একটি ব্যর্থ ইনিংস রচিত হয় মেহেদী হাসান মিরাজের। ৩০ বলে ৯ রান করে অফে কাট শট খেলতে গিয়ে থমাসের হাতে ধরা দিয়ে মাঠ ছাড়েন এই অলরাউন্ডার। এতে করে ১৬৫ রান তুলতেই ৭ উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।

তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন লিটন দাস। ৬৬ বলে ক্যারিয়ারের ১৪ তম অর্ধশতক তুলে নেয়ার পাশাপাশি দলকে নিয়ে যান দলীয় সংগ্রহ ২০০ এর কাছাকাছি।

তবে নিজের ইনিংস বেশি দূর তাকে টেনে নিয়ে যেতে দেননি আলজারি জোসেফ। ৫৩ রানেই তাকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে বাংলাদেশকে অল্পতে বেঁধে দেয়ার বার্তা এনে দেন এইয়ে পেইসার।

শেষদিকে শরিফুলের ও এবাদতের ৩৬ রানের জুটিতে ভর করে দলীয় সংগ্রহ ২০০ চারায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পথচলা শুরু হয় ২৫০ রানের দিকে।

১৭ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে শরিফুল বিদায় নিলে দলকে প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রানের পুঁজি এনে দেন খালেদ ও এবাদত মিলে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই সাকিব-শরিফুলদের ওপর চড়াও হন দুই উইন্ডিজ ওপেনার ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট ও জন ক্যাম্পবেল।

দুজনের অবিচ্ছেদ্য ৬৭ রানের জুটিতে ১৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে সিন শেষ করে স্বাগতিকরা। ব্র্যাথওয়েট অপরাজিত থাকেন ৩০ করে আর ক্যাম্পবেল ৩২।

আরও পড়ুন:
খেলার মাঠে আশ্রয়ণ প্রকল্প: প্রতিবাদে উত্তাল কেন্দুয়া
মামলা নিষ্পত্তির আগে ঋণ অবলোপন নয়
তিন মাসে খেলাপি ঋণ বাড়ল ১০ হাজার কোটি টাকা

মন্তব্য

খেলা
Lyttons Fifty standing in the rubble

ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে লিটনের ফিফটি

ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে লিটনের ফিফটি লিটন দাসের শটের একটি মুহূর্ত। ছবি: এএফপি
উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে লড়াই ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন দাস। দলের প্রয়োজনে আরও একবার কাঁধে তুলে নেন ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব। তার অনাবদ্য ব্যাটিংয়ে দলীয় সংগ্রহ ২০০ এর কাছাকাছি নিয়ে যাবার আশা দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ।

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশকে চোখ রাঙাচ্ছিল আরও একবার অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা। সেই শঙ্কার মাঝে আবারও আশার প্রদীপ জ্বালালেন লিটন দাস। খেললেন দুর্দান্ত ইনিংস। শুধু তাই নয়, দলের বিপদে ব্যাট চালিয়ে দলকে এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত এক অর্ধশতক।

দলীয় ১০৫ রানে এনামুল হক বিজয়ের সাজঘরে ফেরার পর মাঠে নামেন লিটন দাস। সে সময় উইকেট পতন হয়েছে সবে তিনটি।

বিজয়ের মাঠ ছাড়ার পরেই বদলে যেতে থাকে টাইগার শিবিরের দৃশ্যপট। একে একে এক অঙ্কের ঘরে আটকে থেকেই সাজঘরে ফেরা শুরু করেন টাইগার ব্যাটাররা। সে তালিকায় নাম লেখান সাকিব আল হাসান, নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী মিরাজ।

দেখতে দেখতেই ১০৫ রানে তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে ৬০ রান যোগ করতেই হারায় ৭ উইকেট।

তবে উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে লড়াই ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন। দলের প্রয়োজনে আরও একবার কাঁধে তুলে নেন ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব। তার অনাবদ্য ব্যাটিংয়ে দলীয় সংগ্রহ ২০০ এর কাছাকাছি নিয়ে যাবার আশা দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ।

দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেতে তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। ইনিংসের ৫৬তম ওভারের শেষ বলে জেইডেন সিলসকে চার মেরে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম অর্ধশতক।

৬৬ বলে করা তার দুর্দান্ত সেই ফিফটিতে ছিল ৮টি চারের মার।

তবে অর্ধশতক তুলে নিয়ে বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। আলজারি জোসেফের শিকার বনে ৫৩ রানেই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

আরও পড়ুন:
সেইন্ট লুসিয়ায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়
সিরিজ থেকেই ছিটকে গেলেন রাব্বি
হারানো মুকুট পুনরুদ্ধারে এক ধাপ এগোলেন সাকিব
বিশ্বসেরাদের একজন হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন তাসকিন
বন্যার্তদের জন্য পরিবহন সেবা তামিম-সৌম্যের

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh lost four wickets in one session

এক সেশনেই চার উইকেট হারাল বাংলাদেশ

এক সেশনেই চার উইকেট হারাল বাংলাদেশ সিলসের বলে বোল্ড হলেন সাকিব আল হাসান। ছবি: এএফপি
চা বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সফরকারীদের সংগ্রহ ৬ উইকেটের খরচায় ১৫৯ রান।

প্রথম সেশনে দুই উইকেট হারালেও, দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ হারিয়েছে চার উইকেট। চা বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সফরকারীদের সংগ্রহ ৬ উইকেটের খরচায় ১৫৯ রান।

৪৯ বলে ৩৪ করে অপরাজিত রয়েছেন লিটন দাস। সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজ করেছেন ২৫ বলে ৫ রান।

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে সেইন্ট লুসিয়ায় শুরুটা বেশ দেখেশুনেই করে বাংলাদেশ। কিমার রোচ ও জেইডেন সিলসের ওপেনিং স্পেল বিপদ ছাড়াই কাটিয়ে দেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান জয়। এ সময় বেশ কয়েকটি আবেদনে তারা নিরাপদ থেকে যান ডিআরএসের কল্যাণে।

তবে, অভিষিক্ত পেইসার অ্যান্ডারসন ফিলিপ এসে জুটি ভাঙেন টাইগারদের। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি ফেরান জয়কে। ফিলিপের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে প্লেইড অন হন জয়। তার আগে ৩১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে ১০ রান করেন তিনি।

এরপর নাজমুল হাসান শান্তকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন তামিম। ব্যাট ছোটান অর্ধশতকের দিকে। কিন্তু অর্ধশতক থেকে ৪ রান দূরে থাকতেই তাকে থামিয়ে দেন আলজারি জোসেফ। মাঠ ছাড়ার আগে ৬৭ বলে ৯ চারে ৪৬ রান আসে বাঁহাতি এই ওপেনারের ব্যাট থেকে।

এরপর সেশনের বাকিটা সময় আর অঘটন ঘটতে দেননি নিজয় ও শান্ত। যার ফলে দুই উইকেট হারিয়ে ৭৭ রানের পুঁজি নিয়ে প্রথম সেশন শেষ করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

বিরতি থেকে ফিরে রানের গতি বাড়ান এই দুই ব্যাটার। যার ফলে ৩২.২ ওভারেই দলীয় সংগ্রহ শতক পেরোয় বাংলাদেশ। বিরতির পর ২৩ রান করতে শান্ত বিজয় সময় নেন ২৬ মিনিট।

তবে দলকে শতক এনে দিয়ে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকা সম্ভব হয়নি বিজয়ের পক্ষে। ব্যক্তিগত ২৩ রানে ফিলিপের দ্বিতীয় শিকার বনে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

সঙ্গীর বিদায়টা যেন মেনেই নিতে পারছিলেন না শান্ত। তাই পরের ওভারেই একই পথ ধরেন তিনিও। কাইল মায়ার্সের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পরে ২৬ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

দলের বিপদ আরও বাড়িয়ে স্কোরবোর্ডে ২০ রান যোগ করতেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সাকিব আল হাসান। সিলসের বলে স্টাম্প হারিয়ে সাজঘরের পথ ধরার আগে টাইগার দলপতির ব্যাট থেকে আসে ৮ রান।

অল্পতেই ফেরেন নুরুল হাসান সোহানও। জোসেফের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাঠ ছাড়ার তার ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। আর তাতেই ১৩৮ রান তুলতে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

তবে চা বিরতির আগ পর্যন্ত আর কোনো বিপদের সন্মুখীন হয়নি সফরকারীরা। লিটন ও মিরাজ মিলে ১৫৯ রানের পুঁজি নিয়ে শেষ করেন দ্বিতীয় সেশন।

আরও পড়ুন:
সিরিজ থেকেই ছিটকে গেলেন রাব্বি
হারানো মুকুট পুনরুদ্ধারে এক ধাপ এগোলেন সাকিব
বিশ্বসেরাদের একজন হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন তাসকিন
বন্যার্তদের জন্য পরিবহন সেবা তামিম-সৌম্যের
মিডিয়া থেকে দূরে থাকার পরামর্শ আকরামের

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh on the backfoot after a peaceful victory

শান্ত বিজয়ের বিদায়ে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ

শান্ত বিজয়ের বিদায়ে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেট উদযাপন। ছবি: এএফপি
৩৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটের খরচায় ১০৯ রান। ৪ বলে ৪ রান করে অপরাজিত রয়েছেন সাকিব আল হাসান। রানের খাতা না খুলে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন লিটন দাস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে ভালো শুরুর পর দ্বিতীয় সেশনে এসে বিপর্যয় চোখ রাঙ্গাচ্ছে বাংলাদেশকে। উইন্ডিজ বোলারদের এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে পরপর বিদায় নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও এনামুল হক বিজয়।

৩৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটের খরচায় ১০৯ রান। ৪ বলে ৪ রান করে অপরাজিত রয়েছেন সাকিব আল হাসান। রানের খাতা না খুলে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন লিটন দাস।

সেইন্ট লুসিয়ায় দিনের শুরুটা বেশ দেখেশুনেই করে বাংলাদেশ। কিমার রোচ ও জেইডেন সিলসের ওপেনিং স্পেল অবিচ্ছিন্ন থেকেই পার করেন তামিম ও জয়। এ সময় বেশ কয়েকটি আবেদনে নিরাপদ থেকে যান ডিআরএসের কল্যাণে।

তবে, অভিষিক্ত পেইসার অ্যান্ডারসন ফিলিপ এসে জুটি ভাঙেন টাইগারদের। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি ফেরান জয়কে। ফিলিপের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে প্লেইড অন হন জয়। তার আগে ৩১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে ১০ রান করেন তিনি।

এরপর নাজমুল হাসান শান্তকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন তামিম। ব্যাট ছোটান অর্ধশতকের দিকে। কিন্তু অর্ধশতক থেকে ৪ রান দূরে থাকতেই তাকে থামিয়ে দেন আলজারি জোসেফ। মাঠ ছাড়ার আগে ৬৭ বলে ৯ চারে ৪৬ রান আসে বাঁহাতি এই ওপেনারের ব্যাট থেকে।

এরপর সেশনের বাকিটা সময় আর অঘটন ঘটতে দেননি বিজয় ও শান্ত। যার ফলে দুই উইকেট হারিয়ে ৭৭ রানের পুঁজি নিয়ে প্রথম সেশন শেষ করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

বিরতি থেকে ফিরে রানের গতি বাড়ান এই দুই ব্যাটার। যার ফলে ৩২.২ ওভারেই দলীয় সংগ্রহ শতক পেরোয় বাংলাদেশ। বিরতির পর ২৩ রান করতে শান্ত বিজয় সময় নেন ২৬ মিনিট।

তবে দলকে শতক এনে দিয়ে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকা সক্ষম হয়নি বিজয়ের পক্ষে। ব্যক্তিগত ২৩ রানে ফিলিপের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

সঙ্গীর বিদায়টা যেন মেনেই নিতে পারছিলেন না শান্ত। তাই পরের ওভারেই একই পথ ধরতে হয় তাকেও। কাইল মায়ার্সের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে ২৬ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

আরও পড়ুন:
হারানো মুকুট পুনরুদ্ধারে এক ধাপ এগোলেন সাকিব
বিশ্বসেরাদের একজন হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন তাসকিন
বন্যার্তদের জন্য পরিবহন সেবা তামিম-সৌম্যের
মিডিয়া থেকে দূরে থাকার পরামর্শ আকরামের
ব্যাটারদের সক্ষমতা নিয়ে সাকিবের সঙ্গে একমত দুর্জয়

মন্তব্য

খেলা
Australia ended the series with a win

জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করল অস্ট্রেলিয়া

জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করল অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শট খেলছেন ল্যাবুশেইন। ছবি: এএফপি
সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে লঙ্কানদের দেয়া ১৬১ রানের সহজ লক্ষ্য অজিরা টপকে যায় ৪ উইকেট ও ৬৩ বল হাতে রেখেই। এর মধ্য দিয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করল সফরকারীরা।

সিরিজে পরাজয় মেনে নিতে হয়েছিল চতুর্থ ম্যাচেই। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটি ছিল নিয়মরক্ষারই কেবল। জয় দিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ শুরু করলেও মাঝের তিন ম্যাচ হেরে সিরিজ হাতছাড়া হয় অজিদের। তবে সিরিজের শেষ ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় বাগিয়ে নিয়ে হারের ক্ষতর যন্ত্রণা কিছুটা হলেও লাঘব করে দেশে ফিরছে অজিরা।

সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে লঙ্কানদের দেয়া ১৬১ রানের সহজ লক্ষ্য অজিরা টপকে যায় ৪ উইকেট ও ৬৩ বল হাতে রেখেই। এর মধ্য দিয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করল সফরকারীরা।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয় সঙ্গী হয় লঙ্কানদের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই দলীয় ৯ রানে সাজঘরের পথ ধরতে হয় লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কাকে।

এরপর স্কোরবোর্ডে ৬২ রান তুলতেই অজি বোলারদের তোপে মাঠ ছাড়তে হয় আরও ৬ লঙ্কান ব্যাটারকে। দলীয় ৬২ রানে মাঠ ছাড়া সাত ব্যাটারের ভেতর কেবলমাত্র মুশল মেন্ডিস (২৬) ও চারিথ আশালাঙ্কা (১৪) সক্ষম হন দুই অঙ্কের ঘরে নিজেদের রান পৌঁছাতে।

উইকেটের এক প্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিল চলতে থাকলেও অন্যপ্রান্ত আগলে ধরে রানের চাকা সচল রাখেন চামিকা কারুনারত্নে। তার ৭৫ বলে ৭৫ রানের ইনিংসে ভর করে বিপর্যয় এড়িয়ে সবগুলো উইকেট হারিয়ে অজিদের সামনে ১৬০ রানে পুঁজি দাঁড় করাতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা।

সফরকারীদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন জশ হেইজলউড, ম্যাথিউ ক্যুনেমান ও প্যাট কামিন্স। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ক্যামেরন গ্রিন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে অস্ট্রেলিয়াও। দলীয় ১৯ রানেই সফরকারীরা হারায় তাদের তিন টপ অর্ডারকে।

শুরুটা হয় অ্যারন ফিঞ্চকে দিয়ে। রানের খাতা খোলার আগেই দলীয় ১১ রানে সাজঘরে ফেরেন অজি দলপতি। ১০ রানে সাজঘরের পথ ধরেন ডেভিড ওয়ার্নার আর ৫ রানে জশ ইংলিশের মাঠ ছাড়ার মধ্য দিয়ে দলীয় ১৯ রানেই তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে অস্ট্রেলিয়ার। একই সঙ্গে শঙ্কা জাগে সহজ ম্যাচে পরাজয়ের।

তবে পরাজয়ের চোখ রাঙ্গানি উপেক্ষা করে দলকে টেনে নিয়ে যেতে থাকেন মার্নাস ল্যাবুশেইন ও মিচেল মার্শ। মার্শের ৫০ বলে ৩৬ ও ল্যাবুশেইনের ৫৮ বলে ৩১ রানে ভর করে ট্র্যাকে ফেরে সফরকারীরা।

শেষ দিকে অ্যালেক্স ক্যারির অপরাজিত ৬৫ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে ভর করে বিপর্যয় এড়িয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয় অস্ট্রেলিয়া।

আরও পড়ুন:
টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া
শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে বড় জয় অস্ট্রেলিয়ার
অবশেষে শ্রীলঙ্কায় যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া 
পূর্ণশক্তি নিয়ে শ্রীলঙ্কায় যাবে অস্ট্রেলিয়া
বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছে হেরে সিরিজ শুরু শ্রীলঙ্কার

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh lost two wickets at noon

দুই উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে বাংলাদেশ

দুই উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে বাংলাদেশ মাঠ ছাড়ছেন তামিম ইকবাল। ছবি: এএফপি
৪৫ বলে ১৬ রান করে প্রথম সেশনে অপরাজিত আছেন নাজমুল হাসান শান্ত। তাকে ১৩ বলে ৫ রানে সঙ্গ দিচ্ছেন এনামুল হক বিজয়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে দুই উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭৭ রান। খুইয়েছে তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান জয়কে।

৪৫ বলে ১৬ রান করে প্রথম সেশনে অপরাজিত আছেন নাজমুল হাসান শান্ত। তাকে ১৩ বলে ৫ রানে সঙ্গ দিচ্ছেন এনামুল হক বিজয়।

লুসিয়ায় দিনের শুরুটা বেশ দেখেশুনেই করে বাংলাদেশ। কিমার রোচ ও জেইডেন সিলসের ওপেনিং স্পেল অবিচ্ছিন্ন থেকেই পার করেন তামিম- জয়। এ সময় বেশ কয়েকটি আবেদনে নিরাপদ থেকে যান ডিআরএসের কল্যাণে।

অভিষিক্ত পেইসার অ্যান্ডারসন ফিলিপ জুটি ভাঙেন। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ফেরান জয়কে। বলের লেংথ বুঝতে না পেরে প্লেইড অন হন জয়। তার আগে ৩১ বলে ১টি চারের সাহায্যে ১০ রান করেন ডানহাতি ব্যাটার।

এরপর নাজমুল হাসান শান্তকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন তামিম। তবে অর্ধশতক থেকে ৪ রান দূরে থাকতে তাকে থামিয়ে দেন আলজারি জোসেফ। মাঠ ছাড়ার আগে ৬৭ বলে ৯ চারে ৪৬ রান আসে বাঁহাতি এই ওপেনারের ব্যাট থেকে।

সেশনের বাকি সময় আর অঘটন ঘটতে দেননি নিজয় ও শান্ত। দুই উইকেট হারিয়ে ৭৭ রানের পুঁজি নিয়ে প্রথম সেশন শেষ করেন তারা।

আরও পড়ুন:
বিশ্বসেরাদের একজন হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন তাসকিন
বন্যার্তদের জন্য পরিবহন সেবা তামিম-সৌম্যের
মিডিয়া থেকে দূরে থাকার পরামর্শ আকরামের
ব্যাটারদের সক্ষমতা নিয়ে সাকিবের সঙ্গে একমত দুর্জয়
বন্যার্তদের সহায়তায় ৫০০০ প্যাকেট খাবার দেবে বিসিবি

মন্তব্য

খেলা
Bangladesh lost the winning wicket in the first hour

প্রথম ঘণ্টায় জয়ের উইকেট হারাল বাংলাদেশ

প্রথম ঘণ্টায় জয়ের উইকেট হারাল বাংলাদেশ কিমার রোচের বাউন্সার সামলাচ্ছেন তামিম ইকবাল। ছবি: এএফপি
প্রথম দিন প্রথম ঘণ্টার খেলা শেষ হওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৪৩ রান। ১০ রান করে ফিরে গেছেন মাহমুদুল হাসান জয়।

সেইন্ট লুসিয়া টেস্টে ধীরে সুস্থে শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথম দিন প্রথম ঘণ্টার খেলা শেষ হওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৪৩ রান। ১০ রান করে ফিরে গেছেন মাহমুদুল হাসান জয়।

টেস্ট শুরুর আগে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, টপ অর্ডারের কাছ থেকে প্রথম দুই ঘণ্টা টিকে থাকার প্রত্যাশা করেন তিনি। অধিনায়কের কথার প্রতিদান দিতেই যেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও জয় শুরু করেন দেখেশুনে।

কিমার রোচ ও জেইডেন সিলসের ওপেনিং স্পেল অবিচ্ছিন্ন থেকেই পার করেন দুই জন। তামিম ও জয় এসময় বেশ কয়েকটি আবেদনে নিরাপদ থেকে যান ডিআরএসের কল্যাণে।

তবে, অভিষিক্ত পেইসার অ্যান্ডারসন ফিলিপ এসে জুটি ভাঙেন টাইগারদের। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি ফেরান জয়কে। ফিলিপের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে প্লেইড অন হন জয়। তার আগে ৩১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে ১০ রান করেন তিনি।

অন্যপ্রান্তে, তামিম খেলছেন নতুন ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে।

সেইন্ট লুসিয়ায় টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একাদশে ২টি পরিবর্তন নিয়ে ব্যাট করছে সফরকারী দল।

৫ বছর পর টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েছেন মুমিনুল হক। তার জায়গায় খেলছেন এনামুল বিজয়। আর পেইসার মুস্তাফিজুর রহমানের বদলে দলে এসেছেন শরীফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
সেইন্ট লুসিয়ায় ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে মুমিনুলের বদলে এনামুল
অ্যান্টিগার চেয়ে সহজ পিচ প্রত্যাশা সাকিবের

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে