১৩৪ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ওয়ার্নার

player
১৩৪ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ওয়ার্নার

রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরছেন ডেভিড ওয়ার্নার। ছবি: এএফপি

ওলি রবিনসনের বলে জ্যাক ক্রলির হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ওয়ার্নার খেলেন ২১টি বল। কিন্তু এই ২১ বলে রান করতে ব্যর্থ হন তিনি। ২২ তম বলে হন আউট।

হোবার্টে চলছে অ্যাশেজের শেষ টেস্ট। শুক্রবার শেষ হল প্রথম দিনের খেলা। যেখানে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও ট্রেভিস হেডের দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অজিরা। দিন শেষে ৬ উইকেটের খরচায় তারা তুলেছে ২৪১ রান।

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ১৩৪ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। নিজের নাম লেখালেন রেকর্ডবুকে।

দিনের শুরুতেই ১২ রান তুলতে তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। যেখানে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরতে হয় ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথকে।

ওলি রবিনসনের বলে জ্যাক ক্রলির হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ওয়ার্নার খেলেন ২১টি বল। কিন্তু এই ২১ বলে রান করতে ব্যর্থ হন তিনি। ২২ তম বলে হন আউট।

আর তাতেই ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজে সবচেয়ে বেশি বল খেলে শূন্যরানে আউট হওয়া অজি ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের নাম রেকর্ডবুকে তুলে দিলেন ওয়ার্নার।

এর আগে এই রেকর্ডটির মালিক ছিলেন সাবেক অজি ডানহাতি ব্যাটসম্যান শ্যামই জোন্স। ১৯৮৮ সালে ২০ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে গিয়েছিলেন এই ব্যাটসম্যান।

তবে অ্যাশেজে দুই দলের ব্যাটসম্যানদের হিসেব করলে এই রেকর্ডটির মালিকানা রয়েছে সাবেক ইংলিশ ওপেনার ব্রায়ান লকহার্স্টের। ১৯৭১ সালের অ্যাশেজে সিরিজে ব্রায়ান ২৯ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি বল খেলে শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ডের একক মালিক নিউজিল্যান্ডের সাবেক ওপেনার ড্যারেন ম্যারি। ১৯৯৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৯ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।

আর টেস্ট ইতিহাসে যে কোন পজিশনের ব্যাটসম্যানদের ভেতর এই রেকর্ড এককভাবে ধরে রেখেছেন জিওফ অ্যালট। তার ৭৭ বল খেলে শূন্য রানে আউটের রেকর্ডটি হয়তো ভাঙ্গা সম্ভব হপবে কারোর পক্ষেই।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কুমিল্লাকে ভয় ধরিয়ে হারল সিলেট

কুমিল্লাকে ভয় ধরিয়ে হারল সিলেট

কুমিল্লার হয়ে উইকেটে ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও ফাফ ডু প্লেসি। ছবি: বিপিএল

সিলেটের জোর লড়াইয়ের পর ৮ বল ও দুই উইকেট অক্ষত রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। স্কোর: সিলেট সানরাইজার্স ৯৬/২, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৯৭/৮।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় ম্যাচে জয়ের আশা জাগিয়েও হতাশ হতে হলো সিলেট সানরাইজার্সকে। সিলেটের চোখ রাঙানি দেখেও ৮ বল ও দুই উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

সিলেটের দেয়া সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৩ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় তারকা ওপেনার ফাফ ডু প্লেসিকে। এরপর দলের স্কোরবোর্ডে ৫৫ রান তুলতে কুমিল্লা হারায় আরও চার উইকেট।

একে একে বিদায় নিতে হয় ক্যামেরন ডেলপোর্ট (১৬), মুমিনুল হক (১৫), ইমরুল কায়েস (২) ও আরিফুল হককে (৪)। এরপর কারিম জানাত কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করলেও বেশি দূর নিয়ে যেতে পারেননি দলকে।

তাসকিনের শিকার হয়ে কারিম সাজঘরে ফেরার পর ফের ধস নামে কুমিল্লা শিবিরে। ৮৮ রানে আট উইকেট হারিয়ে শঙ্কা জাগায় পরাজয়ের।

তবে শেষ পর্যন্ত বিপদ হয়নি মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও তানভীর ইসলামের কল্যাণে। হারতে বসা কুমিল্লাকে দুই উইকেটের জয় উপহার দিয়ে মাঠ ছাড়েন এই দুই টেইল এন্ডার।

সিলেটের হয়ে নাজমুল হাসান নেন তিনটি উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন সোহাগ গাজি ও মোসাদ্দেক হোসেন। আর একটি উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।

এর আগে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠান কুমিল্লা দলপতি ইমরুল কায়েস। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে ইমরুল বাহিনী।

দলীয় ৭ রানে শুরু সিলেটের ব্যাটিং-ধস। দলের ব্যাটসম্যানদের ভেতর সর্বোচ্চ ২০ রান আসে কলিন ইনগ্রামের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ১৯ রান আসে কুমিল্লার বোলারদের কল্যাণে।

এই অতিরিক্ত ১৯ রানের ভেতর ছিল ১৭টি ওয়াইড, একটি লেগ বাই ও একটি নো বল।

ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে দলের হয়ে দুই অঙ্কের রান ছোঁয়া সম্ভব হয় রাভি বোপারা (১৭) ও সোহাগ গাজির (১২)। বাকিদের ফিরতে হয় এক অঙ্কের স্কোর নিয়েই।

নিয়মিত উইকেট পতন ও কুমিল্লার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ৯৬ রান তুলতে সক্ষম হয় সিলেট। আর কুমিল্লার সামনে দাঁড়ায় ৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য।

কুমিল্লার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম। আর একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন তানভির ইসলাম, করিম জানাত ও মুমিনুল হক।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন

তরুণদের নিয়ে কাজ করতে মুখিয়ে সিডন্স

টাইগারদের নতুন ব্যাটিং পরামর্শক ঢাকা আসছেন ১ ফেব্রুয়ারি

তরুণদের নিয়ে কাজ করতে মুখিয়ে সিডন্স

টাইগারদের নতুন ব্যাটিং পরামর্শক জেমি সিডন্স। ছবি: টুইটার

ঢাকা আসার সময়কাল জানিয়ে দিলেন সিডন্স নিজে। এক ভিডিওবার্তায় তিনি জানিয়েছেন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসতে যাচ্ছেন। আর ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে কাজ শুরু করতে চান অজি এই কোচ।

জাতীয় দলের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে সিডন্সের দায়িত্ব নিতে আসার কথাটা ছিল বেশ আগের। বিসিবি জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া আফগানিস্তান সিরিজ হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের সাবেক এই কোচের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট।

তবে কোন সময়টায় জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিতে তিনি বাংলাদেশে আসবেন, এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়া হয়নি সে সময়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে।

অবশেষে ঢাকা আসার সময়কাল জানিয়ে দিলেন সিডন্স নিজে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিওবার্তায় তিনি জানিয়েছেন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসতে যাচ্ছেন। আর ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে কাজ শুরু করতে চান অজি এই কোচ।

ভিডিওবার্তায় সিডন্স বলেন, ‘স্বাগত সবাইকে। মাত্রই আমার পরবর্তী কাজের ঠিকানা বাংলাদেশের ভিসা পেলাম। দুই বছর সেখানে কাটানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে। আমি তরুণ কয়েকজন খেলোয়াড়কে নিয়ে কাজ করতে মুখিয়ে আছি।’

জাতীয় দলের পাশাপাশি জুনিয়র ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামেও কাজ করবেন সিডন্স। জাতীয় দলের তরুণদের নিয়ে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছেন তিনি।

তিনি যোগ করেন, ‘জুনিয়র ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামেও কাজ করব। তাদের প্রস্তুত করে আনন্দ পাই। ভিসা পেয়ে যাওয়ায় আগামী সপ্তাহে ফ্লাইট বুকিং দেব। আশা করি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আমি বাংলাদেশে কাজ করতে পারব। আগেও সেখানে কাজ করেছি। সেখানে কাজ করতে আমি ভালোবাসি।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে বিশ্বকাপের পর ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্সের সঙ্গে চুক্তি বাড়ায়নি বিসিবি। সে সময় থেকে জেমি সিডন্সকে অন্তর্ভুক্ত করার জোর চেষ্টা চালায় বোর্ড।

২০০৭ সালের ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন জেমি। জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন চার বছর।

২০১১ সালে চুক্তি শেষ হয়ে গেলেও থাকতে চেয়েছিলেন তিনি। তার চুক্তি নবায়ন না হওয়ায় বিসিবির সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করে চলে যেতে হয়েছিল তাকে।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন

সিলেটকে দাঁড়াতেই দিল না কুমিল্লা

নির্ধারিত ২০ ওভারে সিলেটের সংগ্রহ সবগুলো উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান।

সিলেটকে দাঁড়াতেই দিল না কুমিল্লা

হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন সিলেটের মোহাম্মদ মিঠুন। ছবি: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস

কুমিল্লার বোলারদের বোলিং তোপে ৯৬ রানেই গুটিয়ে গেছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দল।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসরের তৃতীয় ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের সামনে দাঁড়াতেই পারল না সিলেট সানরাইজার্স। কুমিল্লার বোলারদের বোলিং তোপে ৯৬ রানেই গুটিয়ে গেছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দলের ইনিংস।

শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠান কুমিল্লা দলপতি ইমরুল কায়েস। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে ইমরুল বাহিনী।

দলীয় ৭ রানে শুরু সিলেটের ব্যাটিং ধস। দলের ব্যাটসম্যানদের ভেতর সর্বোচ্চ ২০ রান আসে কলিন ইনগ্রামের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ১৯ রান আসে কুমিল্লার বোলারদের কল্যাণে।

এই অতিরিক্ত ১৯ রানের ভেতর ছিল ১৭টি ওয়াইড, একটি লেগ বাই ও একটি নো বল।

ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে দলের হয়ে দুই অঙ্কের রান ছোঁয়া সম্ভব হয় রাভি বোপারা (১৭) ও সোহাগ গাজির (১২)। বাকিদের ফিরতে হয় এক অঙ্কের স্কোর নিয়েই।

নিয়মিত উইকেট পতন ও কুমিল্লার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ৯৬ রান তুলতে সক্ষম হয় সিলেট। আর কুমিল্লার সামনে দাঁড়ায় ৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য।

কুমিল্লার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম। আর একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন তানভির ইসলাম, করিম জানাত ও মুমিনুল হক।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন

আইপিএলে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের তালিকায় সাকিব-ফিজ

আইপিএলে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ের তালিকায় সাকিব-ফিজ

মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

বেঙ্গালুরুতে আগামী ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি হবে টুর্নামেন্টের নিলাম অনুষ্ঠান। যেখানে সাকিব-মোস্তাফিজরা রয়েছেন নিলামের সর্বোচ্চ ভিত্তি মূল্যে। সর্বোচ্চ ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি রুপি।

আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আসরটা রেকর্ড হতে চলেছে। ১০ দল নিয়ে প্রথমবার হতে চলেছে জনপ্রিয় এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট।

বেঙ্গালুরুতে আগামী ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি হবে টুর্নামেন্টের নিলাম অনুষ্ঠান। যেখানে সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান রয়েছেন নিলামের সর্বোচ্চ ভিত্তি মূল্যে।

এবার আইপিএলের নিলামের সর্বোচ্চ ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি রুপি। এই ভিত্তি মূল্যের তালিকায় আছেন সবমিলে ৪৯ ক্রিকেটার। সেই তালিকায় আছে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার সাকিব ও মোস্তাফিজ।

এ তালিকায় আছেন ভারতের ১৭ জন এবং বিদেশি ক্রিকেটার ৩২ জন।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্য দেড় কোটি, তৃতীয় সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্য ১ কোটি রুপি।

সবমিলে এবার নিলামে ১ হাজার ২১৪ জন ক্রিকেটারের তালিকা তৈরি করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ থেকে এবার ৯ জন ক্রিকেটার নিলামে অংশ নিচ্ছেন।

তাছাড়া নেপালের ১৫, আমেরিকার ১৪, জিম্বাবুয়ের ২, নামিবিয়ার ৫, ওমানের ৩ ও ভুটান, নেদারল্যান্ডস, স্কটল্যান্ড ও আরব আমিরাতের আছে ১ জনের নাম। বাকী ৮৯৬ জন ভারতীয় ক্রিকেটার।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন

ঢাকা-চট্টগ্রামের জয়ে ফেরার মিশন

ঢাকা-চট্টগ্রামের জয়ে ফেরার মিশন

মিনিস্টার ঢাকার বিপক্ষে মাঠে নামার জন্য চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রস্তুতি। ছবি: নিউজবাংলা

প্রথম ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে বিশাল টার্গেট দিয়েও জয় পায়নি মিনিস্টার ঢাকা। অপরদিকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বরিশালের বোলারদের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন আপ। মাঠ ছাড়তে হয় হার নিয়ে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বিতীয় দিনের ম্যাচে বেলা সাড়ে ১২টায় মাঠে নামবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস-সিলেট সানরাইজার্স। দিনের অপর ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রতিপক্ষ মিনিস্টার ঢাকা। দুটি ম্যাচই হবে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

এবারের আসরে কুমিল্লা ও সিলেট দুই দলেরই শনিবার প্রথম ম্যাচ। অপরদিকে বিশাল লক্ষ্য গড়েও খুলনার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম খেলায় জয় পায়নি ঢাকা। তাই একেবারেই তারুণ্যনির্ভর খুলনার বিপক্ষে জয় বাগিয়ে নিতে চায় দলটি।

আসরের বিদেশি ক্রিকেটার নেয়ার দিক থেকে সবচেয়ে বড় নাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। সাউথ আফ্রিকান তারকা ক্রিকেটার ফাফ দু প্লেসিকে সরাসরি সাইনিংয়ে দলে ভিড়িয়েছিল তারা। পাশাপাশি সুনিল নারিন, ক্যামেরন ডেলপোর্টও রয়েছেন।

বিদেশিদের সঙ্গে দেশি তারকাদেরও মেলা বসেছে কুমিল্লার দলে। ইমরুল কায়েসকে দলপতির দায়িত্ব দিয়ে গড়া সেই দলে আরও রয়েছেন লিটন দাস, মুমিনুল হক, মুস্তাফিজুর রহমানের মতো তারকা ক্রিকেটাররা।

অপরদিকে তাসকিন আহমেদ ছাড়া আর কোনো বড় মুখের দেখা পাওয়া যায়নি সিলেট দলে। আর সেদিক বিবেচনায় কিছুটা এগিয়েই থাকবে কুমিল্লা।

অপরদিকে কাগজ কলমের হিসাবে শক্তিশালী দল বানালেও খুলনার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঢাকাকে। খুলনার বিপক্ষে ১৮৩ পাহারসম লক্ষ্য দাঁড় করালেও পাঁচ উইকেটের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় রিয়াদ বাহিনীকে।

অপরদিকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বরিশালের বোলারদের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন আপ। বল হাতে আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিজেদের হাতে রাখা সম্ভব হয়নি মিরাজ বাহিনীর। যার ফলে হার দিয়েই বিপিএল মিশন শুরু করতে হয় চট্টগ্রামকে।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে প্রথম ম্যাচে জয়ের দেখা না পাওয়া দুই দল। স্বভাবতই দুই দলেরই লক্ষ্য থাকবে জয়ের ধারায় এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই ফিরতে।

শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন

ফেভারিট ঢাকার রানের পাহাড় টপকে গেল খুলনা

ঢাকার দেয়া ১৮৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য ৫ উইকেট ও ৬ বল হাতে রেখেই টপকে যায় মুশফিক বাহিনী

ফেভারিট ঢাকার রানের পাহাড় টপকে গেল খুলনা

খুলনা দলপতি মুশফিকুর রহিম। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লেচারের ২৩ বলে ৪৫ ও রনির ৪২ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে যায় মুশফিকের দল। শেষদিকে থিসারা পেরেরার ১৮ বলে ৩৬ ও মাহেদি হাসানের ৫ বলে ১২ রানে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় খুলনা।

কাগজ কলমের হিসেবে এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরে শক্তিশালী দল গড়েছিল মিনিস্টার ঢাকা। পঞ্চ পাণ্ডবের তিন পাণ্ডব তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে দলে ভেড়ানোর পাশাপাশি তারা টেনেছিল রুবেল হোসেন, নাঈম শেখ, এবাদত হোসেনের মত ক্রিকেটারদের।

কিন্তু এতো শক্তিশালী দল নিয়েও খুলনার বিপক্ষে পেরে উঠতে পারলো না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। মুশফিকুর রহিমের খুলনাকে ১৮৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিলেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া সম্ভব হয়নি ঢাকার। পাহাড়সম সেই লক্ষ্য ৫ উইকেট ও ৬ বল হাতে রেখেই টপকে যায় মুশফিক বাহিনী।

বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৮ রানে ওপেনার তানজিদ হাসানকে হারালেও আন্দ্রে ফ্লেচার ও রনি তালুকদারের ব্যাটে ভর করে লড়াইয়ে ফেরে খুলনা।

ফ্লেচারের ২৩ বলে ৪৫ ও রনির ৪২ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে যায় মুশফিকের দল। শেষদিকে থিসারা পেরেরার ১৮ বলে ৩৬ ও মাহেদি হাসানের ৫ বলে ১২ রানে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় খুলনা।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ শেহজাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত গড়ে ঢাকা। উদ্বোধনী জুটি থেকেই আসে ৬৯ রান।

২৭ বলে ৪২ করা শেহজাদ রান-আউটের শিকার হলে ভাঙে সেই জুটি।

সঙ্গী বিদায় নিলেও উইকেট কামড়ে ধরে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৪১তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। খরচ করেন ৪১ বল। হাফ সেঞ্চুরি করে সেখানেই থেমে যান বাঁহাতি এই ওপেনার। কামরুল রাব্বির বলে নাভিন উল হকের হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর শেরেবাংলায় ঝড় তোলেন ঢাকা দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রাব্বির বলে তানজিদ হাসানের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে খেলেন ২০ বলে ৩৯ রানের ইনিংস।

এই তিন ব্যাটসম্যানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৩ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা।

খুলনার হয়ে তিনটি উইকেট নেন কামরুল রাব্বি। আর একটি উইকেট যায় থিসারা পেরেরার ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন

খুলনার সামনে ১৮৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ঢাকার সংগ্রহ ১৮৮ রান

খুলনার সামনে ১৮৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য

খুলনার ক্রিকেটারদের উইকেট উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ শেহজাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত গড়ে ঢাকা। উদ্বোধনী জুটি থেকেই আসে ৬৯ রান।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের সামনে ১৮৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে মিনিস্টার ঢাকা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ঢাকার সংগ্রহ ১৮৩ রান।

শেরেবাংলায় দিনের প্রথম ভাগের ম্যাড়ম্যাড়ে উইকেট দ্বিতীয় ম্যাচে বদলে গেল ভানুমতীর খেলের মতো। প্রথম ম্যাচে যে উইকেটে রান করতে বেগ পাচ্ছিলেন ব্যাটসম্যানরা, দ্বিতীয় ম্যাচে এসে দৃশ্যপটই গেল বদলে। ঢাকার ব্যাটসম্যানরা একেবারে তুলোধুনা করে ছাড়লেন খুলনার বোলারদের।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ শেহজাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত গড়ে ঢাকা। উদ্বোধনী জুটি থেকেই আসে ৬৯ রান।

২৭ বলে ৪২ করা শেহজাদ রান-আউটের শিকার হলে ভাঙে সেই জুটি।

সঙ্গী বিদায় নিলেও উইকেট কামড়ে ধরে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৪১তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। খরচ করেন ৪১ বল। হাফ সেঞ্চুরি করে সেখানেই থেমে যান বাঁহাতি এই ওপেনার। কামরুল রাব্বির বলে নাভিন উল হকের হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর শেরেবাংলায় ঝড় তোলেন ঢাকা দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রাব্বির বলে তানজিদ হাসানের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে খেলেন ২০ বলে ৩৯ রানের ইনিংস।

এই তিন ব্যাটসম্যানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৩ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা।

খুলনার হয়ে তিনটি উইকেট নেন কামরুল রাব্বি। আর একটি উইকেট যায় থিসারা পেরেরার ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
সুবিধাজনক অবস্থায় পেরোলো অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দিন
হোবার্টে ওপেন করবেন খোয়াজা, বাদ পড়লেন হ্যারিস
আইপিএলে স্টোকস-রয়দের খেলা নিয়ে কড়াকড়ি
অ্যাশেজ শেষ বাটলারের
শেষ দিনে সিডনিতে ইংল্যান্ডের ড্র

শেয়ার করুন