ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ

player
ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫ উইকেটে ১৩৪ রান। ব্যাট করছেন ইয়াসির আলি ও নুরুল হাসান সোহান।

প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ভরাডুবির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রাণপণ চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। তবে উইকেট ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। থিতু হয়ে সাজঘরে ফিরে যাচ্ছেন ব্যাটাররা। তাতে ইনিংস ব্যবধানে হারের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে সফরকারী দল।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫ উইকেটে ১৩৪ রান। ব্যাট করছেন ইয়াসির আলি ও নুরুল হাসান সোহান।

হ্যাগলি ওভাল টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুটা আগের দিনের তুলনায় বেশ ভালো ছিল বাংলাদেশের। দলীয় ২১ রানে সাদমান ইসলাম সাজঘরে ফিরলেও উইকেটে থিতু হয়ে বসেন নাঈম শেখ ও নাজমুল শান্ত।

দুজনের ব্যাটে কিছু সময়ের জন্য স্বস্তি আসে বাংলাদেশ শিবিরে।

তবে শান্তকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভেঙে ব্রেক থ্রু আনেন নেইল ওয়াগনার। ট্রেন্ট বোল্টের হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।

সঙ্গীর বিদায়ের পর দলপতি মুমিনুল হকের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন নাঈম। এই দুজনের জুটিতে ভর করে দলীয় সংগ্রহ ১০০ পেরোয় বাংলাদেশ।

দলের স্কোর বোর্ডে যখন ১০৫ রান, তখন সফরকারীদের শিবিরে আঘাত হানেন টিম সাউদি। নাঈমকে ফিরিয়ে খোলেন নিজের উইকেটের খাতা।

এরপর লিটনকে সঙ্গে করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তবে খুব বেশি এগোতে পারেননি অধিনায়ক। ওয়াগনারের বলে প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা টেইলরের হাতে ধরা পড়েন ৩৭ রান করা এই বাঁ হাতি ব্যাটার।

১২৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দুই রান করতেই ওয়াগনারের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন ইয়াসির।

ক্রাইস্টচার্চে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে নিউজিল্যান্ডের ৫২১ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১২৬ রানে।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাকা-চট্টগ্রামের জয়ে ফেরার মিশন

ঢাকা-চট্টগ্রামের জয়ে ফেরার মিশন

মিনিস্টার ঢাকার বিপক্ষে মাঠে নামার জন্য চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রস্তুতি। ছবি: নিউজবাংলা

প্রথম ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে বিশাল টার্গেট দিয়েও জয় পায়নি মিনিস্টার ঢাকা। অপরদিকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বরিশালের বোলারদের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন আপ। মাঠ ছাড়তে হয় হার নিয়ে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বিতীয় দিনের ম্যাচে বেলা সাড়ে ১২টায় মাঠে নামবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস-সিলেট সানরাইজার্স। দিনের অপর ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রতিপক্ষ মিনিস্টার ঢাকা। দুটি ম্যাচই হবে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

এবারের আসরে কুমিল্লা ও সিলেট দুই দলেরই শনিবার প্রথম ম্যাচ। অপরদিকে বিশাল লক্ষ্য গড়েও খুলনার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম খেলায় জয় পায়নি ঢাকা। তাই একেবারেই তারুণ্যনির্ভর খুলনার বিপক্ষে জয় বাগিয়ে নিতে চায় দলটি।

আসরের বিদেশি ক্রিকেটার নেয়ার দিক থেকে সবচেয়ে বড় নাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। সাউথ আফ্রিকান তারকা ক্রিকেটার ফাফ দু প্লেসিকে সরাসরি সাইনিংয়ে দলে ভিড়িয়েছিল তারা। পাশাপাশি সুনিল নারিন, ক্যামেরন ডেলপোর্টও রয়েছেন।

বিদেশিদের সঙ্গে দেশি তারকাদেরও মেলা বসেছে কুমিল্লার দলে। ইমরুল কায়েসকে দলপতির দায়িত্ব দিয়ে গড়া সেই দলে আরও রয়েছেন লিটন দাস, মুমিনুল হক, মুস্তাফিজুর রহমানের মতো তারকা ক্রিকেটাররা।

অপরদিকে তাসকিন আহমেদ ছাড়া আর কোনো বড় মুখের দেখা পাওয়া যায়নি সিলেট দলে। আর সেদিক বিবেচনায় কিছুটা এগিয়েই থাকবে কুমিল্লা।

অপরদিকে কাগজ কলমের হিসাবে শক্তিশালী দল বানালেও খুলনার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঢাকাকে। খুলনার বিপক্ষে ১৮৩ পাহারসম লক্ষ্য দাঁড় করালেও পাঁচ উইকেটের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় রিয়াদ বাহিনীকে।

অপরদিকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বরিশালের বোলারদের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন আপ। বল হাতে আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিজেদের হাতে রাখা সম্ভব হয়নি মিরাজ বাহিনীর। যার ফলে হার দিয়েই বিপিএল মিশন শুরু করতে হয় চট্টগ্রামকে।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে প্রথম ম্যাচে জয়ের দেখা না পাওয়া দুই দল। স্বভাবতই দুই দলেরই লক্ষ্য থাকবে জয়ের ধারায় এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই ফিরতে।

শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

ফেভারিট ঢাকার রানের পাহাড় টপকে গেল খুলনা

ঢাকার দেয়া ১৮৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য ৫ উইকেট ও ৬ বল হাতে রেখেই টপকে যায় মুশফিক বাহিনী

ফেভারিট ঢাকার রানের পাহাড় টপকে গেল খুলনা

খুলনা দলপতি মুশফিকুর রহিম। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লেচারের ২৩ বলে ৪৫ ও রনির ৪২ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে যায় মুশফিকের দল। শেষদিকে থিসারা পেরেরার ১৮ বলে ৩৬ ও মাহেদি হাসানের ৫ বলে ১২ রানে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় খুলনা।

কাগজ কলমের হিসেবে এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরে শক্তিশালী দল গড়েছিল মিনিস্টার ঢাকা। পঞ্চ পাণ্ডবের তিন পাণ্ডব তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে দলে ভেড়ানোর পাশাপাশি তারা টেনেছিল রুবেল হোসেন, নাঈম শেখ, এবাদত হোসেনের মত ক্রিকেটারদের।

কিন্তু এতো শক্তিশালী দল নিয়েও খুলনার বিপক্ষে পেরে উঠতে পারলো না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। মুশফিকুর রহিমের খুলনাকে ১৮৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিলেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া সম্ভব হয়নি ঢাকার। পাহাড়সম সেই লক্ষ্য ৫ উইকেট ও ৬ বল হাতে রেখেই টপকে যায় মুশফিক বাহিনী।

বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৮ রানে ওপেনার তানজিদ হাসানকে হারালেও আন্দ্রে ফ্লেচার ও রনি তালুকদারের ব্যাটে ভর করে লড়াইয়ে ফেরে খুলনা।

ফ্লেচারের ২৩ বলে ৪৫ ও রনির ৪২ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে যায় মুশফিকের দল। শেষদিকে থিসারা পেরেরার ১৮ বলে ৩৬ ও মাহেদি হাসানের ৫ বলে ১২ রানে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় খুলনা।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ শেহজাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত গড়ে ঢাকা। উদ্বোধনী জুটি থেকেই আসে ৬৯ রান।

২৭ বলে ৪২ করা শেহজাদ রান-আউটের শিকার হলে ভাঙে সেই জুটি।

সঙ্গী বিদায় নিলেও উইকেট কামড়ে ধরে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৪১তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। খরচ করেন ৪১ বল। হাফ সেঞ্চুরি করে সেখানেই থেমে যান বাঁহাতি এই ওপেনার। কামরুল রাব্বির বলে নাভিন উল হকের হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর শেরেবাংলায় ঝড় তোলেন ঢাকা দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রাব্বির বলে তানজিদ হাসানের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে খেলেন ২০ বলে ৩৯ রানের ইনিংস।

এই তিন ব্যাটসম্যানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৩ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা।

খুলনার হয়ে তিনটি উইকেট নেন কামরুল রাব্বি। আর একটি উইকেট যায় থিসারা পেরেরার ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

খুলনার সামনে ১৮৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ঢাকার সংগ্রহ ১৮৮ রান

খুলনার সামনে ১৮৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য

খুলনার ক্রিকেটারদের উইকেট উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ শেহজাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত গড়ে ঢাকা। উদ্বোধনী জুটি থেকেই আসে ৬৯ রান।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের সামনে ১৮৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে মিনিস্টার ঢাকা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ঢাকার সংগ্রহ ১৮৩ রান।

শেরেবাংলায় দিনের প্রথম ভাগের ম্যাড়ম্যাড়ে উইকেট দ্বিতীয় ম্যাচে বদলে গেল ভানুমতীর খেলের মতো। প্রথম ম্যাচে যে উইকেটে রান করতে বেগ পাচ্ছিলেন ব্যাটসম্যানরা, দ্বিতীয় ম্যাচে এসে দৃশ্যপটই গেল বদলে। ঢাকার ব্যাটসম্যানরা একেবারে তুলোধুনা করে ছাড়লেন খুলনার বোলারদের।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ শেহজাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত গড়ে ঢাকা। উদ্বোধনী জুটি থেকেই আসে ৬৯ রান।

২৭ বলে ৪২ করা শেহজাদ রান-আউটের শিকার হলে ভাঙে সেই জুটি।

সঙ্গী বিদায় নিলেও উইকেট কামড়ে ধরে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৪১তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। খরচ করেন ৪১ বল। হাফ সেঞ্চুরি করে সেখানেই থেমে যান বাঁহাতি এই ওপেনার। কামরুল রাব্বির বলে নাভিন উল হকের হাতে ধরা দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর শেরেবাংলায় ঝড় তোলেন ঢাকা দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রাব্বির বলে তানজিদ হাসানের তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে খেলেন ২০ বলে ৩৯ রানের ইনিংস।

এই তিন ব্যাটসম্যানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৩ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা।

খুলনার হয়ে তিনটি উইকেট নেন কামরুল রাব্বি। আর একটি উইকেট যায় থিসারা পেরেরার ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

বিপিএলের প্রথম ফিফটি তামিমের

তামিমের ৪২ বলে ৫০ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি বাউন্ডারি

বিপিএলের প্রথম ফিফটি তামিমের

খুলনার বিপক্ষে তামিমের স্লগ সুইপ। ছবি: বিপিএল

বিপিএলের উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন দেশসেরা এই ওপেনার।

লম্বা সময় ধরে হাসছিল না তামিম ইকবালের ব্যাট। ইনজুরির কারণে টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি দীর্ঘদিন। মাঝে নেপালের এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগেও (ইপিএল) রান পাননি তেমন একটা।

আর সে কারণে তামিম-ভক্তদের মনে চাওয়া ছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের মধ্য দিয়ে রানের ধারায় ফিরবেন তামিম।

ভক্তদের আবদারটা রাখলেন তামিম। বিপিএলের উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন দেশসেরা এই ওপেনার। তার অর্ধশতকে ভর করে মুশফিকের দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোরের হাতছানি দিচ্ছে ঢাকা।

খুলনার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন ঢাকার দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ শেহজাদ।

ত্রয়োদশ ওভারের পঞ্চম বলটি লং অনে ঠেলে দিয়ে একবার জায়গা পরিবর্তন করেন তামিম। আর তাতে তুলে নেন বিপিএলের চলতি আসরের প্রথম ফিফটি।

দুর্দান্ত এই ফিফটি করেন তামিম ৪২ বল খেলে। তার ইনিংসে ছিল সাতটি চারের মার। শর্টার ফরম্যাটের ক্যারিয়ারে এটি তার ৪১তম অর্ধশতক।

তবে নিজের ইনিংস এরপর বেশি দূর টেনে নিতে পারেননি তামিম। ৫০ করে তাকে থামতে হয় কামরুল রাব্বির শিকার হয়ে।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

ভারতকে উড়িয়ে সিরিজ প্রোটিয়াদের

ভারতকে উড়িয়ে সিরিজ প্রোটিয়াদের

ভিরাট কোহলিকে আউট করার পর সাউথ আফ্রিকা দলের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি

দ্বিতীয় ওয়ানডে ৭ উইকেটে জিতে এক ম্যাচ বাকি রেখে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সাউথ আফ্রিকা। জয়ের জন্য ভারতের দেয়া ২৮৮ রানের লক্ষ্য স্বাগতিক দল অনায়াসে ১১ বল ও ৭ উইকেট অক্ষত রেখে টপকে যায়।

ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ৭ উইকেটে জিতে এক ম্যাচ বাকি রেখে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সাউথ আফ্রিকা। জয়ের জন্য ভারতের দেয়া ২৮৮ রানের লক্ষ্য স্বাগতিক দল অনায়াসে ১১ বল ও ৭ উইকেট অক্ষত রেখে টপকে যায়।

পার্লে আগে ব্যাট করে ভারত সংগ্রহ করে ৬ উইকেটে ২৮৭ রান।

কেএল রাহুল টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয় ভারতের। রাহুল ও শিখর ধাওয়ান গড়েন ৬৩ রানের উদ্বোধনী জুটি। এইডেন মারক্রামের বলে ধাওয়ান ২৯ রান করে বিদায় নিলে ভাঙ্গে জুটি।

পরের ওভারে কেশভ মহারাজের বলে শূন্য রানে ভিরাট কোহলি বিদায় নিলে চাপে পড়ে ভারত। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন রাহুল ও রিশাভ পান্ট।

তৃতীয় উইকেটে ১১৫ রান যোগ করেন দুই ব্যাটার। ৫৫ রান করে সিসান্দা মাগালার বলে বিদায় নেন রাহুল।

পান্ট ৮৫ রান করে আউট হন তাবরেইজ শামসির বলে। শ্রেয়াস আইয়ারকেও ১১ রানে ফেরান এই স্পিনার।

টেইল এন্ডে শারদুল ঠাকুর ও রভিচন্দ্রন আশউইনের ব্যাটে আড়াই শ ছাড়ায় ভারতের সংগ্রহ।

৩৮ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন ঠাকুর। আর আশউইনের ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২৫।

প্রোটিয়াদের পক্ষে শামসি ২টি ও মাগালা, মারক্রাম, মহারাজ ও আন্দিলে ফেলুকোয়েও ১টি করে উইকেট নেন।

জয়ের টার্গেটে নেমে উদ্বোধনী জুটি কাজ সহজ করে দেয় আফ্রিকানদের। ইয়ানেমান মালান ও কুইন্টন ডি কক ২২ ওভারে ১৩২ রানের জুটি গড়েন।

২২তম ওভারের শেষ বলে ৭৮ রান করে আউট হন ডি কক। কিছুক্ষণ পর ৯১ রানে ফেরেন সেঞ্চুরির আশায় থাকা মালান। তবে ততক্ষণে ম্যাচ ভারতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

স্বাগতিক দলের হয়ে বাকি কাজটুকু শেষ করেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা, এইডেন মারক্রাম ও রাসি ফন ডার ডুসেন।

মারক্রাম ও ডার ডুসেন ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন আর বাভুমার ব্যাট থেকে আসে ৩৫। ১১ বল আগে জয় পেয়ে যায় সাউথ আফ্রিকা।

রোববার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

জয় দিয়ে বিপিএল শুরু করল সাকিবের বরিশাল

জয় দিয়ে বিপিএল শুরু করল সাকিবের বরিশাল

চট্টগ্রামের উইকেট উদযাপনে ফরচুন বরিশাল। ছবি: বিপিএল

চট্টগ্রামের দেয়া ১২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮ বল আগে ৪ উইকেটে জয় তুলে নেয় সাকিব আল হাসানের দল। দল হেরে গেলেও ম্যাচসেরা হয়েছেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৪ উইকেটের জয় পেয়েছে ফরচুন বরিশাল। চট্টগ্রামের দেয়া ১২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮ বল আগে ৪ উইকেটে জয় তুলে নেয় সাকিব আল হাসানের দল।

শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশাল অধিনায়ক সাকিব। বল করতে নেমে শুরু থেকে তারুণ্য নির্ভর চট্টগ্রামকে চেপে ধরে বরিশালের বোলাররা।

ছক্কা দিয়ে ম্যাচ ও মৌশুম শুরু করা কেনার লুইস দুই বল পর নাঈম হাসানের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছানোর আগে ফেরেন আফিফ হোসেন, সাব্বির রহমান ও অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ।

শামিম পাটোয়ারি ও নাঈম ইসলামকে ফিরিয়ে অল্পতে চট্টগ্রামকে আটকে দেয়ার শঙ্কা জাগান বরিশালের বোলাররা। কিন্তু উইকেট আগলে রাখেন বেনি হাওয়েল। অপরপ্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিল চলতে থাকলেও টিকে থেকে দলকে এগিয়ে নেন তিনি।

তার ২০ বলে ৪১ রানের টর্নেডো ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ১২৫ রানের পুঁজি পায় সাগরিকার দলটি।

দলের হয়ে তিনটি উইকেটে নেন আলজারি জোসেফ। দুটি নেন নাঈম হাসান। আর একটি করে উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান, জেইক লিনটট ও ডোয়াইন ব্রাভো।

সাকিব এক উইকেট পেলেও ৪ ওভারে দেন মাত্র ৯ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বরিশাল শুরুতে হারায় তাদের ওপেনার নাঈম শেখকে। মেহেদী মিরাজের স্পিন ঘুর্ণিতে একে একে নাজেহাল হতে হয় সাকিব আল হাসান, তৌহিদ হৃদয় ও ইরফান শুক্কুরকে।

ম্যাচের পুরোটা সময় নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখলেও ১৫ তম ওভারে মেহেদী মিরাজের তিন আঘাতে শঙ্কা জেগেছিল বরিশালের ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যাবার।

১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে থিতু হয়ে বসা সৈকত আলিকে ৩৯ রানে থামিয়ে দেন মিরাজ। পরের বলে ফেরান ১৬ রান করা ইরফান শুক্কুরকে। আর সেই ওভারের শেষ বলে ফেরেন সালমান হোসেন।

তবে বিপদ ঘটতে দেননি ব্রাভো ও জিয়াউর রহমান। দলকে ৪ উইকেটের জয় এনে দেন ৮ বল বাকি থাকতে।

দল হেরে গেলেও ম্যাচসেরা হয়েছেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

করোনামুক্ত হলেন সোহান

করোনামুক্ত হলেন সোহান

নুরুল হাসান সোহান। ফাইল ছবি

১৭ জানুয়ারি করোনা পজিটিভ হয়েছিল সোহন। এতে বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে দেখা যায়নি তাকে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরকে সামনে রেখে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছিলেন ফরচুন বরিশালের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান। শুক্রবার দ্বিতীয় পরীক্ষায় নেগেটিভ হয়েছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফরচুন বরিশাল কর্তৃপক্ষ।

তারা জানিয়েছে, ‘শুক্রবার সোহানের করোনা পরীক্ষা করানো হয়। সে নেগেটিভ এসেছে। শনিবার সকালে তার দ্বিতীয় পরীক্ষা হবে।’

গত ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তত্ত্বাবধানে করানো টেস্টে করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন সোহান। এই কারণে বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে দেখা যায়নি তাকে।

সোহানের পাশাপাশি করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন দলের আরেক ব্যাটসম্যান মুনিম শাহরিয়ার। আক্রান্ত হয়েছিলেন দলের ব্যাটিং পরামর্শক নাজমুল আবেদীন ফাহিমও।

এখন পর্যন্ত বিপিএলের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের করানো পরীক্ষায় অন্তত ২০ ক্রিকেটার ও স্টাফের করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর মিলেছে।

করোনা আক্রান্ত ক্রিকেটার ও স্টাফরা দলের বাকিদের সঙ্গে ঢুকতে পারেননি বায়ো বাবলে। আপাতত বাসায় থাকছেন সবাই।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্ট জয়ের দিনে হতাশায় ডুবল টাইগাররা
ব্যাটারদের নিয়ে হতাশ প্রিন্স
১২৬ রানে অলআউট, ইনিংস হারের শঙ্কা
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে রাব্বির ফিফটি
১০০ পেরোল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন