× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

খেলা
There is no substitute for training and monitoring to improve umpiring Mithu
google_news print-icon

আম্পায়ারিং শুধরাতে প্রশিক্ষণ ও মনিটরিংয়ের বিকল্প নেই: মিঠু

আম্পায়ারিং-শুধরাতে-প্রশিক্ষণ-ও-মনিটরিংয়ের-বিকল্প-নেই-মিঠু
বিসিবির আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
দেশের আম্পায়ারিংয়ের সমস্যা ও এর সমাধানের খুঁটিনাটি নিয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে আলোচনা করেছেন আম্পায়ার্স কমিটির প্রধান ইফতেখার রহমান মিঠু। জানিয়েছেন বিতর্কের জায়গা থেকে ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ এই বিভাগকে সরিয়ে আনতে যথাযথ ট্রেনিং ও কঠোর মনিটরিংয়ের বিকল্প নেই।

পরোক্ষভাবে দুই যুগের বেশি সময় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর এবারই প্রথম সরাসরি বোর্ডের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে দায়িত্ব পেয়েছেন বোর্ড পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু। নতুন দায়িত্ব নেয়া বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদে আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে তাকে।

লম্বা সময় ধরে দেশের আম্পায়ারিং প্রশ্নবিদ্ধ। সেই প্রশ্নবিদ্ধ শাখার দায়িত্বভার তুলে দেয়া হয়েছে সফল এই ক্রীড়া সংগঠকের হাতে।

দায়িত্ব বুঝে নিয়ে আম্পায়ারিং বিতর্কের সঙ্গে জড়িতদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মিঠু। শক্তহাতে আম্পায়ারিংকে বিতর্কের জায়গা থেকে বের করে আনতে চান স্বচ্ছতার জায়গায়।

দেশের আম্পায়ারিংয়ের সমস্যা ও এর সমাধানের খুঁটিনাটি নিয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। জানিয়েছেন বিতর্কের জায়গা থেকে ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ এই বিভাগকে সরিয়ে আনতে যথাযথ ট্রেনিং ও কঠোর মনিটরিংয়ের বিকল্প নেই।

নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য তার সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

প্রথমবার বোর্ডে আসলেন, আর এসেই দায়িত্ব পেলেন, কেমন লাগছে?

প্রথমবার বোর্ড ডিরেক্টর হতে পারি কিন্তু ক্রিকেটের সঙ্গে আমি গত ২৫ বছর ধরে আছি। সুতরাং আমার কাছে নতুন না। ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও জড়িত ছিলাম। মাঝে ৬-৭ বছর ছিলাম না। তবে বোর্ডে আসায় নিশ্চিতভাবে আনন্দবোধ করছি। নতুন একটা দায়িত্ব দিয়েছে। সেটায় আমার শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করব।



আম্পায়ারদের চাপ নেয়ার কিছু নেই। যদি নিতে হয় সেটা আমি নেব। তবে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে করে তবে সেটা বন্ধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। সেটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

নতুন কমিটিতে এসে কঠিন একটা বিভাগের দায়িত্ব পাওয়াটা কতটা চ্যালেঞ্জিং?

নিশ্চিতভাবে চ্যালেঞ্জিং। কারণ আপনাদের মাধ্যমে শুনেছি গত কয়েক বছর এই জায়গাটা নিচের দিকে নেমে গেছে। বিষয়টা এতদিন শুনে এসেছি, সবার থেকে শুনেছি। তেমনটা যদি হয়ে থাকে, এটার জন্য কাজ করতে হবে।


ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রায় সময় পক্ষপাতমূলক আম্পায়ারিংয়ের অভিযোগ পাওয়া যায়, এখানে কীভাবে স্বচ্ছতা ফেরাবেন?

শোনেন, পক্ষপাতমূলক হতে পারে দুটো জিনিসের জন্য। একটা হচ্ছে চাপের কারণে একটা ভুল করে ফেলে। আরেকটা হচ্ছে ইচ্ছাকৃত। চাপের কারণে যেটা হয়, সেটা বিভিন্ন কোর্স করিয়ে কিংবা অনুশীলনের মাধ্যমে উন্নতি করানো সম্ভব। এই বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে আমি সবার সঙ্গে আছি।

অন্য কোনো চাপ আসলে আমি নিশ্চিতভাবে মোকাবিলা করব। আমি যে বার্তা দিতে চাই তা হলো, আম্পায়ারদের চাপ নেয়ার কিছু নেই। যদি নিতে হয় সেটা আমি নেব। তবে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে করে তবে সেটা বন্ধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। সেটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।


দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগের রেলিগেশন জোনে আম্পায়ারিংয়ের স্বচ্ছতা ফেরানো কতটা চ্যালেঞ্জিং?

আপনি কোন মানের আম্পায়ার বা আপনার অ্যাসেসমেন্টটা যদি ঠিকমতো না হয় তাহলে এমনটা ঘটে। যদি দেখি আপনি দিনের পর দিন ইচ্ছাকৃতভাবে কারও পক্ষ নিয়ে আম্পায়ারিং করছেন, ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন, তাহলে এটা থামানোর দুটো উপায় আছে; এক হচ্ছে ট্রেনিং। দুই তাদের সতর্ক করা যে ভবিষ্যতে যদি প্রমাণ পাই তোমরা ইচ্ছাকৃতভাবে করছ, তাহলে আমরা যা করার করব।


বাংলাদেশ থেকে আইসিসির এলিট প্যানেলে আম্পয়ার না থাকার কারণ কী দেখছেন?

আমি দুই সপ্তাহ হলো দায়িত্ব পেয়েছি। সবকিছু জানতে হলে কিছু সময় দিতে হবে। আমার প্রথম কাজ হলো যেকোনো পরিবর্তন আনার জন্য লোকজনের সঙ্গে কথা বলা। সিনিয়র আম্পায়ার, ক্রিকেট প্লেয়ার, সিনিয়র ক্রিকেটার, সাংবাদিক কিংবা আমাদের যে কমিটি আছে সবার সঙ্গে আলাপ করে সমস্যাটা কোথায় সেটা বের করা।

যদি দেখি যে আমাদের অ্যাপ্রোচ ঠিক নাই আইসিসিতে, তাহলে সেটা ঠিক করব। এমনও হতে পারে যে আমাদের আইসিসির স্ট্যান্ডার্ড ঠিক না বলে অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যন্ত দিচ্ছে। তেমনটা হলে আমাদের আম্পায়ারদের আরও অনুশীলন করাতে হবে। যদি আমাদের তদবির ঠিক না হয়, সেখানেও উন্নতির চেষ্টা করব।


আম্পায়ারিংয়ে স্বচ্ছতা ফেরাতে কোন সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে নেয়া উচিত বলে মনে করেন?

সবাই আমাকে একটা কথাই বলেছে যে গত কয়েক বছরে আম্পায়ারিংয়ের মানটা নিচের দিকে। এর মানে তারা সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারছে না। এর একটা কারণ ফিজিক্যাল ফিটনেস হতে পারে। স্বাস্থ্যগত সমস্যা হতে পারে। এগুলো আমাদের খুঁটিয়ে দেখা দরকার। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো দরকার। কারোর যদি ডায়াবেটিক সমস্যা থাকে এবং সেদিন সারা দিন ধরে আম্পায়ারিং করেন, তাহলে দিনের শেষে তিনি ক্লান্ত হতে পারেন।

এমনও হতে পারে কেউ স্বাভাবিকভাবেই ভালো আম্পায়ার। আবার কেউ হয়তো তা নয়। তাদের রিডিং ও শারীরিক ফিটনেস বাড়াতে হবে।


ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে আপনার বন্ধুত্ব, তাদের সঙ্গে কি এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা হয়েছে?

শুধু উনিই আমার বন্ধু না। বিশ্বের বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডেই আমার বন্ধু আছেন। সবার কাছ থেকে সহযোগিতা চাই। এখানে আমি তো একমাত্র এক্সপার্ট না। সাংবাদিক, ক্রিকেটার কিংবা বিদেশি বিশেষজ্ঞরা মিলে মূলত সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। এতে করে আমরা আমাদের মানে উন্নতি আনতে পারব। এটা নিশ্চয়তা দিতে পারি যে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। এটা বলতে পারবেন না যে আমি চেয়ারম্যান হিসেবে সময় দিইনি বা আমার ইচ্ছে ছিল না।

এমনও হতে পারে কেউ স্বাভাবিকভাবেই ভালো আম্পায়ার। আবার কেউ হয়তো তা নয়। তাদের রিডিং ও শারীরিক ফিটনেস বাড়াতে হবে।


আম্পায়ারিং উন্নতিতে দেশের বাইরে থেকে প্রশিক্ষক আনানো যায় কি না?

এটাও ভাবছি। একটা এজেন্ডা তৈরি করব। প্লেয়ার কিংবা পুরোনোদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নেব। স্থানীয় প্রশিক্ষক বানাতে হবে। প্রতি মাসে অন্তত পাঁচজন করে হলেও অনুশীলন করাতে হবে। মনে করেন, একজন প্রশিক্ষিত বিমানের পাইলটকেও কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পরপর অনুশীলন করতে হয়।

এখন প্রযুক্তিও এসেছে। চেষ্টা করব ধাপে ধাপে কাজ করতে। আপাতত আমি তথ্য সংগ্রহ করছি। এমনকি আম্পায়ারিং খারাপের জন্য যদি তাদের বাসে যাতায়াত সমস্যা হয়ে থাকে, তবে সেটাও সমাধানের নতুন পথ খুঁজব।

আমি শুনেছি সাভার আসতে-যেতে ছয় ঘণ্টার মতো লাগে। তাহলে চিন্তা করে দেখেন একজন আম্পায়ার ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠে গিয়ে খেলা পরিচালনা করলে তার মানসিক সমস্যা হতে পারে। এটাও আমরা দেখব। দরকার হলে আমরা তাকে এক দিন আগেই সেখানে পাঠিয়ে দেব যেন পরদিন ম্যাচ পরিচালনা করতে পারি।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ক্রিকেটে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) কি আনা যায়?

ডিআরএস সিস্টেমটা আসলে একটু কঠিন। এটি ছাড়াও রেকর্ডিং, মনিটরিং এগুলো করা যায়। এগুলো করাটা সহজ। ডিআরএস সিস্টেমটা আসলে শীর্ষ পর্যায়ের ম্যাচের জন্য করা হয়। এটা করাও খরচের ব্যাপার।

আমরা যেটা করতে পারি সেটা হলো সিদ্ধান্ত ও আপিলগুলো রেকর্ড করে পর্যালোচনা করতে পারি। আম্পায়ারিংয়ের মান বাড়াতে একজন আম্পায়ার কীভাবে আম্পায়ারিং করছে সেটা বিচার করতে হবে। সেটি পরীক্ষার জন্য আমি হয়তো ১০ দিন মাঠে থাকতে পারি। সে ১০ দিন হয়তো ভালো করবে। বা সাংবাদিক আছে বলে ভালো করল, মনোযোগ দিয়ে আম্পায়ারিং করল। কিন্তু তারপর? সুতরাং আমাদের রেকর্ডিংয়ের একটা সিস্টেম করতে হবে।

এই রেকর্ডিংয়ের সিস্টেমটা আগে থেকে কেন করা হয়নি?

দেখেন আমি আবারও বলছি, আগে কী হয়েছে বা হয়নি সেসবের ভেতর যাচ্ছি না। আমি মনে করি ট্রেনিং ও মনিটরিং বাড়ালে তাদের উন্নতি হবে। এতেও যদি ঠিক না হয়, আরও নতুন আম্পায়ার নিতে হবে। ক্রিকেটারদের আম্পায়ার হিসেবে নিতে হবে। আমরা যেটা শুনেছি যে ক্রিকেটাররা আম্পায়ার হিসেবে ভালো সিদ্ধান্ত দেন। তাই সাবেক ক্রিকেটার যারা আছেন, ক্রিকেট থেকে নতুন করে যারা অবসরে যাচ্ছেন, তাদের পাইপলাইনে আনতে হবে।

আমাদের দেশে আম্পায়ারিংকে প্রধান পেশা হিসেবে খুব একটা দেখা যায় না। পেশা হিসেবে এটিকে দাঁড় করানোর জন্য কোনো উদ্যোগ নেয়া যায় কি না?

এটা নিয়ে আমি সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করব। বোর্ডের উচিত বিষয়টাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ভালোভাবে তদন্ত করা। এটা আসলে হার্টের মতো। আপনি যদি হার্ট ঠিক না করেন, আপনার চলাচল, পারফরম্যান্স কিন্তু ভালো হবে না। তাই এই জায়গাটাতে আমাদের আরও বেশি সিরিয়াস হতে হবে।

ধরেন একটা খেলোয়াড় পাঁচটা সিদ্ধান্ত পক্ষে পেয়ে ৫০০ রান করল, আর একজন খেলোয়াড় কোনো সিদ্ধান্ত পক্ষে না পেয়ে ৭০ রান করল এক মৌসুমে। সেই ৫০০-এর চেয়ে ৭০ রান কিন্তু বেশি কার্যকরী। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যেতে হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।

অনেকেই বলেন আম্পায়ারিং পেশা হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ ও বোর্ডের দেয়া বেতন-ভাতায় তাদের দিন যাপন কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এই বিষয়টির কোনো সমাধান ভেবেছেন?

আমি তো নিজে কোনো দিন আম্পায়ার ছিলাম না। আমি ক্রিকেটার ছিলাম। আমি কোনো দিন এই কমিটিও পাইনি। এখন নানা দেশের সঙ্গে আলাপ করব। ভারতের কাছে জিজ্ঞেস করব, তাদের সিস্টেম কেমন। তারা কি হাফ প্রফেশনাল না ফুল প্রফেশনাল? যদি ফুল প্রফেশনাল হলে ভালো কিছু পাওয়া যায় তখন আমাকে ফুল প্রফেশনাল হতে হবে। বোর্ডের কাছে প্রস্তাব রাখতে হবে।

এটা তো আমার সিদ্ধান্ত না। হয়তো মোট ১৫টা বিষয় আছে এ সংক্রান্ত। এর ৭-৮টা হয়তো আমি নিজে সমাধান করে দেব। আর্থিক বিষয়গুলো তো আমার হাতে নেই। আগে যে ৭-৮টা সমাধানের উপায় রয়েছে সেগুলো সমাধান করে দেখি। এরপর ধীরে ধীরে বাকিগুলোতে যাব।

আমরা যেটা শুনেছি যে ক্রিকেটাররা আম্পায়ার হিসেবে ভালো সিদ্ধান্ত দেন। তাই সাবেক ক্রিকেটার যারা আছেন, ক্রিকেট থেকে নতুন করে যারা অবসরে যাচ্ছেন, তাদের পাইপলাইনে আনতে হবে।




আপনার মালিকানায় থাকা দল ফেয়ার ফাইটার্সকে ২০১৭ সালে আম্পায়ারিং ইস্যুতে নিষিদ্ধ করা হয়। প্রায় সময় দেখা যায় আম্পায়ারিং ইস্যুতে দলগুলোকে দায়ী করা হচ্ছে। ক্লাবের সঙ্গে কথা বলা বা পরামর্শ নেয়ার বিষয়টি নিয়ে কিছু ভাবছেন কি না?

আমাদের পুরো ক্রিকেটে আম্পায়াররা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। এরপর আছেন ক্লাব অফিশিয়ালরা। যারা এটার সাথে জড়িত, আমি সকলের সঙ্গে কথা বলব।

যেমন, আমার ফেয়ার ফাইটার্সের সমস্যা হয়েছে। যদি বেনিফিট অফ ডাউট আম্পায়ারদের দিই, যে তাদের ভুলেই হয়েছে এমনটা। সে ক্ষেত্রে ভুলগুলো যেন আর না হয় সে জন্য দ্রুত আম্পায়ারদের গ্রুপে ভাগ করে একটা কোর্স করালে ও পরীক্ষা নিলে তাদের মান বোঝা যাবে।

এটা প্রথম কথা। দ্বিতীয়ত, এখন সব টিভি ক্যামেরা চলে যাচ্ছে মাঠে। আমরা সেগুলো দেখে ১০ দিনের একটা রিভিউ করব যে কী রকম সিদ্ধান্ত দিচ্ছে। সেগুলো দেখলেই তো বুঝতে পারব। কেউ যদি একই বিষয়ে বারবার ভুল করে যেমন এলবিডব্লিউ, তখন তাকে ওইটাতে ট্রেনিং দেয়া লাগবে।

আবার ধরেন দুপুরে লাঞ্চের পর ঘুম ঘুম ভাব আসল, তখন তাদের ডায়েট চার্ট বদলে দেয়া হবে। ছোট ছোট জিনিসগুলো আগে খুঁজে বের করতে হবে। চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

খেলা
The dead body of 8 year old Senjuti was found in the morning after demanding ransom at night

রাতে মুক্তিপণ দাবি, সকালে মিলল ৮ বছরের সেঁজুতির লাশ

রাতে মুক্তিপণ দাবি, সকালে মিলল ৮ বছরের সেঁজুতির লাশ ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে অপহরণের পর তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় গত শনিবার (২০ জুন) রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরিবারের একাধিক সদস্যের দাবি, গত রোববার (২১ জুন) রাতে তাদের কাছে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোনকল আসে। ফোনে সেঁজুতিকে জীবিত ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মৃত সেঁজুতির মা শোভা চন্দ্র বলেন, ‘আমার অনেক শত্রু আছে। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে আমার ছোট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে সোমবার সকালে পুলিশ উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরো বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিসহ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মন্তব্য

খেলা
Govt working to reduce business start up process to 14 days Commerce Minister

ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক বাধা কমাতে কাজ করছে। একটি ব্যবসা শুরু করতে যেখানে আগে প্রায় এক বছর সময় লাগত, সেখানে এখন মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসা শুরুর সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি কোম্পানি ১৫তম দিনেই যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খুলতে পারবে।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং শোভন কাজের এজেন্ডা সমন্বয়’ বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এ ডিব্রিফিং সেশনের আয়োজন করে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের সিডিপি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সময়সীমা নিয়ে যে সুপারিশ দিয়েছে, সেটিকে শুধু অতিরিক্ত সময় পাওয়ার বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। বরং এটিকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য একটি পরিকল্পিত ও সমন্বিত সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। এই রূপান্তরকালকে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা শক্তিশালীকরণ, উৎপাদনভিত্তি বহুমুখীকরণ এবং এলডিসি-উত্তর বাস্তবতার জন্য বাংলাদেশকে প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটে ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ অর্থনীতির কথা বলা হয়েছে। এ শব্দগুলো শুধু অলংকার নয়, বরং বর্তমান সরকার এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণের মূল ভিত্তি। বাজেটে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণ, লাইসেন্সিং ব্যবস্থার জটিলতা হ্রাস এবং বাজার বহুমুখীকরণে সরকারের অগ্রাধিকার স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।’

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও ভোক্তারা স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, নিয়ম-নীতি প্রতিপালন এবং দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের ওপর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এখন পরিবেশগত সুরক্ষা, শ্রম অধিকার, মানবাধিকার, যথাযথ পর্যালোচনা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে নতুনভাবে গড়ে উঠছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই নতুন বৈশ্বিক বাস্তবতায় যেসব দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় ঘটাতে পারবে, তারাই টিকে থাকবে এবং সমৃদ্ধ হবে। বাংলাদেশ সরকারও এ রূপান্তরকে সমর্থন করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ‘রেসপনসিবল বিজনেস কন্ডাক্ট (আরবিসি)’ প্রতিষ্ঠা করেছে। এটি সরকারি সংস্থা, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক সংগঠন, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে উন্নত সমন্বয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিকে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জবাবদিহি এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোই সরকারের লক্ষ্য।’

ফোরামের সুপারিশ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ প্রসার এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি বিশ্বাসযোগ্য সোর্সিং ও উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুপারিশের সঙ্গে সরকার সম্পূর্ণ একমত। ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের জন্য ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কোথায় সময় কমানো ও প্রক্রিয়াগত ওভারল্যাপ দূর করা সম্ভব, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এক্সিকিউটিভ মেম্বার মো. হুমায়ুন কবির, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেকজনিয়াক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি (দ্বিপক্ষীয়-পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য

খেলা
BGB deployment in five districts of the country

দেশের পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

দেশের পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েন ছবি: সংগৃহীত

দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পাঁচ জেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কক্সবাজার, মাদারীপুর, শেরপুর, গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের অন্য জেলাগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা স্ট্যান্ডবাই থাকবেন।

প্রসঙ্গত, বিজিবি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

মন্তব্য

খেলা
5 members of Khulna terrorist group B company were arrested in the capital

খুলনার সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি কোম্পানির’ ৫ সদস্য রাজধানীতে গ্রেপ্তার

খুলনার সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি কোম্পানির’ ৫ সদস্য রাজধানীতে গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় ‘বি কোম্পানি’ নামে পরিচিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর চার সদস্যকে ঢাকা মহানগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা নগর থেকে ওই গোষ্ঠীর আরও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলবার, একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন ও ৭ দশমিক ৬৫ বোরের দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নগরের খালিশপুরে ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে হাজির করা হয়। সেখানে অভিযান ও গ্রেপ্তারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ডিবির উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে খুলনা মহানগরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ জুন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী অপরাধী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সমন্বিত বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে গোয়েন্দা নজরদারি, গোপন তথ্য সংগ্রহ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্তের কাজ চলছিল।

ডিবির এই কর্মকর্তা জানান, এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার রাতে ঢাকা মহানগরের বংশাল এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন বরিশালের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিন (২৯), যিনি বর্তমানে খুলনার শেখপাড়া লোহাপট্টি এলাকায় ভাড়া থাকতেন; মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামের বাসিন্দা তুষার শিকদার (৩৮), যিনি সোনাডাঙ্গার শেখপাড়া মেইন রোড এলাকায় বসবাস করতেন; সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কারপাসডাঙ্গা গ্রামের মো. আসিফ (২৫), যিনি নগরের নবীনগর এলাকায় থাকতেন এবং খুলনা সদরের টুটপাড়া জোড়াকল বাজার এলাকার সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির (১৮)। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরের সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকার আবরার ফয়সাল ওরফে রাফিনকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবির উপপুলিশ কমিশনার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা খুলনার চিহ্নিত বি কোম্পানি নামের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে একাধিক মামলা বিচারাধীন। দীর্ঘদিন ধরে তারা আত্মগোপনে থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুলনা নগরের একটি এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, একটি রিভলবার ও ৭ দশমিক ৬৫ বোরের দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া আরও বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে খুলনা মহানগরে সক্রিয় অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, তাদের সহযোগী এবং অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

খুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিভিন্ন ঘটনায় ঘুরেফিরে কয়েকটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম উঠে এসেছে।

মন্তব্য

খেলা
A mild earthquake was felt in the capital

রাজধানীতে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

রাজধানীতে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকাসহ এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত ৯টা ২৯ মিনিট ২০ সেকেন্ড নাগাদ এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

আকস্মিক এই ঝাঁকুনিতে নগরবাসীর মধ্যে ক্ষণিকের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এতে অনেকেই বহুতল ভবন থেকে নিচে নেমে আসেন। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ঢাকায় ভূমিকম্পের এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কোভিদ গণমাধ্যমকে জানান, রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকায়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার জানান, এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল রাজধানীর মিরপুর থেকে ৭ কিলোমিটারের মধ্যে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১২ জুন সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের কিছু উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় একই ধরনের মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। রিখটার স্কেলে সেই ভূকম্পনের তীব্রতা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪ দশমিক ৫ মাত্রা। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকির মধ্যে থাকায় বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে ভবন নির্মাণে সতর্কতা ও দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

খেলা
The body of missing Bangladeshi student Emon was recovered in Cyprus

সাইপ্রাসে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইমনের মরদেহ উদ্ধার

সাইপ্রাসে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইমনের মরদেহ উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত

পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শাহরুয়ার আহমেদ ইমনের (২২) মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। এ ঘটনায় আরেক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সময় গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি ইমনকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেশটির কোফিনু এলাকার তল্লাশি চালিয়ে গাছের নিচ থেকে ঘাসঢাকা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সময় রোববার (২১ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সাইপ্রাস টাইমস।

প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১২ জুন নিখোঁজ হন ইমন। ওই দিন দেশটির লারনাকা জেলার ওরেক্লিনি এলাকার বাসা থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি। সর্বশেষ তাকে সাইপ্রাসের কোফিনু এলাকায় দেখা গিয়েছিল। তার বাবা সাইপ্রাসের পুলিশকে বলেছেন, ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ফোনে যোগাযোগ করে ‘মুক্তিপণ’ চেয়েছে।

মরদেহটি উদ্ধারের পর সাইপ্রাস পুলিশ জোরালো তদন্ত শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে অপহরণ হিসেবে তদন্ত করছে। এ ঘটনায় ইমনের মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর তার মোবাইল ফোন থেকে মেসেজ পাঠিয়ে পরিবার কাজ থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল।

পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় কোফিনু এলাকায় ইমনের সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করে। পরে মোবাইল ট্র্যাক করে অবস্থান শনাক্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত আরেক বাংলাদেশি ২২ বছর বয়সি যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক ইমনকে অপহরণ ও হত্যা করে মরদেহ ঘাস চাপা দিয়ে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি পুলিশকে কোফিনু এলকার একটি গাছের কথাও জানান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেখান থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তির তথ্য ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, সেটি নিখোঁজ ইমনের মরদেহ।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি একটি গাছের নিছে ঘাসঢাকা অবস্থায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। রোববার বিকেল ৩টার দিকে কোফিনু এলাকার একটি রেস্টহাউসের কাছ থেকে ফুলে-ফেঁপে ওঠা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ইমনের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থানও ওই এলাকাতেই শনাক্ত হয়েছিল।

প্রাথমিকভাবে মরদেহে পাওয়া আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ইমন নিখোঁজ হওয়ার পরপরই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে এবং কয়েক দিন ধরে মরদেহটি ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল।

স্বীকারোক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে লার্নাকা অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান জর্জ চারালাম্বুস বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার পেছনে আর্থিক উদ্দেশ্য ছিল। বর্তমানে তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ অনুযায়ী, অভিযুক্ত যুবক একাই এ অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে মনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনাস্থল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রের অবস্থান চিহ্নিত করেছে। একই সঙ্গে তিনি তার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র যেখানে পাওয়া গিয়েছিল সেই স্থানটিও পুলিশকে জানিয়েছেন। মরদেহটি পচনশীল অবস্থায় থাকায় মৃত্যুর সঠিক সময়কাল ময়নাতদন্তের পরেই জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভুক্তভোগীকে নিখোঁজের রাতেই হত্যা করা হয়েছিল।

চারালাম্বুস আরও বলেন, পুলিশ বর্তমানে একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে এবং ঘটনাটি সমাধানের কাছাকাছি রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে সন্দেহভাজনের সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অভিযান, প্রযুক্তিগত তথ্য ও যোগাযোগ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত এগিয়েছে।

এদিকে সাইপ্রাসের আরেক সংবাদমাধ্যম ফাইলনিউজ ইংলিশ বলছে, লারনাকা জেলার ওরেক্লিনি এলাকায় বসবাসকারী ইমন গত ১২ জুন একটি স্থানীয় কারখানায় কাজে যোগ দেওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। পরে তিনি তার এক বন্ধুকে নিজের অবস্থান লিখে একটি বার্তা পাঠান। এছাড়া গ্রিসে থাকা তার বাবার কাছে সাহায্য চেয়ে আরেকটি বার্তা পাঠানোর পরই ইমনের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

মন্তব্য

খেলা
City Administrator of Comilla to provide financial assistance to the family of Smriti who fell in the broken drain

ভাঙা ড্রেনে পড়ে নিহত ‘স্মৃতি’র পরিবারের পাশে কুমিল্লার নগর প্রশাসক, আর্থিক সহায়তা প্রদান

ভাঙা ড্রেনে পড়ে নিহত ‘স্মৃতি’র পরিবারের পাশে কুমিল্লার নগর প্রশাসক, আর্থিক সহায়তা প্রদান ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা নগরীর ছোটরায় ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাবে পড়ে পানিতে ডুবে নিহত ৮ বছর বয়সী মাহফুজা আক্তার স্মৃতির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। সোমবার (২২ জুন) রাতে নগরীর মফিজাবাদ কলোনীতে গিয়ে স্মৃতির বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রশাসক। তিনি বলেন, “গতকাল রাতটা আমি ঘুমাতে পারিনি। বারবার স্মৃতির মুখটা চোখে ভেসে উঠেছে। আমার নিজের মেয়ের কথাও মনে হয়েছে। একটি শিশুর এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় আমারও দায় আছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই নগরীর বিভিন্ন সড়কে থাকা ভাঙা স্ল্যাব চিহ্নিত করে অপসারণের কাজ শুরু করেছি। আমি চাই না আর কোনো পরিবারকে স্মৃতির পরিবারের মতো এমন শোক বয়ে বেড়াতে হোক। কুমিল্লা নগরীতে আর কোনো ভাঙা স্ল্যাব থাকবে না।”

এ সময় নগরীর দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, “বিগত সময়ে যেসব ভুল হয়েছে, তার খেসারত আজ আমাদের দিতে হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে যেন এমন মর্মান্তিক ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।

স্মৃতির বাবা-মায়ের হাতে হাত রেখে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরে নিহত শিশুর বাবা বিল্লাল হোসেনের হাতে ১ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।

উল্লেখ্য, রোববার (২১ জুন) রাতে কুমিল্লা নগরীর ছোটরা এলাকায় বৃষ্টির পানিতে ঢেকে থাকা একটি ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাবে পড়ে পানিতে ডুবে মারা যায় শিশু মাহফুজা আক্তার স্মৃতি। মায়ের হাত থেকে ছিটকে পড়ে মুহূর্তেই নিভে যায় তার ছোট্ট জীবনের প্রদীপ। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় কুমিল্লাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া।

মন্তব্য

p
উপরে