জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে

player
জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে

ফাইল ছবি

তিন ম্যাচের দিবারাত্রির ওয়ানডে সিরিজটি শুরু হবে ১৬ জানুয়ারি। ১৮ ও ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ। সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে।

আইসিসি সুপার লিগের অন্তর্গত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে আগামী জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের ২০২২ সালের সূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে সিরিজটির।

তিন ম্যাচের দিবারাত্রির ওয়ানডে সিরিজটি শুরু হবে ১৬ জানুয়ারি। ১৮ ও ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ। সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে।

ইতিমধ্যেই সুপার লিগের অন্তর্গত ৯টি ম্যাচ খেলেছে জিম্বাবুয়ে। এর ভেতর মাত্র দুটিতে জয়ের দেখা পেয়েছে রোডেশিয়ানরা। সবশেষ জিম্বাবুয়ে খেলেছে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। তিন ম্যাচের সেই সিরিজটি ১-১-এ পরিসমাপ্ত হয়েছিল।

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা অবস্থান করছে টেবিলের ছয়ে। এখন পর্যন্ত খেলা সুপার লিগের ১৫ ম্যাচের চারটিতে শেষ হাসি হেসেছে লঙ্কানরা। সবশেষ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল সাউথ আফ্রিকাকে।

সুপার লিগের ১৩ দলের ভেতর সেরা আটে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে ২০২৩ বিশ্বকাপে। বাকি পাঁচ দলকে আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর বিপক্ষে বাছাইপর্ব খেলে টিকিট কাটতে হবে বিশ্বকাপের মূল পর্বের।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাতীয় দলের উন্নতির চাবি ‘শিশু ফুটবল’

জাতীয় দলের উন্নতির চাবি ‘শিশু ফুটবল’

জাতীয় ফুটবল দল ও শিশু ফুটবল ছবি: সংগৃহীত

যেখানে পিছিয়ে থাকা প্রতিবেশী দেশগুলো তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ পেছাচ্ছে কেন? ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিছিয়ে থাকার রোগের ওষুধটা তৃণমূলের ফুটবলে। শিশু ফুটবলই জাতীয় দলের উন্নতির চাবি-কাঠি। জাতীয় দলের সাফল্য পেতে কাজ করতে হবে শিশু ফুটবল নিয়ে।

২০০৩ সালে সবশেষ সাফের শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। প্রায় দেড় যুগেরও সময় ধরে শিরোপা খরায় ভুগছে জাতীয় দল। এর মাঝে কোচ আসা- যাওয়ার মিছিল। পূর্ণ প্রতিযোগিতার বাজারে দিনদিন যেন পিছিয়ে পড়ছে দেশের ফুটবল!

যেখানে পিছিয়ে থাকা প্রতিবেশী দেশগুলো তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে বাংলাদেশ পেছাচ্ছে কেন?

ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিছিয়ে থাকার রোগের ওষুধটা তৃণমূলের ফুটবলে। শিশু ফুটবলই জাতীয় দলের উন্নতির চাবি-কাঠি। জাতীয় দলের সাফল্য পেতে কাজ করতে হবে শিশু ফুটবল নিয়ে।

বিষয়টার ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশকে ২০০৫ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তোলা সাবেক কোচ ডিয়েগো ক্রুসিয়ানি।

এ আর্জেন্টাইন কোচ বলেন, ‘আমাদের দেশসহ (আর্জেন্টিনা) ইউরোপ, আমেরিকায় যে জায়গা নিয়ে বেশি কাজ হয় তা হলো ফর্মেশন। বাচ্চাদের থেকে শুরু করে কিশোরদের-সব জায়গায় এ নিয়ে কাজ হয়। বাংলাদেশেও এ নিয়ে কাজ হওয়া উচিত। এটাই সাফল্যের চাবিকাঠি।

জাতীয় দলের চিরচরিত রোগ গোলস্কোরিংয়ের সমস্যার সমাধানও এর মধ্যে আছে মনে করেন তিনি, ‘উদাহরণ হিসেবে বলা যায়-আমাদের বেশি বেশি স্ট্রাইকার, গোলস্কোরার লাগবে। তৃণমূলে যদি এ নিয়ে কাজ করা যায় সাফল্য আসবেই।’

দেশে শিশু ফুটবল বলতে তেমন কিছুই নেই। গ্রাম বা শহরে শিশু ফুটবল নিয়ে কাজ হচ্ছে তা বলার সুযোগ নেই। যত টুর্নামেন্ট রয়েছে সবই ১২ বছরের ওপরে। তার নিচে বা ৫ থেকে শুরু করে তার ওপরের কোনোও টুর্নামেন্ট হয় না এ দেশে।

ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান বিকেএসপিতে ভর্তি শুরু হয় ১২-১৩ বছর থেকে। সুতরাং সেখানে কিশোর ফুটবলের উন্নয়ন আসলেও শিশু ফুটবলের উন্নয়ন ছায়ায় রয়ে যাচ্ছে।

বিষয়টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা মনে করিয়ে দিলেন দেশের একমাত্র উয়েফা প্রো লাইসেন্স প্রাপ্ত কোচ মারুফুল হক।

জাতীয় দলের সাবেক এক কোচ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিশু বলতে বাংলাদেশে যা বোঝায় তাহলো ১২ বছরের ওপরে। মোটেও তা শিশু নয়। ওই বয়সে পা মোটামুটি শক্ত হয়ে যায়। একদম ছোট বয়স অর্থাৎ ৪-৫ বছর থেকে ফুটবল উন্নয়ন করলে বড় হয়ে আরও পরিপক্ক হবে তারা।’

দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্লাবগুলোর দশা আরও করুণ। কোনও ক্লাবের কোনও একাডেমি নেই। নেই বয়সভিত্তিক ক্লাব কোনো কার্যক্রম। শুধু নামে মাত্র অনূর্ধ্ব-১৮ বছরের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। সেটাও এএফসি-ফিফার গাইডলাইনের চাপে পড়ে। রীতিমত ধার-দেনা করে খেলোয়াড়দের এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় শীর্ষ ক্লাবগুলো।

জেলা ও বিভাগ পর্যায়েও শিশু ফুটবল নিয়ে কার্যক্রম নাই। অবহেলিত থেকে গেছে ফুটবল শেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটি।

আর এ জায়গায় কার্যক্রম বাড়িয়ে ভারত-মালদ্বীপের মতো দেশগুলো এগিয়ে যাচ্ছে। এমনটা মনে করেন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ও স্পেনের শিশু ফুটবলে কাজ করা বিদেশি কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।

এ স্প্যানিশ কোচ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশের কী অবস্থা তা বলতে পারি না। তবে ভারতে শিশু ফুটবলের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। তার ফলও তারা এক যুগের মধ্যে পেয়ে যাবে।’

শিশু ফুটবলের সঙ্গে দেশের ফুটবল অবকাঠামো উন্নয়নটাও এগিয়ে নেয়ার বিকল্প নাই। দেশের তথাকথিত সর্বোচ্চ পেশাদার লিগের কোনোও ক্লাবেরই ‘হোম গ্রাউন্ড’ নাই। বা নিজস্ব ক্লাবের মাঠকে হোম ভেন্যু হিসেবে খেলা হয় না লিগে।

এমনকি মোহামেডান-সাইফসহ বেশিরভাগ ক্লাবের নাই অনুশীলন করার মাঠ। ভাড়া করা মাঠে খেলতে হয় ক্লাবগুলোকে।

সেজন্য শিশু ফুটবলের সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি বলছেন ডিয়েগো ক্রুসিয়ানি।

তিনি বলেন, ‘শুধু শিশু-কিশোরদের নিয়ে কাজ করলেই হবে না। অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। আফ্রিকায় দেখবেন বাচ্চারা রাস্তা থেকে শুরু করে সবখানেই ফুটবল নিয়ে ব্যস্ত। এটাই তো পার্থক্য।’

শেয়ার করুন

মার্চের আগেই জাতীয় দল চূড়ান্তের পরিকল্পনা

মার্চের আগেই জাতীয় দল চূড়ান্তের পরিকল্পনা

জাতীয় দলের অধিনায়কের সঙ্গে হাভিয়ের কাবরেরা। ছবি: বাফুফে

ফিফা উইন্ডোয় জাতীয় দলের কয়েকটি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তার আগে স্কোয়াড নিয়ে ক্যাম্প শুরু করতে চান কোচ। এ সময়ে ক্যাম্পের ভেন্যু বাছাইও সম্পন্ন করতে চান কাবরেরা।

আগামী মার্চের আগেই জাতীয় ফুটবল দলের জন্য স্কোয়াড চূড়ান্ত করতে চান নতুন হেড কোচ হাভিয়ের কাবরেরা।

রাজধানীর বেরাইদের ফর্টিজ গ্রাউন্ড পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এই পরিকল্পনার কথা জানান জাতীয় দলের হেড কোচ।

কাবরেরা বলেন, ‘মার্চে ফিফা উইন্ডো আছে। তখন কিছু ম্যাচ খেলার লক্ষ্য আছে আমাদের। এ জন্য আগেই ক্যাম্প করতে চাই।’

ফিফা উইন্ডোয় জাতীয় দলের কয়েকটি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তার আগে স্কোয়াড নিয়ে ক্যাম্প শুরু করতে চান কোচ। এ সময়ে ক্যাম্পের ভেন্যু বাছাইও সম্পন্ন করতে চান কাবরেরা।

তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পের ভেন্যু হিসেবে ফর্টিজ অ্যাকাডেমি একটা বিকল্প হতে পারে। এ ছাড়া সিলেট বা চট্টগ্রাম যেখানে আবাসন এবং অনুশীলন মাঠের পর্যাপ্ত সুবিধা আছে, সেখানেও হতে পারে।’

ভারতের মুম্বাইয়ে চিকিৎসাধীন জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার ও বসুন্ধরা কিংসের অধিনায়ক তপু বর্মণের খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন এ স্প্যানিশ কোচ।

কাবরেরা বলেন, ‘তপুর সঙ্গে কথা বলেছি। তার পরিস্থিতি কেমন, অস্ত্রোপচার কেমন হলো, সেসব বিষয়ে জানতে চেয়েছি। কথা বলে মনে হয়েছে দ্রুত রিকভারির বিষয়ে তিনি ইতিবাচক।’

খেলোয়াড় বাছাইয়ের অংশ হিসেবে ঘরোয়া ফুটবলের ক্লাবগুলো পরিদর্শনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কাবরেরা। ইতোমধ্যে ঢাকা আবাহনী, উত্তর বারিধারা ও সাইফ এসসি পরিদর্শন করেছেন স্প্যানিশ এই কোচ।

শেয়ার করুন

স্ফিয়নটেককে হারিয়ে ফাইনালে বার্টির মুখোমুখি কলিনস

স্ফিয়নটেককে হারিয়ে ফাইনালে বার্টির মুখোমুখি কলিনস

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নারী এককের দুই ফাইনালিস্ট অ্যাশলি বার্টি ও ড্যানিয়েল কলিনস। ছবি: এএফপি

প্রথম সেমিতে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাডিসন কিজকে সরাসরি ৬-১, ৬-৩ গেমে হারান ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান বার্টি। আরেক সেমিতে ড্যানিয়েল কলিনস ৬-৪, ৬-১ গেমে হারান পোল্যান্ডের ইগা স্ফিয়নটেককে।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নারী এককের ফাইনালে পৌঁছেছেন অ্যাশলি বার্টি ও ড্যানিয়েল কলিনস। দুই জনই নিজ নিজ সেমিফাইনাল ম্যাচ জিতেছেন সরাসরি সেটে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথম সেমিতে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাডিসন কিজকে সরাসরি ৬-১, ৬-৩ গেমে হারান ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান বার্টি। মাত্র ৬২ মিনিটে কিজের বাধা টপকান প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠা এ স্বাগতিক তারকা।

১৯৮০ সালের ওয়েন্ডি টার্নবুলের পর প্রথম অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে নিজ দেশের গ্র্যান্ডস্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছেছেন বার্টি। আর ১৯৭৮ সালে ক্রিস ও'নিলের পর প্রথম অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে এ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের কাছাকাছি আছেন তিনি।

শনিবার ঘরের কোর্টে নিজের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে নামবেন বার্টি। ফাইনালে নামতে তর সইছে না তার, সেমি জেতার পর এমনটাই জানান বার্টি।

তিনি বলেন, ‘অনেক অজি খেলোয়াড়ের স্বপ্ন নিজ ঘরের গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে খেলা। শনিবার অবিশ্বাস্য একটা অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে আমাদের।’

ফাইনালে তার প্রতিপক্ষ ২৭ তম বাছাই কলিনস। গত বছর তলপেটে সার্জারির পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন তার ক্যারিয়ার শেষ। তবে সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করে দারুণ প্রতাপেই ফাইনাল পৌছেছেন তিনি।

২৮ বছর বয়সী কলিনস ৬-৪, ৬-১ গেমে হারান পোল্যান্ডের ইগা স্ফিয়নটেককে। সার্জারি থেকে ফেরার পর খেলা ৩৯টি ম্যাচের ৩২টি জিতেছেন কলিনস। হেরেছেন ৭টিতে।

ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছাতে পেরে উচ্ছ্বসিত কলিনস।

ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড়ের বিপক্ষে তার দেশে খেলাটা আসলেই দর্শনীয় হবে। আমি খুবই খুশি। অনেক বছরের পরিশ্রম শেষে আমি এখানে পৌঁছাতে পেরেছি।’

শনিবার অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নারী এককের ফাইনাল। পরদিন হবে পুরুষ এককের শিরোপা লড়াই।

শেয়ার করুন

‘ফাঁকা’ ট্রফি শোকেস ভরে তোলার অপেক্ষায় জামাল

‘ফাঁকা’ ট্রফি শোকেস ভরে তোলার অপেক্ষায় জামাল

ঘরোয়া ফুটবলের ক্লাব সাইফ এসসির জার্সিতে জামাল ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে প্রিমিয়ার লিগের আসর। লিগ জিতে ব্যক্তিগত ও দলের জন্য শিরোপা জিততে মুখিয়ে আছেন জামাল। তিনি বলেন, ‘সামনে লিগ আছে। এখানে আমরা সবাই ফোকাস করছি।’

ডেনমার্ক থেকে বাংলাদেশে এসে এখন দেশের ফুটবলের পোস্টারবয়ে পরিণত হয়েছেন জামাল ভূঁইয়া। ক্যারিয়ার জুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন। রীতিমত আইকনে পরিণত হয়েছেন। তবে জাতীয় দল বা ক্লাব ক্যারিয়ার দুই জায়গায় আক্ষেপ রয়ে গেছে এ প্রবাসী ফুটবলারের।

বাংলাদেশে ১১ বছর ফুটবল ক্যারিয়ারে তার নামের পাশে সর্বসাকুল্যে শিরোপা ৪টি। জাতীয় দলের জার্সিতে এখনও পর্যন্ত বড় কোনো ট্রফি জেতা হয়নি তার। ক্লাব ক্যারিয়ারে ট্রফির সংখ্যা ৩ টি। তার সবশেষটি বছর ছয়েক আগে জেতা।

জামালের ক্লাব ক্যারিয়ারে সেরা সময় ছিল ২০১৪ থেকে ২০১৬ মৌসুম পর্যন্ত। দেশের ফুটবলের টানে ডেনমার্ক থেকে শেখ জামালে নাম লেখান এ ফুটবলার। ধানমন্ডির জায়ান্টদের হয়ে দুই মৌসুমে একটি প্রিমিয়ার লিগের শিরোপাসহ একটি করে ফেডারেশন কাপ ও কিংস কাপের শিরোপা জেতেন জামাল।

ক্লাব ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা তখনই পার করেন তিনি। পরের গল্পটা শুধু হতাশার। সেরা ফর্ম নিয়ে ২০১৭ সালে নাম লেখান সাইফ এসসিতে। গেল ৫ বছরে এখনও শিরোপা জিততে পারেননি দেশের ফুটবলের পোস্টার বয়। জাতীয় দলের অধিনায়কের শোকেসে জায়গা পায়নি নতুন কোনও ট্রফি।

এবার আর্জেন্টাইন কোচ দিয়েগো ক্রুসিয়ানির অধীনে আশা দেখছেন সাইফ। শিরোপা খরা মেটানোর স্বপ্ন দেখছেন সাইফের অধিনায়কও।

নিউজবাংলাকে জামাল বলেন, ‘অবশ্যই আমি নিজে চেষ্টা করছি। দলের জন্য আর নিজের জন্য আরও ভালো খেলতে চাই।’

‘ফাঁকা’ ট্রফি শোকেস ভরে তোলার অপেক্ষায় জামাল
সাইফের হয়ে মাঠে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

ক্রুসিয়ানির অধীনে এবার ফেডারেশন কাপের সেমিতে রেফারি বিতর্কে আবাহনীর কাছে বিদায় নিতে হয় তার দলকে। তা নিয়ে মন্তব্য করতে চান না জামাল।

সাইফের অধিনায়ক বলেন, ‘ফেডারেশন কাপে কী হয়েছে তা সবাই দেখেছে। এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। শিরোপার জেতার অনেক কাছে গিয়েছিলাম’।

৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে প্রিমিয়ার লিগের আসর। লিগ জিতে ব্যক্তিগত ও দলের জন্য শিরোপা জিততে মুখিয়ে আছেন জামাল।

তিনি বলেন, ‘সামনে লিগ আছে। এখানে আমরা সবাই ফোকাস করছি।’

শেয়ার করুন

অনড় তামিম, ছয় মাস ভাববেন না টি-টোয়েন্টি নিয়ে

অনড় তামিম, ছয় মাস ভাববেন না টি-টোয়েন্টি নিয়ে

মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার অনুশীলনে মাশরাফি মোর্ত্তজার সঙ্গে তামিম ইকবাল। ছবি: বিপিএল

নিজের এমন সিদ্ধান্ত মান-অভিমান বা কারও ওপর রাগ থেকে নয়, পুরোটাই ক্রিকেটীয় কারণ থেকে নিয়েছেন বলে জানান তামিম। বিশেষ করে তরুণদের জায়গা করে দিতে এমন সিদ্ধান্ত, এমনটা বলেন এ অভিজ্ঞ তারকা।  

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্ত বদলাননি জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল। বোর্ডের সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ করে টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তে স্থির এ বাঁহাতি।

আগে বেশ কয়েকবার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্ত বোর্ডকে জানালেও এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি তামিম। বৃহস্পতিবার বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার অনুশীলনের আগে সংবাদমাধ্যমকে তামিম নিজের সিদ্ধান্ত জানালেন।

চট্টগ্রামে তামিম বলেন, ‘আগামী ছয় মাস আমি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সঙ্গে থাকছি না। এই ছয় মাসে আমার ফুল ফোকাস হবে টেস্ট ও ওয়ানডে। বিশ্বকাপের আগে যদি দলের অবস্থা খারাপ হয়, আশা করি তেমনটা হবে না। তখন যদি দরকার পড়ে তাহলে হয়তো আবার চিন্তা করে দেখব।’

নিজের এমন সিদ্ধান্ত মান-অভিমান বা কারও ওপর রাগ থেকে নয়, পুরোটাই ক্রিকেটীয় কারণ থেকে নিয়েছেন বলে জানান তামিম। বিশেষ করে তরুণদের জায়গা করে দিতে এমন সিদ্ধান্ত, এমনটা বলেন এ অভিজ্ঞ তারকা।

তিনি বলেন, ‘ছয় মাস পর আশা করি আমার দরকার পড়বে না। দল অনেক ভালো খেলবে। তবে বড় ইভেন্টের আগে যদি বোর্ড ও টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করে তাহলে আমি আবার চিন্তা করে দেখব। এখানে মান-অভিমানের কিছু না পুরোটাই ক্রিকেটীয় সিদ্ধান্ত।

‘আমার যেসব জায়গায় কথা বলে মিডিয়ায় এসে কথা বলা লাগে সেটাই বলি। হুট করে কোনো কথা বলি না।’

২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর থেকে ক্রিকেটের শর্টার ভার্সনে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেখা যায়নি দেশসেরা এই ওপেনারকে। এমনকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

এরপর বোর্ডপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তের কথা জানান তামিম। তরুণদের সুযোগ করে দিতেই তার এমন সিদ্ধান্ত সে কথাও বলেন এ অভিজ্ঞ তারকা।

তামিমের সিদ্ধান্ত নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেন জাতীয় দলের টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। গত রোববারের সে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাই ফেরার সম্ভাবনা নেই তামিমের।

গত শনিবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও সংবাদমাধ্যমকে জানান তামিম টি-টোয়েন্টি না খেলার বিষয়ে অটল। তবে ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান তিনি।

২০২০ সালের মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকায় খেলা ম্যাচটিই তামিমের জন্য শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি হয়ে রইল।

অন্য ফরম্যাটের মতো টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশের হয়ে অনন্য রেকর্ডধারী তামিম। ৭৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১ হাজার ৭৫৮ রান করেছেন তিনি।

এর মধ্যে বাংলাদেশের হয়ে ৭৪ ম্যাচে ১ হাজার ৭০১ রান তার, যা টাইগার ব্যাটারদের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

সাতটি হাফ সেঞ্চুরির পাশাপাশি একটি সেঞ্চুরিও আছে তার। ২০১৬ বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেললেও ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি চালিয়ে যাবেন তামিম।

শেয়ার করুন

বাছাইপর্বে ব্রাজিলের নজর ভিনিসিয়াসের দিকে

বাছাইপর্বে ব্রাজিলের নজর ভিনিসিয়াসের দিকে

ব্রাজিল দলের অনুশীলনে ভিনিসিয়াস জুনিয়র। ছবি: এএফপি

ভিনিসিয়াসের জাতীয় দলের ফর্ম নিয়ে প্রায় সময়ই নাখোশ ছিলেন ব্রাজিলের কোচ লিওনার্দো তিতে। ২১ বছর বয়সী এই তরুণ ফরোয়ার্ড নিজেকে সেভাবে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে প্রমান করতে পারছেন না।

দক্ষিণ আমেরিকান বাছাইপর্বের বাঁধা উতরে ইতোমধ্যে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলেছে হট ফেভারিট ব্রাজিল। তবে এখনও বাছাইপর্বের খেলা শেষ হয়নি। শেষ দুই ম্যাচে ব্রাজিল তাদের বিকল্প খেলোয়াড়দের দিকে বাড়তি নজর দিতে চাচ্ছে।

চোটের কারণে শুক্রবার রাত ৩টায় ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচে থাকছেন না ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার জুনিয়র। তার জায়গায় আক্রমণভাগের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে।

রিয়াল মাদ্রিদের এ তারকা স্ট্রাইকার জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ৯টি ম্যাচে কোন গোল করতে পারেননি। ভিনিসিয়াসের জাতীয় দলের ফর্ম নিয়ে প্রায় সময়ই নাখোশ ছিলেন ব্রাজিলের কোচ লিওনার্দো তিতে। ২১ বছর বয়সী এই তরুণ ফরোয়ার্ড নিজেকে সেভাবে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে প্রমান করতে পারছেন না।

এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে ভিনিসিয়াসকে সব ধরনের সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত আছেন তিতে। ভিনিসিয়াসকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আরও সময় দিতে চান তিনি।

একই মনোভাব ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ও ভিনিসিয়াসের রিয়াল মাদ্রিদ সতির্থ কাসেমিরোর। তার মতে দলে তরুণদের নিয়ে তাড়াহুড়ো করা ঠিক হবে না।

বুধবার অনুশীলন শেষে কাসেমিরো বলেন, ‘ভিনিসিয়াস ভিন্ন ধরনের খেলোয়াড়। আমি প্রতিদিন তাকে দেখি আর মুগ্ধ হই। আমি তাকে ক্লাবে বড় হতে দেখেছি। জাতীয় দলে খেলার ধরন সম্পূর্ণ ভিন্ন । এখানকার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয়াটা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তবে যত তাড়াতাড়ি মানিয়ে নিতে পারবে ততই তার জন্য মঙ্গল। ভুলে গেলে চলবে না ভিনিসিয়াসের বয়স মাত্র ২১।’

কাতার বিশ্বকাপের জন্য দক্ষিন আমেরিকান বাছাইপর্ব থেকে শীর্ষ চার দল সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জণ করবে। পঞ্চম স্থানে থাকা দলকে এশিয়ান প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্লে-অফে অংশ নিতে হবে।

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা ছাড়া বাকি দুই দল এখনও নিশ্চিত হয়নি। ১০ দলের প্রতিযোগিতা থেকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে সর্বশেষ অবস্থানে থাকা ভেনেজুয়েলা ইতোমধ্যে বাছাইপর্ব থেকে ছিটকে গেছে।

৩৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে থেকে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে ব্রাজিল। ২৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা। বাছাইপর্বে টিকে থাকা প্রতিটি দলের এখনো চারটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে।

শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ার হল অফ ফেইমে জাস্টিন ল্যাঙ্গার

অস্ট্রেলিয়ার হল অফ ফেইমে জাস্টিন ল্যাঙ্গার

অস্ট্রেলিয়ান অনুশীলনে হেড কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার। ছবি: এএফপি

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে দেড় দশকের ক্যারিয়ারে ১০৫টি টেস্ট ও ৮টি ওয়ানডে খেলেছেন ল্যাঙ্গার। টেস্টে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৩টি সেঞ্চুরি সহ ৭,৬৯৬ রান। নব্বই দশক ও এর পরের প্রায় ১০ বছর ল্যাঙ্গার ও হেইডেনের ওপেনিং জুটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বসেরা।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) হল অফ ফেইমে এ বছর জায়গা করে নিয়েছেন জাস্টিন ল্যাঙ্গার। সাবেক এ অজি ওপেনার ও বর্তমান জাতীয় দলের হেড কোচের সঙ্গে বিশেষ এ সম্মাননা পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়া নারী দলের সাবেক অধিনায়ক ও পেইসার রাইলি টমসন।

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে দেড় দশকের ক্যারিয়ারে ১০৫টি টেস্ট ও ৮টি ওয়ানডে খেলেছেন ল্যাঙ্গার। টেস্টে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৩টি সেঞ্চুরি সহ ৭,৬৯৬ রান। নব্বই দশক ও এর পরের প্রায় ১০ বছর ল্যাঙ্গার ও হেইডেনের ওপেনিং জুটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বসেরা।

ল্যাঙ্গারকে হল অফ ফেইমে অন্তর্ভুক্ত করার পর হল অফ ফেইমের প্রধান পিটার কিং জানান অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে ল্যাঙ্গারের দীর্ঘস্থায়ী অবদানের জন্য তাকে এ সম্মানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

কিং আরও বলেন, ‘ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল দলের খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। আর কোচ হিসেবে দলের বিপদের সময় হাল ধরেছেন ও অস্ট্রেলিয়া দলকে সফলতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক তাদের দল নিয়ে গর্বিত।’

আর অস্ট্রেলিয়া নারী দলের হয়ে ১৬টি টেস্ট ও ২৩টি ওয়ানডে খেলেছেন। তার নেতৃত্বেই ৩০ বছর পর ১৯৮৫ সালে নারীদের অ্যাশেজ জেতে অস্ট্রেলিয়া।

শেয়ার করুন