বিপিএলে দেশি কোন ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক কত

player
বিপিএলে দেশি কোন ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক কত

বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠান। ফাইল ছবি

ড্রাফটে জায়গা করে নেয়া ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিসিবি। ছয়টি ক্যাটাগরিতে ২১০ ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন।

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর। এই আসরকে সামনে রেখে ২৭ ডিসেম্বর হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট। সেখান থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো গঠন করবে তাদের দল।

এরই মধ্যে ড্রাফটে জায়গা করে নেয়া ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেখানে ছয়টি ক্যাটাগরিতে ২১০ ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন।

এক নজরে দেখে আসা যাক বিপিএলের এ আসরে কে কোন ক্যাটাগরিতে এবং কার পারিশ্রমিক কেমন।

ক্যাটাগরি-এ

এই ক্যাটাগরিতে ছয়জন ক্রিকেটার রয়েছেন, যাদের পারিশ্রমিক ৭০ লাখ টাকা। তারা হলেন সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল খান, মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

ক্যাটাগরি-বি

ক্যাটাগরিটিতে রয়েছেন ১৫ ক্রিকেটার, যাদের পারিশ্রমিক ৩৫ লাখ টাকা। তারা হলেন নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, তাসকিন আহমেদ, নাইম শেখ, মেহেদী হাসান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাসুম আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ মিঠুন।

ক্যাটাগরি -সি

৩৩ জন ক্রিকেটার আছেন এ ক্যাটাগরিতে, যাদের পারিশ্রমিক ২৫ লাখ টাকা। তারা হলেন রুবেল হোসেন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আরাফাত সানি, তানজিদ হাসান তামিম, তৌহিদ হৃদয়, জিয়াউর রহমান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহি, এনামুল হক বিজয়, সাইফ হাসান, শুভাগত হোম, ফরহাদ রেজা, নাহিদুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, শামীম হোসেন, রনি তালুকদার, আরিফুল হক, নাজমুল ইসলাম অপু, সানজামুল ইসলাম, নাইম হাসান, আল আমিন হোসেন, শহিদুল ইসলাম, শামসুর রহমান, জাকির হাসান, জাকের আলি অনিক, তানভীর ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, পারভেজ হোসেন ইমন ও হাসান মুরাদ।

ক্যাটাগরি-ডি

৪৫ জন ক্রিকেটার আছেন এ ক্যাটাগরিতে, যাদের পারিশ্রমিক ১৮ লাখ টাকা। তারা হলেন অলক কাপালি, আবু হায়দার রনি, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, নাসির হোসেন, শফিউল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, আল আমিন জুনিয়র, মেহেদী হাসান রানা, সৈকত আলি, রেজাউর রহমান, এবাদত হোসেন, সাব্বির রহমান, সঞ্জিত সাহা, সোহাগ গাজী, জুনায়েদ সিদ্দিকী, আকবর আলি, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, মোহাম্মদ আশরাফুল, মার্শাল আইয়ুব, মাহমুদুল হাসান লিমন, আব্দুল মজিদ, নাদিফ চৌধুরী, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শরিফউল্লাহ, মনির হোসেন খান, মোহাম্মদ ইলিয়াস, এনামুল হক জুনিয়র, মুক্তার আলি, আলাউদ্দিন বাবু, সোহরাওয়ার্দী শুভ, মেহেদী মারুফ, নাইম ইসলাম, রাকিবুল হাসান, সাকলাইন সজীব, মোহর শেখ অন্তর, সুমন খান, রাহাতুল ফেরদৌস জাবেদ, রবিউল হক, সালমান হোসেন, মাইশুকুর রহমান রিয়াল, আনিসুল ইসলাম ইমন, সাদমান ইসলাম, অমিত হাসান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও নাবিল সামাদ।

ক্যাটাগরি-ই

এ ক্যাটাগরিতে ৩৫ জন ক্রিকেটার রয়েছেন, যাদের পারিশ্রমিক ১২ লাখ টাকা। তারা হলেন নাজমুল হোসেন মিলন, শুভাশিস রায়, ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, আসিফ আহমেদ রাতুল, তাসামুল হক, ফরহাদ হোসেন, অভিষেক মিত্র, অমিত মজুমদার, আসাদুল্লাহ আল গালিব, জাবিদ হোসেন, পিনাক ঘোষ, তানবীর হায়দার খান, আসিফ হাসান, দেলওয়ার হোসেন, ইমরানুজ্জামান, সাকলাইন সজীব, ধীমান ঘোষ, কাজী অনিক, ইফতেখার সাজ্জাদ রনি, মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান, তাইবুর রহমান, মুনিম শাহরিয়ার, প্রীতম কুমার, শাহাদত হোসেন দিপু, সালাউদ্দিন শাকিল, রুয়েল মিয়া, শফিকুল ইসলাম, নোমান চৌধুরী, শাহবাজ চৌহান, শাহীন আলম, সুজন হাওলাদার, শাহনুর রহমান, ফারদিন হোসেন অনি, রবিউল ইসলাম রবি ও রুবেল মিয়া।

ক্যাটাগরি-এফ

৭৬ জন ক্রিকেটার রয়েছেন এ ক্যাটাগরিতে। তাদের পারিশ্রমিক ৫ লাখ টাকা। তারা হলেন জয়রাজ শেখ, শফিউল হায়াত হৃদয়, মেহরাব হোসেন যোশি, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, তৌফিক খান তুষার, রায়ান রাফসান রহমান, আলি আহমেদ মানিক, নাহিদ রানা, জয়নুল ইসলাম, মামুন হোসেন, মইনুল ইসলাম, মাহমুদুল হক সেন্টু, নোবিন ইসলাম, গোলাম কবির সোহেল, কাজী কামরুল ইসলাম, শাকিল হোসেন, নাহিদ হাসান, শাখাওয়াত হোসেন, টিপু সুলতান, নুরুজ্জামান, আবিদুল হক, মোহাম্মদ রাকিব, রনি হোসেন, মাহবুবুল আলম অনিক, আলামিন রাজু, মাইনুল সোহেল, শামসুল ইসলাম অনিল, আব্দুর রহমান, আব্দুর রশিদ, শাহাদাত হোসেন রাজীব, শাহনাজ আহমেদ, নুর হোসেন সাদ্দাম, আব্দুল হালিম, আহমেদ সাদিকুর রহমান, রাসেল আল মামুন, হাবিবুর রহমান জনি, মইনুল ইসলাম সোহেল, আবু সায়েম, জসীম উদ্দিন, মোহাম্মদ আসিফ, ইমরান আলি, হোসেন আলি, জুবায়ের হোসেন লিখন, নাইম ইসলাম জুনিয়র, বিশ্বনাথ হালদার, সাজ্জাদুল হক রিপন, শেহনাজ আহমেদ, এনামুল হক জুনিয়র, রাফসান আল মাহমুদ, মাসুম খান টুটুল, মোহাম্মদ স্বাধীন, জাহিদ জাভেদ, শামসুল ইসলাম, মোহাম্মদ আজিম, আসাদুজ্জামান পায়েল, সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির, জনি তালুকদার, মোহাম্মদ শাকিল আহমেদ, তৌহিদ তারেক খান, রাকিন আহমেদ, সাব্বির হোসেন, মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি, মানিক খান, ইফরান হোসেন, আজমীর আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, নিহাদ উজ জামান, ইসমাইল আহসান আবির, আলিস আল ইসলাম, সায়েম আলম, জাহিদউদ্দিন খান, মইন খান, শাহানুর রহমান, মোহাইমিনুল খান চৌধুরী, জসীম উদ্দিন একেএস স্বাধীন।

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শঙ্কা কাটিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে বিসিবির ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট বিপিএল

শঙ্কা কাটিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে বিসিবির ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট বিপিএল

বিপিএলের শিরোপা উন্মোচন করছেন ছয় দলের অধিনায়ক। ছবি: বিসিবি

শুক্রবার বেলা দেড়টায় শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফরচুন বরিশাল ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টের অষ্টম আসরের। দিনের অপর ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে মিনিস্টার ঢাকা।

রাত পোহালেই বেজে উঠবে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের দামামা।

শুক্রবার বেলা দেড়টায় শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফরচুন বরিশাল ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টের অষ্টম আসরের। দিনের অপর ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে মিনিস্টার ঢাকা।

দুই বছর পর মাঠে গড়াতে যাচ্ছে টুর্নামেন্টটি। গত বছর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে টুর্নামেন্টের আসর না বসলেও এবারে ওমিক্রনের প্রকোপের মধ্যে মাঠে গড়াচ্ছে টুর্নামেন্ট।

আসরটির শুরু থেকে ছিল শঙ্কা। ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের করোনা পরীক্ষায় অন্তত ২০ ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফের দেহে করোনারে উপস্থিতি মেলার পর শঙ্কা দেখা দিয়েছিল আয়োজন নিয়ে। সব বাধা কাটিয়ে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই আসর।

অন্য সব টুর্নামেন্টের মতো বিপিএলও হবে বায়ো বাবলের ভেতর। সেই সঙ্গে দর্শক ছাড়াই টুর্নামেন্টটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।

প্রতিদিন অনুষ্ঠিত হবে দুটি করে খেলা। আর প্রথম দিনের খেলাতে নিজেদের সফলতার আশা করছেন চার অধিনায়ক। দিনের প্রথম ম্যাচে লড়বে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও ফরচুন বরিশাল।

একদম তারুণ্য নির্ভর দল বানিয়েছে চট্টগ্রাম। অপরদিকে তাদের প্রতপক্ষ বরিশালের রয়েছে সাকিব আল হাসান, নুরুল হাসান সোহান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তৌহিদ হৃদয়, জিয়াউর রহমানের মতো তরুণ ও অভিজ্ঞরা।

আর যার কারণে কাগজ-কলমে এগিয়ে থাকবে বরিশালই। এবারের বিপিএলে সবচেয়ে দামী দল গড়েছে ফরচুন বরিশাল।

তরুণ দল হলেও বরিশালকে হারিয়ে বিপিএল মিশন শুরু করতে চায় চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ বলেন, ‘আমাদের একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল আছে। আশা করি কাঙ্খিত ফল পাব। অধিনায়ক হিসাবে আমি উদাহরণ তৈরি করতে চাই।’

অপরদিকে একক পারফরম্যান্সের দিকে না তাকিয়ে দল হিসেবে খেলতে চান ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

সাকিব বলেন, ‘কোন চাপ নেই। যদিও আমরা জানি যে, ছয়টি দলের সকলেই শক্তির দিক থেকে সমান। আমরা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে একটি ইউনিট হিসাবে খেলতে চাই।’

দিনের দ্বিতীয় খেলায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মিনিস্টার ঢাকা লড়বে মুশফিকুর রহিমের খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে।

নিজেদের কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করছে ঢাকা। পঞ্চ পাণ্ডবের তিনজনের সমন্বয়ে সাজানো এই দলে আরও রয়েছেন রুবেল হোসেন ও শফিউল ইসলামের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার।

পাশাপাশি রয়েছেন নাঈম শেখ, এবাদত হোসেন, রিশাদ হোসেনের মতো তরুণ ক্রিকেটার। আছেন শুভাগত হোম, আরাফাত সানির মতো অভিজ্ঞরাও। অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশেলে বানানো এই দলের নেতৃত্বের গুরুভার পড়েছে মাহমুদুল্লাহর ওপর।

শুরু থেকেই জয়ের ছন্দ শুরু করতে চান ঢাকা দলপতি। রিয়াদ বলেন, ‘টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ছন্দে থাকাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই উদ্বোধনী ম্যাচে ভালো শুরু করতে চাই।’

অপরদিকে বিপিএলের শেষ আসরে বিপিএলের অধরা শিরোপাটা নিজেদের ঘরে তুলতে চায় খুলনা। আর যে কারণে সেটির জন্য জয় দিয়েই টুর্নামেন্ট শুরু করতে চান খুলনা দলপতি মুশফিকুর রহিম।


তিনি বলেন, ‘গত বছর আমরা শিরোপা জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েছিলাম। কিন্তু পারিনি। এ বছর আমরা অধরা ট্রফিটি পাবার চেষ্টা করব। আশা করি আমরা পারব ও টুর্নামেন্টটিকে স্মরণীয় করে রাখতে পারব।’

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন

অধিনায়কের দায়িত্ব অনুপ্রেরণা দেয় রিয়াদকে

অধিনায়কের দায়িত্ব অনুপ্রেরণা দেয় রিয়াদকে

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ফাইল ছবি

দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও উন্নতি এসেছে রিয়াদের। কাঁধে অধিনায়কের দায়িত্ব থাকার কারণে ভালো খেলতে পারছেন বলে মনে করেন তিনি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরে তারকাবহুল দল সাজিয়েছে মিনিস্টার ঢাকা। দেশসেরা পাঁচ তারকার তিন জন মাশরাফি মোর্ত্তজা, তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহর সমন্বয়ে সাজানো এই দলে আরও রয়েছেন রুবেল হোসেন ও শফিউল ইসলামের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার।

পাশাপাশি রয়েছেন নাঈম শেখ, এবাদত হোসেন, রিশাদ হোসেনের মতো তরুণ ক্রিকেটার। আছেন শুভাগত হোম, আরাফাত সানির মতো অভিজ্ঞরাও।

কাগজ-কলমে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে হিসাবে বেশ শক্তিশালী ঢাকা। অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশেলে বানানো এই দলের নেতৃত্বের গুরুভার পড়েছে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ওপর।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক হিসেবে রিয়াদের পারফরম্যান্সটা চোখে পড়ার মতো। ৩৮টি ট-টোয়েন্টিতে রিয়াদের অধীনে বাংলাদেশ জয়ের মুখ দেখেছে ১৫টি ম্যাচে। বাকি ২৩টি ম্যাচে হারতে হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

জয়ের হার প্রায় ৪০ শতাংশ। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জাতীয় দলের প্রথম অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফিসের পর এটিই সবচেয়ে বেশি।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন রিয়াদ। সে সঙ্গে সফল নেতা। আর সে কারণে তার ওপর অধিনায়কত্বের ভার দিয়েছে ঢাকা।

দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও উন্নতি এসেছে রিয়াদের। কাঁধে অধিনায়কের দায়িত্ব থাকার কারণে ভালো খেলতে পারছেন বলে মনে করেন তিনি।

বুধবার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের এমনটাই জানান তিনি।

রিয়াদ বলেন, ‘অধিনায়কের দায়িত্ব আমাকে ভালো খেলতে অনুপ্রাণিত করে। আমাদের দলটা তারকাবহুল। অনেক দায়িত্বও থাকবে। যখন খ্যাতি বেশি থাকে তখন তা প্রমাণেরও বিষয় থাকে। এ বিষয়গুলো আমাদের সবার মাথায় আছে। দলের ভালো করার সামর্থ্য আছে।’

ঢাকার লো ও স্লো উইকেটে শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট। এরপর খেলা যাবে সিলেট ও চট্টগ্রামে। সেখানের উইকেটের আচরণ থাকবে একেবারে ভিন্ন। এখনই সেটা নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নন মাহমুদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘উইকেটের ব্যাপারে আলাদা কিছু নেই। ম্যাচ খেলার সময় মাথায় রাখতে হবে উইকেট ভালো হবে। আগে থেকেই যদি চিন্তা করেন উইকেট স্লো থাকবে, আগে থেকেই তাহলে আপনি নেতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে ঢুকছেন। এটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটা আমি চাই না, এটা চিন্তাও করি না।’

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন

ব্যাংক উদ্যোক্তার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না সাকিবের

ব্যাংক উদ্যোক্তার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না সাকিবের

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ফাইল ছবি

প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে চাইলে তাদের আবার নতুন করে অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে হবে। এই ব্যাংকটির উদ্যোক্তা পরিচালক হতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং তার মা শিরিন আক্তার।

ব্যাংক উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন আপাতত অধরাই থাকছে বিশ্বসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের।

প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা পরিচালক হতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বৃহস্পতিবার অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা পিপলস ব্যাংকের অনুকূলে আগে ইস্যু করা লেটার অব ইনটেন্টের (এলওআই) শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের আবেদন বা‌তিল করে দেয়া হয়েছে।

ব্যাংকটি বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে চাইলে তাদের আবার নতুন করে অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফজলে কবির সভায় সভাপতিত্ব করেন।

প্রস্তাবিত ব্যাংকটির উদ্যোক্তা পরিচালক হতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তার মা শিরিন আক্তার।

সভার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রস্তাবিত ব্যাংক‌টির এলওআইয়ের মেয়াদ ২০২১ সা‌লের ডি‌সেম্বর পর্যন্ত ছিল। নির্ধারিত সম‌য়ে যে‌হেতু তারা শর্ত পূরণ কর‌তে পা‌রেননি তাই তা‌দের সময় বাড়া‌নোর আবেদন বা‌তিল করা হয়েছে।’

তাহলে কি এই ব্যাংকটি আর কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এই নামেই যে ব্যাংক হবে না, বিষয়টি তেমন নয়। তবে তাদের আবেদনের সময় আর বাড়ানো হয়নি। সাকিব আল হাসানসহ যে ২২/২৩ জন যুক্ত হয়েছেন তাদের আবার নতুন করে আবেদন করতে হবে।’

আগের ১২ জন উদ্যোক্তা প‌রিচাল‌কের ম‌ধ্যে এখন শুধু প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান আবুল কা‌শেম ও তার স্ত্রী আছেন। নতুন ক‌রে আ‌রও ২১ জন প‌রিচাল‌কসহ মোট ২৩ জ‌ন আবেদন ক‌রে‌ছেন। এর ম‌ধ্যে সাকিব আল হাসানও আ‌ছেন।

তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকিং ব্যবসার লাইসেন্স নিতে চেষ্টা করছে। তবে এলওআইর শর্ত পূরণ না হওয়ায় এ লাইসেন্স পাচ্ছিল না প্রতিষ্ঠানটি। ফলে কয়েক দফা এলওআইর মেয়াদ বাড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সবশেষ এলওআইর মেয়াদ শেষ হয় গত ৩১ ডিসেম্বর।

তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের চুড়ান্ত লাইসেন্সও পাচ্ছে না ব্যাংকটি।

দেশের সব ব্যাংকের প্রতি পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে নির্দেশনা রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। সে হিসেবে বর্তমানে দেশে নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে হলে সমপরিমাণ অর্থই মূলধন হিসেবে জমা রাখতে হবে। উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হতে হলে প্রয়োজন হয় সর্বনিম্ন ২ শতাংশ শেয়ার ধারণের। সে হিসেবে পিপলস ব্যাংকের প্রতিটি পরিচালক পদের জন্য সর্বনিম্ন ১০ কোটি টাকা মূলধন জোগান দেয়ার কথা ছিল সাকিব আল হাসানের। তবে ব্যাংকটির মালিকানায় আসতে তিনি ২৫ কোটি টাকারও বেশি মূলধন জোগান দিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে তথ্য প্রকাশিত হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পরিচালনা পর্ষদের সভায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল, সিটিজেনস ও পিপলস নামে নতুন তিনটি ব্যাংকের নীতিগত অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে নতুন ব্যাংকের জন্য জুড়ে দেয়া হয় ৫০০ কোটি টাকা মূলধনের শর্ত, যা আগে ছিল ৪০০ কোটি।

এর মধ্যে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক গত বছরের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। আর চূড়ান্ত লাইসেন্স পাওয়ার পর কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সিটিজেনস ব্যাংক।

পিপলস ব্যাংক উদ্যোক্তাদের কয়েকজনের অর্থের উৎসে অনিয়ম খুঁজে পেয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকটিকে দেয়া এলওআই স্থগিত করা হয়। এরপর বিতর্কিত উদ্যোক্তাদের বাদ দিলে পিপলস ব্যাংকের এলওআইয়ের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূলধনের অর্থ জমা দিতে পারেনি ব্যাংকটি।

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন

বিপিএলের আয় ভাগাভাগি করবে না বিসিবি

বিপিএলের আয় ভাগাভাগি করবে না বিসিবি

বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি ফরচুন বরিশালের হয়ে কথা বলছেন সাকিব আল হাসান। ফাইল ছবি

গত ১০ বছরে ৭ আসরে বিপিএল থেকে বোর্ডের লাভ হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। সবশেষ এজিএমে বোর্ডের নিরীক্ষা বিভাগের দেয়া তথ্য মতে গত সাত আসরে বিপিএল থেকে বোর্ডের আয় ৩৫১ কোটি টাকা।

বিশ্বের অধিকাংশ বোর্ড যেখানে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের লভ্যাংশ দেয় টুর্নামেন্টের ফ্র্যাঞ্চাইজিদের, সেখানে ভিন্নচিত্র বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বেলায়।

১০ বছর ধরে তাদের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হয়ে আসা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) লভ্যাংশ তারা ভাগাভাগি করতে নারাজ ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে। লভ্যাংশের পুরোটাই চলে যায় বোর্ডের তহবিলে।

যার কারণে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের ভাগ্যে জোটে না টুর্নামেন্টের লাভের অংশ। কাগজ কলমের হিসাবে আর্থিক ক্ষতি জেনেই বিপিএলে দল নেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

বিপিএলের শুরু থেকে লভ্যাংশ ভাগের বিষয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজিদের চাওয়া ছিল। বোর্ডের কাছে এ বিষয়ে সরাসরি জোরালো আবেদন তারা কখনও করতে পারেনি। কারণ বেশির ভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে নিয়মিত ছিল না।

যারা নিয়মিত ছিল তারাও রেভেনিউ শেয়ারিংয়ের বিষয়ে বোর্ডের কাছে খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সবারই উত্তর ছিল, লাভের জন্য নয়, ক্রিকেটের উন্নয়নে বিপিএলে অংশ নিচ্ছেন তারা।

বর্তমান এ মডেলেই চলছে বিপিএল। ভবিষ্যতেও আয় ভাগাভাগির পথে হাঁটতে নারাজ বিসিবি। বুধবার সংবাদমাধ্যমকে এমনটা জানিয়েছেন বিসিবির পরিচালক ইসমাঈল হায়দার মল্লিক।

মল্লিক বলেন, ‘আসলে বিসিবি এখনও আয় ভাগাভাগি করার অবস্থায় নেই। কারণ বিসিবির আয় কম। বোর্ডের সিদ্ধান্ত হলো কোনো ধরনের রেভেনিউ শেয়ারিংয়ে যাবে না। ভবিষ্যতেও না।’

কম লাভের পরও গত ১০ বছরে ৭ আসরে বিপিএল থেকে বোর্ডের লাভ হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। সবশেষ এজিএমে বোর্ডের নিরীক্ষা বিভাগের দেয়া তথ্য মতে গত সাত আসরে বিপিএল থেকে বোর্ডের আয় ৩৫১ কোটি টাকা।

অপর দিকে টুর্নামেন্টটির মোট ব্যয় ১৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি। কাগজ-কলমের হিসাবে লাভ ছাড়িয়েছে ২০০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন

৬ দলের মধ্যে বেশি পার্থক্য নেই: সাকিব

৬ দলের মধ্যে বেশি পার্থক্য নেই: সাকিব

বরিশালের হয়ে অনুশীলনে সাকিব আল হাসান। ছবি: বিপিএল

কাগজ-কলমের হিসাব যেটাই হোক না কেন, ছয় দলের ভেতর তেমন একটা পার্থক্য দেখছেন না ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বুধবার শেরে বাংলায় ফরচুন বরিশালের অনুশীলন শেষে এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি।

রাত পোহালেই পর্দা উঠছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তাদের সর্বশক্তি নিয়ে শুক্রবার থেকে নামতে যাচ্ছে মাঠে।

এখন পর্যন্ত কাগজ-কলমের হিসাবে শক্তিশালী দল গঠন করেছে মিনিস্টার ঢাকা। দেশসেরা পাঁচ তারকার তিনজনই রয়েছেন এই দলে। মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

মুশফিকুর রহিম রয়েছেন খুলনা টাইগার্সে আর সাকিব আল হাসান ফরচুন বরিশালে। মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে খুলনায় রয়েছেন সৌম্য সরকার। আর কুমিল্লায় মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে থাকছেন লিটন দাস।

অপরদিকে বড় কোনো নাম নেই সিলেট ও চট্টগ্রামের দলে। তারুণ্যনির্ভর দল গড়েছে তারা।

কাগজ-কলমের হিসাব যেটাই হোক না কেন, ছয় দলের ভেতর তেমন একটা পার্থক্য দেখছেন না ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বুধবার শেরে বাংলায় ফরচুন বরিশালের অনুশীলন শেষে এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি।

একই সঙ্গে জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে চান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

সাকিব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আশা করছি ভালো ম্যাচ দিয়ে বিপিএল শুরু হবে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আসলে এগুলো বলা মুশকিল। বাকি ৬ দলের সঙ্গে আমাদের দলকেও একই রকম মনে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা-দুইটা ম্যাচ গেলে অনেক বেশি বিশ্লেষণ করা সম্ভব। এখন মনে হচ্ছে খুবই ভারসাম্যপূর্ণ একটা দল। সবই নির্ভর করবে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর।’

সাকিব বিশ্বের যে দলেই খেলেন শিরোপা জেতার বাড়তি চাপ থাকে। বিশ্বসেরা তারকাকে পাওয়ায় বরিশালের কাছ থেকে শিরোপার লড়াই প্রত্যাশা করছেন সবাই।

এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘৬টা দলই চ্যাম্পিয়ন হতে খেলবে। আমরাও ব্যতিক্রম না। যদি হতে পারি ভালো। কিন্তু না হতে পারলে কিছু করার থাকবে না। যেটা করতে পারি মাঠে আমাদের শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করতে পারি। একটা দল হিসেবে খেলতে পারি। সাফল্যের জন্য যা যা করা দরকার করতে পারি।’

বিপিএলের উদ্বোধনী দিনেই চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে সাকিবের বরিশাল। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বেলা দেড়টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন

জাতীয় দলে কামব্যাক নয়, মুশফিকের ভাবনায় বিপিএল

জাতীয় দলে কামব্যাক নয়, মুশফিকের ভাবনায় বিপিএল

খুলনা টাইগার্সের হয়ে নেট অনুশীলনে মুশফিকুর রহিম। ছবি: বিপিএল

বিপিএল আসরকে জাতীয় দলে কামব্যাকের মঞ্চ হিসেবে মানতে নারাজ মুশফিকুর রহিম। ব্যক্তিগত লক্ষ্যের চেয়ে দলীয় লক্ষ্য তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় দলের জার্সিতে শর্টার ফরম্যাটে মুশফিকের সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। পারফরম্যান্স দেখাতে না পারার কারণে পাকিস্তান সিরিজ থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল তাকে।

টিম ম্যানেজমেন্টের যুক্তি ছিল যে টানা ম্যাচ খেলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলে রাখা হয়নি মুশফিককে।

যে কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের অষ্টম আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে জাতীয় দলে ফেরার লক্ষ্য মুশফিকের থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিপিএল আসরকে জাতীয় দলে কামব্যাকের মঞ্চ হিসেবে মানতে নারাজ মুশফিকুর রহিম।

বিপিএল ইতিহাসে ৮৫ ম্যাচে ৩৭.২৭ গড়ে ২ হাজার ২৭৪ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মুশফিক। এবারের আসরেও সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক।

বুধবার খুলনা টাইগার্সের অনুশীলনের পর সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানান মুশফিক।

মুশফিক বলেন, ‘আমি কামব্যাক বা জাতীয় দল নিয়ে চিন্তা করছি না। আমি চিন্তা করছি টি-টোয়েন্টি বিপিএল ফরম্যাট নিয়ে। বিপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আমি। আমার কাছে এটা অন্যরকম চ্যালেঞ্জ, যেন ওই জায়গাটা ধরে রাখতে পারি।’

‘ভবিষ্যতে কী হবে না হবে, তা নিয়ে একদমই ভাবি না। চেষ্টা করি দলের জন্য। এটাই আমার জন্য যথেষ্ট। যেহেতু দল আমাকে সরাসরি সই করিয়েছে, তার প্রতিফলন যেন মাঠে দিতে পারি এতটুকুই চিন্তা করছি।’

বিপিএল টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেও সেঞ্চুরির দেখা পাননি মুশফিক। সেটা নিয়ে আক্ষেপ নেই এ অভিজ্ঞ ব্যাটারের। দলের জয়ে অবদান রাখতে চান যতটা সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত লক্ষ্যের চেয়ে দলগত লক্ষ্য আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গত বছর রানার-আপ হয়েছি। দুবার এক শর কাছে গিয়েও শতক পাইনি। তবে ওই দুই ম্যাচই জিতেছি। এটাই বেশি জরুরি। এবারও চেষ্টা করব সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার। একই সঙ্গে ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলতে চাই, যাতে দল ভালো ফল পায়।’

বিপিএলের উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মিনিস্টার ঢাকার বিপক্ষে লড়বে মুশফিকের খুলনা। শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গড়াবে ম্যাচটি।

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন

আইসিসির বর্ষসেরা দলে সাকিব, মুশফিক ও মুস্তাফিজ

আইসিসির বর্ষসেরা দলে সাকিব, মুশফিক ও মুস্তাফিজ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান। ছবি: এএফপি

সর্বোচ্চ তিনজন জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে। দুইজন করে আছেন পাকিস্তান, সাউথ আফ্রিকা, আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা থেকে।

আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মুস্তাফিজুর রহমান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশিত দলে সর্বোচ্চ তিনজন জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে। দুইজন করে আছেন পাকিস্তান, সাউথ আফ্রিকা, আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা থেকে।

দলের ওপেনিংয়ে আছেন আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং ও সাউথ আফ্রিকার ইয়ানেমান মালান। তিন ও চারে খেলবেন পাকিস্তানের দুই ওয়ানডে স্পেশালিস্ট ফখর জামান ও বাবর আজম।

বাবরকে এ বিশ্ব একাদশের অধিনায়কও নির্বাচিত করেছে আইসিসি। অধিনায়কের পর ব্যাট হাতে নামবেন সাউথ আফ্রিকার হার্ড হিটার রাসি ফন ডার ডুসেন।

এরপরই আছেন বিশ্বসেরা সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। উইকেটকিপারের দায়িত্ব থাকবেন মুশফিক।

শ্রীলঙ্কার স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা আছেন দলের স্পিন আক্রমণে। তার সঙ্গে থাকছেন আয়ারল্যান্ডের অফব্রেক বোলার সিমি সিং।

পেইসার বোলিং জুটিতে রয়েছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান ও শ্রীলঙ্কার দুষ্মন্ত চামিরা।

একাদশে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে থেকে কেউ সুযোগ পাননি।

বুধবার সেরা টি-টোয়েন্টির সেরা একাদশ প্রকাশ করে আইসিসি। সেখানে সুযোগ পান মুস্তাফিজুর রহমান।

আরও পড়ুন:
২১ জানুয়ারি মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল
ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি
বিপিএলের আইকন খেলোয়াড় মাশরাফি
বিপিএলের ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত
বিপিএলে দেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বাড়ছে

শেয়ার করুন