করোনায় আক্রান্ত আয়ারল্যান্ডের চার ক্রিকেটার

player
করোনায় আক্রান্ত আয়ারল্যান্ডের চার ক্রিকেটার

ফাইল ছবি

ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে কোভিড-১৯ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় দলের সঙ্গে মিয়ামিতে যেতে পারেননি ব্যারি ম্যাককার্থি ও জর্জ ডকরেল। আইসোলেশনের নির্ধারিত সময় কাটিয়ে ও পিসিআর টেস্টে নেগেটিভ হয়ে শিগগিরই সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দেবেন তারা।

দরজায় কড়া নাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র সফর। আর তার ঠিক আগ মুহূর্তেই বড় রকমের হোঁচট খেল আয়ারল্যান্ড। কোভিডে আক্রান্ত হলেন চার আইরিশ ক্রিকেটার।

এক বিবৃতিতে শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে কোভিড-১৯ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় দলের সঙ্গে মিয়ামিতে যেতে পারেননি ব্যারি ম্যাককার্থি ও জর্জ ডকরেল। আইসোলেশনের নির্ধারিত সময় কাটিয়ে ও পিসিআর টেস্টে নেগেটিভ হয়ে শিগগিরই সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দেবেন তারা।’

এর আগে ইউএস টি-টোয়েন্টি ওপেন টুর্নামেন্ট খেলার যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন কোভিডে আক্রান্ত হন হ্যারি টেক্টর ও গ্যারেথ ডেলানি। জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেয়ার আগে করোনা টেস্টে পজিটিভ আসে এই দুইজনের। যার ফলে তাদের থাকতে হচ্ছে ১০ দিনের রুম-আইসোলেশনে।

দল দেশ ছাড়ার আগে করানো পরীক্ষায় সহকারী কোচ গ্যারি উইলসনের পজিটিভ এলেও পরবর্তিতে সেটি ভুল বলে জানিয়েছে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড। পজিটিভ রিপোর্ট আসায় দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেননি তিনি।

দ্বিতীয়বার তার পরীক্ষা করানো হবে। আশা করা যাচ্ছে নেগেটিভ হলে রবিবার দলের সঙ্গে যোগ দিতে উড়াল দেবেন তিনি।

এদিকে কোভিড পজিটিভ এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসায় দলের সঙ্গে দেশ ছাড়তে পারেননি ক্রেইগ ইয়াংও। আগামী ১০ দিন কোয়েরেন্টিনে থেকে পিসিআর টেস্টে নেগেটিভ ফলাফল এলেই দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র সফরে দুটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে আয়ারল্যান্ড। সিরিজটি শুরু হবে ২২ ডিসেম্বর আর শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর।

এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে আয়ারল্যান্ড। সেখানে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি শুরু হবে ৮ জানুয়ারি। একমাত্র টি-টোয়েন্টিটি হবে ১৭ জানুয়ারি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল জিম্বাবুয়ে

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল জিম্বাবুয়ে

শ্রীলঙ্কার উইকেট নেয়ার পর জিম্বাবুয়ের উদযাপন। ছবি: টুইটার

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আট উইকেটে ৩০২ রান করে জিম্বাবুয়ে। টার্গেটে নেমে ৫০ ওভারে ২৮০ রানে থামতে হয় লঙ্কানদের। দাশুন শানাকার সেঞ্চুরিতেও জিততে পারেনি স্বাগতিকরা।

পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তিন ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকদের ২২ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আট উইকেটে ৩০২ রান করে জিম্বাবুয়ে। টার্গেটে নেমে ৫০ ওভারে ২৮০ রানে থামতে হয় লঙ্কানদের। দাসুন শানাকার সেঞ্চুরিতেও জেতা সম্ভব হয়নি স্বাগতিকদের।

প্রথমে ব্যাটে নেমে দারুণ ব্যাটিং করে জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার। ওপেনার কাইতানো ২৬ রানে বিদায় নিলে আরেক ওপেনার উইকেটকিপার চাকাবভা ৪৭ রানে দলকে পথে রাখেন। তার বিদায়ের পর অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ৯১ রানের ইনিংস খেলে দলকে ভিত গড়ে দেন।

পরে প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া সিন উইলিয়ামসের ৪৮ ও সিকান্দার রাজার ৫৬ রানে বড় পুঁজি গড়ে তোলে জিম্বাবুয়ে। দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩০২ রান।

টার্গেটে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। ৩৩ রানের মাথায় নিসাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস ও চান্ডিমালকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। সেখান থেকে ৫৭ রান করে দলকে কিছুটা স্বস্তি দেন কামিন্ডু মেন্ডিস।

তার বিদায়ের পর দল আবারও বিপদে পড়ে। এমন অবস্থায় ৯৪ বলে ১০২ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি উপহার দেন দাসুন শানাকা। দলের যখন আর ৩৮ রান দরকার, সে সময় সাজঘরে ফেরেন শানাকা।

এ জায়গা থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি লঙ্কানরা। নয় উইকেটে সব ওভার ক্রিজে টিকে থেকে ২৮০ রান সংগ্রহ করতে সমর্থ হয় তারা। ২২ রানে জয়ের স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে জিম্বাবুয়ে।

এ জয়ে সিরিজে ১-১ ’এ সমতা আনে জিম্বাবুয়ে। আগামী ২১ জানুয়ারি শেষ ম্যাচটি সিরিজ নির্ধারণীতে পরিণত হয়েছে। একই ভেন্যুতে সিরিজ জয়ের আশা নিয়ে নামবে দুই দল।

শেয়ার করুন

এখনও বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুসরণ করেন রোডস

এখনও বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুসরণ করেন রোডস

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পরামর্শক হয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ স্টিভ রোডস। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় পা রাখলেও স্টিভ রোডসকে নিয়ে এবার খুব একটা মাতামাতি নেই। তবে গণমাধ্যমের সামনে আসায় ঘুরে-ফিরে আসে অতীত। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে তার অতীত নিয়ে করা প্রশ্নে কিছুটা বিব্রতও হন জাতীয় দলের সাবেক এ কোচ।

২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর নীরবে বাংলাদেশ ছেড়ে যান স্টিভ রোডস। এবারও অনেকটা নীরবেই ঢাকায় ফিরেছেন। তবে ভিন্ন দায়িত্বে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পরামর্শক হিসেবে এসেছেন এ ইংলিশ কোচ।

ঢাকায় পা রাখলেও তাকে নিয়ে খুব একটা মাতামাতি নেই। তবে গণমাধ্যমের সামনে আসায় ঘুরে-ফিরে আসে অতীত। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে তার অতীত নিয়ে করা প্রশ্নে কিছুটা বিব্রতও হন জাতীয় দলের সাবেক এ কোচ।

তিনি বলেন, ‘আমি বিসিবি সংক্রান্ত কোনো আলোচনাতে জড়াতে চাই না। এটা ঠিক না। কারণ এটা অতীত হয়ে গেছে।’

সাকিব-তামিমদের নিয়ে গড়া দল নিয়ে তার অধীনে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে শুধু একটা জয় পায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তান ছাড়া বাকি সব ম্যাচেই হারতে হয় লাল-সবুজদের।

ব্যর্থতার সেই বিশ্বকাপকে খারাপ বলতে রাজি নন রোডস।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোয় যদি আপনি দেখেন, শুধু পাকিস্তান ম্যাচ বাদে বাকি সব ম্যাচেই আমরা দারুণ খেলেছিলাম। এমনকি ইংল্যান্ড ও ভারতের কাছে হারের ম্যাচগুলোতেও। বিশ্বকাপের আগে পরে আমরা খুবই ভালো ক্রিকেট খেলেছি। মানুষ যেমনটা খারাপ মনে করে আমি মনে করি না এতটা খারাপ ছিল।’

বিশ্বকাপের পর নীরবে রাজধানী ছেড়েছিলেন রোডস। তবে এখনও বাংলাদেশের খেলা অনুসরণ করেন বলে জানালেন তিনি।

জাতীয় দলের সাবেক এ কোচ বলেন, ‘এটা হয়ত একটু অন্যরকম শোনাবে। কিন্তু আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট খুবই মনোযোগের সঙ্গে অনুসরণ করেছি। আমি বাংলাদেশে আমার সময়টা খুব উপভোগ করেছি। সামনের পাঁচটা সপ্তাহ কুমিল্লার সঙ্গে থাকব।

‘হ্যাঁ, সত্যি আমি বাংলাদেশ ক্রিকেটে কী যাচ্ছে, আপনারা বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে কিসের ভেতর দিয়ে গেছেন সবই অনুসরণ করেছি।’

রোডস এবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে ঠিক কীভাবে কাজ করবেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। কেননা কুমিল্লার হেড কোচের দায়িত্বে আছেন কোচ সালাউদ্দিন। এক্ষেত্রে নিজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সবাই জানেন সালাউদ্দিন কোচ হিসেবে খুব সফল। শুধু বিপিএলে না, যেভাবে সে সেরা ক্রিকেটারদের উঠে আসতে সাহায্য করে তা এক কথায় দারুণ। তার এই সাফল্য আশা করি হেড কোচ হিসেবে ফিরে আসবে। সে-ই হেড কোচ থাকছে। আমি এখানে সাহায্য করতে এসেছি। শুধু ক্রিকেটারদের না, কোচদেরও।’

বিপিএলে কুমিল্লাকে নিয়ে নিজের প্রত্যাশা সম্পর্কে রোডস বলেন, ‘ইমরুল খুবই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। দীর্ঘদিন ধরেই ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সে খেলছে। আর আমাদের বিদেশি ক্রিকেটারও ভালো। দলে তরুণ ক্রিকেটারও ভাল আছে। মুমিনুল-ইমরুল ও বিদেশি মিলিয়ে আমাদের দারুণ মিশ্র দল হয়েছে।’

শেয়ার করুন

দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে যাবার শঙ্কা মাশরাফির

দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে যাবার শঙ্কা মাশরাফির

মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ফাইল ছবি

তামিমকে দুই বল করে তিন নম্বর বল করার সময় কোমরের চোট মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে মাশরাফির। ফলে তাকে উঠে যেতে হয় মাঠ থেকে। খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়েন তিনি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের পর্দা উঠতে বাকি আর তিন দিন। এই আসর দিয়েই দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর ২২ গজে ফিরতে যাচ্ছেন মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা।

বিপিএলের উদ্বোধনী দিনেই তার দল মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা লড়বে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে।

ইতোমধ্যে বিপিএলকে সামনে রেখে অনুশীলন শুরু করেছে দলগুলো। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় ঢাকার অনুশীলনে আসে ঢাকা। দলের সঙ্গে অনুশীলনে ছিলেন মাশরাফি। বল হাতে নেমে যান তামিমের বিপক্ষে।

তবে কোমরের পুরোনো চোট তাকে বেশিক্ষণ থাকতে দেয়নি মাঠে। তামিমকে দুই বল করে তিন নম্বর বল করার সময় কোমরের চোট মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তার।

ফলে তাকে উঠে যেতে হয় মাঠ থেকে। খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়েন তিনি। আর চোটের কারণে শঙ্কা জেগেছে দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিনিস্টার ঢাকার ফিজিও এনামুল হক। তবে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করলেও ম্যাশকে প্রথম থেকেই পেতে আশাবাদী তিনি। যদিও তারকা এই ক্রিকেটারকে নিয়ে কোনো প্রকার ঝুঁকিতে যেতে নারাজ দলটি।

এনামুল বলেন, ‘কোমরের পুরোনো ব্যথা থাকায় বোলিং করেননি মাশরাফি। তাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেবে না টিম ম্যানেজম্যান্ট। তার খেলা না খেলা নির্ভর করছে, ব্যথা মুক্ত হওয়ার ওপর, ফিট থাকার ওপর। এ ক্ষেত্রে প্রথম দুই ম্যাচে খেলার সম্ভাবনা ফিফটি। ব্যথা মুক্ত হওয়া ছাড়া বলা যাচ্ছে না।’

২১ জানুয়ারি উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় মাঠে নামবে ঢাকা।

শেয়ার করুন

ইতিহাসের পাতায় পিংকি

ইতিহাসের পাতায় পিংকি

ফারজানা হক পিংকি। ফাইল ছবি

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ৭ রান করে নিজের নাম রেকর্ডবুকে তুলে নিলেন ডানহাতি পিংকি। প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেছেন তিনি।

কমনওয়েলথ গেমসের নারী ক্রিকেটের বাছাই পর্বে মালয়েশিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে শুভসূচনা করেছে বাংলাদেশ। বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচে ৯ বলে ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন টপ অর্ডার ব্যাটার ফারজানা হক পিংকি।

ছোট্ট এই ইনিংসের সুবাদে নিজের নাম রেকর্ডবুকে তুলে দিলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ম্যাচের সপ্তম ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে ১ হাজার রান করার ক্লাবে প্রবেশ করেন পিংকি।

বর্তমানে পিংকির টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে মোট রান ১ হাজার ৫। ক্যারিয়ারের ৬৯তম ম্যাচে এসে হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করলেন ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে রয়েছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। টি-টোয়েন্টিতে নিগারের বর্তমান রান ৮৬১। ৭৪৬ রান করে তিনে রুমানা আহমেদ।

আয়েশা খাতুন শুকতারা রয়েছেন চারে। আর সাবেক অধিনায়ক সালমা খাতুন ৫৩১ রান করে অবস্থান করছেন পাঁচে।


আন্তর্জাতিক নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রাহক

  • ফারজানা হক পিংকি- ৬৪ ইনিংসে ১০০৫ রান, সর্বোচ্চ ১১০*
  • নিগার সুলতানা জ্যোতি- ৫০ ইনিংসে ৮৬১ রান, সর্বোচ্চ ১১৩*
  • রুমানা আহমেদ- ৬০ ইনিংসে ৭৪৬ রান, সর্বোচ্চ ৫০
  • আয়েশা রহমান শুকতারা- ৫৩ ইনিংসে ৭০০ রান, সর্বোচ্চ ৪৬
  • সালমা খাতুন- ৪৯ ইনিংসে ৫৩১ রান, সর্বোচ্চ ৪৯*

শেয়ার করুন

করোনা টেস্টে বিপিএলের ‘৩-৪ জন’ পজিটিভ

করোনা টেস্টে বিপিএলের ‘৩-৪ জন’ পজিটিভ

বিপিএলের অষ্টম আসরে প্লেয়ার্স ড্রাফটের প্যানেল। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) তিন-চার জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আরও আসবে। মূল পরীক্ষা তো আজকে (মঙ্গলবার)। খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের থেকে তিন চার জনের পজিটিভ আসার খবর আমাদের কাছে আছে। কারা আক্রান্ত হয়েছেন সেটা আসলে বলাটা ঠিক হবে না।’

২১ জানুয়ারি থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের অষ্টম আসর। এই আসর মাঠে গড়ানোর আগে খেলোয়াড় ও দলগুলোর স্টাফদের করোনা টেস্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রথম দিনের টেস্টে তিন-চার জনের দেহে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। বলেছেন, আরও ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফের করোনা পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে যাদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তাদের মধ্যে খেলোয়াড় কত জন বা সাপোর্ট স্টাফ কত জন, তা জানানো হয়নি। তাদের নামও উল্লেখ করা হয়নি। তবে যারা করোনায় আক্রান্ত তাদের কোনো উপসর্গ নেই।

দেবাশীষ বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) তিন-চার জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আরও আসবে। মূল পরীক্ষা তো আজকে (মঙ্গলবার)। খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের থেকে তিন চার জনের পজিটিভ আসার খবর আমাদের কাছে আছে। কারা আক্রান্ত হয়েছেন সেটা আসলে বলাটা ঠিক হবে না।’

পজিটিভ আসা খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের আপাতত বাড়িতে আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে। এরপর ১০ দিন পর আরও একটি পরীক্ষা করিয়ে সেখানে নেগেটিভ এলেই তাদের মিলবে বিপিএলে অংশ নেয়ার সুযোগ।

দেবাশীষ বলেন, ‘যারা পজিটিভ এসেছেন তাদের কোনো উপসর্গ নেই। আমরা তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছি। বায়ো বাবলে তো তারা আর ঢুকতে পারবে না। আমরা আবার হয়তো সাতদিন থেকে ১০ দিন পর আরেকটি পরীক্ষা করিয়ে দেখব। নেগেটিভ এলে তারপর সে বায়ো বাবলে ঢুকতে পারবে।’

দেশে গত কিছু দিন ধরে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। তাই আগে থেকেই অনুমেয় ছিল, মাঠে গড়ানোর আগেই এই ভাইরাস হানা দিতে পারে বিপিএলে।

এ ছাড়া, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে দেখা যায়, কোথাও কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। আয়োজকদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া বেশ কিছু ক্রিকেটারের ভেতর ছিল না মাস্ক পরার প্রবণতা। সামাজিক দূরত্ব ছিল উধাও।

বেশির ভাগ জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান হয়েছে ছোট জায়গায়। সেখানে ছিল ক্রিকেটার ও সংবাদকর্মীদের গাদাগাদি। এমনকি ঢোকার সময় হাত স্যানিটাইজও করা হয়নি কোনো কোনো জায়গাতে। যেখানে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোরই এমন বেহাল দশা, সেখানে ক্রিকেটারদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর স্বাভাবিকই বটে।

শেয়ার করুন

মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে শঙ্কিত নন কোচ

মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে শঙ্কিত নন কোচ

অনুশীলনে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ছবি: বিসিবি

ঢাকার হেড কোচ মিজানুর রহমান বাবুল জানান, মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত নন তিনি। বরং প্রতি ম্যাচে তাকে দেখা যাবে বলে আশা তার।

সবকিছু ঠিক থাকলে ২১ জানুয়ারি পর্দা উঠছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের। আসন্ন এই আসরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর মাঠে নামতে যাচ্ছেন মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। এবারের বিপিএলে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার হয়ে মাঠ মাতাবেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

লম্বা সময় ২২ গজ থেকে দূরে থাকায় স্বভাবতই শঙ্কা জাগতে পারে ম্যাশের ফিটনেস নিয়ে। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন ঢাকার হেড কোচ মিজানুর রহমান বাবুল।

ঢাকার জার্সি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমকে বাবুল জানান, মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত নন তিনি। বরং প্রতি ম্যাচে এ অভিজ্ঞ পেইসারকে দেখা যাবে বলে আশা তার।

বাবুল বলেন, ‘দেখুন, যে যত বড় খেলোয়াড় হোক তাকে ফিট থাকতে হবে। ফিট না হলে খেলতে পারবে না। প্রথমত আমরা দেখব সে ফিট আছে কি না। মাশরাফি কিন্তু বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে পরের দিকে এসে ম্যাচ জিতিয়েছে। শুরুতে খেলেনি।

‘এবার বিপিএল খেলার জন্য সে প্রায় ১০ কেজি ওজন কমিয়েছে। তার প্রস্তুতি ওরকম ছিল। আমার মনে হয় মাশরাফি ইজ মাশরাফি... ইনশাআল্লাহ্‌ (নিয়মিত ম্যাচেই দেখা যাবে)’, তিনি যোগ করেন।

২০২০ সালের ১৮ ডিসেম্বর সবশেষ ২২ গজে নেমেছিলেন মাশরাফি। দীর্ঘ এক বছর পর বিপিএলের মধ্য দিয়ে আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছেন ম্যাশ। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের বিপিএলই হতে যাচ্ছে তার শেষ বিপিএল।

শেয়ার করুন

কমনওয়েলথ বাছাই: মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে শুরু টাইগ্রেসদের

কমনওয়েলথ বাছাই: মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে শুরু টাইগ্রেসদের

ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে রুমানা আহমেদ। ছবি: বিসিবি

টাইগ্রেস বোলারদের বোলিং তোপে ৪৯ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংসের চাকা। জবাবে ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ নারী দল।

কমনওয়েলথ গেমসের নারী ক্রিকেটের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ নারী দল। টাইগ্রেস বোলারদের বোলিং তোপে ৪৯ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংসের চাকা।

কুয়ালালামপুরের কিনারা একাডেমি ওভালে টসে জিতে মালয়েশিয়াকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ দলপতি নিগার সুলতানা। বল হাতে ম্যাচের প্রথম থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরেন অভিষিক্ত সুরাইয়া আজমিন ও রুমানা আহমেদ।

তাদের সঙ্গে যোগ দেন ঋতু মণি, সালমা খাতুন ও নাহিদা আক্তার। বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৪৯ রানের পুঁজি পায় মালয়েশিয়া।

দলের হয়ে দুই অঙ্কের রান ছোঁয়া সম্ভব হয় কেবলমাত্র অধিনায়ক উইনফার্ড দুরাইসিঙ্ঘাম (১২) ও মাস এলিসার (১১)। বাকিদের ফিরতে হয় এক রানের ঘরে আটকে থেকেই।

বাংলাদেশের হয়ে ৪ রানে ২ উইকেট নেন রুমানা আহমেদ। অভিষিক্ত সুরাইয়া নেন ৭ রানে ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন সালমা, নাহিদা ও ঋতু।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই শামিমা সুলতানা ও মুর্শিদা খাতুন জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান দলকে।

১৯ বলে ২৮ করা শামিমা বিদায় নেন দলীয় ৩৮ রানে। আর ১৪ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় মুর্শিদাকে। দলীয় স্কোর সে সময় ৪৪।

বাকি কাজ শেষ করেন অধিনায়ক নিগার ও ফারজানা হক মিলে। দলকে এনে দেন আট উইকেটের দুর্দান্ত এক জয়।

শেয়ার করুন