আজও জাতীয় স্বীকৃতি পায়নি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল

player
আজও জাতীয় স্বীকৃতি পায়নি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ১৮ খেলোয়াড়। ছবি: বাফুফে

স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও জাতীয় স্বীকৃতি মেলেনি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের। এতো বছরে জাতীয় কোনো পুরস্কার না পাওয়াতে অবশ্য আক্ষেপ নেই তাদের। আছে আশাবাদ।

দীর্ঘ নয় মাসের ১৯৭১ সালের যুদ্ধে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম হয় ‘বাংলাদেশের’। অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেন। তবে, বন্দুক নয়, ফুটবল পায়ে এক দল নির্ভীক তরুণ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। দলটি ছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

পৃথিবীর ইতিহাসে এই লড়াই বিরল। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ১৭টি প্রীতি ম্যাচ খেলে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল আয় করেছিল প্রায় ১৬ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। সেই টাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অনুদান হিসেবে উপহার দেয় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

সেই গল্প অজানা নয়। তবে, দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও জাতীয় স্বীকৃতি মেলেনি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের। এতো বছরে জাতীয় কোনো পুরস্কার না পাওয়াতে অবশ্য আক্ষেপ নেই তাদের। আছে আশাবাদ।

দলের অনেকে এখন না ফেরার দেশে। যারা বেঁচে আছে তাদের শেষ আশা, দেশ কখনও না কখনও স্বীকৃতি দেবে তাদের এই ইতিহাসকে।

এ নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে নিউজবাংলাকে নিজের ইচ্ছার কথা জানালেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু। তিনি বলেন, ‘যারা জীবন বাজি রেখে ফুটবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, তাদের জাতীয় স্বীকৃতি দেবে দেশ এটাই শুধু চাওয়া।’

দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘ধন্যবাদ দিতে চাই তাদের যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন দল গঠন করেছিল যা ছিল নজির বিহীন। যাদের কারনে যাদের অবদান, ত্যাগের কারনে স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যুদ্ধের সময় তারা বসে না থেকে ফুটবলের মাধ্যমে তারা যুদ্ধ করেছে।

‘টাকার অংক দিয়ে বিচার করতে চাইনা। তারা যা করেছে তা কোন কিছু দিয়ে তুলনা করা যাবে না।’

জাতীয় স্বীকৃতির জন্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে বিষয়টি আবারও জানাব। আপাতত ২৭ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় অনুমোদন ছাড়াই বাংলাদেশের পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সাহস করেছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

সেই রোমাঞ্চকর গল্পে স্মৃতিচারণ করে দলের সংগঠক সাইদুর রহমান প্যাটেল বলেন, ‘নদীয়ার কৃষ্ণনগর মাঠে ২৫ জুলাই, স্টেডিয়ামের আশেপাশে বড় গাছ ছিল। উক্ত মাঠে তিল ধরার ঠাই ছিল না দর্শকের কারণে। গাছে উঠেও মানুষ খেলা দেখেছে।

‘বাংলাদেশ কে অফিসিয়াল অনুমোদন দেয়া হয়নি পতাকা উড়ানোর ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার। আমরা বেকে বসি খেলব না। খেলা শুরু না হওয়ায় দর্শকেরা উত্তেজিত হয়ে যায়। পরে বোস বাবু ও সেখানকার ফেডারেশন অনুমতি দেয়। সমস্ত মাঠ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু নামে মুখরিত হয় পুরা স্টেডিয়ামে।’

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নতুন কোচে সাফল্য আসবে বিশ্বাস সালাউদ্দিনের

নতুন কোচে সাফল্য আসবে বিশ্বাস সালাউদ্দিনের

নতুন কোচ হাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে বৈঠকে কাজী সালাউদ্দিন। ছবি: বাফুপে

লাল-সবুজদের নিয়ে নতুন কোচের পরিকল্পনা মনে ধরেছে বাফুফে বস কাজী সালাউদ্দিনের। তার বিশ্বাস, নতুন কোচের অধীনেই সাফল্য পাবে বাংলাদেশ।

ঢাকায় পৌঁছে দুই দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে সোমবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। এই বৈঠকে কোচের কাছে বাংলাদেশ দল নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাফুফে বস।

জাতীয় দলের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদকে নিয়ে এ বৈঠকে কোচের পরিকল্পনাও শোনেন কাজী সালাউদ্দিন।

লাল-সবুজদের নিয়ে নতুন কোচের পরিকল্পনা মনে ধরেছে বাফুফে বসের। তার বিশ্বাস, নতুন কোচের অধীনেই সাফল্য পাবে বাংলাদেশ।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘কোচকে ভালোই লেগেছে। নাবিল (কাজী নাবিল আহমেদ) আর আমি মিলে যখন আলোচনা করি তখনই ভালো লাগে। সে (কাবরেরা) একজন সক্রীয় কোচ। কথাবার্তা বলে মনে হয়েছে তাকে নিয়ে আমরা সাফল্য পাব।’

বিভিন্ন ফুটবল অ্যাকাডেমিতে কাজ করলেও হাভিয়ের কাবরেরার কোনো জাতীয় দলের অভিজ্ঞতা নাই। কোচিং ক্যারিয়ারে এই প্রথম কোনো জাতীয় দলের কোচিংয়ের দায়িত্ব নিচ্ছেন স্প্যানিশ কোচ।

নতুন এই চ্যালেঞ্জটা কীভাবে নেবেন কোচ জানতে চাইলে কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমাদের দেশে জাতীয় দলের কোচিং করার অভিজ্ঞতা নিয়ে শুধু টম স্টাইনফেটই এসেছিলেন। এটা তাদের জন্য ভালো সুযোগ।

‘এখানে তারা ভালো করলে তাদের ক্যারিয়ারও উঁচুতে উঠবে। জাতীয় দলে আশা বড় গর্বের বিষয়। ওই গর্ব নিয়েই কাবরেরা এসেছেন।’

কোচের কাছে একটা অনুরোধ রেখেছেন বাফুফে বস। জয়ের প্রত্যাশার সঙ্গে জাতীয় দলের একটা ভুলের পুনরাবৃত্তির ইতি ঘটাতে অনুরোধ করেছেন কাজী সালাউদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই জয়। তাকে (কাবরেরা) বলেছি, ম্যাচের শেষ চার-পাঁচ মিনিটে আমাদের দল জেতা ম্যাচ জিততে পারে না। প্লিজ নিশ্চিত করুন যাতে এমনটা না ঘটে।’

১১ মাসের চুক্তিতে দায়িত্ব পাওয়া এই কোচ এখন খেলোয়াড় বাছাইয়ের কাজে মনোযোগ দেবেন। মাঠে বসে আসন্ন প্রিমিয়ার লিগের খেলা দেখবেন। ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে গড়ানোর কথা লিগের প্রথম পর্ব।

আগামী মার্চ মাসের ফিফা উইন্ডোতে জাতীয় দলকে নিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা বাংলাদেশের। সেজন্য লিগে পারফরম্যান্স দেখে খেলোয়াড় বাছাই করবেন হাভিয়ের কাবরেরা।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন

ভারতের গকুলাম ও মালদ্বীপের মাজিয়াকে পেল কিংস

ভারতের গকুলাম ও মালদ্বীপের মাজিয়াকে পেল কিংস

বসুন্ধরা কিংস ও ঢাকা আবাহনীর খেলার একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

‘ডি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ হিসেবে ভারতের আইলিগ চ্যাম্পিয়ন ক্লাব গোকুলাম কেরালা, মালদ্বীপের দিবেহী প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল মাজিয়া এসআরকে পাচ্ছে কিংস। প্লে-অফের বাছাই পর্ব খেলে এই গ্রুপে যোগ দেবে আরেকটি দল। প্লে-অফ বাছাই পর্ব দিয়ে এ গ্রুপে খেলার সুযোগ রয়েছে ঢাকা আবাহনীর।

মালয়েশিয়ার কুয়ালামপুরে এশিয়ার ক্লাব পর্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট এএফসি কাপের ২০২২ সালের ড্র হয়ে গেল সোমবার। এবার ‘ডি’ গ্রুপে খেলবে দেশের প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব বসুন্ধরা কিংস।

এই গ্রুপে প্রতিপক্ষ হিসেবে ভারতের আইলিগ চ্যাম্পিয়ন ক্লাব গোকুলাম কেরালা, মালদ্বীপের দিবেহী প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল মাজিয়া এসআরকে পাচ্ছে কিংস।

প্লে-অফের বাছাই পর্ব খেলে এই গ্রুপে যোগ দেবে আরেকটি দল। চার দল নিয়ে গ্রুপ পর্বের খেলা শুরু হবে।

ঘরোয়া ফুটবলের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব ঢাকা আবাহনী খেলবে প্লে-অফ বাছাই পর্ব।

এ বাছাইয়ে আবাহনী প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে সাউথ এশিয়া ১.২ জয়ী ক্লাবকে। ভ্যালেন্সিয়া ও পারো এফসির মধ্যকার ম্যাচে জয়ী দলকে প্লে-অফে পাবে আবাহনী। এ ম্যাচে জিতলে আরেকটি ম্যাচ খেলে কিংসের গ্রুপে খেলতে হবে আকাশি-নীলদের। সেই ম্যাচে আবাহনীর প্রতিপক্ষ হতে পারে এটিকে মোহন বাগান, মাছিন্দ্রা বা ব্লু স্টার।

আবাহনীর প্লে-অফ রাউন্ডের প্রথম ম্যাচ হবে আগামী ১২ এপ্রিল। আর কাঙ্ক্ষিত জয় পেলে দ্বিতীয় ম্যাচটা খেলবে ১৯ এপ্রিল।

গ্রুপ পর্বের খেলা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে মে মাসে। করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য হয়তো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে সবগুলো ম্যাচ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আয়োজক হতে আগ্রহী বসুন্ধরা কিংস।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন

চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার ভারতে যাচ্ছেন তপু

চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার ভারতে যাচ্ছেন তপু

জাতীয় দলের জার্সিতে তপু বর্মন। ছবি: সংগৃহীত

তপু বলেন, ‘মঙ্গলবার আমার ফ্লাইট। কলকাতায় ট্রানজিট নিয়ে মুম্বাইয়ে যাব। দেশের চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীর পরামর্শে মুম্বাইয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আগামী ২১ জানুয়ারি চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়। চিকিৎসকের পরামর্শের পর জানতে পারব কী করতে হবে।’

উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার ভারতে যাচ্ছেন জাতীয় ফুটবল দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মন।

বিষয়টি সোমবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন দেশের এ তারকা ডিফেন্ডার।

তপু বলেন, ‘মঙ্গলবার আমার ফ্লাইট। কলকাতায় ট্রানজিট নিয়ে মুম্বাইয়ে যাব। দেশের চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীর পরামর্শে মুম্বাইয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আগামী ২১ জানুয়ারি চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়। চিকিৎসকের পরামর্শের পর জানতে পারব কী করতে হবে।’

গেল বছরের ৪ ডিসেম্বর স্বাধীনতা কাপের একটি ম্যাচে ইনজুরিতে পড়েন তপু। কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের টার্ফের মধ্যে বুটের স্পাইক আটকে গিয়ে বাম পায়ের হাঁটুর লিগামেন্টে চোট পান বসুন্ধরা কিংসের এ অধিনায়ক।

পরে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে দেড় মাস বিশ্রামে ছিলেন। এ সময়ে পুনর্বাসনে ছিলেন এ ডিফেন্ডার। ক্লাবের চিকিৎসা টিমের পরামর্শে জিম, সাইক্লিং ও সুইমিং করেন বলে জানান তিনি।

জাতীয় দলের নিয়মিত ফুটবলার তপু বর্মন। ডিফেন্ডার হয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে ৪৫ ম্যাচে ছয় গোল করেন তিনি। ঘরোয়া ফুটবলে খেলেন বসুন্ধরা কিংসে। ক্লাবটির অধিনায়কও তিনি।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন

মেসিকে বার্সেলোনায় ফেরাতে চায় তার পরিবার

মেসিকে বার্সেলোনায় ফেরাতে চায় তার পরিবার

পরিবারের সঙ্গে লিওনেল মেসি। ফাইল ছবি

মেসিকে ফের বার্সেলোনায় ফেরার জন্য রাজি করাতে চাচ্ছেন তার স্ত্রী আন্তোনেয়া রোকুসসো। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল নাসিওনাল দাবি করছে এমনটাই।

গত আগস্টে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার সঙ্গে ১৭ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে ফ্রান্সে পাড়ি জমান লিওনেল মেসি। ফ্রেঞ্চ জায়ান্ট প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) নতুন ঘর বাঁধেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

কিন্তু পিএসজিতে গিয়ে গোলখরা ও ইনজুরির সঙ্গে লড়ছেন এ খুদে জাদুকর। নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। এখন পর্যন্ত পিএসজির জার্সি গায়ে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি মেসি।

এমন অবস্থায় মেসিকে ফের বার্সেলোনায় ফেরার জন্য রাজি করাতে চাচ্ছেন তার স্ত্রী আন্তোনেয়া রোকুসসো। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল নাসিওনাল দাবি করছে এমনটাই।

সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসির সন্তানেরা বাবার মতো খাপ খাওয়াতে পারছে না ফ্রান্সে। স্থানীয় আবহাওয়া ও স্পেনে রেখে আসা বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকাটা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে আর্জেন্টাইন এই তারকার সন্তানদের পক্ষে।

আর সে কারণেই মেসিকে বার্সেলোনায় ফেরাতে চাচ্ছেন রোকুসসো।

এদিকে মেসিকে বার্সায় ফেরাতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বার্সার বর্তমান কোচ চাভি এর্নান্দেস ও দলের রাইট-ব্যাক দানি আলভেস। কিন্তু সেখানে বাঁদ সেধেছেন মেসির বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি।

তার দাবি বার্সেলোনা ও হুয়ান লাপোর্তা মেসির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

মেসি এখন পর্যন্ত পিএসজির জার্সিতে ১১টি লিগ ওয়ান ম্যাচে গোল করেছেন মাত্র ১টি। তবে ফ্রেঞ্চ জায়ান্টদের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ৫ ম্যাচে ৫ গোল করেছেন তিনি।

সেরা ছন্দে ফিরতে পারেননি সাতটি ব্যালন ডর জয়ী এ ফুটবলার। আর মূলত এ কারণে গুঞ্জন উঠেছে মেসির প্যারিস ছাড়ার।

পিএসজির সঙ্গে মেসির চুক্তির মেয়াদ আছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত। একই সঙ্গে রয়েছে মেয়াদ আরও এক বছর বৃদ্ধির সুযোগও।

সব কিছু দূরে ঠেলে আপাতত মেসি লড়াই করছেন করোনাভাইরাসের সঙ্গে। করোনা থেকে রেহাই পেয়ে দলের সঙ্গে অনুশীলনে নামলেও এখনও ম্যাচে নামার মতো ফিটনেস আসেনি তার।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন

মৌসুমের প্রথম শিরোপা রিয়ালের

মৌসুমের প্রথম শিরোপা রিয়ালের

রিয়ালের শিরোপা উল্লাস। ছবি: এএফপি

এই নিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপে ১২ বার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল রিয়াল মাদ্রিদ। সর্বোচ্চ সুপার কাপ জয়ের রেকর্ডটা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। এ যাবৎ কাতালানরা এই শিরোপার স্বাদ পেয়েছে ১৩ বার।

আতলেটিকো বিলবাওকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা পুনরুদ্ধার করল রিয়াল মাদ্রিদ। এর মধ্য দিয়ে মৌসুমের প্রথম শিরোপা জিতল স্পেনের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি।

ম্যাচে প্রথমেই দুই গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। শেষ দিকে ১০ জনের দলে পরিণত হয় দলটি। এরপরও পেরে ওঠেনি বিলবাও।

সৌদি আরবের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে আসছিল দ্য হোয়াইটরা। একপেশে খেলায় ম্যাচের ১৯তম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার দুর্দান্ত সুযোগ সৃষ্টি করেছিল রিয়াল।

ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ডি বক্সের অভিমুখে বাড়ানো বল পেয়ে জোড়াল শট নিয়েছিলেন কারিম বেনজেমা। তবে শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় হতাশ হতে হয় তাদের।

২৭তম মিনিটে কাসেমিরোর শট ঠেকিয়ে সে যাত্রায় দলকে বাঁচান বিলবাও গোলরক্ষক উনাই সিমোন।

তবে ৩৮তম মিনিটে গিয়ে শেষ রক্ষা হয়ে ওঠেনি বিলবাওয়ের। লুকা মদ্রিচের ডানদিক থেকে এগিয়ে নেয়া বল ডি বক্সে পান রদ্রিগো। সেখান থেকে তিন ডিফেন্ডারকে ভেলকি দিয়ে রদ্রিগো ফিরতি পাস দেন মদ্রিচকে। সেই পাস জোড়ালো উঁচু শটে গোলে পরিণত করেন ক্রোয়েশিয়ান এই মিডফিল্ডার।

মৌসুমের প্রথম শিরোপা রিয়ালের

প্রথমার্ধে লিড পেয়ে সমান তোপে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। দুর্দান্ত রিয়ালের ৫২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় বেনজেমার কল্যাণে।

ডি বক্সে বিলবাও ডিফেন্ডার জেরাই আলভারেসের হ্যান্ডবল হলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি দেন রেফারি। সেখান থেকে সফল স্পট কিকের মাধ্যমে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেনজেমা।

ম্যাচের ৬৪ মিনিট থেকে আক্রমণের ধার কমে যায় রিয়ালের। সেই সুযোগটাই নেয় বিলবাও। কিন্তু সফলতার মুখ দেখা সম্ভব হয়নি দলটির।

৮৬তম মিনিটে বিলবাওয়ের গার্সিয়ার হেড গোলমুখে রিয়ালের মিলিতাওয়ের হাতে লাগায় লাল কার্ড দেখানোর পাশাপাশি পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে ক্ষিপ্রতার সাথে পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিয়ে বিপর্যয় সামাল দেন রিয়াল গোলরক্ষক কার্তোয়া।

মৌসুমের প্রথম শিরোপা রিয়ালের

শেষ পর্যন্ত ১০ জনের রিয়ালের সঙ্গেও সুবিধা করে উঠতে পারেনি বিলবাও। যে কারণে ২-০ ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

এই নিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ১২ বার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল রিয়াল মাদ্রিদ। সর্বোচ্চ সুপার কাপ জয়ের রেকর্ডটা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। এ যাবৎ কাতালানরা শিরোপার স্বাদ পেয়েছে ১৩ বার।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন

সহজ জয়ে চেলসিকে টপকে দুইয়ে লিভারপুল

সহজ জয়ে চেলসিকে টপকে দুইয়ে লিভারপুল

গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে ফিরমিনোর উদযাপন। ছবি: টুইটার

ব্রেন্টফোর্ডকে অনায়াসে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে চেলসিকে টপকে গেল ইউর্গেন ক্লপের বাহিনী। এখন ম্যানচেস্টার সিটির পর অবস্থান করছে লিভারপুল। ঘরের মাঠ আনফিল্ডে ব্রেন্টফোর্ডকে ৩-০ গোলে হারায় অল রেডরা।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে চেলসি হারায় কিছুটা সুবিধা পায় লিভারপুল। রোববার তা কড়ায়-গণ্ডায় তুলে নেয় অল রেডরা। ব্রেন্টফোর্ডকে অনায়াসে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে চেলসিকে টপকে গেল ইউর্গেন ক্লপের বাহিনী।

এখন ম্যানচেস্টার সিটির পর অবস্থান করছে লিভারপুল। ঘরের মাঠ আনফিল্ডে ব্রেন্টফোর্ডকে ৩-০ গোলে হারায় অল রেডরা।

এদিন দুই আফ্রিকান ফরোয়ার্ড সাদিও মানে ও মোহাম্মদ সালাহকে ছাড়া মাঠে নামে লিভারপুল। সেনেগাল ও মিশরের তারকা আছেন জাতীয় দলের হয়ে আফ্রিকাপ কাপ অফ নেশনসের দায়িত্বে।

আধিপত্য নিয়ে খেললেও প্রথম গোলের দেখা পেতে তাদের সময় নিতে হয়েছে ৪৪ মিনিট। ট্রেন্ট-আলেকজান্ডার আর্নল্ডের পাস থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন ফাবিনিয়ো।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুই গোল করে লিভারপুল। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে অ্যান্ডি রবার্টসনের পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অ্যালেক্স-অক্সলেড চেম্বারলিন। আট মিনিট পর রবার্তো ফিরমিনির পাস থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান লিভারপুলের জাপানিজ ফরোয়ার্ড তাকুমি মিনামিনো।

তিন গোলে পিছিয়ে পড়ে হতভম্ব ব্রেন্টফোর্ডম ম্যাচে ফিরে আসার কোনো সুযোগই আর পায়নি।

বড় জয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। এ জয়ে চেলসিকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠে গেল তারা। ২১ ম্যাচে লিভারপুলের পয়েন্ট ৪৫। এক ম্যাচ বেশি খেলে তিনে থাকা চেলসির পয়েন্ট ৪৩। আর ২২ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন

সহজ জয়েও নাখোশ পচেত্তিনো

সহজ জয়েও নাখোশ পচেত্তিনো

গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপন করছেন কিলিয়ান এমবাপে। ছবি: এএফপি

পুরো ম্যাচেই ছিল পিএসজির দাপট। ধারাবাহিক হওয়ার লক্ষণও ছিল তাদের খেলায়। কিন্তু ম্যাচ শেষে কিছুটা নাখোশই শোনাল ম্যানেজার মরিসিও পচেত্তিনোকে।

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে বছরটা ধারাবাহিকতার সঙ্গে শেষ করতে পারেনি প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শেষ পাঁচ ম্যাচের চারটিতে ড্র করেছে ফরাসি জায়ান্টরা। শীর্ষস্থানে কোনো হেরফের না হলেও দলের এমন ওঠানামায় খুশি হতে পারেননি ভক্ত-সমালোচকরা।

তার মধ্যে দলের সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসি কোভিড-পরবর্তী ফিটনেস ফিরে পাননি। তাই শনিবার রাতে ব্রেস্তের বিপক্ষে ম্যাচে খানিকটা শঙ্কা নিয়েই নামে পিএসজি।

নিজ মাঠে কিলিয়ান এমবাপে ও টিলো কেরারের গোলে ২-০ ব্যবধানে জয়ে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান পোক্ত করেছে প্যারিসিয়ানরা।

ম্যাচের দুই অর্ধে দুই গোল করে স্বাগতিক দল। ৩২ মিনিটে গোল করেন এমবাপে ও ৫৩ মিনিটে কেরার।

পুরো ম্যাচেই ছিল পিএসজির দাপট। ধারাবাহিক হওয়ার লক্ষণও ছিল তাদের খেলায়। কিন্তু ম্যাচ শেষে কিছুটা নাখোশই শোনাল ম্যানেজার মরিসিও পচেত্তিনোকে।

পিএসজি বস বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারতাম। তেমনটা করতে পারলে ভালো লাগত। আশা করি, খেলোয়াড়রা পরের ম্যাচে আরও গোল করতে পারবেন। ম্যাচে সুযোগ তৈরি করা ও সুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পেরেছি সেটাও ভালো ব্যাপার ছিল।’

২১ ম্যাচে পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে আছে পিএসজি। দুইয়ে থাকা নিসের সংগ্রহ সমান ম্যাচে ৩৯।

২৪ জানুয়ারি রেঁসের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচ পিএসজির। ওই ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল মেসির। সাতবারের ব্যালন ডর জয়ী তারকা কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর দলের সঙ্গে অনুশীলন করলেও ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাননি।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর
‘তোমরা পাকিস্তান ভাঙতেছ হিন্দুদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে’

শেয়ার করুন