টাইফয়েড আক্রান্ত সাইফ হাসান

player
টাইফয়েড আক্রান্ত সাইফ হাসান

বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে নাজমুল শান্তর সঙ্গে সাইফ হাসান (ডানে)। ছবি: এএফপি

টাইফয়েড ধরা পড়েছে সাইফের। ফলে ঢাকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলা হচ্ছে না ২৩ বছর বয়সী এ ব্যাটারের। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

ব্যাট হাতে সময়টা ভালো যাচ্ছে না সাইফ হাসানের। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে ০ ও ১ রান করার পর টেস্ট ম্যাচেও রান পাননি।

চট্টগ্রাম টেস্টের দুই ইনিংসে ১৪ ও ১৮ রান করেন এই তরুণ ওপেনার। ঢাকা টেস্টের আগে আরেকটি দুঃসংবাদ পেলেন সাইফ।

টাইফয়েড ধরা পড়েছে তার। ফলে ঢাকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলা হচ্ছে না ২৩ বছর বয়সী এ ব্যাটারের।

তার টাইফয়েড ধরা পড়ার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। চট্টগ্রামে সাইফের জ্বর থাকায় তার পরীক্ষা করা হয়। বুধবার তার পরীক্ষার ফলে জানা যায়, টাইফয়েড আক্রান্ত তিনি।

দেবাশীষ বলেন, ‘সাইফের পরীক্ষার ফল এসেছে আমাদের হাতে। তার টাইফয়েড হয়েছে। ফলে ঢাকা টেস্টে তার থাকার সম্ভাবনা নেই।’

ঢাকা টেস্টের জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ২০ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি। তাতে জায়গা পান সাইফ। তবে তখনও তার পরীক্ষার ফল মেডিক্যাল টিমের কাছে পৌঁছায়নি।

সাইফ না খেললেও, দলে ওপেনার হিসেবে বাড়তি যুক্ত করা হয়েছে নাঈম শেখকে। প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া সাদমান ইসলাম ও নাজমুল শান্তও রয়েছেন স্কোয়াডে।

বাংলাদেশ স্কোয়াড : মুমিনুল হক, সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান, নাজমুল শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, ইয়াসির রাব্বি, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ, নাইম হাসান, মাহমুদুল হাসান, রেজাউর রহমান, খালেদ মাহমুদ, শহিদুল ইসলাম ও নাঈম শেখ।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিপিএলে দেশিদের পারফরম্যান্স চান সালাহউদ্দিন

বিপিএলে দেশিদের পারফরম্যান্স চান সালাহউদ্দিন

স্টিভ রোডসের সঙ্গে আলোচনায় মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

এবারের বিপিএলে যেসব বিদেশি খেলোয়াড় আছেন তাদের বেশির ভাগেরই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশের উইকেটে খেলার। যাদের রয়েছে, সেটিও লম্বা সময় আগের।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের পর্দা উঠতে বাকি আর তিন দিন। দেশের তিন ভেন্যু শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসর।

এর মধ্যে ২০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে শেরে বাংলার মন্থর উইকেটে। ৮টি ম্যাচ হবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আর ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেটের ম্যাড়ম্যাড়ে উইকেটে।

এবারের বিপিএলে যেসব বিদেশি খেলোয়াড় রয়েছেন তাদের বেশির ভাগেরই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশের উইকেটে খেলার। যাদের রয়েছে, সেটিও লম্বা সময় আগের।

আর তাই দেশি ক্রিকেটারদের সাম্প্রতিক সময়কার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখানো উচিত বলে মনে করছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হেড কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।

সালাহউদ্দিন চান বিদেশি ক্রিকেটাররা যাতে এই উইকেটে পারফর্ম করতে না পারে। তাহলে দেশি ক্রিকেটাররা জ্বলে ওঠার সুযোগ পাবেন।

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘যদি বিদেশিরা পারফর্ম করতে না পারে তাহলে তো খুব ভালো। স্থানীয়রা পারফর্ম করতে পারলে ভালো। যেহেতু তারা এমন উইকেটে অভ্যস্ত, অন্তত তাদের পারফর্ম করা উচিত। উইকেট নিয়ে কথা বলতে চাই না। রান যেমন হবে সে অনুযায়ীই খেলবেন।’

গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শেরে বাংলার ‘ধানক্ষেতে’ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে বিশ্বকাপ মিশনে গিয়েছিল বাংলাদেশ। আর সেখানকার স্পোর্টিং উইকেটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।

শেরে বাংলার মন্থর উইকেটে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে স্পোর্টিং উইকেট ফেস করতে গিয়ে প্রতি ম্যাচেই ভেঙে পড়েছিল ডমিঙ্গো শীষ্যদের ব্যাটিং লাইনআপ। ফলাফল ৮ ম্যাচে ২ জয়। তাও আবার দুটি বাছাইপর্বে।

এরপরও এত সময় পেরিয়ে গেলেও উইকেট ইস্যুতে কানে তালা গুঁজে রেখেছেন যেন বোর্ড কর্তারা। এখন দেখার বিষয় বিপিএলকে সামনে রেখে কেমন পরিবর্তন আনা হচ্ছে শেরে বাংলার উইকেটে।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের নেতৃত্বে আকবর, ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ

চট্টগ্রামের নেতৃত্বে আকবর, ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জার্সি উন্মোচন। ছবি: চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

জার্সি উন্মোচনের পাশাপাশি এদিন ঘোষণা করা হয় দুই দলের অধিনায়কের নাম। যেখানে চট্টগ্রামের অধিনায়কত্ব করতে দেখা যাবে যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলীকে। অপরদিকে জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি দলপতি মাহমুদুল্লাহ সামলাবেন ঢাকাকে নেতৃত্ব দেয়ার গুরুভার।

দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর। আসরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করছে দলগুলো। দল গোছানোর পর এবারে বাকি কাজগুলো শেষ করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা।

সে ধারাবাহিকতায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জমকালো আয়োজনে উন্মোচিত হলো, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের এবারকার আসরের জন্য চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জার্সি। একই দিন উন্মোচিত হয় মিনিস্টার ঢাকার জার্সিও।

জার্সি উন্মোচনের পাশাপাশি এদিন ঘোষণা করা হয় দুই দলের অধিনায়কের নাম। যেখানে চট্টগ্রামের অধিনায়কত্ব করতে দেখা যাবে যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলীকে। অপরদিকে জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি দলপতি মাহমুদুল্লাহ সামলাবেন ঢাকাকে নেতৃত্ব দেয়ার গুরুভার।

জার্সির পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ওয়েবসাইটের পথচলা শুরু হয়েছে একই অনুষ্ঠানে। মাঠ ও মাঠের বাইরে চ্যালেঞ্জার্সের সব ধরনের কর্মকান্ড থাকবে এই ওয়েবসাইটে।

জার্সি ও ওয়েবসাইট উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হেড কোচ পল নিক্সন, বোলিং কোচ শন টেইট, নাসুম আহমেদ, সাব্বির রহমান, শরিফুল ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীসহ অন্যরা।

এরই মধ্যে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিদেশি ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস, রায়াদ এমরিট, ভিডিও অ্যানালিস্ট, ট্রেইনারসহ অন্য টেকনিক্যাল স্টাফ।

অপরদিকে ঢাকার হয়ে উপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন

আবারও বাংলাদেশে স্টিভ রোডস

আবারও বাংলাদেশে স্টিভ রোডস

স্টিভ রোডস। ফাইল ছবি

শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার উপস্থিত হলেন জাতীয় দলের সাবেক কোচ স্টিভ রোডস। নেমে গেলেন একাডেমি মাঠে ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুশীলনে।

জাতীয় দলের কোচিং প্যানেল পরিবর্তনে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে ক্রিকেটপাড়ায়। ইতোমধ্যে ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে বোর্ড চুক্তিবদ্ধ হয়েছে জেমি সিডন্সের সঙ্গে। জোর গুঞ্জন, কোচিং প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন শ্রীলঙ্কান কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহেও।

এমন সময় একেবারে হুট করে সোমবার সকালে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উপস্থিত হলেন জাতীয় দলের সাবেক কোচ স্টিভ রোডস। নেমে গেলেন একাডেমি মাঠে ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুশীলনে।

আর সে সময় গুঞ্জন ছিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে কি ঢাকায় এসেছেন রোডস? উত্তরটা জানা গেল কিচ্ছুক্ষণের মধ্যেই। জাতীয় দলের না, রোডস এসেছেন বিপিএলের দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের কোচিং প্যানেলে যোগ দিতে।

সোমবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছিক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কোচিং প্যানেলের অংশ স্টিভ রোডস। দলের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে আসন্ন বিপিএলে থাকবেন তিনি।’

রোডসকে কুমিল্লার হেড কোচ হিসেবে আনতে চেয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্তারা। প্রথম দিকে মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন হেড কোচের দায়িত্ব নেবেন কি না সেটি নিশ্চিত করেননি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই রোডসের স্মরণাপন্ন হয় কুমিল্লা।

তবে বিপত্তি বাধে যখন দেশবরেণ্য কোচ সালাহউদ্দিন হেড কোচের ভূমিকায় থাকতে রাজি হন তখন। যার ফলে কথা রাখতে সাকিব-মাশরাফিদের সাবেক এই গুরুকে ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এই ইংলিশ ট্যাকটিশিয়ান। তবে ২০১৯ সালে বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের জের ধরে তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ছে আয়ারল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে আইরিশরা জয় পায় দুই উইকেটে। আর তাতেই প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল আয়ারল্যান্ড।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের হাতছানি দেখলেও জয়ের দেখা পায়নি আয়ারল্যান্ড। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল আইরিশরা। পেয়েছিল পাঁচ উইকেটের বড় জয়। আর সিরিজের শেষ ম্যাচে জয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ইতিহাস গড়ল পল স্টারলিংয়ের দল।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে আইরিশরা জয় পায় দুই উইকেটে। আর তাতেই প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল আয়ারল্যান্ড।

রোববার জ্যামাইকার স্যাবিনা পার্কে আগে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৪ ওভারেই অলআউট হয় ২১২ রান করে। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৪.৫ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আইরিশ বোলারদের ওপর আগ্রাসন চালাতে থাকেন দুই ক্যারিবীয় ওপেনার শাই হোপ ও জাস্টিন গ্রিভস। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ১১ ওভারেই ৭২ রান যোগ করে ফেলেন তারা।

তবে ৩৯ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে শাই হোপের সাজঘরে ফেরার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিং লাইনআপ।

স্কোরশিটে ৪৭ রান যোগ করতেই পতন ঘটে স্বাগতিকদের সাত উইকেটের। সম্ভাবনা জেগেছিল ক্যারিবীয়দের ১৫০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার।

তবে টেইল এন্ডারদের কল্যাণে ২০০ রান পেরোয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জেসন হোল্ডারের ৪৪, রোমারিও শেফার্ড ১৩, আকিল হোসেন ২৩ ও ওডিয়ান স্মিথ খেলেন ২০ রানের ইনিংস। যার সুবাদে ২১২ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।

আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন ম্যাকব্রেইন। আর ক্রেইগ ইয়ংয়ের ঝুলিতে যায় ৩টি উইকেট। একটি করে উইকেট নেন কার্টিস ক্যাম্পফার ও জর্জ ডকরেল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে হোঁচট খেলেও পল স্টারলিংয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ট্র্যাকে ফিরে আসে আয়ারল্যান্ড। ৩৮ বলে ৪৪ করে বিদায় নিলে দলের হাল ধরেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনি ও হ্যারি টেক্টর।

সাজঘরে ফেরার আগে ম্যাকব্রিনির ব্যাট থেকে আসে ৫৯ রান, আর টেক্টরের ৫২। মূলত এই দুই ইনিংসে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যায় আয়ারল্যান্ড।

শেষতক ২ উইকেট ও ৩১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে তরি ভেড়ায় আইরিশরা। এতেই রচিত হয় এক ইতিহাস।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে কমনওয়েলথে প্রস্তুতি শুরু টাইগ্রেসদের

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে কমনওয়েলথে প্রস্তুতি শুরু টাইগ্রেসদের

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের গ্রুপ ছবি। ছবি: সংগৃহীত

এরপর সোবহানা মোস্তারির ২৫ ও ঋতুমনির অপরাজিত ১১ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৮ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। জবাবে ১৩৬ রানে থামে স্কটিশদের রানের চাকা।

স্কটল্যান্ডকে ১২ রানে হারিয়ে কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতি শুরু করল নিগার-রুমানারা। তাদের করা ১৪৮ রানের জবাবে ৭ উইকেটে ১৩৬ রানে থামে স্কটিশদের রানের চাকা।

মালয়েশিয়ার কিনরারা একাডেমি ওভাল মাঠে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগ্রেস দলপতি নিগার সুলতানা। ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই ৫০ রান এনে দেন ওপেনার শামিমা সুলতানা ও মুর্শিদা খাতুন।

ম্যাচের সপ্তম ওভারের শেষ বলে ১৩ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় মুর্শিদাকে। এক ওভার বাদেই ৩০ করে ফেরেন শামিমা।

এরপর ফারজানা হককে সঙ্গে নিয়ে হাল ধরেন নিগার সুলতানা। গড়েন ৫৩ রানের জুটি। দলীয় ১০৮ রানে ফারজানা ও ১১৩ রানে নিগার রিটায়ার্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন।

এরপর সোবহানা মোস্তারির ২৫ ও ঋতুমনির অপরাজিত ১১ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৮ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে রুমানার বোলিং তোপের সামনে পুরো ২০ ওভার টিকতে পারেনি স্কটল্যান্ড। স্কটিশ অধিনায়ক ক্যাথেরিন ব্রেস কেটি ম্যাকগিলের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পরও পরাজয় এড়ানো সম্ভব হয়নি স্কটল্যান্ডের।

৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা।

বাংলাদেশের হয়ে তিনটি উইকেট নেন রুমানা আহমেদ। একটি করে উইকেট নেন সালমা খাতুন, ফারিহা তৃষ্ণা ও ফাহিমা খাতুন।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন

ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

যুব বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হারল বাংলাদেশ। ছবি: টুইটার

ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ডের বোলিং দাপটের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। ছোট সেই টার্গেট সাত উইকেট হাতে রেখে জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ২৫ ওভার এক বলে টার্গেট টপকে যায় দলটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ‍মিশনটা হোঁচট দিয়ে শুরু করেছে বাংলাদেশের যুবরা। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে নেমে ‘এ’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা।

ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ডের বোলিং দাপটের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। ছোট সেই টার্গেট সাত উইকেট হাতে রেখে জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ২৫ ওভার এক বলে টার্গেট টপকে যায় দলটি।

ওয়ার্নার পার্কে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।

টপ অর্ডারের সবাই ব্যর্থ হওয়ায় ধারাবাহিক উইকেট হারিয়ে ৯৭ রানের দলীয় সংগ্রহ দাঁড় করে টাইগাররা।

ইংল্যান্ডের বোলার জশুয়া বয়ডেন একাই নেন চার উইকেট।

শুরুর ৮ রানের মাথায় চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে যায় রাকিবুল-আরিফুলরা। টপ অর্ডারের চার ব্যাটার মাহফিজুল, আরিফুল, নাবিল ও উইকেটকিপার ফাহিম রান করেছেন যথাক্রমে ৩, ৪, ০ ও ১। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই এমন বিপর্যয়ের পর ঘুরে দাঁড়াতে বেগ পেতে হয় টাইগারদের।

১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন আইচ মোল্লা। আশিক ও মামুন ক্রিজ থেকে বিদায় নেন দলে ৯ ও ৪ রান যোগ করে।

অধিনায়ক রাকিব ফেরেন শূন্য রানে। শেষে মেহেরবের ১৪ রানের সুবাদে কিছুটা গতি পায় বাংলাদেশের রানের চাকা।

তার বিদায়ের পর শেষে রিপন মণ্ডলের ৩৩ ও নাইমের ১১ রানের জুটিতে হাফ ছেড়ে বাঁচে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ উইকেটে তাদের ৪৬ রানের জুটি ম্যাচে টিকিয়ে রাখে বাংলাদেশকে। নাইম সাজঘরে ফিরলে ৩৫ ওভার ২ বলে দলীয় সংগ্রহ ৯৭ রানে থামে বাংলাদেশ দলের ইনিংস।

টার্গেটে নামা ইংল্যান্ডের ২ উইকেট নিয়ে শুরুতেই আশা জাগায় বাংলাদেশ। ২৬ রানের মাথায় জর্জ থামস ও টম প্রেস্টকে সাজঘরে পাঠায় টাইগার বোলাররা। পরে আর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। রান আউট হওয়ার আগে ৪৪ রান করে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ইংল্যান্ডের ব্যাটার জেকব বেথাল।

পরে জেমস রিউয়ের অপরাজিত ২৬ ও লাক্সটনের ৬ রানে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে ইংল্যান্ড। পরাজয়ের স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

তবে এখানেই নক আউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাচ্ছে না রাকিব-ফাহিমদের। জয়ের আশায় ২০ জানুয়ারি কানাডার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ যুব দল।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে উইলিয়ামসের সেঞ্চুরিতেও রক্ষা পায়নি জিম্বাবুয়ে

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে উইলিয়ামসের সেঞ্চুরিতেও রক্ষা পায়নি জিম্বাবুয়ে

তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। ছবি: টুইটার

উইলিয়ামসের সেঞ্চুরি ও চাকাবভার ফিফটিতে ২৯৬ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয় জিম্বাবুয়ে। ৯ বল বাকি থাকতে পাঁচ উইকেটে লক্ষ্য টপকে যায় শ্রীলঙ্কা।

পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তিন ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। উইলিয়ামসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে আশা জাগিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি সফরকারীদের। পাঁচ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে লঙ্কানরা।

উইলিয়ামসের সেঞ্চুরি ও চাকাভোয়ার ফিফটিতে ২৯৬ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয় জিম্বাবুয়ে। ৯ বল বাকি থাকতে পাঁচ উইকেটে লক্ষ্য টপকে যায় শ্রীলঙ্কা।

এ জয়ে ঘরের মাঠে সিরিজে লিড নিলেন শানাকা-চান্ডিমালরা।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। ওপেনার কাইতানোকে নিয়ে ৮০ রানের দুর্দান্ত জুটি উপহার দেন চাকাবভা ৪২ রানে ফেরেন কাইতানো। ৭২ রানের ফিফটি করে সাজঘরে ফেরেন উইকেটকিপার চাকাবভা।

ক্রিজে নেমে থিতু হতে পারেননি অধিনায়ক ক্রেইগ আরভাইন। ৯ রানে বিদায় নিলে ক্রিজে নেমে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন শন উইলিয়ামস। ৮৭ বলে শতক পূর্ণ করেন এ ব্যাটার। দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৯৬ রান।

বল হাতে তিন উইকেট নেন চামিকা করুনারত্নে। দুটি করে উইকেট তুলে নেন নুয়ান প্রদিপ ও ভ্যানডারসে। একটি উইকেট পান কামিন্ডু মেন্ডিস।

টার্গেটে নেমে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। ৭৫ রান করে ফেরেন এ ব্যাটার। পরে দিনেশ চান্দিমাল ৭৫ রানের ফিফটি করে দলকে ভিত এনে দেন। শেষে ৭১ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরার আগে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নেন আসালাঙ্কা।

তাদের বিদায়ের পর শেষ কাজ সারেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও করুনারত্নে। ৪৮ ওভার ৩ বলে টার্গেট টপকে যায় শ্রীলঙ্কা।

এ জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। একই ভেন্যুতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ আগামী ১৮ জানুয়ারি।

আরও পড়ুন:
হারের পরও উইকেটের প্রশংসায় মুমিনুল
সাকলায়েনের নজর কেড়েছেন তাইজুল
ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

শেয়ার করুন