জয় থেকে ৯৩ রান দূরে পাকিস্তান

player
জয় থেকে ৯৩ রান দূরে পাকিস্তান

রানের জন্য ছুটছেন আবিদ ও শফিক। ছবি: এএফপি

বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। পঞ্চম দিন অবিশ্বাস্য কিছু করতে হলে স্বাগতিক দলের চাই ১০ উইকেট।

চট্টগ্রাম টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে পাকিস্তান। শেষ দিন সফরকারী দলের আরও ৯৩ রান দরকার দুই ম্যাচে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে।

বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। পঞ্চম দিন অবিশ্বাস্য কিছু করতে হলে স্বাগতিক দলের চাই ১০ উইকেট।

নির্ধারিত সূচির ১৮ ওভার বাকি থাকতে আলোক স্বল্পতায় শেষ করা হয় দিনের খেলা। ৫৬ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন আবিদ আলি। তার সঙ্গী আবদুল্লাহ শফিক খেলছেন ৫৩ রানে।

সাগরিকায় তিন ইনিংসের ব্যাট বলের লড়াইয়ের পর সমীকরণ দাঁড়িয়েছে এমনটা।

চতুর্থ দিন সকালে ৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাকি উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। লিড দাঁড় করায় ২০১ রানের।

সকালের সেশনের শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। প্রথম ওভারে ১৬ রান করা মুশফিকুর রহিম হাসান আলির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর ইয়াসির রাব্বিকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস।

প্রথম ইনিংসে অনবদ্য সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সাবলীল ছিলেন লিটন। তাকে ভালো সঙ্গ দেন অভিষেক হওয়া রাব্বি।

শাহিন আফ্রিদির বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ৩৬ রান করা রাব্বি। আট নম্বরে নামা মিরাজও লিটনকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ১১ রান করে আউট হন সাজিদ খানের বলে।

সপ্তম উইকেটে রাব্বির কনকাশন সাব নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন।

৮৩ বলে লিটন তুলে নেন তার ফিফটি। ৬টি বাউন্ডারি ছিল তার ইনিংসে।

সোহান ১৫ রান করে সাজিদের বলে ফেরেন। ততক্ষণে বাংলাদেশের লিড ছাড়ায় ২০০।

এরপরই আউট হয়ে যান লিটন। ৫৯ রান করে আফ্রিদির বলে ফেরেন তিনি।

লিটন আউট হওয়ার পর স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৫৭ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিক দল।

শেষ চার উইকেট পাকিস্তান তুলে নেয় মাত্র চার রানে। ৬ উইকেটে ১৫৩ থেকে থেকে ১৫৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের লিড দাঁড়ায় ২০১ রানের।

শাহিন আফ্রিদি ৩২ রানে ৫টি আর সাজিদ খান ৩৩ রানে ৩টি উইকেট নেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করোনা টেস্টে বিপিএলের ‘৩-৪ জন’ পজিটিভ

করোনা টেস্টে বিপিএলের ‘৩-৪ জন’ পজিটিভ

বিপিএলের অষ্টম আসরে প্লেয়ার্স ড্রাফটের প্যানেল। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) তিন-চার জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আরও আসবে। মূল পরীক্ষা তো আজকে (মঙ্গলবার)। খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের থেকে তিন চার জনের পজিটিভ আসার খবর আমাদের কাছে আছে। কারা আক্রান্ত হয়েছেন সেটা আসলে বলাটা ঠিক হবে না।’

২১ জানুয়ারি থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের অষ্টম আসর। এই আসর মাঠে গড়ানোর আগে খেলোয়াড় ও দলগুলোর স্টাফদের করোনা টেস্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রথম দিনের টেস্টে তিন-চার জনের দেহে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। বলেছেন, আরও ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফের করোনা পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে যাদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তাদের মধ্যে খেলোয়াড় কত জন বা সাপোর্ট স্টাফ কত জন, তা জানানো হয়নি। তাদের নামও উল্লেখ করা হয়নি। তবে যারা করোনায় আক্রান্ত তাদের কোনো উপসর্গ নেই।

দেবাশীষ বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) তিন-চার জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আরও আসবে। মূল পরীক্ষা তো আজকে (মঙ্গলবার)। খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের থেকে তিন চার জনের পজিটিভ আসার খবর আমাদের কাছে আছে। কারা আক্রান্ত হয়েছেন সেটা আসলে বলাটা ঠিক হবে না।’

পজিটিভ আসা খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের আপাতত বাড়িতে আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে। এরপর ১০ দিন পর আরও একটি পরীক্ষা করিয়ে সেখানে নেগেটিভ এলেই তাদের মিলবে বিপিএলে অংশ নেয়ার সুযোগ।

দেবাশীষ বলেন, ‘যারা পজিটিভ এসেছেন তাদের কোনো উপসর্গ নেই। আমরা তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছি। বায়ো বাবলে তো তারা আর ঢুকতে পারবে না। আমরা আবার হয়তো সাতদিন থেকে ১০ দিন পর আরেকটি পরীক্ষা করিয়ে দেখব। নেগেটিভ এলে তারপর সে বায়ো বাবলে ঢুকতে পারবে।’

দেশে গত কিছু দিন ধরে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। তাই আগে থেকেই অনুমেয় ছিল, মাঠে গড়ানোর আগেই এই ভাইরাস হানা দিতে পারে বিপিএলে।

এ ছাড়া, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে দেখা যায়, কোথাও কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। আয়োজকদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া বেশ কিছু ক্রিকেটারের ভেতর ছিল না মাস্ক পরার প্রবণতা। সামাজিক দূরত্ব ছিল উধাও।

বেশির ভাগ জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান হয়েছে ছোট জায়গায়। সেখানে ছিল ক্রিকেটার ও সংবাদকর্মীদের গাদাগাদি। এমনকি ঢোকার সময় হাত স্যানিটাইজও করা হয়নি কোনো কোনো জায়গাতে। যেখানে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোরই এমন বেহাল দশা, সেখানে ক্রিকেটারদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর স্বাভাবিকই বটে।

শেয়ার করুন

মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে শঙ্কিত নন কোচ

মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে শঙ্কিত নন কোচ

অনুশীলনে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ছবি: বিসিবি

ঢাকার হেড কোচ মিজানুর রহমান বাবুল জানান, মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত নন তিনি। বরং প্রতি ম্যাচে তাকে দেখা যাবে বলে আশা তার।

সবকিছু ঠিক থাকলে ২১ জানুয়ারি পর্দা উঠছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের। আসন্ন এই আসরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর মাঠে নামতে যাচ্ছেন মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। এবারের বিপিএলে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার হয়ে মাঠ মাতাবেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

লম্বা সময় ২২ গজ থেকে দূরে থাকায় স্বভাবতই শঙ্কা জাগতে পারে ম্যাশের ফিটনেস নিয়ে। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন ঢাকার হেড কোচ মিজানুর রহমান বাবুল।

ঢাকার জার্সি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমকে বাবুল জানান, মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত নন তিনি। বরং প্রতি ম্যাচে এ অভিজ্ঞ পেইসারকে দেখা যাবে বলে আশা তার।

বাবুল বলেন, ‘দেখুন, যে যত বড় খেলোয়াড় হোক তাকে ফিট থাকতে হবে। ফিট না হলে খেলতে পারবে না। প্রথমত আমরা দেখব সে ফিট আছে কি না। মাশরাফি কিন্তু বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে পরের দিকে এসে ম্যাচ জিতিয়েছে। শুরুতে খেলেনি।

‘এবার বিপিএল খেলার জন্য সে প্রায় ১০ কেজি ওজন কমিয়েছে। তার প্রস্তুতি ওরকম ছিল। আমার মনে হয় মাশরাফি ইজ মাশরাফি... ইনশাআল্লাহ্‌ (নিয়মিত ম্যাচেই দেখা যাবে)’, তিনি যোগ করেন।

২০২০ সালের ১৮ ডিসেম্বর সবশেষ ২২ গজে নেমেছিলেন মাশরাফি। দীর্ঘ এক বছর পর বিপিএলের মধ্য দিয়ে আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছেন ম্যাশ। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের বিপিএলই হতে যাচ্ছে তার শেষ বিপিএল।

শেয়ার করুন

কমনওয়েলথ বাছাই: মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে শুরু টাইগ্রেসদের

কমনওয়েলথ বাছাই: মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে শুরু টাইগ্রেসদের

ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে রুমানা আহমেদ। ছবি: বিসিবি

টাইগ্রেস বোলারদের বোলিং তোপে ৪৯ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংসের চাকা। জবাবে ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ নারী দল।

কমনওয়েলথ গেমসের নারী ক্রিকেটের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ নারী দল। টাইগ্রেস বোলারদের বোলিং তোপে ৪৯ রানেই থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংসের চাকা।

কুয়ালালামপুরের কিনারা একাডেমি ওভালে টসে জিতে মালয়েশিয়াকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ দলপতি নিগার সুলতানা। বল হাতে ম্যাচের প্রথম থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরেন অভিষিক্ত সুরাইয়া আজমিন ও রুমানা আহমেদ।

তাদের সঙ্গে যোগ দেন ঋতু মণি, সালমা খাতুন ও নাহিদা আক্তার। বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৪৯ রানের পুঁজি পায় মালয়েশিয়া।

দলের হয়ে দুই অঙ্কের রান ছোঁয়া সম্ভব হয় কেবলমাত্র অধিনায়ক উইনফার্ড দুরাইসিঙ্ঘাম (১২) ও মাস এলিসার (১১)। বাকিদের ফিরতে হয় এক রানের ঘরে আটকে থেকেই।

বাংলাদেশের হয়ে ৪ রানে ২ উইকেট নেন রুমানা আহমেদ। অভিষিক্ত সুরাইয়া নেন ৭ রানে ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন সালমা, নাহিদা ও ঋতু।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই শামিমা সুলতানা ও মুর্শিদা খাতুন জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান দলকে।

১৯ বলে ২৮ করা শামিমা বিদায় নেন দলীয় ৩৮ রানে। আর ১৪ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় মুর্শিদাকে। দলীয় স্কোর সে সময় ৪৪।

বাকি কাজ শেষ করেন অধিনায়ক নিগার ও ফারজানা হক মিলে। দলকে এনে দেন আট উইকেটের দুর্দান্ত এক জয়।

শেয়ার করুন

বিপিএলে দেশিদের পারফরম্যান্স চান সালাহউদ্দিন

বিপিএলে দেশিদের পারফরম্যান্স চান সালাহউদ্দিন

স্টিভ রোডসের সঙ্গে আলোচনায় মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

এবারের বিপিএলে যেসব বিদেশি খেলোয়াড় আছেন তাদের বেশির ভাগেরই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশের উইকেটে খেলার। যাদের রয়েছে, সেটিও লম্বা সময় আগের।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের পর্দা উঠতে বাকি আর তিন দিন। দেশের তিন ভেন্যু শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসর।

এর মধ্যে ২০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে শেরে বাংলার মন্থর উইকেটে। ৮টি ম্যাচ হবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আর ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেটের ম্যাড়ম্যাড়ে উইকেটে।

এবারের বিপিএলে যেসব বিদেশি খেলোয়াড় রয়েছেন তাদের বেশির ভাগেরই পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশের উইকেটে খেলার। যাদের রয়েছে, সেটিও লম্বা সময় আগের।

আর তাই দেশি ক্রিকেটারদের সাম্প্রতিক সময়কার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখানো উচিত বলে মনে করছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হেড কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।

সালাহউদ্দিন চান বিদেশি ক্রিকেটাররা যাতে এই উইকেটে পারফর্ম করতে না পারে। তাহলে দেশি ক্রিকেটাররা জ্বলে ওঠার সুযোগ পাবেন।

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘যদি বিদেশিরা পারফর্ম করতে না পারে তাহলে তো খুব ভালো। স্থানীয়রা পারফর্ম করতে পারলে ভালো। যেহেতু তারা এমন উইকেটে অভ্যস্ত, অন্তত তাদের পারফর্ম করা উচিত। উইকেট নিয়ে কথা বলতে চাই না। রান যেমন হবে সে অনুযায়ীই খেলবেন।’

গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শেরে বাংলার ‘ধানক্ষেতে’ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে বিশ্বকাপ মিশনে গিয়েছিল বাংলাদেশ। আর সেখানকার স্পোর্টিং উইকেটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।

শেরে বাংলার মন্থর উইকেটে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে স্পোর্টিং উইকেট ফেস করতে গিয়ে প্রতি ম্যাচেই ভেঙে পড়েছিল ডমিঙ্গো শীষ্যদের ব্যাটিং লাইনআপ। ফলাফল ৮ ম্যাচে ২ জয়। তাও আবার দুটি বাছাইপর্বে।

এরপরও এত সময় পেরিয়ে গেলেও উইকেট ইস্যুতে কানে তালা গুঁজে রেখেছেন যেন বোর্ড কর্তারা। এখন দেখার বিষয় বিপিএলকে সামনে রেখে কেমন পরিবর্তন আনা হচ্ছে শেরে বাংলার উইকেটে।

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের নেতৃত্বে আকবর, ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ

চট্টগ্রামের নেতৃত্বে আকবর, ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জার্সি উন্মোচন। ছবি: চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

জার্সি উন্মোচনের পাশাপাশি এদিন ঘোষণা করা হয় দুই দলের অধিনায়কের নাম। যেখানে চট্টগ্রামের অধিনায়কত্ব করতে দেখা যাবে যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলীকে। অপরদিকে জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি দলপতি মাহমুদুল্লাহ সামলাবেন ঢাকাকে নেতৃত্ব দেয়ার গুরুভার।

দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর। আসরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করছে দলগুলো। দল গোছানোর পর এবারে বাকি কাজগুলো শেষ করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা।

সে ধারাবাহিকতায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জমকালো আয়োজনে উন্মোচিত হলো, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের এবারকার আসরের জন্য চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জার্সি। একই দিন উন্মোচিত হয় মিনিস্টার ঢাকার জার্সিও।

জার্সি উন্মোচনের পাশাপাশি এদিন ঘোষণা করা হয় দুই দলের অধিনায়কের নাম। যেখানে চট্টগ্রামের অধিনায়কত্ব করতে দেখা যাবে যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলীকে। অপরদিকে জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি দলপতি মাহমুদুল্লাহ সামলাবেন ঢাকাকে নেতৃত্ব দেয়ার গুরুভার।

জার্সির পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ওয়েবসাইটের পথচলা শুরু হয়েছে একই অনুষ্ঠানে। মাঠ ও মাঠের বাইরে চ্যালেঞ্জার্সের সব ধরনের কর্মকান্ড থাকবে এই ওয়েবসাইটে।

জার্সি ও ওয়েবসাইট উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হেড কোচ পল নিক্সন, বোলিং কোচ শন টেইট, নাসুম আহমেদ, সাব্বির রহমান, শরিফুল ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীসহ অন্যরা।

এরই মধ্যে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিদেশি ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস, রায়াদ এমরিট, ভিডিও অ্যানালিস্ট, ট্রেইনারসহ অন্য টেকনিক্যাল স্টাফ।

অপরদিকে ঢাকার হয়ে উপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

শেয়ার করুন

আবারও বাংলাদেশে স্টিভ রোডস

আবারও বাংলাদেশে স্টিভ রোডস

স্টিভ রোডস। ফাইল ছবি

শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার উপস্থিত হলেন জাতীয় দলের সাবেক কোচ স্টিভ রোডস। নেমে গেলেন একাডেমি মাঠে ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুশীলনে।

জাতীয় দলের কোচিং প্যানেল পরিবর্তনে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে ক্রিকেটপাড়ায়। ইতোমধ্যে ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে বোর্ড চুক্তিবদ্ধ হয়েছে জেমি সিডন্সের সঙ্গে। জোর গুঞ্জন, কোচিং প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন শ্রীলঙ্কান কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহেও।

এমন সময় একেবারে হুট করে সোমবার সকালে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উপস্থিত হলেন জাতীয় দলের সাবেক কোচ স্টিভ রোডস। নেমে গেলেন একাডেমি মাঠে ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুশীলনে।

আর সে সময় গুঞ্জন ছিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে কি ঢাকায় এসেছেন রোডস? উত্তরটা জানা গেল কিচ্ছুক্ষণের মধ্যেই। জাতীয় দলের না, রোডস এসেছেন বিপিএলের দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের কোচিং প্যানেলে যোগ দিতে।

সোমবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছিক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কোচিং প্যানেলের অংশ স্টিভ রোডস। দলের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে আসন্ন বিপিএলে থাকবেন তিনি।’

রোডসকে কুমিল্লার হেড কোচ হিসেবে আনতে চেয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্তারা। প্রথম দিকে মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন হেড কোচের দায়িত্ব নেবেন কি না সেটি নিশ্চিত করেননি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই রোডসের স্মরণাপন্ন হয় কুমিল্লা।

তবে বিপত্তি বাধে যখন দেশবরেণ্য কোচ সালাহউদ্দিন হেড কোচের ভূমিকায় থাকতে রাজি হন তখন। যার ফলে কথা রাখতে সাকিব-মাশরাফিদের সাবেক এই গুরুকে ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এই ইংলিশ ট্যাকটিশিয়ান। তবে ২০১৯ সালে বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের জের ধরে তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

শেয়ার করুন

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ছে আয়ারল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে আইরিশরা জয় পায় দুই উইকেটে। আর তাতেই প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল আয়ারল্যান্ড।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের হাতছানি দেখলেও জয়ের দেখা পায়নি আয়ারল্যান্ড। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল আইরিশরা। পেয়েছিল পাঁচ উইকেটের বড় জয়। আর সিরিজের শেষ ম্যাচে জয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ইতিহাস গড়ল পল স্টারলিংয়ের দল।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে আইরিশরা জয় পায় দুই উইকেটে। আর তাতেই প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল আয়ারল্যান্ড।

রোববার জ্যামাইকার স্যাবিনা পার্কে আগে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৪ ওভারেই অলআউট হয় ২১২ রান করে। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৪.৫ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আইরিশ বোলারদের ওপর আগ্রাসন চালাতে থাকেন দুই ক্যারিবীয় ওপেনার শাই হোপ ও জাস্টিন গ্রিভস। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ১১ ওভারেই ৭২ রান যোগ করে ফেলেন তারা।

তবে ৩৯ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে শাই হোপের সাজঘরে ফেরার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিং লাইনআপ।

স্কোরশিটে ৪৭ রান যোগ করতেই পতন ঘটে স্বাগতিকদের সাত উইকেটের। সম্ভাবনা জেগেছিল ক্যারিবীয়দের ১৫০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার।

তবে টেইল এন্ডারদের কল্যাণে ২০০ রান পেরোয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জেসন হোল্ডারের ৪৪, রোমারিও শেফার্ড ১৩, আকিল হোসেন ২৩ ও ওডিয়ান স্মিথ খেলেন ২০ রানের ইনিংস। যার সুবাদে ২১২ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।

আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন ম্যাকব্রেইন। আর ক্রেইগ ইয়ংয়ের ঝুলিতে যায় ৩টি উইকেট। একটি করে উইকেট নেন কার্টিস ক্যাম্পফার ও জর্জ ডকরেল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে হোঁচট খেলেও পল স্টারলিংয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ট্র্যাকে ফিরে আসে আয়ারল্যান্ড। ৩৮ বলে ৪৪ করে বিদায় নিলে দলের হাল ধরেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনি ও হ্যারি টেক্টর।

সাজঘরে ফেরার আগে ম্যাকব্রিনির ব্যাট থেকে আসে ৫৯ রান, আর টেক্টরের ৫২। মূলত এই দুই ইনিংসে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যায় আয়ারল্যান্ড।

শেষতক ২ উইকেট ও ৩১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে তরি ভেড়ায় আইরিশরা। এতেই রচিত হয় এক ইতিহাস।

শেয়ার করুন