দুই ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নিয়েও সিরিজ হাতছাড়া বাংলাদেশের 

দুই ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নিয়েও সিরিজ হাতছাড়া বাংলাদেশের 

প্রথম ম্যাচ জয়ের পর উচ্ছ্বসিত শাদাব খান ও মোহাম্মদ নাওয়াজ। ফাইল ছবি

সিরিজের শেষ ম্যাচেও নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। একেবারে শেষ ওভারে ম্যাচে সমতা নিয়ে আসে স্বাগতিক দল। সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শেষ ওভারে পাকিস্তানকে পরাজিত করার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বাংলাদেশ। 

পাকিস্তানের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরে বছরের শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ সহ আট ম্যাচে হেরেছে মাহমুদুল্লাহর দল।

ম্যাচগুলোর অধিকাংশেই ডেথ ওভারে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে টাইগাররা।

যার দারুণ উদাহরণ বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের সিরিজের প্রথম ম্যাচ। জয়ের জন্য পাকিস্তানের শেষ তিন ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩২ রান। অক্ষত চারটি উইকেট।

সে সময় জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু করেন লাখো টাইগার ক্রিকেটভক্ত। কারণ ওই তিন ওভারের একটি ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের।

বল হাতে নেন ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট এ পেইসার। কিন্তু ১৮তম ওভারে তিনি দেন ১৫ রান।

পরের ওভারে শরীফুল ইসলামের ছয় বলে ১৫ রান নেন মোহাম্মদ নাওয়াজ ও শাদাব খান। চোখের নিমিষে ব্যবধান কমে দাঁড়ায় এক ওভারে দুই রান।

শেষ ওভারে আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে বাইরে পাঠান শাদাব খান। ৪ উইকেটের জয় বাগিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।

একই পরিস্থিতি না হলেও সিরিজের শেষ ম্যাচেও নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। একেবারে শেষ ওভারে ম্যাচে সমতা নিয়ে আসে স্বাগতিক দল।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শেষ ওভারে পাকিস্তানকে পরাজিত করার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বাংলাদেশ।

শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল আট রান। অক্ষত ছিল আটটি উইকেট। বল হাতে এলেন রিয়াদ।

এসে দ্বিতীয় বলে ফেরান সারফ্রাজ আহমেদকে। পরের বলে তাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে শান্তর হাতে ধরা দেন বিপজ্জনক হায়দার আলি।

পাকিস্তানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩ বলে ৮ রান। আরও একবার জয়ের আশায় স্বপ্ন দেখা শুরু করেন লাল-সবুজের ভক্তরা।

চতুর্থ বলে লাইন লেংথের খেই হারিয়ে ফেলেন রিয়াদ। ফলে বোলারের মাথার উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ২ বলে ২ রান।

পঞ্চম বলে ফের আঘাত হানেন রিয়াদ। ইয়াসির রাব্বির তালুবন্দি করে ফেরান ইফতেখারকে। আরও একবার চাপে পড়ে পাকিস্তান। বাংলাদেশ দেখতে শুরু করে অধরা সেই জয়।

নতুন আসা নাওয়াজ ডেড বলে বোল্ড হন। পরের বলে হাত ঘুরিয়েও বল রিলিজ করেননি মাহমুদুল্লাহ। স্নায়ুচাপ ছিল স্বাগতিকদের ডাগ আউটে সবার চোখে মুখে।

শেষ বলে আবার খেই হারান রিয়াদ। অভিজ্ঞ এ ক্রিকেটার ভুগছিলেন স্নায়ুচাপে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে চার মেরে রোমাঞ্চকর এক জয় বাগিয়ে নেয় পাকিস্তান। সেই সঙ্গে ক্লিন সুইপ করে বাংলাদেশকে।

এই দুই ম্যাচে স্লগ ওভারে বোলাররা পারফরম্যান্স দেখাতে সক্ষম হতেন তাহলে হয়তো সিরিজের ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো।

প্রতি ম্যাচে স্লগ ওভারের চাপ নিতে ব্যর্থ বাংলাদেশের বোলাররা। টানা ব্যর্থতা থেকে বেরিয়ে আসতে এ সমস্যার সমাধান দ্রুতই খুঁজতে চাইবেন টিম ম্যানেজমেন্ট

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্পিনারদের কল্যাণে দিনের প্রথম সেশন বাংলাদেশের

স্পিনারদের কল্যাণে দিনের প্রথম সেশন বাংলাদেশের

সেশনের চারটি উইকেটের তিনটি নেন তাইজুল ইসলাম। ছবি: এএফপি

মধ্যাহ্ন বিরতির সময় পাকিস্তানের সংগ্রহ চার উইকেটের বিনিময়ে ২০৩ রান। বাংলাদেশের চেয়ে সরফরকারীরা পিছিয়ে ১২৭ রানে।

বিনা উইকেটে তৃতীয় দিন শুরু করে চার উইকেট হারিয়ে প্রথম সেশন শেষ করেছে পাকিস্তান। মধ্যাহ্ন বিরতির সময় পাকিস্তানের সংগ্রহ চার উইকেটের বিনিময়ে ২০৩ রান। বাংলাদেশের চেয়ে সরফরকারীরা পিছিয়ে ১২৭ রানে।

১২৭ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন আবিদ আলি। তার সঙ্গী মোহাম্মদ রিজওয়ান খেলছেন ৫ রান নিয়ে।

তৃতীয় দিনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তাইজুলের প্রথম শিকার হয়ে ফেরেন শফিক। পরের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে রানের খাতা খোলার আগে মাঠ ছাড়েন আজহার আলি।

এরপর মিরাজের স্পিনে বেসামাল হয়ে স্টাম্প হারিয়ে ১০ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে ফাওয়াদ আলমকে ফিরতে হয় তাইজুলের স্পিন বিষে ৮ রান করে। আর এর ফলে প্রথম সেশনে পাকিস্তান হারায় তাদের টপ অর্ডার।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৩০ রানের জবাবে শক্ত অবস্থানে থেকে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

দুই পাকিস্তানি ওপেনার আবিদ আলি ও আবদুল্লাহ শফিকের সামনে পাত্তা পাননি বাংলাদেশের বোলাররা।

ধৈর্য্যের সঙ্গে উইকেটে টিকে থেকে অর্ধশতক হাকান আবিদ। এরপর ব্যাট ছোটান সেঞ্চুরির দিকে। সেঞ্চুরিটা পেয়ে যেতেন যদি না আলো স্বল্পতার কারণে ৬ ওভার আগে খেলা বন্ধ না হত।

সঙ্গী শফিকও কম যাননি। তিনিও তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক। এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ভর করে বিনা উইকেটে ১৪৫ রানের পুঁজি নিয়ে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন

চার উইকেট তুলে পাকিস্তানকে চাপে ফেলল টাইগাররা

চার উইকেট তুলে পাকিস্তানকে চাপে ফেলল টাইগাররা

উইকেট উদযাপন করছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ছবি: বিসিবি

সকালের সেশনের চার উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান। তিনটিই নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। তার সবশেষ শিকার ৮ রান করা ফাওয়াদ আলম।

দিনের প্রথম ওভারে দুই উইকেট বাগিয়ে নেয়া তাইজুলের আঘাতে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটেছে পাকিস্তানের। স্পিন ঘুর্ণিতে এইবার তাইজুলের শিকার ফাওয়াদ আলম। এর ফলে প্রথম সেশনে চার উইকেট হারাল অতিথি দল।

তৃতীয় দনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তাইজুলের প্রথম শিকার হয়ে ফেরেন শফিক। পরের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে রানের খাতা খোলার আগে মাঠ ছাড়েন আজহার আলি।

এরপর মিরাজের স্পিনে বেসামাল হয়ে স্টাম্প হারিয়ে ১০ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে ফাওয়াদ আলমকে ফিরতে হয় মিরাজের স্পিন বিষে ৮ রান করে।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৩০ রানের জবাবে শক্ত অবস্থানে থেকে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

দুই পাকিস্তানি ওপেনার আবিদ আলি ও আবদুল্লাহ শফিকের সামনে পাত্তা পাননি বাংলাদেশের বোলাররা।

ধৈর্য্যের সঙ্গে উইকেটে টিকে থেকে অর্ধশতক হাকান আবিদ। এরপর ব্যাট ছোটান সেঞ্চুরির দিকে। সেঞ্চুরিটা পেয়ে যেতেন যদি না আলো স্বল্পতার কারণে ৬ ওভার আগে খেলা বন্ধ না হত।

সঙ্গী শফিকও কম যাননি। তিনিও তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক। এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ভর করে বিনা উইকেটে ১৪৫ রানের পুঁজি নিয়ে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন

মিরাজের বলে ফিরলেন বাবর

মিরাজের বলে ফিরলেন বাবর

ছবি: বিসিবি

দিনের শুরুতে তাইজুলের জোড়া আঘাতের পর পাকিস্তান শিবিরে তৃতীয় আঘাত হানলেন মেহেদি মিরাজ। ১০ রান করে ফেরেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

দিনের শুরুতে তাইজুলের জোড়া আঘাতের পর পাকিস্তান শিবিরে তৃতীয় আঘাত হানলেন মেহেদি মিরাজ। মিরাজের স্পিনে বেসামাল হয়ে স্টাম্প হারিয়ে বাবর আজমের সাজঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে প্রথম সেশনে তৃতীয় উইকেট হারাল সফরকারীরা।

১০ রান করে আউট হন পাকিস্তানের অধিনায়ক।

বিনা উইকেটে ১৪৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে দিনের প্রথম ওভারে তাইজুলের শিকার হয়ে এক রান যোগ করতে সাজঘরে ফেরেন আসাদুল্লাহ শফিক ও আজহার আলিকে।

দিনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তাইজুলের প্রথম শিকার হয়ে ফেরেন শফিক। পরের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে রানের খাতা খোলার আগে মাঠ ছাড়েন আজহার আলি।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৩০ রানের জবাবে শক্ত অবস্থানে থেকে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

দুই পাকিস্তানি ওপেনার আবিদ আলি ও আবদুল্লাহ শফিকের সামনে পাত্তা পাননি বাংলাদেশের বোলাররা।

ধৈর্যের সঙ্গে উইকেটে টিকে থেকে অর্ধশতক হাকান আবিদ। এরপর ব্যাট ছোটান সেঞ্চুরির দিকে। সেঞ্চুরিটা পেয়ে যেতেন যদি না আলো স্বল্পতার কারণে ৬ ওভার আগে খেলা বন্ধ হতো।

সঙ্গী শফিকও কম যাননি। তিনিও তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক। এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ভর করে বিনা উইকেটে ১৪৫ রানের পুঁজি নিয়ে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

বাংলাদেশি বোলারদের পরিসংখ্যানে বলার মতো কিছু ছিল না। অধিনায়ক মুমিনুল হকসহ বল করেছেন পাঁচজন বোলার। কেউই উইকেটের দেখা পাননি।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন

দিনের শুরুতে তাইজুলের জোড়া আঘাত

দিনের শুরুতে তাইজুলের জোড়া আঘাত

ফাইল ছবি

দিনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তাইজুলের প্রথম শিকার হয়ে ফেরেন শফিক। পরের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে রানের খাতা খোলার আগে মাঠ ছাড়েন আজহার আলি।

বিনা উইকেটে ১৪৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে দিনের প্রথম ওভারে পাকিস্তানের দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। স্কোরবোর্ডে এক রান যোগ করতে সাজঘরে ফেরেন আসাদুল্লাহ শফিক ও আজহার আলিকে।

দিনের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে তাইজুলের প্রথম শিকার হয়ে ফেরেন শফিক। পরের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে রানের খাতা খোলার আগেই মাঠ ছাড়েন আজহার আলি।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৩০ রানের জবাবে শক্ত অবস্থানে থেকে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

দুই পাকিস্তানি ওপেনার আবিদ আলি ও আবদুল্লাহ শফিকের সামনে পাত্তা পাননি বাংলাদেশের বোলাররা।

ধৈর্য্যের সঙ্গে উইকেটে টিকে থেকে অর্ধশতক হাকান আবিদ। এরপর ব্যাট ছোটান সেঞ্চুরির দিকে। সেঞ্চুরিটা পেয়ে যেতেন যদি না আলো স্বল্পতার কারণে ৬ ওভার আগে খেলা বন্ধ না হত।

সঙ্গী শফিকও কম যাননি। তিনিও তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক। এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ভর করে বিনা উইকেটে ১৪৫ রানের পুঁজি নিয়ে দিন শেষ করে পাকিস্তান।

বাংলাদেশি বোলারদের পরিসংখ্যানে বলার মতো কিছু ছিল না। অধিনায়ক মুমিনুল হকসহ বল করেছেন পাঁচজন বোলার। কেউই উইকেটের দেখা পাননি।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন

নিজেদের বোলিংকে দুর্বল মনে করছেন না লিটন

নিজেদের বোলিংকে দুর্বল মনে করছেন না লিটন

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে মাঠ ছাড়ছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। ছবি: বিসিবি

বোলিং দিয়ে পাকিস্তানের শিবিরে আঘাত করতে সক্ষম হননি জাতীয় দলের বোলাররা। তারপরও বোলিং লাইন আপকে দুর্বল ভাবছেন না জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান লিটন দাস।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৩০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১৪৫ রানের পুঁজি তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চেয়ে ১৮৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

পাকিস্তানের দুই ওপেনারের কাছে পাত্তা পায়নি জাতীয় দলের কোনো বোলার। তাইজুল-রাহিদের নির্বিষ বোলিংয়ে অর্ধশতক তুলে নেন দুইজনই।

দিন শেষে ৯৩ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন আবিদ আলি। তার সঙ্গী আবদুল্লাহ শফিক অপরাজিত রয়েছেন ৫২ রান নিয়ে।

বোলিং দিয়ে পাকিস্তানের শিবিরে আঘাত করতে সক্ষম হননি জাতীয় দলের বোলাররা। তারপরও বোলিং লাইন আপকে দুর্বল ভাবছেন না জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান লিটন দাস।

দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমনটা জানান।

লিটন বলেন, ‘আমি মনে করি না (তারা দুর্বল)। ইবাদত, রাহি সবাই তো টেস্ট বোলার। এর আগেও তারা সবাই দলের জন্য ভালো করেছে। সাহায্য করেছে। তাহলে এমন কথা কেন।’

আপাতদৃষ্টিতে ম্যাচে বাংলাদেশ ব্যাকফুটে হলেও লিটন সেটি মানতে নারাজ। এখনও ম্যাচে দুই দলের সম্ভাবনা দেখছেন জাতীয় দলের এই ব্যাটসম্যান।

লিটন বলেন, ‘আপাতত পাকিস্তান ভালো অবস্থানে আছে। কারণ তারা কোন উইকেট হারায়নি। তাদের ১-২টা উইকেট তুলে নিলে মনে হতো খেলা দুই দিকেই আছে। আমরা কাল যদি দ্রুত উইকেট তুলে নিতে পারি তাহলে ম্যাচ অন্য রকম হবে।’

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মুশফিকের তৃতীয় নার্ভাস নাইন্টিজ

চট্টগ্রামে মুশফিকের তৃতীয় নার্ভাস নাইন্টিজ

পাকিস্তানের বিপক্ষে উইকেটে মুশফিকুর রহিম। ছবি: এএফপি

সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৯ রান দূরত্বে ফাহিম আশরাফের বলে থামতে হয় মুশফিককে। আর তাতে টেস্টে চতুর্থবার ও সবমিলিয়ে আটবারের মতো নার্ভাস নাইন্টিতে সাজঘরে ফিরলেন জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক।

নার্ভাস নাইন্টিজ। ব্যাটসম্যানদের জন্য আতঙ্কের অপর নাম। এই শব্দটার সঙ্গে যেন মুশফিকুর রহিমের রয়েছে বেশ গভীর এক সম্পর্ক। বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি নার্ভাস নাইন্টির শিকার এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে মুশফিকের সামনে হাতছানি ছিল তামিম ইকবালকে টপকে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে নিজের নাম লেখানোর।

কিন্তু বিধিবাম। সেটি টপকানো হয়ে উঠেনি মুশফিকের। সফলতার গল্প লেখতে লেখতে রচনা করলেন ব্যর্থতার কাব্য।

রেকর্ড মুশির হয়েছে ঠিকই। তবে সেটি ব্যর্থতার। সাকিবকে টপকে বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিকবার নার্ভাস নাইন্টিজে মাঠ ছাড়ার রেকর্ডের এখন মালিক মুশফিক।

এর আগে সব ফরম্যাট মিলিয়ে সাতবার নব্বইয়ের ঘরে থেকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। শনিবার সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সাকিবকে টপকে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের মালিক এখন মুশফিক।

সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৯ রান দূরত্বে ফাহিম আশরাফের বলে থামতে হয় মুশফিককে। আর তাতে টেস্টে চতুর্থবার ও সবমিলিয়ে আটবারের মতো নার্ভাস নাইন্টিতে সাজঘরে ফিরলেন জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক।

যদিও মুশফিকের ফেরার বলটি নিয়ে আছে সংশয়। উইকেটরকিপারের হাতে ধরা পড়ার সময় বল ব্যাটে লেগেছিল কিনা দ্বিধা রয়েছে সেই বিষয়ে। একই সময় ব্যাট লেগেছে তার প্যাডে। আর সে কারণে দেখা দেয় সংশয়।

এই সাগরিকাতে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন মুশফিক। এরপর থেকে চট্টলার এই মাঠকে আর নিজের করে নিতে পারেননি তিনি।

বারবার সাগরিকা হতাশার উপহার দিয়েছে মুশফিকুর রহিমকে। তার নার্ভাস নাইন্টিজের তিনটিই যে এ ভেন্যুতে।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন

আক্সার-আশউইনের স্পিনে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

আক্সার-আশউইনের স্পিনে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

ভারতের বিপক্ষে নিস্ফল আবেদনের পর নিউজিল্যান্ডের কাইল জেমিসন। ছবি: এএফপি

আক্সারের পাঁচ আর আশউইনের তিন উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে ২৯৬ রানে থামাতে সমর্থ হয় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে এক উইকেট হারিয়ে ১৪ রান করে দিনের সমাপ্তি ডেকেছেন অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে।

দুই স্পিনার আক্সার প্যাটেল আর রভিচন্দ্রন আশউইনের স্পিন জাদুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত। তৃতীয় দিনে ব্ল্যাক ক্যাপদের গুটিয়ে ৬৩ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে স্বাগতিক দল।

আক্সারের পাঁচ আর আশউইনের তিন উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে ২৯৬ রানে থামাতে সমর্থ হয় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে এক উইকেট হারিয়ে ১৪ রান করে দিনের সমাপ্তি ডেকেছেন অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে।

কানপুরে প্রথম ইনিংসে শ্রেয়াস আয়ারের সেঞ্চুরি ও শুভমান গিল ও জাডেজার ফিফটিতে ৩৪৫ রান তোলে ভারত। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করলেও, ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি নিউজিল্যান্ড।

টম লেইথাম আর উইল ইয়াংয়ের ১৫১ রানের জুটিতে দুর্দান্ত শুরু পায় ব্ল্যাক ক্যাপস। পাঁচ রানের আক্ষেপকে সঙ্গী করে ৯৫ রানে ক্রিজ ছাড়েন লেইথাম। আর ৮৯ রানে বিদায় নেন উইল ইয়াং।

তাদের বিদায়ের পর ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে উইলিয়ামসনের দল। সর্বোচ্চ ২৩ রানের ইনিংস আসে পেইস বোলিং অলরাউন্ডার কাইল জেমিসনের ব্যাট থেকে। অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে আসে ১৮।

নিউজিল্যান্ড থামে ২৯৬ রানে। টানা পঞ্চম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে ভারতের হয়ে রেকর্ড গড়েন স্পিনার আক্সার প্যাটেল।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ১৪ রানের মাথায় এক উইকেট হারিয়েছে ভারত। জেমিসনের বলে বোল্ড হয়ে ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার শুভমান গিল। ৪ রানে মায়াঙ্ক আগারওয়াল আর ৯ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন চেতেশ্বর পুজারা।

আরও পড়ুন:
প্রথম টেস্টের দলে সাকিব-মুশি, চমক রেজাউর ও জয়
এক মাসের বিশ্রামে তামিম
সিরিজ হারলেও তরুণদের নিয়ে মাহমুদুল্লাহর উচ্ছ্বাস

শেয়ার করুন