হতাশার বৃত্ত পূরণ শেষে দেশে জামালরা

হতাশার বৃত্ত পূরণ শেষে দেশে জামালরা

দেশে ফেরার পর জাতীয় ফুটবল দল। ছবি: বাফুফে

দুই মাসের মধ্যে দুটি ফুটবল প্রতিযোগিতায় বড় ধাক্কা খেয়ে ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অক্টোবরে সাফে ফাইনালের আগে বিদায় নেয়া ও এ মাসে শ্রীলঙ্কায় চার জাতি টুর্নামেন্ট থেকে একইভাবে হতাশজনক বিদায়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার দেখা গেল নির্লিপ্ত তাকিয়ে রয়েছেন দেশের জাতীয় ফুটবলাররা। চেহারায় খুশির লেশমাত্র নেই। মুখে মাস্ক থাকায় অভিব্যক্তি বোঝা মুশকিল। তবে চোখ বলে দিচ্ছে সব কথা। শোকে কাতর যেন পুরো দল।

দুই মাসের মধ্যে দুটি ফুটবল প্রতিযোগিতায় বড় ধাক্কা খেয়ে ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অক্টোবরে সাফে ফাইনালের আগে বিদায় নেয়া ও এ মাসে শ্রীলঙ্কায় চার জাতি টুর্নামেন্ট থেকে একইভাবে হতাশজনক বিদায়।

এমন হতাশার গল্পই যেন দেশের ফুটবলের বিজ্ঞাপনে পরিণত হয়েছে। কষ্টের লঙ্কা সফর শেষে দেশে আসার পর গোমড়া মুখে যে যার গন্তব্যে ফিরেছেন জাতীয় দলের ফুটবলাররা।

নিজেদের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যেখানে ড্রয়ে ফাইনাল খেলার সমীকরণ ছিল, সেখানে ১০ জনের দলের সঙ্গে হেরে ফাইনালের আগে বিদায় নিতে হয় বাংলাদেশকে।

এমন হার হতাশজনক মানছেন দলের সাময়িক হেড কোচ মারিও লেমস। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক কাছাকাছি ছিলাম। মূল লক্ষ্য ছিল ফাইনাল খেলার। যেভাবে হেরেছি তা হতাশাজনক। আমরা আরও ভালো করতে পারতাম। কিন্তু যা হওয়ার হয়ে গেছে।

‘এখানে থেমে থাকা যাবে না। খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিতে চেষ্টা করেছে। আমিও তাই করেছি। পরের টুর্নামেন্টে আশা করছি আরও ভালো খেলা হবে।’

টুর্নামেন্টে সেশেলসের কাছে বাংলাদেশ হোঁচট খায় শেষ মুহূর্তের গোলে। শ্রীলঙ্কার কাছেও শেষ মুহূর্তে এমন পরিণতি। মনোযোগের অভাবে দল প্রতিবার শেষ মুহূর্তে গোল হজম করছে বলে মনে করেন জাতীয় দলের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রুপু।

তিনি বলেন, ‘সেশেলসের বিপক্ষে শেষ তিন মিনিট আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ দুই মিনিটে ম্যাচ দুইটা হাতছাড়া হয়েছে। এ জায়গায় বলব যে, কিছুটা মনোযোগের অভাব। সেই সঙ্গে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করা ও আচমকা গোল হজম করার কারণে আমাদের এমন ফল মেনে নিতে হচ্ছে।’

পুরো টুর্নামেন্টে ছিল বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের গোল মিসের মহড়া। এ সমস্যা নতুন নয়। রোগের সমাধান ক্লাবে দেখছেন জাতীয় দলের স্ট্রাইকার সুমন রেজা।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যাশামতো ফল করতে পারি নাই। ফিনিশিংয়ের যে সমস্যাগুলো হয়েছে, ক্লাবে গিয়ে সেগুলো নিয়ে কাজ করব। আমাদের হাতে ম্যাচটা ছিল। ব্যর্থতার জন্য ফাইনালে খেলতে পারি নাই।’

আপাতত এ বছরে আর কোনো টুর্নামেন্ট বা ম্যাচ নেই জাতীয় দলের। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে ফিফা উইন্ডোতে ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চালাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পিএসজির মাঠে রাতে ব্যালন ডর প্রদর্শন করবেন মেসি

পিএসজির মাঠে রাতে ব্যালন ডর প্রদর্শন করবেন মেসি

সপ্তম ব্যালন ডর ট্রফি হাতে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

ম্যাচ শুরুর আগে পিএসজির হোম গ্রাউন্ড পার্ক দ্য প্রিন্সেসে নিজের ব্যালন ডর ট্রফি প্রদর্শন করবেন মেসি। ক্লাবের সমর্থকদের সঙ্গে তার ট্রফি জয় উদযাপন করতেই বিশেষ এ আয়োজন রেখেছে পিএসজি।

নিজের ৭ নম্বর ব্যালন ডর ট্রফি জেতার পরদিনই মাঠে নামতে হচ্ছে লিওনেল মেসিকে। ফ্রেঞ্চ লিগে নিসের বিপক্ষে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নামছেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

ব্যালন ডর জেতার পরদিন অবশ্য অনুশীলন করেননি মেসি। পেটের পীড়ার কারণে মঙ্গলবার তাকে এক দিনের বিশ্রাম দেয় পিএসজি।

তবে প্যারিসিয়ানদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে বুধবার নিসের বিপক্ষে ম্যাচে থাকছেন মেসি।

ম্যাচ শুরুর আগে পিএসজির হোম গ্রাউন্ড পার্ক দ্য প্রিন্সেসে নিজের ব্যালন ডর ট্রফি প্রদর্শন করবেন এ ফুটবল জাদুকর।

ক্লাবের সমর্থকদের সঙ্গে তার ট্রফি জয় উদযাপন করতেই বিশেষ এ আয়োজন রেখেছে পিএসজি।

প্যারিসিয়ানদের হয়ে দারুণ ছন্দে আছেন মেসি। গোল স্কোরারের ভূমিকা পাল্টে বেছে নিয়েছেন প্লে-মেকারের ভূমিকা।

ফলটাও পিএসজি পেয়েছে হাতেনাতে। সবশেষ লিগ ম্যাচে সেইন্ট এতিয়েনের বিপক্ষে পিএসজির করা তিন গোলের তিনটির অ্যাসিস্টই ছিলেন মেসি।

নিসের বিপক্ষে পিএসজি মেসিকে পেলেও পাচ্ছে না আরেক তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারকে। পায়ের চোটে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেছেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার।

তার জায়গায় মেসি ও এমবাপের সঙ্গে আক্রমণ ভাগে দেখা যেতে পারে আনহেল দি মারিয়াকে।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন

নৌবাহিনীর জালে কিংসের গোল উৎসব

নৌবাহিনীর জালে কিংসের গোল উৎসব

গোলের পর কিংসের উল্লাস। ছবি: বাফুফে

মঙ্গলবার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে নৌবাহিনীকে ৬-০ গোল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ভ্রাঞ্জেসের জোড়া গোলের পাশাপাশি গোল পেয়েছেন এলিটা কিংসলে, জোনাথন ফার্নান্দেজ ও রবসন রবিনিয়ো। জোড়া অ্যাসিস্ট আছে ইব্রাহিমের নামের পাশে।

চলমান স্বাধীনতা কাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোলে নজর কেড়েছেন কিংসের বসনিয়ান ফুটবলার স্টোজান ভ্রাঞ্জেস।

মঙ্গলবার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে নৌবাহিনীকে ৬-০ গোল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস।

ভ্রাঞ্জেসের জোড়া গোলের পাশাপাশি গোল করেছেন এলিটা কিংসলে। গোল পেয়েছেন জোনাথন ফার্নান্দেজ ও রবসন রবিনিয়ো। জোড়া অ্যাসিস্ট আছে ইব্রাহিমের নামের পাশে। বাকি গোলটি আত্মঘাতী।

পুরো ম্যাচে কিংস আধিপত্য নিয়ে খেললেও গোলের প্রথম সুযোগটা তৈরি হয় নৌবাহিনীর জন্য।

ম্যাচের ২৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পান সাখাওয়াত রনি। একা বল নিয়ে গোলপোস্টের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় ডি-বক্সের সামনে পেছন থেকে ফাউল করেন তারিক কাজী। ফ্রি-কিক আদায় করে নেয় নৌবাহিনী। তবে জাহিদের স্টপ কিকে বল চলে যায় গোলপোস্টের উপর দিয়ে।

জাতীয় দলের সাবেক-বর্তমান ফুটবলার মামুন, রায়হান, সোহেল, রহমত, জুয়েল, রনি-শহীদুলদের নিয়ে গড়া দলটি প্রথম ৪০ মিনিট পর্যন্ত কিংসকে রুখে দিতে সমর্থ হয়।

তবে ম্যাচের ৪১ মিনিটে জোনাথন ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হেডে নিজের প্রথম ম্যাচে গোলের খাতা খোলেন স্টোজান ভ্রাঞ্জেস।

এক মিনিট পরই কাউন্টার অ্যাটাকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে কিংস। এবার ইব্রাহিমের পাস থেকে সিক্স ইয়ার্ডের সামনে থেকে বল আলতো শটে জালে জড়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ।

দুই গোলের স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে যায় কিংস।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান ৩-০ করে ফেলে অস্কার ব্রুজনের বাহিনী। ইব্রাহিমের ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ভ্রাঞ্জেস।

নৌবাহিনীর জালে কিংসের গোল উৎসব
কিংসের জার্সিতে প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোলে সব আলো নিজের দিকে টানলেন স্টোজান ভ্রাঞ্জেস। ছবি: বাফুফে

এখানেই থেমে যায়নি কিংস। ধারাবাহিক আক্রমণ সাজিয়ে ম্যাচের ৭৯ মিনিটে চতুর্থ গোলটি আদায় করে নেয় তারা। এবার কিংসের জার্সিতে মৌসুমে নিজের প্রথম গোলটা করে ফেলেন বদলি হিসেবে নামা এলিটা কিংসলে।

একই ম্যাচে গোল পেতে পারতেন বদলি হিসেবে নামা ওবাইদুর রহমান নবাব। মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা বলটা একা পেয়ে বল নিয়ে গোলপোস্টের দিকে ছুটে যাচ্ছিলেন নবাব। পেছন থেকে জার্সি টেনে ধরেন নৌবাহিনীর ডিফেন্ডার হাবিব। আশাহত হতে হয় নবাবকে।

ম্যাচের ইনজুরি টাইমে এসে নৌবাহিনীর জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন কিংসের ফরোয়ার্ড রবসন রবিনিয়ো।

গল্পের এখানেই শেষ নয়। রবিনিয়োর গোলের মিনিটখানেক পর হাবিবের আত্মঘাতী গোলের কারণে ৬-০ ব্যবধানের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কিংস।

এ জয়ে গ্রুপ ‘ডি’-এর পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে উঠে গেল বসুন্ধরা কিংস।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন

ক্রুইফের ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে রূপ দিলেন মেসি

ক্রুইফের ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে রূপ দিলেন মেসি

সপ্তমবারের মতো ব্যালন ডর হাতে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

বার্সেলোনার সাবেক কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফ একটা মন্তব্য করেছিলেন, ‘মেসি সম্ভবত, পাঁচ, ছয় বা সাত ব্যালন জিতে অবসরে যাবেন।’ ২০২১ সালে এসে তার সেই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে রূপ নিয়েছে।

আজ থেকে নয় বছর আগে লিওনেল মেসি সম্পর্কে বার্সেলোনার সাবেক কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফ একটা মন্তব্য করেছিলেন, ‘মেসি সম্ভবত, পাঁচ, ছয় বা সাত ব্যালন জিতে অবসরে যাবেন।’ ২০২১ সালে এসে তার সেই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে রূপ নিয়েছে।

সপ্তমবারের মতো ব্যালন ডর জিতে নিয়েছেন মেসি। প্যারিসে ফুটবলের বিশ্বের তারকাদের মাঝে এ পুরস্কার হাতে তুলে নিয়েছেন এ আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

ক্রুইফকে বিবেচনা করা হয় আধুনিক ফুটবলের অন্যতম পথিকৃত হিসেবে। টোটাল ফুটবলটাকে ইউরোপে পরিচিত করিয়েছেন এ ডাচ। বার্সেলোনাকে কোচ হিসেবে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান কাপ জিতিয়েছেন (যা এখন চ্যাম্পিয়নস লিগ নামে পরিচিত)।

তার তিকি-তাকা দর্শনে প্রতিষ্ঠিত হয় বার্সার ফুটবল অ্যাকাডেমি লা মাসিয়া। সেখান থেকেই আজকের মেসির বেড়ে ওঠা। শুরু থেকেই মেসির অন্যতম গ্রেটেস্ট হয়ে ওঠাটা দেখেছেন তিনবার ব্যালন জেতা ক্রুইফ।

তার দূরদর্শী চোখে হয়তো ভবিষ্যৎটা দেখে গিয়েছিলেন। ২০১২ সালে মেসির চারবার ব্যালন জেতা দেখার পর তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেশিবার ব্যালন জিতবেন বার্সেলোনার তখনকার নাম্বার টেন।

২০১৯ সালেই তার এ বাণী সত্য হয়ে যায়। ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ ছয়বার ব্যালন জেতার অনন্য মাইলফলক গড়েন মেসি। তবে, ২০২১ সালে এসে মেসি তার গুরু ক্রুইফের ভবিষ্যদ্বাণীটাকে পূর্ণতা দিলেন।

শুধু সর্বোচ্চ নয়, মাইলফলকটা নিয়ে গেলেন প্রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তবে, মেসি সমর্থকরা দুঃখ প্রকাশ করতে পারেন। মেসির সাতবারের ব্যালনটা দেখে যেতে পারেননি তিনি। ২০১৬ সালে ফুটবল বিশ্বকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ক্রুইফ।

হয়তো স্বর্গ থেকে তার প্রিয় শিষ্যকে সেরাদের সেরার আসনে দেখে হাসছেন ক্রুইফ।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন

পুলিশে হোঁচট চট্টগ্রাম আবাহনীর

পুলিশে হোঁচট চট্টগ্রাম আবাহনীর

পুলিশ ও চট্টগ্রাম আবাহনী ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: বাফুফে

বাংলাদেশ পুলিশ এফসির সঙ্গে ড্র করেছে ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা। মঙ্গলবার বিকালে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ডি-গ্রুপের প্রথম ম্যাচটা ১-১ গোলে ড্রয়ে শেষ হয়।

চলমান স্বাধীনতা কাপের মিশন পয়েন্ট হারিয়ে শুরু করল চট্টগ্রাম আবাহনী। বাংলাদেশ পুলিশ এফসির সঙ্গে ড্র করেছে ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

মঙ্গলবার বিকালে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ডি-গ্রুপের প্রথম ম্যাচটা ১-১ গোলে ড্রয়ে শেষ হয়।

এবার পুরনো বিদেশিদের পালটে নতুনভাবে দল সাজান চট্টগ্রাম আবাহনীর হেড কোচ মারুফুল হক।

এ দিকে পুলিশের ডাগআউটেও ছিল পরিবর্তন। দলের হেড কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন রোমানিয়ান কোচ এরিসটিকা সিওয়াবা। সঙ্গে এবার আফগানিস্তান-ব্রাজিলের মতো দেশ থেকে ফুটবলার নিয়ে শক্তপোক্ত দল গড়েছে পুলিশ।

ম্যাচে নতুন কিছুই যেন উপহার দিল পুলিশ। প্রথমার্ধজুড়ে আধিপত্য নিয়ে খেলেছে তারা। চট্টগ্রাম আবাহনীকে ঠিক আগের রূপে দেখা যায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে গা ঝেড়ে খেলতে দেখা গেছে দুই দলকে। তারই ধারাবাহিকতায় দুই মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করে দুই দল।

ম্যাচের ৪৭ মিনিটে গোলের যাত্রাটা শুরু করে পুলিশ এফসি।

শারিফি পাস করেন বাম প্রান্তে ফাঁকায় থাকা দানিলসনর কাছে। দানিলসন বল এগিয়ে দেন ম্যাথিউস বাবলুকে।

ডি-বক্সের বাম প্রান্ত থেকে বল সিক্স ইয়ার্ডের সামনে ফেলার চেষ্টা করেন বাবলু। গোলকিপার প্রথমবার রুখে দিলেও ফিরতি শটে বলটা জালে জড়াতে ভুল করেননি দানিলসন।

এ ব্রাজিলিয়ানের গোলে ম্যাচে এগিয়ে যায় পুলিশ।

ম্যাচে ফিরতে খুব একটা সময় নেয়নি আবাহনী। পরের মিনিটে কামরুলের সেট পিস থেকে পিটার থ্যাংকগডের শট হ্যান্ডবল হলে পেনাল্টির ঘোষণা দেন রেফারি। স্পট থেকে থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান পিটার থ্যাংকগড।

এরপরে এগিয়ে যেতে পারত আবাহনী। ম্যাচের লাগাম ধরে দারুণ সুযোগ আসে তাদের সামনে। আবাহনী থেকে চট্টগ্রাম আবাহনীতে নাম লেখানো রুবেল মিয়া এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বলে শট নেয়ার মুহূর্তে গতি হারালে মাটিতে লুটে পড়েন। সুযোগ নষ্ট হয় দলের। হতাশ হয়ে ডাইভের জন্য হলুদ কার্ড দেখতে হয় রুবেলকে।

ম্যাচের শেষের দিকে গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারত পুলিশ। গোলকিপারকে একা পেয়েও ঠিকানায় ফেলতে পারেননি পুলিশের আফগানি জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড আমিরুদ্দিন শারিফি।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোলের দেখা না পাওয়া যাওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন

এবারের ব্যালন ডর আলাদা মেসির কাছে

এবারের ব্যালন ডর আলাদা মেসির কাছে

সপ্তম ব্যালন ডর ট্রফি হাতে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

প্যারিসে সপ্তম সোনার বল হাতে নেয়ার পর মেসি জানালেন এবারেরটাই সবচেয়ে তৃপ্তি দিচ্ছে তাকে। কারণটাও জানান ক্রীড়া বিশ্বের এ মহানায়ক। 

আগেও ছয়বার জিতেছেন বিশ্বসেরা ফুটবলারের জন্য বরাদ্দ এ ট্রফি। ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত টানা চারবার পেয়েছেন এ সম্মান। তারপরও লিওনেল মেসির কাছে এবারের জয়টাই সবচেয়ে উপভোগ্য।

তাকে সর্বকালের সেরা বলে মেনে নিয়েছেন অনেক বোদ্ধা। এবারের ব্যালন ডর জেতার সংখ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবেই সেরা হয়ে উঠলেন মেসি। প্যারিসে সপ্তম সোনার বল হাতে নেয়ার পর মেসি জানালেন এবারেরটাই সবচেয়ে তৃপ্তি দিচ্ছে তাকে। কারণটাও জানান ক্রীড়া বিশ্বের এ মহানায়ক।

মেসি বলেন, ‘আগে যখনই এ পুরস্কার পেয়েছি, নিজের দেশের জন্য কিছু জিততে না পারার হতাশাটা কাঁটার মতো বিঁধেছে। কোপা আমেরিকা জেতার পর আজকের এ পুরস্কারটা আমি এটা উপভোগ করছি। জাতীয় দলের সবার সঙ্গে আমি এ সম্মান ভাগ করে নিতে চাই।

‘একই সঙ্গে আমার বার্সেলোনা ও প্যারিসের সতীর্থ ও কোচিং স্টাফকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

ফুটবলপ্রেমীদের জন্য মন খারাপ করার মতো বিষয় হচ্ছে, মেসির বয়স এখন ৩৪। আর খুব বেশি দিন ফুটবল মাঠে হয়তো দেখা যাবে না মহান এ ফুটবল শিল্পীকে। তবে মেসি জানালেন বুটজোড়া তুলে রাখার কোনো পরিকল্পনা এখনও তার মাথায় আসেনি।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন অবসর নিয়ে। আমি প্যারিসে খুব ভালো আছি। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছি। আমি জানি না আর কত দিন খেলতে পারব। আশা করি সেটা আরও অনেক দিন। কারণ আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি।’

মেসির কাছে ব্যালনের রেসে হেরে গেছেন রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি। মেসি সাধুবাদ জানালেন এই পোলিশ স্ট্রাইকারকে।

আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘রবার্টের মতো একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে এই পুরস্কারের জন্য লড়াই করতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। গত বছরের ব্যালন ডরটা তার প্রাপ্য ছিল।’

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন

মেসির পুরস্কার নেয়া দেখেননি রোনালডো

মেসির পুরস্কার নেয়া দেখেননি রোনালডো

সাবেক ক্লাবের জার্সিতে মেসি ও রোনালডো। ছবি: সংগৃহীত

ব্যালন ডরের অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে গেছেন ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যালনজয়ী এ পর্তুগিজ সুপারস্টার। হয়তো জানতেন পুরস্কার পাওয়া হচ্ছে না বা কোনো ব্যক্তিগত কারণে অনুষ্ঠানে থাকতে পারেনি তিনি।

ব্যালন ডরের পুরস্কারের জন্য পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ যেখানে প্যারিসে, তখন ইংল্যান্ডে থেকে গেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। অনুষ্ঠানটি এড়িয়ে গেছেন ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যালনজয়ী এ পর্তুগিজ সুপারস্টার।

হয়তো জানতেন পুরস্কার পাওয়া হচ্ছে না বা কোনো ব্যক্তিগত কারণে অনুষ্ঠানে থাকতে পারেনি তিনি।

তবে না থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অভিমত জানাতে ভোলেননি রোনালডো।

‘ব্যালন সংখ্যায় মেসিকে ছাড়ানোই রোনালডোর একমাত্র লক্ষ্য’, কয়দিন আগে এমন একটি মন্তব্য করেছিলেন ফ্রান্স ফুটবলের সম্পাদক পাসকাল ফের। তার এ বক্তব্যকে প্রত্যাখান করেছেন সিআরসেভেন।

তাকে মিথ্যাবাদী উল্লেখ করে এক ইন্সটাগ্রাম পোস্টে রোনালডো লেখেন, ‘গত সপ্তাহে পাসকাল ফের বলেছেন, আমি তার কাছে স্বীকার করেছি যে লিওনেল মেসির চেয়ে বেশি ব্যালন নিয়ে আমার ক্যারিয়ার শেষ করার উচ্চাকাঙ্ক্ষা আছে। পাসকাল মিথ্যা বলেছে। আমার নাম ব্যবহার করেছে নিজের প্রচারের জন্য ও সে যে পদে কাজ করে তার প্রচারের জন্য।’

নিজের ক্যারিয়ারের লক্ষ্যের বিষয়টি স্পষ্ট করে তিনি লেখেন, ‘আমার ক্যারিয়ারের সবসময়ের আকাঙ্ক্ষা হল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেতাব জেতা। আরেকটি আশা হল যারা পেশাদার ফুটবলার হতে চান বা হতে চান তাদের জন্য একজন ভালো আদর্শ হওয়া।

‘আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে নিজের নাম লিখে রাখা।’

আপাতত অন্য কোনোদিকে মনোযোগ দেয়ার সময় নেই রোনালডোর। নিজের সকল ফোকাস ক্লাবকে ঘিরে জানালেন রোনালডো, ‘আমার ফোকাস ইতোমধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরের খেলায়।’

ব্যালন জয়ের র‌্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে থেকে বছর শেষ করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। ২০১০ সালের পর এই প্রথম সেরা তিনের বাইরে ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন

মেসির হাতে উঠল সপ্তম ব্যালন ডর

মেসির হাতে উঠল সপ্তম ব্যালন ডর

সপ্তম ব্যালন ডর ট্রফি হাতে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চারবার ব্যালন জেতেন মেসি। তিন বছর বাদে ২০১৫ সালে জেতেন পাঁচ নম্বর ট্রফি। ২০১৯ সালে ষষ্ঠবার জিতে সবাইকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ জয়ী হন। এবার সেটিকে নিয়ে গেলেন সাতে।

এর আগে ষষ্ঠবার জিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ ব্যালন ডর জয়ী ছিলেন লিওনেল মেসি। এবার সংখ্যাটিকে নিয়ে গিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। সপ্তমবারের মতো ব্যক্তিগত সেরা ফুটবলারের পুরস্কারটা জিতে নিলেন আর্জেন্টাইন মেগাস্টার।

বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ৪০ মিনিটে প্যারিসের আলো ঝলমলে থিয়েটার দ্যু শ্যাটেলে অডিটোরিয়ামে মেসির হাতে তুলে দেয়া হয়ে সেরা ফুটবলারের পুরস্কার ব্যালন ডির। তুলে দেন ফুটবল জগতে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু লুইস সুয়ারেস।

দিন যত এগিয়ে আসছিল বিশ্ব ফুটবলে গুঞ্জন বেড়ে চলছিল। বিশ্বের সেরা ফুটবলারের পুরস্কারটা কার হাতে উঠছে এ নিয়ে আলোচনা ডানা কম মেলেনি! কখনও বেনজেমা, কখনও লেওয়ানডোভস্কি, কখনও জর্জিনিয়ো, কখনও মেসি আবার কখনও রোনালডো।

গুঞ্জন হওয়াটাই স্বাভাবিক। ব্যালন ডর নিয়ে একটু বেশি আগ্রহ থাকেই। ২৪ নভেম্বর শেষ হয়ে যায় ব্যালন ডর বিজয়ী নির্ধারণের ভোটাভুটির পর্ব। এর পর থেকে যত কল্পনা-জল্পনা এই পুরস্কারকে ঘিরে।

এবারে মেসি, রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি আর কারিম বেনজেমার মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল। অবশেষে তা উঠেছে মেসির হাতে।

এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চারবার ব্যালন জেতেন মেসি। তিন বছর বাদে ২০১৫ সালে জেতেন পাঁচ নম্বর ট্রফি।

২০১৯ সালে ষষ্ঠবার জিতে সবাইকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ জয়ী হন। এবার সেটিকে নিয়ে গেলেন সাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবার ব্যালন জিতেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্থগিত করা হয় ব্যালন ডর পুরস্কার।

২০২১ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথমবার কোপা আমেরিকার শিরোপা ঘরে তোলেন মেসি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার বগলদাবা করেন।

এই টুর্নামেন্টে মেসির পারফরম্যান্স মূলত ব্যালন জেতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

একই রাতে সেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি। গত মৌসুমে বুনডেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২৯ ম্যাচে এই পোলিশ স্ট্রাইকার করেন রেকর্ড ৪১ গোল। ২০২০ সালে ফিফা দ্য বেস্টও জিতে নিয়েছিলেন তিনি।

সেরা তরুণ তারকার পুরস্কার পান বার্সেলোনা ও স্পেনের মিডফিল্ডার পেদ্রি। আর সেরা গোলকিপার হয়েছেন পিএসজির ইতালিয়ান গোলকিপার জানলুইজি দোন্নারুম্মা।

সেরা নারী ফুটবলারের ট্রফি উঠেছে স্পেন ও বার্সেলোনার আলেক্সিয়া পুতেয়াসের হাতে। বছরের সেরা ক্লাব হয় চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী চেলসি।

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তের গোলে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
জয়ের বৃত্ত পূরণে মুখিয়ে মারিও লেমস
১৭ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি জিততে চান জামাল
অস্কারে ‘চেতনা’, লেমসে ‘মুক্তি’
জামাল-তপুর নৈপুণ্যে মালদ্বীপ বধ

শেয়ার করুন