বছরের প্রথম ‘বর্ষসেরা’ পুরস্কার মেসির

বছরের প্রথম ‘বর্ষসেরা’ পুরস্কার মেসির

পিএসজির হয়ে গোল উদযাপনে লিওনেল মেসি। ফাইল ছবি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল সাইট গোল ডটকম ঘোষণা করেছে তাদের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের নাম। ভক্তদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার তালিসমান ও অধিনায়ক পেছনে ফেলেছেন আরেক আধুনিক গ্রেট পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোকে।

প্রতি বছরের শেষ দুই মাসে শুরু হয়ে যায় ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন পুরস্কার ঘোষণা। নভেম্বরের শেষে জানা যায় সবচেয়ে বড় পুরস্কার ব্যালন ডর জয়ীর নাম। এরপর ক্রমান্বয়ে ইউয়েফা সেরা খেলোয়াড় ও ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কার।

এগুলোর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল ওয়েবসাইট গোল ডটকম ঘোষণা করেছে তাদের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের নাম।

ভক্তদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার তালিসমান ও অধিনায়ক পেছনে ফেলেছেন আরেক আধুনিক গ্রেট পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোকে।

গোল ডটকম তাদের সাইটে জানিয়েছে, এবারের ‘গোল ফিফটি: টোয়েন্টি টোয়েন্টি ওয়ান’ প্রতিযোগিতায় বর্ষসেরা ৫০ জন ফুটবলারকে বেছে নিতে মোট ১ কোটি ৪০ লাখ ভোট পড়েছে। রোনালডোর চেয়ে ২৪ ভোট বেশি পেয়ে সেরা হয়েছেন মেসি।

মঙ্গলবার পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয় অনলাইনে। সোমবার পর্যন্ত এগিয়ে ছিলেন রোনালডো। কিন্তু শেষ দিন তাকে ছাড়িয়ে যান মেসি।

গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে লা লিগার সেরা গোলদাতা ছিলেন তিনি। আর আর্জেন্টিনার হয়ে জিতেছেন কোপা আমেরিকা।

রোনালডোর বিপক্ষে পড়া ভোটের ৫০.১ শতাংশ পেয়েছেন মেসি। মেসি ও রোনালডোর পর সেরা তালিকায় তিনে ছিলেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি।

চার নম্বরে আছেন লিভারপুলের মিশরীয় সুপারস্টার মোহাম্মেদ সালাহ। আর সেরা পাঁচের শেষ স্থানটি ফ্রান্স ও পিএসজি কিলিয়ান এমবাপের।

সেরা দশে আরও জায়গা করে নিয়েছেন আর্লিং হালান্ড (৬), কারিম বেনজেমা (৭), এনগলো কান্তে (৮), কেভিন ডি ব্রুইনা (৯) ও নেইমার (১০)।

মেসি-রোনালডোর মূল দ্বৈরথের ফল জানা যাবে ২৯ নভেম্বর। ওই দিন দেয়া হবে ব্যালন ডর ট্রফি। মেসি ব্যালন জিতেছেন ছয়বার ও রোনালডো পাঁচবার।

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আজও জাতীয় স্বীকৃতি পায়নি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল

আজও জাতীয় স্বীকৃতি পায়নি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ১৮ খেলোয়াড়। ছবি: বাফুফে

স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও জাতীয় স্বীকৃতি মেলেনি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের। এতো বছরে জাতীয় কোনো পুরস্কার না পাওয়াতে অবশ্য আক্ষেপ নেই তাদের। আছে আশাবাদ।

দীর্ঘ নয় মাসের ১৯৭১ সালের যুদ্ধে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম হয় ‘বাংলাদেশের’। অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেন। তবে, বন্দুক নয়, ফুটবল পায়ে এক দল নির্ভীক তরুণ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। দলটি ছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

পৃথিবীর ইতিহাসে এই লড়াই বিরল। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ১৭টি প্রীতি ম্যাচ খেলে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল আয় করেছিল প্রায় ১৬ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। সেই টাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অনুদান হিসেবে উপহার দেয় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

সেই গল্প অজানা নয়। তবে, দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও জাতীয় স্বীকৃতি মেলেনি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের। এতো বছরে জাতীয় কোনো পুরস্কার না পাওয়াতে অবশ্য আক্ষেপ নেই তাদের। আছে আশাবাদ।

দলের অনেকে এখন না ফেরার দেশে। যারা বেঁচে আছে তাদের শেষ আশা, দেশ কখনও না কখনও স্বীকৃতি দেবে তাদের এই ইতিহাসকে।

এ নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে নিউজবাংলাকে নিজের ইচ্ছার কথা জানালেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু। তিনি বলেন, ‘যারা জীবন বাজি রেখে ফুটবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, তাদের জাতীয় স্বীকৃতি দেবে দেশ এটাই শুধু চাওয়া।’

দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘ধন্যবাদ দিতে চাই তাদের যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন দল গঠন করেছিল যা ছিল নজির বিহীন। যাদের কারনে যাদের অবদান, ত্যাগের কারনে স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করতে পারছি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যুদ্ধের সময় তারা বসে না থেকে ফুটবলের মাধ্যমে তারা যুদ্ধ করেছে।

‘টাকার অংক দিয়ে বিচার করতে চাইনা। তারা যা করেছে তা কোন কিছু দিয়ে তুলনা করা যাবে না।’

জাতীয় স্বীকৃতির জন্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে বিষয়টি আবারও জানাব। আপাতত ২৭ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় অনুমোদন ছাড়াই বাংলাদেশের পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সাহস করেছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

সেই রোমাঞ্চকর গল্পে স্মৃতিচারণ করে দলের সংগঠক সাইদুর রহমান প্যাটেল বলেন, ‘নদীয়ার কৃষ্ণনগর মাঠে ২৫ জুলাই, স্টেডিয়ামের আশেপাশে বড় গাছ ছিল। উক্ত মাঠে তিল ধরার ঠাই ছিল না দর্শকের কারণে। গাছে উঠেও মানুষ খেলা দেখেছে।

‘বাংলাদেশ কে অফিসিয়াল অনুমোদন দেয়া হয়নি পতাকা উড়ানোর ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার। আমরা বেকে বসি খেলব না। খেলা শুরু না হওয়ায় দর্শকেরা উত্তেজিত হয়ে যায়। পরে বোস বাবু ও সেখানকার ফেডারেশন অনুমতি দেয়। সমস্ত মাঠ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু নামে মুখরিত হয় পুরা স্টেডিয়ামে।’

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিল বাফুফে

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিল বাফুফে

বাফুফের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। ছবি: সংগৃহীত

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীন বাংলা দলে খেলোয়াড় ও ম্যানেজার সহ মোট ১৮ জন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্যদের ক্রেস্ট দেয়া হয়।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এ উপলক্ষে বল পায়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া জীবিত ফুটবলারদের নিয়ে বুধবার মিলন মেলা হয়ে গেল ফেডারেশন ভবনে।

৩৫ ফুটবল যোদ্ধাদের এই মিলন মেলায় উপস্থিত ছিলেন দেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধে ফুটবলারদের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, বেনারস, মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে ১৭টি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলার স্মৃতি রোমন্থন করেন।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিয়ে গর্বিত বোধ করছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘যে দল যুদ্ধের সময় অংশ নিয়েছিল তাদের দাওয়াত দিয়েছি। কারণ তাদের দাওয়াত দিতে পেরে গর্ব হচ্ছে। সবাই তো আর বন্দুক দিয়ে যুদ্ধ করে নাই। আমাদের দায়িত্ব ছিল ফুটবলার খেলা।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীন বাংলা দলে খেলোয়াড় ও ম্যানেজার সহ মোট ১৮ জন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্যদের ক্রেস্ট দেয়া হয়।

তবে দেশে অবস্থান করেও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছিলেন না কিংবদন্তী এনায়েতুর রহমান খান। কেনো বা কি কারণে তিনি আসেননি সেটা জানা যায়নি।

যারা উপস্থিত ছিলেন:

ম্যানেজার: তানভীর মাজহার তান্না
সংগঠক: সাইদুর রহমান প্যাটেল
জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, কাজী সালাউদ্দিন, সুভাষ সাহা, ফজলে সাদাইন খোকন, আমিনুল ইসলাম, আব্দুল মমিন জোয়ারদার, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, বীরেন দাস বীরু, মঈন উদ্দিন সিনহা, আবুল কাশে খান, তসলিম উদ্দিন, আব্দুল সাত্তার।

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

মেসি-এমবাপের জোড়া গোলে উড়ে গেল ব্রুগা

মেসি-এমবাপের জোড়া গোলে উড়ে গেল ব্রুগা

ক্লাব ব্রুগার বিপক্ষের গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপন করছেন লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি

লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের জোড়া গোলে বেলজিয়ামের ক্লাব ব্রুগাকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউটে পৌঁছে গেছে প্যারিসিয়ানরা।

দারুণ জয়ে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের জোড়া গোলে বেলজিয়ামের ক্লাব ব্রুগাকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউটে পৌঁছে গেছে প্যারিসিয়ানরা।

গ্রুপ-এতে দ্বিতীয় স্থান নিয়ে পরের রাউন্ডে গেল পিএসজি। শীর্ষে থেকে নকআউট নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। রাতে তারা জার্মানির আরবি লাইপসিগের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ার পরও শীর্ষস্থান ধরে রাখে।

পিএসজির সঙ্গে অবশ্য অঘটনের কোনো সুযোগ ছিল না। নিজ মাঠ পার্ক দ্য প্রিন্সেসে শুরু থেকে দারুণ ছন্দে ছিলেন মেসি-এমবাপেরা।

স্বাগতিক দর্শকরা নড়েচড়ে বসার আগেই দলকে এগিয়ে দেন কিলিয়ান এমবাপে। তার গোলে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে লিড নেয় পিএসজি।

এই গোলের রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে আরেকবার বল জালে জড়ান এই ফ্রেঞ্চ তারকা। ৭ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে ফেলে ঘরের দল।

ব্রুগাকে ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো সুযোগই দেয়নি প্যারিসিয়ানরা। মাঝমাঠে মার্কো ভেরাত্তি ও লিওনেল মেসির যুগলবন্দিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে অতিথিদের ডিফেন্স। পিএসজির প্রায় প্রতিটি আক্রমণ শুরু হয়েছে ভেরাত্তির পা থেকে।

স্কোরশিটে মেসি নাম ওঠান বিরতির আগে। এমবাপের পাস থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে যান এই আর্জেন্টাইন। দুজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দূর থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি।

৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচ এক রকম নিশ্চিত করেই প্রথমার্ধ শেষ করে পিএসজি।

বিরতির পর কিছুটা খোলস ছেড়ে বের হয় ব্রুগা। চেষ্টা করে পিএসজির ডিফেন্সে আক্রমণের। তাদের সে প্রচেষ্টা সফল হয় ৬৮ মিনিটে।

নোয়া ল্যাঙয়ের পাস থেকে এক গোল শোধ করেন ম্যাটস রিটস।

বেশিক্ষণ এই আনন্দ ধরে রাখতে পারেনি ব্রুগা। মিনিট ছয়েক পরই মেসিকে বক্সে ফাউল করেন ব্রুগার ফন ডার ব্রেম্পট।

রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চার নম্বর গোলটি করেন মেসি। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে পাঁচ ম্যাচে পাঁচ গোল করেছেন তিনি।

৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।

রাতের অন্য ম্যাচে ইন্টারনাৎসিওনালকে ২-০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এফসি পোর্তোকে ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আবাহনী, কোয়ার্টারে স্বাধীনতা কেসি

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আবাহনী, কোয়ার্টারে স্বাধীনতা কেসি

ম্যাচ শেষে সমর্থকদের উদ্দেশে আবাহনীর খেলোয়াড়দের কৃতজ্ঞতা। ছবি: বাফুফে

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দিনের একমাত্র ম্যাচে রহমতগঞ্জকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে আবাহনী। রহমতগঞ্জ বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকেই। আর রানার-আপ হয়ে কোয়ার্টারে পা রাখে নবাগত দল স্বাধীনতা কেসি।

ঢাকা আবাহনীর কাছে হেরে চলমান রিভেইরা স্বাধীনতা কাপ থেকে বিদায় নিল পুরান ঢাকার জায়ান্টখ্যাত রহমতগঞ্জ এমএফসি। টানা দ্বিতীয় জয়ে গ্রুপ ‘এ’র চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল ঢাকা আবাহনী।

রহমতগঞ্জের বিদায়ে গ্রুপ রানার-আপ হিসেবে শেষ আট নিশ্চিত করেছে নবাগত দল স্বাধীনতা কেসি।

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দিনের একমাত্র ম্যাচে রহমতগঞ্জকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে আবাহনী।

দুই ব্রাজিলিয়ান রাফায়েল আগুস্তো ও ডরিয়েল্টন গোমেজের ম্যাজিকে বড় জয়ের স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আকাশি নীল-হলুদ জার্সিধারীরা।

আগের ম্যাচে স্বাধীনতা কেসির কাছে হারার পর আবাহনীর সঙ্গে ম্যাচটি বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল রহমতগঞ্জের জন্য। নক আউট পর্বে যেতে এই ম্যাচে জেতার বিপল্প ছিল না জায়ান্ট কিলারদের সামনে।

তবে মাঠে রহমতগঞ্জের পারফরমেন্সে তেমন একটা মরিয়া ভাব দেখা যায়নি। অনুমেয়ভাবে আধিপত্য বজায় রেখেই খেলেছে আবাহনী।

বাদশার আত্মঘাতী গোলে অবশ্য শুরুতে ম্যাচের লিড নেয় রহমতগঞ্জ। তিন মিনিট পরই ম্যাচে ফিরে আসে আবাহনী। পেনাল্টি থেকে গোল করেন ডরিয়েল্টন।

প্রথমার্ধেই আবারও লিড নিয়ে বিরতিতে যেতে পারত রহমতগঞ্জ। পেনাল্টি মিস করে বসেন দলের ঘানার ফরোয়ার্ড ফিলিপ আদজাহ।

দ্বিতীয়ার্ধে ডরিয়েল্টন আর রাফায়েল আগুস্তোর গোলে ব্যবধান ৩-১ করে ফেলে আবাহনী। আবাহনীর জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে জোড়া গোলে নিজের যোগ্যতার জানান দেন চীনের শীর্ষ লিগে খেলে আসা ডরিয়েল্টন।

পরে আর কোনো গোলের দেখা পায়নি সৈয়দ জিলানীর রহমতগঞ্জ। ফলে সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মারিও লেমসের বাহিনী।

এ জয়ে সর্বোচ্চ ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টারে চলে যায় আবাহনী। রহমতগঞ্জ বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকেই। আর রানার-আপ হয়ে কোয়ার্টারে পা রাখে নবাগত দল স্বাধীনতা কেসি।

কোয়ার্টার ফাইনালে আবাহনী পেল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। আর স্বাধীনতা কেসি পেয়েছে গ্রুপ ‘সি’-এর চ্যাম্পিয়ন সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে। আগামী ১০ ডিসেম্বর দুটি ম্যাচ হবে একই ভেন্যুতে।

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

এসি মিলানেই শেষ করতে চান ইব্রাহিমোভিচ

এসি মিলানেই শেষ করতে চান ইব্রাহিমোভিচ

মিলানের জার্সিতে সুইডিশ ফরোয়ার্ড স্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। ছবি: এএফপি

ক্যারিয়ারের ২২তম মৌসুমে থাকা ইব্রাহিমোভিচ আরও শিরোপা জিততে চান। মিলানের হয়ে লিগ শিরোপা জেতা এখন তার মূল লক্ষ্য। সামনের মৌসুমে চুক্তি শেষ হয়ে গেলেও, এখনই ফুটবল ছাড়ার ইচ্ছা নেই ৪০ বছরের এই ফরোয়ার্ডের।

ক্যারিয়ারের শেষ পর্যন্ত ইতালিয়ান সেরি-আ ক্লাব এসি মিলানে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন স্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। সামনের মৌসুমে চুক্তি শেষ হয়ে গেলেও, এখনই ফুটবল ছাড়ার ইচ্ছা নেই ৪০ বছরের এই ফরোয়ার্ডের।

অবসরের পরের জীবনটা কেমন হবে সেই অনিশ্চয়তায় খেলা ছাড়তে ভয় পাচ্ছেন বলে স্বীকার করেছেন ইব্রাহিমোভিচ। অভিজ্ঞ এই সুইডের সঙ্গে মিলানের বর্তমান চুক্তি শেষ হচ্ছে ২০২২ এর জুনে।

ইতালির এক টিভির টক শোতে সোমবার রাতে ইব্রাহিমোভিচ বলেন, ‘যতদিন সম্ভব খেলা চালিয়ে যেতে চাই। ফিটনেসটাই বড় কথা। সেটা যতদিন আছে খেলতে সমস্যা নেই। আমার চুক্তি যাতে নবায়ন করা হয় সেজন্য এখন থেকেই আমি মিলানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি। এই ক্লাবে থেকেই ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই।’

ক্যারিয়ারের ২২তম মৌসুমে থাকা ইব্রা আরও শিরোপা জিততে চান। মিলানের হয়ে লিগ শিরোপা জেতা এখন তার মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘লক্ষ্যটা হল এই ক্লাবের হয়ে আরও একটি সেরি-আ শিরোপা জয় করা। জানি না ফুটবল ছেড়ে দেবার পর কী হবে। সে কারণে ফুটবল ছাড়তে কিছুটা হলেও ভয় পাচ্ছি। দেখা যাক কী হয়। তবে এই মুহূর্তে আমি খেলা চালিয়ে যেতে চাই। এজন্য আমার কোন অনুশোচনা নেই।’

মিলানের হয়ে শুরুর একাদশে খুব একটা সুযোগ পাচ্ছেন না ইব্রাহিমোভিচ। গত শনিবার সালেরনিতানার বিপক্ষে ম্যাচে তিনি বেঞ্চে ছিলেন।

নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্টার মিলানের থেকে এক পয়েন্টে এগিয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে এসি মিলান।

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

মোহামেডানের বিদায়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সাইফ, কোয়ার্টারে সেনাবাহিনী

মোহামেডানের বিদায়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সাইফ, কোয়ার্টারে সেনাবাহিনী

মোহামেডানের জালে বল জড়ানোর পর সাইফের খেলোয়াড়দের উদযাপন। ছবি: বাফুফে

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সোমবার ‘সি’ গ্রুপের সাইফ-মোহামেডান ম্যাচটি ১-১ গোলে শেষ হয়। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল সাইফ। আর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে মোহামেডান। সাদা-কালো জার্সিধারীদের বিদায়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে সেনাবাহিনী।

চলমান রিভেইরা স্বাধীনতা কাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে সাইফের সঙ্গে ড্র করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল সাইফ। আর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে মোহামেডান। সাদা-কালো জার্সিধারীদের বিদায়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে সেনাবাহিনী।

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সোমবার ‘সি’ গ্রুপের সাইফ-মোহামেডান ম্যাচটি ১-১ গোলে শেষ হয়।

টুর্নামেন্টে বলা চলে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে চমৎকার ম্যাচটি দেখল দেশের ফুটবল সমর্থকরা।

দিনের প্রথম ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রকে ১-১ গোলে রুখে দেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এ ড্রয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় মোহামেডানকে আগের ম্যাচে হারানো সার্ভিসেস দলটির।

আর কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে সাইফকে হারানোর বিকল্প ছিল না মোহামেডানের। আর হারলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টারে চলে যেতো সাইফ।

এমন সমীকরণকে সামনে রেখে দুর্দান্ত একটা ম্যাচ উপহার দিল সাইফ-মোহামেডান। বলা চলে, এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে উত্তেজনাকর ম্যাচ দেখল সমর্থকরা।

দুই দলই হাই প্রেসিংয়ের সঙ্গে গোছানো ফুটবলের পসরা সাজিয়েছে। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ভরপুর ছিল ম্যাচ।

সমান তালে খেলেছে দুই দল। তবে প্রথমার্ধের শেষ মিনিটের গোলে লিড নিয়ে ফেলে সাইফ। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার পাস থেকে বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন ফরোয়ার্ড ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। ডান প্রান্ত দিয়ে ছুটতে থাকা এমফুন উদোহকে ক্রস করেন ফাহিম। বল পেয়ে বুলেট শটে দৃষ্টিনন্দন গোল করেন এ নাইজেরিয়ান।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ৩০ মিনিট দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি করে সাইফ। কোয়ার্টার নিশ্চিত করতে তখন মোহামেডানের দরকার দুই গোল। মরিয়া হয়ে ম্যাচের শেষদিকে লাগাতার আক্রমণ করে যায় শন লেনের শিষ্যরা।

অবশেষে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে ইনজুরি টাইমে কাঙ্ক্ষিত গোলে সমতায় ফেরে মোহামেডান। আলমগীরের কর্নার কিক থেকে গোল করেন সজীব।

এরপরে আর জয়সূচক গোল করার সম্ভব হয়নি কারও।

ফলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার নিশ্চিত করে সাইফ। একই পয়েন্ট হওয়া সত্ত্বেও মুখোমুখি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর কাছে হারায় বিদায় নেয় মোহামেডান। সাইফের সঙ্গে গ্রুপ রানার আপ হয়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করে সেনাবাহিনী।

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে শেখ রাসেল

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে শেখ রাসেল

বল দখলের লড়াইয়ে শেখ জামাল ও শেখ রাসেল। ছবি: বাফুফে

ড্রয়ে শেষ হয়েছে শেখ জামাল-শেখ রাসেল ম্যাচটি। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে শেখ রাসেল। আর রানার-আপ হয়ে শেষ আটে পা রাখল শেখ জামাল।

ড্র করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন-এমন সমীকরণ সামনে রেখে মাঠে নামে শেখ রাসেল। আর শেখ জামালের হিসেবটা ছিল-জিতলেই চ্যাম্পিয়ন। তবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই পুত্রের নামে প্রতিষ্ঠিত দুই ক্লাবের মুখোমুখি লড়াইয়ে কেউই জেতেনি।

ড্রয়ে শেষ হয়েছে ম্যাচটি। তাই এক পয়েন্ট করে পকেটে পুড়ে মাঠ ছাড়ে দু'দল। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা কাপের গ্রুপ ‘বি’ এর খেলা শেষ হয়েছে।

পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে শেখ রাসেল। আর গ্রুপ রানার-আপ হয়ে শেষ আটে পা রেখেছে শেখ জামাল।

এর আগে দুই জয়ে ছয় পয়েন্ট নিয়ে আগেই নক-আউট পর্ব নিশ্চিত করে শেখ রাসেল। আর এক জয় ও এক ড্রয়ে ঝুলে ছিল শেখ জামালের ভাগ্য।

তবে রোববার শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে উত্তর বারিধারা ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হওয়ায় নক-আউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে যায় শেখ জামাল ও শেখ রাসেলের।

দিনের শেষ ম্যাচে নিজেদের মধ্যে তাই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছিল দুই দল।

ম্যাচের ২৭ মিনিটে দৃষ্টিনন্দন গোলে লিড নেয় শেখ জামাল।

রাহবারের পাস থেকে বল পেয়ে ডান প্রান্ত থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে একক নৈপুণ্যে বাঁ পায়ে বুলেট শটে বল জালে জড়িয়ে দেন শাহীন। গোলকিপার আশরাফুল রানা ডাইভ দিয়ে ফিস্ট করার চেষ্টা করলেও বলের গতির কাছে হার মানতে হয় তাকে।

দুর্দান্ত গোলে শেখ জামাল এগিয়ে গেলেও ম্যাচে ফিরতে সময় নেয়নি শেখ রাসেল।

ম্যাচের ৩০ মিনিটের মাথায় গোলকিপার রানার লম্বা থ্রো থেকে বল পেয়ে নিয়ন্ত্রণে রেখে একজনকে কাটিয়ে সামনে এগিয়ে দেন মাসাদো। তার বাড়ানো পাস ডি-বক্সে ঢুকার সময় গোলকিপার নাইম এগিয়ে এলে তাকে ভেলকি দিয়ে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে গোল করেন ইসমাইল রুডি।

পরের অর্ধে বহু চেষ্টাতেও জয়সূচক গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ফলে ১-১ গোলে ম্যাচটি শেষ হলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় শেখ রাসেল। আর ৫ পয়েন্ট পেয়ে রানার-আপ হয় শেখ জামাল।

কোয়ার্টারে শেখ রাসেল মুখোমুখি হবে গ্রুপ ‘ডি’-এর রানার-আপ দলের সঙ্গে। আর গ্রুপ ‘ডি’-এর চ্যাম্পিয়ন দলের মুখোমুখি হবে শেখ জামাল। কোয়ার্টারের দুটি ম্যাচ আয়োজন হবে ১২ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন:
গোল না পেলেও হতাশ নন মেসি
ড্র করেও কাতারে ব্রাজিলের সঙ্গী আর্জেন্টিনা
নির্ভার ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় চায় মেসির আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন