বাবরের টুর্নামেন্ট সেরা না হওয়া অন্যায়: শোয়েব

বাবরের টুর্নামেন্ট সেরা না হওয়া অন্যায়: শোয়েব

বাবর আজম ও ডেভিড ওয়ার্নার। ছবি: এএফপি

টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বাবর আজমের বদলে ওয়ার্নারের হাতে পুরস্কার দেয়াকে অন্যায় বলছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শোয়েব আখতার।

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে অস্ট্রেলিয়া।

টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দেয়া হয়েছে চ্যাম্পিয়ন দলের ব্যাটার ডেভিড ওয়ার্নারকে। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বাবর আজমের বদলে ওয়ার্নারের হাতে পুরস্কার দেয়াকে অন্যায় মনে করছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শোয়েব আখতার।

টুইটারে ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত এ পেইসার লেখেন, ‘বাবর আজমের হাতে টুর্নামেন্ট সেরা পুরস্কারটা দেখতে মুখিয়ে ছিলাম।’

টুর্নামেন্টে ফাইনালসহ ৭ ইনিংস খেলেছেন ওয়ার্নার। তার রান যথাক্রমে ১৪, ৬৫, ১, ১৮, ৮৯*, ৪৯ ও ৫৩। টুর্নামেন্টে তার ব্যাটিং গড় ৪৮.১৬।

ওয়ার্নারের ২৮৯ রান টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এক ম্যাচ কম খেলে ওয়ার্নারের চেয়ে ১৪ রান বেশি বাবর আজমের।

বিশ্বকাপে ছয় ইনিংসে ৩০৩ রান করেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে অপরাজিত ৬৮, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫১, নামিবিয়ার বিপক্ষে ৭০, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৬ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৯ রান করেন পাকিস্তানের এ ব্যাটার। ছয় ইনিংসের চারটিতে ফিফটি। গড় ৫০.৫০।

সর্বোচ্চ স্কোরারকে রেখে দ্বিতীয় সর্বোচ্চকে টুর্নামেন্ট সেরা পুরস্কার দেয়ার আইসিসির সিদ্ধান্তকে অন্যায় হিসেবে দেখছেন শোয়েব। তিনি লেখেন, ‘নিশ্চিতভাবে অন্যায় সিদ্ধান্ত।’

অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয় পাকিস্তান।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দুই ব্যাটারের মানসিক দৃঢ়তায় মুগ্ধ প্রিন্স

দুই ব্যাটারের মানসিক দৃঢ়তায় মুগ্ধ প্রিন্স

পাকিস্তানের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেট সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। ছবি: এএফপি

লম্বা সময় ধরে অফ ফর্মে থাকা লিটনের পারফরম্যান্স ছিল দিনের সেরা। অভিজ্ঞতার কারণেই পরিণত টেস্ট খেলোয়াড় হয়ে শতক তুলে নিয়েছেন তিনি। এমনটাই মনে করছেন প্রিন্স।

দিনের শুরুতে চার টপ অর্ডারকে হারিয়ে পাকিস্তানের সামনে দিশে হারায় বাংলাদেশ। সে সময় শক্ত হাতে দলকে সামাল দেন লিটন কুমার ও মুশফিকুর রহিম।

দুজনের ব্যাটে পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড পঞ্চম উইকেট জুটিতে পথ খুঁজে পায় বাংলাদেশ। দুইজনের ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরে বাংলাদেশ। ৪৯ রানে চার উইকেট হারানো বাংলাদেশ মুশফিক-লিটনের দৃঢ়তায় দিন শেষ করে চার উইকেটের বিনিময়ে ২৫৩ রানের পুঁজি নিয়ে।

লিটন-মুশফিকের এই ব্যাটিং দৃঢ়তা মুগ্ধ করেছে ভক্তদের। লম্বা সময় পর বেশ খুশি মনে বাড়ি ফিরেছেন মাঠে আগত দর্শকরা। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বসিত জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্সেরও।

অল্পতে টপ অর্ডার হারানোর পর এই দুজনের ২০৪ রানের জুটিতে গর্বিত প্রোটিয়া এই কোচ।

দিনশেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রিন্স বলেন, ‘আমি খুবই গর্বিত তারা যেভাবে দুর্ভেদ্য দেয়াল তৈরি করেছে। মাঝেমধ্যে কোচ হিসেবে ক্রিকেটারদের টেকনিক্যাল গুণগুলো দেখতে হয়। কিন্তু ক্রিকেটারদের মানসিক শক্তিমত্তা দেখে আমি খুবই খুশি।’

তিনি আরও বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে ৫০ রানে চার উইকেট হারানোর পর সেখান থেকে ফিরে আসাটা অনেক কষ্টের কাজ। যখন এ রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন মানসিক দিক থেকে অনেক শক্ত থাকা লাগে।’

লম্বা সময় ধরে অফ ফর্মে থাকা লিটনের পারফরম্যান্স ছিল দিনের সেরা। দুর্দান্তভাবে ব্যাটিং করে তুলে নিয়েছেন সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত প্রথম শতক। অভিজ্ঞতার কারণেই পরিণত টেস্ট খেলোয়াড় হয়ে শতক তুলে নিয়েছেন তিনি। এমনটাই মনে করছেন প্রিন্স।

তিনি বলেন, ‘অনেক তরুণ ক্রিকেটার লো স্ট্রাইক রেট নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত থাকে। একই সঙ্গে ব্যর্থ হয় বল বাই বল খেলতে। তবে সে অভিজ্ঞ টেস্ট খেলোয়াড়। শান্ত ছিল। জানত যত সময় যাবে, টেস্টে তত রান হবে। খুবই দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেছে। ড্রেসিংরুমের সবাই বেশ আনন্দিত ছিল যখন ওর সেঞ্চুরিটা হয়ে যায়।’

সেঞ্চুরির দিকে যেতে থাকা লিটন পেশিতে আঘাত পান। ব্যথা নিয়েও দিনের শেষ পর্যন্ত খেলে গেছেন তিনি। তবে আঘাত গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন প্রিন্স। এক রাত বিশ্রামের পর লিটন কাল আবার শুরু করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বলেন, ‘খুবই অবাক হয়েছি যেভাবে শান্ত মাথায় লিটন খেলেছে আজকে। যখন লিটনের মাসল ক্র‍্যাম্প করা শুরু হয়, তখন সবাই খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। সবাই প্রার্থনা করছিলাম দিনের শেষ পর্যন্ত যেন টিকে থাকে। রাতের ভেতর ও ঠিক হয়ে যাবে। আশা করছি সকালে ও আবার শুরু করতে পারবে।’

প্রথম দিন আলোক স্বল্পতার কারণে ৫ ওভার আগে থাকতেই বন্ধ হয়ে যায় খেলা। শনিবার নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে শুরু হবে খেলা।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন

আইয়ারের সেঞ্চুরির পর দারুণ শুরু নিউজিল্যান্ডের

আইয়ারের সেঞ্চুরির পর দারুণ শুরু নিউজিল্যান্ডের

ভারতের বিপক্ষে কাট শট খেলছেন টম লেইথাম। ছবি: এএফপি

শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরিতে ভারত ভালো অবস্থানে পৌঁছানোর পর নিউজিল্যান্ডও ভালো জবাব দিচ্ছে। ভারতের করা ৩৪৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিনশেষে সফরকারী দলের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১২৯।

কানপুরে দ্বিতীয় দিনে জমে উঠেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্ট।

শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরিতে ভারত ভালো অবস্থানে পৌঁছানোর পর নিউজিল্যান্ডও ভালো জবাব দিচ্ছে। ভারতের করা ৩৪৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিনশেষে সফরকারী দলের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১২৯।

ভারতের লিড এখনও ২১৬ রানের।

চার উইকেটে ২৫৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনে ৫০ রানে অপরাজিত ব্যাটসম্যান রভিন্দ্র জাডেজা কোনো রান যোগ না করে, আউট হয়ে যান।

এক প্রান্তে লড়াই অব্যাহত রাখেন আইয়ার। তার সেঞ্চুরিতেই ৩০০ ছাড়ায় ভারত। ১০৫ রান করে আউট হন আইয়ার।

তার বিদায়ের পর ৩৮ রান করে ভারতের স্কোর সাড়ে ৩০০-এর কাছে নিয়ে যান রভিচন্দ্রন আশউইন।

শেষ পর্যন্ত ৩৪৫ রানে ভারতকে গুটিয়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। ব্ল্যাকক্যাপদের পক্ষে ৬৯ রানে ৫ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন টিম সাউদি।

৯১ রানে ৩ উইকেট নেন কাইল জেমিসন। ৯০ রানে দুই উইকেট নেন আজাজ প্যাটেল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে, দারুণ জুটি গড়েন টম লেইথাম ও উইল ইয়াং। ৫৭ ওভার অবিচ্ছিন থেকে নিউজিল্যান্ডের বোর্ডে ১২৯ রান যোগ করেন দুই ওপেনার।

দিনশেষে লেইথাম ৫০ ও ইয়াং ৭৫ রানে অপরাজিত আছেন।

ভারতীয় তিন স্পিনার আশউইন, আক্সার পাটেল ও জাডেজা ৪১ ওভার বল করেও সাফল্য পাননি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন

মুশফিক-লিটনের সাফল্যে দারুণ দিন বাংলাদেশের

মুশফিক-লিটনের সাফল্যে দারুণ দিন বাংলাদেশের

মুশফিক ও লিটনের ব্যাটে দারুণ দিন কাটিয়েছে বাংলাদেশ। ছবি: এএফপি

পুরো দিনের খেলা পাল্টে দেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। অভিজ্ঞ এ দুই ব্যাটসম্যান সারাদিন অবিচ্ছিন্ন থেকে বাংলাদেশকে দারুণ অবস্থানে নিয়ে যান। প্রথম দিন শেষে চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৩ রান।

সকালের সেশনটা দেখে বোঝা যায়নি দিনশেষে স্বস্তির হাসি বাংলাদেশের মুখে থাকবে। দিনের প্রথম ১৭ ওভারে নেই চার উইকেট। যার মধ্যে একজন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক।

তবে এরপর পুরো দিনের খেলা পাল্টে দেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। অভিজ্ঞ এ দুই ব্যাটসম্যান সারাদিন অবিচ্ছিন্ন থেকে বাংলাদেশকে দারুণ অবস্থানে নিয়ে যান।

প্রথম দিন শেষে চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৩ রান।

দিনের শুরুতে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ঘণ্টাতেই হারিয়ে বসে চার টপ অর্ডারকে।

এরপর খেই হারিয়ে ফেলা তরীকে সামলানোর দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সেশনের শেষে নেমে পুরো দ্বিতীয় সেশন ব্যাট করেন লিটন ও মুশফিক। দুই জনই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

৯৫ বলে ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি করেন লিটন। সবশেষ ১০ ইনিংসে এটি তার পঞ্চম ফিফটি। হাফ সেঞ্চুরির পথে একটি ছক্কা ও ছয়টি চার হাঁকান তিনি।

৬৭ রানে শাহিন আফ্রিদির বলে সাজিদ খান তার ক্যাচ ছেড়ে দেন। এরপর পেছনে ফিরে তাকাননি লিটন। তৃতীয় সেশনেও সাবলীল থাকেন লিটন-মুশফিক। সেঞ্চুরির দেখা আগে পান লিটন।

১৯৯ বলে ১০টি চার ও এক ছক্কায় ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান তিনি।

থেমে থাকননি মুশফিকও। টেনে নিয়ে থাকেন দলকে। সেই সঙ্গে ২০০ রানের জুটি গড়ে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাবার পাশাপাশি পাকিস্তানের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েন দুইজন।

দুইজনে মিলে বাংলাদেশের ইনিংসটা হয়তো আরও বড় হতে পারতেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই আলোক স্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ করে দেয় আম্পায়ার।

ওভারের হিসেবে পাঁচ ওভার আগে শেষ হয় দিনের খেলা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে সাগরিকার প্রাণবন্ত উইকেটে পাকিস্তানের শুরুর দিককার পেইস আক্রমণ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভুল শট সিলেকশনের খেসারত দিতে হয়েছে সবাইকে।

প্রথম ঘণ্টাতে স্বাগতিক দল হারায় দুই ওপেনার ও অধিনায়ককে। বাজে শটে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্তও। আর বিরতির আগে বাংলাদেশ হারিয়েছে অভিজ্ঞ মুমিনুল হককে।

ইনিংসের প্রথম ওভারে একবার জীবন পান সাদমান ইসলাম। ব্যাটের কানায় বল লেগে উইকেটকিপারের হাতে ধরা পড়ার পর পাকিস্তান দলের কেউ আবেদন না করায় সে যাত্রা রক্ষা পান তিনি।

অন্য প্রান্তে শাহিন আফ্রিদির শর্ট বলের সামনে নড়বড়ে হয়ে পড়েন সাইফ হাসান। পঞ্চম ওভারে তার বলেই আউট হন সাইফ।

টেস্ট ম্যাচের মেজাজে খেলেননি তিনি। ১১৬ স্ট্রাইক নিয়ে ১২ বলে ১৪ রান করেন।

সাইফের ওপেনিং পার্টনার সাদমানের ব্যাট থেকেও আসে ১৪ রান। অষ্টম ওভারে হাসান আলির বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন তিনি।

বাংলাদেশ বড় ধাক্কাটা খায় ১৬তম ওভারে। সাজিদ খানের বলে ৬ রান করে আউট হন মুমিনুল হক।

অধিনায়কের পতনের পরও শট খেলা কমাননি নাজমুল শান্ত। যার খেসারত দেন ১৭তম ওভারে। ফাহিম আশরাফের প্রথম বলে কাট করতে গিয়ে কাভার পয়েটে ধরা পড়েন তিনি। শান্তর ব্যাট থেকেও আসে ১৪।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন

পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড জুটি লিটন-মুশফিকের

পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড জুটি লিটন-মুশফিকের

পঞ্চম উইকেটে ২০৪ রান যোগ করেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। ছবি: এএফপি

পঞ্চম উইকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ২০৪ রানের জুটি গড়েন লিটন ও মুশফিক। দিনশেষে ১১৩ রানে অপরাজিত লিটন আর ৮২ রান নিয়ে খেলছেন মুশফিক।

৪৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে যখন হতাশার দিকে এগুচ্ছে স্বাগতিক দল, সে সময় ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস।

প্রথম সেশনের শেষে ব্যাট করতে নামা এ দুই ব্যাটসম্যানের রেকর্ড জুটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

পঞ্চম উইকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ২০৪ রানের জুটি গড়েন লিটন ও মুশফিক। দিনশেষে ১১৩ রানে অপরাজিত লিটন আর ৮২ রান নিয়ে খেলছেন মুশফিক।

ব্যাট করতে নেমে প্রথম ঘণ্টাতে স্বাগতিক দল হারায় দুই ওপেনারকে। বাজে শটে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত। আর মধ্যাহ্ন বিরতির আগে বাংলাদেশ হারায় অভিজ্ঞ মুমিনুল হককে।

প্রাণবন্ত উইকেটে পাকিস্তানের শুরুর দিককার পেইস আক্রমণ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভুল শট সিলেকশনের খেসারত দিতে হয়েছে সবাইকে।

এরপর উইকেট আগলে রেখে বিপর্যয় সামাল দিতে চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। বিরতি থেকে ফিরে দেখেশুনে দলকে শতরান পার করান দুই ব্যাটসম্যান।

৯৫ বলে ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি করেন লিটন। ৪৯ রানে দলের চার উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন তিনি। মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন।

ইনিংসের ৪৯তম ওভারে তুলে নেন নিজের ফিফটি। মুশফিকের সঙ্গে তার পার্টনারশিপ ছাড়িয়েছে ২০০ রান।

সবশেষ ১০ ইনিংসে এটি পঞ্চম ফিফটি লিটনের। সেটিকে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে পরিণত করেন তিনি। ১৯৯ বলে পৌঁছে যান তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে।

ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুরও। ১০৮ বলে ৮টি চারে নিজের ২৪তম টেস্ট ফিফটির স্বাদ নেন এই ব্যাটার।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন

লিটনের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ

লিটনের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ

সেঞ্চুরির পর লিটনকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন মুশফিক। ছবি: এএফপি

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে লিটন স্কোর করলেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। দিনের তৃতীয় সেশনে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে দেন এ উইকেটকিপার ব্যাটার।

ব্যাট হাতে বাজে সময়কে পেছনে ফেলার জন্য উপযুক্ত মঞ্চ বেছে নিলেন লিটন দাস। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে স্কোর করলেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। দিনের তৃতীয় সেশনে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে দেন এ উইকেটকিপার ব্যাটার।

লিটন যখন ব্যাট করতে নামেন তখন চার উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন এ অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

প্রথম সেশনের শেষে নেমে পুরো দ্বিতীয় সেশন ব্যাট করেন লিটন ও মুশফিক। দুজনই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

৯৫ বলে ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি করেন লিটন। সবশেষ ১০ ইনিংসে এটি তার পঞ্চম ফিফটি। হাফ সেঞ্চুরির পথে একটি ছক্কা ও ছয়টি চার হাঁকান তিনি।

৬৭ রানে শাহিন আফ্রিদির বলে সাজিদ খান তার ক্যাচ ছেড়ে দেন। এরপর পেছনে ফিরে তাকাননি লিটন।

তৃতীয় সেশনেও সাবলীল থাকেন লিটন-মুশফিক। সেঞ্চুরির দেখা আগে পান লিটন।

১৯৯ বলে ১০টি চার ও এক ছক্কায় ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান তিনি।

সকালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ঘণ্টাতে স্বাগতিক দল হারায় দুই ওপেনারকে। বাজে শটে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্তও। আর মধ্যাহ্ন বিরতির আগে বাংলাদেশ হারিয়েছে অভিজ্ঞ মুমিনুল হককে।

প্রাণবন্ত উইকেটে পাকিস্তানের শুরুর দিককার পেইস আক্রমণ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভুল শট সিলেকশনের খেসারত দিতে হয়েছে সবাইকে।

তবে লিটন-মুশফিকের পঞ্চম উইকেটে দুই শ ছাড়ানো জুটিতে অবস্থান দৃঢ় করে টাইগাররা।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন

মুশফিক-লিটন ২০০ ছাড়িয়ে নিলেন বাংলাদেশকে

মুশফিক-লিটন ২০০ ছাড়িয়ে নিলেন বাংলাদেশকে

পঞ্চম উইকেটে ১২২ রানের জুটি গড়েন মুশফিক ও লিটন। ছবি: বিসিবি

দুজনের দুর্দান্ত দুই ফিফটিতে বিপর্যয় এড়িয়ে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। চার উইকেট হারিয়ে ২০০ রান তুলেছে স্বাগতিক দল।

দিনের শুরুতে দলীয় ৫০ রানের আগে চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন আরও একটি বিপর্যয়ের আশঙ্কায়, তখনই অফ ফর্মে থাকা মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস আসেন ত্রাতা হয়ে।

দুজনের দুর্দান্ত দুই ফিফটিতে বিপর্যয় এড়িয়ে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। চার উইকেট হারিয়ে ২০০ রান তুলেছে স্বাগতিক দল।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ।

ব্যাট করতে নেমে প্রথম ঘণ্টাতে স্বাগতিক দল হারায় দুই ওপেনারকে। বাজে শটে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত। আর বিরতির আগে বাংলাদেশ হারায় অভিজ্ঞ মুমিনুল হককে।

প্রাণবন্ত উইকেটে পাকিস্তানের শুরুর দিককার পেইস আক্রমণ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভুল শট সিলেকশনের খেসারত দিতে হয়েছে সবাইকে।

ইনিংসের প্রথম ওভারে একবার জীবন পান সাদমান ইসলাম। ব্যাটের কানায় বল লেগে উইকেটকিপারের হাতে ধরা পড়ার পর পাকিস্তান দলের কেউ আবেদন না করায় সে যাত্রা রক্ষা পান তিনি।

অন্যপ্রান্তে শাহিন আফ্রিদির শর্ট বলের সামনে নড়বড়ে হয়ে পড়েন সাইফ হাসান। পঞ্চম ওভারে তার বলেই আউট হন সাইফ।

টেস্ট ম্যাচের মেজাজে খেলেননি তিনি। ১১৬ স্ট্রাইক নিয়ে ১২ বলে ১৪ রান করেন।

সাইফের ওপেনিং পার্টনার সাদমানের ব্যাট থেকেও আসে ১৪ রান। অষ্টম ওভারে হাসান আলির বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন তিনি।

বাংলাদেশ বড় ধাক্কাটা খায় ১৬তম ওভারে। সাজিদ খানের বলে ৬ রান করে আউট হন মুমিনুল হক।

অধিনায়কের পতনের পরও শট খেলা কমাননি নাজমুল শান্ত। যার খেসারত দেন ১৭তম ওভারে। ফাহিম আশরাফের প্রথম বলে কাট করতে গিয়ে কাভার পয়েন্টে ধরা পড়েন তিনি। শান্তর ব্যাট থেকেও আসে ১৪।

এরপর উইকেট আগলে রেখে বিপর্যয় সামাল দিতে চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস।

বিরতি থেকে ফিরে দেখেশুনে দলকে শতরান পার করান লিটন ও মুশফিক।

৯৫ বলে ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি করেন লিটন। ৪৯ রানে দলের চার উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন লিটন। মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন।

ইনিংসের ৪৯তম ওভারে তুলে নেন নিজের ফিফটি। মুশফিকের সঙ্গে তার পার্টনারশিপ ছাড়িয়েছে ১৫০ রান।

সবশেষ ১০ ইনিংসে এটি পঞ্চম ফিফটি লিটনের। ১০টি হাফ সেঞ্চুরি থাকলেও টেস্টে এখনও শতরানের দেখা পাননি এই হার্ডহিটার।

হাফ সেঞ্চুরির পথে একটি ছক্কা ও ছয়টি চার হাঁকান তিনি। লিটন-মুশফিকের ব্যাটে দেড় শ রান ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের সংগ্রহ।

লিটনের পর ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুর। ১০৮ বলে ৮টি চারে নিজের ২৪তম টেস্ট ফিফটির স্বাদ নেন এই ব্যাটার।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন

দলের বিপর্যয়ে লিটন-মুশফিকের ফিফটি

দলের বিপর্যয়ে লিটন-মুশফিকের ফিফটি

ফিফটির পর লিটনকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মুশফিকুর। ছবি: এএফপি

ইনিংসের ৪৯তম ওভারে তুলে নেন নিজের ফিফটি। সবশেষ ১০ ইনিংসে এটি পঞ্চম ফিফটি লিটনের। লিটনের পর ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুর। ১০৮ বলে ৮টি চারে নিজের ২৪তম টেস্ট ফিফটির স্বাদ নেন এই ব্যাটার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চরম ব্যর্থ লিটন দাস ফরম্যাট বদলে যেতেই রান পেলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে দলের বিপর্যয়ে দারুন এক ফিফটি তুলে নিয়েছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।

সঙ্গে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে সকালের সেশনের বিপররয় কাটিয়ে উঠছে বাংলাদেশ।

৯৫ বলে ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি করেন লিটন। ৪৯ রানে দলের চার উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন লিটন। মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন।

ইনিংসের ৪৯তম ওভারে তুলে নেন নিজের ফিফটি। মুশফিকের সঙ্গে তার পার্টনারশিপ ছাড়িয়েছে শতরান।

সবশেষ ১০ ইনিংসে এটি পঞ্চম ফিফটি লিটনের। ১০টি হাফ সেঞ্চুরি থাকলেও টেস্টে এখনও শতরানের দেখা পাননি এই হার্ডহিটার।

হাফ সেঞ্চুরির পথে একটি ছক্কা ও ছয়টি চার হাঁকান তিনি। লিটন-মুশফিকের ব্যাটে দেড় শ রান ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের সংগ্রহ।

লিটনের পর ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুর। ১০৮ বলে ৮টি চারে নিজের ২৪তম টেস্ট ফিফটির স্বাদ নেন এই ব্যাটার।

সকালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে, টপ অর্ডারের ব্যর্থতার বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। সাদমান, সাইফ, শান্ত ও অধিনায়ক মুমিনুল তিনজনই আউট হন দিনের প্রথম ১৭ ওভারের আগে।

প্রথম তিনজনের ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান আর মুমিনুল আউট হন ৬ রান করে। এরপর থেকে দলকে সামাল দিচ্ছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়কে টার্নিং পয়েন্ট বললেন ফিঞ্চ
‘বুড়ো’ ওয়ার্নারই টুর্নামেন্ট সেরা
মিরপুর থেকে দুবাই: থামেনি মার্শের ব্যাট
আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা

শেয়ার করুন