আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’

আবারও নিউজিল্যান্ডের ‘ফাইনাল ট্র্যাজেডি’

ফাইনালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। ছবি: আইসিসি

২০০৯ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে হার দিয়ে শুরু। সেবার তারা হারে অস্ট্রেলিয়ার কাছে। ২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে তারা শিরোপা হারায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের কাছে হেরে। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপাও খোয়াতে হলো প্রতিবেশি অজিদের কাছে।

আধুনিক ক্রিকেটকে নিউজিল্যান্ড দিয়েছে অনেক কিছুই। মার্টিন ক্রো, ক্রিস কেয়ার্নস, ড্যানিয়েল ভেটোরি ও শেইন বন্ডের মতো তারকা থেকে শুরু করে হালের কেইন উইলিয়ামসন, ট্রেন্ট বোল্টরা নিজেদের সময় বিশ্বের অন্যতম সেরা।

পরিকল্পিত ও গোছানো ক্রিকেট খেলায় জুটি নেই নিউজিল্যান্ডের। বিশ্বের সব প্রান্তে সমান ভাবে সফল ও জনপ্রিয় ব্ল্যাকক্যাপদের বৈশ্বিক আসরে সাফল্য হাতেগোনা। টেস্ট ক্রিকেটে এ বছর চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলেও, সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটগুলোয় তাদের সবশেষ সাফল্য ২০০০ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।

এরপর তারা চেষ্টা করেছে বহুবার। কিন্তু লাভ হয়নি! এবারও হলো না।

২০০৯ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে হার দিয়ে শুরু। সেবার তারা হারে অস্ট্রেলিয়ার কাছে।

২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে তারা শিরোপা হারায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের কাছে হেরে। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপাও খোয়াতে হলো প্রতিবেশি অজিদের কাছে।

আরও একবার বিশ্ব আসর থেকে ভাঙ্গা মন নিয়ে ফিরল নিউজিল্যান্ড। ছয়টি আইসিসি বিশ্ব আসরের চারটিতে হেরেছে ব্ল্যাকক্যাপস।

দুবাইয়ের ফাইনালে কেইন উইলিয়ামসনের অসাধারণ ইনিংসের পর ১৭২ রানের পুঁজি পায় ব্ল্যাক ক্যাপস। বোদ্ধাদের চোখে ফাইনালে যা ছিল যথেষ্ট স্কোর।

কিন্তু নিউজিল্যান্ড বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করে একরকম বলে-কয়ে বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া।

আরও একটি আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রতিপক্ষের উৎসব দেখেই সন্তুষ্ট থাকতে হল নিউজিল্যান্ডকে।

অথচ দারুণ একটা টুর্নামেন্ট কাটিয়েছে উইলিয়ামসনের দল। সুপার টুয়েলভে পাকিস্তানের কাছে হার দিয়ে শুরু করলেও ভারত, আফগানিস্তান, নামিবিয়া ও স্কটল্যান্ডকে পাত্তা না দিয়ে সেমিফাইনালে উঠে আসে ব্ল্যাকক্যাপস।

শেষ চারে তারা হারায় টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল ইংল্যান্ডকে। ফাইনালে উইলিয়ামসনের ৪৮ বলে ৮৫ রানের ইনিংসের পর শিরোপায় তাদের নাম দেখছিলেন অনেকেই।
কিন্তু দুর্দান্ত অজিরা তেমনটা হতে দেয়নি।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টেইল এন্ডের দৃঢ়তায় টেস্ট ড্র করল নিউজিল্যান্ড

টেইল এন্ডের দৃঢ়তায় টেস্ট ড্র করল নিউজিল্যান্ড

জাডেজার করা দিনের শেষ ওভার মোকাবিলা করছেন নিউজিল্যান্ডের আজাজ প্যাটেল। ছবি: টুইটার

পুরো দিনে ৯৪ ওভার খেলা শেষে ম্যাচ ড্র করতে সমর্থ্য হয় নিউজিল্যান্ড। শেষ চার উইকেটে ৩০ ওভার টিকে থাকে সফরকারী দল। ৯ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে দিন শেষ করে নিউজিল্যান্ড।

শেষ দিনে নিউজিল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যটা ছিল পরিষ্কার। পুরো দিন টিকে থাকা। তাদের কাছে ছিল ৯ উইকেট আর সামনে ছিল পুরো তিন সেশন।

প্রতিপক্ষ ছিলেন ভারতের স্পিন ত্রয়ী আক্সার প্যাটেল, রভিন্দ্র জাডেজা ও রভিচন্দ্রন আশউইন। পুরো দিনে ৯৪ ওভার খেলা শেষে ম্যাচ ড্র করতে সমর্থ্য হয় নিউজিল্যান্ড।

দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে নেমে চতুর্থ দিন শেষে এক উইকেট হারিয়ে বোর্ডে চার রান যোগ করে সফরকারী দল।

শেষ দিনে ভারতের স্পিন ত্রয়ীর সামনে জয়টা অসম্ভই ছিল ব্ল্যাকক্যাপদের জন্য। তাই পুরো দিন টিকে থেকে ড্রয়ের লক্ষ্যে খেলতে থাকা তারা।

নাইটওয়াচম্যান উইলিয়াম সমারভিলের সঙ্গে নিয়ে দিন শুরু করে টম লেইথাম গড়েন ৭৬ রানের জুটি। সমারভিল ৩৬ রান করে আউট হন। তবে এ জুটি উইকেটে কাটায় প্রায় ৩০ ওভার।

অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনকে নিয়ে আরেকটি ধীরগতির জুটি গড়েন লেইথাম। হাফ সেঞ্চুরি করে ৫২ রানে আউট হয়ে যান তিনি।

এরপর রস টেইলর, হেনরি নিকোলস ও উইলিয়ামসন ছয় ওভারের মধ্যে ফিরে গেলে চালকের আসনে বসে ভারত।

শেষ চার উইকেটে ৩০ ওভার টিকে থাকে সফরকারী দল। যার মূল কৃতিত্ব টম ব্লান্ডল ও রাচিন রাভিন্দ্রার। ৩০ বলে ৫ রান করেন ব্লান্ডল।

আর রাভিন্দ্রা ৯১ বলে ১৮ করে অপরাজিত থাকেন। শেষ জুটিতে আজাজ প্যাটেলকে নিয়ে ৮ ওভার চার বল টিকে থাকেন তিনি।

প্যাটেল অপরাজিত থাকেন ২৩ বলে ২ রান করে। ৯ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে দিন শেষ করে নিউজিল্যান্ড।

ভারতের হয়ে আশউইন ৩টি ও জাডেজা ৪টি উইকেট নিলেও দলের জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট মুম্বাইয়ে। ৩ ডিসেম্বর শুরু হবে এ ম্যাচ।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন

জয় থেকে ৯৩ রান দূরে পাকিস্তান

জয় থেকে ৯৩ রান দূরে পাকিস্তান

রানের জন্য ছুটছেন আবিদ ও শফিক। ছবি: এএফপি

বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। পঞ্চম দিন অবিশ্বাস্য কিছু করতে হলে স্বাগতিক দলের চাই ১০ উইকেট।

চট্টগ্রাম টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে পাকিস্তান। শেষ দিন সফরকারী দলের আরও ৯৩ রান দরকার দুই ম্যাচে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে।

বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। পঞ্চম দিন অবিশ্বাস্য কিছু করতে হলে স্বাগতিক দলের চাই ১০ উইকেট।

নির্ধারিত সূচির ১৮ ওভার বাকি থাকতে আলোক স্বল্পতায় শেষ করা হয় দিনের খেলা। ৫৬ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন আবিদ আলি। তার সঙ্গী আবদুল্লাহ শফিক খেলছেন ৫৩ রানে।

সাগরিকায় তিন ইনিংসের ব্যাট বলের লড়াইয়ের পর সমীকরণ দাঁড়িয়েছে এমনটা।

চতুর্থ দিন সকালে ৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাকি উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। লিড দাঁড় করায় ২০১ রানের।

সকালের সেশনের শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। প্রথম ওভারে ১৬ রান করা মুশফিকুর রহিম হাসান আলির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর ইয়াসির রাব্বিকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস।

প্রথম ইনিংসে অনবদ্য সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সাবলীল ছিলেন লিটন। তাকে ভালো সঙ্গ দেন অভিষেক হওয়া রাব্বি।

শাহিন আফ্রিদির বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ৩৬ রান করা রাব্বি। আট নম্বরে নামা মিরাজও লিটনকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ১১ রান করে আউট হন সাজিদ খানের বলে।

সপ্তম উইকেটে রাব্বির কনকাশন সাব নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন।

৮৩ বলে লিটন তুলে নেন তার ফিফটি। ৬টি বাউন্ডারি ছিল তার ইনিংসে।

সোহান ১৫ রান করে সাজিদের বলে ফেরেন। ততক্ষণে বাংলাদেশের লিড ছাড়ায় ২০০।

এরপরই আউট হয়ে যান লিটন। ৫৯ রান করে আফ্রিদির বলে ফেরেন তিনি।

লিটন আউট হওয়ার পর স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৫৭ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিক দল।

শেষ চার উইকেট পাকিস্তান তুলে নেয় মাত্র চার রানে। ৬ উইকেটে ১৫৩ থেকে থেকে ১৫৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের লিড দাঁড়ায় ২০১ রানের।

শাহিন আফ্রিদি ৩২ রানে ৫টি আর সাজিদ খান ৩৩ রানে ৩টি উইকেট নেন।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন

বিপদমুক্ত হলেও ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাব্বি

বিপদমুক্ত হলেও ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাব্বি

আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়ছেন রাব্বি। ছবি: বিসিবি

রিপোর্টে কোনো সমস্যা দেখা না গেলেও সতর্কতার জন্য ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাকে। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শাহিন আফ্রিদির বাউন্সার আঘাত হানে ইয়াসির রাব্বির হেলমেটে। সেই আঘাতের পর সাত বল খেলে মাঠ থেকে উঠে যান তিনি।

সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে তার।

রিপোর্টে কোনো সমস্যা দেখা না গেলেও সতর্কতার জন্য ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাকে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সময় মাথায় আঘাত পান ইয়াসির আলি রাব্বি। যার কারণে তার সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে।’

‘সেখানে কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি এবং সে শঙ্কামুক্ত। তবে সাবধানতার জন্য তাকে হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।’

দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশকে ১৫৭ রানে বেঁধে দিয়েছে পাকিস্তান। যার ফলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২০২ রানের।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন

জয়ের লক্ষ্যে সতর্ক পাকিস্তান

জয়ের লক্ষ্যে সতর্ক পাকিস্তান

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছেন আবিদ আলি। ছবি: এএফপি

দুই ওপেনারের ব্যাট থেকে চা বিরতির আগ পর্যন্ত এসেছে ৩৮ রান। ২০ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন আবিদ আলি। তার সঙ্গী আবদুল্লাহ শফিক খেলছেন ১৮ রানে।

জয়ের জন্য ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দেখেশুনে শুরু করেছে পাকিস্তান। দুই ওপেনারের ব্যাট থেকে চা বিরতির আগ পর্যন্ত এসেছে ৩৮ রান।

২০ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন আবিদ আলি। তার সঙ্গী আবদুল্লাহ শফিক খেলছেন ১৮ রানে।

চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে পাকিস্তানকে করতে হবে ২০২ রান। তাদের অক্ষত আছে ১০ উইকেট ও সময় আছে পুরো চার সেশন। বাংলাদেশকে জিততে হলে এই সময়ের মধ্যে প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে হবে।

সাগরিকায় তিন ইনিংসের ব্যাট বলের লড়াইয়ের পর সমীকরণ দাঁড়িয়েছে এমনটা।

চতুর্থ দিন সকালে ৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাকি উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। লিড ছাড়িয়ে নেয় ২০০ রান।

সকালের সেশনের শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। প্রথম ওভারে ১৬ রান করা মুশফিকুর রহিম হাসান আলির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর ইয়াসির রাব্বিকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস।

প্রথম ইনিংসে অনবদ্য সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সাবলীল ছিলেন লিটন। তাকে ভালোই সঙ্গ দেন অভিষেক হওয়া রাব্বি।

শাহিন আফ্রিদির বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ৩৬ রান করা রাব্বি। আট নম্বরে নামা মিরাজও লিটনকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ১১ রান করে আউট হন সাজিদ খানের বলে।

সপ্তম উইকেটে রাব্বির কনকাশন সাব নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন।

৮৩ বলে লিটন তুলে নেন তার ফিফটি। ৬টি বাউন্ডারি ছিল তার ইনিংসে।

সোহান ১৫ রান করে সাজিদের বলে ফিরেছেন। ততক্ষণে বাংলাদেশের লিড ছাড়ায় ২০০।

এরপরই আউট হয়ে যান লিটন। ৫৯ রান করে আফ্রিদির বলে ফেরেন তিনি।

লিটন আউট হওয়ার পর স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৫৭ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিক দল।

শেষ চার উইকেট পাকিস্তান তুলে নেয় মাত্র চার রানে। ৬ উইকেটে ১৫৩ থেকে থেকে ১৫৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের লিড দাঁড়ায় ২০১ রানের।

শাহিন আফ্রিদি ৩২ রানে ৫টি আর সাজিদ খান ৩৩ রানে ৩টি উইকেট নেন।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন

পাকিস্তানকে ২০২ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ২০২ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

আফ্রিদির বলে আউট হয়ে গেলেন ৫৯ রান করা লিটন দাস। ছবি: এএফপি

শেষ চার উইকেট পাকিস্তান তুলে নেয় মাত্র চার রানে। ৬ উইকেটে ১৫৩ থেকে থেকে ১৫৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের লিড দাঁড়ায় ২০১ রানের।

চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে পাকিস্তানকে করতে হবে ২০২ রান। তাদের অক্ষত আছে ১০ উইকেট ও সময় আছে পুরো দেড় দিন। বাংলাদেশকে জিততে হলে এই সময়ের মধ্যে প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে হবে।

সাগরিকায় তিন ইনিংসের ব্যাট বলের লড়াইয়ের পর সমীকরণ দাঁড়িয়েছে এমনটা।

চতুর্থ দিন সকালে ৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাকি উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। লিড ছাড়িয়ে নেয় ২০০ রান।

সকালের সেশনের শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। প্রথম ওভারে ১৬ রান করা মুশফিকুর রহিম হাসান আলির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর ইয়াসির রাব্বিকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস।

প্রথম ইনিংসে অনবদ্য সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সাবলীল ছিলেন লিটন। তাকে ভালোই সঙ্গ দেন অভিষেক হওয়া রাব্বি।

শাহিন আফ্রিদির বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ৩৬ রান করা রাব্বি। আট নম্বরে নামা মিরাজও লিটনকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ১১ রান করে আউট হন সাজিদ খানের বলে।

সপ্তম উইকেটে রাব্বির কনকাশন সাব নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন।

৮৩ বলে লিটন তুলে নেন তার ফিফটি। ৬টি বাউন্ডারি ছিল তার ইনিংসে।

সোহান ১৫ রান করে সাজিদের বলে ফিরেছেন। ততক্ষণে বাংলাদেশের লিড ছাড়ায় ২০০।

এরপরই আউট হয়ে যান লিটন। ৫৯ রান করে আফ্রিদির বলে ফেরেন তিনি।

লিটন আউট হওয়ার পর স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৫৭ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিক দল।

শেষ চার উইকেট পাকিস্তান তুলে নেয় মাত্র চার রানে। ৬ উইকেটে ১৫৩ থেকে থেকে ১৫৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের লিড দাঁড়ায় ২০১ রানের।

শাহিন আফ্রিদি ৩২ রানে ৫টি আর সাজিদ খান ৩৩ রানে ৩টি উইকেট নেন।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন

ফিফটির পরপর লিটনের বিদায়

ফিফটির পরপর লিটনের বিদায়

পাকিস্তানের বিপক্ষে সুইপ শট খেলছেন লিটন দাস। ছবি: এএফপি

ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি পূর্ণ করে শাহিন আফ্রিদির বলে আউট হয়েছেন লিটন। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৫৯ রান।

প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে সাবলীল ছিলেন লিটন দাস। পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

দিনের দ্বিতীয় সেশনে ক্যারিয়ারের দশম টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন। সকালে তিনজন সঙ্গী হারালেও অবিচল থেকে ব্যাট করেন তিনি।

চার উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে প্রথম ওভারে ১৬ রান করা মুশফিকুর রহিম হাসান আলির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর ইয়াসির রাব্বিকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন লিটন।

শাহিন আফ্রিদির বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ৩৬ রান করা রাব্বি। আট নম্বরে নামা মিরাজও লিটনকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ১১ রান করে আউট হন সাজিদ খানের বলে।

সপ্তম উইকেটে রাব্বির কনকাশন সাব নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন।

৮৩ বলে লিটন তুলে নিয়েছেন তার ফিফটি। ৬টি বাউন্ডারি ছিল তার ইনিংসে।

সোহান ১৫ রান করে সাজিদের বলে ফিরেছেন। ততক্ষণে বাংলাদেশের লিড ছাড়ায় ২০০।

এরপরই আউট হয়ে যান লিটন। ৫৯ রান করে আফ্রিদির বলে ফেরেন তিনি।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন

ছেলেসহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শেন ওয়ার্ন

ছেলেসহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শেন ওয়ার্ন

শেন ওয়ার্ন ও তার ছেলে জ্যাকসন ওয়ার্ন। ছবি: সংগৃহীত

ওয়ার্ন স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানান যে তিনি ও তার ছেলে মোটরসাইকেলে ছিলেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৪৫ ফুট স্লাইড করে তাদের মোটরসাইকেলটি। যার কারণে দুই জনই আঘাত পান। 

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান সাবেক তারকা শেন ওয়ার্ন। রোববার এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিজে সংবাদ মাধ্যমকে জানান এ কিংবদন্তি লেগস্পিনার।

এ সময় তার ছেলে জ্যাকসন ওয়ার্নও তার সঙ্গে ছিলেন। তারা গুরুতর আঘাত পাননি বলে নিশ্চিত করেন ওয়ার্ন।

ওয়ার্ন স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানান যে তিনি ও তার ছেলে মোটরসাইকেলে ছিলেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৪৫ ফুট স্লাইড করে তাদের মোটরসাইকেলটি। যার কারণে দুই জনই আঘাত পান।

ওয়ার্ন বলেন, ‘আমি আঘাত পেয়েছি। যার কারণে শরীরে এখনও ব্যাথা আছে। কয়েকটা জায়গা ফুলে গিয়েছে।’

তবে ওয়ার্নের আশা ৮ ডিসেম্বর অ্যাশেজ সিরিজ শুরু হওয়ার আগে পুরো সুস্থ হয়ে যাবেন তিনি।

অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ফক্স ক্রিকেটের সংগে ধারাভাষ্যকার ও বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করবেন ৫২ বছর বয়সী ওয়ার্ন।

২০০৭ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের সময় শেন ওয়ার্ন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭০৮ টেস্ট উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। যেটি ওই সময়ে বিশ্বরেকর্ড ছিল। পরে শ্রীলঙ্কার মুত্তাইয়া মুরালিধরন তার রেকর্ড ভাঙেন।

তবে এখনও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেট তার।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শিরোপা
ফাইনালে রেকর্ডময় উইলিয়ামসন
বিশ্বকাপ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ১৭৩

শেয়ার করুন