ফেডেরারের আরেকটি রেকর্ডে ভাগ বসাতে যাচ্ছেন জকোভিচ

ফেডেরারের আরেকটি রেকর্ডে ভাগ বসাতে যাচ্ছেন জকোভিচ

নোভাক জকোভিচ ও রজার ফেডেরার ছবি: এএফপি

বছরের শেষ টুর্নামেন্ট এটিপি ট্যুরের ফাইনালে পৌঁছে গেছেন ‘দ্য জোকার’। সর্বোচ্চ ষষ্ঠবার এ টুর্নামেন্টের শিরোপা ঘরে তোলার রেকর্ডটি এখনও ফেডেরারের দখলে। পাঁচবার জিতে দুইয়ে আছেন জকোভিচ।

কিংবদন্তি টেনিস খেলোয়াড় রজার ফেডেরারের সর্বোচ্চ ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের রেকর্ড ছুঁয়েছেন আগেই। এবার এ সুইস মহাতারকার আরেকটি রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় আছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচ।

বছরের শেষ টুর্নামেন্ট এটিপি ট্যুরের ফাইনালে পৌঁছে গেছেন ‘দ্য জোকার’। সর্বোচ্চ ষষ্ঠবার এ টুর্নামেন্টের শিরোপা ঘরে তোলার রেকর্ডটি এখনও ফেডেরারের দখলে। পাঁচবার জিতে দুইয়ে আছেন জকোভিচ।

তুরিনে সোমবার ‍এ রেকর্ড ছোঁয়ার মন্ত্রে মাঠে নামতে চলেছেন এ সার্বিয়ান। ফাইনালে তিনি মুখোমুখি হবেন স্টিফানোস টিসিতসিপাসের।

জুনে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালের পর আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন নোভাক জকোভিচ ও স্টিফানোস টিসিতসিপাস। পাঁচ মাসের মধ্যে আবারও এ দুই তারকা একে অপরের মোকাবিলা করবেন।

আরেক পুলে রয়েছেন বিশ্বের দুই নম্বর তারকা ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ডানিল মেদভেদেভ। তার সঙ্গে এ পুলে রয়েছেন আলেক্সান্দার জেভরেভ, মাত্তেও বেরাত্তিনি ও হাবার্ট হারকাজ।

এর আগের দেখায় ফ্রেঞ্চ ওপেনের উত্তেজনাকর ফাইনালে জকোভিচ দুই সেট পিছিয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত গ্রিক তারকা টিসিতসিপাসকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত রোলা গ্যাঁরোতে শিরোপা জয় করেছিলেন।

প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে দুবার চার গ্র্যান্ড স্ল্যামের শিরোপা জেতার কৃতিত্ব রয়েছে জকোভিচের। ৩৪ বছর বয়সী ২০ বারের গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী এই সার্বিয়ান ২০০৮, ২০১২, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে পাঁচবার এটিপি ফাইনালের শিরোপা জয় করেছিলেন।

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিকিনিতে স্টেজে পারফর্ম করা ছিল চ্যালেঞ্জিং: বডিবিল্ডার মৌ

বিকিনিতে স্টেজে পারফর্ম করা ছিল চ্যালেঞ্জিং: বডিবিল্ডার মৌ

বডিবিল্ডার মাকসুদা আক্তার মৌ। ছবি: সংগৃহীত

মুম্বাইয়ের সফর শেষে অভিজ্ঞতা, নতুনত্ব, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মাকসুদা আক্তার মৌ। দেশে ফেরার সময় নিউজবাংলার সঙ্গে কথা বলেন মৌ।

ভারতের মুম্বাইয়ে আইএইচএফএফ অলিম্পিয়া অ্যামেচার বডিবিল্ডিংয়ে প্রথমবার অংশ নিয়ে পদক জেতেন বাংলাদেশের মাকসুদা আক্তার মৌ। দেশের বাইরে গিয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা ৩০ বডিবিল্ডারদের মধ্যে পারফর্ম করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে জানান তিনি।

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে নিজেকে মেলে ধরা কঠিন মনে হয়েছে তার। সব বাধা পেরিয়ে নজর কেড়েছেন। আসরের বিচারকদেরও প্রশংসা পেয়েছেন।

মুম্বাইয়ের সফর শেষে অভিজ্ঞতা, নতুনত্ব, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মাকসুদা আক্তার মৌ। দেশে ফেরার সময় নিউজবাংলার সঙ্গে কথা বলেন মৌ। তার সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।

প্রথমবার কোনো আন্তর্জাতিক ট্যুরে গেলেন? কেমন হলো মুম্বাই সফর?

একটা সলো ট্যুর ছিল। একাই আসছি। অনেক কিছু শিখলাম। অনেক দেশের বডিবিল্ডার এসেছিল। জ্ঞান হলো, অভিজ্ঞতা হলো। পরবর্তী প্রতিযোগিতায় এসব সাহায্য করবে।

আমাদের দেশে ওভাবে আসলে কোনো বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতা হয় না বা এক্সপো হয় না। এটা আসলে একটা হেল্থ ও ফিটনেস এক্সপো বলতে পারেন। বিশ্বের আনাচ-কানাচে থেকে প্রতিযোগী আসছে। এখানে অনেক ধরনের ব্র্যান্ড ছিল যেগুলো আমাদের দেশে নাই। এটা আমার জন্য ভালো অভিজ্ঞতা ছিল।

মুম্বাইয়ের অ্যামেচার বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতা থেকে কীভাবে অনুপ্রাণিত হলেন?

এখানে যারা বিচারক ছিলেন, প্রতিযোগিতার শেষে তারা আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা এটাই বললেন যে, বাংলাদেশেও যে বডিবিল্ডার নারী আছে বা ওখানেও যে বডিবিল্ডিং হয়, তাতে ওরা অবাক হয়েছে। এমন ফিজিক্যাল কন্ডিশন নিয়ে আসছে কোন নারী।

আমি যাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করি তারা মূলত ৩৭-৩৮ বছর বয়সী বডিবিল্ডার। ওরা ১৬-১৭ বছর ধরে প্রতিযোগিতা করে। যেখানে আমি ২০১৯ সাল থেকে শুরু করি। নিজেকে প্রস্তুত করি। আমার পিঠে অনেক ইনজুরি ছিল। সেখান থেকে সেরে উঠে প্রস্তুতিতে নামি।

বিকিনিতে স্টেজে পারফর্ম করা ছিল চ্যালেঞ্জিং: বডিবিল্ডার মৌ
মাকসুদা আক্তার মৌয়ের পদক ও পোজ। ছবি: সংগৃহীত

মুম্বাইয়ে বডিবিল্ডিং নিয়ে নতুন কী শিখলেন?

এখানে প্রশংসা বেশি পেয়েছি। আমার কিছু দুর্বলতা ছিল, যা বের করার চেষ্টা করেছি। যারা প্রথম বা দ্বিতীয় হয়েছে ওদের অবস্থা কী বা আমার উন্নতি করতে হবে কোথায়, সেগুলো বের করার চেষ্টা করছি। ওরা অনেক বছর ধরে করছে তাই তাদের পেশি বেশি পরিপক্ব। বিচারকরা বললেন, আমার কন্ডিশনিংটা ভালো। আমি যেহেতু কম দিনে প্রস্তুত করেছি নিজেকে, তাই পেশিগুলো কম পরিপক্ব হয়েছে। আমি যদি আরও কয়েক বছর ধরে চালিয়ে যাই, তাহলে আরও ভালো করব।

ওনারা যেভাবে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন যে যদি আরও দু-তিন বছর লেগে থাকি তাহলে বড় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারব। ওই অনুপ্রেরণা আসলেই ভালো ছিল।

দেশের বাইরে গিয়ে বড় কোনো টুর্নামেন্টে নেমে প্রথমবারই পদক পাবেন বলে আশা করেছিলেন?

না। সত্যিকার অর্থে ২০২০ সালে যখন বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় নামি, তখনই বলছি পরের বছরে আমি প্রতিযোগিতা করব। আমার লক্ষ্য ছিল এখানে আসা। পুরো বছর প্রস্তুতি নিয়েছি। চোটের পর বিশ্রামেও ছিলাম অনেক দিন। ফিজিও নিয়ে ঠিক হয়েছি।

বাংলাদেশে আপনি জানেন যে, আমরা নারীরা হাফ স্লিভ বা প্যান্ট পরে প্রতিযোগিতায় অংশ নিই। আর এখানে বিকিনি পরে স্টেজে উঠতে হয়েছে। পারফর্ম করতে হয়েছে। বিষয়টা চ্যালেঞ্জিং ছিল। ওখানে ছোট ছোট ভুলগুলো অনেক বড় করে দেখা হয়।

আমার কোচ ছিলেন বাংলাদেশ থেকে। আমি গর্ব বোধ করি যে বাংলাদেশে এই কন্ডিশনিংয়ের ওপরে কোচ আছেন।

২০১৯ সালের আগে সেভাবে বডিবিল্ডিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। কী কাজ করেছে মূলত এই খেলায় আসার ব্যাপারে?

বডিবিল্ডিংয়ের প্রক্রিয়া একেবারে আলাদা। ডায়েটিং থেকে শুরু করে অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ ও মেনে চলতে হয়। ২০১৯ সালে যখন ‍শুরু করি তখন একটা টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় হই। তখন ভেবেছি যদি একটু ভালো কন্ডিশনিং নিয়ে আসি তাহলে আরও ভালো করব।

বিকিনিতে স্টেজে পারফর্ম করা ছিল চ্যালেঞ্জিং: বডিবিল্ডার মৌ
কঠোর পরিশ্রমে দুই বছরে যে শারীরিক পরিবর্তন এনেছেন মৌ। ছবি: সংগৃহীত

পুরো বিষয়টা তো অনেক পরিশ্রমের। পরিবার-আত্মীয়স্বজন নিয়ে কীভাবে প্রস্তুতি নিলেন?

সবশেষ চার মাস আমার কোনো পারিবারিক জীবন ছিল না। একা ছিলাম প্রায় সময়। শুধু প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিয়েছি। এটা কঠিন ছিল।

ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য জিম করা আর বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত হওয়া দুটি ভিন্ন বিষয়। ফিটনেস থেকে এই খেলায় আসার মানসিক প্রস্তুতি কীভাবে নিয়েছিলেন?

ঢাকায় আমার যারা ট্রেইনার ছিলেন তারা মূলত দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। ফিটনেস থেকে বডিবিল্ডিংয়ে প্রবেশ করাটা আমার জন্য সমস্যা ছিল না। সারা দিন আমাকে যদি কেউ ফোন দেয় তাহলে আমাকে জিমেই পাবে। আমি নিজেও যেহেতু ট্রেইনার, তাই সেভাবে মানিয়ে চলি। মানসিকতা ঠিক থাকলে কঠিন মনে হবে না।

এই খেলায় দেশের নারীদের জন্য আইডলে পরিণত হয়েছেন। দেশে বডিবিল্ডিংয়ে নারীদের খুব একটা উৎসাহিত করা হয় না। কীভাবে তাদের অনুপ্রাণিত করবেন?

প্রথমত বিষয়টা পরিবার থেকে আসে। আমার পরিবারের কেউ বলেনি তুমি জিমে যাও। আমাদের সমাজে গতানুগতিক চিন্তা করে মানুষ। একটা সন্তান হলে সর্বোচ্চ নাচ-গান করার অনুমতি পাওয়া যায়। তবে জিমের ক্ষেত্রে মেয়েদের ওভাবে বলে না। এখনও সমাজব্যবস্থায় ওভাবে চিন্তাটা আসেনি।

কারও যদি ইচ্ছা থাকে আমি বলব পেশাদারভাবে নেয়ার বিষয়টি। দুদিন আসলাম খেললাম! এমনভাবে হয় না। তাকে আসতে হলে চিন্তা করতে হবে যে সে পারবে কী না। মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে। চিন্তা করতে হবে আমি যেতে পারব কী না।

এই পেশাটা আসলেই প্রগতিশীল। ফিটনেস বা বডিবিল্ডিংয়ের এতো ক্রেজ! ভারতের দিকে তাকান। আমাদের দেশের মানুষ সাপ্লিমেন্ট পায় না। ওখানে এক্সপোতে ফ্রিতে দেয়া হয়। আমাদের দেশে সাপ্লিমেন্টের দাম ৮-১০ হাজার টাকা। ওখানে ফ্রি! ফ্রিতে প্রোটিন দিচ্ছে। এখান থেকে বোঝা যায় যে তাদের ক্রেজ কত বেশি। এগুলো আসলে আমার ক্ষেত্রে বেশি কাজ করেছে যে বাইরের দেশ যদি পারে তাহলে আমি নই কেন?

ভবিষ্যতে দেশের নারীদের নিয়ে আলাদা কোনো উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা আছে?

চিন্তা আছে। আমি যখন চট্টগ্রামে শুরু করি আমি অনেক নারীকে নিয়ে কাজ করতাম। কাপ্তাই থেকে শুরু করে অনেক ছোট ছোট জিমে গিয়েছি। ওখানে নারীরা আসতেন। বোরকা পরেও অনেকে আসতেন। তাদের সম্ভাবনা থাকলেও কেউ মানসিকভাবে শক্ত ছিল না। বাসায় কী বলবে, সমাজ কী বলবে এসব চিন্তা করে অনেকে আসে না। এখানে কাজ করতে হবে। এখন অনেকেই কাজ করছে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কেমন পার্থক্য দেখলেন?

আপনি দেখবেন ফিটনেস আর ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি আলাদা। আমাদের দেশে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি আছে কিন্তু ফিটনেস ইন্ডাস্ট্রি নাই। কোনো অভিনেতা-অভিনেত্রী আছে যাদের সিক্স প্যাক আছে? আরিফিন শুভ আসে আমাদের জিমে। এছাড়া আসলে কেউই আসে না। আমি বলব না এটা ওদের দোষ। মূলত ওভাবে গাইডলাইনটা পায় না।

পরবর্তী লক্ষ্য কী?

এরপরে আমি ফ্রান্সে যাচ্ছি। বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপের প্রাক-বাছাইয়ে অংশ নেব। ১৫ ডিসেম্বর রওনা দেব। আমার অভিজ্ঞতাও হবে। জানি না ফল কী হবে। কিন্তু আমি চালিয়ে যাব। দেশে ৮ তারিখ এসে ভিসার কাজটা শুরু করব। তারপর নিজেকে প্রস্তুত করব। যেহেতু এখন কন্ডিশনিং আছে শরীরের। তাই খুব একটা সমস্যা হবে না। আরও কন্ডিশনিং হবে। দোয়া করবেন।

নিউজবাংলাকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

নিউজবাংলাকেও ধন্যবাদ

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন

শাস্তি থেকে রেহাই দ্রুততম মানব ইসমাইলের

শাস্তি থেকে রেহাই দ্রুততম মানব ইসমাইলের

নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হলেন মোহাম্মদ ইসমাইল। ছবি: সংগৃহীত

বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে ইসমাইলের করা সমালোচনার জেরে তদন্ত কমিটি গঠন করে ফেডারেশন। ২ অক্টোবর থেকে এক বছরের জন্য ইসমাইলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কমিটি। শাস্তি ভোগের দুই মাস পাঁচ দিনের মাথায় বহিস্কারাদেশ তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন।

টোকিও অলিম্পিকে খেলোয়াড় বাছাই নিয়ে সমালোচনা করে এক বছরের জন্য ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক খেলায় নিষেধাজ্ঞায় ছিলেন দেশের দ্রুততম মানব মোহাম্মদ ইসমাইল। ক্ষমা চেয়ে আপিল করার পর শাস্তি ভোগের দুই মাস ৫ দিনের মাথায় বহিষ্কারেদেশ তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন।

এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশের অ্যাথলেটিকসের সবচেয়ে বড় সংস্থা।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফেডারেশনের সভাপতি বরাবর ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল হবে না উল্লেখ করে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়ে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেন ইসমাইল। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ফেডারেশন।

জাপানে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক আসরের জন্য খেলোয়াড় বাছাই করা হয় দেশের ৪০০ মিটার চ্যাম্পিয়ন জহির রায়হানকে। বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে তখন সমালোচনা করেন দেশ সেরা স্প্রিন্টার ইসমাইল। তিনি অলিম্পিকের আগে বাংলাদেশ গেমসে ১০০ মিটার রেসে চ্যাম্পিয়ন হন।

বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে তার সমালোচনার জেরে তদন্ত কমিটি গঠন করে ফেডারেশন। ২ অক্টোবর থেকে এক বছরের জন্য ইসমাইলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কমিটি।

নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়ায় ফেডারেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইসমাইল। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এতোদিন যন্ত্রণার মধ্যে ছিলাম। এখন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় অনেক ভালো লাগছে।’

এখন জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে নৌ বাহিনীর হয়ে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন ইসমাইল। আগামী টুর্নামেন্টে ভালো করতে চান তিনি। বলেন, ‘সামনে জাতীয় অ্যাথলেটিকস আছে। এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, ভালো করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন

বিদেশে প্রথম চেষ্টাতেই সফল বাংলাদেশের মৌ

বিদেশে প্রথম চেষ্টাতেই সফল বাংলাদেশের মৌ

বডিবিল্ডার মাকসুদা আক্তার মৌ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মুম্বাই এক্সিবিশন সেন্টারে আইএইচএফএফ অলিম্পিয়া অ্যামেচার বডিবিল্ডিংয়ে অংশ নিয়ে তৃতীয় রানার আপ হয়েছেন মৌ।

বডিবিল্ডিংয়ের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রথমবার অংশ নিয়ে পদক জিতেছেন বাংলাদেশের বডিবিল্ডার মাকসুদা আক্তার মৌ। প্রথমবার বাংলাদেশ থেকে কোনো নারী অংশ নেন এমন প্রতিযোগিতায়।

ভারতের মুম্বাই এক্সিবিশন সেন্টারে আইএইচএফএফ অলিম্পিয়া অ্যামেচার বডিবিল্ডিংয়ে অংশ নিয়ে তৃতীয় রানার আপ হয়েছেন মৌ।

এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৩০ বডিবিল্ডারের মধ্যে এমন অর্জন নিজের করে নিয়েছেন বাংলাদেশের এ অ্যাথলেট। তিনি অংশ নিয়েছিলেন উইম্যান ফিজিক ক্যাটাগরিতে।

উচ্ছ্বসিত মৌ বলেন, ‘যারা আমাকে এতদূর আসতে সাহায্য করেছেন, আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ। ২০১৯ সালে যখন বডিবিল্ডিং শুরু করি, তখন সবাই জানতেন আমি কতটা প্রস্তুত ছিলাম। এরপর দুটি জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। আরও প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ গেমসে অংশ নিই।

‘তারপর অলিম্পিয়া অ্যামেচার প্রতিযোগিতায় আসি। এখানে এসে পদক জিততে পেরে দারুণ লাগছে।’

বিদেশে প্রথম চেষ্টাতেই সফল বাংলাদেশের মৌ
পদক আর পোজ মাকসুদা আক্তার মৌয়ের। ছবি: সংগৃহীত

বডিবিল্ডিংয়ে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর তিনি রেখেছেন গত বছর জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে। এরপর বাংলাদেশ গেমসে স্বর্ণ পদক জেতেন মৌ।

নিজের একনিষ্ঠ পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন মুম্বাইয়ে। নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নিয়ে জেতেন পদক।

সামনে ফ্রান্সের বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপের প্রাক-বাছাইয়ে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মৌ।

কানাডায় পাবলিক হেলথে মাস্টার্স করা মৌ শরীর গঠনে অনেক আগেই মনোনিবেশ করেন। যমুনা ফিউচার ফিটনেসের সিনিয়র ট্রেইনার হিসাবে কর্মরত আছেন। মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদেরও ট্রেনিং করান তিনি।

বিশ্বের অন্যতম সফল বডিবিল্ডার ও হলিউড অ্যাকশন সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারকে আদর্শ মানেন মাকসুদা।

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন

তালেবানের ভয়ে বেলগ্রেডে পালিয়ে ১১ আফগান বক্সার

তালেবানের ভয়ে বেলগ্রেডে পালিয়ে ১১ আফগান বক্সার

বেলগ্রেডে অনুশীলন করছেন আফগান বক্সাররা। ছবি: এএফপি

১১ বক্সারের সঙ্গে দুজন কর্মকর্তাও রয়েছেন, যারা বেলগ্রেডে থেকে গেছেন। পুরো দলটি এখন শহরের বিভিন্ন হোটেলে থাকছে।

ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের (এআইবিএ) বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে নভেম্বরে সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে গিয়েছিল আফগানিস্তানের একট বক্সিং দল। তাদের ১১ জন দেশে ফিরতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

১১ বক্সারের সঙ্গে দুজন কর্মকর্তাও রয়েছেন, যারা বেলগ্রেডে থেকে গেছেন। পুরো দলটি এখন শহরের বিভিন্ন হোটেলে থাকছে।

দলের সদস্য ১৯ বছর বয়সী লাইটওয়েইট বক্সার ও আফগানিস্তানে নিজের ক্যাটাগরিতে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হাসিব মালিকজাদা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, তারা তালেবানের ভয়ে দেশে ফিরছেন না। দেশের ফিরলে অনেকের প্রাণহানির আশঙ্কা আছে।

তিনি যোগ করেন, ‘তালেবান আসার পর আমরা বক্সিং চালিয়ে যেতে পারছিলাম না। জিম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।’

তার দুই ভাই তালেবান সরকারের বিরোধী পক্ষে যোগ দেন ও পাঞ্জশিরে যুদ্ধ করেন। যে কারণে মৃত্যভয় তার বেশি।

মালিকজাদা বলেন, ‘তালেবানরা আমাদের খুঁজে পেলে মেরে ফেলবে।’

আফগানিস্তানের যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থার মধ্যেই মালিকজাদার মতো বক্সাররা নিজেদের অনুশীলন চালিয়ে গেছেন।

চারদিকের তাণ্ডবলীলার মাঝে তারা অনুশীলনের সময়টুকুতে শান্তি খুঁজে পেতেন বলে জানান ২০ বছর বয়সী তওফিকুল্লাহ সোলাইমানি।

তিনি বলেন, ‘বক্সিং আমাদের শরীর, স্বাস্থ্য ও মনকে প্রফুল্ল রাখত।’

তালেবানের প্রথম শাসনামলে ১৯৯০-এর দশকে বক্সিংকে নিষিদ্ধ করা হয়। এবারও তাই তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে বক্সাররা গোপনে অনুশীলন করতেন ও সরঞ্জাম লুকিয়ে রাখতেন।

সার্বিয়ায় তারা এসেছেন সীমানা পেরিয়ে ইরান হয়ে। তেহরানে তাদের টুর্নামেন্টের আগ মুহূর্তে সার্বিয়ার ভিসা দেয়া হয়।

এত সমস্যার মাঝেও নিজেদের খেলা চালিয়ে গেছেন আফগান বক্সাররা। সার্বিয়ায় আসার পর খুব ভালো করে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ না পেলেও অনুশীলন চালিয়ে গেছেন বলে জানান আফগান বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল্লাহ হামিদি।

হামিদি এএফপিকে বলেন, ‘আমি দেশ থেকে অনেক সতর্ক বার্তা পাচ্ছি। পরিবার ও বন্ধুরা বলছে দেশে না ফিরতে।’

দুই বছর আগে তালেবানের হাতে তার বাবা নিহত হন। হামিদির বাবা বক্সিং ফেডারশনের কর্মকর্তা ছিলেন। বক্সিংয়ে নারীদের অনুমতি দেয়ার জন্য তাকে হত্যা করা হয়।

পরিস্থিতি ঠিক না হলে দেশে ফিরতে চান না বক্সাররা। তবে শরণার্থীর জীবন নিয়ে কেউই সন্তুষ্ট নন।

হামিদি বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক একটা পরিস্থিতি। কেউই তাদের মাতৃভূমি ছেড়ে থাকতে চায় না।’

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন

মেরিন ড্রাইভের আল্ট্রা ম্যারাথনে ৩০০ অ্যাথলিট

মেরিন ড্রাইভের আল্ট্রা ম্যারাথনে  ৩০০ অ্যাথলিট

কক্সবাজারের আল্ট্রা ম্যারাথনে অংশ নেন ৩০০ অ্যাথলিট। ছবি: নিউজবাংলা

প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে ট্রান্সজেন্ডার, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী ১০০ অ্যাথলিট।

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বিজয়ের মাসকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের মতো এবারও মেরিন ড্রাইভ আল্ট্রা ম্যারাথন হয়েছে।

প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে ট্রান্সজেন্ডার, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী ১০০ জন অ্যাথলিট।

কক্সবাজারের ইনানী সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে শুক্রবার সকাল ৬টায় এ ম্যারাথন শুরু হয়৷

আয়োজকরা জানান, বৈচিত্র্যের প্রতি ইতিবাচক মানসিকতার প্রসার ঘটাতে ও সমাজের বিভিন্ন বৈচিত্র্যের মানুষের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করতে এ আল্ট্রা ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারী অ্যাথলিটের সংখ্যা ৩০০।

মেরিন ড্রাইভ আল্ট্রা ম্যারাথনে বরিশাল, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম থেকে এসে অ্যাথলিটরা অংশ নেন।

মেরিন ড্রাইভের আল্ট্রা ম্যারাথনে  ৩০০ অ্যাথলিট

ম্যারাথনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ৫০ কিলোমিটার, সাধারণ অ্যাথলিটদের জন্য ১০০ কিলোমিটার দূরত্ব ছিল।

২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি ‘ভ্রমণ হোক দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে আল্ট্রা ম্যারাথনের আয়োজন হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর ‘দেশ আমার, দায়িত্ব আমার’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজন হয় এবারের আসরের।

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন

টিকা নিয়ে জকোভিচকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

টিকা নিয়ে জকোভিচকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

নোভাক জকোভিচ। ছবি: এএফপি

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় রেখে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টিকা ছাড়া কোনো খেলোয়াড়ই এবারের আসরে অংশ নিতে পারবে না। আর এতেই বিপাকে পড়েছেন জকোভিচ। কারণ প্রথম থেকেই তিনি টিকা না নেয়ার পক্ষে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

টিকা সংক্রান্ত বিষয়ে নোভাক জকোভিচকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আয়োজকরা ব্ল্যাকমেইল করেছেন বলে অভিযোগ এসেছে সার্বিয়ান সংবাদ মাধ্যমে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

৩৪ বছর বয়সী জকোভিচ আগামী জানুয়ারিতে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামে রেকর্ড ২১তম স্ল্যাম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে কোর্টে নামবেন।

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় রেখে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টিকা ছাড়া কোনো খেলোয়াড় এবারের আসরে অংশ নিতে পারবে না। আর এতেই বিপাকে পড়েছেন জকোভিচ।

কারণ প্রথম থেকেই তিনি টিকা না নেয়ার পক্ষে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

এ কারণে তার বাবা সারিয়ান জকোভিচ সার্বিয়ান টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘হলে তার ছেলে হয়তো অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নাও খেলতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে তার ছেলেকে হয়তো বা ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে।’

এক সিনিয়র কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেন, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা ভেবেই টিকা নেয়ার বিষয়টি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

ভিক্টোরিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী মার্টিন পাকুলা বলেন, ‘নয়বারের চ্যাম্পিয়ন জকোভিচকে দেখার জন্য অস্ট্রেলিয়ানরা সবসময়ই মুখিয়ে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।

‘অন্যান্য সব মানুষের জন্য ভিক্টোরিয়া সরকারের কোভিড যে আইন রয়েছে, তা খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এখানে ব্ল্যাকমেইলের প্রশ্নই আসে না। এর অর্থ হচ্ছে ভিক্টোরিয়ার মানুষের নিরাপদে থাকা।’

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রধান ক্রেইগ টিল গত মাসে জানিয়েছিলেন, বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া সব খেলোয়াড়কে টিকা নিতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

গত বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলোয়াড়দের বাধ্যতামূলক দুই সপ্তাহের জন্য হোটেল কোয়ারেন্টিন করতে হয়েছিল, কিন্তু এবার সে ধরনের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকছে না। তবে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের ভয়াবহতার ওপর পুরো পরিস্থিতি নির্ভর করছে।

আগামী বছর ১৭ জানুয়ারি থেকে মেলবোর্নে বছরের প্রথম এই গ্র্যান্ড স্ল্যাম শুরু হওয়ার কথা।

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন

চীন থেকে সকল টুর্নামেন্ট প্রত্যাহার করে নিল ডব্লিউটিএ

চীন থেকে সকল টুর্নামেন্ট প্রত্যাহার করে নিল ডব্লিউটিএ

চীনের টেনিস তারকা পেং শুয়াই। ছবি: এএফপি

ডব্লিউটিএ-এর প্রধান স্টিভ সিমন বলেন, ‘এই অ্যাথলেটের মুক্ত ও নিরাপদ থাকার ব্যাপারে সন্দেহ আছে। এমন অবস্থায় আমি কীভাবে সেখানে (চীন) অ্যাথলেটদের খেলার জন্য বলতে পারি।’

চীনের টেনিস তারকা পেং শুয়াইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে দেশটি থেকে সকল টুর্নামেন্ট প্রত্যাহার করে নিয়েছে উইমেন্স টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউটিএ)।

প্রত্যাহারের বিষয়টি বুধবার এক বিবৃতিতে জানায় ডব্লিউটিএ।

চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঝাং গাওলির বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলার পর প্রায় তিন সপ্তাহ জনসম্মুখে আসতে দেখা যায়নি ৩৫ বছর বয়সী পেংকে।

বিবৃতিতে পেংয়ের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন ডব্লিউটিএ-এর প্রধান স্টিভ সিমন। তিনি বলেন, ‘এই অ্যাথলেটের মুক্ত ও নিরাপদ থাকার ব্যাপারে সন্দেহ আছে। এমন অবস্থায় আমি কীভাবে সেখানে (চীন) অ্যাথলেটদের খেলার জন্য বলতে পারি।’

নিরাপত্তার ইস্যুটা আরও জোরদার করে ডাব্লিউটিএ গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সঙ্গে পেংয়ের ভিডিও কলের পর। সেই ভিডিওতে সে ‘ভালো এবং নিরাপদ’ আছে বলে জানানো হয়েছে।

তবে ভিডিওতে পেংয়ের ভালো থাকার বিষয়ে ‘পর্যাপ্ত প্রমাণের’ অভাব রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ডব্লিউটিএ শুরু থেকে বারবার পেংয়ের অভিযোগের বিষয়ে পূর্ণ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে চীনের উচ্চ পর্যায় থেকে এখনও এ বিষয়ে সুনিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি।

চীনের পাশাপাশি এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে হংকংয়ের জন্যও।

আরও পড়ুন:
টানা ৭ বার শীর্ষে থেকে বছর শেষ করলেন জকোভিচ
জকোভিচকে ইতিহাস গড়তে দিলেন না মেডভেডেভ
সেমি জিতে ইতিহাসের অপেক্ষায় জকোভিচ
আর তিন ম্যাচ জিতলেই ‘সর্বকালের সেরা’ জকোভিচ
প্রথম রাউন্ডে ঘাম ঝরাতে হলো জকোভিচকে

শেয়ার করুন