বাংলাদেশের বিপক্ষে নেই লঙ্কান ‘রহস্য স্পিনার’

বাংলাদেশের বিপক্ষে নেই লঙ্কান ‘রহস্য স্পিনার’

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে উইকেট উদযাপন করছেন মাহিশ থিকসানা। ছবি: এএফপি

শ্রীলঙ্কার ক্যাম্প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে সাইড স্ট্রেইনের কারণে এই স্পিনারকে নিয়ে তারা প্রথম ম্যাচে ঝুঁকি নিতে চায় না।

দুই মাস আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে নিজের বোলিং দিয়ে নজর কাড়তে সামর্থ্য হয়েছেন মাহিশ থিকসানা।

দুদিকে বল ঘোরানো ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিয়মিত উইকেট এনে দেয়ার কারণে জাতীয় দলে জায়গা মজবুত করে নেন এই ডানহাতি। অজন্থা মেন্ডিস, আকিলা দনঞ্জয়াদের পথ ধরে শ্রীলঙ্কা পেয়ে যায় আরেকজন ‘রহস্য স্পিনার’।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দারুণ ছন্দে ছিলেন থিকসানা। আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪৫ রানে আট উইকেট নেন তিনি। লঙ্কানদের সহজে মূলপর্বে কোয়ালিফাই করার অন্যতম নায়ক ছিলেন এ ২১ বছর বয়সী স্পিনার।

তবে বাংলাদেশের জন্য সুখবর। মূলপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে চোটের কারণে থাকছেন না থিকসানা।

শ্রীলঙ্কার ক্যাম্প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে সাইড স্ট্রেইনের কারণে এই স্পিনারকে নিয়ে প্রথম ম্যাচে ঝুঁকি নিতে চায় না তারা।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২০ রানে তিন উইকেট নেন থিকসানা। বোলিংয়ের সময় চোট পাওয়ায় তাকে ফিল্ডিং করতে দেখা যায়নি।

পরে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান ভানুকা রাজাপাকশা নিশ্চিত করেন থিকসানার চোটের বিষয়টি। প্রথম ম্যাচ না খেললেও মূলপর্বের বাকি ম্যাচ খেলবেন তিনি- এমনটা প্রত্যাশা করছে লঙ্কান ম্যানেজমেন্ট।

সংবাদমাধ্যমকে রাজাপাকশা বলেন, ‘তাকে প্রথম ম্যাচে খেলিয়ে বাকি ম্যাচে না পাওয়ার ঝুঁকি আমরা নিতে চাই না। আমি যতদূর জানি, সে প্রথম ম্যাচে খেলছে না। সুস্থ হয়ে বাকি ম্যাচগুলোতে খেলবে, তেমনটা আশা করছি।’

রোববার বিকেল ৪টায় আবুধাবিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মূল পর্বের লড়াই শুরু করবে শ্রীলঙ্কা।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শ্রেয়াস-ঋদ্ধিমানের ব্যাটে মজবুত অবস্থানে ভারত

শ্রেয়াস-ঋদ্ধিমানের ব্যাটে মজবুত অবস্থানে ভারত

ইনিংস ঘোষণার পর মাঠ ছাড়ছে ভারতীয় দল। ছবি: টুইটার

শ্রেয়াস-ঋদ্ধিমানের লড়াকু ব্যাটিংয়ে কানপুর টেস্টে চতুর্থ দিন শেষে সুবিধাজনক অবস্থানে ভারত। নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পঞ্চম ও শেষ দিনে রাহানের দলের চাই ৯ উইকেট। আর উইলিয়ামসনদের চাই ২৮০ রান।

দুটি অর্ধশত আর নিচের দিকে তিন অর্ধশত রানের জুটি। পরে তিন উইকেট হাতে রেখে ২৩৪ রানে ইনিংস ঘোষণা। শ্রেয়াস-ঋদ্ধিমানের লড়াকু ব্যাটিংয়ে কানপুর টেস্টে চতুর্থ দিন শেষে সুবিধাজনক অবস্থানে ভারত।

নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পঞ্চম ও শেষ দিনে রাহানের দলের চাই ৯ উইকেট। আর উইলিয়ামসনদের চাই ২৮০ রান।

তৃতীয় দিনে আক্সার প্যাটেল ও রভিচন্দ্রন আশউইনের স্পিন জাদুর পর ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। চতুর্থ দিন দলকে বাঁচাতে এগিয়ে এলেন শ্রেয়াস আইয়ার ও ঋদ্ধিমান সাহা।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭ রানে মায়াঙ্ক আগারওয়াল আর ১ রানে শুভমন গিল বিদায় নেয়ার পর শুরুতে বিব্রত হয় ভারত। পরে ২২ রান যোগ করলেও জেমিসনের বলে বিদায় নেন পুজারা। পরে ৪ রানে অধিনায়ক রাহানে বিদায় দিলে ৫১ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে ভারত।

এমন পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন শ্রেয়াস। তার ৬৫, আশউইনের ৩২, ঋদ্ধিমানের ৬১ ও আক্সার প্যাটেলের ২৮ রানে ২৩৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।

পরে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে চার ওভারে ৪ রানে একটি উইকেট হারিয়ে দিনটি শেষ করেছে নিউজিল্যান্ড। ২ রান যোগ করে আশউইনের বলে এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে বিদায় নেন ওপেনার উইল ইয়াং।

২ রানে অপরাজিত আছেন টম লেইথাম। অপর প্রান্তে রানের খাতা না খুলে অপরাজিত আছেন নাইট ওয়াচম্যান উইলিয়াম সোমারভিল।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন

পুরনো অ্যাকশনেই সফল তাইজুল

পুরনো অ্যাকশনেই সফল তাইজুল

উইকেটের জন্য তাইজুলের আবেদন। ছবি: বিসিবি

বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল দিন শেষে জানালেন তার সফলতার রহস্য। মাঝে কিছুদিন নতুন অ্যাকশনে বল করতে দেখা গেলেও এই ম্যাচে তিনি ছিলেন পুরনো ছন্দে। এ কারণে সফল হয়েছেন বলে মনে করছেন তাইজুল।

সাগরিকা টেস্টের তৃতীয় দিনের নায়ক কে? প্রশ্নটা করা হয়েছিল ম্যাচ শেষে বেশ কয়েকজন দর্শককে। সকলের মুখেই তাইজুল ইসলামের প্রশংসা।

হবেই না কেন? তাইজুল একাই তার স্পিনে নাজেহাল করে ছেড়েছেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের। ২৮৬ রানে অল আউট পাকিস্তানের সাত ব্যাটসম্যান কুপোকাত বলে।

লম্বা সময় পর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে। নেমেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। তৃতীয় দিনের নায়ক বাঁহাতি এই স্পিনার দিন শেষে জানালেন তার সফলতার রহস্য।

মাঝে কিছুদিন নতুন অ্যাকশনে বল করতে দেখা গেলেও এই ম্যাচে তিনি ছিলেন পুরনো ছন্দে। এ কারণে সফল হয়েছেন বলে মনে করছেন তাইজুল।

তিনি বলেন, ‘পুরনো একশনেই আমি সফল। ভালো কিছু করার জন্য চেষ্টা করেছি। অ্যাকশন বদলানো যাবে না বা বদলে বড় সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি তা নয়। সোহেল ভাইয়ের (স্পিন কোচ) সঙ্গে কাজ করে উপকার পেয়েছি। যখন কামব্যাক করতে পেরেছি সোহেল ভাইয়ের হেল্প করেছে। কারণ উনি আমার বোলিং খুব ভালো জানেন।’

ম্যাচের তৃতীয় দিন জহুর আহমেদ চৌধুরীর উইকেট দেখিয়েছে দুই চেহারা। পাকিস্তানের ইনিংসে স্পিনাররা সাফল্য পেলেও বাংলাদেশের সময় বদলে যায় পাশার দান। পিচ হয়ে ওঠে পেইস বান্ধব।

আর সে কারণেই দলীয় স্কোরবোর্ডে ২৫ রান তুলতেই ৪ উইকেট নেই বাংলাদেশের। দ্রুত টপ অর্ডাররা মাঠ ছাড়ায় হতাশ হচ্ছেন না তাইজুল।

তিনি বলেন, ‘জিনিসটা হতাশার মতো নিলে হবে না। আমিও নিচ্ছি না। ক্রিকেটে অনেক সময় অনেক রকম হতে পারে। কেউ ইচ্ছে করে আউট হতে চয় না। প্রথম ইনিংসেও এমনটা হয়েছে। আবার ফিরে এসেছি। আশা করছি আবারও ম্যাচে ফিরব।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। চার উইকেটের খরচায় ৩৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। ফলে বাবর আজমদের বিপক্ষে তৃতীয় দিন শেষে ৮৩ রানের লিড পেয়েছে মুমিনুল বাহিনী।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন

১৪ উইকেটের দিন শেষে এগিয়ে বাংলাদেশ

১৪ উইকেটের দিন শেষে এগিয়ে বাংলাদেশ

তৃতীয় দিন শেষে ১২ রানে অপরাজিত আছেন মুশফিকুর। ছবি: এএফপি

চার উইকেটের খরচায় ৩৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। ফলে বাবর আজমদের বিপক্ষে তৃতীয় দিন শেষে ৮৩ রানের লিড পেয়েছে মুমিনুল বাহিনী।

পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। চার উইকেটের খরচায় ৩৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। ফলে বাবর আজমদের বিপক্ষে তৃতীয় দিন শেষে ৮৩ রানের লিড পেয়েছে মুমিনুল বাহিনী।

১২ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও ৮ রান নিয়ে খেলছেন ইয়াসির আলি।

৪৪ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পেইস তোপের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে মাঠ ছাড়তে হয় টাইগার টপ অর্ডারকে।

তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে ব্যাট করতে নেমে টেস্ট মেজাজ ভুলে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করা শুরু করেন সাইফ হাসান। দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন দলকে।

ইনিংসের পঞ্চম ওভারে প্রথম উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ১২ বলে ১ রান করা সাদমানকে ফেরান এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে। এক বল বাদে আবদুল্লাহ শফিকের তালুবন্দি করে মাঠছাড়া করেন নাজমুল হোসেন শান্তকেও।

কম যাননি হাসান আলি। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে রানের খাতা খোলার আগে মুমিনুল হককে সাজঘরের পথ বাতলে দেন এই পেইসার। যার ফলে স্কোরবোর্ডে ১৫ রান তুলতে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের।

উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন সাইফ। যদিও বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে শাহিন আফ্রিদির বাউন্সারে কুপোকাত হন তিনি। ৩৪ বলে ১৮ করে সাজঘরে ফিরে যান বাঁহাতি এই ওপেনার।

শেষ পর্যন্ত ১৪ ওভারের খেলা বাকি থাকতে আলোকস্বল্পতায় শেষ হয় দিনের খেলা। সোমবারের খেলা শুরু হবে সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে।

এর আগে বিনা উইকেটে দিন শুরু করে প্রথম সেশনে পাকিস্তানের চার উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। সেই ধারা অব্যাহত রেখে বিরতি থেকে ফিরে এবাদতের শিকার হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। মাঠ ছাড়ার আগে দলীয় স্কোর বোর্ডে যোগ করেন পাঁচ রান।

পাকিস্তান শিবিরে দ্বিতীয় সেশনে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তাইজুল ইসলাম। টানা উইকেট তুলে সফরকারী লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি।

আবিদ আলি ও হাসান আলিকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে বিপদে ফেলেছেন টাইগার স্পিনার। এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে আবিদকে ফিরিয়ে পতন ঘটান পাকিস্তানের ষষ্ঠ উইকেটের।

সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে উইকেট আগলে রেখেছিলেন আবিদ আলি। কিন্তু ৩৮৮ মিনিট ধরে ব্যাটিং করা এই ব্যাটসম্যানকেও তাইজুলের স্পিন ঘূর্ণিতে মাঠ ছাড়তে হয় ১৩৩ রানে।

এরপর হাসান আলি আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও বেশি দূর যেতে পারেননি। তাইজুলকে ছক্কা ও চার হাঁকানোর পরের বলে স্টাম্পড হয়ে যান তিনি।

এ নিয়ে ক্যারিয়ারের নবমবার ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার করলেন তাইজুল।

টেইলএন্ডার সাজিদ আলির স্টাম্প উড়িয়ে পাকিস্তানের আট নম্বর উইকেটে পতন ঘটান এবাদত। পাঁচ রানে বোল্ড হন সাজিদ।

টেইলকে ধুয়েমুছে দিতে বেশি সময় নেয়নি বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে গুটিয়ে ৪৪ রানের লিড নেয় স্বাগতিক দল।

তাইজুল ১১৬ রানে শিকার করেন সাত উইকেট। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন

আবারও ব্যর্থ বাংলাদেশের টপ অর্ডার

আবারও ব্যর্থ বাংলাদেশের টপ অর্ডার

শান্তকে ফিরিয়ে উচ্ছ্বসিত শাহিন আফ্রিদি। ছবি: এএফপি

পাকিস্তানের পেইস তোপের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে মাঠ ছেড়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান ও মুমিনুল হক। স্কোরবোর্ডে ২৫ রান তুলতে ৪ উইকেট নেই বাংলাদেশের।

৪৪ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পেইস তোপের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে মাঠ ছেড়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক।

ব্যাট করতে নেমে টেস্ট মেজাজ ভুলে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করা শুরু করেন সাইফ হাসান। দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন দলকে।

কিন্তু ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বাধ সাধেন শাহিন আফ্রিদি। ১২ বলে ১ রান করা সাদমানকে ফেরান এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে। এক বল বাদে আবদুল্লাহ শফিকের তালুবন্দি করে মাঠছাড়া করেন শান্তকেও।

কম যাননি হাসান আলিও। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে রানের খাতা খোলার আগে মুমিনুল হককে সাজঘরের পথ বাতলে দেন এই পেইসার।

দ্রুত খেলতে থাকা সাইফকে বাউন্সারে পরাস্ত করেন আফ্রিদি। তার শর্ট বল সামলাতে না পেরে ১৮ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড হন সাইফ। ফলে ২৫ রানে ৪ উইকেট হারায় স্বাগতিক দল।

এর আগে বিনা উইকেটে দিন শুরু করে প্রথম সেশনে পাকিস্তানের চার উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। সেই ধারা অব্যাহত রেখে বিরতি থেকে ফিরে এবাদতের শিকার হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। মাঠ ছাড়ার আগে দলীয় স্কোর বোর্ডে যোগ করেন পাঁচ রান।

পাকিস্তান শিবিরে দ্বিতীয় সেশনে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তাইজুল ইসলাম। টানা উইকেট তুলে সফরকারী লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি।

আবিদ আলি ও হাসান আলিকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে বিপদে ফেলেছেন টাইগার স্পিনার। এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে আবিদকে ফিরিয়ে পতন ঘটান পাকিস্তানের ষষ্ঠ উইকেটের।

সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে উইকেট আগলে রেখেছিলেন আবিদ আলি। কিন্তু ৩৮৮ মিনিট ধরে ব্যাটিং করা এই ব্যাটসম্যানকেও তাইজুলের স্পিন ঘূর্ণিতে মাঠ ছাড়তে হয় ১৩৩ রানে।

এরপর হাসান আলি আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও বেশি দূর যেতে পারেননি। তাইজুলকে ছক্কা ও চার হাঁকানোর পরের বলে স্টাম্পড হয়ে যান তিনি।

এ নিয়ে ক্যারিয়ারের নবম বার ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার করলেন তাইজুল।

টেইলএন্ডার সাজিদ আলির স্টাম্প উড়িয়ে পাকিস্তানের আট নম্বর উইকেটে পতন ঘটান এবাদত। পাঁচ রানে বোল্ড হন সাজিদ।

টেইলকে ধুয়েমুছে দিতে বেশি সময় নেয়নি বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে গুটিয়ে ৪৪ রানের লিড নেয় স্বাগতিক দল।

তাইজুল ১১৬ রানে শিকার করেন সাত উইকেট। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন

সাগরিকায় তাইজুলের ঘূর্ণি রেকর্ড

সাগরিকায় তাইজুলের ঘূর্ণি রেকর্ড

ইনিংসে সাত উইকেট নেয়ার পর মাঠ ছাড়ছেন তাইজুল। ছবি: এএফপি

স্বাগতিকদের পক্ষে ৪৪.৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৯ মেইডেনসহ ১১৬ রান খরচায় ৭ উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল ইসলাম, যা পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি বোলারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড।

সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে নেতৃত্ব দেয়ার ভার চলে আসে তাইজুল ইসলামের কাঁধে। অভিজ্ঞ এ স্পিনার দায়িত্ব পেয়ে হতাশ করেননি। একাই ধসিয়ে দিলেন পাকিস্তানকে।

পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আসাদুল্লাহ শফিক ম্যাচের দ্বিতীয় দিন এক দুর্ভেদ্য দেয়াল গড়েন। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতে সেই দেয়ালে ফাটল ধরান তাইজুল।

তৃতীয় দিনের শুরুটা করেন আবদুল্লাহ শফিকের উইকেট দিয়ে। এরপর প্রথম সেশনে একে একে বাগিয়ে নেন আজহার আলি ও ফাওয়াদ আলমের উইকেট।

মধ্যাহ্ন বিরতির পর আরও ভয়ানক হয়ে ওঠেন এই স্পিনার।

তার স্পিন বিষে মাঠ ছাড়তে হয় আবিদ আলি, হাসান আলি, নুমান আলি ও ফাহিম আশরাফকে। আর দুর্দান্ত এ বোলিংয়ে ৭ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে অল আউট করে ফেলে বাংলাদেশ।

স্বাগতিকদের পক্ষে ৪৪.৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৯ মেইডেনসহ ১১৬ রান খরচায় ৭ উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল ইসলাম, যা পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি বোলারের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড।

এই নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে নবমবারের মতো পাঁচ বা ততোধিক উইকেট শিকার করেছেন ডানহাতি এই স্পিনার।

১১৬ রানে ৭ উইকেট তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩৯ রানে আট উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা ফিগার।

আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৬ রানে ৭ উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামে সেরা বোলিং ফিগার সাকিব আল হাসানের।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন

তাইজুলের স্পিনে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড

তাইজুলের স্পিনে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড

আবিদ আলিকে ফেরানোর পর উচ্ছ্বসিত তাইজুল ইসলাম। ছবি: এএফপি

পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে গুটিয়ে ৪৪ রানের লিড নেয় স্বাগতিক দল। তাইজুল ১১৬ রানে শিকার করেন সাত উইকেট। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।

পাকিস্তানকে তাদের প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানে অলআউট করে দিয়েছে বাংলাদেশ। দুই সেশনে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট তুলে নেয় টাইগাররা।

বিনা উইকেটে দিন শুরু করে প্রথম সেশনে পাকিস্তানের চার উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। সেই ধারা অব্যাহত রেখে বিরতি থেকে ফিরে এবাদতের শিকার হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। মাঠ ছাড়ার আগে দলীয় স্কোর বোর্ডে যোগ করেন পাঁচ রান।

পাকিস্তান শিবিরে দ্বিতীয় সেশনে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তাইজুল ইসলাম। টানা উইকেট তুলে সফরকারী লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি।

আবিদ আলি ও হাসান আলিকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে বিপদে ফেলেছেন টাইগার স্পিনার। এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে আবিদকে ফিরিয়ে পতন ঘটান পাকিস্তানের ষষ্ঠ উইকেটের।

সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে উইকেট আগলে রেখেছিলেন আবিদ আলি। কিন্তু ৩৮৮ মিনিট ধরে ব্যাটিং করা এই ব্যাটসম্যানকেও তাইজুলের স্পিন ঘূর্ণিতে মাঠ ছাড়তে হয় ১৩৩ রানে।

এরপর হাসান আলি আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও বেশি দূর যেতে পারেননি। তাইজুলকে ছক্কা ও চার হাঁকানোর পরের বলে স্টাম্পড হয়ে যান তিনি।

এ নিয়ে ক্যারিয়ারের নবম বার ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার করলেন তাইজুল।

টেইলএন্ডার সাজিদ আলির স্টাম্প উড়িয়ে পাকিস্তানের আট নম্বর উইকেটে পতন ঘটান এবাদত। পাঁচ রানে বোল্ড হন সাজিদ।

টেইলকে ধুয়েমুছে দিতে বেশি সময় নেয়নি বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে গুটিয়ে ৪৪ রানের লিড নেয় স্বাগতিক দল।

তাইজুল ১১৬ রানে শিকার করেন সাত উইকেট। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।

এর আগে, সকালের সেশনে মোট চারটি উইকেট তুলে নেন দুই টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি মিরাজ। দিনের প্রথম ওভারে তাইজুলের জোড়া আঘাতে শুরু।

আব্দুল্লাহ শফিক ও আজহার আলিকে পরপর দুই বলে ফেরান এ অভিজ্ঞ স্পিনার।

এরপর অধিনায়ক বাবর আজমকে ফেরান মিরাজ। আর সেশনের শেষ উইকেট যায় তাইজুলের নামে।

ফাওয়াদ আলমকে ৮ রানে আউট করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন

বিরতির পর এবাদতের আঘাত

বিরতির পর এবাদতের আঘাত

রিজওয়ানের উইকেট উদযাপনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ছবি: এএফপি

পেইসার এবাদত হোসেনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ৫ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ান। ফলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপের অর্ধেককে ফিরিয়ে চাপ আরও বাড়াল টাইগাররা।

তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনের মতো দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেও উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। পেইসার এবাদত হোসেনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ৫ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ান।

ফলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপের অর্ধেককে ফিরিয়ে চাপ আরও বাড়াল টাইগাররা। এখনও বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহের চেয়ে ১২২ রানে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান।

সকালের সেশনে মোট চারটি উইকেট তুলে নেন দুই টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি মিরাজ। দিনের প্রথম ওভারে তাইজুলের জোড়া আঘাতে শুরু।

আব্দুল্লাহ শফিক ও আজহার আলিকে পরপর দুই বলে ফেরান এ অভিজ্ঞ স্পিনার।

এরপর অধিনায়ক বাবর আজমকে ফেরান মিরাজ। আর সেশনের শেষ উইকেট যায় তাইজুলের নামে।

ফাওয়াদ আলমকে ৮ রানে আউট করেন তিনি।

সতীর্থদের আসা যাওয়ার মাঝে উইকেট আগলে রেখেছেন আবিদ আলি। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অপরাজিত আছেন তিনি।

এর আগে, নিজেদের প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ৩৩০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’
ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

শেয়ার করুন