এখনও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে বাংলাদেশ

এখনও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে বাংলাদেশ

ওমানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে সাকিব আল হাসান ও নাঈম শেখ। ছবি: এএফপি

গ্রুপ-বির শেষ ম্যাচ ডেতে যদি স্কটল্যান্ড ওমানকে হারায় ও বাংলাদেশ পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে জয় পায় তাহলে জয়ী দুই দল খেলবে মূল পর্ব বা সুপার টুয়েলভে। বাংলাদেশ গ্রুপ রানার্স আপ ও স্কটল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোয়ালিফাই করবে।

ওমানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকার স্বস্তি পাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে গ্রুপ-বি থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতে পারবে কিনা সেটার জন্য তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে নিজেদের ও প্রতিপক্ষের শেষ ম্যাচের ওপর।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মুখোমুখি হচ্ছে পাপুয়া নিউ গিনির (পিএনজি)। একই দিন দ্বিতীয় ম্যাচে ওমান খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। এই দুই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে গ্রুপ-বির ভাগ্য।

গ্রুপ-বিতে পয়েন্ট তালিকায় সবার ওপরে আছে স্কটল্যান্ড। ২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট চার। রান রেট ০.৫৭৫। দুইয়ে আছে ওমান। দুই ম্যাচে দুই পয়েন্টের সঙ্গে তাদের রান রেট ০.৬১৩। তিনে আছে বাংলাদেশ। ওমানের সমান দুই পয়েন্ট তাদের। তবে টাইগারদের রান রেট ০.৫০।

গ্রুপ-বির শেষ ম্যাচ ডেতে যদি স্কটল্যান্ড ওমানকে হারায় ও বাংলাদেশ পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে জয় পায় তাহলে জয়ী দুই দল খেলবে মূল পর্ব বা সুপার টুয়েলভে। বাংলাদেশ গ্রুপ রানার্স আপ ও স্কটল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোয়ালিফাই করবে।

আর ওমান যদি স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে দেয় আর বাংলাদেশ যদি পিএনজিকে হারায় তাহলে তিন দলের পয়েন্ট থাকবে চার। তবে রান রেটে পিছিয়ে যাওয়ায় স্কটল্যান্ড বিদায় নেবে বাছাইপর্ব থেকেই। সেক্ষেত্রে রানরেটের ভিত্তিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।

যদি বাংলাদেশ পিএনজির বিপক্ষে অঘটনের শিকার হয় তারপরও তাদের সামনে মূল পর্বে যাওয়ার সুযোগ থাকবে।। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রার্থনা করতে হবে যেন ওমান স্কটল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারে।

তবে নিশ্চিত ভাবেই সমীকরণের মারপ্যাঁচে যেতে চাইবেন না সাকিব-মুশফিকরা। পিএনজিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করতে চাইবে টাইগাররা।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রথম ঘণ্টাতে তিন উইকেট হারাল বাংলাদেশ

প্রথম ঘণ্টাতে তিন উইকেট হারাল বাংলাদেশ

মুশফিকের উইকেট নেয়ার পর উচ্ছ্বসিত পাকিস্তান দল। ছবি: এএফপি

পাকিস্তানের হয়ে শিকার করা দিনের তিন উইকেটের দুটিই যায় হাসান আলির ঝুলিতে। আর একটি পান ফাহিম আশরাফ।

চট্টগ্রামবাসী ছিলেন মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরির অপেক্ষায়। তাদের অপেক্ষার প্রহর আরও দীর্ঘ করলেন জাতীয় দলের এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ৯১ রানে সাজঘরে ফিরে যেতে হয়েছে তাকে।

ফলে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনের প্রথম ঘণ্টাতে তিন উইকেট হারাল বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ব্যক্তিগত ১১৪ রানে ফিরে যান লিটন দাস। সঙ্গীর বিদায়ে কিছুটা কমে যায় মুশফিকের ব্যাটের ধার। তবে উইকেটে ছিলেন অবিচল।

প্রথম দিনে নির্ভরতার সঙ্গে খেলতে থাকা মুশফিক এদিন নেমেছিলেন অধরা সেঞ্চুরি তুলে নিতে। ফাহিম আশরাফ ৯১ রানে থামিয়ে দিলেন তাকে।

এর আগে দিনের শুরুতেই দুর্দান্ত হয়ে উঠা লিটন এক রান যোগ করে ফেরেন সাজঘরে। অভিষেক হওয়া ইয়াসির রাব্বি উইকেটে আসে মুশফিকের সঙ্গী হিসেবে।

মুশফিকের সঙ্গে বেশিক্ষণ ছিলেন না রাব্বি। চার রান করে হাসান আলির বলে বোল্ড হন তিনি।

পাকিস্তানের হয়ে শিকার করা দিনের তিন উইকেটের দুটিই যায় হাসান আলির ঝুলিতে। আর একটি পান ফাহিম আশরাফ।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন

সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখিয়ে ফিরলেন মুশফিক

সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখিয়ে ফিরলেন মুশফিক

৯১ রানে আউট হওয়ায় হতাশ মুশফিকুর রহিম। ছবি: এএফপি

দ্বিতীয় দিনের শুরুতে সঙ্গী লিটন ফেরেন হাসান আলীর বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে, কিন্তু উইকেটে অবিচল থেকে সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন মুশফিক। তবে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার ৯ রান বাকি থাকতেই ফিরতে হয়েছে তাকে।

লম্বা সময় ধরেই হাসতে দেখা যায়নি লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের ব্যাট। তবে শুক্রবার পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন তারা ছিলেন দুর্দান্ত।

দিনের শুরুতে ৪৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন হাল ভাঙা তরীর মতো বেসামাল ঠিক সে সময় দলের জন্য ত্রাতা হয়ে আসেন লিটন-মুশফিক। তবে দ্বিতীয় দিন সেই ধারা ধরে রাখতে পারেননি ধারা।

লিটন আগের দিনের ব্যক্তিগত ১১৩ রানের সঙ্গে ১ রান যোগ করে ফেরেন সাজঘরে। সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন প্রথম দিন ৮২ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক।

শেষ পর্যন্ত পারলেন না। ফাহিম আশরাফের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরতে হয় তাকে। তার সংগ্রহ ৯১ রান।

মুশফিক-লিটনের অনবদ্য ২০৪ রানের জুটিতে লড়াইয়ের পথ খুঁজে পেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন চট্টলাবাসী অপেক্ষায় ছিলেন মুশফিকের সেঞ্চুরি দেখার জন্য। পারলেন না মুশফিক। তিন অঙ্ক ছোঁয়ার ৯ রান বাকি থাকতেই ফিরতে হয়েছে তাকে।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন

অভিষেক রাঙাতে পারলেন না রাব্বি

অভিষেক রাঙাতে পারলেন না রাব্বি

হাসান আলির বলে বোল্ড হয়ে গেলেন ইয়াসির রাব্বি। ছবি: বিসিবি

মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে দিচ্ছিলেন অভিষিক্ত ইয়াসির আলি রাব্বি। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। চার রান করেই হাসান আলির তৃতীয় শিকারে পরিণত নন জাতীয় দলের এই নতুন মুখ।

জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার প্রায় এক বছর পর টেস্টে অভিষেক হলো ইয়াসির রাব্বির, কিন্তু শুরুটা রাঙাতে পারলেন না এই ডানহাতি ব্যাটার। চার রান করে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে। যার ফলে দিনের শুরুতে দুই উইকেট হারাল বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে লিটন জানান দিয়েছিলেন রানের ধারায় ফিরেছেন তিনি। ১১৩ রানে প্রথম দিন শেষ করা বাঁহাতি এই ব্যাটারকে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ফেরান পাকিস্তানি পেইসার হাসান আলি।

আগের দিন দারুণ খেলা লিটন এক রান যোগ করে ফেরেন সাজঘরে। উইকেটে অবচল রয়েছেন মুশফিকুর রহিম। তাকে সঙ্গে দিচ্ছিলেন অভিষিক্ত ইয়াসির আলি রাব্বি। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। চার রান করেই হাসান আলির তৃতীয় শিকারে পরিণত নন জাতীয় দলের এই নতুন মুখ।

এর আগে প্রথম দিনের সকালের সেশনটা দেখে বোঝা যায়নি দিনশেষে স্বস্তির হাসি বাংলাদেশের মুখে থাকবে। দিনের প্রথম ১৭ ওভারে নেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিক দল। যার মধ্যে ছিলেন অভিজ্ঞ মুমিনুল হকও।

তবে এরপর পুরো দিনের খেলা পাল্টে দেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। অভিজ্ঞ এ দুই ব্যাটার সারা দিন অবিচ্ছিন্ন থেকে বাংলাদেশকে দারুণ অবস্থানে নিয়ে যান।

প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৩ রান।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন

দিনের শুরুতে ফিরলেন লিটন

দিনের শুরুতে ফিরলেন লিটন

সেঞ্চুরির পর লিটনকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন হাসান আলি। ছবি: বিসিবি

দুর্দান্ত হয়ে ওঠা লিটন দ্বিতীয় দিন নিজের নামের পাশে মাত্র এক রান যোগ করে ফেরেন সাজঘরে। হাসান আলির বলে এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে ১১৪ রানে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

প্রথম টেস্টের প্রথম দিন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে লিটন জানান দিয়েছিলেন রানের ধারায় ফিরেছেন তিনি। তবে ১১৩ রানে প্রথম দিন শেষ করা বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ফেরান পাকিস্তানি পেইসার হাসান আলি।

দুর্দান্ত হয়ে ওঠা লিটন দ্বিতীয় দিন নিজের নামের পাশে মাত্র এক রান যোগ করে ফেরেন সাজঘরে। হাসান আলির বলে এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে ১১৪ রানে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

তবে উইকেটে অবচল রয়েছেন মুশফিকুর রহিম। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন অভিষিক্ত ইয়াসির আলি রাব্বি।

এর আগে প্রথম দিনের সকালের সেশনটা দেখে বোঝা যায়নি দিনশেষে স্বস্তির হাসি বাংলাদেশের মুখে থাকবে। দিনের প্রথম ১৭ ওভারে নেই চার উইকেট। যার মধ্যে একজন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক।

তবে এরপর পুরো দিনের খেলা পাল্টে দেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। অভিজ্ঞ এ দুই ব্যাটসম্যান সারা দিন অবিচ্ছিন্ন থেকে বাংলাদেশকে দারুণ অবস্থানে নিয়ে যান।

প্রথম দিন শেষে চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৩ রান।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন

দুই ব্যাটারের মানসিক দৃঢ়তায় মুগ্ধ প্রিন্স

দুই ব্যাটারের মানসিক দৃঢ়তায় মুগ্ধ প্রিন্স

পাকিস্তানের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেট সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। ছবি: এএফপি

লম্বা সময় ধরে অফ ফর্মে থাকা লিটনের পারফরম্যান্স ছিল দিনের সেরা। অভিজ্ঞতার কারণেই পরিণত টেস্ট খেলোয়াড় হয়ে শতক তুলে নিয়েছেন তিনি। এমনটাই মনে করছেন প্রিন্স।

দিনের শুরুতে চার টপ অর্ডারকে হারিয়ে পাকিস্তানের সামনে দিশে হারায় বাংলাদেশ। সে সময় শক্ত হাতে দলকে সামাল দেন লিটন কুমার ও মুশফিকুর রহিম।

দুজনের ব্যাটে পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড পঞ্চম উইকেট জুটিতে পথ খুঁজে পায় বাংলাদেশ। দুইজনের ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরে বাংলাদেশ। ৪৯ রানে চার উইকেট হারানো বাংলাদেশ মুশফিক-লিটনের দৃঢ়তায় দিন শেষ করে চার উইকেটের বিনিময়ে ২৫৩ রানের পুঁজি নিয়ে।

লিটন-মুশফিকের এই ব্যাটিং দৃঢ়তা মুগ্ধ করেছে ভক্তদের। লম্বা সময় পর বেশ খুশি মনে বাড়ি ফিরেছেন মাঠে আগত দর্শকরা। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বসিত জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্সেরও।

অল্পতে টপ অর্ডার হারানোর পর এই দুজনের ২০৪ রানের জুটিতে গর্বিত প্রোটিয়া এই কোচ।

দিনশেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রিন্স বলেন, ‘আমি খুবই গর্বিত তারা যেভাবে দুর্ভেদ্য দেয়াল তৈরি করেছে। মাঝেমধ্যে কোচ হিসেবে ক্রিকেটারদের টেকনিক্যাল গুণগুলো দেখতে হয়। কিন্তু ক্রিকেটারদের মানসিক শক্তিমত্তা দেখে আমি খুবই খুশি।’

তিনি আরও বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে ৫০ রানে চার উইকেট হারানোর পর সেখান থেকে ফিরে আসাটা অনেক কষ্টের কাজ। যখন এ রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন মানসিক দিক থেকে অনেক শক্ত থাকা লাগে।’

লম্বা সময় ধরে অফ ফর্মে থাকা লিটনের পারফরম্যান্স ছিল দিনের সেরা। দুর্দান্তভাবে ব্যাটিং করে তুলে নিয়েছেন সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত প্রথম শতক। অভিজ্ঞতার কারণেই পরিণত টেস্ট খেলোয়াড় হয়ে শতক তুলে নিয়েছেন তিনি। এমনটাই মনে করছেন প্রিন্স।

তিনি বলেন, ‘অনেক তরুণ ক্রিকেটার লো স্ট্রাইক রেট নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত থাকে। একই সঙ্গে ব্যর্থ হয় বল বাই বল খেলতে। তবে সে অভিজ্ঞ টেস্ট খেলোয়াড়। শান্ত ছিল। জানত যত সময় যাবে, টেস্টে তত রান হবে। খুবই দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেছে। ড্রেসিংরুমের সবাই বেশ আনন্দিত ছিল যখন ওর সেঞ্চুরিটা হয়ে যায়।’

সেঞ্চুরির দিকে যেতে থাকা লিটন পেশিতে আঘাত পান। ব্যথা নিয়েও দিনের শেষ পর্যন্ত খেলে গেছেন তিনি। তবে আঘাত গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন প্রিন্স। এক রাত বিশ্রামের পর লিটন কাল আবার শুরু করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বলেন, ‘খুবই অবাক হয়েছি যেভাবে শান্ত মাথায় লিটন খেলেছে আজকে। যখন লিটনের মাসল ক্র‍্যাম্প করা শুরু হয়, তখন সবাই খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। সবাই প্রার্থনা করছিলাম দিনের শেষ পর্যন্ত যেন টিকে থাকে। রাতের ভেতর ও ঠিক হয়ে যাবে। আশা করছি সকালে ও আবার শুরু করতে পারবে।’

প্রথম দিন আলোক স্বল্পতার কারণে ৫ ওভার আগে থাকতেই বন্ধ হয়ে যায় খেলা। শনিবার নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে শুরু হবে খেলা।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন

আইয়ারের সেঞ্চুরির পর দারুণ শুরু নিউজিল্যান্ডের

আইয়ারের সেঞ্চুরির পর দারুণ শুরু নিউজিল্যান্ডের

ভারতের বিপক্ষে কাট শট খেলছেন টম লেইথাম। ছবি: এএফপি

শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরিতে ভারত ভালো অবস্থানে পৌঁছানোর পর নিউজিল্যান্ডও ভালো জবাব দিচ্ছে। ভারতের করা ৩৪৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিনশেষে সফরকারী দলের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১২৯।

কানপুরে দ্বিতীয় দিনে জমে উঠেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্ট।

শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরিতে ভারত ভালো অবস্থানে পৌঁছানোর পর নিউজিল্যান্ডও ভালো জবাব দিচ্ছে। ভারতের করা ৩৪৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিনশেষে সফরকারী দলের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১২৯।

ভারতের লিড এখনও ২১৬ রানের।

চার উইকেটে ২৫৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনে ৫০ রানে অপরাজিত ব্যাটসম্যান রভিন্দ্র জাডেজা কোনো রান যোগ না করে, আউট হয়ে যান।

এক প্রান্তে লড়াই অব্যাহত রাখেন আইয়ার। তার সেঞ্চুরিতেই ৩০০ ছাড়ায় ভারত। ১০৫ রান করে আউট হন আইয়ার।

তার বিদায়ের পর ৩৮ রান করে ভারতের স্কোর সাড়ে ৩০০-এর কাছে নিয়ে যান রভিচন্দ্রন আশউইন।

শেষ পর্যন্ত ৩৪৫ রানে ভারতকে গুটিয়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। ব্ল্যাকক্যাপদের পক্ষে ৬৯ রানে ৫ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন টিম সাউদি।

৯১ রানে ৩ উইকেট নেন কাইল জেমিসন। ৯০ রানে দুই উইকেট নেন আজাজ প্যাটেল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে, দারুণ জুটি গড়েন টম লেইথাম ও উইল ইয়াং। ৫৭ ওভার অবিচ্ছিন থেকে নিউজিল্যান্ডের বোর্ডে ১২৯ রান যোগ করেন দুই ওপেনার।

দিনশেষে লেইথাম ৫০ ও ইয়াং ৭৫ রানে অপরাজিত আছেন।

ভারতীয় তিন স্পিনার আশউইন, আক্সার পাটেল ও জাডেজা ৪১ ওভার বল করেও সাফল্য পাননি।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন

মুশফিক-লিটনের সাফল্যে দারুণ দিন বাংলাদেশের

মুশফিক-লিটনের সাফল্যে দারুণ দিন বাংলাদেশের

মুশফিক ও লিটনের ব্যাটে দারুণ দিন কাটিয়েছে বাংলাদেশ। ছবি: এএফপি

পুরো দিনের খেলা পাল্টে দেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। অভিজ্ঞ এ দুই ব্যাটসম্যান সারাদিন অবিচ্ছিন্ন থেকে বাংলাদেশকে দারুণ অবস্থানে নিয়ে যান। প্রথম দিন শেষে চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৩ রান।

সকালের সেশনটা দেখে বোঝা যায়নি দিনশেষে স্বস্তির হাসি বাংলাদেশের মুখে থাকবে। দিনের প্রথম ১৭ ওভারে নেই চার উইকেট। যার মধ্যে একজন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক।

তবে এরপর পুরো দিনের খেলা পাল্টে দেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। অভিজ্ঞ এ দুই ব্যাটসম্যান সারাদিন অবিচ্ছিন্ন থেকে বাংলাদেশকে দারুণ অবস্থানে নিয়ে যান।

প্রথম দিন শেষে চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৩ রান।

দিনের শুরুতে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ঘণ্টাতেই হারিয়ে বসে চার টপ অর্ডারকে।

এরপর খেই হারিয়ে ফেলা তরীকে সামলানোর দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সেশনের শেষে নেমে পুরো দ্বিতীয় সেশন ব্যাট করেন লিটন ও মুশফিক। দুই জনই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।

৯৫ বলে ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি করেন লিটন। সবশেষ ১০ ইনিংসে এটি তার পঞ্চম ফিফটি। হাফ সেঞ্চুরির পথে একটি ছক্কা ও ছয়টি চার হাঁকান তিনি।

৬৭ রানে শাহিন আফ্রিদির বলে সাজিদ খান তার ক্যাচ ছেড়ে দেন। এরপর পেছনে ফিরে তাকাননি লিটন। তৃতীয় সেশনেও সাবলীল থাকেন লিটন-মুশফিক। সেঞ্চুরির দেখা আগে পান লিটন।

১৯৯ বলে ১০টি চার ও এক ছক্কায় ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান তিনি।

থেমে থাকননি মুশফিকও। টেনে নিয়ে থাকেন দলকে। সেই সঙ্গে ২০০ রানের জুটি গড়ে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাবার পাশাপাশি পাকিস্তানের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েন দুইজন।

দুইজনে মিলে বাংলাদেশের ইনিংসটা হয়তো আরও বড় হতে পারতেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই আলোক স্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ করে দেয় আম্পায়ার।

ওভারের হিসেবে পাঁচ ওভার আগে শেষ হয় দিনের খেলা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে সাগরিকার প্রাণবন্ত উইকেটে পাকিস্তানের শুরুর দিককার পেইস আক্রমণ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভুল শট সিলেকশনের খেসারত দিতে হয়েছে সবাইকে।

প্রথম ঘণ্টাতে স্বাগতিক দল হারায় দুই ওপেনার ও অধিনায়ককে। বাজে শটে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্তও। আর বিরতির আগে বাংলাদেশ হারিয়েছে অভিজ্ঞ মুমিনুল হককে।

ইনিংসের প্রথম ওভারে একবার জীবন পান সাদমান ইসলাম। ব্যাটের কানায় বল লেগে উইকেটকিপারের হাতে ধরা পড়ার পর পাকিস্তান দলের কেউ আবেদন না করায় সে যাত্রা রক্ষা পান তিনি।

অন্য প্রান্তে শাহিন আফ্রিদির শর্ট বলের সামনে নড়বড়ে হয়ে পড়েন সাইফ হাসান। পঞ্চম ওভারে তার বলেই আউট হন সাইফ।

টেস্ট ম্যাচের মেজাজে খেলেননি তিনি। ১১৬ স্ট্রাইক নিয়ে ১২ বলে ১৪ রান করেন।

সাইফের ওপেনিং পার্টনার সাদমানের ব্যাট থেকেও আসে ১৪ রান। অষ্টম ওভারে হাসান আলির বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন তিনি।

বাংলাদেশ বড় ধাক্কাটা খায় ১৬তম ওভারে। সাজিদ খানের বলে ৬ রান করে আউট হন মুমিনুল হক।

অধিনায়কের পতনের পরও শট খেলা কমাননি নাজমুল শান্ত। যার খেসারত দেন ১৭তম ওভারে। ফাহিম আশরাফের প্রথম বলে কাট করতে গিয়ে কাভার পয়েটে ধরা পড়েন তিনি। শান্তর ব্যাট থেকেও আসে ১৪।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের হয়ে ‘বিশ্বকাপ’ খেলেছেন ওমানের ফাইয়াজ
আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য
জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

শেয়ার করুন