আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব

player
আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব

ম্যাচ সেরার ট্রফি হাতে সাকিব আল হাসান। ছবি: আইসিসি

সাকিব বলেন, ‘স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারে সবাই কষ্ট পেয়েছে। আজকের ওমানের বিপক্ষে আমরা স্নায়ুচাপ ধরে রেখেছি। তারা ১৫ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল। অনেক সাহসের সংগে খেলেছে। আমাদের আরেকটা ম্যাচ আছে সেটা জিততে হবে ও দেখতে হবে ওমান স্কটল্যান্ড ম্যাচে কী হয়।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে দলের হয়ে সাকিব আল হাসানের ব্যাট থেকে আসে ২০ রান। বল হাতে বেশ গোছান হলেও ১৭ রানের খরচায় নিয়েছিলেন দুই উইকেট।

দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে এসে ব্যাট হাতে সাকিব ছিলেন দুর্দান্ত। দলের বিপর্যয় দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ৪২ রান করার পাশাপাশি দলকে নিয়ে গেছেন সুবিধাজনক অবস্থানে।

বল হাতে শুরুতে খানিকটা এলোমেলো ছিলেন সাকিব। প্রথম দুই ওভার সাকিব একেবারেই ধরে রাখতে পারেননি লাইন লেংথ। কিন্তু তৃতীয় ওভারেই এসে নিজেকে যেন ফিরে পেলেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জতিন্দর সিংকে ৪০ রানে লিটন দাসের তালুবন্দি করে সাজঘরে ফেরান এই বাঁহাতি স্পিনার। এখান থেকেই শুরু।

এরপর ব্যক্তিগত শেষ ওভারের তৃতীয় এবং চতুর্থ বলে সাকিবের শিকার বনে মাঠ ছাড়েন আয়ান খান ও নাসিম খুশি। দুই জনই মাঠ ছাড়েন মাহমুদুল্লাহর তালুবন্দি হয়ে। আর তখন স্কোরবোর্ডে ওমানের স্কোর সাত উইকেটের খরচায় ১০৫ রান।

দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করায় ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও নিজের করে নেন এই বাঁহাতি।

ম্যাচ শেষে সাকিব বলেন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারে শোকাহত হয়েছে পুরো দল।

এই চ্যাম্পিয়ন অলরাউন্ডার বলেন, ‘স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারে সবাই কষ্ট পেয়েছে। সেটা কাটিয়ে আজকের ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে আমরা স্নায়ুচাপ ধরে রেখেছি। তারা ১৫ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল। অনেক সাহস নিয়ে খেলেছে। আমাদের আরেকটা ম্যাচ আছে সেটা জিততে হবে ও দেখতে হবে ওমান-স্কটল্যান্ড ম্যাচে কী হয়।’

ব্যাট হাতে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলা সাকিবের মতে বাংলাদেশ ১৫ থেকে ২০ রান কম করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ১৭০-১৮০ করে ফেলতে পারতাম যদি সবার ব্যাটিং ক্লিক করত। সে কারণে অনেকের ব্যাটিং অর্ডার ওঠানামা করেছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন হয়েই থাকে। যখন একটা দল ১০-১২ ওভার ব্যাট করে এক বা দুই উইকেট থাকে তখন স্বাভাবিকভাবে ৬-৭ নম্বর ব্যাটসম্যানরা উপরের দিকে চলে আসে।’

দলের পক্ষে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে অধিনায়ককে সব সময় সমর্থন করেন সাকিব, এমনটা উল্লেখ করে বলেন, ‘দল যখন সফল হয় তখন অধিনায়কের সিদ্ধান্তের কৃতিত্ব দেয়। আর ব্যর্থ হলে সবাই দোষ দেয়। যেহেতু ক্রিকেট খেলি, মনে করি এরকম দলের প্রয়োজনে কোচ, অধিনায়ককে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সতীর্থ হিসেবে আমরা দলের বাকিরা সেটাকে সমর্থন দেই। সব সময় চিন্তা করি কীভাবে দলে অবদান রেখে জেতানো সম্ভব।’

আইসিসির ইভেন্টে বাংলাদেশের শেষ পাঁচ জয়ের ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কার গেছে সাকিবের ঝুলিতে।

শুরুটা সাকিবের ২০১৭ সালের চ্যম্পিয়ন্স লিগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ১১৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। যদিও ৫২ রানের খরচায় সেই ম্যাচে কোনো উইকেট ঝুলিতে পুরতে পারেননি সাকিব।

এরপর ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বিশ্বকাপের সেই আসরে জয়ের দেখা পেয়েছিল সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সাকিব ম্যাচসেরার পুরস্কার বাগিয়ে নিয়েছিলেন ব্যাট হাতে ৭৫ রান এবং বল হাতে ৫০ রানের বিনিময়ে এক উইকেট নেয়ার মধ্য দিয়ে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত বিশ্বকাপে সাকিব ছিলেন দুর্দান্ত। ১২৪ রানে অপরাজিত থাকার পাশাপাশি ৫৪ রানের খরচায় ঝুলিতে পুরেছিলেন দুটি উইকেট।

আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে অর্ধশতকের একটি ইনিংস খেলর পাশাপাশি ২৯ রানের খরচায় শিকার করেছিলেন পাঁচ আফগান ব্যাটারকে। সবশেষ সাকিব চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ওমানের বিপক্ষের ম্যাচেও হয়েছেন ম্যাচসেরা।

যার ফলে সন্দেহের আর খুব একটা অবকাশ নেই সাদা বলের ক্রিকেটে কেন তিনি বিশ্বসেরা। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পুরোটাই সাকিবময়। বাংলাদেশের হয়ে শর্টার ফরম্যাটের এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রাহক সাকিব আল হাসান। তার ব্যাট থেকে এখন পর্যন্ত এসেছে ৬২৯ রান।

বল হাতেও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনি। এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব নিজের ঝুলিতে পুরেছেন ৩৫টি উইকেট।

আর মাত্র ৫টি উইকেট পেলেই সাকিব নিজের নাম লেখাবেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে। টপকে যাবেন পাকিস্তানি সাবেক তারকা শাহিদ আফ্রিদির করা ৩৯ উইকেটের রেকর্ডকে।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এশিয়ান বোলিং কোচ চূড়ান্ত করছে বিসিবি

এশিয়ান বোলিং কোচ চূড়ান্ত করছে বিসিবি

শ্রীলঙ্কার ডাগ আউটে বোলিং কোচ চামিন্দা ভাস। ছবি: এএফপি

বিসিবির পছন্দের তালিকায় রয়েছে সাবেক শ্রীলঙ্কার সিমার চামিন্দা ভাসের নাম। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিশ্বকাপের আগে ভাসকে তাসকিন-মুস্তাফিজদের সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাবে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের বাজে পারফরম্যান্সের পর কোচিং প্যানেলের পরিবর্তন আনার আশ্বাস দিয়েছিল বিসিবি। তার জের ধরে বিশ্বকাপের পর পর ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুকের সঙ্গে সম্পর্কোচ্ছেদ করে বোর্ড।

সবশেষ নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর টাইগারদের বোলিং কোচের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় ক্যারিবিয়ান ওটিস গিবসনকে। নতুন কোচ হিসেবে শোনা যেতে থাকে বেশ কয়েকজনের নাম। সে তালিকায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ কোচ।

তবে বোর্ডের পছন্দের তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছে উপমহাদেশের কয়েকজনের নাম। কারও নাম স্পষ্ট করে বলা না হলেও বোর্ড জানিয়েছে বোলিং কোচ হিসেবে উপমহাদেশের কোচরা প্রাধান্য পাবেন বাকিদের চেয়ে।

মূলত বাংলাদেশের উইকেট নিয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকার আবশ্যকতার জন্যে উপমহাদেশের কোচ আনায় ঝুঁকেছে ক্রিকেট বোর্ড। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।

মিঠু বলেন, ‘আমরা এশিয়ার ভেতর থেকে কাউকে নিতে চাচ্ছি। আসলে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের যে উইকেট সেটি তো আমাদের মতো না। আমাদের উপমহাদেশের উইকেট সম্পূর্ণ আলাদা। মূলত উইকেটের কথা চিন্তা করেই আমরা এশিয়ানদের প্রাধান্য দিচ্ছি।’

তবে সবকিছু নির্ভর করবে বোর্ড সভায় নির্বাচিত হওয়া কোচদের ইচ্ছার ওপর। যে সময়ে কোচকে আনতে চায় বিসিবি, সে সময় তিনি সময় দিতে পারবেন কি না বা কাজ করতে আগ্রহী কি না, সে সব বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড।

মিঠু বলেন, ‘যাকে দায়িত্বটা দেব, সে সময়ে তার সুযোগ থাকতে হবে। এ ছাড়া কোভিড পরিস্থিতিতে তাকে পাওয়া যাবে কি না, সেটিও দেখার বিষয়। আমরা কয়েকজনকে ভাবনায় রেখেছি। বোর্ড সভাপতির সঙ্গে বসে শিগগিরই এটি চূড়ান্ত করা হবে।’

বিসিবির পছন্দের তালিকায় রয়েছে সাবেক শ্রীলঙ্কার সিমার চামিন্দা ভাসের নাম। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিশ্বকাপের আগে ভাসকে তাসকিন-মুস্তাফিজদের সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাবে।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দলে নেই ওয়ার্নার-মার্শ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দলে নেই ওয়ার্নার-মার্শ

ফাইল ছবি

বিশ্বকাপ জেতা দল থেকে মার্শ-ওয়ার্নার ছাড়াও সিরিজে বাদ পড়েছেন স্পিনার মিচেল সোয়েপসন। তাদের জায়গায় ডাকা হয়েছে ট্র্যাভিস হেড ও বেন ম্যাকডারমটকে। 

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শকে বিশ্রাম দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজে থাকছেন না হেড কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারও।

ল্যাঙ্গার অবশ্য বিশ্রাম পাচ্ছেন না। শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর পাকিস্তান সফরের জন্য দলের পরিকল্পনা গোছাতে বাড়তি সময় দেয়া হচ্ছে তাকে।

এই সিরিজ দিয়েই নিজ মাঠে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। বছরের শেষে অস্ট্রেলিয়ায় হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। যেখানে গত বছর জেতা শিরোপা রক্ষার মিশনে নামবে অ্যারন ফিঞ্চের বাহিনী।

অজি নির্বাচক জর্জ বেইলি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই স্কোয়াডটিই নিজ মাটিতে বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার প্রস্তুতি শুরু করবে। এখানে অনেক খেলোয়াড় আছেন, যারা শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন।’

বিশ্বকাপ জেতা দল থেকে মার্শ-ওয়ার্নার ছাড়াও সিরিজে বাদ পড়েছেন স্পিনার মিচেল সোয়েপসন। তাদের জায়গায় ডাকা হয়েছে ট্র্যাভিস হেড ও বেন ম্যাকডারমটকে।

১১ ফেব্রুয়ারি সিডনিতে শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি সিরিজ। শেষ হবে মেলবোর্নে ২০ ফেব্রুয়ারি।

অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড: অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), অ্যাস্টন এইগার, প্যাট কামিন্স, জশ হেইজলউড, ট্র্যাভিস হেড, ময়জেস এনরিকেস, জশ ইংলিস, বেন ম্যাকডারমট, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, জাই রিচার্ডসন, কেইন রিচার্ডসন, স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টয়নিস, ম্যাথিউ ওয়েড ও অ্যাডাম জ্যাম্পা।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

টানা দ্বিতীয় জয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম

টানা দ্বিতীয় জয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদের উইকেট উদযাপন। ছবি: বিসিবি

চ্যালেঞ্জার্সদের দেয়া ১৯০ রানের জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলতে সক্ষম হয় মুশফিকুর রহিমের দল। তারই সুবাদে ২৫ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রামের দেয়া রান পাহাড় টপকানো হলো না খুলনার। চ্যালেঞ্জার্সদের দেয়া ১৯০ রানের জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলতে সক্ষম হয় মুশফিকুর রহিমের দল। আর তারই সুবাদে ২৫ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম।

এই জয়ে টানা দুই ম্যাচেই জয়ের দেখা পেল সাগরিকার দলটি। আর প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পাওয়া খুলনা পেল প্রথম হারের স্বাদ।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় দ্রুত উইকেট হারালেও খুলনার রানের চাকা সচল রাখেন ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার। পাওয়ার প্লেতে দলের স্কোর বোর্ডে উঠে ৪৫ রান।

কিন্তু সপ্তম ওভারে বড় ধাক্কা খায় খুলনা। রেজাউর রাজার বাউন্সার ব্যাটে বলে করতে না পারায় সরাসরি আঘাত হানে ফ্লেচারের কাঁধে। আর তাতেই মাঠ ছাড়তে হয় ক্যারিবিয়ান এই ক্রিকেটারকে।

এদিকে আগের ম্যাচের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রনি তালুকদারকে মাত্র সাত রানে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। চারে এসে শেখ মেহেদী হাসান ২৪ বলে খেলেন ৩০ রানের ইনিংস। আর ফ্লেচারের কনকাশন সাব হয়ে আসা সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে আসে ২২ রান।

শেষ দিকে উইকেটের একপ্রান্ত আগলে ধরে দলকে একাই টেনে নিয়ে যেতে থাকেন ইয়াসির আলী রাব্বি। কিন্তু ২৬ বলে ৪০ করা এই ব্যাটসম্যানকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানিয়ে থামান শরিফুল ইসলাম।

তার বিদায়ের পর আর কেউই তেমন কোনো অবদান রাখতে পারেননি দলের স্বার্থে। শেষ পর্যন্ত ২৫ রানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় মুশফিক অ্যান্ড কোংদের।

চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল, রাজা ও মিরাজ। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন বেনি হাওয়েল ও নাসুম আহমেদ।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই খুলনার বোলারদের ওপর চড়াও হন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। প্রথম ওভারে দুজন মিলে স্কোরশিটে যোগ করেন ২২ রান।

তবে মারকুটে এই জুটি ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে ভাঙেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। ৭ বলে ১৭ করা জ্যাকসকে ফিরিয়ে আনেন ব্রেক থ্রু। সঙ্গী বিদায় নিলেও লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন লুইস।

কিন্তু ১৪ বলে ২৫ করে তাকে শিকার হতে হয় রাব্বির। দলের স্কোর সে সময় তিন ওভার ৪ বলে ৫২ রান।

দুই ওপেনার থেকে সন্তোষজনক ইনিংস এলেও বড় ইনিংস খেলা সম্ভব হয়নি আফিফ হোসেনের পক্ষে। ১৩ বলে ১৫ করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন নাভিন উল হক ও মেহেদী মিরাজ যৌথভাবে।

এরপর ৪৮ রানের জুটি গড়ে দলের অবস্থান শক্ত করেন সাব্বির রহমান ও মেহেদী মিরাজ। ২৩ বলে ৩০ করে নাভিন উল হকের শিকারে পরিণত হন মেহেদী। এক ওভার বাদে একই পথ ধরেন সাব্বির।

শেষদিকে বেনি হাওয়েলের ২০ বলে অপরাজিত ৩৪ ও নাঈম ইসলামের ৫ বলে ১৫ রানের ইনিংসে ভর করে খুলনার সামনে ১৯০ রানের পাহাড় দাঁড় করায় চট্টগ্রাম।

চট্টলার হয়ে দুটি উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। একটি করে উইকেট নেন নাভিন উল হক ও ফরহাদ রেজা।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

আঘাত পাওয়ার পর শঙ্কামুক্ত ফ্লেচার

আঘাত পাওয়ার পর শঙ্কামুক্ত ফ্লেচার

ঘাড়ে আঘাত পাওয়ার পর আন্ড্রে ফ্লেচার। ছবি: বিসিবি

পেইসার রেজাউর রহমান রাজার বাউন্সার সরাসরি আঘাত করে খুলনার ব্যাটসম্যান আন্ড্রে ফ্লেচারের ঘাড়ে। আঘাত লাগার সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ক্যারিবিয়ান এই ব্যাটসম্যান।

চট্টগ্রামের বিপক্ষে ম্যাচে সোমবার সপ্তম ওভারে ব্যাট করার সময় চট্টগ্রামের পেইসার রেজাউর রহমান রাজার বাউন্সার সরাসরি আঘাত করে খুলনার ব্যাটসম্যান আন্ড্রে ফ্লেচারের ঘাড়ে। আঘাত লাগার সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ক্যারিবিয়ান এই ব্যাটসম্যান।

মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর অবস্থা অনুকূলে না আসায় স্ট্রেচারে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মাঠের বাইরে। কিছুক্ষণ পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

খুলনা দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ফ্লেচার বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। মাথায় আঘাত পাওয়ায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এভারকেয়ার হাসপাতালে।

দলটির ম্যানেজার নাফিস ইকবাল বলেন, ‘ফ্লেচার এখন শঙ্কামুক্ত। তবে আমরা সতর্কতাবশত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।’

চট্টগ্রামের করা ১৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শুরু থেকে ধুঁকছিল খুলনা। এমন পরিস্থিতিতে ইনিংসের সপ্তম ওভার করতে বল হাতে আসেন রাজা। ওভারের প্রথম বলটি করেন বাউন্সার।

সেই বাউন্সার ব্যাটে-বলে করা সম্ভব হয়নি ফ্লেচারের পক্ষে। পুল করতে গিয়ে বল আঘাত করে তার ঘাড়ে।

আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়ার আগে ফ্লেচারের ব্যাট থেকে আসে ১২ বলে ১৬ রান। তার কনকাশন সাব হিসেবে মাঠে নামেন সিকান্দার রাজা।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

খুলনার সামনে চট্টগ্রামের ১৯০ রানের পাহাড়

খুলনার সামনে চট্টগ্রামের ১৯০ রানের পাহাড়

রান নিতে ছুটছেন কেনার লুইস ও জ্যাক উইলস। ছবি: বিসিবি

কেনার লুইস ও জ্যাক উইলসের গড়ে দেয়া মঞ্চে ভর করে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৯০ রান।

বিপিএলের তৃতীয় দিনে এসে পাওয়া গেল আসল টি-টোয়েন্টির স্বাদ। দেখা গেল চার ছক্কায় ভরা মারদাঙ্গা ব্যাটিং।

কেনার লুইস ও উইল জ্যাকসের গড়ে দেয়া মঞ্চে ভর করে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৯০ রান।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই খুলনার বোলারদের ওপর চড়াও হন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। প্রথম ওভারে দুজন মিলে স্কোরশিটে যোগ করেন ২২ রান।

তবে মারকুটে এই জুটি ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে ভাঙ্গেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। ৭ বলে ১৭ করা জ্যাকসকে ফিরিয়ে আনেন ব্রেক থ্রু। সঙ্গি বিদায় নিলে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন লুইস।

কিন্তু ১৪ বলে ২৫ করে তাকে শিকার হতে হয় রাব্বির। দলের স্কোর সে সময় তিন ওভার ৪ বলে ৫২ রান।

দুই ওপেনার থেকে সন্তোষজনক ইনিংস এলেও বড় ইনিংস খেলা সম্ভব হয়নি আফিফ হোসেনের পক্ষে। ১৩ বলে ১৫ করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে দেন নাভিন উল হক ও মেহেদী মিরাজ যৌথভাবে।

এরপর ৪৮ রানের জুটি গড়ে দলের অবস্থান শক্ত করেন সাব্বির রহমান ও মেহেদী মিরাজ। ২৩ বলে ৩০ করে নাভিন উল হকের শিকারে পরিণত হন মেহেদী। এক ওভার বাদে একই পথ ধরেন সাব্বির।

শেষদিকে বেনি হাওয়েলের ২০ বলে অপরাজিত ৩৪ ও নাঈম ইসলামের ৫ বলে ১৫ রানের ইনিংসে ভর করে খুলনার সামনে ১৯০ রানের পাহাড় দাঁড় করায় চট্টগ্রাম।

চট্টলার হয়ে দুটি উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। একটি করে উইকেট নেন নাভিন উল হক ও ফরহাদ রেজা।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তে অটল তামিম

টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তে অটল তামিম

তামিম ইকবাল। ফাইল ছবি

তামিমের সিদ্ধান্ত নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেন জাতীয় দলের টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। রোববারের সে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাই ফেরার সম্ভাবনা নেই আর তামিমের।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তে অটল জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল। বোর্ডের সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ করে টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তে স্থির এ বাঁহাতি।

২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর থেকে ক্রিকেটের শর্টার ভার্সনে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেখা যায়নি দেশসেরা এই ওপেনারকে। এমনকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

এরপর বোর্ড প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তের কথা জানান তামিম। তরুণদের সুযোগ করে দিতেই তার এমন সিদ্ধান্ত সে কথাও বলেন এ অভিজ্ঞ তারকা।

তামিমের সিদ্ধান্ত নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেন জাতীয় দলের টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। রোববারের সে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাই ফেরার সম্ভাবনা নেই তামিমের।

তামিম-সুজনের আলোচনায় উপস্থিত থাকা বোর্ডের এক পরিচালক বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই পরিচালক বলেন, ‘গতকাল তামিমের সঙ্গে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফেরার ইস্যুতে আলোচনায় বসেছিলেন সুজন। কিন্তু আলোচনায় লাভ হয় নি কোনো। তামিম তার সিদ্ধান্তে অটল।’

গত শনিবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও সংবাদমাধ্যমকে জানান তামিম টি-টোয়েন্টি না খেলার বিষয়ে অটল। তবে ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান তিনি।

২০২০ সালের মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকায় খেলা ম্যাচটিই তামিমের জন্য শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি হয়ে রইল।

অন্য ফরম্যাটের মতো টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশের হয়ে অনন্য রেকর্ডধারী তামিম। ৭৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১ হাজার ৭৫৮ রান করেছেন তিনি।

এর মধ্যে বাংলাদেশের হয়ে ৭৪ ম্যাচে ১ হাজার ৭০১ রান তার, যা টাইগার ব্যাটারদের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

সাতটি হাফ সেঞ্চুরির পাশাপাশি একটি সেঞ্চুরিও আছে তার। ২০১৬ বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেললেও ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি চালিয়ে যাবেন তামিম।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

জুয়াড়িদের খপ্পরে পড়ে কোকেন আসক্তি হয় টেইলরের

জুয়াড়িদের খপ্পরে পড়ে কোকেন আসক্তি হয় টেইলরের

ব্রেন্ডন টেইলর। ফাইল ছবি

টেইলর জানিয়েছেন জুয়াড়িদের খপ্পরে পড়ে দুই বছর আগে কোকেন সেবন করেন তিনি। আর তাতে পরবর্তী সময়ে আসক্ত হয়ে পড়েন। লম্বা সময় ধরে কোকেন সেবন করতে করতে দেখা দেয় তার বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা।

জুয়াড়ির তথ্য গোপন করে আইসিসি কর্তৃক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার পথে জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর। সংবাদমাধ্যমে টেইলর নিজেই জানিয়েছেন বিষয়টি।

মানসিক চাপের কারণে জুয়াড়িদের কথা চেপে গিয়েছিলেন বলে জানান জিম্বাবুয়ের সাবেক এ অধিনায়ক টেইলর। একই সঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছেন চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য।

টেইলর জানিয়েছেন জুয়াড়িদের খপ্পরে পড়ে বছর দুয়েক আগে কোকেন সেবন করেন তিনি। আর তাতে পরবর্তী সময়ে আসক্ত হয়ে পড়েন। লম্বা সময় ধরে কোকেন সেবন করতে করতে দেখা দেয় তার বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা।

এক টুইট বার্তায় টেইলর বলেন, ‘২০১৯ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে, আমাকে ভারতের এক ব্যবসায়ী অনুরোধ করেন জিম্বাবুয়েতে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের স্পনসরশিপের বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে। আমাকে বলা হয় ভারতে যাওয়ার জন্য। এতে আমি ১৫ হাজার ডলার পাব।’

‘সে সময়টা এমন ছিল যখন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড ছয় মাস আমাদের বেতন দিতে পারছিল না। এটাও নিশ্চিত ছিলাম না জিম্বাবুয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চালিয়ে যেতে পারবে কি না। তাই আমি ভারতে যাই। আলোচনাও হয়, আমরা একটা ডিনারে বসি।’

সেখানে বিষয়টা থেমে থাকেনি। তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হয় বলে জানান টেইলর।

বলেন, ‘সেখানে সে ড্রিংকস নিয়ে হাজির হয়। একই সঙ্গে আমাকে কোকেইন খাওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। বোকার মতো আমি সেটা কিছুটা গ্রহণও করে ফেলি। পরদিন সকালে ওই লোক আমার রুমে আসে ও আমার কোকেন নেয়ার ভিডিও দেখায়। সে বলে, যদি আমি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তাদের জন্য স্পট ফিক্সিং না করি, তাহলে তারা ভিডিওটা প্রকাশ করে দেবে।’

এরপর ফিক্সিংয়ের জন্য একরকম বাধ্য হয়েছিলেন বলে জানান ৩৬ বছর বয়সী এ ব্যাটার।

তিনি বলেন, ‘আমাকে ১৫ হাজার ডলার দেয়া হয়। সঙ্গে এটাও বলা হয় যে ফিক্সিংয়ের জন্য এটা একটা ডিপোজিট। যদি কাজটা হয়ে যায়, তাহলে আরও ২০ হাজার ডলার পাব।’

টেইলর জানিয়েছেন দ্রুত তিনি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হবেন।

জুয়াড়িদের প্রস্তাব পেয়ে ম্যাচ না পাতালেও তথ্য গোপনের জন্য আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্ট অনুযায়ী দোষী টেইলর।

তবে দেরি করে হলেও বিষয়টি আইসিসিকে জানানোয় জিম্বাবুয়ের এ ক্রিকেটার আশা করছেন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা তার বিষয়ে নমনীয় হবে।

আরও পড়ুন:
অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়
অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি
সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের
ওমানের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় বাংলাদেশের
ডু-অর-ডাই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শেয়ার করুন