‘এআইয়ের কাছে সহজে হারবে না মানবমস্তিষ্ক’

‘এআইয়ের কাছে সহজে হারবে না মানবমস্তিষ্ক’

নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপচারিতায় গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীব। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

গ্র্যান্ডমাস্টার রাজীব বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষ হিসাব করে পারবে না। কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষের খেলা হওয়া উচিত টাইম লিমিট ছাড়া। তখন বোঝা যাবে যে, কম্পিউটার কতটা ভালো।’

বাংলাদেশে দাবার সবশেষ ও কনিষ্ঠতম গ্র্যান্ডমাস্টার এনামুল হোসেন রাজীব। ২০০৮ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম পাওয়া এ দাবাড়ু মনে করেন, দাবায় মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাওয়া কঠিন হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই)।

নিউজবাংলার সঙ্গে দাবা, নিজের ক্যারিয়ার ও এ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে কথা বলেছেন গ্র্যান্ডমাস্টার রাজীব। নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য তার সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

আপনার যাত্রার শুরুটা কেমন ছিল সেটা যদি জানাতেন...দাবায় কীভাবে আগ্রহ পেলেন?

ছোটবেলাতে দাবার বোর্ড দেখে এটার প্রতি কেন যেন এক ধরনের আগ্রহ বোধ করি। তারপরে বাবার সঙ্গে খেলা শুরু করি। সেখান থকেই দাবার প্রতি আকর্ষণের শুরুটা।



এখনকার তরুণদের, যারা আসলে নানা ডিভাইসে ভিডিও গেমস খেলে, তাদের কীভাবে দাবার প্রতি আগ্রহী করে তোলা সম্ভব?

দাবাও এখন ডিভাইস বেজড। বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করে এটা অনলাইনে খেলতে পারেন। বিশ্বের যেকোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলা সম্ভব। তাদের আগ্রহী করে তোলার জন্য প্রথম আমাদের তরুণদের দাবা শেখাতে হবে। শুরুটা করিয়ে দিতে পারলে দেখা যাবে তারা ভিডিও গেমস খেলা বন্ধ করে দাবার প্রতি আকর্ষণ বোধ করছে।

দাবায় শারীরিক ফিটনেস কতটা জরুরি?

দাবায় ফিজিক্যাল ফিটনেস খুবই জরুরি। নয় রাউন্ডে প্রতিটা খেলা ৪-৫ ঘণ্টা করে খেলা শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর। কিংবদন্তি ববি ফিশার বা এখনকার চ্যাম্পিয়ন দাবাড়ু ম্যাগনাস কার্লসেন ফিটনেসের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন।

আমাদের দেশে অবশ্য ফিটনেসের বিষয়টি এতটা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয় না। আমি নিজেও ফিটনেস নিয়ে যতটা করা প্রয়োজন ততটা করি না। কিন্তু খুবই দরকার।

দাবা টুর্নামেন্টের আগে কীভাবে প্রস্তুতি নেন?

প্রস্তুতিটা আসলে কয়েকটা ধাপে হয়। শুরুতে আমরা যদি জানি যে প্রতিপক্ষ কে, তাহলে তার খেলার ধরনের বিপক্ষে নির্দিষ্ট প্রস্তুতি নিতে হয়। যখন জানি না যে প্রতিপক্ষ কে হবেন, তাহলে নিজের সাধারণ প্রস্তুতিটা ভালো করার চেষ্টা করি। সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেললে কেমন ওপেনিং খেলব বা কালো ঘুঁটি নিয়ে খেললে শুরুটা কেমন হবে সেটা অনুশীলন করি। এরপর টুর্নামেন্ট শুরু হলে পরের রাউন্ডে কার বিপক্ষে খেলব সেটা নিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকে, কিন্তু সময় খুব বেশি থাকে না।

দাবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ডিপ ব্লু গ্যারি কাসপারভকে হারিয়েছিল। এখন গুগল জিরোর মতো অত্যন্ত শক্তিশালী সফটয়্যার আছে। আপনার কি মনে হয় একসময় এআই দাবা খেলায় মানুষের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে?

এখন একজন গণিতবিদের সঙ্গে যদি একটা কম্পিউটারের প্রতিযোগিতা করান, তাহলে গণিতবিদ কিন্তু পারবেন না। তাতে কিন্তু গণিতবিদের গুরুত্ব কমছে না। কম্পিউটারকে আমরা একটা টুল হিসেবে ব্যবহার করি। আর মানুষের সঙ্গে কম্পিউটারের যত প্রতিযোগিতা সেখানে সময় বেঁধে দেয়া থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষ হিসাব করে পারবে না। কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষের খেলা হওয়া উচিত টাইম লিমিট ছাড়া। তখন বোঝা যাবে যে কম্পিউটার কতটা ভালো।

আলফা জিরোর কথা বলেছেন আপনি। আরেকটা অত্যন্ত শক্তিশালী দাবা ইঞ্জিন আছে স্টকফিশ। এগুলো যে পর্যায়ে চলে গেছে তাতে হয়তো অনেকে ভাবতে পারেন যে সর্বোচ্চ উৎকর্ষে পৌঁছানো হয়েছে, কিন্তু ইঞ্জিনগুলোও তো একে অপরের সঙ্গে হারছে। এর মানে এই এআই ইঞ্জিনগুলো দাবা খেলাটা পুরো আয়ত্ত করতে পারেনি। একটা রহস্য রয়ে গেছে।

একটা দাবা খেলায় সম্ভাব্য চাল অসংখ্য। বলা হয় যে, দৃশ্যমান মহাবিশ্বের যতগুলো অণু আছে, তার চেয়েও বেশি চাল দেয়া সম্ভব দাবার এক খেলায়। কম্পিউটার যতই শক্তিশালী হোক, সহজ না বিষয়টা।

‘এআইয়ের কাছে সহজে হারবে না মানবমস্তিষ্ক’
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার প্রথম রাউন্ডে খেলছেন এনামুল হোসেন রাজীব। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা



দাবাড়ুদের লেখা বই পড়েন কি? কার বই ভালো লাগে?

আমি ববি ফিশারের ‘মাই সিক্সটি মেমরেবল গেমস’ অসংখ্যবার পড়েছি। আমি যখন শুরু করেছি তখন বই এতটা পাওয়া যেত না। তাই ওই একটা বই অনেকবার পড়তে হয়েছে। পরে অবশ্য গ্যারি কাসপারভের বই পড়েছি; মিখাইল তালের বই পড়েছি। বর্তমানে প্রচুর বই পাওয়া যায়। এর মধ্যে গ্যারি কাসপারভের ‘মাই গ্রেট প্রিডেসেসরস’-এর পাঁচটা খণ্ড আছে, যেটা আমি মনে করি যে, খুবই ভালো। কারপভের সঙ্গে নিজের (কাসপারভ) ম্যাচের বই লিখেছেন; নিজের খেলার ওপরে বই লিখেছেন। সেগুলোও দারুণ।

দাবা নিয়ে কখনো কোনো বই লিখবেন কি না?

ওই রকম নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই। সময় ও সুযোগ থাকলে দাবা নিয়ে অবশ্যই কিছু লিখতে চাই।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভুয়া তথ্য: বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার বন্ধ

ভুয়া তথ্য: বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার বন্ধ

নিজেদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মুখপাত্র দাবি করা বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু করা হয় চলতি বছর জানুয়ারিতে। টুইটার অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি আর কোনো প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ‘বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিল’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।

ওই টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন ধরনের ভুয়া তথ্য, ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ পায় টুইটার।

নিজেদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মুখপাত্র দাবি করা বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু করা হয় চলতি বছর জানুয়ারিতে।

টুইটার অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি আর কোনো প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

ওই অ্যাকাউন্ট থেকে গত কিছু দিন ধরে ক্রমাগত বিভিন্ন মন্দিরে হামলা চালানোর ছবি ও তথ্য শেয়ার করা হচ্ছিল।

সংগঠনটির টুইটারে চলতি বছরে সব মিলিয়ে ৩৮৬টি টুইট করা হয়েছে।

অ্যাকাউন্টটির ফেরিফায়েড টুইটারে ২৭ হাজার ফলোয়ার ছিল।

বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্য সংঘ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় কাজ করে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।

কুমিল্লায় দুর্গাপূজার সময় এক মণ্ডপে কোরআন রাখার অভিযোগে হামলা চালিয়ে মণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। এরপর দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের পূজামণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাতে বাংলাদেশ হিন্দু কাউন্সিল অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়া তথ্য ও ছবি ছড়ানোর অভিযোগ পায় টুইটার।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন

৮০০ সেলার নিয়ে সামিট করল দারাজ

৮০০ সেলার নিয়ে সামিট করল দারাজ

আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনে ই-কমার্সে বিক্রেতারা কীভাবে দারাজের অধীনে আরও সহজ ও কার্যকরী উপায়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন সে প্রসঙ্গে জোর দেয়া হয় সামিটে।

বিক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে চতুর্থবারের মতো দারাজ আয়োজন করেছে ‘দারাজ সেলার সামিট’।

প্রযুক্তিগত ও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির ফলস্বরূপ দারাজের কার্যক্রমে যে সব নতুন পরিবর্তন এসেছে, সে প্রসঙ্গে নিজেদের বিক্রেতাদের জানাতেই এই আয়োজন করে আলীবাবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সন্ধ্যায় আট শতাধিক সেলার নিয়ে আয়োজনটি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের এটুআই প্রোগ্রামের হেড অফ ইকমার্স রেজওয়ানুল হক জামি।

আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনে ই-কমার্সে বিক্রেতারা কীভাবে দারাজের অধীনে আরও সহজ ও কার্যকরী উপায়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন সে প্রসঙ্গে জোর দেয়া হয় সামিটে।

সেলার সামিটে অন্যতম সেলস ক্যাম্পেইন ১১.১১ থেকে শুরু করে দারাজ অ্যাপের নতুন সব ফিচার ব্যবহার ও দারাজের অন্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দারাজ জানায়, তাদের আড়াই কোটিরও বেশি পণ্য নিয়ে বর্তমানে প্লাটফর্মে যুক্ত আছে ৪০ হাজার বিক্রেতা এবং সহস্রাধিক ব্র্যান্ড।

মূল আলোচনার বাইরেও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এবারের দারাজ সেলার সামিটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জলের গানের সংগীত আয়োজন।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন

বায়োস্কোপ-মাইজিপিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

বায়োস্কোপ-মাইজিপিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির খেলা দেখাতে জিপি ও র‍্যাবিটহোলের চুক্তি হয়।

নিজেদের অ্যাপ ও পোর্টালের পাশাপাশি দর্শকদের জন্য বায়োস্কোপ ও মাইজিপি অ্যাপেও সরাসরি খেলা দেখাবে জনপ্রিয় স্পোর্টস ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি-র‍্যাবিটহোল।  

টানটান উত্তেজনায় ভরা আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব ম্যাচ ঘরে বসে উপভোগ করতে দিচ্ছে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ডিজিটাল ব্রডকাস্টার ‘র‍্যাবিটহোল’।

নিজেদের অ্যাপ ও পোর্টালের পাশাপাশি দর্শকদের জন্য বায়োস্কোপ ও মাইজিপি অ্যাপেও সরাসরি খেলা দেখাবে জনপ্রিয় স্পোর্টস ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি- র‌্যাবিটহোল।

সম্প্রতি রাজধানীর জিপি হাউজে টেলি-অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের সঙ্গে এ সংক্রান্ত এক চুক্তি করেছে র‌্যাবিটহোল।

চুক্তি স্বাক্ষরে র‌্যাবিটহোলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সালাউদ্দিন চৌধুরী, সহপ্রতিষ্ঠাতা জিয়াউদ্দিন আদিল এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম রফিক উল্লাহ।

আর গ্রামীণফোনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানিটির ডিজিটাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি অফিসার সোলাইমান আলম, হেড অফ করপোরেট স্ট্র্যাটেজি তালাল রেজা চৌধুরী এবং স্ট্র্যাটেজিক সোর্সিংয়ের জেনারেল ম্যানেজার শামিউর রহমান খান।

চুক্তি অনুযায়ী, পুরো বিশ্বকাপজুড়েই বায়োস্কোপ ও মাইজিপি অ্যাপে র‌্যাবিটহোল দেখা যাবে। নির্দিষ্ট কিছু ডেটা ও কম্বো প্যাক কেনার মাধ্যমে দেখা যাবে।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডিজিটাল ব্রডকাস্টার হিসেবে বাংলাদেশ থেকে অফিসিয়াল সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে র‌্যাবিটহোল। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সব ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি যাত্রা শুরু করে।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন

সত্যিই কি প্রটেক্ট ছাড়া বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক

সত্যিই কি প্রটেক্ট ছাড়া বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক

ফেসবুকের নতুন ফিচার প্রটেক্ট নিয়ে হচ্ছে নানা আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা প্রটেক্ট ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, কোনো অ্যাকাউন্টই বন্ধ করবে না ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো কথাও বলেনি। তাই ২৮ অক্টোবরের পর আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হচ্ছে কথাটি মিথ্যা। প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি অতিরিক্ত ফিচার যোগ করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, এমনকি অনেক সংবাদমাধ্যমেও খবর বেরিয়েছে, ফেসবুক প্রটেক্ট অন না করলে আগামী ২৮ অক্টোবরের পর অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। সত্যিই কি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে ফেসবুক?

প্রটেক্ট ফিচার অন ছাড়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে কোনো কথা বলেনি প্রতিষ্ঠানটি। তবে গ্রাহকদের অধিক সুরক্ষা দিতে ফিচারটি এনেছে ফেসবুক। সেই সঙ্গে নোটিফিকেশন দিয়ে সেটি অন করার জন্য কিছু ব্যবহারকারীকে জানিয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা প্রটেক্ট ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, কোনো অ্যাকাউন্টই বন্ধ করবে না ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো কথাও বলেনি। তাই ২৮ অক্টোবরের পর আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হচ্ছে কথাটি মিথ্যা। প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি অতিরিক্ত ফিচার যোগ করেছে।

ফেসবুক প্রটেক্ট কী

ফেসবুক প্রটেক্ট ফিচারটি কী, তা নিজেদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা জানি যে, প্রার্থী, তাদের প্রচার দল ও নির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতো কিছু ব্যক্তি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মগুলোতে হীন তৎপরতায় লিপ্ত ব্যক্তিদের শিকার হতে পারেন। একটি নির্বাচনি সময়সীমার মধ্যে যেসব অ্যাকাউন্ট বাড়তি ঝুঁকিতে থাকে, সেগুলোকে বাড়তি সুরক্ষা দেয়ার দরকার হতে পারে। এ কারণে আমরা ফেসবুক প্রটেক্ট নামের একটি কর্মসূচি চালু করেছি।

‘এটি যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির প্রার্থী, তাদের প্রচার দল এবং নির্বাচিত কর্মকর্তাদের জন্য একটি স্বেচ্ছাধীন কর্মসূচি, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট ও পেজের বাড়তি সুরক্ষা দেয়া হয়।’

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘তালিকাভুক্তির (ওই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি) মাধ্যমে আমরা এসব অ্যাকাউন্টকে জোরদার সুরক্ষা গ্রহণে সহায়তা করব।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এতে দুই ধাপে বৈধতা যাচাই (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিক্যাশন) এবং সম্ভাব্য হ্যাকিং ঝুঁকি তদারকি করা।

‘তালিকাভুক্ত পেজগুলোর সব অ্যাডমিনকে পেজ পাবলিশিং অথরাইজেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে, যাতে করে পেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এটি নির্দিষ্ট পেজের অ্যাডমিনদের এ কর্মসূচিতে (ফেসবুক প্রটেক্ট) অন্তর্ভুক্ত হতে চাওয়া বা না চাওয়ার ওপর নির্ভর করবে না।’

ফেসবুক বলে, ‘পেজ পাবলিশিং অথরাইজেশন বা কোনো কনটেন্ট প্রকাশের অনুমোদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়, কারা পেজের নিয়ন্ত্রণ করেন। এ প্রক্রিয়ায় দুই ধাপ বৈধতা যাচাই এবং প্রাথমিক দেশের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত নামের প্রোফাইল থেকে অ্যাডমিনদের পেজ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

‘হীন তৎপরতায় লিপ্তদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পথ খুঁজছি। আমরা হয়তো কখনোই অপতৎরতায় যুক্ত সবাইকে ধরতে পারব না, তবে এ কর্মসূচি অনেকগুলো পদক্ষেপের একটি যার মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোয়ানোর মতো ঘটনা কঠিন হয়ে পড়বে।’

‘কীভাবে তালিকাভুক্ত হব’

ফেসবুক প্রটেক্ট কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সম্ভাব্য যোগ্য ব্যক্তিরা ফেসবুকে প্রম্পট (এক ধরনের ফিচার, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে কোনো বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়) দেখতে পাবেন। এর মাধ্যমে তারা কর্মসূচিটি সম্বন্ধে জানার পাশাপাশি তাতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।

ফেসবুক বলছে, ‘আমরা ২০২১ সালে এ কর্মসূচিটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং এর অগ্রগতির নিয়ে নিয়মিত আপডেট জানাব।’

এ মুহূর্তে কোথায় কোথায় ফেসবুক প্রটেক্ট আছে?

বর্তমানে ফেসবুক প্রটেক্ট সক্রিয় আছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও কানাডাতে।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন

১১ ঘণ্টা পর ইন্টারনেট ফিরল মোবাইলে

১১ ঘণ্টা পর ইন্টারনেট ফিরল মোবাইলে

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিটিআরসি থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে ঢাকায় মোবাইল ইন্টারনেট চালু করতে বলা হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই তা চালু হবে। পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও বিভিন্ন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

১১ ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন থাকার পর অনলাইন দুনিয়ায় যুক্ত হওয়া যাচ্ছে মোবাইল ফোন থেকে।

শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে বন্ধ করে দেয়া হয় মোবাইল ইন্টারনেট। বিকেল ৪টার পর থেকে আবার মোবাইলে ইন্টারনেট পেতে শুরু করেন রাজধানীর গ্রাহকরা।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিটিআরসি থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে ঢাকায় মোবাইল ইন্টারনেট চালু করতে বলা হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই তা চালু হবে।

পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও বিভিন্ন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ছুটির দিন ভোর থেকে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে কোনো ঘোষণা না থাকায় ব্যবহারকারীদের বহুজন ফোনে কারিগরি সমস্যার কথা ভেবে ফোন রিস্টার্টও করেন। কিন্তু এতে কাজ হয়নি।

তবে মোবাইল ডাটা কাজ না করলেও ব্রডব্র্যান্ড ডাটা চালু ছিল। ওয়াই-ফাইয়ে মোবাইল ফোনকে যুক্ত করলে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছিল।

বিষয়টি জানতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

পরে সংস্থাটির কমিশনার এ কে এম শহিদুজ্জামানের সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার আওতার মধ্যে পড়ে না, তবে আমি ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, মোবাইল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে কিছু কারিগরি সমস্যা হচ্ছে। এটা যেকোনো সময় ঠিক হয়ে যাবে।’

মোবাইলে ইন্টারনেট না পাওয়া নিয়ে বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারে কল করে পাওয়া যায় ভিন্ন তথ্য। সেখান থেকে জানানো হয়, বিটিআরসির নির্দেশনায় মোবাইলে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে।

তবে মোবাইল ইন্টারনেটে বিঘ্নের বিষয়ে সেটি চালুর বিষয়েও মোবাইল সেবাদানকারী কোম্পানি বা সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন

মোবাইল ডেটায় বিভ্রাট

মোবাইল ডেটায় বিভ্রাট

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী মোস্তাফিজ বলেন, ‘সকালে উঠে নিয়মিত ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে দেখি, নেট কাজ করছে না। বেশ কয়েকবার ফোন রিস্টার্ট দিয়েও সমাধান হয়নি। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে জানলাম, তাদেরও একই অবস্থা।’

রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল ফোনে ডেটা ব্যবহার করে ইন্টারনেটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না।

ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, কয়েক দফা চেষ্টা করেও ইন্টারনেট সংযোগ পাননি তারা।

রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী মোস্তাফিজ বলেন, ‘সকালে উঠে নিয়মিত ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে দেখি, নেট কাজ করছে না। বেশ কয়েকবার ফোন রিস্টার্ট দিয়েও সমাধান হয়নি। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে জানলাম, তাদেরও একই অবস্থা।’

ঢাকার বাইরে মোবাইল ইন্টারনেটের পরিস্থিতি জানতে কথা হয় নিউজবাংলার বরিশাল ব্যুরোর প্রধান তন্ময় তপুর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘মোবাইল ডেটা চলছে না। ব্রডব্যান্ডে কাজ করতে হচ্ছে।’

চট্টগ্রাম ব্যুরোর প্রধান সিফায়েত উল্লাহ বলেন, ‘ইন্টারনেট না থাকার কারণে সংবাদ সংগ্রহের কাজে স্পটে গিয়ে ছবি, ভিডিও পাঠানো যাচ্ছে না।’

কী বলছে বিটিআরসি

বিষয়টি জানতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

পরে সংস্থাটির কমিশনার এ কে এম শহিদুজ্জামানের সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার আওতার মধ্যে পড়ে না, তবে আমি ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, মোবাইল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে কিছু কারিগরি সমস্যা হচ্ছে। এটা যেকোনো সময় ঠিক হয়ে যাবে।’

মোবাইলে ইন্টারনেট না পাওয়া নিয়ে বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারে কল করে পাওয়া গেছে ভিন্ন তথ্য। কাস্টমার কেয়ার থেকে জানানো হয়, বিটিআরসির নির্দেশনায় মোবাইলে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন

দেশের বাজারে ভিভো এক্স৭০প্রো ফাইভজি

দেশের বাজারে ভিভো এক্স৭০প্রো ফাইভজি

দেশের বাজারে ভিভোর নতুন ফোন। ছবি: সংগৃহীত

সামনে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। রিয়ার-কোয়াড ক্যামেরা অ্যারেতে থাকছে ৫০ মেগাপিক্সেল+ ১২ মেগাপিক্সেল+ ১২ মেগাপিক্সেল+ ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা সেটআপ।

দেশের বাজারে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভোর প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ভিভো এক্স৭০প্রো ফাইভজি উন্মোচন করা হয়েছে।

বিশ্বখ্যাত লেন্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেইসের সঙ্গে সমন্বয় করে ভিভো এক্স৭০প্রো এনেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভিভো বাংলাদেশের সেলস ডিরেক্টর শ্যারন বলেন, ‘অপটিকস ও অপটো-ইলেকট্রনিক্সের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান জেইস ও ভিভোর পার্টনারশিপ মোবাইল ফটোগ্রাফিতে অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেবে।

‘ভিভো এক্স৭০প্রো এর মাধ্যমে ভিভো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ও প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির দূরত্ব কমিয়ে এনেছে।’

ভিভো এক্স৭০প্রো স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৫৬ ইঞ্চির ডিসপ্লে।

সামনে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। রিয়ার-কোয়াড ক্যামেরা অ্যারেতে থাকছে ৫০ মেগাপিক্সেল+ ১২ মেগাপিক্সেল+ ১২ মেগাপিক্সেল+ ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা সেটআপ।

স্থির ছবি বা ভিডিও ধারণের জন্য ভিভো এক্স৭০ প্রো স্মার্টফোনে রয়েছে আল্ট্র-সেন্সিং গিম্বল ক্যামেরা এবং গিম্বল স্ট্যাবিলাইজেশন ৩.০ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

ভিভো জানায়, ভিভো এক্স৭০ প্রো ফাইভজিতে আছে ভিআইএস ৫-অ্যাক্সিস আল্ট্রা স্টেবল ভিডিও প্রযুক্তি যা গিম্বল স্ট্যাবিলাইজেশনের ফলে দুর্দান্ত ছবি তোলা এবং ভিডিও অভিজ্ঞতা দেয়।

স্মার্টফোনটিতে আরও ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ১২০০ ভিভো চিপ। রয়েছে ৪৪৫০এমএএইচ ব্যাটারি, সঙ্গে ৪৪ ওয়াট ফ্ল্যাশচার্জ।

ভিভো এক্স৭০ প্রো ফাইভজি ফোনটির দাম ৭২ হাজার ৯৯০ টাকা।

আরও পড়ুন:
মাগুরায় শুরু বঙ্গবন্ধু দাবা
আনন্দ ও কার্লসেন সংকল্পের অনুপ্রেরণা
শেখ হাসিনা দাবায় চ্যাম্পিয়ন ভারতের সংকল্প গুপ্ত
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবার বর্ণাঢ্য সমাপনী

শেয়ার করুন