রাতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা

রাতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা

ফাইল ছবি

রোববার পরীক্ষার দলে সবারই করোনা নেগেটিভ এসেছে। বিমানে ওঠার আগে আরও একবার সবার আরটি-পিসিআর টেস্ট করানো হবে ক্রিকেটারদের। রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ওমানের ফ্লাইটে চাপছে মাহমুদুল্লাহর দল।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে রাতে ওমান যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বে ১৭ অক্টোবর বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের লড়াই শুরু করবে টাইগাররা।

শনিবার দলের সদস্যদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করানো হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইপিএল খেলছেন সাকিব আল হাসান এবং মুস্তাফিজুর রহমান। তাই নমুনা দেয়ার কোনো সুযোগ ছিল না তাদের।

যেহেতু তারা আইপিএলের বায়ো বাবলে আছেন, তাই সরাসরি মাসকাটে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন সাকিব-ফিজ। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বিশ্বকাপের ১৪ দিন আগে ওমান যাচ্ছে স্কোয়াড।

টাইগারদের করোনা পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘যেহেতু রোববার ওমানের জন্য দেশ ত্যাগ করবে দল, তাই শনিবার কোভিড পরীক্ষা করেছে তারা।’

রোববার পরীক্ষার দলে সবারই করোনা নেগেটিভ এসেছে। বিমানে ওঠার আগে আরও একবার আরটি-পিসিআর টেস্ট করানো হবে ক্রিকেটারদের। রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ওমানের ফ্লাইটে চাপছে মাহমুদুল্লাহর দল।

সোমবার ওমানে পৌঁছানোর পর এক দিন রুম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন সবাই। ৫ অক্টোবর থেকে অনুশীলন শুরু হবে।

এক টানা চার দিনের অনুশীলনের পর ৯ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে বাংলাদেশ দল। সেখানেও এক দিনের রুম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন তারা। ১১ অক্টোবর থেকে পুনরায় অনুশীলন শুরু করবেন মুশফিক-সাকিবরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১২ ও ১৪ অক্টোবর আইসিসি আয়োজিত দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

১৫ অক্টোবর ওমানে ফিরবে বাংলাদেশ। সেখান থেকে বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরু করবে তারা। সেখানে আর ক্রিকেটারদের কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন হবে না।

মূল পর্ব বা সুপার টুয়েলভে খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রথম রাউন্ড টপকাতে হবে বাংলাদেশকে।

বাছাইপর্বে বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ড, ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির। ১৭ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে মাহমুদুল্লাহর দল।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ ছয় আসরের মূল পর্বে মাত্র একটি ম্যাচে জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিল তারা।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন

মন্তব্য

২০১৬ ফাইনালের ‘রি-ম্যাচে’ নামছে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

২০১৬ ফাইনালের ‘রি-ম্যাচে’ নামছে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

২০১৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল জয়ের পর কার্লোস ব্র্যাথওয়েইটের উচ্ছ্বাস। ছবি: এএফপি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচবারই জিতেছে ক্যারিবিয়ানরা। রোববার রাত ৮টায় মুখোমুখি হচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ধরা হয় সেটিকে। ইডেন গার্ডেনসে প্রায় ৬০ হাজার দর্শকের সামনে চার বলে চার ছক্কার অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে ইংল্যান্ডের নাগালের মধ্যে থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি কেড়ে নেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট।

নিজেদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ড্যারেন স্যামির ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তারপরের পাঁচ বছরে পাল্টেছে অনেক কিছুই। ওয়ানডের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব ধরে রাখলেও কাণ্ডারি স্যামিকে হারিয়েছে উইন্ডিজ। হোল্ডার, ব্র্যাথওয়েইটের হাত ঘুরে অধিনায়কত্ব এখন অভিজ্ঞ কাইরন পোলার্ডের কাঁধে।

এবারের বিশ্বকাপের আগে দুই দলই আছে ছন্দে। দেশের মাটিতে খেলা চারটি সিরিজের দুটি জিতেছে উইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জেতার পাশাপাশি তারা হেরেছে সাউথ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের কাছে।

বিশ্বকাপ যাত্রা শুরুর আগে পোলার্ড জানালেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ম্যাচ সব সময়ই অনুপ্রাণিত করে তাদের।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ওই পরিস্থিতিটা আমাদের হার না মানা চরিত্রকে তুলে ধরেছে। ও ধরনের স্মৃতি সবার সঙ্গে মিশে থাকে। দল হিসেবে আবারও আমরা এই টুর্নামেন্টটা জিততে চাই।’

অন্যদিকে ইংল্যান্ড ভারতের কাছে হেরে বছর শুরু করলেও সিরিজ জিতেছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওয়ানডের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শর্টার ফরম্যাটেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেতে প্রস্তুত।

২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। ১১ বছর পর ওইন মরগানের নেতৃত্বে আবারও বিশ্বজয় করতে প্রস্তুত বাটলার, বেয়ারস্টো, রয় ও রাশিদদের সোনালি প্রজন্ম।

মরগান জানান ২০১৬-এর হার নয়, বরং ২০১৯-এর বিশ্বজয় থেকেই শিক্ষা নিয়েছে দল।

তিনি বলেন, ‘ওই হারের ক্ষত থাকলে আমার মনে হয় না আমরা গত চার-পাঁচ বছর যেমনটা উন্নতি করতে পেরেছি, তেমনটা পারতাম।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাঁচবার জিতেছে ক্যারিবিয়ানরা।

সম্ভাব্য একাদশ

উইন্ডিজ : এভন লুইস, লেন্ডল সিমন্স, ক্রিস গেইল, নিকোলাস পুরান, শিমরন হেটমায়ার, কাইরন পোলার্ড, আন্ড্রে রাসেল, ডোয়েইন ব্রাভো, আকিল হোসেন, ওবেদ ম্যাকয় ও ওশান টমাস।

ইংল্যান্ড : জেসন রয়, জস বাটলার, জনি বেয়ারস্টো, মইন আলি, লিয়াম লিভিংস্টোন, ওইন মরগান, ক্রিস ওকস, ডেভিড উইলি, আদিল রাশিদ, মার্ক উড ও ক্রিস জর্ডান।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ না জেতা দুই বড় দলের লড়াই

বিশ্বকাপ না জেতা দুই বড় দলের লড়াই

কুইন্টন ডি কককে আউট করার পর উচ্ছ্বসিত মিচেল স্টার্ক। ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ২১ বার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকা। অজিদের জয় ১৩টি ও প্রোটিয়াদের জয় ৮টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে একবারই মুখোমুখি হয় দুই দল। শ্রীলঙ্কায় ২০১২ সালের আসরের ওই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে হারায় সাউথ আফ্রিকাকে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ক্রিকেটেও বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিংয়ের অধীনে ক্রিকেটের দুই ফরম্যাটে প্রায় অপরাজেয় হয়ে উঠেছিল অজিরা।

যে ট্রফিটি তাদের এখনও নাগালের বাইরে সেটি হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ছয়টি আসরের কোনোটি জেতা তো দূরে থাক, ফাইনালেও উঠতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। সে হতাশা দূর করতে এবারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অ্যারন ফিঞ্চের দল।

দলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রয়েছে একগাদা ম্যাচ উইনার। অধিনায়ক ফিঞ্চ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিনসরা একাই ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিতে সক্ষম।

তারপরও ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে তাদের রেকর্ড সাধারণ মানের। বিশ্বকাপের আগে সেটিকে দেখাচ্ছে আরও ম্লান।

টানা পাঁচটি সিরিজ হেরে বিশ্বমঞ্চে নামছে ফিঞ্চের দল। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হার।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে অজিরা চিন্তিত অভিজ্ঞ ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে। এ বছর কোনো টি-টোয়েন্টি খেলেননি তিনি।

সবশেষ খেলা ২৩টি টি-টোয়েন্টিতে মাত্র তিনটি হাফ সেঞ্চুরি আছে ৩৫ বছর বয়সী এ ব্যাটসম্যানের। তারপরও দলের সমর্থন পাচ্ছেন ওয়ার্নার।

অধিনায়ক ফিঞ্চ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় সে। আমার সন্দেহ নেই সে প্রথম ম্যাচেই ভালো করবে ও সেটা বাকি টুর্নামেন্টে ধরে রাখবে।’

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ সাউথ আফ্রিকা আছে দারুণ ছন্দে। শেষ ১০ ম্যাচের ৯টিতে জিতেছে প্রোটিয়ারা।

২০২১ সালের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে তারা। টেম্বা বাভুমার দল মুখিয়ে আছে সাউথ আফ্রিকাকে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম কোনো আইসিসি ইভেন্টে সাফল্য এনে দিতে।

এবারের টুর্নামেন্টের আগে শিরোপার প্রত্যাশা অনেক জানালেন অধিনায়ক বাভুমা। দর্শক ও সংবাদমাধ্যমের প্রত্যাশাটাও মনে করিয়ে দিলেন সবাইকে।

প্রোটিয়া অধিনায়ক বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে মিডিয়ায় আমরা বেশ আক্রমণের শিকার হয়েছি। তবে সেসব ভুলে আমরা যেমনটা খেলছি, তেমনটা আমাদের খেলে যেতে হবে।’

টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ২১ বার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকা। অজিদের জয় ১৩টি ও প্রোটিয়াদের জয় ৮টি।

২০২০ সালে ফেব্রুয়ারিতে সাউথ আফ্রিকার মাটিতে সবশেষ তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতে অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মঞ্চে একবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। শ্রীলঙ্কায় ২০১২ সালের আসরের ওই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে হারায় সাউথ আফ্রিকাকে।

সম্ভাব্য একাদশ

অস্ট্রেলিয়া: অ্যারন ফিঞ্চ, ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, ম্যাথিউ ওয়েড, অ্যাস্টন এইগার, মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জ্যাম্পা ও প্যাট কামিনস।

সাউথ আফ্রিকা: কুইন্টিন ডি কক, টেম্বা বাভুমা, এইডেন মারক্রাম, রাসি ফন ডার ডুসেন, ডেভিড মিলার, হেনরিখ ক্লাসেন, উইয়ান মালডার, কাগিসো রাবাডা, কেশভ মহারাজ, আনরিখ নরটিয়া ও তাবরেইজ শামসি।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন

বাংলাদেশের বিপক্ষে নেই লঙ্কান ‘রহস্য স্পিনার’

বাংলাদেশের বিপক্ষে নেই লঙ্কান ‘রহস্য স্পিনার’

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে উইকেট উদযাপন করছেন মাহিশ থিকসানা। ছবি: এএফপি

শ্রীলঙ্কার ক্যাম্প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে সাইড স্ট্রেইনের কারণে এই স্পিনারকে নিয়ে তারা প্রথম ম্যাচে ঝুঁকি নিতে চায় না।

দুই মাস আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে নিজের বোলিং দিয়ে নজর কাড়তে সামর্থ্য হয়েছেন মাহিশ থিকসানা।

দুদিকে বল ঘোরানো ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিয়মিত উইকেট এনে দেয়ার কারণে জাতীয় দলে জায়গা মজবুত করে নেন এই ডানহাতি। অজন্থা মেন্ডিস, আকিলা দনঞ্জয়াদের পথ ধরে শ্রীলঙ্কা পেয়ে যায় আরেকজন ‘রহস্য স্পিনার’।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দারুণ ছন্দে ছিলেন থিকসানা। আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪৫ রানে আট উইকেট নেন তিনি। লঙ্কানদের সহজে মূলপর্বে কোয়ালিফাই করার অন্যতম নায়ক ছিলেন এ ২১ বছর বয়সী স্পিনার।

তবে বাংলাদেশের জন্য সুখবর। মূলপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে চোটের কারণে থাকছেন না থিকসানা।

শ্রীলঙ্কার ক্যাম্প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে সাইড স্ট্রেইনের কারণে এই স্পিনারকে নিয়ে প্রথম ম্যাচে ঝুঁকি নিতে চায় না তারা।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২০ রানে তিন উইকেট নেন থিকসানা। বোলিংয়ের সময় চোট পাওয়ায় তাকে ফিল্ডিং করতে দেখা যায়নি।

পরে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান ভানুকা রাজাপাকশা নিশ্চিত করেন থিকসানার চোটের বিষয়টি। প্রথম ম্যাচ না খেললেও মূলপর্বের বাকি ম্যাচ খেলবেন তিনি- এমনটা প্রত্যাশা করছে লঙ্কান ম্যানেজমেন্ট।

সংবাদমাধ্যমকে রাজাপাকশা বলেন, ‘তাকে প্রথম ম্যাচে খেলিয়ে বাকি ম্যাচে না পাওয়ার ঝুঁকি আমরা নিতে চাই না। আমি যতদূর জানি, সে প্রথম ম্যাচে খেলছে না। সুস্থ হয়ে বাকি ম্যাচগুলোতে খেলবে, তেমনটা আশা করছি।’

রোববার বিকেল ৪টায় আবুধাবিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মূল পর্বের লড়াই শুরু করবে শ্রীলঙ্কা।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন

‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’

‘ভুল ঠিক করে নেয়ার সময় বেশি নেই’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত

সুপার টুয়েলভে রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু করবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে টাইগারদের হাতে সময় আছে এক দিন। সময় স্বল্পতাই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার মূল চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেন অভিজ্ঞ ক্রিকেট কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম।

বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত দুটি সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ফলে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে বিশ্বকাপে খেলতে যায় টাইগাররা।

বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের আগে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচে শুধু ওমানের এ-দলের বিপক্ষে জয় পায় মাহমুদুল্লাহর বাহিনী। বাকি দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের কাছে হারতে হয়।

এ ধারা অব্যাহত থাকে বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ছয় রানে হারায় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাবার উপক্রম হয় টাইগারদের। তবে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয়ে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

দলীয় পারফরম্যান্সের অবনতি ছাপিয়ে লাইমলাইটে জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় দলের ব্যাটারদের পারফরম্যন্স। ঘরের মাঠে দুটো সিরিজে যেমন ধুঁকতে হয়েছে লিটন-সৌম্যদের, ঠিক একইভাবে তাদের ধুঁকতে হয়েছে প্রস্তুতি ও বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোতে।

ব্যাটারদের এই ধারাবাহিক ব্যর্থতা বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন ঘরোয়া ক্রিকেটের কিংবদন্তি কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম।

নিউজবাংলাকে সাকিব-মুশফিকদের গুরু ফাহিম বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল। ঘরের মাঠে আমাদের পারফরম্যান্স যে খুব একটা ভালো ছিল না সেটা আমরা এখন এসে বুঝতে পারছি। হোম সিরিজে ব্যাটিংয়ের প্রস্তুতি ভালো হয়নি সেটি এখানে টের পাওয়া যাচ্ছে। এখান থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে বের করাটা আসল চ্যালেঞ্জ হবে।’

সুপার টুয়েলভে রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু করবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে টাইগারদের হাতে সময় আছে এক দিন। সময় স্বল্পতাই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার মূল বাধা বলে মন্তব্য করেন অভিজ্ঞ এ ক্রিকেট কোচ।

তিনি বলেন, ‘বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচ আমরা হেরেছি। পরের ম্যাচগুলো আমাদের সামর্থ্য ও অভিজ্ঞতার কারণে টিকে গেছি। হোম সিরিজগুলোর যে নেতিবাচক প্রভাব ছিল তার কারণে কিন্তু এখানে এসে ম্যাচ হারলাম। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারলাম।’

তিনি যোগ করেন, ‘আমরা হারের মধ্য দিয়ে দলকে গোছাচ্ছিলাম। প্রক্রিয়াটা চলছে। কোয়ালিফাই করে একটা ধাপ এগিয়েছি।’

বাছাইপর্বের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ লঙ্কানদের বিপক্ষে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। মূল পর্বে এসে তাদের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করতে পারলে সেটি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে বলে জানান ফাহিম।

বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে আমরা কিন্তু সেই পর্যায়ের না। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যদি জিততে পারি তাহলে ধরে নিতে পারব একটা শক্তিশালী দল নিয়ে বিশ্বকাপে গিয়েছি। বিষয়টা এমন নয় যে আমরা বাকি ম্যাচগুলো জিতে যাব।

‘কিন্তু বাকি দলের সঙ্গে পার্থক্য কমাতে পারব। শ্রীলঙ্কা ছাড়া বাকি দলগুলো অনেক শক্তিশালী। তাদের সঙ্গে ব্যবধান কমাতে পারলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হবে এই বিশ্বকাপে।’

সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশকে লড়তে হবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই ছয় দলের ভেতর সেরা দুই দল খেলবে সেমি ফাইনালে।

সেমিফাইনালকে বাংলাদেশ তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করে দেশ ছেড়েছে।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন

ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা

ডাচদের ৪৪ রানে গুটিয়ে মূলপর্বে শ্রীলঙ্কা

ম্যাচ জয়ের পর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের উদযাপন। ছবি: আইসিসি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৪ রানে থেমে যায় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস। আর সহজ লক্ষ্যের ম্যাচ মাত্র ৭.১ ওভারে ৮ উইকেটে জিতে নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।

২০১৪ সালে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার মাঠে নামে নেদারল্যান্ডস।

সে ম্যাচে ডাচদের ৩৯ রানে অল আউট করে দিয়ে লজ্জার সাগরে ডুবিয়েছিল কুমার সাঙ্গাকারার দল। সেই ঘটনার ৭ বছর পর আবারও লজ্জায় পড়তে হল ডাচদের। প্রতিপক্ষ এবারও শ্রীলঙ্কা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৪ রানে থেমে যায় নেদারল্যান্ডসের ইনিংস। আর সহজ লক্ষ্যের ম্যাচ মাত্র ৭.১ ওভারে ৮ উইকেটে জিতে নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।

সাগরিকার সাত বছর আগের সে ম্যাচ আর বাছাইপর্বের শুক্রবারের ম্যাচের ভেতর রয়েছে বেশ কিছু মিল। দুই ম্যাচে টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কা। দুটি ম্যাচেই তিনটি করে উইকেট শিকার করেন একজন স্পিনার ও একজন পেইসার।

২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসের ৬ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন পেইসার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও স্পিনার অজন্থা মেন্ডিস। আর শুক্রবারের ম্যাচে একইভাবে ছয় উইকেটের তিনটি নিয়েছেন পেইসার লাহিরু কুমারা আর তিনটি নিয়েছেন স্পিনার হাসারাঙ্গা ডি সিলভা।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে লঙ্কান বোলিং তোপের সামনে শুরু থেকে অসহায় ছিলেন ডাচ ব্যাটাররা। কেবলমাত্র কলিন একারম্যানের ব্যাট থেকে আসে দুই অঙ্কের ইনিংস। বাকিদের ফিরতে হয় এক অঙ্কের রান করে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ও লাহিরু কুমারা। দুটি উইকেট ঝুলিতে পুরেন মাহেশ থিকসানা আর একটি উইকেট নেন দুশমন্থ চামিরা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুধুমাত্র পাথুম নিশাঙ্কা ও চারিথ আসালাঙ্কাকে হারিয়ে জয় পেয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

এ জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে এ-গ্রুপ নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। যার ফলে সুপার টুয়েলভে লঙ্কানরা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশকে।

২৪ তারিখ বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মূল পর্বের লড়াই শুরু করবে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪ টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন

শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

 শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়া বনাম সাউথ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ। যেখানে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে অংশ নেবে ১২ টি দল।

১৭ অক্টোবর ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের। শুক্রবার আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শেষ হয় বাছাইপর্বের খেলা।

শনিবার অস্ট্রেলিয়া বনাম সাউথ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের মূল যুদ্ধ। যেখানে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে অংশ নেবে ১২ টি দল।

টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা আট দল আগে নিশ্চিত করে সুপার টুয়েলভ। পরের আট দল থেকে বাছাইপর্বের মধ্য দিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে আরও চারটি দল।

বাছাইপর্বের দুই গ্রুপের সেরা দুই দল জায়গা করে নিয়েছে সুপার টুয়েলভের বাকি সদস্য হিসেবে। এ-গ্রুপ থেকে মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা ও নবাগত নামিবিয়া। আর বি-গ্রুপ থেকে মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে স্কটল্যান্ড ও বাংলাদেশ।

সুপার টুয়েলভের এ-গ্রুপে আগে থেকেই জায়গা করে নেয়া চার দল হল ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর বি-গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান।

বাছাইপর্বে এ-গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় সুপার টুয়েলভে শ্রীলঙ্কা খেলবে এ-গ্রুপে। অপরদিকে বি-গ্রুপ থেকে রানার্স আপ হওয়ায় বাংলাদেশও খেলবে একই গ্রুপে।

ফলে সুপার টুয়েলভে এ-গ্রুপে লড়বে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা।

অপরদিকে বি-গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মূল পর্বে বি-গ্রুপে খেলবে স্কটল্যান্ড। আর এ-গ্রুপ থেকে রানার্স আপ হওয়ায় নবাগত নামিবিয়া খেলবে একই গ্রুপে।

সেক্ষেত্রে বি-গ্রুপের খেলায় মুখোমুখি হবে ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়া।

২৩ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে সুপার টুয়েলভের খেলা চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

সুপার টুয়েলভের দুই গ্রুপ থেকে সেরা চার দল খেলার সুযোগ পাবে সেমি ফাইনালে। ১০ ও ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সেমি ফাইনালের ম্যাচ দুটি।

এরপর ১৪ নভেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের।

বাংলাদেশের সুপার টুয়েলভের সূচি:

২৪ অক্টোবর বিকেল ৪টা- বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা

২৭ অক্টোবর বিকেল ৪টা- বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড

২৯ অক্টোবর বিকেল ৪টা- বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ

২ নভেম্বর বিকেল ৪টা- বাংলাদেশ বনাম সাউথ আফ্রিকা

৪ নভেম্বর বিকেল ৪টা- বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন

ইতিহাস গড়ল নামিবিয়া

ইতিহাস গড়ল নামিবিয়া

ডেভিড ভিসের উইকেট উদযাপন। ছবি: টুইটার

আয়রল্যান্ডকে আট উইকেটে হারিয়েছে নামিবিয়া। আইরিশদের করা আট উইকেটে ১২৫ রানের স্কোরকে ৯ বল ও আট উইকেট অক্ষত রেখে ছাড়িয়ে যায় আফ্রিকার দেশটি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে ডেভিড ভিসের হাত ধরে ইতিহাস গড়ে নবাগত নামিবিয়া। নেদারল্যান্ডসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পায় নিজেদের প্রথম জয়।

সেই ভিসের হাত ধরে আবার ইতিহাস গড়ল আফ্রিকার দেশটি। আয়ারল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে জায়গা করে নিল বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে।

দুবাইয়ের শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে আয়ারল্যান্ড। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং ও কেভিন ও' ব্রায়ানের জুটিতে ভর করে শুরুতে ৬২ রানের পুঁজি পায় আয়ারল্যান্ড।

দলীয় ৬২ রানে পল স্টার্লিং সাজঘরে ফিরলে ধস নামে আইরিশ ব্যাটিং শিবিরে।

ডেভিড ভিশে, ইয়ান ফ্রাইলিংকের বোলিং তোপের সামনে স্টার্লিং, ও' ব্রায়ান আর অ্যান্ডি নলবার্নি ছাড়া অন্যরা দুই অঙ্কের রান ছোঁয়ার আগে আউট হন।

শেষ পর্যন্ত বাঁচা মরার ম্যাচে ৮ উইকেটের খরচায় ১২৫ রানের পুঁজি পায় আয়ারল্যান্ড।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৫ রানে কার্টিস ক্যামফারের শিকার বনে সাজঘরে ফেরেন নামিবিয়ার ওপেনার ক্রেইগ উইলিয়ামস। ৩২ বলে ২৪ করে ফেরেন আরেক ওপেনার জেইন গ্রিন।

এরপর বাকি কাজটা সারেন গেরহার্ড এরাসমুস ও ডেভিড ভিসে মিলে। দুই জনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৯ বল অক্ষত রেখে ৮ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নবাগত দলটি।

ব্যাট হাতে ১৪ বলে ২৮ রানের ইনিংস আর বল হাতে দুই উইকেট নেয়ায় ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান ডেভিড ভিসে।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব কমেনি দাবি রাজ্জাকের
মুমিনুলদের বিপক্ষে লড়াই করে হার আকবরদের
সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

শেয়ার করুন