সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

সাকিব-ফিজ থেকে উইকেটের ধারণা নেবেন নাসুম

অনুশীলনের ফাঁকে সাকিব-মুস্তাফিজ। ফাইল ছবি

লম্বা সময় ঘরের মাঠে স্লো উইকেটে খেলার পর আরব আমিরাতের বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে স্পোর্টিং উইকেটে খেলা লাগবে বাংলাদেশের। যার ফলে স্বভাবতই কিছুটা বিপাকে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। বিশেষ করে দলে নতুন করে ডাক পাওয়া ছয় জনের। তাদের মধ্যে অন্যতম স্পিনার নাসুম আহমেদ।

চলতি মাসের ২৩ তারিখ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের আগে এই আরব আমিরাতেই চলছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি বছরের আসর। যেখানে খেলছেন বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার।

আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলছেন টাইগার পেইসার মুস্তাফিজুর রহমান আর কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

লম্বা সময় ঘরের মাঠে স্লো উইকেটে খেলার পর আরব আমিরাতের বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে স্পোর্টিং উইকেটে খেলা লাগবে বাংলাদেশের। যার ফলে স্বভাবতই কিছুটা বিপাকে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের।

বিশেষ করে দলে নতুন করে ডাক পাওয়া ছয় জনের। তাদের মধ্যে অন্যতম স্পিনার নাসুম আহমেদ।

তবে সাকিব ও মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলাটাকে নিজের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন বাঁহাতি এই অফস্পিনার। সেই সঙ্গে সাকিব-মুস্তাফিজের কাছ থেকে আরব আমিরাতের উইকেট সম্পর্কে ধারণাও নেবেন বলে জানান তিনি।

নাসুম বলেন, ‘ওরা (সাকিব-মুস্তাফিজ) ওখানে অনেকদিন ধরেই আছে। সেখানকার উইকেট সম্পর্কে ওদের ভালো ধারণা থাকবে। অবশ্যই এটার জন্য কোনো একটা আইডিয়া পাব আমরা।’

স্লো উইকেটে লম্বা সময় ধরে খেলার পর হুট করেই ফাস্ট স্পোর্টিং উইকেটটা স্বাভাবিকভাবেই বেশ চ্যালেঞ্জিং হয় বোলারদের জন্য। বিশেষ করে স্পিনারদের জন্য। তবে সেটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানতে নারাজ জাতীয় দলের এই স্পিনার।

এ প্রসঙ্গে নাসুম বলেন, ‘আসলে এখানে চ্যালেঞ্জ বলতে কিছু নাই, ভালো করতে হবে যেকোনো উইকেটে। ভালো করার আশা বলতে... ভালো তো করতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের চেষ্টা থাকবে ভালো করার। আমরা ভালোই করবো ইনশাআল্লাহ।’

বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শনিবার করোনা পরীক্ষা করানো হবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। এরপর রোববার রাত পৌনে ১০টায় ওমানের উদ্দেশে রওনা করবে মাহমুদুল্লাহ-মুশফিকরা।

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

ফরম্যাট বদলেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের

বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্রাইভ খেলছেন আবিদ আলি। ছবি: এএফপি

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে আট উইকেটের বড় হার দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের যাত্রা শুরু করেছে স্বাগতিকরা। সেই সুবাদে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

শেরে বাংলা থেকে সাগরিকা। দূরত্বটা প্রায় আড়াই শ কিলোমিটারের। শেরে বাংলায় ব্যর্থতার পর প্রায় আড়াই শ কিলোমিটার দূরে এসে ফরম্যাট বদলে বাংলাদেশ চেয়েছিল হারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে জয়ের ধারায় ফিরতে।

কিন্তু ফরম্যাট ও ভেন্যু বদলালেও পরাজয় পিছু ছাড়ছে না বাংলাদেশের। বিশ্বকাপের দুপার টুয়েলভে পিছু নেয়া হার লেগে আছে টাইগারদের সঙ্গে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে আট উইকেটের বড় হার দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের যাত্রা শুরু করেছে স্বাগতিকরা। সেই সুবাদে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে লিটন-মুশফিকরা লক্ষ্য বেঁধে দেন ২০২ রানের। সেই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনে জয় বাগিয়ে নিয়েছে সফরকারী দল।

চট্টগ্রামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল স্বাগতিকরা। এরপর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ পায় ৩৩০ রানের পুঁজি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হলেও ইনিংসের শেষ দিকে নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় বাংলাদেশ। তাইজুলের অসাধারণ বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে অল আউট করে দিয়ে ৪৪ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা।

লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ফের বিপর্য়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে না পেরে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান তোলে লিটন-মুশফিকরা। পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনেই উদ্বোধনী জুটিতে ১০৯ রান তোলে পাকিস্তান। জয় থেকে ৯৩ রান দূরে থেকে পঞ্চম দিন শুরু করে বেশ ভালো খেলছিলেন দুই পাক ওপেনার।

একই সঙ্গে ১০ উইকেটে হারের সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশের সামনে। সে স্বপ্নে বাধ সাধেন মেহেদি মিরাজ। দিনের শুরুতে স্কোরবোর্ডে ৪২ রান যোগ করতে ফেরান আসাদুল্লাহ শফিককে।

ডানহাতি এই স্পিনারের স্পিন বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি খেলেন ৭৩ রানের এক ঝলমলে ইনিংস।

ছয় ওভার পর তাইজুলের এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে সেঞ্চুরি থেকে ৯ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন আবিদ আলি।

বাকি কাজটা সারতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি বাবর আজম ও আজহার আলিকে। বাবরের ১৩ ও আজহারের ২৪ রানে ভর করে আট উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি মাঠে গড়াবে ৪ ডিসেম্বর। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন

তাইজুল ফেরালেন আবিদকে

তাইজুল ফেরালেন আবিদকে

উইকেট উদযাপন করছেন তাইজুল। ছবি: এএফপি

এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ৯১ রানে আবিদকে মাঠছাড়া করেন তাইজুল। চলতি ম্যাচে এটি তার অষ্টম উইকেট।

প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে দ্বিতীয় ইনিংসেও একই পথে হাঁটছিলেন পাকিস্তানি ওপেনার আবিদ আলি। কিন্তু সেঞ্চুরি থেকে ৯ রান দূরে থাকতে তাকে থামিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম। এই ইনিংসে দ্বিতীয় উইকেটের দেখা পেল বাংলাদেশ।

এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ৯১ রানেই আবিদকে মাঠছাড়া করেন তাইজুল। চলতি ম্যাচে এটি তার অষ্টম উইকেট।

এর আগে জয় থেকে ৯৩ রান দূরে থেকে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে সফরকারীরা। আবিদ আলি ও আসাদুল্লাহ শফিকের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ দেখছিল ১০ উইকেটের পরাজয়।

দলীয় ১৫১ রানে আসাদুল্লাহ শফিককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মেহেদি মিরাজ। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান।

আর চতুর্থ দিন সকালে ৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাকি উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। লিড দাঁড় করায় ২০১ রানের।

সে মোতাবেক পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের।

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন

শফিককে ফিরিয়ে মেহেদির প্রথম আঘাত

শফিককে ফিরিয়ে মেহেদির প্রথম আঘাত

মিরাজের উইকেট উদযাপন। ছবি: এএফপি

দলীয় ১৫১ রানে আসাদুল্লাহ শফিককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙ্গেন মেহেদি মিরাজ। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান।

সাগরিকা টেস্টের চতুর্থ দিনে চালকের আসনে বসে গিয়েছিল পাকিস্তান। সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশকে ১০ উইকেটে পরাজিত করার।

কিন্ত শেষ দিনের শুরুতে সেই আশায় বাধ সাধলেন মেহেদি হাসান। জয়ের থেকে ৫১ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরান আসাদুল্লাহ শফিককে। আর এর মধ্য দিয়ে লজ্জা কিছুটা হলেও এড়ানো সম্ভব হল বাংলাদেশের।

জয়ের জন্য বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১০৯ রান তুলে চতুর্থ দিন শেষ করে পাকিস্তান।

জয় থেকে ৯৩ রান দূরে থেকে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে সফরকারীরা। আবিদ আলি ও আসাদুল্লাহ শফিকের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ দেখছিল ১০ উইকেটের পরাজয়।

দলীয় ১৫১ রানে আসাদুল্লাহ শফিককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙ্গেন মেহেদি মিরাজ। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান।

এর আগে চতুর্থ দিন সকালে ৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাকি উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। লিড দাঁড় করায় ২০১ রানের।

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন

ডমিঙ্গোর বিশ্বাস, ‘এখনও সম্ভব’

ডমিঙ্গোর বিশ্বাস, ‘এখনও সম্ভব’

মেহেদি মিরাজের সঙ্গে পরামর্শ করছেন রাসেল ডমিঙ্গো। ছবি: এএফপি

টাইগারদের হেড কোচ মনে করেন, এখনও ম্যাচে জয়ের সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের। তার মতে, সকালের সেশনে দ্রুত উইকেট তুলে নিতে পারলে বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরবে।

শেষ দিনে পাকিস্তানের ৯৩ রান দরকার চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে। তাদের ১০ উইকেটই অক্ষত। মাঠের লড়াইয়ে ও জয়ের সম্ভাবনায় বাংলাদেশ জয়ের থেকে যোজন দূরে থাকলেও টাইগারদের হেড কোচ মনে করেন, এখনও ম্যাচে জয়ের সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের।

চট্টগ্রামে চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো এমনটা বলেন। তার মতে, সকালের সেশনে দ্রুত উইকেট তুলে নিতে পারলে বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরবে।

তিনি বলেন, ‘জিততে হলে বিশেষ কিছু করতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে যেকোনো কিছু সম্ভব। আমাদের জয়ের সুযোগ আছে এটা বিশ্বাস করেই কাল মাঠে নামতে হবে। প্রথম আধঘণ্টায় এক-দুটি উইকেট তুলে নিতে পারলে, যেকোনো কিছু সম্ভব।’

টেস্টের দুই ইনিংসেই নতুন বল ও গতির কাছে ধসে গেছে স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইনআপ। ১৪০ কিমি গতির শর্ট বল খেলে অভ্যাস নেই টাইগারদের। যার ফল দেখা গেছে মাঠে। শাহিন আফ্রিদি ও হাসান আলিরা বাউন্স আউট করেছেন মুমিনুল-সাইফদের।

দলের এই খামতি এক বাক্যে মেনে নিয়ে কোচ বলেন, ‘নতুন বলে আমরা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারছি না। নতুন বলে ব্যাট করার সময় চাপে পড়ে যাচ্ছি। উইকেটে টপ অর্ডাররা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারছে না। সাইফ-সাদমানকে আরও অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে এমন ভালো বোলিং লাইনআপ সামাল দিতে।’

দলকে অবশ্য এখনও সমালোচনার মুখে ফেলতে চাচ্ছেন না এই সাউথ আফ্রিকান কোচ। তবে জানালেন ব্যাটিং নিয়ে আক্ষেপটা থেকেই যাচ্ছে।

ডমিঙ্গো বলেন, ‘মিডিয়ার সামনে ক্রিকেটারদের নিয়ে সমালোচনা করতে চাই না। তবে আমি মনে করি মোমেন্টাম নিয়ে আলোচনা করতে পারি। যখন চার উইকেট অক্ষত রেখে ১৯৬ রানের লিড নিয়েছিলাম, তখন আরও ৪০-৫০ রান যোগ হলে পাকিস্তানকে চাপে ফেলা যেত। আরও একটু বেশি ব্যাটিং করতে পারলে এগিয়ে থাকতে পারতাম।’

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন

সাকিবের জন্য অপেক্ষা ফুরাচ্ছে না বাংলাদেশের

সাকিবের জন্য অপেক্ষা ফুরাচ্ছে না বাংলাদেশের

অনুশীলনের ফাঁকে সাকিবের সঙ্গে আলোচনায় রাসেল ডমিঙ্গো। ছবি: এএফপি

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে টাইগারদের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানালেন সাকিব সেরে উঠছেন। তার সুস্থতার দিকে পুরো নজর আছে বিসিবির।

পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে অলৌকিক কিছু না হলে পরাজয় মেনে নিয়েই শেষ দিন মাঠ ছাড়তে হবে বাংলাদেশকে। আরও একটা টেস্টে ম্যাচে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং বিভাগ প্রয়োজনের সময় ও চাপে দলের হয়ে লড়াই করতে পারেনি।

এমন সময় বাংলাদেশ ক্যাম্পের মনে বারবার ঘুরেফিরে আসছে সাকিব আল হাসানের কথা। বিশ্বসেরা এই ক্রিকেটার থাকলে বাংলাদেশের মানসিকতায় যে আমূল পরিবর্তন আসে, তেমনটা আগে বহুবার দেখা গেছে।

বিপর্যয়ের সময়ে আবারও তাই স্মরণে আসছেন সাকিব। তবে হ্যামস্ট্রিং চোট পাওয়া বাংলাদেশের সেরা তারকাকে নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট।

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে টাইগারদের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানালেন সাকিব সেরে উঠছেন। তার সুস্থতার দিকে পুরো নজর আছে বিসিবির।

ডমিঙ্গো যোগ করেন, ‘সে (সাকিব) আজকে ফিটনেস পরীক্ষা দিয়েছে। আমরা ট্রেইনার ও ফিজিওর কাছ থেকে তার ফিটনেস পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় আছি।’

তবে বিসিবি সূত্রের মতে, ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা টেস্টে সাকিবের খেলার সম্ভাবনা কম। দলের ম্যানেজমেন্টও চাইছে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজে সাকিবকে পুরো সুস্থ অবস্থায় খেলাতে।

তেমনটা হলে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে লাল বলের খেলায় দেখার অপেক্ষাটা আরেকটু লম্বা হতে পারে ভক্তদের জন্য।

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন

টেইল এন্ডের দৃঢ়তায় টেস্ট ড্র করল নিউজিল্যান্ড

টেইল এন্ডের দৃঢ়তায় টেস্ট ড্র করল নিউজিল্যান্ড

জাডেজার করা দিনের শেষ ওভার মোকাবিলা করছেন নিউজিল্যান্ডের আজাজ প্যাটেল। ছবি: টুইটার

পুরো দিনে ৯৪ ওভার খেলা শেষে ম্যাচ ড্র করতে সমর্থ্য হয় নিউজিল্যান্ড। শেষ চার উইকেটে ৩০ ওভার টিকে থাকে সফরকারী দল। ৯ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে দিন শেষ করে নিউজিল্যান্ড।

শেষ দিনে নিউজিল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যটা ছিল পরিষ্কার। পুরো দিন টিকে থাকা। তাদের কাছে ছিল ৯ উইকেট আর সামনে ছিল পুরো তিন সেশন।

প্রতিপক্ষ ছিলেন ভারতের স্পিন ত্রয়ী আক্সার প্যাটেল, রভিন্দ্র জাডেজা ও রভিচন্দ্রন আশউইন। পুরো দিনে ৯৪ ওভার খেলা শেষে ম্যাচ ড্র করতে সমর্থ্য হয় নিউজিল্যান্ড।

দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে নেমে চতুর্থ দিন শেষে এক উইকেট হারিয়ে বোর্ডে চার রান যোগ করে সফরকারী দল।

শেষ দিনে ভারতের স্পিন ত্রয়ীর সামনে জয়টা অসম্ভই ছিল ব্ল্যাকক্যাপদের জন্য। তাই পুরো দিন টিকে থেকে ড্রয়ের লক্ষ্যে খেলতে থাকা তারা।

নাইটওয়াচম্যান উইলিয়াম সমারভিলের সঙ্গে নিয়ে দিন শুরু করে টম লেইথাম গড়েন ৭৬ রানের জুটি। সমারভিল ৩৬ রান করে আউট হন। তবে এ জুটি উইকেটে কাটায় প্রায় ৩০ ওভার।

অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনকে নিয়ে আরেকটি ধীরগতির জুটি গড়েন লেইথাম। হাফ সেঞ্চুরি করে ৫২ রানে আউট হয়ে যান তিনি।

এরপর রস টেইলর, হেনরি নিকোলস ও উইলিয়ামসন ছয় ওভারের মধ্যে ফিরে গেলে চালকের আসনে বসে ভারত।

শেষ চার উইকেটে ৩০ ওভার টিকে থাকে সফরকারী দল। যার মূল কৃতিত্ব টম ব্লান্ডল ও রাচিন রাভিন্দ্রার। ৩০ বলে ৫ রান করেন ব্লান্ডল।

আর রাভিন্দ্রা ৯১ বলে ১৮ করে অপরাজিত থাকেন। শেষ জুটিতে আজাজ প্যাটেলকে নিয়ে ৮ ওভার চার বল টিকে থাকেন তিনি।

প্যাটেল অপরাজিত থাকেন ২৩ বলে ২ রান করে। ৯ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে দিন শেষ করে নিউজিল্যান্ড।

ভারতের হয়ে আশউইন ৩টি ও জাডেজা ৪টি উইকেট নিলেও দলের জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট মুম্বাইয়ে। ৩ ডিসেম্বর শুরু হবে এ ম্যাচ।

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন

জয় থেকে ৯৩ রান দূরে পাকিস্তান

জয় থেকে ৯৩ রান দূরে পাকিস্তান

রানের জন্য ছুটছেন আবিদ ও শফিক। ছবি: এএফপি

বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। পঞ্চম দিন অবিশ্বাস্য কিছু করতে হলে স্বাগতিক দলের চাই ১০ উইকেট।

চট্টগ্রাম টেস্টে জয়ের সুবাস পাচ্ছে পাকিস্তান। শেষ দিন সফরকারী দলের আরও ৯৩ রান দরকার দুই ম্যাচে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে।

বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১০৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। পঞ্চম দিন অবিশ্বাস্য কিছু করতে হলে স্বাগতিক দলের চাই ১০ উইকেট।

নির্ধারিত সূচির ১৮ ওভার বাকি থাকতে আলোক স্বল্পতায় শেষ করা হয় দিনের খেলা। ৫৬ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন আবিদ আলি। তার সঙ্গী আবদুল্লাহ শফিক খেলছেন ৫৩ রানে।

সাগরিকায় তিন ইনিংসের ব্যাট বলের লড়াইয়ের পর সমীকরণ দাঁড়িয়েছে এমনটা।

চতুর্থ দিন সকালে ৪ উইকেটে ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বাকি উইকেটে ১১৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। লিড দাঁড় করায় ২০১ রানের।

সকালের সেশনের শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। প্রথম ওভারে ১৬ রান করা মুশফিকুর রহিম হাসান আলির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর ইয়াসির রাব্বিকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস।

প্রথম ইনিংসে অনবদ্য সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সাবলীল ছিলেন লিটন। তাকে ভালো সঙ্গ দেন অভিষেক হওয়া রাব্বি।

শাহিন আফ্রিদির বাউন্সারে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ৩৬ রান করা রাব্বি। আট নম্বরে নামা মিরাজও লিটনকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ১১ রান করে আউট হন সাজিদ খানের বলে।

সপ্তম উইকেটে রাব্বির কনকাশন সাব নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন।

৮৩ বলে লিটন তুলে নেন তার ফিফটি। ৬টি বাউন্ডারি ছিল তার ইনিংসে।

সোহান ১৫ রান করে সাজিদের বলে ফেরেন। ততক্ষণে বাংলাদেশের লিড ছাড়ায় ২০০।

এরপরই আউট হয়ে যান লিটন। ৫৯ রান করে আফ্রিদির বলে ফেরেন তিনি।

লিটন আউট হওয়ার পর স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৫৭ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিক দল।

শেষ চার উইকেট পাকিস্তান তুলে নেয় মাত্র চার রানে। ৬ উইকেটে ১৫৩ থেকে থেকে ১৫৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের লিড দাঁড়ায় ২০১ রানের।

শাহিন আফ্রিদি ৩২ রানে ৫টি আর সাজিদ খান ৩৩ রানে ৩টি উইকেট নেন।

আরও পড়ুন:
সব দলকে একই পাল্লায় মাপেন সৌম্য
‘বিশ্বকাপে ভালো করতে এটাই সেরা সময়’
মুমিনুলের শতকে এ-দলের আরেকটি জয়
মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরে আলোচিত নাসির
মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেয়ার করুন