আইপিএল ছাড়লেন গেইল

আইপিএল ছাড়লেন গেইল

ক্রিস গেইল। ফাইল ছবি

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের আসর থেকে টানা বায়ো বাবলের ভেতর রয়েছেন গেইল। আর সে কারণে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চের জন্য নিজেকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ‘ইউনিভার্স বস’ খ্যাত এই ব্যাটার।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের তিন ভেন্যুতে চলছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি বছরের আসরটি। এসব ভেন্যুতেই আইপিএল শেষ হওয়ার পরপর অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দুটো টুর্নামেন্টই হচ্ছে জৈব সুরক্ষিত পরিবেশ বা বায়ো বাবলের ভেতর থেকে।

পরপর দুটি টুর্নামেন্ট হওয়ায় লম্বা সময় ক্রিকেটারদের থাকতে হবে বায়ো বাবলে। আর যার কারণে মানসিকভাবে অবসাদে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে ক্রিকেটারদের।

আর সেই অবসাদ কাটাতে বিশ্বকাপের কারণে আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন পাঞ্জাব কিংসের ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের আসর থেকে টানা বায়ো বাবলের ভেতর রয়েছেন গেইল। আর সে কারণে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চের জন্য নিজেকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ‘ইউনিভার্স বস’ খ্যাত গেইল।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে পাঞ্জাব কিংসকে বিষয়টি জানিয়েছেন গেইল।

বিবৃতিতে গেইল জানিয়েছেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দল, সিপিএল ও আইপিএলে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে আছি। এখন নিজেকে মানসিকভাবে আমি সতেজ রাখতে চাই।’

তিনি আরএ বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাহায্য করার জন্য নতুন করে মনোযোগ দিতে চাই এবং দুবাইয়ে একটু বিশ্রাম নিতে চাই।’

২৩ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের মিশন শুরু করেত যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ক্যাচ মিস ও খরুচে বোলিংয়ে হার বাংলাদেশের

ক্যাচ মিস ও খরুচে বোলিংয়ে হার বাংলাদেশের

অপরাজিত ৮০ রানের ইনিংসের পথে শট খেলছেন চারিথ আসালাঙ্কা। ছবি: টুইটার

সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটের হার দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে মাহমুদুল্লাহর দল। বাংলাদেশের দেয়া ১৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাত বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লঙ্কানরা।

শারজার মাঠে ১৭১ রানের সংগ্রহটা জয়ের জন্য বড় পুঁজি ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু বোলিংয়ের সময় বোলারদের খরুচে বোলিং, ফিল্ডিং ও ক্যাচ মিসের মাশুল বেশ খারাপভাবে দিতে হলো বাংলাদেশকে।

সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটের হার দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে মাহমুদুল্লাহর দল। বাংলাদেশের দেয়া ১৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সাত বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লঙ্কানরা।

বাংলাদেশের দেয়া ১৭১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে দলীয় দুই রানে নাসুমের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন কুশাল পেরেরা।

দ্রুত উইকেট হারানোর পর পরিস্থিতি সামাল দেন পাথুম নিশাঙ্কা ও চারিথ আসালাঙ্কা। বাংলাদেশি বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালিয়ে চ্যালেঞ্জের জবাব দেয়া শুরু করেন দুই ব্যাটসম্যান।

তাদের ৬৯ রানের জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান। নবম ওভারের প্রথম বলে পাথুম নিশাঙ্কাকাকে ফিরিয়ে সাকিব বনে যান শর্টার ফরম্যাটের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। তিন বল পর বোল্ড করেন আভিস্কা ফার্নান্ডোকে।

ধুঁকতে থাকা শ্রীলঙ্কান শিবিরে পরের ওভারে আঘাত হানেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। টাইমিং মিস করায় পাঁচ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ফিরতে মোহাম্মদ নাঈমের ক্যাচ হয়ে।

আর এতে ৭১ রানে দুই উইকেট হারানো লঙ্কানরা ৭৯ রানে হারিয়ে বসে চার উইকেট।

ক্যাচ মিস ও খরুচে বোলিংয়ে হার বাংলাদেশের
সতীর্থদের সঙ্গে উইকেট উদযাপন করছেন সাকিব। ছবি: টুইটার

ইনিংসের ১২.৩ ওভারের সময় ফিরে যাওয়ার উপক্রম হয় ভানুকা রাজপাকসের। আফিফ হোসেনের বল উড়িয়ে মারতে স্কয়্যার লেগে ক্যাচ দেন বিপজ্জনক এই ব্যাটসম্যান।

কিন্তু সহজ ক্যাচ ফেলে দেন লিটন। রাজাপাকসে একবার জীবন পেয়ে ফিফটি তুলে নেন। সেটিই একমাত্র মিস ছিল না।

১৪.৩ ওভারে আবারও আফিফকে মারতে গিয়ে কভারে লিটনের হাতে প্রাণ পান আসালাঙ্কা।

জীবন পেয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন আসালাঙ্কা ও রাজাপাকসে। ৩১ বলে ৫৩ করা রাজাপাকসে ফিরলেও উইকেটে অবিচল থাকেন আসালাঙ্কা।

৪৯ বলে অপরাজিত ৮০ রান করে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এই লঙ্কান তরুণ। ম্যাচসেরাও হন তিনি।

মাহমুদুল্লাহর বোলিং আক্রমণ বেশ খরুচে ছিল ম্যাচে। অধিনায়ক ও আফিফ মিলে তিন ওভারে দেন ৩৬ রান। সাইফউদ্দিন তিন ওভারে দেন ৩৮ আর নাসুম দুই উইকেট পেলেও ২.৫ ওভারে রান দিয়েছেন ২৯।

ব্যতিক্রম ছিলেন সাকিব। ৩ ওভারে ১৭ রানে দুই উইকেট নিয়ে বরাবরের মতো দুর্দান্ত থাকলেও, দলকে জয় এনে দিতে পারেননি।

এর আগে শারজা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও লিটন দাস কাজে লাগান প্রথম ছয় ওভার। পাওয়ার প্লেতে এই দুই ব্যাটারের কল্যাণে স্কোর বোর্ডে এক উইকেটে যুক্ত হয় ৪১ রান।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরু থেকে দেখেশুনে খেলেন দুই ওপেনার নাঈম ও লিটন দাস। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে ডাউন দ্য উইকেটে খেলে লাহুরু কুমারার তালুবন্দি হয়ে ফেরেন লিটন। তার আগে করেন ১৬ বলে ১৬।

এরপর সাকিব আল হাসানকে নিয়ে দলের গতি বাড়িয়ে দেন নাঈম। সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে বাংলাদেশ পূর্ণ করে অর্ধশতক। লঙ্কান শিবিরে তখন চলছিল ফিল্ডিং মিসের মহড়া।

অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে চামিকা কারুনারাত্নের বলে লেগ স্টাম্প হারিয়ে ১০ রান করে মাঠ ছাড়েন সাকিব।

ইনিংসের ১৪তম ওভারে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝির শিকার হয়ে নিজের উইকেট হারাতে বসেছিলেন নাঈম। তবে লঙ্কান ফিল্ডারদের কল্যাণে সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

সে ওভারের চতুর্থ বলে চার হাঁকিয়ে ব্যক্তিগত অর্ধশতকের পাশাপাশি দলীয় স্কোর ১০০ পার করান নাঈম। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় ফিফটি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে চতুর্থ।

দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করে মারকুটে ব্যাটিং শুরু করেন মুশফিক-নাঈম। বিনুরা ফার্নান্দোর স্লোয়ারে পরাস্ত হয়ে তার হাতে ক্যাচ তুলে ৫২ বলে ৬২ রান করে ফেরেন নাঈম।

অন্য প্রান্তে অবিচল থাকেন মুশফিক। ৩২ বল খেলে চারটি চার ও দুটি ছয়ের মাধ্যমে তুলে নেন চলতি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম অর্ধশতক।

ক্যাচ মিস ও খরুচে বোলিংয়ে হার বাংলাদেশের
ফিফটির পথে ড্রাইভ খেলছেন মুশফিকুর রহিম। ছবি: টুইটার

সাত রান করে আউট হন আফিফ। বাকি কাজটা সারেন মুশফিক আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। শ্রীলঙ্কার সামনে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে মাঠ ছাড়েন এই দুজন।

৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক। রিয়াদের ব্যাট থেকে আসে ১০*।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট এখন সাকিবের

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট এখন সাকিবের

সতীর্থদের সঙ্গে উইকেট উদযাপন করছেন সাকিব আল হাসান। ছবি: আইসিসি

রোববার বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। আর এই ম্যাচে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে পাথুম নিশাঙ্কাকাকে ফিরিয়ে সাকিব বনে যান শর্টার ফরম্যাটের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। তিন বল পর বোল্ড করেন আভিস্কা ফার্নান্ডোকে। 

আইসিসির ইভেন্টকে রেকর্ড গড়ার মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছেন সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দুই উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড নিজের করে নেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার।

বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে আরও একটি রেকর্ডের অংশ হন সাকিব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে সাকিব নাম লেখান সাবেক পাকিস্তানি স্পিনার শাহিদ আফ্রিদির নামের পাশে।

সেই ম্যাচে আর একটি ওভার পেলে হয়তো সাকিব টপকে যেতেন আফ্রিদিকে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের এই পোস্টার বয়কে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ডের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি খুব বেশি সময়।

রোববার বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে পাথুম নিশাঙ্কাকাকে ফিরিয়ে সাকিব বনে যান শর্টার ফরম্যাটের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক। তিন বল পর বোল্ড করেন আভিস্কা ফার্নান্ডোকে।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে আফ্রিদির রেকর্ড ভাঙতে সাকিবের দরকার ছিল ১০টি উইকেট। বাছাইপর্বের তৃতীয় ম্যাচে পিএনজির বিপক্ষে ৪ উইকেট নিয়ে সাকিব স্পর্শ করেন শাহিদ আফ্রিদির করা ৩৯ উইকেটের রেকর্ড।

বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সাকিব টপকে যান লাসিথ মালিঙ্গার নেয়া ১০৭ উইকেটের রেকর্ডকে। বর্তমানে ১১৫ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে রয়েছেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক হাজার রান ও ১০০ উইকেটের মালিক সাকিব।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

লঙ্কানদের জন্য বাংলাদেশের ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জ

লঙ্কানদের জন্য বাংলাদেশের ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জ

ফিফটির পথে মুশফিকের শট। ছবি: টুইটার

শ্রীলঙ্কাকে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের খরচায় ১৭১ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের খরচায় ১৭১ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।

আগের ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে ধুঁকলেও, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও লিটন দাস কাজে লাগান প্রথম ছয় ওভার। পাওয়ার প্লেতে এই দুই ব্যাটারের কল্যাণে স্কোর বোর্ডে এক উইকেটে যুক্ত হয় ৪১ রান।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরু থেকে দেখেশুনে খেলেন দুই ওপেনার নাঈম ও লিটন দাস। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে ডাউন দ্য উইকেটে খেলে লাহুরু কুমারার তালুবন্দি হয়ে ফেরেন লিটন। তার আগে করেন ১৬ বলে ১৬।

এরপর সাকিব আল হাসানকে নিয়ে দলের গতি বাড়িয়ে দেন নাঈম। সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে বাংলাদেশ পূর্ণ করে অর্ধশতক। লঙ্কান শিবিরে তখন চলছিল ফিল্ডিং মিসের মহড়া।

অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে চামিকা কারুনারাত্নের বলে লেগ স্টাম্প হারিয়ে ১০ রান করে মাঠ ছাড়েন সাকিব।

ইনিংসের ১৪তম ওভারে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝির শিকার হয়ে নিজের উইকেট হারাতে বসেছিলেন নাঈম। তবে লঙ্কান ফিল্ডারদের কল্যাণে সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

সে ওভারের চতুর্থ বলে চার হাঁকিয়ে ব্যক্তিগত অর্ধশতকের পাশাপাশি দলীয় স্কোর ১০০ পার করান নাঈম। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় ফিফটি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে চতুর্থ।

দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করে মারকুটে ব্যাটিং শুরু করেন মুশফিক-নাঈম। বিনুরা ফার্নান্দোর স্লোয়ারে পরাস্ত হয়ে তার হাতে ক্যাচ তুলে ৫২ বলে ৬২ রান করে ফেরেন নাঈম।

অন্য প্রান্তে অবিচল থাকেন মুশফিক। ৩২ বল খেলে চারটি চার ও দুটি ছয়ের মাধ্যমে তুলে নেন চলতি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম অর্ধশতক।

সাত রান করে আউট হন আফিফ। বাকি কাজটা সারেন মুশফিক আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। শ্রীলঙ্কার সামনে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে মাঠ ছাড়েন এই দুজন।

৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক। রিয়াদের ব্যাট থেকে আসে ১০*।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

১১ ইনিংস পর মুশফিকের ফিফটি

১১ ইনিংস পর মুশফিকের ফিফটি

ফিফটির পর মুশফিককে অভিনন্দন জানাচ্ছেন নাঈম শেখ। ছবি: টুইটার

সবশেষ মুশফিক হাফ সেঞ্চুরি করেন ২০১৯ সালে ভারতের বিপক্ষে। ১১ ইনিংস পর ফিফটির দেখা পেলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত এই ব্যাটার।

লম্বা সময় ধরে হাসছিল না মুশফিকুর রহিমের ব্যাট। শেষ ১০ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৮ রানের ইনিংস। মাত্র দুটি ম্যাচে দুই অঙ্কের রান ছুঁতে পারেন ডানহাতি এই ব্যাটার।

যার ফলে সমালোচনার মুখে পড়েন মুশফিক। অবশেষে সব সমালোচনার জবাব দিলেন ব্যাট হাতে। সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত অর্ধশতক হাঁকিয়ে দলকে নিয়ে গেলেন বড় সংগ্রহে।

সবশেষ মুশফিক হাফ সেঞ্চুরি করেন ২০১৯ সালে ভারতের বিপক্ষে। ১১ ইনিংস পর ফিফটির দেখা পেলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত এই ব্যাটার।

ইনিংসের নবম ওভার থেকে নাঈম শেখের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে বড় স্কোরের পথে নিয়ে যেতে থাকেন মুশফিক। নাঈম ৬২ রান করে বিদায় নিলে উইকেটে টিকে থেকে রান করতে থাকেন তিনি।

লাহিরু কুমারার করা ১৯তম ওভারের প্রথম ডেলিভারি মিড অফে ঠেলে এক রান নিয়ে ৩২ বলে মুশফিক পূর্ণ করেন দুর্দান্ত এক অর্ধশতক। অপরাজিত থাকেন ৫৭ রানে।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ফিফটি নাঈমের

বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ফিফটি নাঈমের

হাফ সেঞ্চুরির পথে শট খেলছেন নাঈম। ছবি: টুইটার

বিশ্বকাপের মূল পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৪ বলে দুর্দান্ত এক অর্ধশতক হাঁকালেন নাঈম শেখ। ৫২ বলে ৬২ রান করে বিদায় নেন তিনি।

ওমানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ অভিষেক হয় ওপেনার নাঈম শেখের। সেই ম্যাচে দলের বিপর্যয়ে হাল ধরে দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে তাক লাগিয়ে দেন তিনি।

পরের ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে রানের খাতা খোলার আগে বিদায় নেন এ বাঁহাতি।

এক ম্যাচ পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৪ বলে দুর্দান্ত এক অর্ধশতক হাঁকালেন নাঈম শেখ।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরু থেকে দেখেশুনে খেলেন দুই ওপেনার নাঈম ও লিটন দাস। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে ডাউন দ্য উইকেটে খেলে লাহুরু কুমারার তালুবন্দি হয়ে ফেরেন লিটন। তার আগে করেন ১৬ বলে ১৬।

এরপর সাকিব আল হাসানকে নিয়ে দলের গতি বাড়িয়ে দেন নাঈম। সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে বাংলাদেশ পূর্ণ করে অর্ধশতক। লঙ্কান শিবিরে তখন চলছিল ফিল্ডিং মিসের মহড়া।

অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে চামিকা কারুনারাত্নের বলে লেগ স্টাম্প হারিয়ে ১০ রান করে মাঠ ছাড়েন সাকিব।

ইনিংসের ১৪তম ওভারে মুশফিকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে নিজের উইকেট হারাতে বসেছিলেন নাঈম। তবে লঙ্কান ফিল্ডারদের কল্যাণে সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

সে ওভারের চতুর্থ বলে চার হাঁকিয়ে ব্যক্তিগত অর্ধশতকের পাশাপাশি দলীয় স্কোর ১০০ পার করান নাঈম। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় ফিফটি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে চতুর্থ। ৫২ বলে ৬২ রান করে বিদায় নেন নাঈম।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

পাঁচ উইকেটের হারে মূল পর্ব শুরু বাংলাদেশের

পাঁচ উইকেটের হারে মূল পর্ব শুরু বাংলাদেশের

ছবি: আইসিসি

বাংলাদেশের করা চার উইকেটে ১৭১ রানের সংগ্রহকে সাত বল ও পাঁচ উইকেট অক্ষত রেখে টপকে যায় লঙ্কা। শ্রীলঙ্কার হয়ে চারিথ আসালাঙ্কা ৪৯ বলে ৮০* রান করে দলকে জয় পাইয়ে দেন। 

বিশ্বকাপ সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের করা চার উইকেটে ১৭১ রানের সংগ্রহকে সাত বল ও পাঁচ উইকেট অক্ষত রেখে টপকে যায় লঙ্কা। শ্রীলঙ্কার হয়ে চারিথ আসালাঙ্কা ৪৯ বলে ৮০* রান করে দলকে জয় পাইয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

শারজা জুজু কাটাতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

শারজা জুজু কাটাতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টস করছেন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক। ছবি: টিভি থেকে নেয়া

বাংলাদেশ দলে আছে একটি পরিবর্তন। পেইসার তাসকিন আহমেদের জায়গায় দলে আছেন স্পিনার নাসুম আহমেদ।

সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

২৬ বছর পর শারজায় খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। এই ভেন্যুতে বাংলাদেশ পাঁচ ম্যাচ খেলে একটিতেও জয়ের দেখা পায়নি।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১১ বারের দেখায় ৭ বার হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। চারবার জিতেছে টাইগাররা।

বাছাইপর্বে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে খেলা সবশেষ দুই ম্যাচ জিতেছে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দল। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার মিশনে মাঠে নামছে তারা।

ম্যাচকে সামনে রেখে অনন্য এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে সাকিব আল হাসান। এক উইকেট পেলে সাকিব বনে যাবেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। টপকে যাবেন সাবেক পাকিস্তানি স্পিন অলরাউন্ডার শাহিদ আফ্রিদিকে।

বাংলাদেশ দলে আছে একটি পরিবর্তন। তাসকিন আহমেদের জায়গায় দলে আছেন স্পিনার নাসুম আহমেদ।

বাংলাদেশ একাদশ: নাঈম শেখ, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মাহাদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসুম আহমেদ।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: কুশাল পেরেরা, পাথুম নিশাঙ্কা, চারিথা আসালাঙ্কা, আভিস্কা ফার্নেন্দো, ভানুকা রাজাপাকসা, দাসুন শানাকা, চামিকা করুনারত্নে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুশমন্থ চামিরা, বিনুরা ফার্নান্দো ও লাহিরু কুমারা।

আরও পড়ুন:
উজ্জ্বল মুস্তাফিজেও বিবর্ণ রাজস্থান
আইপিএলে ফিজের দলের হার
আইপিএলে চলছে ফিজ ম্যাজিক
আইপিএলে আবারও করোনার আঘাত
জয়ের পর শাস্তি পেলেন মুস্তাফিজদের অধিনায়ক

শেয়ার করুন