মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

মাশরাফির কাছে গ্রিপ শিখলেন তাসকিন

শেরে বাংলায় তাসকিনকে সৌম্যকে বোলিংয়ের টিপস দিচ্ছেন মাশরাফি। ছবি: নিউজবাংলা

লম্বা সময় ধরে মাশরাফির সান্নিধ্য পাচ্ছিলেন না জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সময়ের হিসাবে সেটি প্রায় এক বছর। দীর্ঘদিন পর মাশরাফিকে মাঠে পেয়ে তার থেকে বোলিংয়ের টোটকা নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেননি তাসকিন আহমেদ।

জাতীয় দলের পেইসারদের কাছে মাশরাফি মোর্ত্তজা আদর্শের অন্য নাম। আর তাসকিন আহমেদের কাছে বাংলাদেশের সাবেক এ অধিনায়ক একেবারে গুরু।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই মাশরাফির কাছ থেকে বোলিংয়ের খুঁটিনাটি শিখেছেন তাসকিন। তার কাছে বাবা-মার পর যদি কারও অবস্থান থাকে তাহলে সেই জায়গাটি তিনি দিয়েছেন মাশরাফিকে।

দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। যার জন্য ৩ অক্টোবর দেশ ছাড়ছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। আর বিশ্বকাপের প্রাক্কালে হুট করে বৃহস্পতিবার মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেটে হাজির মাশরাফি।

লম্বা সময় ধরে মাশরাফির সান্নিধ্য পাচ্ছিলেন না জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সময়ের হিসাবে সেটি প্রায় এক বছর। দীর্ঘদিন পর মাশরাফিকে মাঠে পেয়ে তার থেকে বোলিংয়ের টোটকা নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেননি তাসকিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার মাশরাফিকে মাঠে পেয়ে তার থেকে বোলিংয়ের কিছু গ্রিপ শিখে নিয়েছেন তাসকিন। স্লোয়ারের দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে থাকা তাসকিনকে সময় নিয়ে গ্রিপ দেখিয়ে দিয়েছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ এই পেইসার।

তাসকিন বলেন, ‘আমার আসলে পেস, সুয়িং এগুলো উন্নতি হচ্ছে কিন্তু স্লোয়ারের দিক থেকে আমি একটু পেছানো। স্লোয়ার বলে উন্নতি করতে চাই। ভাইয়াকে (মাশরাফি) বলতাম। উনি এসে কিছু গ্রিপ দেখালেন। কিছু কাটারের গ্রিপ দেখিয়েছেন। আশা করি এইগুলা প্রয়োগ করলে ফল পাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘মূলত দুই তিনটা গ্রিপ দেখিয়েছেন। আর বলেছেন একসঙ্গে এত কিছু নিয়ে কাজ করা যাবে না। আপাতত কাটার ট্রাই করতে বলেছেন। বললেন যদি ভাল লাগে এটা কন্টিনিউ করতে পারি। এটা আয়ত্তে আসলে আরেকটা।’

নিজের ব্যস্ত সূচি থেকে সময় বের করে সতীর্থের ডাকে সাড়া দিয়ে তাকে বোলিংয়ের টিপস দেয়াতে বেশ উচ্ছ্বসিত এই পেইসার।

তাসকিন বলেন, ‘ব্যস্ততার মাঝে মাশরাফি ভাই আমাকে সময় দিয়েছেন এটা অনেক। আমার স্লোয়ার অন্যদের থেকে একটু উইক। কাজেই যে গ্রিপ দেখিয়েছেন এগুলো আগের থেকে আলাদা।

‘আমার শক্তি যেটা পেস বাউন্স এটার সঙ্গে স্লোয়ার যোগ হলে আরেকটা বিকল্প হতে পারে। হয়ত একটু সময় লাগবে। যদি শিখতে পারি আমার মনে হয় ভাল হবে।'

বিশ্বকাপের আগে অক্টোবরের দুই তারিখ করোনা পরীক্ষা করানো হবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। করোনা পরীক্ষা করানোর পর জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। এরপর ৩ তারিখ রাত পৌনে ১১টায় ওমানের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে টাইগাররা।

৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় বেলা একটায় ওমানের মাসকটে পৌঁছানোর কথা ডমিঙ্গো শিষ্যদের। এয়ারপোর্ট থেকে তারা সরাসরি চলে যাবেন কোয়ারেন্টিনে।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেজাজ হারিয়ে শাস্তি গুনলেন লিটন-কুমারা

মেজাজ হারিয়ে শাস্তি গুনলেন লিটন-কুমারা

বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পরার সময় লিটন ও কুমারা। ছবি: আইসিসি

আইসিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লিটনকে জরিমানা করা হয়েছে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ এবং কুমারাকে করা হয়েছে ২৫ শতাংশ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ায় জরিমানা গুনেছেন বাংলাদেশের ব্যাটার লিটন কুমার দাস ও শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলার লাহিরু কুমারা।

বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি সোমবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লিটনকে জরিমানা করা হয়েছে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ এবং কুমারাকে করা হয়েছে ২৫ শতাংশ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ম্যাচে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন লিটন ও কুমারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুমারা আইসিসির কোড অব কনডাক্টের আর্টিকেল ২.৫ বিধি লঙ্গন করেন। আর লিটন ভঙ্গ করেন আর্টিকেল ২.২০। ব্যাটারের উপর আক্রমণাত্মক আচরণ করায় কুমারাকে ২৫ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা করা হয়েছে। আর খেলার স্পিরিট বহির্ভূত আচরণ করায় লঘু জরিমানা হিসেবে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে লিটনকে।

ঘটনাটি ঘটেছে ম্যাচের পঞ্চম ওভারে। লিটনকে আউট করার পর তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান কুমারা। দুইজনের শব্দের যুদ্ধ থামান দুই দলের খেলোয়াড়রা।

দুজনকে একটি করে ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়। একই সঙ্গে দুই প্লেয়ার নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন ও শাস্তি মেনে নেন।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন

অ্যাশেজে ডাক পেলেন স্টোকস

অ্যাশেজে ডাক পেলেন স্টোকস

ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার বেন স্টকস। ফাইল ছবি

আঙুলে সার্জারির পর স্টোকসকে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) চিকিৎসক দল ও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছাড়পত্র দেয়ায় তার মাঠে নামতে আর কোনো বাধা নেই।

অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের জন্য ডেকেছে ইংল্যান্ড। আঙুলে সার্জারির পর ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) চিকিৎসক দল ও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছাড়পত্র দেয়ায় ৩০ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের মাঠে নামতে আর কোনো বাধা নেই।

গত জুলাইয়ের শেষ দিকে মানসিক অবসাদের কারণে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ক্রিকেট থেকে বিশ্রামে যান স্টোকস। যে কারণে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা হয়নি তার।

১০ অক্টোবর ইসিবির ঘোষণা করা অ্যাশেজের প্রাথমিক দলেও ছিল না তার নাম। তবে স্টোকস খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করায় ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র পাওয়ায় তাকে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানায় ইসিবি।

স্টোকস বলেন, ‘মানসিকভাবে সুস্থ হতে ও আমার আঙুল ঠিক হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় নিতে আমি বিশ্রাম নিয়েছিলাম। এখন আমি আমার বন্ধুদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় মাঠে নামতে মুখিয়ে আছি।’

এপ্রিলে আইপিএল খেলার সময় আঙুলে চোট পান স্টোকস। এরপর দুইবার সার্জারি করা হয় তার।

চার অক্টোবর তার দ্বিতীয় সার্জারি শেষ হয়। স্টোকস দলের সঙ্গে যোগ দিতে চার নভেম্বর অস্ট্রেলিয়া যাবেন। ইংল্যান্ডের অধিকাংশ সদস্য নভেম্বরে যাবেন অস্ট্রেলিয়ার কুইনসল্যান্ডে।

সেখানে একটি রিসোর্টে কোয়ারেন্টিন করবেন তারা। কোয়ারেন্টিন শেষে তারা অনুশীলন শুরু করবেন।

পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের অংশ হিসেবে থাকা বাটলার, জনি বেয়ারস্টো, ডাউয়িড মালান ও মার্ক উড।

৮ ডিসেম্বর থেকে ব্রুসবেনে শুরু হচ্ছে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন

বড় হারে লজ্জিত নন কোহলি

বড় হারে লজ্জিত নন কোহলি

পাকিস্তানের কাছে হারের পর বিমর্ষ ভারতের অধিনায়ক ভিরাট কোহলি। ছবি: এএফপি

ভারতের অধিনায়ক ভিরাট কোহলির কাছে বড় হার অবাক করার মতো ছিল না। পাকিস্তানকে পুরো কৃতিত্ব দিচ্ছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে কোহলি বলেন, পাকিস্তান কোনো সুযোগই দেয়নি তার দলকে।

ভারতকে আইসিসি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে পাকিস্তান। শুধু প্রথমবার জয়ই নয়, কাগজে-কলমে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে ১০ উইকেটে বাজিমাত করায় অবাক অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ।

তবে ভারতের অধিনায়কের কাছে সেটা অবাক করার মতো ছিল না। পাকিস্তানকে পুরো কৃতিত্ব দিচ্ছেন ভিরাট কোহলি। সংবাদমাধ্যমকে কোহলি বলেন, পাকিস্তান কোনো সুযোগই দেয়নি তার দলকে।

তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের কোনো সুযোগ দেয়নি। যখন কেউ ১০ উইকেটের জয় পায়, এর মানে প্রতিপক্ষকে তারা কোনো রকম সুযোগই দেয়নি। তারা খুবই পেশাদার ছিল।

‘আমরা তাদের চাপে রাখার সব চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাদের কাছে সেসবের জবাব ছিল। নিজেদের থেকে ভালো দলের কাছে হারে লজ্জার কিছু নেই।’

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারতের প্রথম ১০ উইকেটের পরাজয় ছিল রোববার। দুবাইয়ের উইকেটে টস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল মনে করেন কোহলি। কৃত্রিম আলোয় তিনি বল করতে চাননি।

ম্যাচ শেষে অবশ্য এসব অজুহাতের ধার ধারেননি কোহলি। টুর্নামেন্ট কেবল শুরু এমনটা অভিমত তার।

তিনি যোগ করেন, ‘পাকিস্তানের ইনিংসের দ্বিতীয় দিকে যখন শিশির পড়া শুরু হয় তখন তারা বেশ নিরাপদে স্ট্রাইক রোটেট করা শুরু করে। আমরা ডট বল করতে পারছিলাম না, কারণ পিচে ব্যাটসম্যানদের শট খেলার জন্য ভালো পেইস ছিল। স্কোয়ার বলগুলো কাজে আসেনি।’

পাকিস্তানের কাছে বড় হারের পর নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পাচ্ছে কোহলির দল। ছয় দিন পর ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে ভারত।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন

‘টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত রান করা সহজ নয়’

‘টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত রান করা সহজ নয়’

নিজের ফিফটির পথে ড্রাইভ খেলছেন মুশফিকুর রহিম। ছবি: আইসিসি

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৭ বলে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন মুশফিক। দীর্ঘদিন পর রান পাওয়ায় সন্তুষ্ট মুশফিক। তবে জানালেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সব সময় রান করা সহজ বিষয় নয়।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ হারলেও টাইগারদের জন্য কয়েকটি ইতিবাচক দিকের একটি ছিল মুশফিকুর রহিমের রানে ফেরা। বিশ্বকাপের মূল পর্বের প্রথম ম্যাচেই ৩৭ বলে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন মুশফিক।

এটি ছিল শর্টার ফরম্যাটে মুশফিকের ১১ ইনিংসের পর ফিফটি। তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটির সাহায্যে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছাড়ায় ১৭০। দীর্ঘদিন পর রান পাওয়ায় সন্তুষ্ট মুশফিক। তবে জানালেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সব সময় রান করা সহজ বিষয় নয়।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘দেখেন টি-টোয়েন্টিতে তো টানা রান করা সহজ না। টি-টোয়েন্টির বিশ্বে দেখবেন নিয়মিত রান কেউই করতে পারে না। আমরা যারা ৪, ৫, ৬ নম্বরে খেলি এখানে একজন ক্রিকেটার পাবেন না যে নিয়মিত রান করে। এটা হবেই।

‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, একজন ব্যাটসম্যান যেন বড় ইনিংস খেলেন। সব সময় একজনের ওপর ভরসা করা যাবে না। আমরা চেষ্টা করছি একেক দিন যেন একেক জন দাঁড়িয়ে যায়।’

মুশফিকের রানে ফেরার দিন দুর্ভাগ্যজনকভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে ক্যাচ মিসের সঙ্গে অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বোলিং পরিকল্পনাও ছিল তোপের মুখে। মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসানের ওভার পুরো না করিয়ে অধিনায়ক নিজে বল করেন ও আফিফ হোসেনকে দিয়ে বল করান।

তাদের তিন ওভারে আসে ৩৬ রান। আর সাকিব নিজের তিন ওভারে দেন ১৭ রান, নেন দুই উইকেট। মুশফিক অবশ্য সমর্থন দিচ্ছেন অধিনায়ককে। বাংলাদেশের পরিকল্পনায় ছিল সাকিবকে একেবারে শেষ ওভার দেয়ার, জানালেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।

তিনি বলেন, ‘উইকেট খুব ভালো ছিল। লেফটিরা সেট ছিল। ইনিংসের শেষটা তো গুরুত্বপূর্ণ। তখন আমরা চেয়েছিলাম সাকিবকে আনব। কারণ শেষদিকে কঠিন সময়টা আসে। আর সাকিব চ্যাম্পিয়ন বোলার। সে এসব মুহূর্তের চাপ সইতে পারবে। তবে হারের জন্য সাকিবকে বোলিংয়ে না আনাটা কারণ না।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর দুই দিন সময় পাচ্ছেন সাকিব-মুশফিকরা। এরপর তাদের মাঠে নামতে হবে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

ওয়ানডে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে বুধবার বিকেল ৪টায় আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে নামছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন

১০ উইকেটের জয়ে ১৪ বছরের অপেক্ষা ঘুচলো পাকিস্তানের

১০ উইকেটের জয়ে ১৪ বছরের অপেক্ষা ঘুচলো পাকিস্তানের

বাবর ও রিজয়ান ম্যাচজয়ী জুটি গড়েন ভারতের বিপক্ষে। ছবি: টুইটার

প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর স্বাদ পেল পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটের বড় জয়ে ইতিহাস গড়ে মাঠ ছেড়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। ভারতের করা সাত উইকেটে ১৫১ রানের লক্ষ্যকে কোন উইকেট না হারিয়ে ১৩ বল বাকি থাকতে টপকে যায় পাকিস্তান।

২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের কাছে শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ হয় পাকিস্তানের। এরপর গত ১৪ বছরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয় পায়নি পাকিস্তান।

অবশেষে ১৪ বছর পর ফুরাল অপেক্ষা। প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর স্বাদ পেল পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটের বড় জয়ের পাশাপাশি ইতিহাস গড়ে মাঠ ছেড়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম।

ভিরাট কোহলিদের দেয়া ১৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১৩ বল অক্ষত রেখে জয় পায় পাকিস্তান। এ সময় দুই ওপেনারের মধ্যে বাবর আজম ৫২ বলে ৬৮ ও মোহম্মদ রিজওয়ান ৫৫ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

শুরু থেকে ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে অনায়াসে খেলতে থাকেন দুই জন। বুমরাহ, জাডেজা, শামি কেউই কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি।

দুবায়ের ব্যাটিং উইকেটে নির্বিঘ্নেই লক্ষ্যে পৌঁছান আজম ও রিজওয়ান। শেষ হয় পাকিস্তানের সাত ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অপেক্ষা।

এই প্রথম কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ১০ উইকেটে হেরেছে ভারত ও ১০ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান।

শুধু টি-টোয়েন্টিই নয় এর আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে একবারও জেতেনি পাকিস্তান। ১৯৯২ বিশ্বকাপ থেকে থেকে হারের ধারাবাহিকতা শুরু।

দুই দল বিশ্ব আসরে প্রথম একে অপরের মোকাবিলা করে ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপে। এরপর ১৯৯৬, ৯৯, ২০০৩, ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০০৭, ২০১২, ২০১৪, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা ভারতের কাছে হারে পাকিস্তান। অবশেষে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাল্টালো পাশার দান।

যার কৃতিত্ব মূলত পাকিস্তানি বোলারদের। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান দলপতি বাবর আজম।

ম্যাচের চতুর্থ বলে শাহিন শাহ আফ্রিদির ইয়র্কার লেন্থের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে রানের খাতা খোলার আগে ফেরেন রোহিত শর্মা। এক ওভার পর লোকেশ রাহুলের অফ স্টাম্প উড়িয়ে দেন এই পেইসার।

আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সুরিয়াকুমার ইয়াদভও ব্যর্থ হন। হাসান আলির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে আউটসাইড এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ধরা দিয়ে আউট হন ১১ রানে।

দলের এমন বিপর্যয়ে এগিয়ে আসেন ভিরাট কোহলি। রিশাভ পান্টকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন। গড়েন ৫৩ রানের জুটি। শাদাব খানের কল্যাণে পান্টের বিদায়ে ভাঙ্গে তাদের জুটি। বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন রভিন্দ্র জাডেজা ও হার্দিক পান্ডিয়াও।

এক প্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান কোহলি। তাকে থামতে হয় ৫৭ রানে। পাক বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষতক সাত উইকেটে ১৫১ রানে থামে ভারতের ইনিংস।

পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি নেন তিনটি উইকেট। দুই উইকেট নেন হাসান আলি। আর একটি করে উইকেট যায় শাদাব খান ও হারিস রউফের ঝুলিতে।

চার ওভার বল করে ৩১ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন শাহিন আফ্রিদি।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন

আমরা ভালো ফিল্ডিং ও বোলিং করিনি: মুশফিক

আমরা ভালো ফিল্ডিং ও বোলিং করিনি: মুশফিক

ক্যাচ মিসের পর মুস্তাফিজের হতাশা। ছবি: আইসিসি

শুধু ক্যাচ ফেলাকে হারের জন্য দায়ী করছেন না অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তার মতে ফিল্ডিং দূর্বলতার সঙ্গে বাজে বোলিংয়ের কারণে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জ দেয় বাংলাদেশ। সেই চ্যালেঞ্জের জবাবে টাইগার বোলারদের খরুচে বোলিং ও মিস ফিল্ডিংয়ের সহায়তায় ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলঙ্কা।

আপাতদৃষ্টিতে লিটন দাসের হাতে ভানুকা রাজাপাকসে ও চারিথ আসালাঙ্কা জীবন পাওয়ায় ঘুরে গেছে ম্যাচের মোড়ে। তবে শুধু ক্যাচড্রপকে হারের জন্য দায়ী করছেন না অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

তার মতে ফিল্ডিং দূর্বলতার সঙ্গে বাজে বোলিংয়ের কারণে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ম্যাচ শেষে সংবাদসম্মেলনে এমনটাই বলেন মুশফিক।

মুশফিক বলেন, ‘আমরা ১৭০ রান করে জেতার অবস্থায় ছিলাম। পরে আমরা সুযোগ নিতে পারিনি। ভাল বোলিং বা ফিল্ডিং করিনি। এটা সত্যি খারাপ লাগে যে, ভাল খেলে হারলে সে ভাল খেলার কোন মানে নেই। তবে আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে, এই ফরম্যাটে বড় দল বা ছোট দল বলে কিছু নেই। সামনে একই ভাবে আমরা এগোতে চাই।

দল হারলে শুরু হয় ক্রিকেটারদের কড়া সমালোচনা। সেগুলোকে পাত্তা না দিয়ে মুশফিক বলেন, ‘মাঠের বাইরে তো নানা রকম কথা হবেই। ক্রিকেটার হিসেবে ভাল করলে সবাই তালি দিবে আর খারাপ করলে গালি দিবে এটাই নিয়ম। এটা আমার প্রথম বছর না। গত ১৬ বছর ধরে এসব দেখে আসছি।

‘যারা এসব বলে তাদের উচিত নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখা। কারণ তারা তো বাংলাদেশের হয়ে খেলে না। আমরা খেলছি। সবাই ভাল করার চেষ্টা করি। কোনদিন হয় কোনদিন হয় না।’

সুপার টুয়েলভে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৭ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন

ভারতকে ১৫১ রানে আটকে দিল পাকিস্তান

ভারতকে ১৫১ রানে আটকে দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান দলের উদযাপন। ছবি: টুইটার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহারণে ভারতকে ১৫১ রানে আটকে দিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের খরচায় ১৫১ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে কোহলিরা।

ক্রিকেটবিশ্বে ভারত পাকিস্তান ম্যাচ মানে মহারণ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহারণে ভারতকে ১৫১ রানে বেধে দিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের খরচায় ১৫১ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে কোহলিরা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান দলপতি বাবর আজম।

ম্যাচের চতুর্থ বলে শাহিন শাহ আফ্রিদির ইয়র্কার লেন্থের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে রানের খাতা খোলার আগে ফেরেন রোহিত শর্মা। এক ওভার পর লোকেশ রাহুলের অফ স্টাম্প উড়িয়ে মাঠ ছাড়া করেন এই পেইসার।

আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সুরিয়াকুমার ইয়াদভও ব্যর্থ হন। হাসান আলির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে আউটসাইড এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ধরা দিয়ে আউট হন ১১ রানে।

দলের এমন বিপর্যয়ে এগিয়ে আসেন ভিরাট কোহলি। রিশাভ পান্টকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন। গড়েন ৫৩ রানের জুটি। শাদাব খানের কল্যাণে পান্টের বিদায়ে ভাঙ্গে তাদের জুটি। বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন রভিন্দ্র জাডেজা ও হার্দিক পান্ডিয়াও।

এক প্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান কোহলি। তাকে থামতে হয় ৫৭ রানে। পাক বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষতক ১৫১ রানে থামে ভারতের ইনিংস।

পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি নেন তিনটি উইকেট। দুই উইকেট নেন হাসান আলি। আর একটি করে উইকেট যায় শাদাব খান ও হারিস রউফের ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেন মাশরাফি
পাওয়ার হিটিংয়ের অনুশীলন সোহান-আফিফদের
ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা আনতে চান মাসুদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কেক কাটলেন রিয়াদ-পাপন
মুশফিকের ব্যাটে এ-দলের সহজ জয়

শেয়ার করুন