পাকিস্তান সফর বাতিলে ইসিবির ওপর চটেছেন জনসন

পাকিস্তান সফর বাতিলে ইসিবির ওপর চটেছেন জনসন

ইসিবির সমালোচনা করে বরিস জনসনের মুখপাত্র বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত জানতে চায়নি। আমরা এর সঙ্গে জড়িতও না। এই সিরিজটি বাতিলে পাকিস্তানের সঙ্গে ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক সুসম্পর্ক ব্যাহত হবে।’

নিরাপত্তা ইস্যুতে সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের দেখাদেখি পাকিস্তান সিরিজ বাতিল করেছে ইংল্যান্ডও। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) এ সিদ্ধান্তে চটেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

১৬ বছর পর পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা ছিল ইংল্যান্ডের। ইসিবি থেকে সিরিজ বাতিলের কারণ হিসেবে নিরাপত্তা ইস্যু না দেখালেও বলা হয়েছিল খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বাতিল করছে তাদের সিরিজটি।

বিষয়টি নিয়ে জনসন অবগত ছিলেন না বলে তার একজন মুখপাত্র স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো ক্রিকেটারের কাছে এমনকি ইসিবির কাছেও কখনই জানতে চাইনি তারা সিরিজটি খেলবে কি না বা সিরিজটির জন্য প্রস্তুত আছে কি না। বিকেলে আমরা জানতে পেরেছিলাম যে সফরটি বাতিল করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র আরও বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত জানতে চায়নি। আমরা এর সঙ্গে জড়িতও না। এই সিরিজটি বাতিলে পাকিস্তানের সঙ্গে ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক সুসম্পর্ক ব্যাহত হবে।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলার কথা ছিল ইংল্যান্ডের। পুরুষ দলের পাশাপাশি বাতিল হয়েছে ইংল্যান্ডের নারী দলের পাকিস্তান সফরটিও।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য

আইসিসির আচমকা সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য

উইকেট শিকারের পর বাংলাদেশের উদযাপন। ছবি: এএফপি

নিয়ম বদলানোয় বদলাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্যও। এখন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে বাংলাদেশ খেলবে ভারত-পাকিস্তানের ‘বি’ গ্রুপে। আর রানার্স আপ হলে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার ‘এ’ গ্রুপে।

বাছাইপর্বের খেলা যখন চলমান তখন চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নিয়মে হঠাৎ পরিবর্তন আনল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এতে মূলপর্বে খেলার রীতি বদলে যাচ্ছে; বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্যও।

আইসিসি আগে জানিয়েছিল, বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘বি’ থেকে চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ যেকোনো একটি হলে বাংলাদেশ খেলবে ভারত-পাকিস্তান গ্রুপে। আচমকা এই নিয়মে পরিবর্তন এনেছে আইসিসি।

পরিবর্তিত নিয়মে, গ্রুপের রানার্স আপ ও চ্যাম্পিয়ন দল আলাদা আলাদা গ্রুপে খেলবে।

বুধবার এক বিবৃতির মাধ্যমে আইসিসি জানায়, বাছাইপর্বের ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে মূলপর্বের ‘বি’ গ্রুপে। যেখানে ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান খেলছে। আর রানার্স আপ খেলবে মূলপর্বের ’এ’ গ্রুপে। যেখানে আছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা ও ‍ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

নিয়ম বদলানোয় বদলাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্যও। এখন চ্যাম্পিয়ন হলে বাংলাদেশ খেলবে ভারত-পাকিস্তানের ‘বি’ গ্রুপে। আর রানার্স আপ হলে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার ‘এ’ গ্রুপে।

ওমানকে হারিয়ে মূলপর্বের আশা জিইয়ে রেখেছে বাংলাদেশ। সুপার টুয়েলভে যেতে পিএনজিকেও হারাতে হবে বাংলাদেশকে। শুধু হারালে চলবে চেয়ে থাকতে হবে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ওমান-স্কটল্যান্ডের ম্যাচের দিকেও।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন

নগদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন তামিম

নগদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন তামিম

নগদের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তামিম ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি নগদের প্রধান কার্যালয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চুক্তি হয়। সে চুক্তি অনুযায়ী, তামিম প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রচারে অংশ নেবেন।

ডাক বিভাগের আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

নগদের এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি নগদের প্রধান কার্যালয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চুক্তি হয়। সে চুক্তি অনুযায়ী, তামিম প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রচারে অংশ নেবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাহেল আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট ও নির্বাহী পরিচালক মারুফুল ইসলাম ঝলক উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর তামিম বলেন, ‘দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। অনেক দিন ধরেই আমি নগদ ওয়ালেট ব্যবহার করছি। নগদে রেজিস্ট্রেশন খুব সহজ ও ঝামেলাহীন। সেবাও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও আমরা ডিজিটালি অ্যাডভান্স ছিলাম না। সবকিছু তখন এত সহজও ছিল না। কিন্তু নগদ এখন এক ক্লিকেই সবকিছুর সমাধান দিচ্ছে। কোথাও গিয়ে ওয়ালেট হারিয়ে গেলে এখন আর চিন্তা করতে হয় না। কারণ আমার ফোনেই আছে নগদ ওয়ালেট।

‘আমি যেকোনো সময় প্রয়োজনে মোবাইল রিচার্জ, হোটেল বুকিং, এয়ার টিকেটিংসহ নানান কাজ নগদের মাধ্যমে করে থাকি। এককথায় নগদ ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে একটা রেভ্যুলুশন নিয়ে এসেছে।’

এখনকার সময়ে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কে পাশে পাওয়ার ঘোষণার দিনেই টি-২০ বিশ্বকাপ উপলক্ষে ‘নগদ’ তার গ্রাহকদের জন্য ঘোষণা করেছে আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন।

গ্রাহকরা এখন থেকে ক্যাশ ইন বা অ্যাড মানি, মোবাইল রিচার্জ ও টি-২০ কুইজ খেলে প্রতিদিন জিতে নিতে পারবেন একটি করে মোটরবাইক। পাশাপাশি প্রতি মিনিটে প্রথম পাঁচজন গ্রাহক পাবেন ১০০ টাকা পর্যন্ত বোনাস।

তামিমকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পেয়ে নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবার মাধ্যমে মানুষের দিনবদলের অগ্রযাত্রায় বিশ্বসেরা একজন ক্রিকেটার নগদের সঙ্গে থাকবেন। এটি অত্যন্ত আনন্দের একটি ব্যাপার। আমরা তাকে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত।’

টি-২০ কুইজে অংশ নিয়ে জিতুন মোটরবাইক

চলমান টি-২০ বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রতিদিন মোটরবাইক জেতা ও বোনাস পাওয়ার ক্যাম্পেইন চালু করেছে নগদ। এ জন্য গ্রাহকদের ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকে সকাল ১০টা থেকে রাত ০৯টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে ন্যূনতম ১ হাজার টাকা ক্যাশ-ইন অথবা যেকোনো ব্যাংকের ভিসা বা মাস্টার কার্ড থেকে ন্যূনতম ১ হাজার টাকা অ্যাড মানি করতে হবে।

ক্যাম্পেইনটির আওতায় প্রতি মিনিটে প্রথম পাঁচজন জিতে নিতে পারবেন ১০০ টাকা বোনাস। ক্যাম্পেইনটি চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

ক্যাম্পেইনটির আওতায় মোটরবাইক জিততে চাইলে গ্রাহককে ১ হাজার টাকা বা তার বেশি ক্যাশ ইন বা অ্যাড মানি করতে হবে। পাশাপাশি যেকোনো পরিমাণ মোবাইল রিচার্জ ও নগদ অ্যাপের মাধ্যমে টি-২০ কুইজ খেলতে হবে।

তিনটি কাজ করতে হবে একসঙ্গে। টি-২০ কুইজে করা সর্বোচ্চ স্কোরের ভিত্তিতে প্রতিদিন একজন গ্রাহক মোটরবাইক জয়ী হতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন

জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব

জয়ের কৃতিত্ব মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিলেন সাকিব

উইকেট নেয়ার পর বাংলাদেশ দলের উদ্‌যাপন। ছবি: সংগৃহীত

ওমানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ২৯ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস আর বল হাতে তিন উইকেট সাকিবকে ম্যাচসেরা বানিয়েছে। তার মতে, টানটান উত্তেজনার ম্যাচে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে মাহেদী ও সাইফউদ্দিনের বোলিং।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাঁচা-মরার ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব দুই বোলার হাসান মাহেদী ও সাইফউদ্দিনকে দিয়েছেন ব্যাটিং ও বোলিংয়ে উজ্জ্বল সাকিব আল হাসান।

ওমানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ২৯ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস আর বল হাতে তিন উইকেট সাকিবকে ম্যাচসেরা বানিয়েছে, তবে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে মাহেদী ও সাইফউদ্দিনের বোলিং টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করছেন সাকিব।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সাইফউদ্দিন ও মাহেদী খুবই ভালো বল করেছে। বলতে পারেন ওরাই আমাদের আজকের জয়ের টার্নিং পয়েন্ট।’

৪৭ রানে দুই উইকেট যাওয়ার পর লম্বা সময় কোনো উইকেট না হারিয়ে খেলে যাচ্ছিল ওমান। ব্রেকথ্রু এনে দেন মাহেদী। জিশান মাকসুদকে প্যাভিলিয়নের পথ ধরানোর পাশাপাশি ম্যাচে কম রান দিয়েছেন এই স্পিনার। তিনি ১৪ রান দেন চার ওভারে।

একইভাবে সাইফউদ্দিন দিয়েছেন ১৬ রান। দুজনের বোলিংয়ে ওমানকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ সুবিধা নিতে পেরেছে বলে দাবি সাকিবের।

তিনি বলেন, ‘ওদের ৮ ওভারে হয়তো ৩০ রানও হয়নি। এটা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়েছে। তাদের কৃতিত্ব দিতেই হয়।’

এ জয়ে স্বস্তি ফিরেছে টাইগার শিবিরে। স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে ওমান ম্যাচ গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছিল।

সাকিব বলেন, ‘অবশ্যই একটু স্বস্তির জয়। এই জয়ের কারণে ড্রেসিংরুমের আবহটা আরও ভালো হবে বলে আমি মনে করি। স্কটল্যান্ডের সাথে আমাদের হারটা দুঃখজনক ছিল। স্কটল্যান্ড যেভাবে খেলেছে, তাদের কৃতিত্ব দিতে হবে।

‘ওমানও খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছে। আমাদের অনেক হার্ডওয়ার্ক করতে হয়েছে ম্যাচে কামব্যাক করার জন্য। আমার মনে হয় এই জয় আমাদের একটু হলেও স্বস্তি দেবে।’

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন

আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব

আগের ম্যাচের কষ্ট ভুলে ম্যাচ সেরা সাকিব

ম্যাচ সেরার ট্রফি হাতে সাকিব আল হাসান। ছবি: আইসিসি

সাকিব বলেন, ‘স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারে সবাই কষ্ট পেয়েছে। আজকের ওমানের বিপক্ষে আমরা স্নায়ুচাপ ধরে রেখেছি। তারা ১৫ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল। অনেক সাহসের সংগে খেলেছে। আমাদের আরেকটা ম্যাচ আছে সেটা জিততে হবে ও দেখতে হবে ওমান স্কটল্যান্ড ম্যাচে কী হয়।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে দলের হয়ে সাকিব আল হাসানের ব্যাট থেকে আসে ২০ রান। বল হাতে বেশ গোছান হলেও ১৭ রানের খরচায় নিয়েছিলেন দুই উইকেট।

দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে এসে ব্যাট হাতে সাকিব ছিলেন দুর্দান্ত। দলের বিপর্যয় দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ৪২ রান করার পাশাপাশি দলকে নিয়ে গেছেন সুবিধাজনক অবস্থানে।

বল হাতে শুরুতে খানিকটা এলোমেলো ছিলেন সাকিব। প্রথম দুই ওভার সাকিব একেবারেই ধরে রাখতে পারেননি লাইন লেংথ। কিন্তু তৃতীয় ওভারেই এসে নিজেকে যেন ফিরে পেলেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জতিন্দর সিংকে ৪০ রানে লিটন দাসের তালুবন্দি করে সাজঘরে ফেরান এই বাঁহাতি স্পিনার। এখান থেকেই শুরু।

এরপর ব্যক্তিগত শেষ ওভারের তৃতীয় এবং চতুর্থ বলে সাকিবের শিকার বনে মাঠ ছাড়েন আয়ান খান ও নাসিম খুশি। দুই জনই মাঠ ছাড়েন মাহমুদুল্লাহর তালুবন্দি হয়ে। আর তখন স্কোরবোর্ডে ওমানের স্কোর সাত উইকেটের খরচায় ১০৫ রান।

দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করায় ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও নিজের করে নেন এই বাঁহাতি।

ম্যাচ শেষে সাকিব বলেন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারে শোকাহত হয়েছে পুরো দল।

এই চ্যাম্পিয়ন অলরাউন্ডার বলেন, ‘স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারে সবাই কষ্ট পেয়েছে। সেটা কাটিয়ে আজকের ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে আমরা স্নায়ুচাপ ধরে রেখেছি। তারা ১৫ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল। অনেক সাহস নিয়ে খেলেছে। আমাদের আরেকটা ম্যাচ আছে সেটা জিততে হবে ও দেখতে হবে ওমান-স্কটল্যান্ড ম্যাচে কী হয়।’

ব্যাট হাতে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলা সাকিবের মতে বাংলাদেশ ১৫ থেকে ২০ রান কম করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ১৭০-১৮০ করে ফেলতে পারতাম যদি সবার ব্যাটিং ক্লিক করত। সে কারণে অনেকের ব্যাটিং অর্ডার ওঠানামা করেছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন হয়েই থাকে। যখন একটা দল ১০-১২ ওভার ব্যাট করে এক বা দুই উইকেট থাকে তখন স্বাভাবিকভাবে ৬-৭ নম্বর ব্যাটসম্যানরা উপরের দিকে চলে আসে।’

দলের পক্ষে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে অধিনায়ককে সব সময় সমর্থন করেন সাকিব, এমনটা উল্লেখ করে বলেন, ‘দল যখন সফল হয় তখন অধিনায়কের সিদ্ধান্তের কৃতিত্ব দেয়। আর ব্যর্থ হলে সবাই দোষ দেয়। যেহেতু ক্রিকেট খেলি, মনে করি এরকম দলের প্রয়োজনে কোচ, অধিনায়ককে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সতীর্থ হিসেবে আমরা দলের বাকিরা সেটাকে সমর্থন দেই। সব সময় চিন্তা করি কীভাবে দলে অবদান রেখে জেতানো সম্ভব।’

আইসিসির ইভেন্টে বাংলাদেশের শেষ পাঁচ জয়ের ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কার গেছে সাকিবের ঝুলিতে।

শুরুটা সাকিবের ২০১৭ সালের চ্যম্পিয়ন্স লিগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ১১৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। যদিও ৫২ রানের খরচায় সেই ম্যাচে কোনো উইকেট ঝুলিতে পুরতে পারেননি সাকিব।

এরপর ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বিশ্বকাপের সেই আসরে জয়ের দেখা পেয়েছিল সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সাকিব ম্যাচসেরার পুরস্কার বাগিয়ে নিয়েছিলেন ব্যাট হাতে ৭৫ রান এবং বল হাতে ৫০ রানের বিনিময়ে এক উইকেট নেয়ার মধ্য দিয়ে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত বিশ্বকাপে সাকিব ছিলেন দুর্দান্ত। ১২৪ রানে অপরাজিত থাকার পাশাপাশি ৫৪ রানের খরচায় ঝুলিতে পুরেছিলেন দুটি উইকেট।

আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে অর্ধশতকের একটি ইনিংস খেলর পাশাপাশি ২৯ রানের খরচায় শিকার করেছিলেন পাঁচ আফগান ব্যাটারকে। সবশেষ সাকিব চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ওমানের বিপক্ষের ম্যাচেও হয়েছেন ম্যাচসেরা।

যার ফলে সন্দেহের আর খুব একটা অবকাশ নেই সাদা বলের ক্রিকেটে কেন তিনি বিশ্বসেরা। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পুরোটাই সাকিবময়। বাংলাদেশের হয়ে শর্টার ফরম্যাটের এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রাহক সাকিব আল হাসান। তার ব্যাট থেকে এখন পর্যন্ত এসেছে ৬২৯ রান।

বল হাতেও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনি। এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব নিজের ঝুলিতে পুরেছেন ৩৫টি উইকেট।

আর মাত্র ৫টি উইকেট পেলেই সাকিব নিজের নাম লেখাবেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে। টপকে যাবেন পাকিস্তানি সাবেক তারকা শাহিদ আফ্রিদির করা ৩৯ উইকেটের রেকর্ডকে।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন

অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

অনেক নাটকের পর বাংলাদেশের স্বস্তির জয়

সোহানের সঙ্গে উইকেট উদযাপন করছেন সাকিব। ছবি: টুইটার।

বাংলাদেশের দেয়া ১৫৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটের খরচায় ১২৭ রানে থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। আর সেই সুবাদে বাংলাদেশ পায় ২৬ রানের দুর্দান্ত এক জয়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পর মূল পর্বে জায়গা করে নেয়ার ক্ষেত্রে শঙ্কা জাগে বাংলাদেশের। খাদের একদম কিনারায় দাঁড়িয়ে মাহমুদুল্লাহ বাহিনী দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামে ওমানের বিপক্ষে।

সেই ম্যাচে দুর্দান্ত জয় বাগিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার আশা জিইয়ে রাখল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশের দেয়া ১৫৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটের খরচায় ১২৭ রানে থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। আর সেই সুবাদে বাংলাদেশ পায় ২৬ রানের দুর্দান্ত এক জয়।

বাংলাদেশের করা ১৫৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি ওমানের। দলীয় ১৩ রানে ওপেনার আকিব ইলিয়াসের বিদায়ের পর হাল ধরেন জাতিন্দর সিং।

উইকেটের অপরপ্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিল চলতে থাকলেও জাতিন্দর সচল রাখেন দলের রানের চাকা। ১০ ওভারে দুই উইকেটে ৭০ রান করে বেশ ভালোমতো তখনও ম্যাচে টিকে ওমান।

সঙ্গে যোগ হয় টাইগার বোলারদের অগোছাল বোলিং। লাইন-লেংথের ঘাটতির সঙ্গে ছিল প্রতি ওভারে একাধিক লুজ বল। তার ভরপুর ফায়দা নেন জাতিন্দর।

৩৩ বলে ৪০ করে সাকিবের বলে লিটনের তালুবন্দি হয়ে জাতিন্দর বিদায় নেয়ার পর ভেঙ্গে পড়ে ওমানের ব্যাটিং লাইন আপ।

বিশেষ করে সাকিব আল হাসানের স্পিনের কোনো জবাব ছিল না আইসিসি সহযোগী দলটির কাছে। ১৭ তম ওভারে পরপর দুই বলে উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

শেষ পর্যন্ত ১২৭ রানেই থামতে হয় ওমানকে। আর সে সুবাদে বাংলাদেশ পায় ২৬ রানের দুর্দান্ত এক জয়।

বাংলাদেশের হয়ে ৪টি উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। সাকিব ঝুলিতে পুরেন তিনটি উইকেট। আর সাইফউদ্দিন ও মাহেদী নেন একটি করে উইকেট।

এর আগে ওমানের এমিরেতস স্টেডিয়ামে টসে হেরে বল করতে নেমে শুরু থেকে ওমান শিবিরে চলছিল ক্যাচ মিসের মহড়া। দলীয় ১১ রানে লিটন দাস সাজঘরে ফেরার আগে তিনটি ক্যাচ ছাড়েন স্বাগতিক ফিল্ডাররা। এর দুটি লিটনের, একটি নাঈম শেখের।

ব্যক্তিগত ৬ রান করে লিটন দাস ফেরার পর শূন্য রানে মাঠ ছাড়েন মাহেদী হাসান।

ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সাকিব আল হাসান। নাঈমকে সঙ্গে নিয়ে ৮০ রানের দুর্দান্ত এক পার্টানারশিপ গড়ে দলকে নিয়ে যান সুবিধাজনক অবস্থানে।

১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রানআউট হন সাকিব। ২৯ বলে ৪২ রান করেন তিনি।

ব্যাটিং লাইন আপে পরিবর্তন এনে মুশফিকের পরিবর্তে নামানো হয় নুরুল হাসান সোহানকে। রান পাননি তিনি। চার বলে তিন করে মাঠ ছাড়েন।

বড় স্কোর আসেনি আফিফ হোসেনের ব্যাট থেকেও। পাঁচ বলে এক রান করে আউট হন এই ড্যাশার। বড় শট খেলতে গিয়ে আয়ান খানের তালুবন্দি হয়ে বাংলাদেশের হয়ে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম অর্ধশতক করে মাঠ ছাড়েন নাঈম।

৫০ বলে ৬৪ রান করেন এই ওপেনার। তার ইনিংসে ছিল চারটি ছক্কা ও তিনটি চার।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মুশফিক উইকেটের পেছনে ধরা দিয়ে ফেরেন ৬ রানে। পরের বলে রানের খাতা খোলার আগে সাজঘরে ফিরতে হয় সাইফউদ্দিনকে।

এরপর বাকি কাজটা সারেন দলপতি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। শেষ পর্যন্ত সবগুলো উইকেটের খরচায় ১৫৩ রান তুলে মাঠ ছাড়ে ডমিঙ্গোর শিষ্যরা।

১০ বলে ১৭ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। ওমানের পক্ষে বিলাল খান ও ফাইয়াজ বাট তিনটি করে উইকেট নেন।

ব্যাট বলে অনবদ্য ভূমিকা রাখায় ম্যাচসেরা হয়েছেন সাকিব আল হাসান। বাছাইপর্বে বাংলাদেশের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ বৃহস্পতিবার পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন

অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি

অভিষেকেই নাঈমের ফিফটি

বাংলাদেশের হয়ে উইকেটে সাকিব ও নাঈম। ছবি: টুইটার

পরপর দুই উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপর্যস্ত সে সময় সাকিব আল হাসানের সঙ্গে মিলে দুর্দান্ত ৮০ রানের এক জুটি গড়ে নাঈম সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যান বাংলাদেশকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ওমানকে ১৫৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হয়েছে জাতীয় দলের ওপেনার নাঈম শেখের।

নিজের অভিষেকটা দুর্দান্ত রাঙিয়েছেন নাঈম। দলের বিপর্যয়ে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পরিচয় দিয়ে তুলে নিয়েছেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের তৃতীয় অর্ধশতক।

একই সঙ্গে এটি নাঈমের বিশ্বকাপে প্রথম অর্ধশতক। চলতি বিশ্বকাপের কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের এটি প্রথম অর্ধশতক।

দল যখন পরপর দুই উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপর্যস্ত সে সময় সাকিব আল হাসানের সঙ্গে মিলে দুর্দান্ত ৮০ রানের এক জুটি গড়ে নাঈম সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যান বাংলাদেশকে।

সাকিবের আউটের পর অপরপ্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিল চলতে থাকলেও উইকেট কামড়ে ধরে বসে থাকেন নাঈম। তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক।

শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৬৪ করে থামেন তিনি। বড় শট খেলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে আয়ান খানের তালুবন্দি হয়ে কালিমুল্লহের বলে সাজঘরে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন

সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের

সাকিব-নাঈমের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর বাংলাদেশের

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের একটি মুহূর্ত। ছবি: ‍আইসিসি

স্বাগতিক ওমানকে ১৫৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের পুঁজি পেয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। নাঈম ৬৪ ও সাকিব ৪২ রান করেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের টিকিয়ে রাখার ম্যাচে স্বাগতিক ওমানকে ১৫৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের পুঁজি পেয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

ওমানের এমিরেতস স্টেডিয়ামে টসে হেরে বল করতে নেমে শুরু থেকে ওমান শিবিরে চলছিল ক্যাচ মিসের মহড়া। দলীয় ১১ রানে লিটন দাস সাজঘরে ফেরার আগে তিনটি ক্যাচ ছাড়েন স্বাগতিক ফিল্ডাররা। এর দুটি লিটনের একটি নাঈম শেখের।

ব্যক্তিগত ৬ রান করে লিটন দাস ফেরার পর শূণ্য রানে মাঠ ছাড়েন মাহেদী হাসান।

ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশের ইনিংস মেরামতের গুরুভার কাঁধে তুলে নেন সাকিব আল হাসান। নাঈমকে সঙ্গে নিয়ে ৮০ রানের দুর্দান্ত এক পার্টানারশিপ গড়ে দলকে নিয়ে যান সুবধাজনক অবস্থানে।

১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রানআউট হন সাকিব। ২৯ বলে ৪২ রান করেন তিনি।

ব্যাটিং লাইন আপে পরিবর্তন এনে মুশফিকের পরিবর্তে নামানো হয় নুরুল হাসান সোহানকে। রান পাননি তিনি। চার বলে তিন করে মাঠ ছাড়েন।

বড় স্কোর আসেনি আফিফ হোসেনের ব্যাট থেকেও। পাঁচ বলে এক রান করে আউট হন এই ড্যাশার। বড় শট খেলতে গিয়ে আয়ান খানের তালুবন্দি হয়ে বাংলাদেশের হয়ে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম অর্ধশতক করে মাঠ ছাড়েন নাঈম।

৫০ বলে ৬৪ রান করেন এই ওপেনার। তার ইনিংসে ছিল চারটি ছক্কা ও তিনটি চার।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মুশফিক উইকেটের পেছনে ধরা দিয়ে ফেরেন ৬ রানে। পরের বলে রানের খাতা খোলার আগে সাজঘরে ফিরতে হয় সাইফউদ্দিনকে।

এরপর বাকি কাজটা সারেন দলপতি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং সাইফউদ্দিন মিলে। শেষ পর্যন্ত সবগুলো উইকেটের খরচায় ১৫৩ রান তুলে মাঠ ছাড়ে ডমিঙ্গো শিষ্যরা।

১০ বলে ১৭ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। ওমানের পক্ষে বিলাল খান ও ফাইয়াজ বাট তিনটি করে উইকেট নেন।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়াকে রমিজের হুঁশিয়ারি
কিউইদের ওপর হামলার হুমকি ভারত থেকে: পাকিস্তান
ইংল্যান্ড কথা না রাখায় চটেছেন রমিজ
ইংল্যান্ডও না বলল পাকিস্তানকে
পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রভাব পড়বে না: উইলিয়ামসন

শেয়ার করুন