‘উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে তৈরি হচ্ছে না লেগস্পিনার’

‘উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে তৈরি হচ্ছে না লেগস্পিনার’

আমিনুল ইসলাম বিপ্লব এবং জুবায়ের হোসেন লিখন। ছবি: সংগৃহীত

অভিজ্ঞ কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিমের মতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে না পারায় বাংলাদেশ বিশ্বমানের কোনো লেগি পায়নি। লেগস্পিনারদের জন্য বাড়তি মনোযোগী হতে হবে কর্তৃপক্ষকে এমনটা মনে করেন ফাহিম। আলাদা অনুশীলন, স্টাফ ও পিচের পাশাপাশি প্রয়োজন প্রতিভাদের আত্মবিশ্বাস যোগানো।

বিশ্বের সেরা দলগুলোতে এখন একটা দৃশ্য অতিপরিচিত। একজন লেগস্পিনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন আক্রমণে, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তুলে নিচ্ছেন উইকেট। রাশিদ খান, তাবরেইজ শামসি, অ্যাডাম জ্যাম্পা, আদিল রাশিদ, বিশ্বসেরা সব দলে আছেন একজন করে লেগস্পিনার।

হাতেগোনা যে কয়টি দলে নেই তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। মোহাম্মদ রফিক, আব্দুর রাজ্জাক, সাকিব আল হাসান বিশ্বসেরা অফ স্পিনারদের সার্ভিস বছরের পর বছর পেয়েছে টাইগার ক্রিকেট। কিন্তু টেস্ট অভিষেকের ২০ বছরেও দেখা মেলেনি একজন বিশ্বমানের লেগস্পিনারের।

দুই দশকে বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা গেছে হাতেগোনা কয়েকজন লেগস্পিনারকে। এর মধ্যে অলক কাপালি, জুবায়ের হোসেন ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব মোটামুটি সাফল্য পেয়েছেন।

অলরাউন্ডার হওয়াতে ক্যারিয়ার কিছুটা লম্বা হয়েছিল অলক কাপালির। কিন্তু শুরুতে সাফল্যের পরও থেমে যায় জুবায়ের হোসেনের ক্যারিয়ার। আর বর্তমানে আমিনুল ইসলাম দলে থাকলেও পাচ্ছেন না খেলার সুযোগ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটই শুধু নয় ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে সুযোগ পাননা জুবায়ের, বিপ্লবরা। ঘরোয়া ক্লাবগুলো আগ্রহী নয় তাদের নিতে।

কেনো লেগস্পিনারদের থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকা বাংলাদেশের? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নিউজবাংলা কথা বলেছে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব-তামিম-মুশফিকদের গুরু, ঘরোয়া ক্রিকেটের কিংবদন্তি কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সঙ্গে।

অভিজ্ঞ এই কোচ জানালেন উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় বাংলাদেশ বিশ্বমানের কোনো লেগি পায়নি।

তিনি বলেন, ‘একটা লেগস্পিনার চাইলে তাকে বের করে আনতে কী ধরনের পরিবেশ লাগবে? সেটার প্রক্রিয়া কী হবে? এগুলো তো আমাদের তৈরি করা লাগবে। সেটার দিকে আমরা এখনও মনোযোগ দেইনি। তাই স্বাভাবিকভাবে যার যেটা পছন্দ সে সেটাই করে। যেই পরিবেশ আছে সেখান থেকে যতটুক সাপোর্ট নেয়ার ততটুকুই নেয়। আর সেভাবেই বেড়ে ওঠে।’

লেগস্পিনারদের জন্য বাড়তি মনোযোগী হতে হবে কর্তৃপক্ষকে এমনটা মনে করেন ফাহিম। আলাদা অনুশীলন, স্টাফ ও পিচের পাশাপাশি প্রয়োজন প্রতিভাদের আত্মবিশ্বাস যোগানো।

তিনি বলেন, ‘লেগস্পিনারদের জন্য আমাদের একটা পরিবেশ তৈরি করা দরকার। লেগস্পিন করাটা কঠিন। এই কঠিন কাজটাকে যাতে সহজে করতে পারে সে রকম একটা অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে। লেগস্পিনারদের জন্য কোচ, ট্রেনিংয়ের সুযোগ সুবিধা আলাদাভাবে দিতে হবে। যেহেতু আমরা সেরকম কিছু করতে পারছি না, তাই স্বাভাবিকভাবে কঠিন কাজটা কেউ করতে চায় না। যে লেগস্পিনার হতে পারতো সে অফ স্পিনার হয়, কারণ সেটা সহজ।’

জাতীয় দলে এখন পর্যন্ত একমাত্র অলক কাপালি বাদে আর কোনো লেগি নিজেকে প্রমাণের জন্য পাননি পর্যাপ্ত সুযোগ। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অলক কাপালি খেলেছেন ১৭টি টেস্ট, ৬৯টি ওয়ানডে ও ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

আর বাংলাদেশের হয়ে ৬টি টেস্ট, ৩টি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলেই থেমে গেছে জুবায়েরের ক্যারিয়ার। আর বিপ্লব খেলেছেন ৭টি টি-টোয়েন্টি।

‘উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে তৈরি হচ্ছে না লেগস্পিনার’
তিন ছাত্র নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান ও সোহরাওয়ার্দী শুভর সঙ্গে ক্রিকেট কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম। ছবি: ফেসবুক

সাকিব-তামিম-মুশফিকদের গুরু ফাহিমের মতে পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবে নিজেদের প্রমাণ করতে পারছেন না লেগিরা। যার কারণে অল্পতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে তাদের ক্যারিয়ার। কিভাবে অবস্থার উন্নতি করা যায় তার একটি উপায় বাতলেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘লেগস্পিনার বের করতে আমরা জাতীয়ভাবে একটা উদ্যোগ নিতে পারি। যেমন পেইস বোলিং হান্ট হচ্ছে, তেমনি লেগস্পিনারদের জন্য এমন একটা প্ল্যাটফর্ম করে দিতে পারি, তাদের জন্য একটা বিশেষ ক্যাম্প হবে সেখান থেকে লেগস্পিনার উঠিয়ে নিয়ে আসতে পারি। যদি সত্যিকারের ইচ্ছা থাকে তাহলে গোড়া থেকে ধরতে হবে। নাহলে অপেক্ষা করতে হবে হঠাৎ করে একটা আন্তর্জাতিক মানের লেগস্পিনার পেয়ে যাব। যেটা একেবারেই অলৌকিক একটা ব্যাপার হবে।’

আপাতত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিশ্বমঞ্চে লেগস্পিনার ছাড়াই নামছে বাংলাদেশ। শামসি, রাশিদরা যেখানে দলের হয়ে ঘাম ঝড়াবেন মাঠে সেখানে বিপ্লবকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে স্ট্যান্ডবাই বেঞ্চে।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেজাজ হারিয়ে শাস্তি গুনলেন লিটন-কুমারা

মেজাজ হারিয়ে শাস্তি গুনলেন লিটন-কুমারা

বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পরার সময় লিটন ও কুমারা। ছবি: আইসিসি

আইসিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লিটনকে জরিমানা করা হয়েছে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ এবং কুমারাকে করা হয়েছে ২৫ শতাংশ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ায় জরিমানা গুনেছেন বাংলাদেশের ব্যাটার লিটন কুমার দাস ও শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলার লাহিরু কুমারা।

বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি সোমবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লিটনকে জরিমানা করা হয়েছে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ এবং কুমারাকে করা হয়েছে ২৫ শতাংশ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ম্যাচে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন লিটন ও কুমারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুমারা আইসিসির কোড অব কনডাক্টের আর্টিকেল ২.৫ বিধি লঙ্গন করেন। আর লিটন ভঙ্গ করেন আর্টিকেল ২.২০। ব্যাটারের উপর আক্রমণাত্মক আচরণ করায় কুমারাকে ২৫ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা করা হয়েছে। আর খেলার স্পিরিট বহির্ভূত আচরণ করায় লঘু জরিমানা হিসেবে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে লিটনকে।

ঘটনাটি ঘটেছে ম্যাচের পঞ্চম ওভারে। লিটনকে আউট করার পর তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান কুমারা। দুইজনের শব্দের যুদ্ধ থামান দুই দলের খেলোয়াড়রা।

দুজনকে একটি করে ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়। একই সঙ্গে দুই প্লেয়ার নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন ও শাস্তি মেনে নেন।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন

অ্যাশেজে ডাক পেলেন স্টোকস

অ্যাশেজে ডাক পেলেন স্টোকস

ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার বেন স্টকস। ফাইল ছবি

আঙুলে সার্জারির পর স্টোকসকে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) চিকিৎসক দল ও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছাড়পত্র দেয়ায় তার মাঠে নামতে আর কোনো বাধা নেই।

অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের জন্য ডেকেছে ইংল্যান্ড। আঙুলে সার্জারির পর ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) চিকিৎসক দল ও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছাড়পত্র দেয়ায় ৩০ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের মাঠে নামতে আর কোনো বাধা নেই।

গত জুলাইয়ের শেষ দিকে মানসিক অবসাদের কারণে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ক্রিকেট থেকে বিশ্রামে যান স্টোকস। যে কারণে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা হয়নি তার।

১০ অক্টোবর ইসিবির ঘোষণা করা অ্যাশেজের প্রাথমিক দলেও ছিল না তার নাম। তবে স্টোকস খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করায় ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র পাওয়ায় তাকে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানায় ইসিবি।

স্টোকস বলেন, ‘মানসিকভাবে সুস্থ হতে ও আমার আঙুল ঠিক হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় নিতে আমি বিশ্রাম নিয়েছিলাম। এখন আমি আমার বন্ধুদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় মাঠে নামতে মুখিয়ে আছি।’

এপ্রিলে আইপিএল খেলার সময় আঙুলে চোট পান স্টোকস। এরপর দুইবার সার্জারি করা হয় তার।

চার অক্টোবর তার দ্বিতীয় সার্জারি শেষ হয়। স্টোকস দলের সঙ্গে যোগ দিতে চার নভেম্বর অস্ট্রেলিয়া যাবেন। ইংল্যান্ডের অধিকাংশ সদস্য নভেম্বরে যাবেন অস্ট্রেলিয়ার কুইনসল্যান্ডে।

সেখানে একটি রিসোর্টে কোয়ারেন্টিন করবেন তারা। কোয়ারেন্টিন শেষে তারা অনুশীলন শুরু করবেন।

পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের অংশ হিসেবে থাকা বাটলার, জনি বেয়ারস্টো, ডাউয়িড মালান ও মার্ক উড।

৮ ডিসেম্বর থেকে ব্রুসবেনে শুরু হচ্ছে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন

বড় হারে লজ্জিত নন কোহলি

বড় হারে লজ্জিত নন কোহলি

পাকিস্তানের কাছে হারের পর বিমর্ষ ভারতের অধিনায়ক ভিরাট কোহলি। ছবি: এএফপি

ভারতের অধিনায়ক ভিরাট কোহলির কাছে বড় হার অবাক করার মতো ছিল না। পাকিস্তানকে পুরো কৃতিত্ব দিচ্ছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে কোহলি বলেন, পাকিস্তান কোনো সুযোগই দেয়নি তার দলকে।

ভারতকে আইসিসি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে পাকিস্তান। শুধু প্রথমবার জয়ই নয়, কাগজে-কলমে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে ১০ উইকেটে বাজিমাত করায় অবাক অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ।

তবে ভারতের অধিনায়কের কাছে সেটা অবাক করার মতো ছিল না। পাকিস্তানকে পুরো কৃতিত্ব দিচ্ছেন ভিরাট কোহলি। সংবাদমাধ্যমকে কোহলি বলেন, পাকিস্তান কোনো সুযোগই দেয়নি তার দলকে।

তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের কোনো সুযোগ দেয়নি। যখন কেউ ১০ উইকেটের জয় পায়, এর মানে প্রতিপক্ষকে তারা কোনো রকম সুযোগই দেয়নি। তারা খুবই পেশাদার ছিল।

‘আমরা তাদের চাপে রাখার সব চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাদের কাছে সেসবের জবাব ছিল। নিজেদের থেকে ভালো দলের কাছে হারে লজ্জার কিছু নেই।’

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারতের প্রথম ১০ উইকেটের পরাজয় ছিল রোববার। দুবাইয়ের উইকেটে টস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল মনে করেন কোহলি। কৃত্রিম আলোয় তিনি বল করতে চাননি।

ম্যাচ শেষে অবশ্য এসব অজুহাতের ধার ধারেননি কোহলি। টুর্নামেন্ট কেবল শুরু এমনটা অভিমত তার।

তিনি যোগ করেন, ‘পাকিস্তানের ইনিংসের দ্বিতীয় দিকে যখন শিশির পড়া শুরু হয় তখন তারা বেশ নিরাপদে স্ট্রাইক রোটেট করা শুরু করে। আমরা ডট বল করতে পারছিলাম না, কারণ পিচে ব্যাটসম্যানদের শট খেলার জন্য ভালো পেইস ছিল। স্কোয়ার বলগুলো কাজে আসেনি।’

পাকিস্তানের কাছে বড় হারের পর নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পাচ্ছে কোহলির দল। ছয় দিন পর ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে ভারত।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন

‘টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত রান করা সহজ নয়’

‘টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত রান করা সহজ নয়’

নিজের ফিফটির পথে ড্রাইভ খেলছেন মুশফিকুর রহিম। ছবি: আইসিসি

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৭ বলে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন মুশফিক। দীর্ঘদিন পর রান পাওয়ায় সন্তুষ্ট মুশফিক। তবে জানালেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সব সময় রান করা সহজ বিষয় নয়।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ হারলেও টাইগারদের জন্য কয়েকটি ইতিবাচক দিকের একটি ছিল মুশফিকুর রহিমের রানে ফেরা। বিশ্বকাপের মূল পর্বের প্রথম ম্যাচেই ৩৭ বলে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন মুশফিক।

এটি ছিল শর্টার ফরম্যাটে মুশফিকের ১১ ইনিংসের পর ফিফটি। তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটির সাহায্যে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছাড়ায় ১৭০। দীর্ঘদিন পর রান পাওয়ায় সন্তুষ্ট মুশফিক। তবে জানালেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সব সময় রান করা সহজ বিষয় নয়।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘দেখেন টি-টোয়েন্টিতে তো টানা রান করা সহজ না। টি-টোয়েন্টির বিশ্বে দেখবেন নিয়মিত রান কেউই করতে পারে না। আমরা যারা ৪, ৫, ৬ নম্বরে খেলি এখানে একজন ক্রিকেটার পাবেন না যে নিয়মিত রান করে। এটা হবেই।

‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, একজন ব্যাটসম্যান যেন বড় ইনিংস খেলেন। সব সময় একজনের ওপর ভরসা করা যাবে না। আমরা চেষ্টা করছি একেক দিন যেন একেক জন দাঁড়িয়ে যায়।’

মুশফিকের রানে ফেরার দিন দুর্ভাগ্যজনকভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে ক্যাচ মিসের সঙ্গে অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বোলিং পরিকল্পনাও ছিল তোপের মুখে। মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসানের ওভার পুরো না করিয়ে অধিনায়ক নিজে বল করেন ও আফিফ হোসেনকে দিয়ে বল করান।

তাদের তিন ওভারে আসে ৩৬ রান। আর সাকিব নিজের তিন ওভারে দেন ১৭ রান, নেন দুই উইকেট। মুশফিক অবশ্য সমর্থন দিচ্ছেন অধিনায়ককে। বাংলাদেশের পরিকল্পনায় ছিল সাকিবকে একেবারে শেষ ওভার দেয়ার, জানালেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।

তিনি বলেন, ‘উইকেট খুব ভালো ছিল। লেফটিরা সেট ছিল। ইনিংসের শেষটা তো গুরুত্বপূর্ণ। তখন আমরা চেয়েছিলাম সাকিবকে আনব। কারণ শেষদিকে কঠিন সময়টা আসে। আর সাকিব চ্যাম্পিয়ন বোলার। সে এসব মুহূর্তের চাপ সইতে পারবে। তবে হারের জন্য সাকিবকে বোলিংয়ে না আনাটা কারণ না।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর দুই দিন সময় পাচ্ছেন সাকিব-মুশফিকরা। এরপর তাদের মাঠে নামতে হবে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

ওয়ানডে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে বুধবার বিকেল ৪টায় আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে নামছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন

১০ উইকেটের জয়ে ১৪ বছরের অপেক্ষা ঘুচলো পাকিস্তানের

১০ উইকেটের জয়ে ১৪ বছরের অপেক্ষা ঘুচলো পাকিস্তানের

বাবর ও রিজয়ান ম্যাচজয়ী জুটি গড়েন ভারতের বিপক্ষে। ছবি: টুইটার

প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর স্বাদ পেল পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটের বড় জয়ে ইতিহাস গড়ে মাঠ ছেড়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। ভারতের করা সাত উইকেটে ১৫১ রানের লক্ষ্যকে কোন উইকেট না হারিয়ে ১৩ বল বাকি থাকতে টপকে যায় পাকিস্তান।

২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের কাছে শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ হয় পাকিস্তানের। এরপর গত ১৪ বছরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয় পায়নি পাকিস্তান।

অবশেষে ১৪ বছর পর ফুরাল অপেক্ষা। প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর স্বাদ পেল পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটের বড় জয়ের পাশাপাশি ইতিহাস গড়ে মাঠ ছেড়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম।

ভিরাট কোহলিদের দেয়া ১৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ১৩ বল অক্ষত রেখে জয় পায় পাকিস্তান। এ সময় দুই ওপেনারের মধ্যে বাবর আজম ৫২ বলে ৬৮ ও মোহম্মদ রিজওয়ান ৫৫ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

শুরু থেকে ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে অনায়াসে খেলতে থাকেন দুই জন। বুমরাহ, জাডেজা, শামি কেউই কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি।

দুবায়ের ব্যাটিং উইকেটে নির্বিঘ্নেই লক্ষ্যে পৌঁছান আজম ও রিজওয়ান। শেষ হয় পাকিস্তানের সাত ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অপেক্ষা।

এই প্রথম কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ১০ উইকেটে হেরেছে ভারত ও ১০ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান।

শুধু টি-টোয়েন্টিই নয় এর আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে একবারও জেতেনি পাকিস্তান। ১৯৯২ বিশ্বকাপ থেকে থেকে হারের ধারাবাহিকতা শুরু।

দুই দল বিশ্ব আসরে প্রথম একে অপরের মোকাবিলা করে ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপে। এরপর ১৯৯৬, ৯৯, ২০০৩, ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০০৭, ২০১২, ২০১৪, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা ভারতের কাছে হারে পাকিস্তান। অবশেষে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাল্টালো পাশার দান।

যার কৃতিত্ব মূলত পাকিস্তানি বোলারদের। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান দলপতি বাবর আজম।

ম্যাচের চতুর্থ বলে শাহিন শাহ আফ্রিদির ইয়র্কার লেন্থের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে রানের খাতা খোলার আগে ফেরেন রোহিত শর্মা। এক ওভার পর লোকেশ রাহুলের অফ স্টাম্প উড়িয়ে দেন এই পেইসার।

আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সুরিয়াকুমার ইয়াদভও ব্যর্থ হন। হাসান আলির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে আউটসাইড এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ধরা দিয়ে আউট হন ১১ রানে।

দলের এমন বিপর্যয়ে এগিয়ে আসেন ভিরাট কোহলি। রিশাভ পান্টকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন। গড়েন ৫৩ রানের জুটি। শাদাব খানের কল্যাণে পান্টের বিদায়ে ভাঙ্গে তাদের জুটি। বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন রভিন্দ্র জাডেজা ও হার্দিক পান্ডিয়াও।

এক প্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান কোহলি। তাকে থামতে হয় ৫৭ রানে। পাক বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষতক সাত উইকেটে ১৫১ রানে থামে ভারতের ইনিংস।

পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি নেন তিনটি উইকেট। দুই উইকেট নেন হাসান আলি। আর একটি করে উইকেট যায় শাদাব খান ও হারিস রউফের ঝুলিতে।

চার ওভার বল করে ৩১ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন শাহিন আফ্রিদি।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন

আমরা ভালো ফিল্ডিং ও বোলিং করিনি: মুশফিক

আমরা ভালো ফিল্ডিং ও বোলিং করিনি: মুশফিক

ক্যাচ মিসের পর মুস্তাফিজের হতাশা। ছবি: আইসিসি

শুধু ক্যাচ ফেলাকে হারের জন্য দায়ী করছেন না অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তার মতে ফিল্ডিং দূর্বলতার সঙ্গে বাজে বোলিংয়ের কারণে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জ দেয় বাংলাদেশ। সেই চ্যালেঞ্জের জবাবে টাইগার বোলারদের খরুচে বোলিং ও মিস ফিল্ডিংয়ের সহায়তায় ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলঙ্কা।

আপাতদৃষ্টিতে লিটন দাসের হাতে ভানুকা রাজাপাকসে ও চারিথ আসালাঙ্কা জীবন পাওয়ায় ঘুরে গেছে ম্যাচের মোড়ে। তবে শুধু ক্যাচড্রপকে হারের জন্য দায়ী করছেন না অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

তার মতে ফিল্ডিং দূর্বলতার সঙ্গে বাজে বোলিংয়ের কারণে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ম্যাচ শেষে সংবাদসম্মেলনে এমনটাই বলেন মুশফিক।

মুশফিক বলেন, ‘আমরা ১৭০ রান করে জেতার অবস্থায় ছিলাম। পরে আমরা সুযোগ নিতে পারিনি। ভাল বোলিং বা ফিল্ডিং করিনি। এটা সত্যি খারাপ লাগে যে, ভাল খেলে হারলে সে ভাল খেলার কোন মানে নেই। তবে আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে, এই ফরম্যাটে বড় দল বা ছোট দল বলে কিছু নেই। সামনে একই ভাবে আমরা এগোতে চাই।

দল হারলে শুরু হয় ক্রিকেটারদের কড়া সমালোচনা। সেগুলোকে পাত্তা না দিয়ে মুশফিক বলেন, ‘মাঠের বাইরে তো নানা রকম কথা হবেই। ক্রিকেটার হিসেবে ভাল করলে সবাই তালি দিবে আর খারাপ করলে গালি দিবে এটাই নিয়ম। এটা আমার প্রথম বছর না। গত ১৬ বছর ধরে এসব দেখে আসছি।

‘যারা এসব বলে তাদের উচিত নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখা। কারণ তারা তো বাংলাদেশের হয়ে খেলে না। আমরা খেলছি। সবাই ভাল করার চেষ্টা করি। কোনদিন হয় কোনদিন হয় না।’

সুপার টুয়েলভে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৭ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন

ভারতকে ১৫১ রানে আটকে দিল পাকিস্তান

ভারতকে ১৫১ রানে আটকে দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান দলের উদযাপন। ছবি: টুইটার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহারণে ভারতকে ১৫১ রানে আটকে দিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের খরচায় ১৫১ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে কোহলিরা।

ক্রিকেটবিশ্বে ভারত পাকিস্তান ম্যাচ মানে মহারণ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহারণে ভারতকে ১৫১ রানে বেধে দিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের খরচায় ১৫১ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে কোহলিরা।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান দলপতি বাবর আজম।

ম্যাচের চতুর্থ বলে শাহিন শাহ আফ্রিদির ইয়র্কার লেন্থের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে রানের খাতা খোলার আগে ফেরেন রোহিত শর্মা। এক ওভার পর লোকেশ রাহুলের অফ স্টাম্প উড়িয়ে মাঠ ছাড়া করেন এই পেইসার।

আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সুরিয়াকুমার ইয়াদভও ব্যর্থ হন। হাসান আলির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে আউটসাইড এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ধরা দিয়ে আউট হন ১১ রানে।

দলের এমন বিপর্যয়ে এগিয়ে আসেন ভিরাট কোহলি। রিশাভ পান্টকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন। গড়েন ৫৩ রানের জুটি। শাদাব খানের কল্যাণে পান্টের বিদায়ে ভাঙ্গে তাদের জুটি। বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন রভিন্দ্র জাডেজা ও হার্দিক পান্ডিয়াও।

এক প্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান কোহলি। তাকে থামতে হয় ৫৭ রানে। পাক বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষতক ১৫১ রানে থামে ভারতের ইনিংস।

পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি নেন তিনটি উইকেট। দুই উইকেট নেন হাসান আলি। আর একটি করে উইকেট যায় শাদাব খান ও হারিস রউফের ঝুলিতে।

আরও পড়ুন:
লো-স্কোরিং প্রথম দিনে এগিয়ে বাংলাদেশ যুব দল
মুরাদের স্পিনে সংগ্রহ বাড়াতে পারল না মুমিনুলের দল
দুটি ক্রিকেট মাঠ পাচ্ছে মাশরাফির নড়াইল
ওমরাহ থেকে ফিরেছেন সাত ক্রিকেটার
বিসিবির বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন

শেয়ার করুন