সাফ ফাইনাল খেলার অঙ্গীকার ব্রুজনের

সাফ ফাইনাল খেলার অঙ্গীকার ব্রুজনের

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন অস্কার ব্রুজন। ছবি: বাফুফে

সাফে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দলকে ফাইনালে নেয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অস্কার।

বুধবার সকালে ইংল্যান্ড ফিরে গেছেন জেমি ডে। জেমি অধ্যায় শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন অস্কার ব্রুজন। সাফ ফুটবল সামনে রেখে ২৬ সদস্যের স্কোয়াড দিয়েছেন। একই সঙ্গে সাফে বাংলাদেশকে ফাইনালে নেয়ার অঙ্গীকার করেছেন এই স্প্যানিশ কোচ।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সাফের লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন অস্কার ব্রুজন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সুযোগ রয়েছে। বাস্তবতা বলছে সাফের নিচ থেকে সাফের দ্বিতীয় দল বাংলাদেশ। তবে আমাদের খেলোয়াড়দের সেই শক্তি আছে। আমি এখানে এসেছি ফাইনাল খেলতে।’

গত সপ্তাহে অনেক কিছু দেখেছে দেশের ফুটবল। জাতীয় দলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে জেমিকে। তার জায়গায় এসেছেন বসুন্ধরা কিংসের প্রধান কোচ অস্কার ব্রুজন। শুধু সাফের জন্য তাকে চ্যালেঞ্জ নিতে হচ্ছে।

অস্কারের পছন্দের দল ঘোষণা করা হয়েছে। যে দলে জেমির অধীনে খেলা ২৫ সদস্য জায়গা পেয়েছেন। নতুন করে দলে ফিরেছেন ঢাকা আবাহনীর জুয়েল রানা। ডাকা হয়েছে এলিটা কিংসলেকে।

সাফের স্কোয়াড নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে অস্কার বলেন, ‘পেশাদারভাবে এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। জেমির পরিস্থিতিটা বুঝতে পেরেছি। এই অবস্থায় এক সপ্তাহ সময় আছে হাতে। এখানে যাচাই-বাছাই করার সময় নেই। তাই ২৬ সদস্যের দল দেয়া হয়েছে। এখান থেকে চূড়ান্ত ২৩ জন সাফে যাবে।’

যাদের ডাকা হয়েছে তারা সবাই ঘরোয়া ফুটবলের সেরা মুখ। অভিজ্ঞতা ও সাফল্যে ক্ষুধা দেখেই দল বাছাই করা হয়েছে জানালেন ব্রুজন।

তিনি বলেন, ‘এই দলে বিপিএলের সেরা ফুটবলাররা জায়গা পেয়েছে। তারা সেরা ক্লাবের সেরা প্লেয়ার। তারা জেতার জন্যই খেলে। ভিন্ন ধাঁচে খেলবে কিন্তু জিততে চাইবে।’

সাফে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দলকে ফাইনালে নেয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অস্কার।

তিনি বলেন, ‘র‌্যাঙ্কিংয়ের হিসেবে পিছিয়ে আছি। লক্ষ্য থাকবে গোল না খাওয়া। এটা পরিবর্তন করতে চাই। আমি আত্মবিশ্বাসী ও কোনো চাপে নেই। টেকনিক্যালি ও ট্যাকটিক্যালি কিছু পরিবর্তন আসবে দলে।’

জেমির স্টাইলে তিন বছরে খেলা ফুটবলারদের মধ্যে নতুন করে এই কয়দিনে নিজের স্টাইল খাপ খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ কঠিন কিনা এমন প্রশ্নে অস্কার বলেন, ‘আমার সুবিধা রয়েছে একদিক থেকে যে, বসুন্ধরা কিংসের ১০ জন ফুটবলার রয়েছেন দলে যারা আমার স্টাইল ও লক্ষ্য বোঝে। বাকিদের জন্য আমার কোচিং স্টাফ থাকছে দলে। পরীক্ষা করার সময় নেই এখন। আমাদের ঝাপিয়ে পড়তে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী নেমে যেতে হবে।’

ফুটবলারদের মধ্যে জেতার মানসিকতা ও আত্মবিশ্বাস চান এই স্প্যানিশ কোচ। বলেন ‘চাইব সাফের টাইটেল জিততে। ফেডারেশন সবকিছু দেয়ার চেষ্টা করবে। তাদের লক্ষ্য আছে। আমি দেশের ফুটবলারদের উপর ভরসা রাখি। পজেশন থেকে শুরু করে আমাদের মডেলে খেলতে পারি তাহলে সম্ভব। আমার যে আত্মবিশ্বাস আছে তা খেলোয়াড়দের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হবে দায়িত্ব।’

দলে ডাক পাওয়া ২৬ জন সাফের অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দল অনুশীলন শুরু করবে বলে জানিয়েছে বাফুফে।

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

লিওনেল মেসির অন্যরকম অভিষেক

লিওনেল মেসির অন্যরকম অভিষেক

মার্শেইয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে অনুশীলনে লিওনেল মেসি। ছবি: টুইটার

বিশ্বকাপ, কোপা, চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল, এল ক্লাসিকো বিশ্বের সব বড় ম্যাচে নাম লিখিয়েছেন মেসি। রোববার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে তার অভিষেক হচ্ছে ফ্রেঞ্চ ফুটবলের ধ্রুপদি ম্যাচ ‘ল্য ক্ল্যসিক’-এ।

প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) যাওয়ার পর থেকে ভিন্ন রকম অভিজ্ঞতা হচ্ছে লিওনেল মেসির। বার্সেলোনায় ছিলেন দলের সেরা তারকা। পিএসজিতে নেইমার, এমবাপেদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হচ্ছে তারকাখ্যাতি। গোল করার ক্ষেত্রেও এমবাপের সঙ্গে টক্কর দিতে হচ্ছে ছয়বারের ব্যলন ডর জয়ীকে।

তারপরও ধীরে ধীরে পিএসজিকে নিজের ঘর বানিয়ে নিয়েছেন মেসি। প্যারিসিয়ানরা তাকে কেন্দ্র করেই সাজাচ্ছে নিজেদের কৌশল। ফ্রান্সে যাওয়ার পর নতুন এক অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে মেসির। রাতে তিনি নামছেন ফ্রেঞ্চ ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচে।

ক্যারিয়ারে বড় ম্যাচ কম খেলেননি মেসি। বিশ্বকাপ, কোপা, চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল, এল ক্লাসিকো বিশ্বের সব বড় ম্যাচে নাম লিখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর। রোববার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে তার অভিষেক হচ্ছে ফ্রেঞ্চ ফুটবলের ধ্রুপদি ম্যাচ ‘ল্য ক্ল্যসিক’-এ।

মার্শেইয়ের মাঠে খেলতে যাচ্ছে পিএসজি। রিয়াল-বার্সা, লিভারপুল-ম্যানইউ ও বায়ার্ন-ডর্টমুন্ডের ম্যাচের মতোই ভক্তদের উত্তেজনা চরমে পৌঁছে এই দুই দলের লড়াই নিয়ে। মেসি যোগ হওয়ায় এবারের 'ক্ল্যসিক' পাচ্ছে বাড়তি মাত্রা।

পিএসজির হয়ে ম্যাচে ফিরছেন নেইমার। অর্থাৎ পুরো শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামছে লিগের শীর্ষে থাকা পিএসজি।

১০ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে মরিসিও পচেত্তিনোর দল। লিগে তারা হেরেছে মাত্র এক ম্যাচ।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সাবেক কোচ হোর্হে সাম্পাওলি এখন মার্শেইর দায়িত্বে। যিনি মেসিদের দায়িত্বে ছিলেন ২০১৮ বিশ্বকাপে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে তার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা এখনও ভোলেননি ভক্তরা।

মার্শেই দলে মেসি-এমবাপের মতো বিশ্বসেরা না থাকলেও রয়েছেন দিমিত্রি পায়েত ও ম্যাথিউ গুয়েন্দোজির মতো ইউরোপীয় ফুটবলের অভিজ্ঞরা। সঙ্গে নিজের স্টেডিয়ামে দর্শকদের সমর্থন তো থাকছেই।

সবমিলিয়ে পিএসজি-মার্শেই হতে পারে বছরের অন্যতম সেরা লড়াই। দুই দলের সবশেষ ম্যাচে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে মার্শেই জিতেছিল ১-০ গোলে।

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন

মোল্লাহাটে ৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট

মোল্লাহাটে ৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে এমপি শেখ হেলাল উদ্দিন ৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হয় আটজুরি ইউনিয়নের শেখ রাসেল ফুটবল দল ও কোদালিয়া ইউনিয়ন ফুটবল দল। টাইব্রেকারে কোদালিয়া ইউনিয়ন ফুটবল দলকে হারিয়ে উদ্বোধনী খেলায় বিজয়ী হয়েছে শেখ রাসেল ফুটবল দল।

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে শুরু হয়েছে এমপি শেখ হেলাল উদ্দিন ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। চার দলের এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় মোল্লাহাটে খলিলুর রহমান ডিগ্রি কলেজ মাঠে শুরু হয় টুর্নামেন্টের খেলা।

টুর্নামেন্টে আটজুরি ইউনিয়নের শেখ রাসেল ক্লাব, কোদালিয়া ইউনিয়ন ফুটবল দল, গাওলা ইউনিয়ন ফুটবল দল এবং উদয়পুর ইউনিয়নের শেখ আবু নাসের ফুটবল দল অংশ গ্রহণ করেছে। প্রতিটি দলে রয়েছেন ঢাকা লিগের দেশি ও বিদেশি খেলোয়াড়।

উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হয় আটজুরি ইউনিয়নের শেখ রাসেল ফুটবল দল ও কোদালিয়া ইউনিয়ন ফুটবল দল। টাইব্রেকারে কোদালিয়া ইউনিয়ন ফুটবল দলকে হারিয়ে উদ্বোধনী খেলায় বিজয়ী হয়েছে শেখ রাসেল ফুটবল দল।

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন

তারকাশূন্য এল ক্লাসিকো

তারকাশূন্য এল ক্লাসিকো

ক্লাসিকোর আগে অনুশীলনে রিয়াল মাদ্রিদ। ছবি: টুইটার

বার্সেলোনার মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বাংলাদেশ সময় রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রথমবার মৌসুমে মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা।

বছর চারেক আগেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাব ফুটবল ম্যাচ ধরা হতো এটিকে। শুরুর সপ্তাহদুয়েক আগে থেকে বিশ্বের তাবৎ সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে থাকত ম্যাচের খুঁটিনাটি। বিশ্বের সেরা দুই দলের ফুটবলাররাও তেতে থাকতেন বছরজুড়ে।

‘এল ক্লাসিকোর’ সেই জৌলুস এখন আর নেই। রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার ধ্রুপদী লড়াই এখন শুধু আটকে ঐতিহ্যের আর লা লিগার বড় ম্যাচের মোড়কে। বার্সেলোনার মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বাংলাদেশ সময় রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রথমবার মৌসুমে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি।

২০১৭ সালে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালডোর বিদায়ে শুরু। ২০২১ সালে লিওনেল মেসি যখন বার্সেলোনা ছাড়লেন তখন এল ক্লাসিকো তো বটেই পুরো লা লিগার জনপ্রিয়তা নিয়েই চিন্তিত হয়ে পড়ে কর্তৃপক্ষ।

এক সময় ক্লাসিকো মাতাতেন রোনালডো, রামোস, কাসিয়াস, মেসি, চাভি, ইনিয়েস্তা, সুয়ারেসরা। সেখানে এখন তারকার খাতায় জোর করে বসাতে হয় বেনজেমা, ভিনিসিয়াস, ফাতিদের।

ক্লাসিকোর বৈশ্বিক আকর্ষণ কমে গেলেও দুই ক্লাবের সমর্থকদের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব কমছে না। বরং দুই দলের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব দুই রকম।

টেবিলের তিনে থাকা রিয়াল আজ জিতলে শীর্ষে ওঠার সুযোগ পাবে। আর আটে থাকা বার্সেলোনার সামনে সুযোগ থাকবে তিনে উঠে আসার ও শিরোপা লড়াইয়ে টিকে থাকার।

ক্লাসিকোতে হারলে বিপর্যস্ত রোনাল্ড কুমানের বিদায় ঘণ্টা বেজে যেতে পারে। মেসিকে ছাড়া ম্যাচ জিততে সংগ্রাম করতে হচ্ছে বার্সেলোনা বসকে।

রিয়ালের বিপক্ষে ফেলিপে কোতিনিয়ো ও উসমান ডেম্বলেকে একাদশে রাখছেন না কুমান তা প্রায় নিশ্চিত। মেম্ফিস ডিপায়, লুক ডি ইয়ং ও আনসু ফাতির ওপরই নির্ভর করবেন কুমান।

তারকাশূন্য এল ক্লাসিকো
অনুশীলনের ফাঁকে বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা। ছবি: টুইটার

অন্যদিকে, সেরা তারকাদেরই পাচ্ছে রিয়াল। বেনজেমার সঙ্গে আক্রমণে থাকছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। টনি ক্রুস, কাসেমিরো ও লুকা মডরিচের অভিজ্ঞতায় নিশ্চিত ভাবে এগিয়ে থাকবে রিয়াল মাদ্রিদ।

দুই দলের সবশেষ তিন ম্যাচে তিনবারই জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। পরিসংখ্যানকে নিজেদের দিকে আরও ভারী করতে চাইবে লস ব্লাঙ্কোস। অন্যদিকে, বার্সেলোনার কোচের ভবিষ্যত নির্ভর করছে আজকের ম্যাচের ওপর।

বার্সেলোনা একাদশ: টের স্টেগান, আলবা, পিকে, গার্সিয়া, রবার্তো, ফ্র্যাংকি ডি ইয়ং, গাভি, বুস্কেটস, লুক ডি ইয়ং, ডিপায়, ফাতি

রিয়াল একাদশ: কোঁতোয়া, নাচো, মিলিতাও, আলাবা, মেন্ডি, কাসেমিরো, ক্রুস, মডরিচ, রদ্রিগো, ভিনিসিয়াস, বেনজেমা।

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন

৮১ পূর্ণ করলেন ফুটবল সম্রাট

৮১ পূর্ণ করলেন ফুটবল সম্রাট

বিশ্বকাপের জুলে রিমে ট্রফিতে চুমু খাচ্ছেন পেলে। ছবি: ফিফা

১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর পেলের জন্ম ব্রাজিলের মিনাস গেরেইস রাজ্যের ত্রেস কোরাকোয়েসে। তার আসল নাম এদসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো। ছোট থেকেই ফুটবলের প্রতি আকৃষ্ট পেলের ক্লাব ফুটবলে অভিষেক ১৫ বছর বয়সে। সান্তোসের জার্সিতে।

১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল। ১০ বছরের ছোট দিকো গেছে বাবার সঙ্গে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয় দেখতে। উরুগুয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ শিরোপা লড়াই দেখতে ঐতিহাসিক মারাকানায় হাজির লাখ দেড়েক দর্শক। পুরো দেশে উৎসবের প্রস্তুতি।

কিন্তু সবাইকে হতবাক করে দিয়ে ২-১ গোলে ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে চলে যায় উরুগুয়ে। ফুটবলের দেশে যেন নেমে আসে জাতীয় দুর্যোগ। পুরো ব্রাজিল ভেঙে পড়ে কান্নায়। ছোট দিকো কাঁদতে দেখে বাবাকেও।

ছোট বয়সেই সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে বিশ্বকাপের ট্রফি এনে দেবে তার বাবাকে। এর ঠিক আট বছর পর বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল। আর সেলেকাওদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের নায়ক ছিলেন সেই দিকো। পুরো বিশ্ব যাকে চিনে নেয় পেলে নামে।

এরপর আরও দুটি বিশ্বকাপ জিতেছেন কালো মানিক হিসেবে খ্যাত পেলে। ২৩ অক্টোবর এ ফুটবল কিংবদন্তির ৮১তম জন্মদিন।

দুই দশকের বেশি লম্বা ক্যারিয়ারে গড়েছেন অসংখ্য রেকর্ড। জিতেছেন তিনটি বিশ্বকাপ, করেছেন এক হাজার গোল। তারপরও পেলেকে মানুষ চেনে তার পরিসংখ্যান দিয়ে নয়, ফুটবল খেলাকে যে নন্দিত রূপ দিয়েছিলেন তার জন্য।

পেলে ফুটবলকে বলতেন ‘দ্য বিউটিফুল গেম’। মাঠে তার দ্রুতগতির, ছন্দময় ও শৈল্পিক ফুটবল ভক্তদের বিশ্বাস দেয় যে আসলেই ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর খেলা।

১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর পেলের জন্ম ব্রাজিলের মিনাস গেরেইস রাজ্যের ত্রেস কোরাকোয়েসে। তার আসল নাম এদসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো। ছোট থেকেই ফুটবলের প্রতি আকৃষ্ট পেলের ক্লাব ফুটবলে অভিষেক ১৫ বছর বয়সে, সান্তোসের জার্সিতে।

ছোটবেলায় তার প্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন আরেক বিখ্যাত ক্লাব ভাস্কো দা গামার গোলকিপার বিলে। বন্ধুরা তাকে বিলে বলে খেপাতো স্কুলে। বিলে থেকেই বদলে তার নাম হয়ে যায় পেলে। হারিয়ে যায় বাবা-মার দেয়া ডাকনাম দিকো।

জাতীয় দলে পেলের অভিষেক হয় মাত্র ১৬ বছর বয়সে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মারাকানায় হার দিয়ে শুরু হলেও তার হাত ধরে রচিত হয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের নতুন ইতিহাস।

৫৮ এর পর ১৯৬২ ও ১৯৭০-এর বিশ্বকাপ জেতেন পেলে। ১৯৭০-এ পেলের দলটিকে বলা হয় ফুটবল ইতিহাসের সেরা দল। ৭০ বিশ্বকাপ জিতে ব্রাজিলের জার্সি থেকে অবসর নেন। আরও চার বছর খেলেন সান্তোসের হয়ে।

ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় খেলেন নিউ ইয়র্ক কসমসের হয়ে। আশির দশকে ডিয়েগো ম্যারাডোনার আবির্ভাবের আগে পেলেই ছিলেন ফুটবল রাজত্বের একচ্ছত্র অধিপতি।

আধুনিক যুগেও লিওনেল মেসির সঙ্গে তুলনাতে আসেন পেলে। যুগে যুগে যেন ফুটবলারদের শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি বনে গেছেন এই জীবন্ত কিংবদন্তি।

জন্মদিনের আগে শরীর ভালো যাচ্ছিল না পেলের। তবে চিকিৎসা শেষ পুরো সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

নিজের ৮১তম জন্মদিনে ভক্তদের উদ্দেশে মজার এক বার্তা দিয়েছেন ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা নাম্বার টেন। ইন্সটাগ্রামে কেকের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘আমার জন্মদিন আসছে। কেক তৈরি করেছেন তো?’

তার জন্মদিনে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছে ফিফা, ইউয়েফা বিশ্বজুড়ে অন্যান্য ফুটবল সংস্থা। ফুটবল সম্রাটের জন্মদিন শুধু তার একার নয়, পুরো ফুটবল বিশ্বের যেন উৎসবের মুহূর্ত।

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন

মেসির প্রথম ‘ল্য ক্ল্যসিক’

মেসির প্রথম ‘ল্য ক্ল্যসিক’

মার্শেইয়ের মাঠে নামার আগে পিএসজির অনুশীলনে নেইমার ও মেসি। ছবি: টুইটার

প্রথমবারের মতো ফ্রেঞ্চ ফুটবলের সবচেয়ে বড় লড়াই ‘ল্য ক্ল্যসিকের’ অংশ হচ্ছেন মেসি। রোববার রাত পৌনে একটায় মার্শেইয়ের মাঠে নামতে যাচ্ছে পিএসজি।

প্যারিসে আসার পর সব ধরনের অভিজ্ঞতাই হয়েছে লিওনেল মেসির। ঐতিহাসিক শুভেচ্ছা পেয়েছেন প্যারিসিয়ানদের কাছ থেকে, গোল খরায় ভুগেছেন, দুর্দান্ত গোল করে ম্যাচ ও সমর্থকদের মন জিতে নিয়েছেন।

প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) আসার দুই মাসের মাথায় প্রত্যাশিতভাবে ক্লাবের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এ ফুটবলার।

তবে রোববার রাতে প্রথমবারের মতো একটি অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে মেসির। প্রথমবারের মতো ফ্রেঞ্চ ফুটবলের সবচেয়ে বড় লড়াই ‘ল্য ক্ল্যসিকের’ অংশ হচ্ছেন তিনি। রাত ১২.৪৫ মিনিটে মার্শেইয়ের মাঠে নামতে যাচ্ছে মেসির পিএসজি।

ফ্রেঞ্চ ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ হিসেবে পরিচিত এই দুই দলের লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে এগিয়ে আছে পিএসজি। গত আট ক্ল্যসিকের সাতটিতেই জিতেছে তারা। গত বছর মার্শেই ১-০ গোলে হারিয়েছিল প্যারিসিয়ানদের।

লিগে দুই দলের মধ্যে পয়েন্ট তালিকায় রয়েছে বিস্তর ফারাক। ১০ ম্যাচের ৯টি জিতে পিএসজি ২৭ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে শীর্ষে। নয় ম্যাচে পাঁচ জয় ও দুই ড্রয়ে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে মার্শেই আছে তিনে।

দুই দলের এ ব্যবধানকে আরও বাড়াতে চায় পিএসজি। দলের মিডফিল্ডার আন্দের এরেরা বলেন, ‘এটি কঠিন একটি ম্যাচ ও বিশেষ একটি দিন হতে যাচ্ছে। মার্শেই বেশ ভালো ফর্মে আছে। ম্যাচটি তিন পয়েন্টের চেয়েও বেশি কিছু আমাদের জন্য।’

মার্শেইয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পিএসজি সুখবর পেয়েছে। চোটের কারণে চ্যাম্পিয়নস লিগ না খেলা নেইমার সুস্থ হয়ে ফিরছেন একাদশে।

ফলে মেসি, নেইমার, এমবাপের তিনজনকেই আক্রমণে দেখা যেতে পারে রোববার রাতে। ফ্রেঞ্চ লিগে এখনও পিএসজির জার্সিতে গোল পাননি মেসি। মার্শেইয়ের মাঠ হতে পারে তার অ্যাকাউন্ট খোলার মঞ্চ।

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন

মেসির সতীর্থ ইকার্দিকে নিয়ে স্ত্রী-প্রেমিকার লড়াই

মেসির সতীর্থ ইকার্দিকে নিয়ে স্ত্রী-প্রেমিকার লড়াই

ওয়ান্দা নারা, মাওরো ইকার্দি ও মারিয়া ইউজেনিয়া সুয়ারেজ।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজেকে ইকার্দির প্রেমিকা দাবি করেন মারিয়া এবং লেখেন, ‘আজ আমার নীরব থাকা উচিত হবে না।’

প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) লিওনেল মেসির সতীর্থ মাউরো ইকার্দি। দুই আর্জেন্টাইন তারকার মধ্যে শীতল সম্পর্কের খবর নতুন নয়।

তবে এসব খবর ছাপিয়ে এখন আলোচনায় ইকার্দির ভঙ্গুর সংসারের গল্প। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, ত্রিভূজ প্রেমের কারণে বেহাল হয়ে পড়েছেন ইকার্দি।

শুক্রবার নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্জেন্টাইন ‘বিউটি গুরু’ ওয়ান্দা নারা শুধু ইকার্দির স্ত্রী নন। পিএসজি তারকার এজেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ইকার্দির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন ওয়ান্দা। তিনি লিখেছেন, ‘আরও একটি পরিবার ধ্বংস করে দিচ্ছ তুমি।’

শুধু তাই নয়, এর আগে তিনি ইকার্দিকে আনফলোও করেন।

দিন কয়েক আগেই ভক্তরাও ধারণা করছিল সাংসারিক ঝামেলার মধ্যে পড়েছেন ইকার্দি। কারণ সেই সময়টিতে ওয়ান্দা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘আমি আলাদা হয়ে গেছি।’

ঠিক সেই সময়টিতেই আবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের খেলা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন ইকার্দি। সেসময় বিয়ের আংটি ছাড়া নিজের হাতের একটি ছবি পোস্ট করে জল্পনাকে আরও উস্কে দেন ওয়ান্দা।

গত রোববার অবশ্য ওয়ান্দার প্রতি একটি প্রেমময় পোস্ট দিয়ে জল্পনায় পানি ঢালতে চেয়েছিলেন পিএসজি তারকা। দুজনের একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছিলেন, ‘সুন্দর এই পরিবারে বিশ্বাস রাখার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ প্রিয়তমা।’

এ ঘটনার দুদিন পর সব মাটি করে দেন আর্জেন্টাইন মডেল মারিয়া ইউজেনিয়া সুয়ারেস। এই মারিয়াই হলেন ইকার্দির-ওয়ান্দার সম্পর্কে ফাটল ধরানো তৃতীয় পক্ষ। টেলিগ্রামে ইকার্দির সঙ্গে মারিয়ার গোপন কথা-বার্তা, দুজনের ভিডিও ও অডিও মেসেজের প্রমাণও আছে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান-এর কাছে।

গত বুধবার ইনস্টাগ্রামে নিজেকে ইকার্দির প্রেমিকা দাবি করে মারিয়া লেখেন, ‘আজ আমার নীরব থাকা উচিত হবে না।’

এরপরই তিনি লেখেন, ‘আজ যে পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছে তা আমি শুরু করিনি। আমি তাকে প্রলুব্ধ করিনি। আজ যা কিছু ঘটছে তার পেছনে এক বিরাট এবং গভীর গল্প আছে। আমি এমন মানুষের সঙ্গেই মিশেছি যার কথা আমি বিশ্বাস করেছি।’

মারিয়া অভিযোগ করেন, ওয়ান্দার সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা বলে ইকার্দি তার সঙ্গে প্রণয়ে জড়িয়েছেন।

ওয়ান্দার সঙ্গে ইকার্দির ছবি পোস্ট প্রসঙ্গে মারিয়া বলেন, ‘একটি সুখী পরিবার টিকে থাকার খরচ আমি বহন করছি। অথচ যে এই ভুলটি করেছে সেই বিচারবোধহীন মানুষটি দিব্যি সুখে আছে। আমার পরিবারের কথা ভেবে আমি নীরব ছিলাম। কিন্তু এখন আমি আমার নিজের বিরুদ্ধেই দাঁড়িয়েছি।’

মেসির সতীর্থ ইকার্দিকে নিয়ে স্ত্রী-প্রেমিকার লড়াই
মারিয়া ইউজেনিয়া সুয়ারেজ ও ওয়ান্দা নারা

ইকার্দির স্ত্রীর নাম না উল্লেখ করে মারিয়া দাবি করেন, এক নারী যেমন খুশি তার ওপর রাগ ঢেলে দিচ্ছেন।

এ ঘটনার পর ওয়ান্দাও দেরি করেননি প্রতিক্রিয়া দেখাতে। তিনিও ইকার্দির সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি আমার পরিবারের যত্ন নেব। আর জীবন নিজেই ওইসব দুঃখীদের যত্ন নেবে।’

২০১৩ সালে ইকার্দি ও ওয়ান্দার মধ্যে প্রথম দেখা হয়। সেসময় ওয়ান্দা ছিলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দল ও বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড ম্যাক্সি লোপেসের স্ত্রী। লোপেস ছিলেন লিওনেল মেসির কাছের বন্ধু।

২০১৪ সালে স্বামীকে ডিভোর্স দেয়ার কিছু দিনের মধ্যে তিনি ইকার্দিকে বিয়ে করেন। তারপর থেকে মেসির সঙ্গে ইকার্দির দূরত্বের শুরু।

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন

রেকর্ড হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন মরিনিয়ো

রেকর্ড হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন মরিনিয়ো

রোমার কোচ জোসে মরিনিয়ো। ছবি: এএফপি

ম্যাচ শেষে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরাজয় নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত ছিলেন মরিনিয়ো। হারের পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছেন এ অভিজ্ঞ কোচ। বিকল্প দল খেলানোতে এ বিপর্যয় স্বীকার করে নেন তিনি।

দুই দশকের শীর্ষপর্যায়ের কোচিংয়ে কখনও এত বাজেভাবে হারতে হয়নি জোসে মরিনিয়োকে। ইউয়েফা কনফারেন্স লিগে নরওয়ের অখ্যাত বুডো-গ্লিমটের কাছে ৬-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে মরিনিয়োর রোমা।

এ হারে গ্রুপ-সিতে ২ নম্বরে চলে গেছে ইতালিয়ান ক্লাবটি।

নরওয়ের বুডোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতেই ধাক্কা খায় রোমা। ৮ মিনিটে এরিক বটহাইমের গোলে লিড নেয় স্বাগতিক দল।

২০ মিনিটে দলের লিড দ্বিগুণ করে দেন প্যাট্রিক বার্গ। এর ৮ মিনিট পর রোমার হয়ে এক গোল শোধ করেন কার্লেস পেরেস।

২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বুডো। গোলবন্যার শুরু হয় দ্বিতীয়ার্ধে,

এ অর্ধে আরও চার গোল বাগিয়ে নেয় বুডো-গ্লিমট। বটহেইমের দ্বিতীয় গোলে শুরু।

একে একে স্কোরশিটে নাম ওঠান ওলা সোলবাক্কেন ও আমাল পেলেগ্রিনো। ম্যাচের মিনিট পনেরো বাকি থাকতে ৫-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে রোমা।

৮০ মিনিটে সোলবাক্কেনের দ্বিতীয় গোলে বড় পরাজয় নিশ্চিত হয় রোমার। ৬-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক দল।

ম্যাচ শেষে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরাজয় নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত ছিলেন মরিনিয়ো। হারের পুরো দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন এ অভিজ্ঞ কোচ। বিকল্প দল খেলানোতে এ বিপর্যয় স্বীকার করে নেন তিনি।

স্কাই স্পোর্টসকে মরিনিয়ো বলেন, ‘আমি এ দলটাকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের পুরো দায়িত্ব আমার। যারা পরিশ্রম করতে আগ্রহী ছিল তাদের দিয়েই দল সাজিয়েছিলাম। কিছু খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেয়ারও দরকার ছিল। আমরা ভালো দলের কাছে হেরেছি।’

সেরি আতে রোববার নাপোলির বিপক্ষে বড় ম্যাচ রোমার। তাই বিকল্প খেলোয়াড় নামিয়েছিলেন নরওয়ের মাঠে। তবে এটাকে অজুহাত হিসেবে মানতে চান না তিনি।

বিকল্প খেলোয়াড়দের মান নিয়ে সন্তুষ্ট নন মরিনিয়ো। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম সারি ও বিকল্প খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আমি আরও ভালো পারফরম্যান্স আশা করছিলাম।’

আরও পড়ুন:
এলিটাকে নিয়ে ২৬ জনের সাফ দল
এক বছর পেছাল সাফ ফুটবল

শেয়ার করুন